১০:১১ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ৪, ২০২২ ৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শীতে গবাদি প্রাণির যত্নে যা যা করবেন…
প্রাণিসম্পদ

বিগত দশ বছরে দেশের প্রাণিসম্পদ সেক্টরে এক নীরব পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। এ সময়ে দেশে বহু সংখ্যক যুবক বিশেষ করে শিক্ষিত গ্রাজুয়েটগন সেক্টরটিতে আত্মনিয়োগ ও বিনিয়োগ করেছেন নিজেদের স্বাবলম্বী করতে।

আমাদের দেশে এখন শীতের প্রকোপ বেড়েছে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে । গ্রামের মাঠে এই শীতে একটি দৃশ্য খুব কমন, মাঠে চড়ে বেড়ানো গরুর গায়ে চটের ছালা ব কম্বল জড়ানো। খামারিরা গরুর প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকে এটি করেন। যদিও গরুর দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ১০২ ডিগ্রী ফারেনহাইট যা মানুষের দেহের তাপমাত্রা হতে ৫ ডিগ্রী বেশি। মজার ব্যাপার হলো- আমাদের দেশে অধিকাংশ খামারি হলস্টেইন ফ্রিজিয়ান যেই শংকর জাতের গরু পালন করেন তাদের জন্য শীতকালীন সময়ের এই ১৮-২২ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা অত্যন্ত আরামদায়ক।

আমাদের খামারিদের তাই এই শীতে গরুর দেহে চট কম্বল প্যাচানোর পাশাপাশি জরুরি তার পুষ্টিমান ও সঠিক রেশন এর ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। শীতকালীন সময়ে গরুকে এক্টু উচ্চ প্রোটিন সম্পন্ন খাবার দেয়া উচিত। এ সময় ডাল বা তেল জাতীয় খাবার দেয়া উচিত। দুগ্ধবতী গাভীকে ২০০ গ্রাম করে সয়ামিল দেয়া গেলে গরু শরীরবৃত্তীয় কাজগুলো সহজ হয়, গাভীকে ৫০-১০০ গ্রাম করে কালোজিরা দিলে গাভীর দেহে মিনারেল ও এন্টি অক্সিডেন্ট -এর পরিমান সঠিকভাবে বজায় থাকে, হিমালয়ান পিংক সল্ট গরু চেটে খেলে এই সময় মুখে লালার ঘাটতি হয়না।

শীতকালে গরুকে অবশ্যই গোসল করাবেন ও গোয়ালঘর পরিস্কার রাখবেন, যেন গরু স্যাঁতস্যাঁতে না থাকে। শীতকালে আপনার গরুকে অবশ্যই গলা ফোলা বা এইচ.এস ভ্যাক্সিন দিয়ে দেবেন।

শীতকালে বাঁছুরের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ, শিশু অবস্থায় নিউমোনিয়া হয়ে জন্মের এক মাসের মধ্যে প্রায় ৬০% বাঁছুর মারা যায়। এই সময় বাঁছুরকে শুকনো স্থানে রাখা লাগে ও কোনভাবেই যেন স্যাঁতস্যাঁতে স্থানে না থাকে ও পর্যাপ্ত পরিমানে যেন মায়ের দুধ পায়, বিশেষ করে বডি ওয়েটের ১০% অনুপাতে দুধ দিতে হবে।

যারা ছাগল পালন করেন তারা শীতে বিশেষ যত্ন নেবেন। শীতকালে কোনভাবেই ছাগলের ঘরে ঠাণ্ডা বাতাস যেন না ঢুকে রাতে যেন তাপমাত্রা কোনভাবেই ২৫ ডিগ্রীর নিচে না আসে। এজন্য প্রয়োজনে ইনফ্রারেড হিটার ব্যবহার করা যেতে পারে। শীতকালে বিশেষ করে ভোরের ঠান্ডা বাতাসে ছাগল এর মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশি, তাই এ ব্যপারে সতর্কতা অত্যন্ত জরুরি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩১, ২০২১ ১১:১১ পূর্বাহ্ন
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গড়তে হবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি)-এর কাউন্সিল হলে মুজিববর্ষ ও মহান বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে  বঙ্গবন্ধু  প্রকৌশলী পরিষদ আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু ও মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. এম হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী  মো. আবদুস সবুর। বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. নুরুজ্জামানসহ পরিষদের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এর নেতৃবৃন্দ আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, “বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতীয়তা বোধের চেতনা থেকে বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবার একটাই পরিচয়, বাঙালি। বাঙালি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধুকে অনেক লড়াই করতে হয়েছে। তিনি দূরদৃষ্টি দিয়ে বুঝেছিলেন বাঙালি জাতীয়তা বোধে উদ্বুদ্ধ করতে না পারলে বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্মে আনা সম্ভব নয়। আর  ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্মে আনতে না পারলে বাঙালির মুক্তি কোনদিন সম্ভব নয়। বাঙালি জাতিসত্তা, স্বাধিকার আন্দোলন এবং পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে এসেছিলেন।”

তিনি আরো বলেন, “আমাদের পরিচয় আমরা বাঙালি।আমাদের আদর্শ বঙ্গবন্ধুর, আর নেতৃত্ব শেখ হাসিনার। আমাদের সৌভাগ্য বঙ্গবন্ধু না থাকলেও তার রক্ত ও আদর্শের উত্তরসূরি শেখ হাসিনা রয়েছেন। বাংলাদেশের উন্নয়নের আর্কিটেক্ট শেখ হাসিনা। তিনি গোটা জাতিকে নিয়ে ক্লান্তহীন এগিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব শেখ হাসিনা দেখাতে পেরেছেন”।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, “বঙ্গবন্ধু, বাঙালি ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য সত্তা। আর সমৃদ্ধ বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুকে বলা হতো শোষিতের কন্ঠস্বর। আর এখন শেখ হাসিনাকে বলা হয় বিশ্বের দুর্গতদের কণ্ঠস্বর”।

তিনি আরো যোগ করেন, “শেখ হাসিনা কারণেই আজ বাংলাদেশের আকাশে বিজয়ের পতাকা সগৌরবে পতপত করে উড়ছে। যুদ্ধাপরাধীদের দম্ভ দেখতে হচ্ছে না। মনে রাখতে হবে স্বাধীনতাবিরোধীরা এখনও দেশ থেকে নিঃশেষ হয়ে যায়নি। তাদের উত্তর প্রজন্ম এখনও দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। এ জন্য সতর্ক থাকতে হবে, বিজয়ের পতাকা যেন শকুনরা আবার ছিনিয়ে নিতে না পারে। অবিরাম লড়াইয়ের ভেতর থেকে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের ঐক্যের ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা সৃষ্টি এখন সময়ের দাবি”।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩০, ২০২১ ৩:৪৫ অপরাহ্ন
তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রেরণা জোগাচ্ছে টি. ইসলামের খামার
প্রাণিসম্পদ

তরিকুল ইসলাম। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সফল এ ব্যবসায়ী টি. ইসলাম নামেও পরিচিত। যার স্বনির্ভরতার আলোতে আলোকিত চারপাশ। যার গরু ও ছাগলের খামার এখন মডেল। এক সময় শখের বসে গাভী পালন করলেও সেটিকে বর্তমানে ব্যবসায় রূপান্তরিত করেছেন চাঁপাই নবাবগঞ্জের এ ব্যবসায়ী। তার মালিকানাধীন খামারে কর্মসংস্থান হয়েছে ১৫ জন স্থানীয় সহায়-সম্বলহীন মানুষের। গরু, ছাগল ও মাছ চাষে বর্তমানে তিনি একজন সফল খামারি।

চাঁপাই নবাবগঞ্জ পৌর এলাকার মীরপাড়ায় চোখে পড়বে মিনার অটো রাইস মিল। সেই অটো রাইস মিলের মধ্যেই রয়েছে মিজান ডেইরি অ্যান্ড গট ফার্ম। বিশাল আকারের খামারে গরু ও ছাগলের জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। যেখানে তিনজন লোক এসব গরুর দেখাশোনায় ব্যস্ত। দিনের বেলায় খোলা আকাশের নিচে গরু-ছাগল রাখার জন্য আলাদা জায়গাও রয়েছে। বর্তমানে উন্নত জাতের গাভীসহ ৬০টি গরু রয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। এ ছাড়াও ২৭৫টি উন্নত জাতের ছাগল ও ৪০টি গাড়ল রয়েছে। খামারে বড় হচ্ছে তোতাপুরি, শিহইল, হরিয়ান, রাম ছাগলসহ উন্নত জাতের ছাগল। তিনি বিভিন্ন পশুর হাটে ঘুরে ঘুরে উন্নত জাতের এসব ছাগল সংগ্রহ করেন। এসব প্রাণীর বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা।

এ খামার  দেখে উৎসাহিত হচ্ছেন অনেকে। অটো রাইস মিলের পেছনের জমিতে খামারের গরু-ছাগলকে খাওয়ানোর জন্য বোনা হয়েছে বিভিন্ন প্রজাতের ঘাস। এই খামারে শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান গড়তে ধীরে ধীরে এর পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন।

গরু-ছাগলের খামার ও মাছ চাষের ব্যবস্থাপনায় আছেন তরিকুল ইসলামের বড় ছেলে মিজানুর রহমান।  জানা গেছে, চাঁপাই নবাবগঞ্জের মীরপাড়ায় মিনার অটো রাইস মিল সংলগ্ন এলাকায় ২০০৫ সালে প্রথমে গরুর খামার গড়ে তোলেন। এরপর নাচোল উপজেলার লক্ষ্মীপুরে নির্মাণাধীন টি ইসলাম এগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের পাশেই গড়ে তোলেন আরও একটি পশুর খামার। পাশেই রয়েছে দৃষ্টিনন্দন পুকুর। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করছেন তিনি। এ ছাড়াও আশেপাশে ১৬টি পুকুর রয়েছে তার।

টি. ইসলাম জানান, প্রতি বছরই খামারে গরু-ছাগলের সংখ্যার বাড়ানো হয়েছে। গরু-ছাগলের জন্য আলাদাভাবে বিশাল একটি খামার নির্মাণ করা হয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হিসেবে খামারের আয়তন বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। তার দাবি, সব ধরনের উদ্যোক্তার জন্যই ব্যাংকিং সহায়তা প্রয়োজন। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এ খামার গড়ে তুলেছি। ব্যাংকিং সহায়তা পেলে এ খামারের পরিধি আরও বাড়ানো সম্ভব।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৯, ২০২১ ৪:২১ অপরাহ্ন
হাঁসপালনে চাঙা হচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা
প্রাণিসম্পদ

নড়াইলে বিলে প্রাকৃতিক খাদ্যের ওপর নির্ভর করে উন্মুক্ত পদ্ধতির হাঁস পালন গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা চাঙা করছে। কালিয়া উপজেলার পিরোলীর অনেকেরই ভাগ্য বদলে গেছে হাঁস পালনে। সীমিত খরচে অধিক লাভের ফলে এ ধরনের খামারের সংখ্যা বাড়ছে।

বিলে হাঁস পালন নড়াইল জেলার একটি আদিপ্রথা। তবে, হাঁস পালনে অনুকূল পরিবেশ থাকায় এবং ভালো লাভ হওয়ায় গত এক দশকে নিম্নাঞ্চলবর্তী বিল এলাকার ঘরে ঘরে গড়ে উঠেছে খামার।

পিরোলী গ্রামের হুমায়ুন শেখ। একটা সময় ছিল যখন, অভাব পিছু ছাড়তো না তার সংসারে। দিনমজুর খেটে সামান্য উপার্জনে স্ত্রী সন্তান নিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো তার। বছর দশেক আগে ঋণ নিয়ে খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি। শুধু হুমায়ুন নন, এলাকার অনেকেরই ভাগ্যের চাকা বদলেছে হাঁস পালনে। খামার থেকে ডিম সংগ্রহ আর মৌসুম শেষে বাজারে হাঁস বিক্রি করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেন খামারিরা।

নড়াইল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মারুফ হাসান বলেন, হাঁস পালনের প্রশিক্ষণসহ নানা সহায়তার কথা। ডাক প্লেগ ও ডাক কলেরা এ দুইটা রোগের বিরুদ্ধে আমরা সরকারিভাবে ভ্যাকসিন দিয়ে থাকি।

নড়াইলের কালিয়া পিরোলী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. ফোরকার শেখ জানান, আমি খামারিদের পাশে থেকে তাদের সুবিধা-অসুবিধা আছে, এসবই আমি দেখাশুনা করি।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য মতে, জেলায় ৩ শতাধিক খামারে রয়েছে অন্তত দেড় লাখ হাঁস। এসব খামার থেকে প্রতি মাসে ন্যূনতম ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা আয় হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৮, ২০২১ ৮:১৪ অপরাহ্ন
কোম্পানীগঞ্জে “বিজ্ঞান ভিত্তিক মহিষ পালন ও খামার ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী খামারী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি (নোয়াখালী) : নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বিজ্ঞান ভিত্তিক মহিষ পালন ও খামার ব্যবস্থাপনা শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী খামারী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়েছে। মংগলবার সকালে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট এর বাস্তবায়নে ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়, কোম্পানীগঞ্জ এর সহযোগীতায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে সুফলভোগী ৫০ জন মহিষ খামারীদের নিয়ে ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ জিয়াউল হক মীর মোহদয়। এসময় সভাপতিত্ব করেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আলমগীর মোহদয়, কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী। মহিষ পালনের পটভূমি, উৎপাদনশীলতা ও অর্থনৈতিক উপযোগীতা সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহদয় মহিষের দুধের গুণাগুণ সম্পর্কে খামারীদের মাঝে আলোচনা করেন এবং অত্র এলাকার মহিষের দই ব্র‍্যান্ডিং এর মাধ্যমে সারাদেশের জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার বিষয়ে মহিষ খামারীদেরকে উদ্ভোদ্ধ করেন। খামারীদের মধ্যে মোঃ আনসার আলী ও মোঃ ছানাউল্লাহ সাহেব মহিষের গোচারণভূমির চরাঞ্চলে ঘাসের স্বল্পতার বিষয়ে অবহিত করেন। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহদয় খামারীদেরকে বালুয়ারচর নামক স্থানে মহিষের চারণভূমি হিসেবে ব্যাবহৃত করার জন্য অনুমতি প্রদান করেন।

8

মহিষের শ্রেণীবিভাগ ও বাংলাদেশে প্রাপ্ত মহিষের জাতসমূহ,দুধাল গাভী মহিষ,আদর্শ প্রজনন ষাঁড় মহিষ নির্বাচন, মহিষের রোগ প্রতিরোধে করণীয়, টিকা পরিচিতি,টিকা প্রদানের প্রয়োজনীয়তা ও নিয়মাবলী, কৃমিমুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা ও উপায়, কৃমি প্রতিরোধে খামারীদের করনীয়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন ডাঃ অভিরুপ ভূষণ পাল, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট । মহিষের প্রজনন, গাভী মহিষের গরম হোয়ার লক্ষণ, প্রজনন সফল না হোয়ার কারণ ও করণীয় বিষয় সম্পর্কে বক্তব্য প্রদান করেন ডাঃ আসাদুজ্জামান সওফী, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী।

৩ দিনব্যাপী খামারীবান্ধব এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খামারীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভিত্তিক মহিষ লালনপালন, উন্নত জাতের ঘাস সংরক্ষণ, কাঁচাঘাস প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতি, চর ও হাওর এলাকায় কাঁচা ঘাস উৎপাদন পদ্ধতি, আদর্শ দানাদার খাদ্য মিশ্রণ পদ্ধতি, মহিষ হৃস্টপুষ্টকরণ, মহিষের প্রজননস্বাস্থ্য ব্যাবস্থাপনা ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে পারবেন। দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের কোর্স – কো অডিনেটর এর দায়িত্বে ছিলেন মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডাঃ অভিরুপ ভূষণ পাল।  

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৭, ২০২১ ৪:৩৬ অপরাহ্ন
উন্নয়নে কৃষক ও কৃষিবিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
প্রাণিসম্পদ

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান-বিপিএম(বার) বলেছেন, জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতাকে কাজে লাগিয়ে কৃষক ও কৃষিবিদরা উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রাণিসম্পদ পালন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প কর্তৃক বেঙল জাতের ছাগল পালন ও উন্নয়ন, উন্নত প্রযুক্তি এবং প্রাণিসম্পদ মাঠ স্কুল (এলএফএস) বাস্তবায়ন শীর্ষক চুক্তিবদ্ধ খামারীদের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ একটি উন্নয়নশীল দেশের কাতারে। স্বাধীনতার শুরুর দিকে আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র আটাশি মার্কিন ডলার, আর আজ আমাদের মাথাপিছু আয় আড়াইহাজার মার্কিন ডলার। একটি ইউকে ভিত্তিক গবেষণায় দেখা যায়, বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৪২তম।

আগামী ১৫ বছরের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতিতে আমাদের অবস্থান হবে ২৪তম।

এ সময় পুলিশ কমিশনার আরো বলেন, আমাদের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে দেশের সকল সেক্টরে কর্মরত আমাদের সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে যেতে হবে। তবেই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা নির্মাণের পথে আমরা এগিয়ে যাব।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (উৎপাদন) ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হক, বরিশাল জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. মো. নুরুল আলমসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা ও চুক্তিবদ্ধ খামারিরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৭, ২০২১ ৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
ছাগল পালনে কাঁচা ঘাস খাওয়ানোর উপকারিতা
প্রাণিসম্পদ

গরু-ছাগল পালন এখন একাংশ মানুষ তাদের অর্থনৈতিক চাকা পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসাবে নিয়েছেন। বিশেষ করে কম দামে কিনতে পাওয়া যায় ছাগল। যা মোটামুটি গ্রামের প্রতিটা কৃষকের আছে। তারা ছাগল পালনে বড় কিছু করার প্রত্যাশায় এতে শ্রম দিয়ে থাকে। তবে এই শ্রমকে সফল করতে লাগবে অনেকগুলো পদ্ধতি। তম্মধ্যে অন্যতম হলো ছাগলকে খাওয়াতে হবে নিয়মিত কাঁচা ঘাস। কারণ ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগল শারীরিকভাবে সুস্থ থাকে। এছাড়াও ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নানা উপকার পাওয়া যায়।

ছাগলকে কাঁচা ঘাস কেন খাওয়ানো প্রয়োজন:

  • মনে রাখবনে কাঁচা ঘাস কিনতে হয় না। এটি তৈরি হয় প্রাকৃতিক উপায়ে। যার কারণে এতে খরচ নেই বললেই চলে। আর তাই অর্থনৈতিক দিক বিবেচেনায় ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ানো উচিত।
  • নিয়মিত ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ছাগলের শারীরিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয় এবং ছাগল বেশি পরিমাণ দুধ প্রদান করতে সক্ষম হয়ে থাকে।
  • ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগল বাচ্চা জন্ম দেওয়ার সময় বাচ্চা মৃত্যুর হার অনেকগুনে কমে যায়। নিয়মিত কাঁচা ঘাস খাদ্য হিসেবে ছাগলকে খাওয়ালে বাচ্চার মৃত্যু কম হয়।
  • ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগলের শরীর সঠিক সময়ে প্রজননে সক্ষম হয়। এর ফলে ছাগলের প্রজননের জন্য কৃত্রিম পদ্ধতি প্রয়োগ করে সফল হওয়া যায়।
  • ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগলকে দানাদার খাদ্য কম দেওয়া লাগে। সেজন্য ছাগলকে দানাদার খাদ্য প্রদান করতে হয় না। তাই ছাগলের জন্য দানাদার খাদ্য কেনার টাকা বেঁচে যায়।
  • ছাগলকে নিয়মিত কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগল যখন বাচ্চা জন্ম দেয় তখন বাচ্চার ওজন সঠিক পাওয়া যায়। বাচ্চা সুস্থ সবল হয়ে জন্ম নেয়।
  • কাঁচা ঘাস ছাগলকে নিয়মিত খাওয়ালে ছাগলের মৃত্যুর হার অনেকগুনে কমে যায়। কাঁচা ঘাস ছাগলকে নিয়মিত খাওয়ালে ছাগলের জীবনীশক্তি বৃদ্ধি পায়। আর এর ফলে ছাগল অকালে মরা থেকে রক্ষা পায়।
  • ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগলের চিকিৎসা খরচ অনেক কমে যায়। কাঁচা ঘাস খাওয়ার ফলে ছাগল জটিল কোন রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়না। এর ফলে ছাগলের চিকিৎসার খরচ বেঁচে যায়।

ঘাস চাষ
ছাগলের জন্য ইপিল ইপিল, কাঁঠাল পাতা, খেসারি, মাসকলাই, দুর্বা, বাকসা ইত্যাদি দেশি ঘাসগুলো বেশ পুষ্টিকর। এছাড়া উচ্চফলনশীল নেপিয়ার, স্পেনডিডা, এন্ড্রোপোগন, পিকাটউলুম ইত্যাদি ঘাস চাষ করা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২১ ৯:২৭ পূর্বাহ্ন
২টি দিয়ে শুরু, ২ বছরে ভেড়ার সংখ্যা ৬০টি
প্রাণিসম্পদ

মাত্র ২টি ভেড়া দিয়ে শুরু করে এখন ৫০ থেকে ৬০টি ভেড়ার মালিক জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের সনি মণ্ডল নামে এক বেকার যুবক। জানা যায়, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পৌর এলাকার পশ্চিম বিহারপুর গ্রামের যুবক সনি মণ্ডল কয়েক বছর আগে একটি ব্যবসায় লোকসান গুনে সর্বস্বান্ত হয়েছিলেন। এরপরে ইউটিউবে দেখেন ভেড়া খামারের পদ্ধতি। ভাগ্য বদলের আশায় দেড় বছর আগে ১০ হাজার টাকা ধার নিয়ে মাত্র ২টি ভেড়া কিনে শুরু করেন খামার। লাভ হওয়ায় এরপর বাড়তে থাকে সংখ্যা। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমান তার খামারে রয়েছে ৬০টি ভেড়া। আর এর মাধ্যমে তিনি হয়েছেন স্বাবলম্বী।

সনি মণ্ডল জানান, আগে একটি ব্যবসা করতাম। হঠাৎ করে সেই ব্যবসায় লোকসান গুনি। এরপরে ইউটিউবে দেখি কীভাবে ভেড়া পালন করা যায়। প্রথমে দুইটি দিয়ে শুরু করি। এখন আমার খামারে ৫০-৬০টি ভেড়া। বেশ কয়েকটি বিক্রিও করেছি এতে আমার পরিবারে সচ্ছলতা এসেছে। আমি যদি সরকার থেকে কোনো সহযোগিতা পাই তাহলে আমি এ খামারকে আরো বড় করব।

জয়পুরহাট প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহফুজার রহমান জানান, গরু-ছাগলের চেয়ে কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় জেলায় এখন অনেকে ভেড়া চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য আক্কেলপুরের সনি মণ্ডল।

তিনি আরো জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে ভেড়া পালনে চিকিৎসা, ব্যবস্থাপনা ওষুধসহ বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও তাৎক্ষনিক চিকিৎসা বা পরামর্শের জন্য আমাদের একটি মেডিকেল টিম রয়েছে প্রতিটি উপজেলায়। যে কোনো মুহূর্তে তারা সেবা দিয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৫, ২০২১ ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
ইসলামের মৌলিক কথা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মোঃ ইফতেখার হোসেন : বর্তমান সরকার ইসলামের মৌলিক কথা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে নিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

‌‌শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে আন্তর্জাতিক কেরাত সম্মেলন ২০২১ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান। আন্তর্জাতিক কুরআন তিলাওয়াত সংস্থা (ইক্বরা) এ সম্মেলন আয়োজন করে।

আন্তর্জাতিক কুরআন তিলাওয়াত সংস্থার সভাপতি শাইখ আহমাদ বিন ইউসুফ আল আযহারীর সভাপতিত্বে সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সচিব মোহাম্মদ আবদুল কাদের শেখ, পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক কুরআন তিলাওয়াত সংস্থার মহাসচিব সাখাওয়াত খান। এছাড়া বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের দূতাবাস ও হাইকমিশনের প্রতিনিধিবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরো বলেন, “ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন বিধান। ইসলামকে যদি পরিপূর্ণভাবে অনুসরণ করা যায়, নিজের জীবনে চর্চা করা যায়, তাহলে আমরা নিজেরা যেমন ভাল থাকবো, তেমনি দেশ ও দেশের মানুষের জন্য ভালো কিছু করতে পারবো। আল্লাহর সকল সৃষ্টির জন্য আমাদের কর্তব্য রয়েছে। সেটাকে অনুসরণ করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য অনিবার্য দায়িত্ব। এ জন্য দরকার ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে জানা। যত অসম্পূর্ণভাবে ইসলামকে আমরা জানবো, ততো আমাদের ভেতরে দীনতা থেকে যাবে। খন্ডিত ইসলাম প্রকৃত ইসলাম নয়। ইসলামের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টিকারীরা ইসলামের মঙ্গল কামনা করে না”।

ইসলামের উন্নয়নে শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার কুরআন-সুন্নাহ পরিপন্থী কোন আইনে দেশে পাস করবে না। তাঁর সরকার দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় মডেল মসজিদের নামে পরিচিত ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ করছে। মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন করছে। মাদ্রাসার সর্বোচ্চ শিক্ষাকে এমএ পাসের মর্যাদা দিয়েছে। সরকারি অর্থে মাদ্রাসায় বহুতলবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। মাদ্রাসা শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আলেম-ওলামাদের সরকারি খরচে হজ পালনের সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে। মসজিদকেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে”।

ইসলামের নামে যারা সন্ত্রাস ছড়ায়, বোমাবাজি করে, উগ্রতা সৃষ্টি করে, অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি আক্রমণ করে তাদের কথায় বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য এ সময় আহ্বান জানান মন্ত্রী।

রাসূলুল্লাহ (সা.) এর বিদায় হজের বাণীর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী এ সময় বলেন, “আল্লাহর সৃষ্টির প্রতি ইসলামের দায়িত্ব রয়েছে, মুসলমানের দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে বিশ্বাস করলে, নিজের জীবন চর্চা করলে, আমার কাছে কেউই ক্ষতিকর নয়। আমার কাছে সব ধর্মের মানুষই নিরাপদ। এ জন্য কুরআনকে বুঝতে হবে। কুরআনের বক্তব্যকে নিজেদের জীবনে অনুধাবন করতে হবে”।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইসলামের কল্যাণে কাজ করেছেন। তিনি ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে বলেছিলেন এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো, ইনশাল্লাহ। তাঁর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাও পরিপূর্ণভাবে ইসলামে বিশ্বাস করেন। তিনি ইসলামের উন্নয়নে নানা গ্রহণ করেছেন”।

কেরাত সম্মেলনে ইরান, আফগানিস্তান ও ফিলিপাইনের কারিগণ কুরআন তিলাওয়াতে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৪, ২০২১ ৯:০০ পূর্বাহ্ন
ফেঞ্চুগঞ্জে বিজ্ঞান ভিত্তিক মহিষ পালন এবং খামার ব্যবস্থাপনা শীর্ষক খামারী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় বিজ্ঞানভিত্তিক মহিষ পালন ওখামার ব্যবস্থাপনা শীর্ষক তিন দিনব্যাপী খামারী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট এর বাস্তবায়নে ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়, ফেঞ্চুগঞ্জের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদের হল রুমে তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়।

সুফলভোগী ৫০ জন মহিষ খামারীদের অংশগ্রহণে উক্ত প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন করেন সিলেট বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ড. অমলেন্দু ঘোষ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিস্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ রুস্তম আলী, প্রকল্প পরিচালক ড. গৌতম কুমার দেব, ফেঞ্চুগঞ্জের উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুরুল ইসলাম এবং ফেঞ্চুগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাখী আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিস্পদ কর্মকর্তা এ. কে. এম মিজানুর রহমান।

এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মহিষ খামারীগণ লাভজনক পদ্ধতিতে খামারে মহিষ লালন পালন, বয়সভিত্তিক বিভিন্ন মহিষের খাদ্য ব্যাবস্থাপনা, কাঁচা ঘাস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ভেজা খড় সংরক্ষণের আধুনিক প্রযুক্তি, গর্ববতী,  প্রসূতী, দুগ্ধবতী ও বাছুরের স্বাস্থ্য ব্যাবস্থাপনা, প্রজনন স্বাস্থ্য ব্যাবস্থাপনা, মহিষের রোগ প্রতিরোধে করণীয়, টিকা প্রদান ও কৃমি মুক্ত করার প্রয়োজনীয়তা ও নিয়মাবলী, কৃমি প্রতিরোধে খামারীদের করনীয় সম্পর্কে জানতে পারবেন। বাংলাদেশে প্রাপ্ত মহিষের জাতসমূহ, দুধালো গাভী মহিষ, আদর্শ প্রজনন উপযোগি ষাঁড় মহিষ নির্বাচন সম্পর্কে খামারীরা সুনিপুণ ধারণা অর্জন করবেন। এছাড়াও খামারীদেরকে সুষম দানাদার খাবার মিশ্রণ প্রক্রিয়া, ইউএমএস, সাইলেজ বানানোর পদ্ধতি হাতে কলমে শেখানো ও ডেমোনেস্ট্রেশন মাধ্যমে জ্ঞান অর্জন করবেন।

খামারীবান্ধব এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার কোর্স কো-অর্ডিনেটরে দায়িত্বে ছিলেন মোঃ কামরুল হাসান মজুমদার, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, মহিষ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রকল্প, বিএলআরআই, সাভার, ঢাকা।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop