৭:১১ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ১ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ২৮, ২০২১ ৫:০৯ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জ সদর কৃষি অফিসের উদ্যোগে চারা বিতরণ
কৃষি বিভাগ

সিরাজগঞ্জ সদর কৃষি অফিসের উদ্যোগে ফলজ,সবজি ও ছাদের উৎপাদিত চারা বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার(২৮আগস্ট) সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জের ছাদ বাগানে উৎসাহিত করতে সিরাজগঞ্জ সদর কৃষি অফিসের ছাদে উৎপাদিত বীজ,চারা কাটিং এবং অপ্রচলিত ফলের চারা ও সবজির বীজসহ ৭৫ জন বাগানীর মাঝে ৭০ জাতের চারা বিতরণ করেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মোঃ রোস্তম আলী।

যেসব চারা,কাটিং ও বীজ বিতরণ করা হয়ক্রিসমাস ক্যালাঞ্চু,রুহেলিয়া,জেব্রিনা,ইঞ্চি প্লান্ট,চায়না বট,পেন্সিল,ক্যাকটাস,ড্রাগন, ক্যালাঞ্চু,কাটামুকুট, বেবি টিয়ার্স, স্টেভিয়া,লেমন গ্রাস,র্বাডস অব প্যারাডাইস, অনন্ত লতা,গ্রিন লিফ, সাকুলেন্ট, কৈলাস, লজ্জাবতী, নাইট কুইন,মানি প্লান্ট,ক্যাকটাস,আইরিশ লিলি,বিলাতী ধনিয়া, জ্রেব্রা প্লান্ট, জবা, ফিশবোন, মেহেদী, অগ্নীশ্বর, এরোহেড, বেবিটিয়ার্স, অর্কিড, স্নেকপ্লান্ট, এলোভেরা, পুর্তলিকা, গাইনুরা, বাসক, গ্রিন ক্রিপার,ক্যাথেলিয়া, এ্যামিরাস লিলি, সূর্যমুখী, দুপুরচন্ডি, অপরাজিতা,তুলশী,রেইন লিলি,হাড় জোড়, রিওপ্লান্ট, এলাচ,পুদিনা,ওলকপি,গাজর,লটকন, পেয়ারা, আমলকি, কদবেল, জাম,লালশাক ,পুইশাক,কলমীশাক,সবুজ শাক,পালংশাক,লাউ,সীম,করলা, টমেটো, বেগুন, বরবটি, শশা, ঢেঁড়শ।

উপজেলা কৃষি অফিসার জানান প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন দপ্তরের অফিসারগণ, কৃষক-কৃষাণী ও সাধারণ জনগন সানন্দে ছাদ বাগান দেখতে ভীড়জমান। উপজেলা কৃষি অফিসার বলেন, প্রতিনিয়ত কৃষি জমি কমে যাচ্ছে, বিষমুক্ত ও ভেজাল মুক্ত এবং শতভাগ নিরাপদ অরগানিক খাবারের যোগান নিশ্চিত করতে, পুষ্টি চাহিদা পূরণে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ছাদ কৃষি অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে। তাছাড়া ছাদ কৃষি করতে আগ্রহী ব্যক্তিগণকে সরেজমিন প্রশিক্ষণ কলাকৌশল শিখানো সম্ভব হচ্ছে এবং ছাদ কৃষি করতে আগ্রহী হচ্ছে। তিনি নিজস্ব অর্থায়নে ছাদ বাগানটি করেছেন যাতে সিরাজগঞ্জ শহরবাসী ছাদ বাগান করতে উৎসাহিত হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৭, ২০২১ ১:০১ অপরাহ্ন
৮ হাজার হেক্টর জমির ধান ডুবে গেছে বন্যায়
কৃষি বিভাগ

চলনবিলের আট উপজেলার রোপা আমন ধান বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পানিতে তলিয়ে গেছে। আমনের ভরা মৌসুমে যখন ক্ষেতজুড়ে ফসলের সমারোহ, ঠিক তখনই অসময়ের বন্যায় তলিয়ে গেল আট হাজার হেক্টর জমির ধান। এ অবস্থায় আমনের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা কৃষকের।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়া; পাবনার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া; নাটোরের গুরুদাসপুর, সিংড়া ও নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার প্রায় ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। কিন্তু চলনবিলের বিভিন্ন উপজেলার কৃষি অধিদপ্তর সূত্রমতে, অসময়ের বন্যায় চলনবিলের প্রায় আট হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ধান এরই মধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিনের বর্ষণ ও বন্যার পানি বৃদ্ধির ফলে শুধু তাড়াশ উপজেলায় ৫০০ হেক্টর জমির সদ্য রোপণ করা রোপা আমন ধান ডুবে গেছে।

উপজেলার মালশিন গ্রামের কৃষক আনোয়ার হোসেন জানান, ভাদ্র মাসের শুরুতে তাড়াশে ১২-১৪ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান লাগানো হয়েছিল। কিন্তু বন্যার পানি বৃদ্ধি, ভারি বর্ষণ ও বিভিন্ন গ্রামের ফসলি মাঠের জলাবদ্ধতার কারণে কৃষকের স্বপ্ন সবুজ ধান ডুবে গেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ডুবে যাওয়া জমির পরিমাণ প্রতিদিনই বাড়ছে। বিশেষ করে গত কয়েক দিনে চলনবিলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদনদীর পানি বৃদ্ধি ও স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় আট হাজার হেক্টর জমির সদ্য লাগানো রোপা আমন ধান তলিয়ে গেছে।

চলনবিলের তজির হোসেন, মনোয়ার হোসেন, দুদু মণ্ডলসহ একাধিক কৃষক জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে চলনবিলের কৃষকের বেশিরভাগ বীজতলা নষ্ট হয়েছে। এ অবস্থায় বন্যার পানি নেমে গেলেও আবারও রোপা আমন ধান লাগাতে কৃষকরা চারা বীজের সংকটে পড়বেন।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লুৎফুন্নাহার লুনা জানান, চলনবিল একটি বৃহৎ এলাকা। এ এলাকার অধিকাংশ ফসলি জমি নিচু। তাই অল্প পানিতেই ফসল তলিয়ে যায়। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের ওপর কারও হাত নেই। তবে বন্যার পানি নেমে গেলে ডুবে যাওয়া রোপা আমন ধান ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৬, ২০২১ ৫:০০ অপরাহ্ন
নাচোলে ঘাস চাষে সফল উদ্যোক্তা ফারুক
কৃষি বিভাগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুরে তরুন উদ্যোক্তা ফারুক(৩৭) সফল উদ্যোক্তা হবার স্বপ্ন দেখছে তরুন ফারুক। তিনি গরুর খাবারে জন্য ২০ বিঘা জমিতে ঘাস চাষ করেছে।নিজের ক্রয়করা প্রায় ৩বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন গবাদীপশুর খামার। খামারে শাহীওয়াল ও জার্সি জাতের ৪৫টি গাভী, ৪২টি ষাঁড় গরু, ২৫টি বাছুর, ১১টি ভেড়া ও ১হাজার ক্যাম্বেল জাতের হাঁস পালন করছেন। লক্ষীপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে স্নাতক পাস তরুন ফারুকের চোখে সফল উদ্যোক্তা হবার স্বপ্ন।

জানা যায়, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা, বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী ব্যাংকের কর্মকর্তাগনের সাথে পরামর্শ করে সার্বক্ষনিক দেখাশুনা করছেন তার যতে লালিত পালিত গাভী, ষাড় গরু, বাছুর ও হাঁসগুলি। প্রাণী সম্পদ অফিসের পরামর্শে সুসম খাবার দিচ্ছেন ও যত্ন নিচ্ছে ৭জন কর্মচারী। তার ফার্মে চাকুরী দিয়ে নাচোল উপজেলার বেকারত্ব দুর করতে চান। সরকারী-বেসরকারী ব্যংক ও সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা পেলে সে নাচোলে আদর্শ ও তরুন উদ্যোক্তা হতে পারবেন।

মংলা সমুদ্র বন্দরে সিএনএফ এজেন্ট হিসেবে অনেক দিন যাবত ব্যবসা করছেন। বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে প্রাণী সম্পদের ফার্ম গড়ে তুলে অনেকেই সফল হয়েছেন, এমন প্রচারনা দেখে তিনি অনুপানিত হয়ে বরেন্দ্র অঞ্চলের নাচোল উপজেলার লক্ষীপুরে নিজের কেনা ২বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন গবাদীপশুর মেসার্স ফাহমিদা এগ্রো এন্ড ডেইরী ফার্ম। বাড়ির পাশের খামারে ১ হাজার ক্যাম্বেল হাঁস পালন করছেন।

স্বপ্নচারী ফারুক আশা করছেন সরকারি উৎসাহ ও অনুপ্রেরনা পেলে তার মত অনেকেই প্রাণী সম্পদের ফার্ম গড়ে তুলে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে।

এব্যাপারে উপজেলা সহকারী প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সারমিন সুলতানা জানান, ফারুকের মত তরুন উদ্যোক্তাকে সরকারী-বেসরকারী সহায়তা প্রদান করলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের ভিশন-২০৪১ সফল হবে বলে তিনি আশা করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৬, ২০২১ ১:৫০ অপরাহ্ন
টাঙ্গাইলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে আউশের আবাদ
কৃষি বিভাগ

টাঙ্গাইল জেলায় এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৫৬ ভাগ বেশি জমিতে হয়েছে আউশের আবাদ। এই ধানের হারানো দিন ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে জেলার কৃষি বিভাগ। বন্যা না থাকায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলনও ভালো হয়েছে বলে দাবি করছেন কৃষকরা।

কৃষি মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশনায় ও টাঙ্গাইল কৃষি বিভাগের উদ্যোগে আবারো আউশ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। আউশ ধান আবাদের জন্য কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। সেই হারানো আউশ ধানের সুদিন আবার ফিরে আসছে টাঙ্গাইলে।

স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের সহায়তায় আধুনিক কলাকৌশল ব্যবহার করে সঠিক নিয়মে জমির পরিচর্যা করে আর বন্যা না থাকায় ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ফলনও ভালো হয়েছে। আউশ ধান নতুন করে আবাদ করে বাড়তি লাভবান হওয়ার আশায় খুশি কৃষকরা।

জেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় আউশ ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৯৫২ হেক্টর জমিতে। এর বিপরীতে আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৪৫২ হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শতকরা ২৫৬ ভাগ বেশি। এ মৌসুমে জেলায় প্রায় ৭ হাজার কৃষকের মধ্যে আউশ ধানের বীজ ও সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চারাবাড়ী এলাকার কৃষক আব্দুল করিম জানান, আমরা কয়েকজন মিলে এখানে ৪০০-৫০০ শতাংশ জমিতে আউশ ধান আবাদ করেছি। ধান খুব ভালো হয়েছে। পোকা মাকড় খুব কম আক্রমণ করছে। জমি পতিত না রেখে আউশ আবাদে যদি বিঘায় ১০-১৫ মণ ধান পাওয়া যায়, তবে তো সোনায় সোহাগা। এ কারণেই সামনের বছর আউশ আবাদ বেশি করে করবো।

টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) আরিফুর রহমান জানান, এবছর আমাদের জেলায় আউশ ধানের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৫২ হেক্টর। তবে আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৪৫২ হেক্টর জমিতে। এপর্যন্ত প্রায় ৩৫ ভাগ জমির ধান কাটা হয়েছে। ৩ দশমিক ৮৭ মেট্রিক টন ধান প্রতি হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছে। চালের হিসাবে প্রতি হেক্টরে ২ দশমিক ৫৮ মেট্রিক টন। ফলন খুব ভালো হয়েছে বলে মনে করি আমি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৫, ২০২১ ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
আমন ধানের চারা রোপণে ব্যস্ত কৃষক
কৃষি বিভাগ

লক্ষ্মীপুরের রামগতির কৃষকেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন সোনালি ফসল আমনে চারা রোপণে। এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বীজতলার কোন ক্ষতি হয়নি বলে জানান কৃষক। চলতি মওসুমের বৃষ্টির পানিকে কাজে লাগিয়ে চারা রোপণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। ফলে জমিতে সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, একটি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নে মোট ২৫টি বøকে আমন ধানের চাষ হবে। এ বছর প্রায় ২৩ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ১ হাজার ৪৬২ হেক্টর জমিতে বিজতলা করা হয়েছে। ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৮২ মেট্রিক টন।

চরলক্ষ্মী গ্রামের জসিম উদ্দিন জানান, পর্যাপ্ত বৃষ্টির পানি ও শ্রমিকের সংকট না থাকায় এবার চারা রোপণ করতে কোন অসুবিধা হচ্ছে না। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই চারা রোপণের কাজ শেষ হয়ে যাবে। বিগত বছরের তুলনায় এবার চাষাবাদ ভালো হয়েছে, ফলে ধানের ফলন অনেক ভালো হবে বলে আশা করছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার সরকার জানান, কৃষি নির্ভর জীবিকায়নের এ এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙ্গন কৃষি ও কৃষকের বিশেষ ক্ষতির কারণ। এখানে নদী ভাঙ্গনের ফলে ছিন্নমূল ভূমিহীনের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই আমরা সব সময়ই কৃষকের পাশে আছি। চলতি অর্থ বছরে সরকারের প্রণোদনা হিসেবে বিনামূল্যে বীজ ও সার উপজেলার ৭০০ জন কৃষক-কৃষাণীর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৫, ২০২১ ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
৩ শতাধিক খুরমা খেজুঁর গাছের বাগান করলেন প্রবাসী সেলিম
কৃষি বিভাগ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মার্টিন গ্রামে প্রবাসী(মালেশিয়া) মো: সেলিম তিন শতাধিক (৩০৮) খুরমা খেজুঁর গাছের একটি বাগান তৈরি করেছেন। বর্তমানে গাছের বয়স ২ বছর। আগামী ৩ বছরের মধ্যে তিনি ফলনের আশা করছেন তিনি।

জানা যায়, ছোট ছোট খেজুঁর গাছের বাগানে পরিচর্যা করছেন যুবক মাইন উদ্দিন। তিনি প্রবাসী সেলিমের মেয়ের জামাই। শ্বশুর সেলিমের গড়ে তোলা বাগানের যত্ন করছেন মাইন উদ্দিন।

তিনি জানান, গত ২ বছর আগে শ্বশুর সেলিম আরব আমিরাত থেকে থেকে পাকা খেঁজুর এনে বীজ তলায় বীজ বপন করেন। পরে সেখানে যে চারা গাছ হয় তা জমিতে রোপন করেন। বর্তমানে তাদের বাগানে ৩০৮টি চারা গাছ রয়েছে। মাইন উদ্দিন জানান, আগামী ৩ বছরের মধ্যে গাছে ফুল এবং ফল ধরার আশা করছেন তারা।

মাঈন উদ্দিন নিজেও আরব আমিরাতে খেজুঁর বাগানে কাজ করতেন। তাই দেশে আসলে শ্বশুর তাকে নিজের বাগানের কেয়ার টেকার নিযুক্ত করেন। মাঈন উদ্দিন জানান, তার শ্বশুরের ইচ্ছা এ বাগানে সফল হলে সেখান থেকে তিনি পুরো লক্ষ্মীপুর জেলায় খেঁজুর বাগান ছড়িয়ে দিবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৫, ২০২১ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
দাম ভালো পেলেও বিপাকে পাট চাষিরা
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাটে পাটের ফলন ভালোসহ বর্তমানে বাজারে ভালো দামও পাচ্ছেন কৃষকরা। বিঘাপ্রতি জমিতে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ করে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা বিক্রির আশা করছেন কৃষকরা। তবে আশেপাশের খাল, ছোট ছোট পুস্কুনি ভরাট হয়ে যাওয়ায় পাট পঁচানোর জন্য জাগ দেয়ার জায়গা সঙ্কটে কিছুটা বিপাকে তারা।

কৃষকরা জানান, বিঘাপ্রতি জমিতে পাট চাষ করতে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়। আর বাজারে ভালো দাম পাওয়া গেলে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। বর্তমানে বাজারে প্রতিমণ পাট বিক্রি হচ্ছে ২৭শ’ থেকে ২৮শ’ টাকা পর্যন্ত। তবে তাদের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে পাট পঁচানোর জন্য জাগ দেয়ার জায়গা নিয়ে। আশেপাশের খাল ও ছোট ছোট পুস্কুনিগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ায় কমে গেছে জাগ দেয়ার পর্যাপ্ত জায়গা। এতে কিছুটা বিপাকে তারা।

হাতিল হাজিপাড়া গ্রামের একজন কৃষক জানান, ভালো দাম পেলে ২৫ হাজারের মতো বিক্রি হয় বিঘাপ্রতি। আর ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়। বর্তমানে পাট কেটে জাগ দেবো কোথায় সেই জায়গা পাচ্ছি না। আশেপাশের যেসব ছোট ছোট পুকুর, খাল ছিল সেগুলো ভরাট করে মানুষ আবাদি জমি করছে। নদীতে দিলে ভেসে চলে যায়। তাই আমাদের খুব সমস্যা পাট নিয়ে।

জয়পুরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স.ম মেফতাহুল বারী জানান, জেলায় এবার ৩ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২শ’ হেক্টর বেশি। ইতিমধ্যে প্রায় ২৩শ’ হেক্টর জমির পাট কাটা শেষ হয়েছে। বিঘাপ্রতি গড় ফলন ৮ মণ। বাজারে দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। এছাড়া কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে পাট চাষে কৃষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণসহ সব ধরণের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৫, ২০২১ ২:০০ পূর্বাহ্ন
অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বেকারত্ব হ্রাসে কৃষি ফার্ম
কৃষি বিভাগ

বর্তমান সময়ে কৃষকের ছেলে কৃষক হবে এমন কথা একেবারেই ভিত্তিহীন। কিন্তু কৃষির ওপর ভিত্তি করে আজও আমরা আমাদের সুখ-দুঃখের হিসাব-নিকাশ করে থাকি। দেশের কৃষির উৎপাদন কমে গেলে সারাদেশের মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে যায়। সমস্যাটি যেন শুধু কৃষকদের থাকে না, সবার মাঝেই ছড়িয়ে পড়ে। কৃষি দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। দেশের মোট জনসংখ্যার ৭০ ভাগ এবং শ্রমশক্তির ৫৫ ভাগ কোন না কোনভাবে কৃষিতে নিয়োজিত।

বর্তমানে দেশে কৃষিভিত্তিক শিল্পের মধ্যে পোল্ট্রি ফার্ম, ডেইরি ফার্ম, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, মৎস্য উৎপাদন, হিমায়িতকরণ শিল্প রয়েছে। এসব শিল্পে বেশকিছু বড় বড় কোম্পানি বিনিয়োগ করছে।

বর্তমানে দেশে বেশ কিছু খ্যাতিসম্পন্ন কোম্পানি যেমন আকিজ, স্কয়ার, এসিআই কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পে বিনিয়োগ করছে এবং দৈনন্দিন জীবনের চাহিদামাফিক বিভিন্ন প্রকার খাদ্যদ্রব্য বাজারজাত করছে। অনেক কোম্পানি কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের মাধ্যমে কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি কৃষি পণ্য সংগ্রহ করছে। তবে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের মূল কাঁচামাল কৃষি ফসল উৎপাদনে সরাসরি বড় প্রতিষ্ঠান পাওয়া যায় না। ব্যক্তি ও পারিবারিক উদ্যোগে কিছু ফলমূল ও সবজি উৎপাদন এলাকা গড়ে উঠলেও বৃহৎ পরিসরে গড়ে উঠেনি কোন সুপরিকল্পিত কৃষি ফসল উৎপাদনমুখী ফার্ম। ফলে খাদ্যশস্য ও অন্যান্য কৃষিপণ্যের জন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের কৃষক এবং বর্গাচাষীরাই ভরসা যাদের উৎপাদনের হার কম।

দেশে কৃষি উৎপাদন ফার্ম গড়ে উঠলে পরিকল্পিতভাবে মাটির গুণাগুণ অনুসারে খণ্ড খণ্ড জমিগুলো এক করে ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হবে এবং উৎপাদন আরও বৃদ্ধি হবে। পাশাপাশি কৃষি পণ্যের বাজারজাতকরণও অনেকাংশে সহজ হবে।

দেশের দক্ষিণাঞ্চল খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা এলাকায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জমি লিজ নিয়ে বেশ কিছু মৎস্য খামার গড়ে উঠেছে। অন্যান্য এলাকায়ও এরূপ উদ্যোগ গ্রহণ করে কৃষি ফার্ম প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। একই এলাকার আশেপাশের খণ্ড খণ্ড জমির মালিকদের নিয়ে কৃষি পণ্য উৎপাদনমুখী সমবায় সমিতি গঠন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের কৃষি ফার্ম গঠন করে সমন্বিত পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা যেতে পারে।

জমির মালিকদের নিকট থেকে বছরভিত্তিক লিজ নিয়ে প্রতিষ্ঠিত কোনো সমবায় সমিতির মাধ্যমেও কৃষি ফার্ম গঠন করা যায়। নতুন নতুন এনজিও এবং কোম্পানি প্রতিষ্ঠাপূর্বক তাদের মাধ্যমে কৃষি ফার্মভিত্তিক চাষাবাদের উদ্যোগ গ্রহণ করলে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অনেক সহজ হবে।

গ্রামীণ জনগোষ্ঠী জমি লিজ হতে প্রাপ্ত অর্থের পাশাপাশি এসব ফার্মে কাজ করে অর্থ উপার্জনও করতে পারবে। ফার্মের কাজের বাইরে বাকি সময়ে নিজের কাজ করলে অর্থনীতিতে ছদ্মবেশী বেকারের হারও হ্রাস পাবে। কৃষি ফার্মে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ গ্রহণের পাশাপাশি বৃহৎ ফার্মে বা কয়েকটি ছোট ছোট ফার্মকেন্দ্রিক একজন করে কৃষিবিদ নিয়োগ করলে ফার্মভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থা কৃষিখাতকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিবে। ফলে কৃষি কাজের সামাজিক মর্যাদাও বাড়বে এবং শিক্ষিত বেকার শ্রেণীকে চাকুরি হিসেবে কৃষিখাতে নিযুক্ত করা সম্ভব হবে। কারণ একজন শিক্ষিত বেকার মাঠে চাষাবাদের বদলে একই কাজ প্রতিষ্ঠিত কৃষি ফার্মে করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবে।

ফার্মে জনসাধারণের কর্মসংস্থানের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নতি সাধন হবে এবং নগরায়ন সমস্যা অনেকাংশে কমে যাবে। ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তিকেন্দ্রিক কৃষি ঋণ বিতরণের পাশাপাশি এসব ফার্মে ঋণ প্রদানপূর্বক কার্যকর কৃষি ঋণের পরিমাণও অনেকগুণ বাড়াতে পারবে।

আমাদের পাশের দেশগুলোতে কৃষি ফার্ম গড়ে উঠছে। আমাদের দেশের জমির মালিক পক্ষ, ফার্ম পরিচালনাকারী কোম্পানি বা এনজিও, প্রশাসন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির সমন্বয় করে কৃষি ফার্ম গঠন কিছুটা কষ্টসাধ্য হলেও উদ্যোগ গ্রহণ করলে সেটা অবশ্যই সম্ভব। এরূপ কয়েকটি ফার্ম প্রতিষ্ঠিত হয়ে লাভের মুখ দেখলে বড় এবং মাঝারি আকারের প্রতিষ্ঠান কৃষি ফার্মভিত্তিক বিনিয়োগে এগিয়ে আসবে। এর ফলে, সমন্বিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি বেকারত্ব হ্রাসেও কৃষি ফার্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

লেখক: রিয়াজুল হক
অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও যুগ্ম পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৪, ২০২১ ৩:৩২ অপরাহ্ন
গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের উদ্যোগ
কৃষি বিভাগ

গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষে স্বপ্ন দেখছেন জয়পুরহাটের স্থানীয় কৃষকরা। গ্রাফটিংয়ের মাধ্যমে তিত বেগুনের সাথে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষে সফলতার দ্বার প্রান্তে এখন জয়পুরহাটের স্থানীয় বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা ’জাকস ফাউন্ডেশন’র কৃষি ইউনিট।

জাকস ফাউন্ডেশনের কৃষি ইউনিটের প্রধান কৃষিবিদ ওবাইদুল ইসলাম জানান, আবহাওয়ার কারণে এ অঞ্চলের মাটিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ সম্ভব হয়না। অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও ভাইরাসের আক্রমণে টমেটোর ফুল আসার আগেই টমেটোর গাছ নষ্ট হয়ে যায়। যা গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষে বড় অন্তরায় হয়ে দেখা দেয়। এসব অন্তরায় গুলো মাথায় নিয়ে জাকস ফাউন্ডশনের কৃষি ইউনিটের সদস্যরা তিত বেগুনের সাথে গ্রাফটিং করে।

পর্যবেক্ষণে ভালো ফলাফল পাওয়ায় জেলার পাঁচবিবি উপজেলার আগাইর গ্রামের কৃষক কখীল চন্দ্রের ১০ শতাংশ জমিতে এবার প্রদর্শনী হিসেবে ওই টমেটোর চারা লাগানো হয়েছে। পলিথিন দিয়ে সেড তৈরি করে মালচিং পেপার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। মালচিং ব্যবহারের ফলে মাটির আদ্রতা রক্ষার পাশাপাশি অতিরিক্ত তাপমাত্রা থেকে গাছ রক্ষা পায়। আবার বৃষ্টির পানি থেকেও রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে পলি সেড।

টমেটোর জাত হচ্ছে বারি ৪ ও ৮। বর্তমানে দেখা যায় টমেটোর গাছে ভাইরাসের কোন আক্রমণ হয়নি। টমেটোর গাছে গাছে ফুল ধরেছে। টমেটোর গাছের ফুল কৃষকের মনে দোলা দিচ্ছে আনন্দ। ভালো ফলন পাওয়ার আশায় দেখছেন স্বপ্ন।

জাকস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো: নূরুল আমিন বলেন, টমেটো শীতকালীন ফসল হলেও গ্রীষ্মকালে অনেক চাহিদা থাকে। পল্লীকর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের সহায়তায় গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের উদ্যোগ নেওয়া হযেছে। গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষে অনেক কৃষক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। গ্রীষ্মকালীন টমেটোর চাহিদা পূরণ, ভালো ফলন পাওয়া যাবে এমন প্রত্যাশার কথা জানান, টমেটো চাষি কখীল চন্দ্র।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ স ম মেফতাহুল বারি জানান, এখানকার মাটি গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের উপযোগী নয়, তারপরেও গ্রাফটিংয়ের মাধ্যমে ’জাকস ফাউন্ডেশন’ গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষের উদ্যোগ নিয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৪, ২০২১ ১০:২১ পূর্বাহ্ন
বৃষ্টি উপেক্ষা করে ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত কৃষক
কৃষি বিভাগ

কমলগঞ্জে বিরূপ আবহাওয়ার প্রতিকূলতা কাটিয়ে আউশের ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। কেউ কেউ ধান কাটার প্রস্তুুতি নিতে শুরু করেছেন। কেউ বা ধান রোদে শুকাচ্ছেন।

উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে এ বছর আউশের চাষ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার কম জমিতে আউশ ধান চাষ করা হলেও এবার ফলন ভালো হয়েছে।

সব প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে সার, পোকামাকড়, আগাছা দমনসহ সব বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিয়ে চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যে কারণে এ বছর আউশ ধানের ভালো ফলন হয়েছে।

শমশেরনগর ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল বারী, মছদ্দর আলী, আবুল কাশেম ও আমির আলী বলেন, বর্ষার ভরা মৌসুমে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় প্রায় ১০ একর আউশ জমি চাষাবাদ করতে পারেননি। আউশের চারা রোপণে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তবে অল্প বৃষ্টির মধ্যেই যে পাঁচ একর জমিতে আউশ চাষ করেছেন, তাতে ফসল ভালো হয়েছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টি হলে আরও কিছু জমি চাষ করা যেত।

কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার বিশ্বজিৎ রায় বলেন, নির্দিষ্ট সময়ে ধান না কাটলে বৃষ্টিতে ধান পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং যে পরিমাণে ধান পাওয়ার কথা তার থেকে কম পাবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop