৩:৪৬ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ১ জুলাই , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ৩১, ২০২১ ৩:৩১ অপরাহ্ন
বন্যার পানির নিচে ২ হাজার হেক্টর রোপা আমন
কৃষি বিভাগ

অতি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় ২ হাজার হেক্টর আমন ধান পানিতে তলিয়ে গেছে।

জানা গেছে, পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় এরই মধ্যে চরাঞ্চলের নাটুয়ারপাড়া, মনসুরনগর, চরগিরিশ, নিশ্চিন্তপুর, খাসরাজবাড়ী ও তেকানীসহ গান্ধাইল, শুভগাছা ও মাইজবাড়ি ইউনিয়নের কিছু অংশের রোপা আমনের ক্ষেতে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। এতে করে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত এই পানি নেমে না গেলে সমূহ ক্ষতির মুখে পড়বেন কৃষকেরা। গত কয়েক বছর বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এই কৃষকেরা এবার আশায় বুক বেঁধে ছিলেন। ইতোমধ্যে আমন ধানের রোপিত চারা অনেকটাই সবুজ হয়ে উঠেছিল।

কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের ৬টি ইউনিয়নসহ গান্ধাইল ও মাইজবাড়ির আংশিক ফসলি জমিতে পানি ঢুকেছে। এতে প্রায় ২০ হাজার কৃষকের মোট ১৮শ ৭৭ হেক্টর রোপা আমনের ফসল নিমজ্জিত হয়েছে।

মনসুরনগর ইউনিয়নের কৃষক খোকা মিয়া জানান, গতবারও বন্যার কারণে ভালো ফলন পাইনি। এবারও জমিতে পানি ঢুকেছে। আল্লাই জানে কি হবে।

কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রেজাউল করিম জানান, দ্রুত এই পানি নেমে গেলে কৃষকের তেমন কোন ক্ষতি হবে না। যদি দীর্ঘকাল ব্যাপী পানি থাকে তবে এবারও ক্ষতির সম্মুখীন হবেন চরাঞ্চলের রোপা আমন চাষিরা।

কাজিপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা একেএম শাহা আলম মোল্লা জানান, চরাঞ্চলের বানভাসিদের জন্য ৬ মেট্রিকটন চাল ও প্রতি ইউনিয়নের জন্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে এগুলো বিতরণও শুরু হয়েছে।

কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, বানভাসিদের নিয়মিত খবর রাখছি। আমরা সার্বক্ষণিক তাদের পাশে আছি। ইতোমধ্যেই বানভাসি মানুষদের জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে ত্রাণ সহায়তা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩১, ২০২১ ১২:২৮ অপরাহ্ন
বরিশাল বিভাগে বাড়ছে মাল্টার আবাদ
কৃষি বিভাগ

বরিশাল বিভাগে বিপুল সম্ভাবনাময় রসালো ফল মাল্টা’র আবাদ ক্রমশ বাড়ছে। গত কয়েক বছরে বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও পটুয়াখালীর বেশ কিছু এলাকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এ ফলের আবাদ ক্রমশ বাড়ছে।

পারিবারিক পর্যায়ের বাইরে এখন বাণিজ্যিক ভাবেও বিভিন্ন স্থানে মাল্টা’র আবাদ হচ্ছে। তবে এ অঞ্চলে ভাল জাত ও মানের মাল্টা’র কলম বা চারা সরবরাহ এখনো সহজলভ্য নয়। অথচ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ইতোমধ্যে ‘বারি মাল্টা-১’ ও ‘বারি মাল্টা-২’ নামের দুটি উন্নতমানের মাল্টা’র জাত উদ্ভাবন করেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন জানান, সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও ইতোমধ্যে দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত ৩ হাজার হেক্টরে মালটার আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমেই বাণিজ্যিকভাবে এর বিপননও শুরু হয়েছে। বরিশালের মাল্টা এ এলাকা ছাড়িয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানেও বাজারজাত হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের কৃষিবিদদের মতে ভাল জাতের ও মানের গাছের চারা এবং কলমের সরবারহ নিশ্চিত করতে পারলে বরিশাল বিভাগে খুব দ্রুত এ ফলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির সাথে টেকসই বাজার গড়ে উঠবে।

তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে বরিশাল সদরের কয়েকটি এলাকা ছাড়াও উজিরপুর ও আগৈলঝাড়া এবং পিরোজপুরের নেছারাবাদ, নাজিরপুর সহ ঝালকাঠির সদর উপজেলার বিপুল সংখ্যক গ্রামে মাল্টা’র আবাদ হয়েছে। তবে এ ফলের ভাল মানের কলম কিছুটা দুস্প্রাপ্য হওয়ায় কোন-কোন এলাকায় এর উৎপাদন মানসম্মত হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে সফল কৃষক গুরুদাস ব্যানার্জী জানান, বরিশালে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের রহমতপুর হর্টিকালচার নার্সারি ভালজাত ও মানের চারা উত্তোলন ও বিক্রি করলেও প্রচারণার অভাবে তা বেশীরভাগ কৃষকেরই অজানা। চলতি বর্ষা মৌসুম শেষ হবার আগেই ঐ নার্সারিতে মাল্টা’র চারা বিক্রি শেষ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।

ভাল মানের চারা রোপন করলে বছরের মাথায় গাছে ফল আসবে। সঠিক বালাই ও সার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পারলে প্রতিটি গাছে বছরে প্রায় দুই শতাধিক মাল্টা ধরবে গাছে।

বরিশালের বাজারে এখন দেশী মাল্টা সর্বনিম্ন ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা কৃষক পর্যায়ে পাইকাররা ৬০-৬৫ টাকা দরে কিনছেন। কৃষিবিদদের মতে সঠিক পরিচর্যা করলে প্রতিটি গাছ থেকে মৌসুমে ৪০ কেজি পর্যন্ত মাল্টা পাওয়া সম্ভব। এতে করে জমি তৈরী, চারা সংগ্রহ এবং সার ও বালাই ব্যবস্থাপনা সহ পরিচর্যার ব্যয় প্রথম ফলন থেকেই তুলে আনা সম্ভব।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. তাওফিকুল আলম বলেন, এ ফলের আবাদ সম্প্রসারণে যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি কৃষক পর্যায়ে এর অবাদ প্রযুক্তিসহ উন্নতমানের চারা পৌছে দিতে। আমরা চলতি বর্ষা মৌসুমে বিপুল সংখ্যক ‘বারি-১ মাল্টা’র চারা সরবরাহ করেছি। আগামীতে তা আরো বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি। তার মতে মাল্টা’র আবাদে বর্তমানের ধারা অব্যাহত রাখতে পারলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে এ ফল আমদানীর প্রয়োজন হবে না। বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩১, ২০২১ ১০:২০ পূর্বাহ্ন
যশোরসহ পাঁচ জেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে পাট চাষ
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে যশোরসহ পাঁচ জেলায় পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাট চাষ হয়েছে। এ ছয় জেলায় ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৭০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি ২০২১-২২ মৌসুমে যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর এই ছয়টি জেলায় পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দুই হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে বেশি পাটের আবাদ হয়েছে। যার লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ ৬২ হাজার ৬৪৫ হেক্টর জমি।

কিন্তু ইতোমধ্যে পাট আবাদ হয়েছে এক লাখ ৬৫ হাজার ৪৭০ হেক্টর জমিতে।

এর মধ্যে যশোর জেলায় ২৬ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। ঝিনাইদহ জেলায় ২২ হাজার ৮৬০ হেক্টর, মাগুরা জেলায় ৩৫ হাজার ২৭০ হেক্টর, কুষ্টিয়া জেলায় ৪০ হাজার ৯৬০ হেক্টর, চুয়াডাঙ্গা জেলায় ২০ হাজার ২১৫ হেক্টর ও মেহেরপুর জেলায় ২০ হাজার ৪০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার প্রামানিক জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে পাটের উৎপাদন এ মৌসুমের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি উৎপাদন হবে। পাট চাষে কৃষি বিভাগ কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগীতা করে আসছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২১ ৩:৫৮ অপরাহ্ন
হলুদ তরমুজ চাষে কৃষক মিস্টু’র চমক
কৃষি বিভাগ

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় এই প্রথম হলুদ তরমুজের চাষ করা হয়েছে। হাতিয়ার তমরদ্দি ইউনিয়নের জোড়খালী গ্রামে কৃষক মো. মিস্টু হলুদ রঙের তরমুজ চাষ করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন। নিজের বাড়ির সামনে প্রায় ৫০ শতক জমিতে কৃষক মিস্টু হলুদ তরমুজের চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। উপরে হলুদ ভিতরে লাল খেতে সুস্বাদু তরমুজগুলোর বাজার চাহিদা অনেক বেশী হওয়ায় চাষ করে লাভবান হচ্ছেন তিনি।

এক সময়ের পাওয়ার টিলার চালক মিস্টু জানান, চালক থাকা অবস্থায় তাকে অনেকবার যশোর যেতে হয়েছে। সেখানে সে দেখে এসেছে হলুদ রঙের (গ্রীণ ডায়মন্ড) এই তরমুজ চাষ। এরপর যশোর থেকে চারা এনে চলতি মৌসুমে হাতিয়ায় প্রথম এই হলুদ তরমুজের চাষ শুরু করেন। তার দেখাদেখি এখন পাশর্^বর্তী অনেক কৃষক উদ্বুদ্ধ হয়েছেন এই তরমুজ চাষে। আগামীতে এক একর জমিতে এই তরমুজ চাষ করার ইচ্ছা রযেছে কৃষক মিস্টু’র।
জোড়খালী গ্রামের ক্ষেতের পাশে বাড়ির দরজার উপর হলুদ তরমুজের স্তুপ সামনে রেখে দাঁড়িয়ে আছেন অনেকে।

এদের মধ্যে কয়েকজন তরমুজ ব্যাপারী হলেও অন্যরা এসেছেন দেখতে। কেউ-কেউ বাহারি ধরনের এই তরমুজ হাতে নিয়ে তুলছেন ছবি। ছড়িয়ে দিচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে।

অন্যান্য রঙের তরমুজের চেয়েও হলুদ রঙের তরমুজগুলো দেখতে সুন্দর, খেতে সুস্বাদু হওয়ায় এর বাজার মূল্যও বেশী। দুই কেজি ওজনের একটি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। ব্যাপারীরা ক্ষেত থেকে পরিমাপ করে নিয়ে যাচ্ছেন তরমুজ। বাজারে নেয়ার পরপরই হুমড়ি খেয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ক্রেতারা।

উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ জসিম উদ্দন জানান, স্থানীয় কৃষক মিস্টু হলুদ তরমুজ চাষে এই অঞ্চলে নতুন গল্পের সূচনা করলেন। আমরা তার সঙ্গে আছি। এ ব্যাপারে তাকে উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে সকল ধরনের সহযোগিতা করা হবে। আমাদের কর্মীরা প্রতিনিয়ত তার সাথে যোগাযোগ রাখছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২১ ৩:৪৩ অপরাহ্ন
গড়ে উঠছে ৯ সহস্রাধিক পারিবারিক পুষ্টি বাগান
কৃষি বিভাগ

যশোর জেলায় সবজি-মশলার চাষাবাদে গড়ে উঠছে ৯ হাজার ৩শ’টি পারিবারিক পুষ্টি বাগান। বসতবাড়ির আঙিনার পাশাপাশি অনাবাদি ও পতিত জমিতেও এই বাগান গড়ে তোলা হচ্ছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপনের উদ্দেশ্য হচ্ছে অনাবাদি, পতিত ও বসতবাড়ির অব্যবহৃত জমি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা। এতে একদিকে পারিবারিক পুুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে,অন্যদিকে মশলা জাতীয় ফসলেরও উৎপাদন হবে। পারিবারিক পুষ্টি বাগানের যাবতীয় ব্যয় সরকারের তরফ থেকে বহন করা হচ্ছে বলে সূত্রে জানা গেছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে আরো জানা গেছে,জেলায় ইতোমধ্যে ১৩৬টি পুষ্টি বাগানের প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে পুষ্টি বাগানসহ কচু ও মশলা জাতীয় ফসলের এই প্রদর্শনী স্থাপন করা হবে। কমিউনিটি বেজ এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য পুষ্টি বাগান স্থাপন সংশ্লিষ্ট কৃষকদের এবং জেলার ৮ উপজেলায় কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়েছে।আগামিতে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট আরো কৃষক ও উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। ২০২৫ সাল নাগাদ জেলার ৯৩টি ইউনিয়নে ১০০টি করে পারিবারিক পুষ্টিবাগানের প্রদর্শনী স্থাপন করা হবে। মুজিববর্ষে যেসব গৃহহীন বসতবাড়ি পেয়েছেন সেসব বাড়িতে প্রদর্শনীর ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। ইতোমধ্যে জেলার কেশবপুর উপজেলার দুটি আশ্রয়ণ প্রকল্পে পুষ্টি বাগান স্থাপনের কাজ শুরু করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ‘অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে এই কর্মকান্ড পরিচালিত হচ্ছে। পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা মিটানোর জন্য কৃষক পরিবারগুলোতে সবজি ও মশলার চাষাবাদ হবে। গড়ে উঠবে পুষ্টি বাগান, কচু ও আদাসহ মশলা জাতীয় ফসলের প্রদর্শনী। পাশাপাশি এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জমিতে ভার্মি কম্পোস্ট ও জৈব সারের ব্যবহার বাড়বে। ফলে মাটিতে প্রচুর জৈব পদার্থ যুক্ত হবে। মাটির ক্ষয় কম হবে। মাটির স্বাস্থ্য ভাল থাকবে ও সংরক্ষণ হবে পরিবেশ। এছাড়া ফসল চাষের আধুনিক কলাকৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাবেন প্রকল্প অঞ্চলের জনগোষ্ঠী। ফলে উৎপাদনের লাগসই ও যুগোপযোগী প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে তারা শস্যের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। এমনকি প্রকল্পভুক্ত ফসলের উৎপাদন, সংগ্রহ, গ্রেডিং, প্যাকিংসহ বিভিন্ন কাজে সম্পৃক্ত হয়ে নারীদের কর্মসংস্থান হবে। ফলে পারিবারিক আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি পুষ্টিরও উন্নয়ন ঘটবে।

প্রকল্পটির আওতায় গ্রামীণ জনপদের বসতবাড়ির আঙিনা, পুকুর ও খালের পাড়, বাড়ির আশপাশ, স্যাঁতস্যাঁতে ছায়াযুক্ত স্থানে সবজি-মশলা চাষ হবে। পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা মিটানোর জন্য কৃষক পরিবারগুলোতে সবজি ও মশলার চাষাবাদ হবে। এতে প্রতি ইঞ্চি অব্যবহৃত ও অনাবাদি জমির ব্যবহার নিশ্চিত হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে মানুষের পুষ্টিহীনতা দূর হওয়ার পাশাপাশি খাদ্যনিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে। এছাড়া দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি পুষ্টি চাহিদাও পূরণ হবে বলে তিনি জানান। বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২১ ৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
গলাচিপায় পানের বাম্পার ফলন হলেও হতাশায় চাষিরা!
কৃষি বিভাগ

দক্ষিণ অঞ্চলের পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ‘পান’ চাষের বাম্পার ফলন হলেও প্রকৃত দাম পাচ্ছেনা পান চাষিরা।

জানা যায়, চিকনিকান্দী, ডাকুয়া, বকুলবাড়িয়া ও গলাচিপা সদর ইউনিয়নে বছরের বর্ষা মৌসুমে ‘পান’ চাষে যেমন নানা ভোগান্তি শেষ নেই। ‘পানের’ বরে অতি বৃষ্টি আর বৈরী আবহাওয়া ‘পান’ চাষের বরের ভেতরে জলবদ্ধতার সৃষ্টি হলে পানি সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে ‘পানের লতা পচনধরা থেকে রক্ষা করতে হয়।

এতে ‘পান’ চাষের মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য সার কীটনাশক ব্যবহার করলেও তা পানিতে নষ্ট হওয়ায় ‘পান’ চাষিদের লক্ষ লক্ষ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উপজেলার কয়েক শত ‘পান’ চাষি।

গলাচিপা উপজেলার ‘ পান’ চাষি মালিক সমিতির সভাপতি ও সফল ‘পান’ চাষি আবদুল লতিফ তালুকদার জানান, দীর্ঘ ৪৬ বছর ধরে ‘পান’ চাষ করে আসছি, বিগত বছরে আমাদের দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের ‘পান’ দেশ বিদেশেও রপ্তানি হয়েছে, ‘পান’ চাষিরাও পেয়েছে সঠিক দাম। বর্তমানে লক্ষ লক্ষ অর্থ ব্যায় করে অনেক উন্নত মানের ‘পান’ বাম্পার চাষ হলেও, বাজারে তেমন দাম না পাওয়ায় হতাশায় আর দুঃশ্চিতায় দিন কাটাতে হচ্ছে। তাছাড়া ‘পান’ চাষিদের জন্য সরকার সঠিকভাবে কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় ‘পান’ চাষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পথে বসে যাচ্ছে প্রান্তিক ‘পান’ চাষিরা।

গলাচিপা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার জানান, ‘পান’ অত্যান্ত একটি লাভজনক ফলন, এটি কিছুদিন বিশ্বের মাহামারী ভাইরাস এর কারনে ‘পান’ রপ্তানি বন্ধ হলেও, সরকার পুনোরায় ইউরোপ এবং সার্ক ভূক্ত এশিয়া দেশ গুলোতেও ‘ পান’ রপ্তানি শুরু করছে। তবে হ্যা এটা সঠিক যে বর্তমানে প্রচুর পরিমানে ‘পান’ চাষ হওয়ায় ‘পানের’ দাম পূর্বের চেয়ে একটু কমের দিকে। তবে ‘পান’ চাষিরা শীঘ্রই এ সমস্যা থেকে উঠে দারাবেন আশা করি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২১ ৯:৪১ পূর্বাহ্ন
রাজশাহীতে পাট চাষ বেড়েছে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে
কৃষি বিভাগ

কয়েক বছরের তুলনায় রাজশাহীতে এ বছর পাট চাষ বেড়েছে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে। সব মিলিয়ে রাজশাহীতে এ বছর ১৮ হাজার ৩৯ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ সূত্র জানিয়েছে, মূলত রবি মৌসুমের শুরুতেই পাট চাষ শুরু হয়। পাট চাষে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা হয়। পাট চাষে আগাছামুক্ত রাখতে হয়, তাই নিড়ানির প্রয়োজন পড়ে। এছাড়া পাটের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পানি। এবার আষাঢ়ের শুরু থেকেই তা ছিল পর্যাপ্ত। তাই পাট চাষে প্রয়োজনীয় পানির জোগান মিলেছে প্রকৃতি থেকেই।

অতিরিক্ত খরচ গুনতে হয়নি পানি সেচের জন্য। খালে বিলে পর্যাপ্ত পানির প্রাপ্যতা মেলায় তা পরবর্তীতে ‘পাট জাগ’ দেয়ায় সুবিধে হয়েছে। এছাড়াও পাটের ভালো দাম পাওয়ায় গত পাঁচ বছরে ধরে ধীরে ধীরে বাড়ছে পাট চাষ।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ২০২১-২২ মৌসুমে বিভিন্ন ফসল আবাদের অগ্রগতির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চলতি বছরে রাজশাহীতে মোট ১৮ হাজার ৩৯ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ হাজার ৩৭৮ হেক্টর জমির পাট কাটা হয়েছে যা শতকরা হিসেবে ৮৫ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৪ হাজার ৬৪৬ মেট্রিক টন। এ বছর হেক্টর প্রতি ফলন বেশি হয়েছে ২ দশমিক ৯০ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এ বছর ২ দশমিক ৭২ শতাংশ বেশি উৎপাদন হয়েছে।

রাজশাহী রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর সহকারী পরিচালক কাজী সাইদুর রহমান জানান, এক সময় বাংলাদেশকে বলা হতো সোনালি আঁশের দেশ। যদিও সেই ধারাবাহিকতা থেকে কিছু বিচ্যুতি ঘটেছে। তবে বছর পাঁচেক থেকে প্রতিবছরই পাট রফতানি বেড়েছে। এ কারণে পাটের দামও বেড়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এক কোটি ৮৮ লাখ ১৫ হাজার ৫৮৫.৭৪ ডলার, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এক কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ৮৭৯. ৫৫ ডলার ও ২০১৯-২০ অর্থবছরে দুই কোটি ৩৪ লাখ ৭ হাজার ৫২৮.১৫ ডলারের পাট রফতানি হয়েছে রাজশাহী থেকে। আন্তর্জাতিক বাজারে পাটের চাহিদা থাকায় এবারও পাট রফতানি ভালো হবে বলে মনে করছেন এই কর্মকর্তা।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক তৌফিকুর রহমান জানান, ‘২০১৯ সালে ১৩ হাজার ৮৪৬ হেক্টর জমিতে পাটের চাষাবাদ হয়েছিলো। গত বছর অর্থাৎ, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির দিকে ১৪ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছিলো। ওই বছর পাটের চাষও বেশি হয়, ফলন ও দাম দুটোই বেশি পেয়েছিলো কৃষক। চলতি বছরে পাটের আবাদ আরও বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ হাজার ৩৯ হেক্টর।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৯, ২০২১ ৭:৩৮ অপরাহ্ন
বীজহীন লেবু চাষে লাখোপতি শহিদুল
কৃষি বিভাগ

বীজহীন (সিডলেস) লেবু চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন ফরিদপুরের বোয়ালমারীর শহিদুল ইসলাম। উপজেলার ময়না ইউনিয়নের বর্নিচর গ্রামের শহিদুল ইসলামের বীজহীন লেবুর বাগান দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে ছুটে আসছেন মানুষ। অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন। প্রস্তুতি নিচ্ছেন বীজহীন লেবুর চাষ করতে।

বেশি ফলন, রস বেশি আর চাহিদার কারণে বীজহীন লেবুতে লাভ বেশি হওয়ায় অনেকেই অন্য ফসলের আবাদ ছেড়ে এ লেবু চাষের দিকে ঝুঁকছেন। বীজহীন লেবু চাষ করে মাত্র ৩ বছরেই লাখপতি হয়েছেন বোয়ালমারীর শহিদুল ইসলাম।

সফল লেবু চাষি শহিদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ২০১৯ সালে দেড় একর জমি নিয়ে ওই জমিতে ৮০০টি বীজহীন লেবুর কলমকৃত চারা রোপণ করি। চারা কেনা, চারা রোপণ, জমি প্রস্তুত, জমি তৈরি, সেচ ও সারসহ বিবিধ খরচ মিলিয়ে প্রথম বছর তার প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার থেকে আড়াই লাখ টাকা ব্যয় হয়।

পরের বছরেই ওইসব লেবু গাছে লেবুর ফলন শুরু হয়। এরপরের বছর বেশ চাহিদা ও দাম পাওয়ায় প্রায় এক লাখ টাকার লেবু বিক্রি করি। ২০২১ সালে প্রায় আড়াই লাখ টাকার লেবু বিক্রি করেছি।

শহিদুল ইসলাম আরও বলেন, এবছর লেবুর দাম কম থাকায় মাত্র আড়াই লাখ টাকার লেবু বিক্রি হয়েছে, দাম বেশি পেলে ৩ লাখ টাকা থেকে ৪ লাখ টাকার লেবু বিক্রি করতে পারতেন। তিনি সপ্তাহে প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকার লেবু বিক্রি করেন।

ফলে তার মাসিক আয় প্রায় ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা। এ হিসাবমতে তার ১৫০ শতাংশ জমি থেকে বছরে আয় হয় ৩ লাখ ৬০ হাজার থেকে ৫ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। যা অন্য কোনো কৃষি আবাদে সহজলভ্য নয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেকার যুবক শহিদুলের লেবু চাষে সাফল্য দেখতে, পরামর্শ নিতে প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ আসছেন। অনেকেই এ বীজহীন লেবুর বাগান করার কথা চিন্তা-ভাবনাও করছেন। অনেকেই ছোট পরিসরে শুরু করেছেন এর চাষ।

রোপণের বছর বাদে প্রতি বছর একবার ডালপালা ছাঁটা, মাটি কোপানো, প্রতি ৩ মাসে একবার নিড়ানি ও ২-৩ মাস অন্তর সেচ ও সামান্য জৈব সার দিতে হয়।

ফলে একর প্রতি বার্ষিক খরচ হয় মাত্র ৫০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা। আর এক একর জমির লেবুতে আয় হয় কমপক্ষে ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকা। তাছাড়া নিজের উৎপাদিত কলম চারা দিয়ে ফিরতি বছর নতুন বাগান তৈরি করা ছাড়াও প্রতিটি কলম করা চারা ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে বিক্রি করা সম্ভব।

স্থানীয় ময়না ইউনিয়নের বাসিন্দা, স্কুল শিক্ষক মুকুল কুমার বোস জানান, এটি অল্প পুঁজিতে ভালো একটি চাষাবাদ ও লাভজনক। শহিদুলের এ লেবু চাষের সফলতা দেখে অনেকেই লেবু চাষে আগ্রহ হয়ে উঠেছেন।

বোয়ালমারী উপজেলার শিল্পকলা একাডেমির সদস্য, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন জানান, এ লেবু চাষে শহিদুলের সফলতা শুনে বাগান দেখে এসেছি। নিজেও স্বল্প পরিসরে এর আবাদ শুরুর চিন্তা করছি।

এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মৃণাল বিশ্বাস জাগো নিউজকে বলেন, বীজহীন লেবু সারা বছর ফলন দেয়। এ লেবু অধিক ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ প্রচুর রস ও সুঘ্রাণ যুক্ত।

বর্তমানে মানুষের কাছে হাইব্রিড জাতের এ বীজহীন লেবুর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আরেক সুবিধা হচ্ছে একবার এ লেবুর চারা রোপণ করলে একাধারে ১২ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত এ জাতের লেবু গাছে ফলন দেয়। তিনি আরও জানান, এ লেবু চাষে যদি কেউ এগিয়ে আসতে চায় তাহলে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। সূত্র: জাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৯, ২০২১ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
এডিপি বাস্তবায়নের সাফল্য ধরে রাখতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, গত অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে শতকরা ৯৯ ভাগ। যা জাতীয় গড় অগ্রগতির চেয়ে অনেক বেশি। আগামীতে এ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। চলতি অর্থবছরে যে প্রকল্পগুলো নেয়া হয়েছে তার শতভাগ বাস্তবায়নে কাজ করতে হবে।

আজ রোববার (২৯ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রকল্প পরিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারি, সংস্থাপ্রধানসহ প্রকল্প বাস্তবায়নে জড়িতদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরো বলেন, অত্যন্ত স্বচ্ছতা ও মানসম্পন্নভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রকল্প পরিচালকেরা কেনাকাটায় অস্বচ্ছতা, অযৌক্তিক দাম নির্ধারণ বা কোনরকম দুর্নীতিতে জড়িত হলে-তাদেরকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

সভায় জানানো হয়, চলমান ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের সংখ্যা ৭০টি। মোট বরাদ্দ ২ হাজার ৯৫৮ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে, ৬৮০ কোটি টাকা। এছাড়া, স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচার কম্পিটিটিভনেস প্রকল্পে ১৬০ কোটি টাকা, এনটিপি-২ প্রকল্পে ১৫৭ কোটি টাকা এবং মানসম্পন্ন আলু বীজ উৎপাদন ও বিতরণ প্রকল্পে ১০০ কোটি টাকা উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ২০২০-২১ অর্থবছর কৃষি মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে প্রায় ৯৯%। মোট প্রকল্প ছিল ৮৫টি, এর মধ্যে ১৫টি প্রকল্প সমাপ্ত হয়েছে। প্রকল্পের অনুকূলে মোট বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। যার মধ্যে ২ হাজার ২৫৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, যা বরাদ্দের প্রায় ৯৯%। এ অগ্রগতি জাতীয় গড় অগ্রগতির চেয়ে ১৭% বেশি। জাতীয় গড় অগ্রগতি হয়েছে ৮২%।

এছাড়া, গেল অর্থবছরে ১৬টি নতুন প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প’, ২১১ কোটি টাকার ‘কাজুবাদাম, কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প’, ৪৩৮ কোটি টাকার ‘পতিত জমি ও বাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টিবাগান প্রকল্প উল্লেখযোগ্য।

সভাটি সঞ্চালনা করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম। এসময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংস্থাপ্রধানসহ প্রকল্প পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আফগানিস্তানে তালিবানদের ক্ষমতায় আসার প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী আরো বলেন, আফগানিস্তানে তালিবানরা ক্ষমতায় এসেছে, তা দেখে দেশে একটি গোষ্ঠী রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির অপচেষ্ঠা চালাচ্ছে। আফগানিস্তানে যা ঘটছে তা সে দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তারপরও আমাদেরকে সাবধান ও সতর্ক থাকতে হবে যাতে করে দেশে কেউ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে। কারণ, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন।

৯৯ শতাংশ এডিপি হার ধরে রাখতে চায় কৃষি মন্ত্রণালয় সংবাদের তথ্য এগ্রিকেয়ার২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো: কামরুল ইসলাম ভূইয়া।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৮, ২০২১ ৫:০৯ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জ সদর কৃষি অফিসের উদ্যোগে চারা বিতরণ
কৃষি বিভাগ

সিরাজগঞ্জ সদর কৃষি অফিসের উদ্যোগে ফলজ,সবজি ও ছাদের উৎপাদিত চারা বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার(২৮আগস্ট) সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জের ছাদ বাগানে উৎসাহিত করতে সিরাজগঞ্জ সদর কৃষি অফিসের ছাদে উৎপাদিত বীজ,চারা কাটিং এবং অপ্রচলিত ফলের চারা ও সবজির বীজসহ ৭৫ জন বাগানীর মাঝে ৭০ জাতের চারা বিতরণ করেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মোঃ রোস্তম আলী।

যেসব চারা,কাটিং ও বীজ বিতরণ করা হয়ক্রিসমাস ক্যালাঞ্চু,রুহেলিয়া,জেব্রিনা,ইঞ্চি প্লান্ট,চায়না বট,পেন্সিল,ক্যাকটাস,ড্রাগন, ক্যালাঞ্চু,কাটামুকুট, বেবি টিয়ার্স, স্টেভিয়া,লেমন গ্রাস,র্বাডস অব প্যারাডাইস, অনন্ত লতা,গ্রিন লিফ, সাকুলেন্ট, কৈলাস, লজ্জাবতী, নাইট কুইন,মানি প্লান্ট,ক্যাকটাস,আইরিশ লিলি,বিলাতী ধনিয়া, জ্রেব্রা প্লান্ট, জবা, ফিশবোন, মেহেদী, অগ্নীশ্বর, এরোহেড, বেবিটিয়ার্স, অর্কিড, স্নেকপ্লান্ট, এলোভেরা, পুর্তলিকা, গাইনুরা, বাসক, গ্রিন ক্রিপার,ক্যাথেলিয়া, এ্যামিরাস লিলি, সূর্যমুখী, দুপুরচন্ডি, অপরাজিতা,তুলশী,রেইন লিলি,হাড় জোড়, রিওপ্লান্ট, এলাচ,পুদিনা,ওলকপি,গাজর,লটকন, পেয়ারা, আমলকি, কদবেল, জাম,লালশাক ,পুইশাক,কলমীশাক,সবুজ শাক,পালংশাক,লাউ,সীম,করলা, টমেটো, বেগুন, বরবটি, শশা, ঢেঁড়শ।

উপজেলা কৃষি অফিসার জানান প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন দপ্তরের অফিসারগণ, কৃষক-কৃষাণী ও সাধারণ জনগন সানন্দে ছাদ বাগান দেখতে ভীড়জমান। উপজেলা কৃষি অফিসার বলেন, প্রতিনিয়ত কৃষি জমি কমে যাচ্ছে, বিষমুক্ত ও ভেজাল মুক্ত এবং শতভাগ নিরাপদ অরগানিক খাবারের যোগান নিশ্চিত করতে, পুষ্টি চাহিদা পূরণে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ছাদ কৃষি অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে। তাছাড়া ছাদ কৃষি করতে আগ্রহী ব্যক্তিগণকে সরেজমিন প্রশিক্ষণ কলাকৌশল শিখানো সম্ভব হচ্ছে এবং ছাদ কৃষি করতে আগ্রহী হচ্ছে। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে ছাদ বাগানটি করেছেন যাতে সিরাজগঞ্জ শহরবাসী ছাদ বাগান করতে উৎসাহিত হয়।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop