৫:০২ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ৩০, ২০২১ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
সাতক্ষীরায় ঘের থেকে মাছ চুরির দায়ে ৫ জনের সশ্রম কারাদণ্ড
মৎস্য

সাতক্ষীরায় ঘের থেকে মাছ চুরির অভিযোগে পাঁচজনকে দু’হাজার টাকা জরিমানাসহ পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে আরো তিনমাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আদালত।

সোমবার (২৯ মার্চ) সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিাচরক এসএম নুরুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, খুলনার পাইকগাছার নগর শ্রীপুর গ্রামের আবু বক্কর গাজীর ছেলে মিন্টু গাজী, একই গ্রামের আকের গাজীর ছেলে আজিজুল গাজী, শওকত সরদারের ছেলে টুকু সরদার, উত্তর শলুয়া গ্রামের মোকাম বিশ্বাসের ছেলে ফারুক বিশ্বাস ও গোদাকাটি গ্রামের পরিতোষ বিশ্বাসের ছেলে রামপদ বিশ্বাস। এদের মধ্যে টুকু সরদার পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মাছিয়াড়া গ্রামে মোস্তফা গাজীর একটি মাছের ঘের রয়েছে। গফফার গাজীসহ কয়েকজন ওই ঘেরের পাহারাদারের দায়িত্ব পালন করতেন। ২০১০ সালের ২৭ মে দিবাগত রাত ২টায় মাছ চুরি করে পালানোর সময় আব্দুল গফফার গাজী মোবাইল ফোনে বিষয়টি পার্শ্ববর্তী রায়পুর গ্রামের প্রকাশ ডাক্তারকে জানান।

এসময় প্রকাশ ডাক্তারের ডাক-চিৎকারে চোরচক্রের সদস্যরা ঘেরের পানিতে ঝাপ দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন। পরে মিন্টু গাজী, আজিজুল গাজী, ফারুক বিশ্বাস, রামপদ বিশ্বাস ও আবুল কালাম বিশ্বাসকে আটক করে গণধোলাই দেয় এলাকাবাসী। গণপিটুনিতে মারা যান আবুল কালাম বিশ্বাস। তবে টুকু সরদার ও জামারুল গাজীসহ তিনজন পালিয়ে যান।

মাছ চুরির ঘটনায় ২০১০ সালের ২৮ মে ঘেরের পাহারাদার আব্দুল গফফার বাদী হয়ে গ্রেফতার চারজনসহ টুকু সরদার ও জামারুল গাজীর নাম উল্লেখ করে তালা থানায় মামলা করেন। তালা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লুৎফর রহমান ওই বছরের ২৮ আগস্ট এজাহারভুক্ত ছয়জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার ছয়জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও নথি পর্যালোচনা শেষে জামারুল গাজীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বিচারক তাকে বেকসুর খালাস প্রদানের নির্দেশ দেন।

পলাতক আসামী টুকু সরদার অভিযোগত্রে উল্লেখিত অপর চার আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় তাদেরকে দোষী সাব্যস্ত প্রত্যেককে পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড, দু’ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে, প্রত্যেককে আরো তিন মাস করে কারাদন্ডের আদেশ দেন। তবে দুই ধারার সাজা একসাথে চলবে।

আসামীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাড. খান মাহাফুজুর রহমান ও অ্যাড. দীলিপ কুমার মন্ডল। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৯, ২০২১ ৩:০৯ অপরাহ্ন
নওগাঁয় মাছের আড়তে সরবরাহ বেশি হলেও লোকসানে চাষিরা
মৎস্য

নওগাঁর আড়তগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পুকুর জলাশয় পানি শুকিয়ে যাওয়ায় বেড়েছে মাছের সরবরাহ। কিন্তু সরবরাহের তুলনায় ক্রেতা না থাকায় সপ্তাহের ব্যবধানে ২৫ থেকে ৩০ কেজি টাকা পর্যন্ত কমেছে মাছের দাম। আর এতে করে চাষ করা মাছের খাবারের দাম বাড়লেও দফায় দফায় মাছের দাম কমাতে লোকসানে মাছ চাষিরা।

নওগাঁর সান্তাহার মাছের আড়তে মিলছে নদীর চেয়ে বেশির ভাগ চাষের মাছ। মিলছে রুই, কাতল, মৃগেল, পাঙাশসহ নানা ধরনের মাছ। বিল, জলাশয় ও পুকুরের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় মাছের সরবরাহ ভালো বলে জানান ব্যবসায়ীরা। ফলে গেল সপ্তাহ থেকে কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমে চলছে বেচাকেনা।

সান্তাহার পৌর আড়ত সমিতির সহসভাপতি জিয়াউল হক জিয়া জানান, বাজারে মাছের সরবরাহ অনেক বেড়েছে। কিন্তু রুই, কাতলসহ সব ধরনের মাছের ধর কম।

এদিকে চাষিদের দাবি, দফায় দফায় খাদ্যর দর বাড়লেও মাছের কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না তারা। এতে লোকসান গুনতে হচ্ছে।
মাছ চাষ করে লাভ নেই। যেভাবে মাছের খাবার দাম বেড়েছে সামনে চাষ করা যাবে না।

জেলায় ৩৩ হাজার ২৭৬ জন নিবন্ধিত চাষি রয়েছেন। আর ৪৮ হাজার পুকুর ও জলাশয়ে মাছ হয় বলে জানিয়েছেন জেলা মৎস্য অফিস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৯, ২০২১ ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
যেভাবে করবেন শোল মাছের চাষ
মৎস্য

শোল মাছ একটি জনপ্রিয় মাছ। এই মাছকে অনেকে রাক্ষুসে মাছ বললেও এর চাহিদা রয়েছে অনেক। এই মাছ সব ধরনের দুর্যোগ বা প্রতিকূল পরিস্থিতি সহ্য করতে পারে। এই মাছ চাষে অনেকেই লাভবান হতে পারবেন খুব সহজে।

পুকুর প্রস্তুতি
যেকোনো পুকুরেই শোল মাছ চাষ করা যায়। তবে তাকে উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে। যে পুকুরে শোল চাষ হবে সে পুকুরে কচুরিপানা অথবা কলমিলতা থাকলে ভালো হয়। কারণ শোল মাছ আড়ালে থাকতে পছন্দ করে। তবে কচুরিপানায় যেন পুকুর ভরে না যায়। পুকুরের চারদিকে কমপক্ষে ৫ ফুট উচ্চতায় জাল দিয়ে বেড়া দিতে হবে। তা না হলে বর্ষাকালে শোল মাছ লাফিয়ে চলে যাবে।

পোনা মজুত
বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে শোল মাছ চাষ না হওয়ায় প্রাকৃতিকভাবে সংগ্রহের ওপর জোর দিতে হবে। বৈশাখ মাস শোল মাছের প্রজনন মৌসুম। বৈশাখ মাসের প্রথম থেকে শোল মাছ বাচ্চা দিতে শুরু করে। বাচ্চাগুলো এক ঝাঁকে থাকে। সেই সময় হাওর-বাঁওড়, পুকুর থেকে সপ্তাহখানেক বয়সের বাচ্চা সংগ্রহ করতে হবে। পোনা পাওয়া না গেলে বড় শোল মাছ সংগ্রহ করে পুকুরে ছেড়ে দিতে হবে। এককভাবে প্রতি শতাংশে ১০টি দেয়া যেতে পারে। মিশ্র পদ্ধতিতে চাষের জন্য প্রতি শতাংশে ৪টি। একটি প্রাপ্তবয়স্ক শোল মাছ লম্বায় ২.৫-৩ ফুট হতে পারে।

খাদ্য
শোল মাছ সাধারণত খৈল বা কুড়া দিয়ে বানানো খাবার খায় না। ছোট মাছই এর প্রধান খাদ্য। পোনা মাছের প্রিয় খাদ্য শুঁটকির গুঁড়া। সেজন্য পোনা মাছকে খাবার হিসেবে চিংড়ি শুঁটকির গুঁড়া ভালোভাবে পিষে দিতে হবে। এভাবে ১৫ দিন খাওয়ানোর পর পোনাগুলো প্রায় ২/৩ ইঞ্চি হবে। ২/৩ ইঞ্চি পোনা মজুদের পর খাদ্য হিসেবে কার্পজাতীয় মাছের ধানীপোনা দেয়া যেতে পারে; সঙ্গে ছোট ছোট ব্যাঙ বা ব্যাঙাচি দেয়া যেতে পারে। আর বড় মাছের জন্য ছোট ছোট মাছ, তবে মরা টাটকা মাছ খেতে দিলে এরা খুব খায়।

মিশ্র চাষ
আমাদের দেশে শোল মাছের একক চাষের সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ এত কাঁচা মাছ, শুঁটকি, ব্যাঙ বা ব্যাঙাচি জোগান দেয়া সম্ভব নয়। তাই মিশ্র মাছের সঙ্গে শোল মাছের চাষ করা যেতে পারে। ৬ মাসে একেকটি শোল মাছের ওজন ৭০০-১০০০ গ্রাম হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৮, ২০২১ ১০:১০ পূর্বাহ্ন
দেশি মাগুরের পোনা উৎপাদনে যেভাবে তৈরি করবেন পুকুর
মৎস্য

দেশে মাছ চাষিদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর মাছ চাষিদের অন্যতম চাহিদার জায়গা হলো মাগুরের চাষ। পুকুরে তৈরি হচ্ছে এই মাগুরের পোনা চাষ। এতে লাভবানও হচ্ছেন তারা। পুকুরে এই মাছ চাষে কতগুলো নিয়ম পালন করলে আরো লাভবান হবেন চাষিরা।

দেশি মাগুরের পোনা উৎপাদনে পুকুর তৈরিতে করণীয়ঃ
দেশি মাগুরের রেনু থেকে পোনা উৎপাদনের জন্য পুকুর তৈরি একটা বড় ভূমিকা পালন করে। পুকুর তৈরিতে কোনো ত্রুটি থাকলে কাক্সিক্ষত ফল পাওয়া যাবে না। পুকুরের তলায় পানি থাকলে প্রথমেই সেচ দিতে হবে।

প্রতি শতকে ১ কেজি হারে চুন পানির সাথে মিশিয়ে সমস্ত পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে। এরপর মই দিয়ে রোদে শুকিয়ে পুকুরের চারপাশ পরিষ্কার করতে হবে। পুকুরের পাড়ে জাল দিয়ে ভালভাবে বেড়া দিতে হবে। মাটি থেকে এ জালের উচ্চতা হবে কমপক্ষে চার ফুটের মত।

স্যালো মেশিন দিয়ে ১ ফুট থেকে ১.৫ ফুট পরিষ্কার পানিতে পুকুর ভরতে হবে।

মনে রাখতে হবে, অপরিষ্কার পানি কিছুতেই পুকুরে দেয়া যাবে না আবার বেশি পানিও দেয়া যাবে না। অনেক খামারি ২/৩ ফুট পানির মধ্যেই রেনু ছাড়েন বলে দশ ভাগের একভাগ পোনাও উৎপাদন হয় না শুধুমাত্র পানির উচ্চতার কারণে।

চুন প্রয়োগ: পুকুরের তলদেশ শুকিয়ে হালকাভাবে চাষ দিয়ে তলার মাটির অম্ল বা খরতা পরীক্ষা সাপেক্ষে প্রতি শতাংশে ১ থেকে ১.৫ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে। চুন প্রয়োগের পর পুকুর ১৫ সেন্টিমিটার (৬ ইঞ্চি) পরিমাণ পানি ঢুকিয়ে সপ্তাহখানেক ধরে রাখতে হবে।

জৈব সার প্রয়োগ: চুন প্রয়োগের ৭ থেকে ১৫ দিন পর প্রতি শতাংশে ১০ কেজি হারে গোবর সার অথবা ৫ কেজি হারে মুরগির বিষ্ঠা ছিটিয়ে দিতে হবে।

অজৈব সার প্রয়োগ: জৈব সার প্রয়োগের সাত দিন পর পানির উচ্চতা ৬০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বজায় থাকা অবস্খায় প্রতি শতাংশে ২০০ গ্রাম ইউরিয়া, ১০০ গ্রাম টিএসপি ও ২০ গ্রাম এমওপি সার ব্যবহার করতে হবে। মনে রাখতে হবে, পানির রঙ বাদামি সবুজ, লালচে বাদামি, হালকা সবুজ, লালচে সবুজ অথবা সবুজ থাকাকালীন অজৈব সার (রাসায়নিক) প্রয়োগের কোনো প্রয়োজন নেই।

পোনা মজুদ: ৫ থেকে ৮ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যরে সুস্থ্য সবল পোনা প্রতি বর্গমিটারে ৫০ থেকে ৮০টি হারে পুকুরে ছাড়া যেতে পারে। মে থেকে জুন মাস মাগুরের পোনা ছাড়ার যথার্থ সময়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৮, ২০২১ ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন
পুর্ব শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন
মৎস্য

পুর্ব শত্রুতার জেরে কুড়িগ্রামের উলিপুরে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

শনিবার ভোররাতে জেলার উলিপুর উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নে ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা যায়, উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সাদুল্যা মাইলডাঙার পাড় গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মৎস্য চাষী শিপুল মিয়া বাড়ির পাশের্^ ৩০শতক জমির পুকুরে দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে আসছিলেন।প্রতিদিনের মত শনিবার মধ্যরাতে শিপুল তার বাড়িতে এসে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে ভোররাতে কোন এক সময় একদল দুর্বৃত্ত তার পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে।

পুকুরটি বিলে অবস্থিত হওয়ায় বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকার মাছ মারা যায় বলে শিপুলের পরিবার জানায়।ভুক্তভোগী শিপুল মিয়া বলেন,আমি দীর্ঘদিন ধরে নিজের এবং অন্যের পুকুর লিজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছি।একটি মহল বিভিন্নভাবে আমার এবং আমার পরিবারের ক্ষতি করার জন্য এ ধরনের কাজ করেছ। গত দুই বছর আগেও তারা আমার পুকুরে বিষ দিয়ে প্রায় লক্ষাধিক টাকার মাছ ধব্বংস করেছে।

ভূক্তভোগীর পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন উলিপুর থানার ওসি ইমতিয়াজ কবীর।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৪, ২০২১ ৮:৩০ পূর্বাহ্ন
৪ মণ ওজনের বাঘাইড় মাছ, বিক্রি করতে চান ৪ লাখ টাকা!
মৎস্য

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা নদীতে ধরা পড়েছে বিশাল আকৃতির ৪ মণ ওজনের বাঘাইড় মাছ। আড়ৎ কাজির বাজার থেকে মাছটি কিনে নেয়া বিল্লাল বিক্রি করতে চান ৪ লাখ টাকা।

মাছটি দেখে অনেকেই বলছেন, ‘এত বড় মাছ জীবনে দেখিনি’। বিশাল মাছটি বিক্রির জন্য সিলেটের বন্দরবাজারের লালবাজারে নিয়ে এসেছেন বিল্লাল মিয়া।

ফেঞ্চুগঞ্জে যারা মাছটি ধরেছেন তারা এটি সিলেট নগরীর বৃহৎ মাছের আড়ৎ কাজির বাজারে বিক্রি করেন। সেখান থেকে কিনে এনেছেন বিল্লাল মিয়া। তবে কত টাকায় কিনেছেন তা তিনি জানাতে চাননি।

বিল্লাল মিয়া বলেন, ‘কুশিয়ারায় বড় মাছ ধরা পড়লে আমার কাছে খবর আসে। একইভাবে মঙ্গলবার সকালে খবর আসে অনেক বড় মাছ ধরা পড়েছে। পরে জানতে পারি মাছটি কাজিরবাজার আড়তে তোলা হয়েছে। সেখান থেকে মাছটি কিনে লালবাজারে নিয়ে আসি’। বিল্লাল মিয়া জানান, বাঘাইড় মাছটির ওজন প্রায় ৪ মণ। তিনি এটি ৪ লাখ টাকায় বিক্রি করতে চান।

এদিকে লালবাজারে গিয়ে দেখা গেছে, বিশাল বাঘাইড় মাছটি দেখতে বাজারে নানা বয়সী মানুষ ভিড় করেছেন। অনেকে মাছটি ছুঁয়ে দেখছেন, পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন।

আবদুস সালাম বলেন, ‘এত বড় মাছ সচরাচর দেখা যায় না’।

বিক্রেতা বিল্লাল মিয়া জানিয়েছেন, একক ক্রেতা না পেলে বুধবার সকালে মাছটি তিনি কেটে কেজি দরে বিক্রি করবেন। এর আগে নগরীতে মাইকিং করা হবে। তবে ইতিমধ্যেই কেজি দরে মাছ নিতে ৩০-৩৫ জন নিজেদের নাম তালিকাভুক্ত করেছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত বছরের ২৯ অক্টোবর ফেঞ্চুগঞ্জে হাকালুকি হাওরে ধরা পড়ে একজোড়া বড় বাঘাইড়। গত ৪ সেপ্টেম্বর কুশিয়ারায় ধরা পড়েছিল প্রায় ৪ মণ ওজনের আরেকটি বাঘাইড়। গভীর জলের নদী কুশিয়ারায় বাঘাইড়, বিশাল আকৃতির বোয়াল, চিতলসহ বড় বড় মাছ প্রায়ই ধরা পড়ে বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা।

তথ্যসুত্রঃ প্রথম আলো

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৩, ২০২১ ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
হালদা নদীতে মাছ রক্ষায় আরো নজরদারি বৃদ্ধি
মৎস্য

দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিলে প্রজনন মৌসুম শুরু হয়। ওই সময়টাতে মা মাছ ধরতে অবৈধভাবে জাল বসায় চোরা শিকারিরা।

এ ছাড়া নিয়ম না মেনে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলাচল ও বালু উত্তোলনের কারণে প্রাকৃতিকভাবে মাছের প্রজনন বেশ ক্ষতি হয়। এসব বন্ধে, নৌ থানার আওতায় হাটহাজারী উপজেলার রামদাস মুন্সিরহাটে বসানো হয়েছে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প।

ডলফিন হত্যা রক্ষায়, তাই নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে নৌ-পুলিশ। নদীর সীমানায় স্থাপন করা হয়েছে ৮টি উচ্চক্ষমতার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। যা দিয়ে হালদার প্রায়ই সাত কিলোমিটারেরও বেশি জায়গায় সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে। মাছের অভয়ারণ্য রক্ষায়, দূষণ রোধ, বালু উত্তোলন এবং চোরা শিকারিদের আটকাতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌ-পুলিশ।

হালদা নৌ-পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ মো. মাহবুবুল আলম জাজান, সিসি ক্যামেরা বসানোর মূল উদ্দেশ্য হলো হালদা নদীতে যাতে কেউ অবৈধভাবে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার চালিয়ে বালু উত্তোলন করতে না পারে, কোনো মাছ শিকার করতে না পারে।

হাটহাজারী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু ডিম ছাড়ার আগের মাস নয়, পুরোটা বছর যেন নিরাপদ থাকে। হালদা দিয়েই আমাদের দেশে নদীতে প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ শুরু করেছে সরকার। এই ব্যবস্থা সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর। তাই এদিকে গুরুত্ব দিলে নদী রক্ষা সহজ হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২২, ২০২১ ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
পদ্মা ও বিলের মাছে একাকার রাজশাহীর মাছ বাজার
মৎস্য

ভোর হলেই হাঁকডাকে সরগরম হয়ে ওঠে রাজশাহীর পবা উপজেলার বায়াতে বসা নতুন মাছ বাজারের আড়তগুলো। নদীর পুঁটি, কই, শিং, বোয়াল, আর চাষ করা পুকুরের রুই, কাতল, মৃগেরসহ নানা প্রজাতির মাছের সরবরাহে জমে উঠে বেচাকেনা। ক্রেতা-বিক্রেতাদের নামে হাঁক-ডাক।

আধুনিক সুবিধা ও নিরাপত্তা থাকায় পুকুর, নদী ও খাল-বিলের মাছ কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। এসব আসে মাছ পদ্মা নদী, বিল ও উপজেলাগুলোর পুকুর থেকে। তাতে বাজারে বেড়েছে মাছের সরবরাহ।

মাছের বেচাকেনা করতে সকাল থেকে শতাধিক জেলে আসেন এ বাজারে। তবে মাছের সরবরাহ বেশি থাকায় কমেছে দাম। উৎপাদন খরচের তুলনায় দাম না পেয়ে হতাশ মাছ চাষিরা।

আর স্থানীয়ভাবে চাহিদা কম ও বাইরের পাইকার না থাকায় মাছের দাম কমেছে বলে জানান আড়তদাররা।

মাছের নতুন এ বাজারে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে জেলার বাইরের পাইকারদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছেন বলে জানালেন ইজারাদার রুহুল কুদ্দুস। জেলায় ৫১ হাজার পুকুরে চাষ করে বছরে মাছ উৎপাদন হয় ৮০ হাজার টন। স্থানীয় মাছের চাহিদা ৫৩ হাজার টন বলে জানা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২১, ২০২১ ৯:৫০ অপরাহ্ন
হাতীবান্ধায় ৪১ কেজি ওজনের বাঘাইর মাছ ৩২ হাজার টাকায় বিক্রি!
মৎস্য

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় উপজেলা পরিষদ গেটে বিক্রির জন্য আনা হয়েছে ৪১ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির বাঘাইর মাছ। যা একনজর দেখার জন্য ভীর জমেছে উৎসুক মানুষের। মাছটির মূল্য প্রায় ৩৫ হাজার টাকা হাঁকছেন বিক্রেতা।

রবিবার দুপুরে হাতীবান্ধা উপজেলার পরিষদ গেটে বাঘাইর মাছটি নিয়ে আসেন আল আমিন নামে এক মাছ বিক্রেতা । ব্রহ্মপুত্র নদের গাইবান্ধার ফুলছড়ি ঘাট উপজেলার বালাসি ঘাটে বাঘাইর মাছটি জেলের জালে আটক হয়। মাছটির মূল্য প্রায় ৩৫ হাজার টাকা হাঁকছেন বিক্রেতা।

হাতীবান্ধা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আবু তালেব জানান, হাতীবান্ধায় এই প্রথম এতবড় মাছ বাজারে উঠেছে। মাছটি পেয়ে আমরা খুবই খুশি দাম যাই হোক আমরা মাছটি ৩২ হাজার ২০০ টাকায় কিনে নিয়েছি। ছোট থেকে এত বড় হলাম,হাতীবান্ধায় এমন মাছ দেখিনি । তাই কয়েকজন মিলে মাছটি কিনলাম ।

মাছ ব্যবসায়ী আল আমিন জানান, শনিবার রাতে ফুলছড়িঘাট উপজেলার বালাসি ঘাটে বাঘাইর মাছটি ব্রহ্মপুত্র নদের জেলে ছোবেদ আলীর জালে আটকা পরে। সেখান থেকে আমি বেশী দাম পাব বলে হাতীবান্ধা বাজারে নিয়ে এসেছি। স্থানীয় কয়েক জন মিলে ৩২ হাজার ২০০ টাকায় মাছটি কিনে নেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২১, ২০২১ ৭:৫৯ অপরাহ্ন
‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট শিল্প বিকাশে সকল সহযোগিতা করবে সরকার’
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “দেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট শিল্প স্থাপন ও বিকাশে সকল সহযোগিতা করবে সরকার। এজন্য দেশীয় শিল্পোদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশীয় শিল্প বিকাশে অত্যন্ত আগ্রহী। এ শিল্প বিকাশে যেখানেই সমস্যা হবে সেটা আমরা সমাধান করবো। যৌক্তিক ক্ষেত্রে কর রেয়াতের বিষয়টিও আমরা বিবেচনা করবো। মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্য তৈরীর শিল্প দেশে বিকশিত হলে উৎপাদন খরচ আমরা কমাতে পারবো এবং কম মূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ভোক্তোদের নিকট পৌঁছে দিতে পারবো। একইসাথে এসকল পণ্য বিদেশে রপ্তানি করতে পারবো।”

রবিবার (২১ মার্চ) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পোল্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ আবদুল জব্বার শিকদার, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল।

এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, “রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা না থাকলে, ভালো ব্যবস্থাপনা না থাকলে পোল্ট্রি খাতের আজকের যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন, সেটি সম্ভব হতো না। করোনা সংকটে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সমস্যা মোকাবেলার জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ভ্রাম্যমান বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে মানুষ আমিষ ও পুষ্টির যোগান পেতে পারে এবং খামারি ও উৎপাদকগণ যাতে ক্ষতির সম্মুখীন না হয়। এর নেপথ্যে উৎসাহ, অনুপ্রেরণা ও নির্দেশনা ছিলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। এভাবে রাষ্ট্র এগিয়ে চলেছে।”

বাংলাদেশ উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য গতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে এসময় প্রধান অতিথি আরো যোগ করেন, “আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে অন্ধকার থেকে গোটা জাতিকে এমন জায়গায় নিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের মানুষের জীবনমান এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, কেউ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের অভাবে থাকতে হচ্ছে না। অর্থনৈতিক সূচকে পাকিস্তান, নেপাল এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে ভারতের চেয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এটা ভালো ব্যবস্থাপনার কারণে সম্ভব হয়েছে। একজন ভালো ক্যাপ্টেনের কারণে হয়েছে। রাষ্ট্রকে তিনি পরিচালনা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা সুন্দর থাকলে সবকিছু সামনের দিকে এগিয়ে যায়।”

মন্ত্রী আরো বলেন, “জনগণের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে পোল্ট্রি এমন একটি খাত যেখান থেকে আমরা মাংস ও ডিম পাচ্ছি। এ খাত থেকে খাবারের একটা বড় অংশের যোগান আসছে। পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাচ্ছে এ খাত। দেশের উন্নয়নে অন্যতম বড় খাত হবে পোল্ট্রি খাত-এ প্রত্যাশা করি।”

মৎস্য ও পোল্ট্রি খাদ্যে পাটের ব্যাগ ব্যবহার এবং একাধিকবার মান নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষাজনিত সমস্যা অচিরেই সমাধান করা হবে বলেও এসময় আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।

সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা উল্লেখ করে এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, “গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গণমাধ্যমের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে যে সাংবাদিকরা কাজ করেন তাদের সকলকে অ্যাওয়ার্ড দিতে না পারলেও তাদেরকে মনেপ্রাণে আমি ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি। তবে অপসাংবাদিকতার বিষয়েও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।”

অনুষ্ঠানে সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে ৪জন, টেলিভিশন ও রেডিও ক্যাটাগরিতে ৪জন, বার্তা সংস্থা/অনলাইন ক্যাটাগরিতে ১ জন ও পোল্ট্রি/কৃষি বিষয়ক ম্যাগাজিন/অনলাইন ক্যাটাগরিতে ১ জন এবং প্রমিজিং পোল্ট্রি রিপোর্টার্স ক্যাটাগরিতে ১০ জন সাংবাদিককে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop