১২:৩৮ পূর্বাহ্ন

সোমবার, ২৯ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২১ ২:১২ অপরাহ্ন
নওগাঁ জেলায় ভুট্টা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

নওগাঁ জেলায় চলতি রবি (২০২১-২০২২) মওসুমে মোট ৬ হাজার ৯৬০ হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ভুট্টা চাষ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় অর্ধেক জমিতে ভুট্টার বীজ বপন সম্পন্ন হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে। জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ধার্যকৃত জমিতে ভুট্টা বপন সম্পন্ন হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শামসুল ওয়াদুদ জানিয়েছেন- ক্রমাগত ভুট্টার আবাদ সম্প্রসারিত হলেও বাংলাদেশে এখনও ভুট্টার ঘাটতি রয়েছে। ভুট্টা মুরগীর ও মাছের খাদ্য, পশু খাদ্য, মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ভুট্টাতে প্রচুর ভিটামিন এ রয়েছে। এ ছাড়া ক্যালসিয়ামও রয়েছে ভুট্টাতে। এর পুষ্টিমানও চাল কিংবা গমের চেয়ে বেশী। এসব কারনে কৃষকরা বাজারে ভুট্ট্রা ভালো দাম পাওয়ার কারনে কৃষকদের মধ্যে ভুট্টা চাষের আগ্রহ অধিক পরিলক্ষিত হচ্ছে।

কৃষি বিভাগের সূত্রমতে, জেলার উপজেলা ভিত্তিক ভুট্টা চাষের ধার্যক্রত লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ২৬০ হেক্টর, রাণীনগর উপজেলায় ৪৩০ হেক্টর, আত্রাই উপজেলায় ৪ হাজার ৯৬০ হেক্টর, বদলগাছি উপজেলায় ৮৫ হেক্টর, মহাদেবপুর উপজেলায় ১৯০ হেক্টর, পত্নীতলা উপজেলায় ৩৫ হেক্টর, ধামইরহাট উপজেলায় ৩৯৫ হেক্টর, সাপাহার উপজেলায় ১০ হেক্টর, পোরশা উপজেলায় ১৫ হেক্টর, মান্দা উপজেলায় ৫২৫ হেক্টর এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৫৫ হেক্টর। উল্লেখিত পরিমাণ জমিত থেকে এ বছর ৭৩ হাজার ৮০ টন ভুট্টা উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে।

এদিকে ভুট্টাচাষে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলতে জেলার ১০ হাজার প্রান্তিক কৃষককে প্রত্যেককে ১ বিঘা জমির বিপরীতে সরকারি প্রণোদনা হিসেবে বিনামূল্যে সার ও বীজ প্রদান করা হয়েছে। প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক কৃষককে ২ কেজি করে বীজ, ২০ কেজি করে ডিএপি এবং ১০ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ কার্যক্রম চলছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২১ ১২:০৭ অপরাহ্ন
ফরিদপুরে আগাম কুল চাষে সফলতা
কৃষি বিভাগ

আগাম জাতের কুল চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন ফরিদপুরের এক তরুণ উদ্যোক্তা। ভারত সুন্দরী ও কাশমিরি জাতের আপেল কুল আছে তার বাগানে। নতুন জাতের এই কুল চাষ করে সাড়া ফেলেছেন এলাকায়। তার বাগানে কর্মসংস্থান হয়েছে অনেকের। 

ফরিদপুর সদর উপজেলার হাট গবিন্দপুরের তরুণ উদ্যোক্তা মফিজুর রহমান মাফি। চার বছর আগে নিজের ৮ বিঘা জমিতে গড়ে তোলেন মিশ্র ফলের বাগান। প্রথম বছরেই আসে সাফল্য। এরপর বাড়িয়েছেন বাগানের পরিধি। বর্তমানে আগাম জাতের কুল চাষ করে সফল হয়েছেন এই উদ্যোক্তা। বল সুন্দরী ও কাশমিরি আপেল কুল রয়েছে তার বাগানে।  ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে বাজারে আসবে এসব কুল। চলতি বছর অধিক ফলনশীল ও আগাম জাতের ভারত সুন্দরী ও টক-মিষ্টি কুলও চাষ করেছেন তিনি।

চারা লাগানোর পর ৭ মাসেই এসেছে ফলন। নতুন জাতের এই কুল দেখতে বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা ভিড় করছেন মাফির বাগানে। কর্মসংস্থান হয়েছে অনেকের।

মফিজুর রহমান মাফি জানান, একবিঘা জমিতে কুল চাষে খরচ হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা। যা থেকে আয় হচ্ছে দেড় থেকে দু’লাখ টাকা। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কুল চাষে বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানালেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

কৃষি কর্মকর্তা মোঃআবুল হোসেন মিয়া বলেন, মাফির মত অন্যরাও পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ নিয়ে বাগান করলে লাভবান হতে পারবেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২১ ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
ফের বেড়েছে চালের দাম, বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা
কৃষি বিভাগ

আবারও বেড়েছে চালের দাম। দেশের প্রধান এই খাদ্যশস্যের দাম বেশ কিছুদিন থেকেই বাড়িতর দিকে। এতে করে বিপাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষরা। এক থেকে দেড় সপ্তাহে পাইকারি ও খুচরা বাজারে চালের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ছয় টাকা পর্যন্ত।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব বলছে, গত ছয় মাসে জাতীয় মূল্যস্ফীতির চেয়ে চালের মূল্যস্ফীতি দ্বিগুণেরও বেশি ছিল।

বাজার ঘুরে ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমন মৌসুমের ধান থেকে মূলত স্বর্ণা, গুটি স্বর্ণা ও আঠাশ, ঊনচল্লিশ ইত্যাদি চাল উৎপাদন হয়। এসব চাল তুলনামূলক মোটা হওয়ায় মধ্যবিত্ত পরিবারে বিশেষ করে শহরাঞ্চলে খুব একটা চাহিদা নেই। ফলে আমন মৌসুমে সরু বা মাঝারি মানের চালের বাজারে খুব একটা প্রভাব পড়ছে না। তার পরও আমন মৌসুম চালের বাজারে দামের রাশ টেনে ধরতে বেশ ভূমিকা রাখে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের বড় বড় কম্পানি চালের ব্যবসায় এসেছে। উৎপাদিত ধানের বড় একটি অংশ মজুদ করছে তারা। আগের অটোরাইস মিল তো আছেই। সব মিলিয়ে চালের সরবরাহে মিলার ও বড় ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণ আরো বেড়েছে। যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব দ্রুত পড়ছে বাজারে। সর্বশেষ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা চার-পাঁচ দিন বৃষ্টি হয়েছে। এতে আমনের কিছু ক্ষতি হয়েছে। অনেকে সময়মতো ধান তুলতে পারেননি। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা চালের দাম কেজিপ্রতি দুই থেকে ছয় টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে মিনিকেট, নাজিরশাইল, ভালোমানের আটাশসহ সরু চালের দাম। এসব চাল বোরো মৌসুমের বিভিন্ন ধান থেকে আসে।

তবে চালের দাম বাড়ার আরো কিছু কারণ বলছেন সরবরাহকারীরা। তাঁরা বলছেন, পরিবহন ব্যয় বাড়ায় প্রতি কেজিতে সরবরাহ খরচ বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ পয়সা। এ ছাড়া সরকারের ধান ক্রয়ের কারণে বাজারে ধানের দাম বেড়েছে। দক্ষিণাঞ্চলে এখনো ৫০ শতাংশ আমন ধান উঠতে বাকি, এতে ধানের পর্যাপ্ত সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সপ্তাহখানেক আগে বাবুবাজারে পাইকারিতে ভালো মানের নাজিরশাইলের কেজি বিক্রি হয়েছে ৬২ টাকা। বর্তমানে ছয় টাকা বেড়ে ৬৮ টাকা হয়েছে। কিছুটা কম মানের নাজিরশাইল চাল পাওয়া যেত ৫৪ থেকে ৫৫ টাকায়। বর্তমানে তা ৬০ টাকা কেজি। ভালো মানের মিনিকেটের কেজি ছিল ৫৬ টাকা কেজি, বর্তমানে ৫৯ টাকা কেজি। কেজিতে বেড়েছে তিন টাকা। কিছুটা কম মানের মিনিকেট পাইকারিতে দুই টাকা বেড়ে ৫৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আঠাশ ও ঊনপঞ্চাশ নামের মাঝারি মানের চাল আগে পাইকারিতে বিক্রি হতো ৫০ টাকা, বর্তমানে ৫২ থেকে ৫৪ টাকায় উঠেছে। স্বর্ণা, গুটিসহ মোটা চালের কেজি আগে ছিল ৪০ টাকা। এখন বেড়ে ৪২ টাকা হয়েছে।

বাংলাদেশ রাইস মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি কাউছার আলম খান বাবলু বলেন, ‘চালের ব্যবসায়ী এখন আর শুধু ছোট মিলগুলো নেই। বড় ব্র্যান্ড কম্পানিও চালের ব্যবসায় নেমেছে। ফলে ধান মজুদের পরিমাণ বেড়েছে। শহরের পাশাপাশি গ্রামেও এখন সরু চালের চাহিদা বেড়েছে। তবে কয়েক দিন টানা বৃষ্টির কারণেই হঠাৎ চালের দাম বেড়েছে। সপ্তাহ দুয়েক পরে দাম কমে আসতে পারে। ’

গতকাল সেগুনবাগিচা বাজারে ভালো মানের মিনিকেট চাল বিক্রি হয়েছে ৬৬ থেকে ৬৮ টাকা কেজিতে। কিছুটা কম মানের মিনিকেট ৬৪ থেকে ৬৬ টাকা কেজি। আগে প্রতি কেজিতে চার টাকা কম ছিল। এই বাজারে নাজিরশাইল দুই থেকে চার টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৬৯ টাকায়। মানভেদে কাটারিভোগ দুই টাকা বেড়ে ৭০ থেকে ৭২ টাকা হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রশিদ অ্যাগ্রো, দাদা, এরফান, মোজাম্মেল, গাজী অটোরাইস এবং শিল্পগোষ্ঠীর মধ্যে আকিজ, সিটি, এসিআই, ভিওলা, রূপচাঁদা, প্রাণ, এসিআই, স্কয়ারসহ কয়েকটি কম্পানি চালের ব্যবসা করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রাণ ও সিটি গ্রুপের চালের মিল আছে। তবে আকিজ গ্রুপ বিভিন্ন মিল থেকে চাল উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে জাতীয় মূল্যস্ফীতির চেয়ে চালের মূল্যস্ফীতি ছিল দ্বিগুণেরও বেশি। কখনো কখনো তা তিন গুণের কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে গড় মূল্যস্ফীতির হার সর্বোচ্চ উঠেছিল জুনে। ওই সময় গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫.৬৪ শতাংশ। একই সময় চালের মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১৫.১৮ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) চলতি মাসের ‘খাদ্যশস্য : বিশ্ববাজার ও বাণিজ্য’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০-২১ বাণিজ্য বছরে বাংলাদেশ ২৬ লাখ ৫০ হাজার টন চাল আমদানি করেছে, যা চাল আমদানিকারক দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ৪৫ লাখ টন আমদানি করে প্রথম চীন। তবে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গত জুলাই থেকে ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত মাত্র ১৫ লাখ টন চাল দেশে আমদানি হয়েছে। ২৬ লাখ টন চাল আমদানির আইপিও দেওয়া হয়েছে। তাই আমদানির তথ্যটি ঠিক নয়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ খানা আয়-ব্যয় জরিপে উঠে এসেছে, দেশে খানাপিছু গড় মাসিক আয় ১৫ হাজার ৯৪৫ টাকা। এর মধ্যে প্রায় ৪৮ শতাংশই যায় খাদ্য কেনায়। দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে মাসিক মোট আয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় হয় খাদ্যের পেছনে। এই খাদ্যের বেশির ভাগই চাল। দেশে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চালের মাথাপিছু দৈনিক ভোগ ৪৭০ গ্রাম, যেখানে অন্যদের ক্ষেত্রে তা ৩৬৬ গ্রাম। প্রধান খাদ্যশস্যটির মূল্যস্ফীতির বোঝাও তাদের ঘাড়ে চাপে বেশি।

ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, এখন অটোমিল ও করপোরেট প্রতিষ্ঠান চালের দাম নির্ধারণ করে দেয়। ধান মজুদের নীতিমালায় পরিবর্তন আনা দরকার। এ ছাড়া সব গুদামেই ধানের মজুদসংক্রান্ত তথ্য সরকারের কাছে থাকা উচিত। সরকারি গুদামে ধান-চালের মজুদ বাড়াতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৭, ২০২১ ১:২৪ অপরাহ্ন
গাজনার বিলে মাছের পরিবর্তে পেঁয়াজ চাষ!
কৃষি বিভাগ

পাবনা জেলার সুজানগরের প্রমত্তা গাজনার বিলের অধিকাংশ এলাকা চলতি শীত মৌসুমে শুকিয়ে গেছে। ফলে বিলে এখন মাছের পরিবর্তে আবাদ হচ্ছে পেঁয়াজ।

উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গাজনার বিলে এক সময় সারা বছর পানি থইথই করত। সে সময় উপজেলার মত্স্যজীবীরা বিলে মাছ ধরে জীবিকানির্বাহ করতেন।

কিন্তু কালের আবর্তনে বর্তমানে এই বিলে আর সারা বছর পানি থাকে না। বিলটিতে বছরের ছয় মাস পানি থাকলেও আর ছয় মাস শুকনো থাকে। চলতি শীত মৌসুমে গাজনার বিলের খালের অংশ ছাড়া বেশির ভাগ এলাকা শুকিয়ে গেছে। ফলে বিলে এখন আর মাছ মিলছে না। তবে বর্তমানে বিলে মাছ না মিললেও পেঁয়াজের আবাদ হচ্ছে চোখে পড়ার মতো।

বিল পাড়ের দুর্গাপুর গ্রামের কৃষক কামরুজ্জামান বলেন, গাজনার বিলে কখনও ফসল আবাদ করা যাবে এ কথা ভাবাই যায়নি। কেননা বেশিদিন আগের কথা নয়, প্রমত্তা গাজনার বিলের বিশাল ডেউয়ের তোড়ে বিল পাড়ের মানুষের বাড়িঘর ভেঙে লণ্ডভণ্ড হয়ে যেতো। আর বিলে মাছ আর পানি ছিল প্রায় সমান। আর এখন সেই বিল শুকিয়ে যাওয়ায় ফসল আবাদ হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম বলেন, এক সময়ের প্রমত্তা গাজনার বিলে বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমে পেঁয়াজের আবাদ হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৭, ২০২১ ১২:৪৬ অপরাহ্ন
কলাপাড়ায় মাশরুম চাষে সফলতা
কৃষি বিভাগ

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সমগ্র দেশ যখন স্থবির হয়ে পড়ে। মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর মারাত্মক প্রভাব বিস্তার করে। ঠিক তখনই বিকল্প জীবিকার সন্ধানে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে মাশরুম চাষে সফল এক যুবক। বর্তমানে তার খামারে রয়েছে ১ হাজার খড়ের স্পন প্যাকেট। আর এ স্পন থেকে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো মাশরুম বিক্রি করে মাসে আয় করছেন ৬০ হাজার টাকা। বর্তমানে এ যুবকের সাফল্য পুরো এলাকাজুড়ে সাড়া ফেলেছে।

পটুয়াখালীর দক্ষিণ কালিকাপুর এলাকার সুশান্ত মজুমদারের ছেলে সৌমিত্র মজুমদার শুভ। ২০১৭ সালে এলএলবি পাস করে ঢাকায় এক আইনজীবীর সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন।

করোনাকালীন সময়ে আদালত বন্ধ থাকায় এলাকায় ফিরে আসেন তিনি। বেশ কিছুদিন বেকার থাকার পর জার্মানিতে থাকা খালাতো বোনের পরামর্শে আগ্রহী হন মাশরুম চাষে। পরে সাভারের জাতীয় মাশরুম উন্নয়ন সেন্টারে দুই মাসের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউপির নবাবগঞ্জ গ্রামের খালার বাড়িতে ৫০টি স্পন প্যাকেট দিয়ে শুরু করেন মাশরুম চাষ। ফলন ভালো হওয়ায় ওই বাড়ির ২০ শতাংশ জমিতে দুটি শেডের মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে তোলেন মাশরুম খামার। বর্তমানে খামার থেকে প্রতিদিন ১৫ কেজি করে মাশরুম পাচ্ছেন তিনি। তাতেও মেটাতে পারছেন না স্থানীয় চাহিদা।

মাশরুম চাষি সৌমিত্র মজুমদার শুভ জানান- খড়, কাঠের গুঁড়া, গমের ভুসি, তুস ও চুন দিয়ে আমরা নিজেরাই মাশুরুমের বীজ তৈরি করি। পরে বীজের সঙ্গে জাতীয় মাশরুম উন্নয়ন সেন্টার থেকে আনা টিস্যু কালচার যুক্ত করে সঠিক পরিচর্যা ও দিনে ৩ বার পানি স্প্রেরের মাধ্যমে ২০ দিনের মাথায় শুরু হয় ফলন। এ কাজে তেমন একটা পরিশ্রম নেই। প্রতিদিন ৩০ কেজির মতো অর্ডার আসে। এবং বেশিরভাগ অর্ডারই অনলাইনেই আসে। খামার আরও বড় করতে পারলে এলাকার চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করার আশা তার।

খামার পরিদর্শনে আসা বরগুনার কৃষি খামারি মো. রিয়াজ উদ্দিন জানান, আমি এলাকায় ড্রাগনসহ কৃষি খামার গড়ে তুলেছি। মাশরুম চাষের খবর পেয়ে এখানে এসেছি। শুভর খামার পরিদর্শনে এসে বুঝতে পারছি মাশরুম চাষ করা মোটামুটি সহজ। আমি এলাকায় এই খামার গড়ে তুলতে চাই।

শুভর খালাতো ভাই জীবন বিশ্বাস জানান, মাশরুম চাষে আগ্রহী হওয়ার পরই শুভকে আমাদের পরিত্যক্ত জমিতে খামার গড়ে তুলতে বলি। শুভ ২০ শতাংশ জমির উপর দুটি শেড তৈরি করে মাশরুম চাষ করছে। আশা করছি ও সফল খামারি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।

জার্মানি প্রবাসী শুভর খালাতো বোন রত্না বিশ্বাস জানান, বিদেশে প্রতিদিনই সবাই মাশরুম খেয়ে থাকেন। এর পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। তবে এ দেশের মানুষ মাশরুমের গুণ সম্পর্কে তেমন একটা জানে না। শুভ যখন বেকার দিন কাটাচ্ছিল তখন ওকে মাশরুম চাষের পরামর্শ দিয়েছিলাম। দেশে এসে দেখলাম খামার করে অনেক আয় করছে।

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এআরএম সাইফুল্লাহ জানান, মাশরুম চাষ একটি লাভজনক পেশা। এর পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। কলাপাড়া কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে মাশরুম চাষি শুভকে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। এ ছাড়া এই এলাকার কোনো যুবক মাশরুম চাষে আগ্রহী হলে তাকে সকল ধরনের সহযোগিতা করা হবে। আমরা চাই কলাপাড়ায় মাশরুম চাষের বিপ্লব ঘটুক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৭, ২০২১ ১২:০৬ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় পরীক্ষামূলক চা চাষে সফলতা
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে পরীক্ষামূলক চা চাষে সফলতা মিলেছে। এবছরের শুরুর দিকে লাগানো চারায় পাতা ও কুঁড়ি ধরেছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, লালমাই পাহাড়ের মাটি ও আবহাওয়া চা চাষের জন্য উপযোগি। তবে পানির সরবরাহ ঠিক রাখতে হবে।

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে সারাবছরই সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ হয়। এবার চা চাষেও সাফল্যের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে পাহাড়ের রতনপুর এলাকায় দশ একর জায়গায় ছয় হাজার চায়ের চারা রোপন করেন তারিকুল ইসলাম নামে এক উদ্যোক্তা। বেশীর ভাগ চা গাছেই কুঁড়ি মেলে পাতা গজিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

লালমাই পাহাড় চা চাষের জন্য সম্ভাবনাময় বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারাও। তারিকুল নিজ উদ্যোগে চা বাগান করলেও কৃষি বিভাগ সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিচ্ছে বলেও জানান তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
লোকসানের কবলে আমন চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষক
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে লোকসানের কবলে পড়ে আমন ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষক। এতে উপজেলার প্রায় ৮ হাজার হেক্টর অনাবাদী পড়ে থাকছে। বছরের ৬ মাস ফসলি মাঠ পানির নিচে থাকায় মাঠজুড়ে জন্মেছে জলজ আগাছা। ধান গাছ না থাকায় গো-চারণ ভূমিতে পরিণত হয়েছে বিস্তীর্ণ মাঠ।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, গত তিন দশক আগেও বোনা আমন চাষে এখানকার কৃষকদের আগ্রহ ছিল লক্ষ্যনীয়। কৃষকরা মনের আনন্দে কেওড়া, গচ্চা, হিরবাইন, বটেশ্বর, তিলিবাজাল, বালাম, কাতিয়াশাইলসহ নানান প্রজাতির ধান বুনতো। মৌসুম শেষে কৃষক-কৃষাণীর মুখে দেখা দিত হাসির ঝিলিক। কৃষকের আঙ্গিনা ভরপুর থাকতো আমন ধানে। গরু দিয়ে ধান মাড়াইয়ের দৃশ্য যে কারো নজর কাড়তো। কিন্তু কালের বিবর্তনে আমন ধান হারিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে কৃষকের নেই গোয়াল ভরা গরু। গরু দিয়ে ধান মাড়াইয়ের দৃশ্য এখন মোটেও চোখে পড়েনা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুজন কুমার ভৌমিক জানান, চলতি বছর ৩শ’ ৩৪ হেক্টর জমিতে বোনা আমন চাষ হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৪শ’ হেক্টর কম। জলবায়ু পরিবতনের পাশাপাশি আমন ধান চাষ অলাভজনক হওয়ায় কৃষকরা ধীরে ধীরে আগ্রহ হারাচ্ছে। অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকা হওয়ায় কৃষককে বোনা আমনের পাশাপাশি পাট চাষ, ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ করার পরামর্শ দেন তিনি।

উপজেলার সালেপুর গ্রামের কৃষক বাবুল জানান, আমন ধানের বীজ বপন থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত হাল, বীজ ও মজুরী খরচ উঠাতেই হিমশিম খেতে হয়। তাছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, আগাম বর্ষা, ইঁদুরের উপদ্রব সব সামলিয়ে প্রাপ্ত ধানের দ্বিগুনেরও বেশি খরচ হয়। সব শেষে ফসল ঘরে তোলার পর ন্যায্যমূল্য থেকেও বঞ্চিত হয় কৃষক।

একাধিক কৃষক জানান, ইরি-বোরো মওসুম পরবর্তী সময়ে বর্ষার আগেই বোনা আমন চাষের উপযুক্ত সময়। বর্ষার পানির সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে উঠা এ ধান গাছ ভরা বর্ষায় কোমর পানিতেও টিকে থাকে। কিন্তু বর্তমানে বিকল্প কৃষি ব্যবস্থাপনা না থাকায় এখানকার কৃষকরা বর্ষাকালে অলস সময় কাটায় মাসের পর মাস। এ ধান চাষে কৃষককে দেয়া হয় না ভূর্তুকি অথবা প্রণোদনা। সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর কর্তৃক সমন্বিত উদ্যোগ ও কৃষি প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হলে চাষীদের মাঝে ফিরে আসতে পারে বুনো আমনের সেই সোনালী অতীত। আমন আবাদ হতে পারে হাজার হাজার হেক্টর ফসলী জমি। এতে কমে আসবে অনাবাদী জমি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ২:৪৬ অপরাহ্ন
বেলকুচিতে তেলজাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাঠ পরিদর্শন
কৃষি বিভাগ

সিরাজগঞ্জ বেলকুচি উপজেলায় তেলজাতীয় ক্রপিং প্যাটার্ন সরিষা বোরো পতিত ভিত্তিক সরিষা প্রদর্শনীতে কৃষক মাঠদিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে আদাচাকী ঈদগাহ মাঠে বেলকুচি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে তেলজাতীয় ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাঠ পরিদর্শন ও আলোচনা সভায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু হানিফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মশিউর রহমান। তিনি কৃষকদের আধুনিক উচ্চ ফলনশীন জাতের চাষাবাদ এবং সার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প পরিচালক জসীম উদ্দিন,ঢাকা খামার বাড়ি তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের (DAE), উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্যাণ প্রসাদ পাল। ৩নং ভাঙ্গাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভুঁইয়া,কৃষি কর্মকর্তা মিশু আক্তার প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ২:১৪ অপরাহ্ন
‘কৃষক অ্যাপের’ মাধ্যমে রংপুরে ধান কিনবে সরকার
কৃষি বিভাগ

চলতি আমন মৌসুমে রংপুরে শতভাগ ধান ‘কৃষক অ্যাপের’ মাধ্যমে কিনবে সরকার। ফলে কৃষক নির্বাচন ও তালিকা তৈরিতে অনিয়ম-দুর্নীতি এবং হয়রানি বন্ধ হবে পুরোপুরি। তবে নতুন এই ব্যবস্থা সম্পর্কে খুব একটা প্রচারণা না থাকায় বেশিরভাগ কৃষকের এ সম্পর্কে পরিপূর্ণ ধারণা নেই।

লাভের আশায় ধান নিয়ে সরকারি খাদ্যগুদামগুলোর সামনে দিনের পর দিন পড়ে থাকার দৃশ্য এখন আর নেই। টাকার বিনিময়ে স্লিপ কেনাবেচার অভিযোগও এখন আর করছেন না কৃষকেরা। চোখে পড়ে না অসৎ কর্মকর্তা আর দালালদের সিন্ডিকেট। ইউনিয়ন পর্যায়ে তৈরি তালিকা থেকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকের মোবাইল ফোনে ক্ষুদে বার্তা পৌঁছে যাচ্ছে। এরই ভিত্তিতে সহজেই সরকারের ঘরে ধান সরবরাহ করছেন কৃষক।

তবে প্রচার-প্রচারণার অভাবে পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে এখনও ভালো ধারণা সৃষ্টি হয়নি অধিকাংশ কৃষকের।

এক কৃষক বলেন, আমরা সবসময় মাঠে থাকি, এ ‘কৃষক অ্যাপ’ কী আমরা বুঝি না। অন্য এক কৃষক বলেন, গুটি কয়েক মানুষই ‘কৃষক অ্যাপ’টি ব্যবহার করে।

এ বিষয়ে রংপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রিয়াজুর রহমান রাজু জানান, গত বছর জেলার ৩টি উপজেলায় ‘কৃষক অ্যাপ’র মাধ্যমে ধান কেনা হলেও এবার ৮টি উপজেলার সবকটিতেই এই কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

চলতি মৌসুমে জেলার কৃষকদের কাছ থেকে ১০ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এরইমধ্যে এক তৃতীয়াংশ ধান কেনা সম্পন্ন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ১:৩৬ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে ১১ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

চলতি ২০২১-২০২২ রবি মৌসুমে নিবিড় বার্ষিক ফসল উৎপাদন কর্মসূচির আওতায় জয়পুরহাট জেলায় ১১ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে এবার সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র বাসস’কে জানায়, জেলায় এবার সরিষা চাষের জন্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৫০ হেক্টর জমি। যার মধ্যে রয়েছে জয়পুরহাট সদর উপজেলায় ৩ হাজার ৫ শ হেক্টর, পাঁচবিবি উপজেলায় ৪ হাজার ৬ শ ৩০ হেক্টর, আক্কেলপুর উপজেলায় ১ হাজার ২ শ হেক্টর, ক্ষেতলাল উপজেলায় ১ হাজার ২ শ হেক্টর এবং কালাই উপজেলায় ৫শ ২০ হেক্টর। এতে সরিষার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ হাজার ২৩ মেট্রিক টন। ইতোমধ্যে সরিষা চাষ ১০ হাজার হেক্টর ছাড়িয়ে গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, জেলায় সরিষা চাষ সফল করতে কৃষক পর্যায়ে প্রশিক্ষণসহ উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার ও উন্নতমানের বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় সরিষার এবারও বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop