৫:৩৭ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২২ ১১:২২ পূর্বাহ্ন
সকলকে মানবিক ও সেবাধর্মী কাজে আত্মনিয়োগ করতে হবে- শ ম রেজাউল করিম
প্রাণিসম্পদ

নৈতিকতা ও মূল্যবোধকে প্রাধান্য দিয়ে মানবিক ও সেবাধর্মী কাজে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের লায়ন্স টাওয়ারে লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা গ্রিন বে-এর অভিষেক ও চার্টার নাইট ২০২২ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ক্লাবের সদস্যদের এ আহ্বান জানান।

লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা গ্রিন বে-এর সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ক্লাবের ভাইস এরিয়া লিডার ওয়াহিদুর রহমান আজাদ ও লে. জেনারেল মোহা. হাবিবুর রহমান খান (অব.)। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের ১ম ভাইস ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সিরাজুল হক চৌধুরী ও ২য় ভাইস ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর ফারহানা নাজ।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরো বলেন, “আমাদের সকলকে মানবিক ও সেবাধর্মী মানসিকতা নিজের মধ্যে ধারণ করতে হবে। যে মানুষের মানবিকতা আছে তার সেবার মানসিকতা থাকবেই। মানুষকে সেবা দেয়ার জন্য প্রয়োজনে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে”।

লায়ন্স ক্লাবের সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি আরো যোগ করেন, “সেবাধর্মী মানসিকতা নিয়ে পরিশীলিত জীবনযাপন করতে হবে। বিনিয়োগ করতে হবে সন্তানে, যাতে সন্তান বিপথগামী না হয়ে মানবিক মানুষ হয়। পারিবারিক শিক্ষা সন্তানের আদর্শের ভিত্তি। আপনাদের আদর্শ সন্তানরাই হবে দেশের সম্পদ”।

এ সময় শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করতে হবে। সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। যার যার ধর্ম সে পালন করবে। কোন ধর্ম নিয়ে সমালোচনা করা যাবে না। মনে রাখতে হবে সকল ধর্মের মৌলিক বিশ্বাসের জায়গায় একই”।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২, ২০২২ ৭:৩৬ অপরাহ্ন
গবাদী পশুর জুনোটিক রোগ বিষয়ে গবেষণা ফলাফল বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু,বাকৃবিঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) ট্রেনিং ভবনের অডিটোরিয়ামে গবাদি পশুর জুনোটিক রোগ, টিউবারকুলোসিস (টিবি) এবং ক্যামপাইলোব্যাকটেরিওসিস ঝুঁকি কমাতে একটি গবেষণা কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (০২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২ টায় ‘বাংলাদেশের নির্বাচিত কয়েকটি জেলার ডেয়রি ফার্মে জুনোটিক যক্ষা ও ক্যামপাইলোব্যাকটেরিওসিস রোগ বিষয়ক গবেষণা’ শীর্ষক ওই কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্পের কোঅর্ডিনেটর , প্রধান গবেষক এবং বাকৃবি মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. এস. এম. লুৎফুল কবির। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কো -প্রকল্প পরিচালক আইএলএসটি নেত্রকোনা এর প্রিন্সিপাল ড. মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

অধ্যাপক ড. এস. এম. লুৎফুল কবির জানান, এ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা এবং ময়মনসিংহের মোট ৩০০ টি ফার্মে বিভিন্ন গবেষণা করা হয়। এসব অঞ্চলে ডেইরি ফার্মিংয়ে জুনোটিক যক্ষা ও ক্যামপাইলোব্যাকটেরিওসিস রোগের সম্ভাব্য ঝুকি চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া এ রোগ সমুহের জুনোটিক ইমপ্যাক্ট এবং ইকোনোমিক ইমপ্যাক্ট নির্ণয় করা হয়েছে। প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত ফলাফল উক্ত জুনোটিক রোগ সমূহের নিয়ন্ত্রণে ও অর্থনৈতিক ক্ষতি কমাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে যক্ষা ও ক্যামপাইলোব্যাকটার জীবাণুর বিরুদ্ধে টিকা তৈরীর পরিকল্পনা করা দরকার।

তিনি আরও জানান, ক্যাম্পাইলোব্যাকটেরিওসিস ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ। এরা গবাদি পশুর ক্ষেত্রে ডাইরিয়া ও গর্ভপাত সৃাষ্ট করে। এই রোগটি আক্রান্ত গাভীর দুধ ও আক্রান্ত গাভীর মলের মাধ্যমে সুস্থ পশুতে সংক্রমিত হয়। অপরদিকে টিবিও গবাদিপশুর ব্যাকটেরিয়াজনিত একটি রোগ। রোগটির কারণে গবাদিপশুর উৎপাদন ক্ষমতা বহুলাংশে কমে যায় এবং খামারীদের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়ায়। এমনকি এই রোগটি গবাদিপশু হতে মানুষে সংক্রমিত হয়।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি), (ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডাইরিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশ) আইসিডিডিআরবি ও কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন (কেজিএফ) যৌথভাবে এ কর্মশালার আয়োজন করে। তিন বছর মেয়াদী এ প্রকল্পের অর্থায়ন করেছে কেজিএফ ।

আইসিডিডিআরবির প্রধান ইনভেস্টিগেটর ড. মো. জিয়াউর রহিমের সভাপতিত্বে এবং কো -প্রকল্প পরিচালক ও বাকৃবি ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল হাসান শিকদারের সঞ্চালনায় কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএলএসের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা । বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মকবুল হোসেন, কেজিএফের পরিচালক ড. নাথু রাম সরকার, কেজিএফ এর নির্বাহী পরিচালক ড জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস,। আলোচনা করেন বাকৃবির মেডিসিন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান, এছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যায়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকবৃন্দ এবং বিভিন্ন অঞ্চলের প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা ও খামারিরা উপস্থিত ছিলেন।

নাথুরাম সরকার বলেন, খামারীরা সরাসরি উপকৃত হবেন সেই পরামর্শগুলো এ কর্মশালার মাধ্যমে গ্রহণ করতে ছড়িয়ে দিতে পারি। প্রাণিসম্পদ সেক্টর এই ধরণের গবেষণার মাধ্যমে আরো এগিয়ে যাবে।
ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা বলেন, নিরাপদ খাদ্য দিবসের এই দিনে এই কর্মশালাটি খুবই গুরুত্ববহ। আমাদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। এখন দরকার খাদ্য নিরাপত্তা। আর সে জন্য সবাই মিলে কাজ করতে হবে। খামারীদের রোগবালাই প্রতিরোধে আমাদের গবেষকরা কাজ করছেন। ভালো ভালো গবেষণা হচ্ছে। কুরবানির সময় এখন আর পশুর অভাব হয় না। বাহির থেকে পশু আমদানী করতে হয় না। এটিই প্রমাণ করে দেশে মাংস, দুধ, ডিমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চলেছে। বর্তমানে আমরা রপ্তানীর দিকে যেতে হবে এবং সেটি হচ্ছেও। এর পরিমাণ বাড়াতে আমরা কাজ করছি। ২০২৬ সালের পশুর রোগগুলো চিরতরে নির্মূল করার জন্য কাজ করছি।

সারাবিশ্বে যখন অর্থনীতেতে বিপর্যস্ত সেখানে বাংলাদেশ দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের গ্রামীণ কৃষি এগিয়ে চলছে। ঘরে ঘরে সবাই পশু পালন করছে। সেজন্য তাদের জন্য পশু চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর, আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২, ২০২২ ৪:১৪ অপরাহ্ন
আজ বাংলাদেশে খাদ্যের সংকট নয়, উদ্বৃত্ত থাকছে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

আজ বাংলাদেশে খাদ্যের সংকট নয়, উদ্বৃত্ত থাকছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (০২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস ২০২২ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল কাইয়ুম সরকার।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরো বলেন, “একটা সময় আমরা খাদ্য সংকট দূর করতে চেয়েছি। এখন সরকার চায় নিরাপদ ও পুষ্টিসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে। পরবর্তীতে গুণগত মানের আরো সমৃদ্ধ খাদ্য সকলের পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করবে। খাদ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার জন্য সরকার দেশে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি স্থাপন করেছে। ল্যাবরেটরিতে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পরীক্ষা করে এর গুণগত মান ও পুষ্টিমান নিশ্চিত করা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য হচ্ছে দেশে গর্ভবতী মা, ছোট শিশু, যুবক ও বৃদ্ধরা যেন পরিপূর্ণ পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার পায়। এভাবে সকলের জন্য নিরাপদ খাবার পৌঁছে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ২০১৩ সালে নিরাপদ খাদ্য আইন তৈরি করেছেন, যার ফলে ২০১৫ সালের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে”

তিনি আরো বলেন, “আজ বাংলাদেশে খাদ্যের সংকট নয়, উদ্বৃত্ত থাকছে। খাদ্য উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ, খামারি, উদ্যোক্তারাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মাঠ পর্যায় থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত কর্মকর্তারা এ কৃতিত্বের দাবিদার। এক সময় আমরা বলতাম খাদ্য ঘাটতি মেটাতে হবে। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন শুধু খাদ্য ঘাটতি নয়, খাদ্যের গুণগত মানের পরিবর্তন করতে হবে”।

তিনি আরো যোগ করেন, “খাদ্যের বড় একটি যোগান আসে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থেকে। মাছ, মাংস ও ডিমে শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণতাই না বরং উদ্বৃত্ত অবস্থা এসেছে এবং বিশ্বে রপ্তানি করার মত পর্যায়ে আমরা পৌঁছেছি। অদূর ভবিষ্যতে দুধ উৎপাদনেও সফলতা অর্জনের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। পাশাপাশি এ খাদ্য উপাদানগুলোর বহুমুখী ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দুধ থেকে কত প্রকার দুধ জাতীয় পণ্য তৈরি করা যায়, মাছ থেকে কত প্রকার মাছ জাতীয় পণ্য তৈরি করা যায়, থেকে কত প্রকার মাংস জাতীয় পণ্য তৈরি করা যায় সে প্রক্রিয়া নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি”।

শুধু সরকারি কর্তৃপক্ষের দিকে না তাকিয়ে অনিরাপদ খাদ্য তৈরি ও বিক্রি বন্ধে গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে একসাথে ভূমিকা রাখার জন্য এসময় আহ্বানও জানান মন্ত্রী।

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য সততাকে অবলম্বন করতে হবে উল্লেখ করে খাদ্য উৎপাদন, সরবরাহ ও বিপণন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্তদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “মুনাফা একটু কম করেন। খারাপ খাদ্য সরবরাহ করে মানুষকে মৃত্যুর মুখে পাঠিয়ে দেয়ার মতো বড় ধরনের অনৈতিকতা ও পাপের কাজ দ্বিতীয়টি নেই। পঁচা, বিষাক্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য খাওয়াবেন না। ভেজালমিশ্রিত খাদ্য খাওয়াবেন না। নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সততা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান”।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, “বঙ্গবন্ধুর সরকার আমলে যারা খাদ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে চেয়েছিল, তারা স্বাধীন বাংলাদেশকে ব্যর্থ প্রমাণ করতে চেয়েছিল। তাদের এ পরিকল্পনা সফল হয়নি। আজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বলা হয় উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান, বাংলাদেশকে বলা হয় উন্নয়নের রোল মডেল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য দেশে ও দেশের বাইরে একটি চক্র টাকা বিনিয়োগ করে, লবিস্ট নিয়োগ করে, নিজেদের প্যাডে স্বাক্ষর করে বাংলাদেশকে যাতে কেউ সাহায্য না করে সে চেষ্টা করছে। এগুলো করে লাভ হবে না। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বড় বড় অনেক রাষ্ট্র ছিল, ১৯৭৪ সালে খাদ্য ঘাটতি সৃষ্টি করে বাংলাদেশকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে চেয়েছিল, সফল হয়নি, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে বিনষ্ট করতে চেয়েছিল, সফল হয়নি।  বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে, উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশকে শকুনি প্রবৃত্তি নিয়ে খামচে ধরার জন্য যারা যখনই আঘাত হেনেছে, তারা পরাজিত হয়েছে”।

উল্লেখ্য ‘সুস্বাস্থ্যের মূলনীতি, নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্যবিধি’ এ প্রতিপাদ্যে দেশব্যাপী জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস ২০২২ পালিত হচ্ছে।

পরে রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরে নবযোগদানকৃত কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন মন্ত্রী।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২, ২০২২ ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ থেকে এখন বহুমুখী পণ্য তৈরি হচ্ছে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ থেকে এখন বহুমুখী পণ্য তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (০১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আরটিভি এনআরবিসি ব্যাংক কৃষি পদক ২০২২ প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন আরটিভির চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম এমপি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, আরটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ূন কবির বাবলু ও এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম পারভেজ তমাল। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আরটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরো বলেন, “মাছ, মাংস, দুধ, ডিমের উৎপাদনে দেশ একসময় অনেক পিছিয়ে ছিল। ভাতে-মাছে বাঙালির দেশে একটা সময় মাছের আকাল তৈরি হয়েছিল। এক সময় বলা হতো ভারত-মিয়ানমার থেকে পশু না আসলে কোরবানি হবে না। এখন দেশীয় পশু দিয়ে কোরবানির চাহিদা মিটিয়েও এক দশমাংশ পশু উদ্বৃত্ত থাকে। দেশে এখন পর্যাপ্ত মাছ ও প্রাণিসম্পদ উৎপাদন হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন খাদ্যের চাহিদা মিটছে, পুষ্টি চাহিদা মিটছে, এ খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত প্রায় এক কোটি মানুষ স্বাবলম্বী হচ্ছে, বেকারত্ব দূর হচ্ছে, গ্রামে উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে”।

তিনি আরো বলেন, “মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ থেকে এখন বহুমুখী পণ্য তৈরি হচ্ছে। মাছ থেকে মাছ জাতীয় পণ্য, মাংস, দুধ ও ডিম থেকে বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন হচ্ছে। যা রফতানির ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।”

অনুষ্ঠানে প্রাতিষ্ঠানিক ক্যাটাগরিতে পদকপ্রাপ্ত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণা সাফল্য তুলে ধরে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “এই ইনস্টিটিউট বিলুপ্তপ্রায় ৩১ প্রজাতির দেশীয় মাছ বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে ফিরিয়ে এনেছে। এ মাছ যাতে আবার হারিয়ে না যায় সে জন্য লাইভ জিন ব্যাংক করা হয়েছে। এখন দেশের সব জায়গায় স্বাদু পানির দেশি মাছ, চাষের মাছ এবং সামুদ্রিক মাছ পাওয়া যাচ্ছে। ইলিশের উৎপাদন অতীতের সব রেকর্ড অতিক্রম করে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সবই সম্ভব হয়েছে কারণ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছেন তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দেশের কৃষি উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাককে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। পরে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২টি প্রতিষ্ঠান ও ৮ জন ব্যক্তিকে কৃষি পদক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে সেরা উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে পদক অর্জন করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ১২:৪২ অপরাহ্ন
বিএলআরআই এর ‘বার্ষিক রিসার্চ রিভিউ ওয়ার্কশপ-২০২১’ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) ২০২০-২০২১ অর্থবছরের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএলআরআই কর্তৃক ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সমাপ্ত গবেষণাসমূহের ফলাফল ও অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ গবেষণা পরিকল্পনা গ্রহণের লক্ষ্যে ‘বার্ষিক রিসার্চ রিভিউ ওয়ার্কশপ-২০২১’ এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে

গত শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) বিএলআরআই এর মূল কেন্দ্র সাভারে নিজস্ব অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়

প্রধান অতিথি হিসেবে দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালাটির সমাপনী ঘোষণা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) জনাব সুবোল বোস মনি।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ও একুশে পদক বিজয়ী ড. জাহাঙ্গীর আলম খান এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. তালুকদার নূরুন্নাহার ও ড. নাথু রাম সরকার।অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের বর্তমান মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

করোনা পরিস্থিতিতে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে উক্ত আয়োজনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বিএলআরআই-এর সাবেক মহাপরিচালকগণ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হতে আগত সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, প্রাণী ও পোল্ট্রি উৎপাদন ও খামার ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত বিশেষজ্ঞ এবং সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিএলআরআই-এর বিভিন্ন পর্যায়ের বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই দুইদিনব্যাপী চলা এই কর্মশালায় অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও সুপারিশমালা উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও পরিচালক (গবেষণা) ড. নাসরিন সুলতানা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব সুবোল বোস মনি বলেন, বর্তমানে কৃষির কেবল অভ্যন্তরীন বাজার বিদ্যমান। আমাদের কৃষির বৈদেশিক বাজার তৈরি করতে হবে। বিজ্ঞানীদের কেবল ২০৩০ বা ২০৪১ এর লক্ষ্যমাত্রা মাথায় নিয়ে কাজ করলে হবে না, নিজেদের সময়কে অতিক্রম করে ভাবতে হবে। সকল বিজ্ঞানী একই রকমভাবে ভাবলে সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটবে না। এমনভাবে কাজ করতে হবে যেন চাকুরি জীবনের শেষে এই বেদনায় ভুগতে না হয় যে এই জাতিকে আরও অনেক কিছু দেবার ছিলো।

সভাপতির বক্তব্যে ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমাদের এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে যেনো তা দেশের প্রান্তিক খামারিদের প্রয়োজনে লাগে। একই সাথে তরুণ ও আধুনিক খামারিদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়েও আমাদের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। আগামী দিনের গবেষণা প্রকল্পসমূহকে ঢেলে সাজানো হবে, যেন তা টার্গেট পূরণে সহায়তা করে। উদ্ভাবিত প্রযুক্তিসমূহ মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহায়তা নেওয়া হবে। দুইটি প্রতিষ্ঠান এক হয়ে কাজ করলে নিরাপদ প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।

সমাপনী অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে দুইদিনব্যাপী চলমান এই কর্মশালায় মৌখিক উপস্থাপনা ও পোস্টার উপস্থাপনার মাধ্যমে উপস্থাপিত গবেষণা প্রকল্পসমূহকে পুরষ্কৃত করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৯, ২০২২ ৩:১৫ অপরাহ্ন
বগুড়ার শেরপুরে শৌখিন পাখির বাণিজ্যিক খামার
প্রাণিসম্পদ

ছোটবেলা থেকেই পাখি পালনের শখ ছিল হুমায়ুন কবিরের। সেই শখ থেকেই লেখাপড়ার পাশাপাশি শুরু করেন পাখি পালন। এমনকি শিক্ষাজীবন শেষ হলেও চাকরির পিছে না ঘুরে পাখির খামার গড়ার পরিকল্পনা করেন। সে অনুযায়ী শিক্ষক বাবার নিকট থেকে ৫ হাজার টাকা নিয়ে বাড়িতেই শৌখিন খামার বানিয়ে দুই জোড়া বাজরিগার ও কিছু ফিঞ্চ পাখি কেনেন। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি হুমায়ুন কবিরকে।

ধীরে ধীরে শৌখিন পাখির খামারটি বাণিজ্যিক খামারে পরিণত হয়। বর্তমানে তার খামারে সহস্রাধিক বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রয়েছে। শখের এই খামার থেকেই সব খরচ বাদে প্রতি মাসে আয় করছেন ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। তার খামার দেখে এবং পরামর্শ নিয়ে অনেকেই পাখির বাণিজ্যিক খামার গড়ছেন। তাই পাখির রাজ্যে হুমায়ুন কবিরের নাম বার্ডস কিং হিমু। বিশেষ করে ইউটিউব ও অনলাইন জগতে এই নামেই তাকে চেনেন সবাই।

সরেজমিনে সাধুবাড়ী গ্রামে গিয়ে হুমায়ুন কবিরের পাখির খামারের কথা বলতেই একবাক্যে সবাই চেনেন। বাড়িতে ঢুকতেই পাখির কলরব শোনা যাচ্ছিল। তখন হুমায়ুন কবির পাখিদের পরিচর্যা করছিলেন। বাড়ির মধ্যে একাধিক বড় বড় শেডে বিশাল পাখির খামার। সেখানে লাভবার্ড, বাজরিগার, ককাটেল, জাভা, বিদেশি ঘুঘু, ফিঞ্চ, ডায়মন্ড, কবুতরসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১ হাজার পাখি রয়েছে। ২৬ বছর বয়সি যুবক হুমায়ুন কবির বলেন, বিগত ২০১০ সালে তার শখের পাখির খামারটি বাণিজ্যিক খামারে পরিণত হয়। এসব পাখি তিনি অনলাইন ও মুঠোফোনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বিক্রি করে থাকে।

হুমায়ুনের সাফল্য দেখে এলাকার আরো অন্তত দেড় শতাধিক নারী-পুরুষ বাণিজ্যিক পাখির খামার গড়ে তুলেছেন। সরকারি-বেসরকারি চাকরি থেকে অবসর নেওয়া ব্যক্তিরাও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে শৌখিন পাখির খামার গড়ে তুলেছেন। অবসর সময় কাটানোর পাশাপাশি বাড়তি আয়ের মাধ্যম হিসেবে এটিকে বেছে নিয়েছেন। তাদেরই এক জনের নাম মাহফুজার রহমান। সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিয়ে শহরের বাগানবাড়ি এলাকায় অবস্থিত বাসার ছাদেই গড়ে তুলেছেন সৌখিন পাখির খামার। মাত্র দুই বছরের মধ্যেই সেটি বাণিজ্যিক খামারে পরিণত হয়েছে। তার খামারেও রয়েছে অন্তত ১৫ প্রজাতির বিভিন্ন বিদেশি পাখি। প্রতি মাসে নব্বই থেকে ১ লাখ টাকার পাখি বিক্রি করে থাকেন। তিনিও মাসে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করেন ঐ খামার থেকে।

একইভাবে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মাকোরকোলা গ্রামের মাহবুব হোসেন, পৌরশহরের স্যান্যালপাড়ার স্কুলছাত্র লাবিব হাসান, বিকাল বাজারের কলেজছাত্র আবু রায়হান রনি, খন্দকারটোলার ফাহিমসহ আরো অনেকেই পাখির খামার গড়ে ইতিমধ্যে সফলতা পেয়েছেন।

জানতে চাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রায়হান এই প্রসঙ্গে বলেন, এই উপজেলায় শৌখিন পাখির খামার গড়ায় অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বেকার তরুণ-তরুণীদের পাশাপাশি চাকরি থেকে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও এই খামার গড়ে তুলেছেন। এটি একটি লাভজনক খাত। তাই তার দপ্তরের থেকে এসব পাখি পালনে উদ্বুদ্ধকরণ, প্রশিক্ষণসহ কারিগরি সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

সেই সঙ্গে খামারের পাখিরা অসুস্থ হলে তাদের চিকিৎসার ওষুধও বিনা মূল্যে ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় বলে জানান এই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৭, ২০২২ ৫:৫৯ অপরাহ্ন
বিএলআরআই এর অনেক গবেষণালব্ধ সৃষ্টি রয়েছে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “আওয়ামী লীগ ও সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে বিএনপি এখন রাষ্ট্রের বিরোধিতা শুরু করেছে। তারা বিশ্বে ৮টি ফার্ম নিয়োগ করে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য টাকা বিনিয়োগ করেছে। এটা তাদের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব প্রমাণ করছে। তারা সবকিছুর ভেতরে নেতিবাচক কিছু খুঁজে পাচ্ছে। তারা প্রথম বলেছে নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন করতে হবে। এখন যখন আইন পাস করা হয়েছে, তখন তারা বলছে এতো তড়িঘড়ি করা ঠিক না। যাকে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা, বিএনপি’র অবস্থা এখন সেরকম হয়েছে। ভালো কাজকে ভালো বলার মানসিক অবস্থা এখন তাদের নেই। এর দ্বারা মানুষের কাছে বিএনপি অস্তিত্বহীনতার জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছে”।

বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) সাভারে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এর কনফারেন্স হলে ইনস্টিটিউটের দুই দিনব্যাপী বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সমসাময়িক প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, “করোনা সংকটের মধ্যেও দেশের অর্থনীতির চাকা, গবেষণা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড অবশ্যই অব্যাহত রাখতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। কারণ দেশের ১৭ কোটি মানুষকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে। দেশে নতুন নতুন গবেষণার সৃষ্টি সকলের কাছে পৌঁছে দিতে হবে”।

এ সময় বিএলআরআই এর গবেষকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “গবেষণা ক্ষেত্রে সবটুকু মেধা ও যোগ্যতার বিকাশ ঘটাতে হবে। নিজের মেধা দিয়ে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে হবে। দেশের জন্য বিজ্ঞানী ও গবেষকদের কাজ করতে হবে। গবেষকদের মধ্যে সৃষ্টির তৃষ্ণা থাকতে হবে”।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গবেষণা খাতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছেন। তিনি সব সময় গবেষণাকে সমৃদ্ধ করার কথা বলেন। বিএলআরআই এর অনেক গবেষণালব্ধ সৃষ্টি রয়েছে। তবে এ সৃষ্টিতেই থমকে যাওয়া যাবে না। সৃষ্টির উল্লাস যেমন নিজেকে গর্বিত করে, তেমনি জাতিকে গৌরবান্বিত করে। সে সৃষ্টির কারিগর হচ্ছেন গবেষকরা”।

তিনি আরো বলেন, “প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন এখন বিশ্বের বিস্ময়। মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদনে বর্তমানে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। এ সাফল্যের সূচনা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন খাবারের অন্যতম উপাদান মাছ, মাংস, দুধ, ডিম। মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণের অন্যতম খাত প্রাণিসম্পদ খাত। এ খাতকে বিকশিত করার প্রতিষ্ঠান হচ্ছে বিএলআরআই”।

বিএলআরআই এর মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব  ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম ফেরদৌস আলম ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএলআরআই এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জিল্লুর রহমান। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিএলআরআই-এর প্রাক্তন ও বর্তমান ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিজ্ঞানী ও গবেষকগণ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “সরকার নিশ্চয়ই শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেবে। তবে কখনো কখনো শিক্ষার্থীদের উপর ভর করে বিরোধী রাজনৈতিক দল বা কিছু কিছু লোক ফায়দা নেয়ার চেষ্টা করে। এ জাতীয় সুযোগসন্ধানী কেউ আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চাওয়া পূরণ করবে বলে আমার বিশ্বাস”।

পরে মন্ত্রী ৩৪টি গবেষণা প্রবন্ধের পোস্টার উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করেন এবং বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালায় মোট ৬২টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৬, ২০২২ ৩:১১ অপরাহ্ন
গঙ্গাচড়ায় “বিজ্ঞান ভিত্তিক মহিষ পালন এবং খামার ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক খামারী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
প্রাণিসম্পদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিজ্ঞান ভিত্তিক মহিষ পালন ও খামার ব্যবস্থাপনা শীর্ষক খামারী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে । ৩ দিনব্যাপী (১৮ জানুয়ারি-২০ জানুয়ারি, ২০২২) এই প্রশিক্ষণ গত বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হয় যেখানে সুবিধাভোগী ৫০ জন খামারী অংশগ্রহণ করেন ।

খামারি প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ সিরাজুল হক । উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (গঙ্গাচড়া, রংপুর) মোঃ নুরুল আজিজ এর সভাপতিত্বে উক্ত সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গৌতম কুমার দেব এবং অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (রংপুর) ডা. মোঃ জোবাইদুল কবীর ।

ড. গৌতম কুমার দেব খামারীদের উদ্দেশ্যে বিজ্ঞান ভিত্তিক মহিষ পালন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং খামারীদের আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন । প্রধান অতিথি ডা. মোঃ সিরাজুল হক তাঁর বক্তব্যে মহিষ পালনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে খামারীগন কিভাবে লাভবান হতে পারেন তা সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং সনাতনী ব্যবস্থাপনার পরিবর্তে বিজ্ঞান  ভিত্তিক আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনা প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করেন । 

৩ দিনের এর প্রশিক্ষণে খামারীদের মহিষ মোটাতাজাকরণে ইউরিয়া মোলাসেস স্ট্র (ইউরিয়া ও চিটাগুড় দ্বারা খড় প্রক্রিয়াজাতকরণ), নিজ হাতে ঘাস প্রক্রিয়াজাতকরণ, সুষম দানাদার খাদ্য মিশ্রণ পদ্ধতি ব্যাপারে হাতে কলমে ট্রেনিং দেওয়া  হয় । এছাড়া খাদ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ব্যবস্থাপনা, জীব নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, কৃষিনাশক, টিকা প্রদান ইত্যাদি ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ।

খামারীবান্ধব এইসব কর্মশালার মাধ্যমে খামারীগণ আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মহিষ পালন সম্পর্কে যে জ্ঞান অর্জন করছেন তা ছড়িয়ে পড়বে সারাদেশে, সনাতন পদ্ধতি পরিত্যাগ করে আধুনিক পদ্ধতিতে মহিষ পালন করে খামারীগণ তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করবেন এমনটাই আশা সংশ্লিষ্টদের ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৬, ২০২২ ২:৩৩ অপরাহ্ন
সবাইকে ছাপিয়ে খর্বাকৃতি গরুর বিশ্ব রেকর্ড চারুর
প্রাণিসম্পদ

বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরুর কথা বললেই সাভারের রানির নাম আসে। খর্বাকৃতির গরুটি বিশ্ব মিডিয়ায়ও জায়গা করে নেয়। অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ার পর গিনেস বুকে বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকৃতি গরুর স্বীকৃতি পায় রানি।

সেই রানির মতোই গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে জায়গা করে নিয়েছে সাভারের আরও একটি গরু, এটির নাম চারু। রেকর্ড বই অনুযায়ী চারু বিশ্বের জীবিত গরুর মধ্যে সবচেয়ে ছোট।

বুধবার (২৬ জানুয়ারি) সাভারের আশুলিয়ার চারিগ্রাম এলাকায় শিকড় অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী সুফিয়ান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গিনেস কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার চারুকে বিশ্বের সবচেয়ে ছোট জীবিত গরুর স্বীকৃতি দিয়ে ইমেইল পাঠিয়েছে। এর আগে ২০২১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর শিকড় অ্যাগ্রো থেকে চারুর বিষয়ে গিনেস কর্তৃপক্ষের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছিল।

খামার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে চারু নামের গরুটির জন্ম। বর্তমানে তার বয়স আড়াই বছর। চারুর এখন চার দাঁত। উচ্চতা ২৩.৫০ ইঞ্চি, লম্বায় ২৭ ইঞ্চি ও ওজন ৩৯ কেজি।

২০২১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর গিনেস বুকে মৃত গরু হিসেবে রেকর্ড গড়া রানির উচ্চতা ছিল ২০ ইঞ্চি, লম্বা ২৪ ইঞ্চি ও ওজন ২৬ কেজি।

চারু হেলে দুলে পুরো খামারে হেঁটে বেড়ায়। খামারটিতে আরও বেশ কয়েকটি ভুট্টি জাতের ছোট গরু থাকলেও চারু কিছুটা আলাদা। লালচে রঙের চারুর কান দুটো খাড়া, পা দুটো খাটো ও মোটা।

খুব দ্রুত সময়ে লেজ নাড়তে নাড়তে আয়েশ করে খাবার খায় চারু। পুরো খামারজুড়েই ঘাস, পাতা এসব খেতে বেশ ব্যস্ত সে। ছবি তুলতে গেলে মুখ ফিরিয়ে নেয়, ফিরে যায় ক্যামেরার উল্টো দিকে।

প্রাণি চিকিৎসক প্রতি দু সপ্তাহ পর পর চারুকে দেখতে আসেন এবং চারুর ওজন, শরীর চকচকে আছে কি না, গঠন বাড়ছে কি না এসব দেখে যান।

রানির পর চারুকে খুঁজে পাওয়া প্রসঙ্গে শিকড় অ্যাগ্রোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী সুফিয়ান বলেন, রানি বেঁচে থাকতেই আমাদের সংগ্রহশালায় যুক্ত হয় ৪ দাঁতের প্রাপ্তবয়স্ক দেশীয় প্রজাতির বামন গরু চারু। এটিকে বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে জীবিত ছোট গরু হিসেবে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ স্বীকৃতি দিয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৫, ২০২২ ১০:০০ অপরাহ্ন
প্রাণিজাত পণ্যের বহুমুখীকরণে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাণিজাত পণ্যের বহুমুখীকরণে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের এগ্রো বিজনেস প্ল্যানিং, টেকনোলজিস অ্যান্ড মার্কেটিং অ্যাডভাইস অ্যান্ড ইমপ্লিমেনটেশন সাপোর্ট বিষয়ক ইনসেপশন কর্মশালায় এসব কথা জানান তিনি।

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জার্মানিভিত্তক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এএফসি এগ্রিকালচার অ্যান্ড ফিন্যান্স কনসালটেন্টস এবং তাদের বাংলাদেশ প্রতিনিধি সার্ভিসেস অ্যান্ড সলিউশনস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পে পরামর্শক হিসেবে নিযুক্ত রয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর ও উল্লিখিত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে এ কর্মশালা আয়োজন করে।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন। ইনসেপশন রিপোর্ট উপস্থাপন করেন কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. মানব চক্রবর্তী।

মন্ত্রী আরও বলেন, করোনাকালে খামারিদের উৎপাদিত সামগ্রী যাতে মুখ থুবড়ে না পরে সেজন্য দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আমরা ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থার মাধ্যমে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম বিক্রির ব্যবস্থা করেছি। বিদেশ থেকে যাতে মাংস আমদানি না হয় সেক্ষেত্রে আমরা কৌশলগত নীতি নির্ধারণ করেছি। কারণ আমাদের দেশে পর্যাপ্ত গবাদিপশু রয়েছে। দেশেই পর্যাপ্ত মাংস উৎপাদন হচ্ছে। বেসরকারি খাতকে উদ্বুদ্ধ করছে, উৎসাহিত করছে, সহযোগিতা দিচ্ছে সরকার বলে জানান মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop