১:৪৪ পূর্বাহ্ন

সোমবার, ৪ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ১৫, ২০২১ ৪:১৭ অপরাহ্ন
এসিআই দীপ্ত কৃষি অ্যাওয়ার্ড ফর্ম বিতরন পর্ব শুরু
কৃষি গবেষনা

কৃষি নির্ভর এই দেশের কৃষকদের পাশে থেকে কাজ করে যাওয়া দীপ্ত টেলিভিশন এবার হাতে নিয়েছে আরেকটি বিশাল উদ্যোগ। কৃষির অগ্রযাত্রায় সামনে থেকে এগিয়ে নেয়া মানুষগুলোর কাজের স্বীকৃতি হিসাবে দীপ্ত টেলিভিশনের ‘‌দীপ্ত কৃষি‘‌ অনুষ্ঠানটির মাধ্যমে প্রদান করা হবে “এসিআই দীপ্ত কৃষি অ্যাওয়ার্ড ২০২০”।

এখন থেকে প্রতি বছর এই পুরস্কারটি দেয়া হবে মাঠ পর্যায়ে তিলতিল করে সফল হয়ে ওঠা কৃষক, খামারি, সৃজনশীল উদ্ভাবক, মেধাবী গবেষক এবং সফল কৃষি উদ্যোক্তাদের।

বাংলাদেশের সকল কৃষক, খামার, উদ্ভাবক, কৃষি বিজ্ঞাণী, গবেষক ও নতুন উদ্যোক্তা দীপ্ত কৃষি আ্যওয়ার্ড অনুষ্ঠানে ইমেইল বা ডাকযোগে মনোনায়ন পত্র দাখিল করতে পারবেন বা ছবি তুলে দীপ্ত টিভির ফেসবুক পেইজে ইনবক্স করতে পারেন। এক্ষেত্রে প্রতিটি মনোনায়ন ফরমে অবশ্যই স্থানীয় জনপ্রতিনিধি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার সিল ও স্বাক্ষর থাকতে হবে।

আবেদনকারীরা অনলাইনেও ফরম পূরণ করতে এখানে ক্লিক করুন: এসিআই দীপ্ত কৃষি অ্যাওয়ার্ড ফর্ম

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৫, ২০২১ ১২:৫৬ অপরাহ্ন
খাগড়াছড়িতে রাবার চাষিদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

তিন পার্বত্য জেলার রাবার প্রকল্পে সুবিধাভোগী চাষিদের মধ্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার (১৪ মার্চ) সকালে খাগড়াছড়ির পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডে কার্যালয়ে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

এসময় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য-পরিকল্পনা (উপ-সচিব) ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, নির্বাহী প্রকৌশরী মুজিবুল আলম, রাবার বাগান ব্যবস্থাপনা ইউনিটের প্রকল্প ব্যবস্থাপক জ্যোতিষ বসু ত্রিপুরাসহ বোর্ডের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে চাষিদের মধ্যে রাবার চাষের জন্য সিলভামিক্স-৪০ নামক ট্যাবলেট সার বিতরণ করা হয়। তিন পার্বত্য জেলায় ১হাজার ৬শ জন কৃষকের মধ্যে ৬হাজার পিস করে মোট ১০ লাখ সিলভামিক্স-৪০ ট্যাবলেট বিতরণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

৮০ দশকের পর থেকে পাহাড়ে রাবার চাষ শুরু হয়। বর্তমানে তিন পার্বত্য জেলায় মোট ১৩ হাজার ২শ একর জায়গা জুড়ে রাবার চাষ করা হচ্ছে। এর মধ্যে খাগড়াছড়িতে ১০ হাজার একর, রাঙ্গামাটিতে এক হাজার ২শ একর এবং বান্দরবানে দুই হাজার একর জায়গায় মোট তিন হাজার ৩শ পরিবার রাবার চাষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৪, ২০২১ ১২:৪২ অপরাহ্ন
মাচা পদ্ধতিতে টমেটো চাষে লাভবান হচ্ছেন পাবনার কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষে লাভবান হচ্ছেন পাবনার কৃষকরা। এতে সবজি নষ্ট না হওয়ায় বাড়ছে উৎপাদনও। মাচায় বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করে কৃষকরা আগের চেয়ে এখন বেশি লাভবান হচ্ছেন। ফলে মাচা পদ্ধতিতে পটোল, টমেটো, লাউ, শিম, মিষ্টিকুমড়া, করলা, ধুন্দল, চালকুমড়া, ঝিঙা, চিচিঙা, শসা, বরবটিসহ লতাজাতীয় অন্যান্য সবজি চাষ বাড়ছে। লাভবানও হচ্ছে চাষি।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে চাটমোহর উপজেলায় ১ হাজার ৮৪৫ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ২০০ হেক্টর জমিতে শিম, ২৫০ হেক্টর জমিতে বেগুন, ১৯৫ হেক্টর জমিতে মুলা, ১৬০ হেক্টর জমিতে ফুলকপি, ১৪৫ হেক্টর জমিতে লাউ, ১১৫ হেক্টর জমিতে পালংশাক, ৯০ হেক্টর জমিতে বাঁধাকপিসহ অন্যান্য সবজির আবাদ হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তা এএ মাসুম বিল্লাহ জানান, কৃষকরা এখন সচেতন হয়েছেন। অনেক কৃষক টমেটোসহ লতানো সবজি মাচায় চাষ শুরু করেছেন। মাচায় সবজি চাষে প্রাথমিক খরচ বেশি হলেও এটি লাভজনক। পটোল, টমেটো, লাউ, শিম, মিষ্টিকুমড়া, করলা, ধুন্দলসহ লতানো সবজি মাচায় চাষ করা যায়। এজন্য উঁচু জমি বেছে নেয়া ভালো।

উঁচু করে মাচা তৈরি করলে মাচার সবজি মাটির সংস্পর্শে আসে না। ফলে পোকামাকড় ও ছত্রাকের আক্রমণ কম হয়। টমেটো ও মিষ্টিকুমড়া জাতীয় ফসল মাটির সংস্পর্শে থাকলে পচনের ভয় থাকে। মাচায় সবজি চাষের অন্য সুবিধাগুলো হলো, সবজিতে ভিটামিন বা সীমিত আকারে কীটনাশক প্রয়োগের সময় তা নষ্ট হয় না। গাছের গোড়ার আগাছা পরিষ্কার করা সহজ হয়। পরিবেশবান্ধব হওয়ায় এ পদ্ধতিতে নিরাপদ সবজি পাওয়া যায় বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৪, ২০২১ ৮:১০ পূর্বাহ্ন
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ‍উন্নত দেশে রুপান্তরিত হবে: কৃষি সচিব
কৃষি বিভাগ

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ সালের মধ্যে কীভাবে এটি একটি উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি সচিব মেসবাহুল ইসলাম।

গতকাল শনিবার (১৩ মার্চ) গাইবান্ধা সদর উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়ের উদ্যোগে মালিবাড়ী ইউনিয়নের কাবিলের বাজারের হাজিপাড়ায় ‘আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ বিতরণ প্রকল্প’ এর আওতায় গম প্রর্দশনীর মাঠ দিবস ও রংপুর বিভাগের কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি বিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি) কৃষি সচিব মেসবাহুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

কৃষকরা কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রকারের ফসল উৎপাদন করে এবং ফসলের বিরুদ্ধে কাঙ্খিত সুফল পাচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, কৃষিক্ষেত্রে কৃষ্ণাঙ্গ পর্যায়ে রাসায়নিক সার, কীটনাশক এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণের জন্য কৃষিক্ষেত্রে এক বিরাট পরিবর্তন ঘটেছে। যা কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সরবরাহের পাশাপাশি পাশে ছিল সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টায় কৃষকদের কৃষি ফসলের উৎপাদন বাড়িয়ে তুলতে এবং তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে।

কৃষি সচিব আরো বলেন, কৃষি বিজ্ঞানীরা উদ্ভাবিত এবং কৃষক মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দ্বারা প্রসারিত আধুনিক কৃষি পদ্ধতি প্রয়োগের জন্য বর্তমান সরকারের আমলে একটি ফসলি জমি দু’টি এক এবং দু’টি ফসলের জমি তিনটি ফসলে পরিণত হয়েছে। এ অঞ্চলে আমন ও বোরো ধানের উচ্চমূল্যের ফসলের উৎপাদনই বৃদ্ধি পায়নি বরং বিভিন্ন ফসলের উৎপাদনও বৃদ্ধি পেয়েছিল, ফলস্বরূপ, দেশ খাদ্য সুরক্ষা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০২১ সালের মধ্যে কীভাবে এটি একটি উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবে।

তিনি জাতির জনক ও স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নে দেখে ‘সোনার বাংলা’ গড়তে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রফিউল আলম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান।

এরআগে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, জেলার ৩১৮০ হেক্টর জমিতে গম চাষ করা হয়েছিল, এরমধ্যে ১ ১৭০০ হেক্টর জমি গমের আওতায় আনা হয়েছে। চলতি মৌসুমে সদর উপজেলায় কৃষিকাজ। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক কৃষক, মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত ব্যক্তি ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। শেষে কৃষক পর্যায়ের উন্নতমানের ডাল, তেল, ও মসলা বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিভাগ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় এসএমইভূক্ত কৃষকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ঢাকা খামারবাড়ীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, প্রাক্তন মহাপরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও সদস্য বিশেষজ্ঞ পুল, এপিএ কৃষি মন্ত্রণালয় হামিদুর রহমান ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক খন্দকার আবদুল ওয়াহেদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৩, ২০২১ ১০:৪৯ অপরাহ্ন
হলুদ চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন পাহাড়ের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

হলুদ চাষ লাভজনক হওয়াতে পাহাড়ের অনেক চাষিরা ঝুঁকছেন হলুদ চাষের প্রতি। প্রতিবছর পাহাড়ে প্রচুর পরিমাণ হলুদ হয়ে থাকে। আর সারাদেশের চাহিদাও মিটান তারা। তবে এবার হলুদের ভাম্পার ফলন হলেও চাষিরা পাচ্ছেন না হলুদের ন্যায্য মূল্য। যার কারণে হলুদ চাষ থেকে আগ্রহ হারাচ্ছেন পাহাড়ের চাষিরা।

জানা যায়, পাহাড়ের পতিত টিলাভূমিতে উৎপাদিত হলুদের খ্যাতি দেশজুড়ে। পাহাড়ে কৃষিপণ্যের তালিকায় সবার শীর্ষে ‘হলুদ’। এসব কারণেই হলুদ সংগ্রহে ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লা থেকে পাইকাররা ভিড় করেন খাগড়াছড়ির বিভিন্ন হাট-বাজারে।

অনুকূল আবহাওয়ায় চলতি বছরেও পাহাড়ে হলুদের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে। হলুদ উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলেও ন্যায্য মূল্য নেই। বিগত বছরগুলোয় প্রতিমণ হলুদ ৮-৯ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও চলতি মৌসুমে দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৪-সাড়ে ৪ হাজারে। ফলে দাম না পেয়ে আগ্রহ হারাচ্ছেন চাষিরা।

সম্প্রতি খাগড়াছড়ির গুইমারার বড়পিলাক, সিন্ধুকছড়ি ও হাফছড়ি ঘুরে প্রান্তিক চাষি এবং খাগড়াছড়ির সবচেয়ে বড় হলুদের বাজার গুইমারায় আসা খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।

বড়পিলাকের হলুদ চাষি মো. শাহিদুল ইসলাম জানান, ‘হলুদ চাষে আগের মতো লাভ নেই। চলতি বছর হলুদের ভালো ফলন হলেও উৎপাদন খরচের সাথে বাজার দরের বিস্তর ফারাক। পাহাড়ের হলুদের চাহিদা থাকলেও বিশেষ সিন্ডিকেটের কারসাজিতে ন্যায্য মূল্য বঞ্চিত চাষিরা।’

হলুদ ব্যবসায়ী ইয়াকুব মিয়া জানান, বাড়তি পরিবহন খরচ ও হলুদের দাম কমে যাওয়ায় আগের মতো লাভ নেই। আগের চেয়ে আয় কমেছে কয়েকগুণ। বিদেশি হলুদের কারণে দেশি হলুদের দাম কমে গেছে।

খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মর্তুজা আলী বলেন, ‘পাহাড়ি টিলাগুলো হলুদ চাষের জন্য খুবই উপযোগী। দেশের বাজারে স্থানীয় হলুদকে গুরুত্ব দিয়ে হলুদের আমদানি কমানো হলে স্থানীয় কৃষকরা হলুদের ন্যায্য দাম পাবে। পাশাপাশি হলুদ চাষে আগ্রহী হবে।’ ফলে দেশব্যাপী পাহাড়ের হলুদের ব্যাপক সম্ভাবনার কথা চিন্তা করে বিদেশি হলুদের আমদানি বন্ধ করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৩, ২০২১ ২:০৬ অপরাহ্ন
ক্যাপসিক্যাম চাষে সফল পাবনার কৃষক নজরুল
কৃষি বিভাগ

বিদেশি সবজি ক্যাপসিক্যামের বাণিজ্যিক আবাদে সাফল্য পেয়েছেন পাবনার চাষিরা। বাজারে চাহিদা থাকায় মিলছে ভালো দামও। তাই জেলায় দিন দিন বাড়ছে ক্যাপসিক্যামের আবাদ।

জানা যায়, পাবনার সদর উপজেলার মধুপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম উচ্চশিক্ষিত একজন লোক। তিনি  প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি দুই বছর চার বিঘা জমিতে পরীক্ষামূলক আবাদ করছেন ক্যাপসিক্যামের। প্রথম দিকে অভিজ্ঞতা না থাকায় ফলন ভালো না হলেও দমে যাননি তিনি। ইন্টারনেট থেকে আবাদের বিষয়ে জেনেছেন। সরেজমিন গাজীপুরে গিয়ে আবাদ দেখে এসে ভুলত্রুটি শুধরে নিয়েছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি মৌসুমের শুরুতে মিলেছে ভালো ফলন।

গত বছর ক্যামসিক্যাম ক্ষেতে আগাছার কারণে ফলন ভালো হয়নি নজরুলের। খরচও বেশি হয়। সেই ঝামেলা এড়াতে এবার জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে পলিথিন বিছিয়ে চারা রোপণ করেন। তাতে কাজ হয়েছে। নজরুলের হিসাবে, প্রতিটি গাছ থেকে গড়ে এককেজি ফলন পেলেও তার লাভের অঙ্ক চার লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

নজরুল ইসলাম বলেন, তার ক্ষেতের ক্যামসিক্যাম ঢাকার বাজারে পাঠাচ্ছেন। এছাড়াও স্থানীয় পর্যায়ে চাইনিজ রেস্টুরেন্টেও পাঠাচ্ছেন। ঢাকার রেস্টুরেন্টে এর ভালো চাহিদা। স্থানীয়রা বাজারেও বিক্রি হচ্ছে। পাবনায় এই সবজি তেমন কেউ আবাদ করে না। তবে আস্তে আস্তে আবাদ বাড়ছে।

নজরুলের এমন সাফল্যে ক্যাপসিক্যাম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন আশপাশের গ্রামের চাষিরা। মকবুল হোসেন, রাশেদুল ইসলাম জানান, অল্প জমিতে বেশি আবাদ করা যায়। এতে লাভবান হচ্ছেন তারা। বেশি খরচ নেই, পরিচর্যাও বেশি করতে হয় না। এ কারণে সবার মাঝে ক্যাপসিক্যাম চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

তারা আরও জানান, দেশের চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও তারকা হোটেলে ক্যাপসিক্যামের চাহিদা রয়েছে। পাইকাররা ক্ষেত থেকে কিনে নিয়ে যায়। জেলার মাটি ও আবহাওয়া ক্যাপসিকাম চাষের উপযোগী। তাই জেলায় আবাদের পরিসর বাড়ছে।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার উপপরিচালক আব্দুল কাদের বলেন, ক্যাপসিক্যাম সম্ভাবনাময় ফসল। কৃষক যদি প্রতিকেজি একশত টাকা দরেও বিক্রি করতে পারেন, তাহলে এক একর জমি থেকে কয়েক লাখ টাকা আয় করতে পারবেন। তিনি আশা করেন, পাবনার কৃষকরা এই সবজি চাষ করে লাভবান হবেন। ক্যাপসিক্যামের আবাদ বাড়াতে কৃষি বিভাগ কৃষকের পাশে থাকবে বলেও জানা ন তিনি।

জেলা কৃষিবিভাগের সূত্রমতে জানা যায়, পাবনা জেলায় এ বছর পাঁচ হেক্টর জমিতে ক্যাপসিক্যামের আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হেক্টরপ্রতি ৪০ মেট্রিক টন ফলন পাবেন কৃষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৩, ২০২১ ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
থানার অনাবাদী জমিতে পুলিশের বিষমুক্ত শাক-সবজি চাষ
কৃষি বিভাগ

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া থানা চত্বরের ভিতরে যেন এখন গড়ে উঠেছে সবুজের সমারোহ। থানার ভিতরের অনবাদী জমিতে পুলিশ সদস্যদের উদ্যোগে ভরে উঠেছে শাকসবজি। এছাড়া সেখানে আরো আছে বিভিন্ন ধরণের ফুল। আগাছা আর লতাপাতাযুক্ত স্থানে এখন ফুল আর শাকসবজির সমারোহ দেখে চোখ জুড়ানোর মত অবস্থা। আর ফুলের ঘ্রাণে দর্শনার্থীদেরও ভিড় লক্ষ্য করা যায় সেখানে।

জানা যায়, থানার পরিত্যক্ত জমি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে এখানে রসুন, পেঁয়াজ, মরিচ, ফুলকপি, বাধাকপি, স্কোয়াশ, গাজর,মুলা, লাউ, বেগুন, মিষ্টি কুমড়া, পালংশাক, লালশাক ও ধনেপাতার চাষ করা হয়েছে। সেই সাথে লক্ষ করা যায় বিভিন্ন প্রজাতির ফল ও ফুলের বাগান।

জানা যায়, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অবসর সময়ে থানার অফিসার ইনচার্জ চিত্ত রঞ্জন রায় তার পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে গড়ে তুলেছেন বিশাল এই সবজি, বিভিন্ন ধরনের ফুলের বাগান এবং ফলের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির আম গাছ, কাঠাল, লিচু, পেয়ারা, নাড়িকেল, কামরাঙা, জলপাই, লেবু,চালতাসহ বিভিন্ন ফলের বাগান।

উপ-পরিদর্শক(এস আই) আবু বকর সিদ্দিক জানান, আমরা অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে থানার সকল পুলিশ সদস্যরা অবসর সময়ে ফুল বাগান ও সবজি ক্ষেত পরিচর্যা করি। কীটনাশক মুক্ত সতেজ এসব শাক-সবজি দিয়ে থানার পুলিশ সদস্যরা চাহিদা মেটাচ্ছেন।

রুহিয়ার জুয়েল রানা,আরফান আলী ও রাসেল ইসলাম বলেন, রুহিয়া থানা পুলিশের এই উদ্যোগ আমাদের যুব সমাজকে অনুপ্রেরণা জাগিয়েছে। তাই আমরাও বাসার আসেপাশে বিভিন্ন সবজি চাষের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।এ ব্যাপারে রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) চিত্ত রঞ্জন রায় বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করোনাকালীন সময়ে নির্দেশনা দিয়েছেন, দেশের কোনো জায়গা পরিত্যক্ত থাকতে পারবে না।

তিনি আরো জানান, যেহেতু রুহিয়া থানায় মোট এক একর সম্পত্তির মধ্যে প্রায় ৩৫ শতক অনাবাদি পরিত্যক্ত। তাই এই পরিত্যক্ত জমিতে পুলিশ সদস্যগণ কঠোর শ্রম দিয়ে জৈব সার ব্যবহার করে আবাদি করে তুলে। অবসর সময়ে সকল পুলিশ সদস্যদের ঐক্য প্রচেষ্টায় বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি চাষাবাদ সহ প্রায় ১৫(পনের) প্রজাতির ফুলের গাছ দিয়ে বাগান তৈরি করা হয়েছে। তবে আমাদের এ চাষাবাদ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৩, ২০২১ ৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
পেঁয়াজ চাষে কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পাইকপাড় গ্রামের কৃষকরা বিক্রির আশায় স্তুপ করে রেখেছে  পেঁয়াজ। সংরক্ষণের অভাব থাকায় প্রত্যাশিত দামের বাইরে গিয়ে অল্পতেই ফসল বিক্রি করে দিচ্ছে উপজেলার কৃষকরা।

পাইকপাড়া গ্রামের কৃষক রবিউল ইসলামের বাড়িতে দেখা যায়, বাড়ির বাইরে মেয়েরা গাছ থেকে পেঁয়াজ কেটে আলাদা করছেন। বাড়ির মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পেঁয়াজ।

তিনি জানান, এবছর আট বিঘা জমিতে পেঁয়াজের চাষ করেছেন তিনি। এসব জমিতে চাষ করেছেন হাইব্রীড লাল তীরকিং জাত। যার মধ্যে অর্ধেক জমির পেঁয়াজ বাড়িতে নিয়ে এসেছেন। এখনও মাঠে পেঁয়াজ রয়েছে। প্রতি বিঘায় সব মিলিয়ে ৩৫ থেকে ৪৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। একবিঘায় (৪০ শতাংশ) একশো ২০ মণ পেঁয়াজ পাচ্ছেন। যা ১৪ শত টাকা প্রতি মণ দরে বিক্রি করে এক লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা ঘরে আসবে।

চর সোন্দহ গ্রামের কৃষক আমিরুল ইসলাম জানান, তিনিও তার  জমিতে এ পেঁয়াজ চাষ করেছেন। ক্ষেত থেকে ছয়শো মণ পেঁয়াজ পাবেন বলে তিনি আশা করছেন। তবে সরকারিভাবে এ উপজেলায় পেঁয়াজ সংরক্ষণের কোন ব্যবস্থা না থাকার কারণে কৃষকরা পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারেন না। তাই অনেক সময় সঠিক মূল্য থেকে বঞ্চিত হন।

শৈলকুপার পেঁয়াজ ব্যাবসায়ী রেজাউল বিশ্বাস জানান, শৈলকুপা বাজার থেকে ঢাকার কারওয়ান বাজার, ভৈরব, সিলেট, চট্রগাম, খুলনা, বরিশাল সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পেঁয়াজ যায়। দেশের চাহিদার বড় একটি অংশের যোগান শৈলকুপা থেকে হয়ে থাকে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শৈলকুপা উপজেলায় চাষযোগ্য জমি আছে ২৮ হাজার পাঁচশো হেক্টর। তারমধ্যে এ বছর পেঁয়াজের চাষ হয়েছে সাত হাজার আটশো ৯০ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে শুধু পাইকপাড়া গ্রামে চাষ হয়েছে ৩৫০ হেক্টর জমিতে। বারি-১, লাল তীর, লাল তীর কিংসহ বেশ কয়েকটি জাতের পেঁয়াজ বেশি চাষ হচ্ছে। এবছর অনেক কৃষক সুখসাগর জাতও চাষ করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আক্রাম হোসেন জানান, এ উপজেলায় পেঁয়াজের চাষ বাড়ছে। গত ১০ বছরে এ চাষ বেড়েছে। এবার উপজেলায় পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে। তবে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কম। এখানে একটি কোল্ড স্টোর জরুরি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১২, ২০২১ ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
ডিমলায় বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ
কৃষি বিভাগ

ডিমলায় বিনামূল্যে রংপুর বিভাগ কৃষি ও গ্রামীণ প্রকল্পের গঠিত কৃষক গ্রুপের ৬৪ জন কৃষকের মাঝে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১১মার্চ) সকালে উপজেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ চত্তরে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ সেকেন্দার আলী সঞ্চালনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়শ্রী রানী রায়ের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আফতাব উদ্দিন সরকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা তবিবুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান বাবু নীরেন্দ্র নাথ রায়, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ আয়শা সিদ্দীকা, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক খামার বাড়ি কৃষিবিদ মাজেদুল ইসলাম,উপজেলা প্রানিসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ রেজাউল হাসান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক সরকার মিন্টু।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম সরকার, বালাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম ভূঁইয়া, খগাখড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম খালিশা চাপানী ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমানসহ আরো অনেকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১২, ২০২১ ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
পেয়ারা চাষে লাভবান মাগুরার কৃষক সুশান্ত
কৃষি বিভাগ

মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার বড়ালিদহ গ্রামের কৃষক সুশান্ত কুমার বিশ্বাস বাণিজ্যিকভাবে পেয়ারা চাষ করে লাভবান হয়েছেন। চার একর জমিতে ৩ বছর আগে লাগানো বাগান থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪০ লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি করেছেন তিনি। রাসায়নিক সারের পরিবর্তে শুধুমাত্র জৈব সার ব্যাবহার করে গাছ পরিচর্যা করেছেন। এ কারণে আরো ৫ বছর এ বাগান থেকে ভালো ফলনের পাশাপাশি আর্থিকভাবে আরো বেশি লাভবান হবেন বলেও তিনি দাবি করেন ।

সুশান্ত কুমার বিশ্বাস জানান, শ্রীপুর উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসে ভেটেনারি চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। চার বছর আগে চাকুরী থেকে অবসর নেন। এরপর কৃষি কাজ শুরু করেন তিনি। দুবাই প্রবাসী ভাতিজা শিশির বিশ্বাসের পরামর্শে বাড়ির পাশের চার একর জমিতে পেয়ারা বাগান শুরু করেন। চুয়াডাঙ্গা থেকে গোল্ডেন এইড নামের উচ্চফলনশীল জাতের পেয়ারার চারা সংগ্রহ করেন। মাগুরায় চাষ হওয়া পেয়ারার নতুন এ জাতটি মূলত ভারতীয়।

এ জাতটিতে সারা বছর ফল পাওয়া যায়। চারা রোপণের এক বছর পর থেকেই গাছে ফল আসতে শুরু করে। বাগান করতে তার মোট খরচ হয়েছে ১৫ লাখ টাকা। গত ৩ বছরে বিক্রি করেছেন প্রায় ৪০ লাখ টাকার পেয়ারা ।

কথা প্রসঙ্গে তিনি আরো জানান, পেয়ারা বাগানে সম্পূর্ণভাবে জৈব সার ব্যবহার করেছি। নিম পাতার রস, কালকছুন্দি পাতার রস, গরুর চুনা, মাছের আশ ও গোবর মিশিয়ে জৈব সার তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া গাছের গোড়ায় খৈলের গুড়া ব্যবহার করা হয়। এর পাশাপাশি প্ঁোকামাকড় দমনে কীটনাশকের পরিবর্তে ফেরোমন ট্রাপ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে সম্পূর্ণ অর্গানিকভাবে তার বাগানের পেয়ারার ফলন ভালো হচ্ছে।

কৃষি বিভাগ থেকে পেয়ারা চাষে তাকে প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করছে। তার এ কাজে সহযোগিতা করছে মোজাম্মেলন হোসেন ও শিপন বিশ্বাস নামে স্থানীয় দুই যুবক। তারা ক্ষেত পরিচর্যার পাশাপাশি ঢাকা, গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পেয়ারা বিক্রিতে সহযোগিতা করছে। এর ফলে তাদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতায় পাওয়ায় সংসারের ব্যয় নির্বাহ করতে পারছেন তারা।

মাগুরা জেলা কষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামানিক জানান, মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার বড়ালিদহ গ্রামের কৃষক সুশান্ত কুমার বিশ্বাস নতুন জাতের এ পেয়রা চাষে ভালো ফলন পেয়েছেন। আমরা তার ক্ষেতটি পরিদর্শন করেছি। এ পেয়ারা বাগানটিতে জৈব সার ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা তাকে সার্বিক সহযোগিতা করছি।-বাসস।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop