১২:৩৬ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ২৬ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২, ২০২৩ ৬:৫০ অপরাহ্ন
কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সার, বীজের দাম বাড়ানো হবে না : কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষি উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রাখতে সার, বীজসহ কৃষি উপকরণের দাম বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের পলিসি হলো যেকোন মূল্যে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করা।

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার অদূরে সাভারের ব্র্যাক সিডিএম মিলনায়তনে সার্কভুক্ত দেশসমূহে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।
বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন নেটওয়ার্ক (বায়েন) ও ভারতের পার্টিসিপেটরি রুরাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ সোসাইটি (প্রাডিস) যৌথভাবে তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। রেকর্ড পরিমাণ খাদ্য মজুত আছে। দেশে দুর্ভিক্ষ হবে না। ফসলের গবেষণা ও সম্প্রসারণের মধ্যে বিরাট গ্যাপ রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গবেষক বা বিজ্ঞানীর উদ্ভাবিত জাত যেটি গবেষণা পর্যায়ে বিঘাতে ৮ মণ উৎপাদন হয়, সেটি সম্প্রসারণের পর কৃষক পর্যায়ে দেখা যায় উৎপাদন হয় বিঘাতে ৩ থেকে ৪ মণ। এই বিশাল গ্যাপ কমিয়ে আনতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত ফসলের মধ্যে লবণসহিষ্ণু জাতও রয়েছে। কিন্তু এগুলো মাঠে কৃষকের কাছে যেতে সময় নিচ্ছে বেশি। এই দেরির কারণ খুঁজে বের করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রাডিসের সিনিয়র এডভাইজর ভিভি সাডামাতে, খাদ্য ও কৃষি সংস্থার বিশেষ প্রতিনিধি দানিয়েল গুস্তাফসন, বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট সিম্পসন, বায়েনের সভাপতি হামিদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সেকান্দর আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন ভূঁইয়া প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

কৃষি সম্প্রসারণকর্মীদের তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের ৩৫০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১, ২০২৩ ৭:৪৩ অপরাহ্ন
আগাম আলুর বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে!
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় আগাম আলুর বাম্পার ফলনে হাসি ফুটেঠে কৃষকের মুখে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও সময় মতো পরিচর্যা করায় বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমানে বাজারে আলুর দাম ভালো থাকায় খুশি কৃষকরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, সদর উপজেলার হিচমি সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠে চাষিরা মহিলা শ্রমিক নিয়ে আগাম জাতের আলু তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চাষিদের চাষকৃত মিউজিকা, গ্যানোলা, ক্যারেজ, রোমানা, পাকরি ও স্ট্রিক জাতের আলু জমি থেকে তুলতে শুরু করেছেন।

কালাই উপজেলার বালাইট গ্রামের আলুচাষি আবুল কাশেম বলে জানান, এবছর আমি ৫০ শতক জমিতে আগাম জাতের মিউজিকা আলুর চাষ করেছি। আলু রোপনের ৬০ দিন পরই তুলেছি। ভালো ফলন পেয়েছি। আলু চাষে ৪৯ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বাজারে ৭২০ টাকা মণ দরে বিক্রি করে লাভবান হতে পেরেছি। মাঠে আরো আলু রয়েছে সেগুলো আরো ১০-১৫ দিন পর তুলবো।

অন্যান্য আলুচাষিরা জানান, এখন আমরা যারা আলু তুলতেছি তারা বিক্রি করে লাভবান হতে পারছি। গত সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি মণ আলুর দাম ১০০-১৫০ টাকা বেড়েছে। আলুর দাম এভবে বাড়তে থাকলে আমরা আরো বেশি লাভবান হতে পারবো।

কালাই উপজেলার মোলামগাড়ী হাটে আলু বিক্রি করতে আসা চাষিরা জানান, আগের থেকে এখন দাম একটু বেড়েছে। বাজারে প্রতি মণ ক্যারেজ আলু ৭২০-৭৩০ টাকায় পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। আর লাল স্ট্রিক আলু ৬৫০-৬৭০ টাকা মণ। আলুর দাম এভাবে বাড়তে থাকলে চাষিরা এবার লাভের মুখ দেখবেন।

মোলামগাড়ী হাটের পাইকার সাইফুল ইসলাম বলেন, বাজারে এখন আগাম জাতের আলু উঠতে শুরু করেছে। এসব আলু রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বড় শহরের মোকামে সরবরাহ করা হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এবার প্রায় ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে আলু রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এবার ৩৫০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ বেশি হয়েছে।

জয়পুরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল করিম জানান, গত বছরের তুলনায় এবছর আগাম আলুর বেশি চাষ করা হয়েছে। আলুর দাম বাড়তে থাকায় কৃষক খুব খুশি। বর্তমানে বাজারে রোমানা পাকরি ও দেশি পাকরি (লাল) আলু ১১৫০-১২০০ টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। আর মিউজিকা আলু বিক্রি হচ্ছে ৭২০-৭৩০ টাকা মণ। যা আগের তুলনায় ১০০-১৫০ টাকা বেশি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২৩ ১০:০৬ অপরাহ্ন
টাঙ্গাইলে হলুদ চাষে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা!
কৃষি বিভাগ

টাইঙ্গাল জেলার সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের চাষিরা হলুদ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে। হলুদ রোপন থেকে শুরু করে গাছের পরিচর্যা, বাজারজাতকরণ ও বিক্রির মাধ্যমে আর্থিক লাভবান হচ্ছেন এই এলাকার চাষিরা।

জানা যায়, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের সঠিক পরামর্শে হলুদ চাষীরা উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে হলুদ চাষ করে থাকেন। তাছাড়া চাষিদের কাছ থেকে বাজার থেকে পাইকারি দরে হলুদের ব্যবসায়ীরা হলুদ ক্রয় করে। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জয়গায় সরবরাহ করে থাকেন।

হলুদ চাষী মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, ৮০ শতাংশ জমিতে ০৫ মণ হলুদ রোপন করেছিলাম। গত বছর হলুদ ক্ষেতের পরিচর্যার পর প্রায় ৯০ মণের মতো হলুদ পেয়েছি। কিছু হলুদ নিজেদের খাওয়ার জন্য রেখে বাকী হলুদ বাজারে পাইকারী দরে বিক্রি করে লাভবান হয়েছি। তবে এ বছরও হলুদের ভালো ফলন পাবো বলে আশা করছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিয়ন্তা বর্মন বলেন, সখীপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের হলুদ চাষীরা ৩৯০ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষ করছে। বিভিন্ন কৃষি প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নত জাতের হলুদের প্রদর্শনী এবং হলুদ চাষীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এতে করে কৃষকরা হলুদ চাষাবাদে ভালো অবদান রাখতে পারবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও কৃষকরা স্বচ্ছলতা অর্জন করবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২৩ ১২:৫৩ অপরাহ্ন
মরিচ গাছের পোকা দমনে কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরামর্শ
কৃষি বিভাগ

নানা সময় মরিচ গাছের যত্ন নিয়ে সমস্যায় পড়েন কৃষকরা। বিশেষ করে পোকা দমন নিয়ে। কারণ মরিচ গাছের কচি পাতা ও ডগার রস শুষে খেয়ে ফেলে পোকা। এতে দুর্বল হয়ে যায় গাছ। ফলে কমে যায় ফলন। এ থেকে প্রতিকারের উপায় জানিয়েছে কৃষি তথ্য সার্ভিস।

মরিচের ফল ছিদ্রকারী পোকার লক্ষণ
এই পোকা কচি ফল ও ডগা ছিদ্র করে ভেতরে কুরে কুরে খায়। এরা ফুলের কুঁড়িও খায়।

প্রতিকার
ক্ষেত পরিষ্কার রাখতে হবে। আক্রান্ত ডগা ও ফল সংগ্রহ করে নষ্ট করতে হবে। চারা রোপণের ১৫ দিন পর থেকে ক্ষেত ঘন ঘন পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। জৈব বালাইনাশক ব্যবহার যেমন- নিমবিসিডিন ৩ মি.লি. বা লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

এছাড়া শতকরা ১০ ভাগের বেশি ক্ষতি হলে যে কোনো একটি বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। যেমন- সাইপারমেথ্রিন ১ মি.লি. বা ডেল্টামেথ্রিন ০.৫ মিলি বা প্রোপেনোফস (৪০%), সাইপামেথ্রেন (২.৫%) ২ মিলি বা সুমিথিয়ন ২ মিলি অথবা ডায়াজিনন ২ মি.লি. বা লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

মরিচের জাব পোকার লক্ষণ
এই পোকা গাছের কচি পাতা ও ডগার রস শুষে খেয়ে ফেলে। গাছকে দুর্বল করে দেয়।

প্রতিকার
গাছের আক্রান্ত অংশ অপসারণ করা। প্রাথমিক অবস্থায় শুকনো ছাই দেওয়া। পরিষ্কার পানি জোরে স্প্রে করা। ক্ষেত পরিষ্কার রাখা। হলুদ রঙের ফাঁদ ব্যবহার করা। তামাকের গুড়া (১০ গ্রাম), সাবানের গুড়া (৫ গ্রাম) ও নিমের পাতার নির্যাস প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা। প্রতি গাছে ৫০টির বেশি পোকা দেখা দিলে ইমিডাক্লোপ্রিড ০.৫ মিলি/লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।

মরিচের সাদা মাছি পোকার লক্ষণ
এরা পাতার রস চুষে খায়, ফলে দুর্বল হয়ে পড়ে গাছ। পাতায় অসংখ্য সাদা সাদা পাখাযুক্ত মাছি দেখা যায়। ঝাঁকি দিলে উড়ে যায়।

প্রতিকার
সাদা আঠাযুক্ত বোর্ড স্থাপন বা আলোর ফাঁদ ব্যবহার করা। নিয়মিত ক্ষেত পরিদর্শন করা। ৫০ গ্রাম সাবানের গুড়া ১০ লিটার পানিতে গুলে পাতার নিচে সপ্তাহে ২-৩ বার ভালো করে স্প্রে করা। সাথে পাঁচ কৌটা গুল (তামাক গুড়া) পানিতে মিশিয়ে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। ইমিডাক্লোপ্রিড ০.৫ মিলি/লিটার বা ২ মিলি ডায়মেথয়েড গ্রুপের কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

মরিচের থ্রিপস পোকার লক্ষণ
এর আক্রমণে পাতা কুঁকড়ে যায়। পোকা গাছের কচি পাতা ও ডগার রস শুষে খেয়ে গাছকে দুর্বল করে ফেলে।

প্রতিকার
গাছের আক্রান্ত অংশ অপসারণ করা। প্রাথমিক অবস্থায় শুকনো ছাই প্রয়োগ করা। পরিষ্কার পানি জোরে স্প্রে করা। ক্ষেত পরিষ্কার রাখা। হলুদ রঙের ফাঁদ ব্যবহার করা। তামাকের গুড়া (১০ গ্রাম), সাবানের গুড়া (৫ গ্রাম) ও নিমের পাতার নির্যাস প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা। বেশি পোকা দেখা দিলে ইমিডাক্লোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক ০.৫ মিলি/ লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৮, ২০২৩ ৭:৩০ অপরাহ্ন
কুল চাষে লাভের মুখ দেখছেন ফেনীর চাষিরা!
কৃষি বিভাগ

ফেনীতে দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে কুল চাষ। ইতোমধ্যে বাণিজ্যিকভাবে উচ্চফলনশীল জাতের কুল চাষ করছেন কৃষকরা। চাষিরা বলসুন্দরি, কাশ্মীরি, ভারত সুন্দরি, টক-মিষ্টিসহ আরো বিভিন্ন জাতের ছোট-বড় কুলের বাগান করেছেন। অল্প সময়ে কুল চাষ একটি লাভজনক ব্যবসা হওয়ায় কৃষক ও শিক্ষিত বেকার যুবকরা কুল চাষে ঝুঁকছেন।

জানা যায়, দেশে প্রতি বছরই কুলের চাহিদা বাড়ছে। পাশাপাশি চাষিরাও অধিক পরিমানে কুল চাষ করছেন। বর্তমানে ফেনী জেলার অনেক চাষিরা কুল চাষে আগ্রহী হয়েছেন। চাষিরা বলসুন্দরি, কাশ্মীরি, ভারত সুন্দরি ও টক-মিষ্টিসহ বিভিন্ন প্রজাতির কুলের চাষ করছেন। বাজারে কুলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় কুল চাষ করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা।

জেলার কৃষি অফিসের মতে, চলতি মৌসুমে এ জেলায় প্রায় কোটি টাকার কুল উৎপাদন হবে।

কুল চাষি আছমত আলী বলেন, আমি ফেনী পৌর শহরের ফলেশ্বরে ৪০ শতাংশ জায়গায় কাশ্মীরী, বলসুন্দরী, বাউকুল, আপেল কুলসহ নানা জাতের কুল চাষ করেছি। বাগানে কুলের বাম্পার ফলন হয়েছে। কুল বিক্রি করার জন্য বাজারে নিতে হয় না। পাইকাররা বাগানে এসেই নিয়ে যাচ্ছেন। আমার দেখাদেখি আরো অনেক কৃষক কুলের বাগান করেছেন।

তিনি আরো বলেন, ৪০ শতকের সাথে আরো ১০ শতক জায়গায় কুলের চারা রোপন করেছি। বাগানে প্রায় লাখ খানেক টাকা খরচ হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫০ হাজার টাকার কুল বিক্রি করেছি। আশা করছি ২ লক্ষ টাকার কুল বিক্রি করতে পারবো।

ফেনী সদর উপজেলার আমিন বাজার এলাকায় তিন বন্ধু তোফায়েল আহমেদ রনি, জাহিদুল ইসলাম ও মাসুদুর রহমান বলেন, আমরা তিন বন্ধু মিলে জান্নাত এগ্রো নামে একটি কৃষি প্রকল্প করেছি। আমাদের প্রকল্পের মধ্যে ৫ একর জমিতে ৮ হাজার কুলের গাছ রোপন করেছি।

তোফায়েল আহমেদ রনি বলেন, আমরা গত বছর গাছগুলো রোপন করেছিলাম। আর এবছরই ফলন পেয়েছি। ইতোমধ্যে ১৩০ টাকা কেজী দরে ৫০০ কেজী কুল বিক্রি করেছি। আশা করছি চলতি মৌসুমে ৭-৮ লাখ টাকার কুল বিক্রি করতে পারবো।

এছাড়াও আরো অনেক কৃষক কুল চাষ করেছেন। বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় কুল চাষ করে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ফেনীর উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মিঠুন ভৌমিক বলেন, জেলায় প্রায় ৮৬ হেক্টর জমিতে কুলের আবাদ হয়েছে। যার উৎপাদন প্রায় লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৯৩৮ মেট্রিক টন।

ফেনী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমীন আক্তার বলেন, ফেনীতে কুলের বাণিজ্যিক আবাদ বাড়ছে। অল্প খরচে লাভবান হওয়া যায় বলে কৃষকরা কুল চাষে ঝুঁকছেন। আর ফেনীর মাটি কুল চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলনও বেশি হচ্ছে। অনেক কৃষক কুল চাষ করে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হয়েছেন। আমরা চাষিদের সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা করছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৮, ২০২৩ ৭:২২ অপরাহ্ন
ফলন কম হওয়ায় চিন্তার ভাজ রাজবাড়ীর টমেটো চাষিদের কপালে!
কৃষি বিভাগ

লাভের আশায় ব্যাপক পরিমানে উন্নত জাতের টমেটো চাষ করেও হতাশ রাজবাড়ীর কৃষকরা। চলতি মৌসুমে রাজবাড়ীতে টমেটোর অধিক চাষ হলেও ফলন ভালো হয়নি। আকারে ছোট ও ফলন কম হওয়ায় বাজারে ভালো দাম পাচ্ছেন না কৃষকরা। ফলে টমেটো জমিতেই পচন দেখা দিয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ বছর জেলার পাঁচটি উপজেলায় ৮৩৫ হেক্টর জমিতে টমেটোর আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে রাজবাড়ী সদর উপজেলাতেই আবাদ হয়েছে ৩১৫ হেক্টর জমিতে।

জানা যায়, নয়নসুখ, কাঁচরন্দপুর, রাধাকান্তপুর, গোপালবাড়ী, বরাটসহ রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন এলাকার শত শত কৃষক টমেটো চাষ করে এখন হতাশায় আছেন। গত বছরের তুলনায় এবছর বেশি জমিতে টমেটোর চাষ করা হয়েছে। তবে অন্যান্য বছরে তুলনায় এবছর টমেটোর আকার ছোট ও ফলন কম হয়েছে। সাইজে ছোট হওয়ায় বাজারে ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানায় কৃষকরা। পাশাপাশি তারা কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠে না যাওয়ার অভিযোগ করছে।

সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের কৃষক হাবিবর রহমান বলেন, এবছর আমি আমার ২ বিঘা জমিতে ৯০ হাজার টাকা খরচ করে টমেটোর চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় ফলন ভালো হয়নি। কুয়াশার কারণে ফলন হয় ও গাছে পচন ধরেছে।

তিনি আরো বলেন, অনেক আশা নিয়ে টমেটো চাষ করেছিলাম। অসময়ে বৃষ্টি হয়ে অনেক গাছ মারা গেছে। তারপরেও আশা ছিল লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবো। তবে এখন গাছ পচন ধরেছে। আসল টাকা উঠাতে পারবো কিনা সেই চিন্তায় আছি।

অন্যান্য আরো কৃষক জানায়, আমরা এবছর উন্নত জাতের টমেটোর চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় ফলন ভালো হয়নি। এখন লাভ তো দূরের কথা আসল উঠাতে পারবো কিনা সে চিন্তায় পড়েছি।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জনি খান জানান, আমরা নিয়মিত কৃষকদের টমেটোর বিভিন্ন ধরনের রোগবালাই, উন্নতজাত সম্পর্কে ধারণা দেয়া, সুষম মাত্রায় সার ও কীটনাশক ব্যবহারে পরামর্শ প্রদান করছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৩, ২০২৩ ১০:২৩ অপরাহ্ন
ফেনীতে সরিষা মাঠে কৃষি আড্ডা
কৃষি বিভাগ

সরিষার ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে মাঠ। মাঝে খালি মাঠে সমবেত হয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা, পুলিশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কৃষক, শিক্ষার্থী এবং উৎসুক জনতা। সকলেই কৃষি আড্ডায় মেতেছেন।
আজ সোমবার বিকালে ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে ভিন্নধর্মী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের উত্তর কাশিমপুর এলাকার খাল পাড়ে।

সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল-এর সঞ্চালনায় আড্ডায় অংশ নেন ফেনীর পুলিশ সুপার জাকির হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মাসুদুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক একরাম উদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসাইন পাটোয়ারী, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান একে শহীদ উল্ল্যাহ খোন্দকার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জোৎস্না আরা জুসি, ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন, পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক লিটন প্রমুখ।

আড্ডায় বক্তারা কৃষকদের সরিষা আবাদে উৎসাহিত করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কৃষকদের সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
জেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক একরাম উদ্দিন জানান, এবছর ফেনীতে তিনহাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। লক্ষ্যমাত্রার প্রায় দিগুন বেশী উৎপাদিত হয়েছে । পাঁচগাছিয়া ব্লকে গতবছর আবাদ ছিল ২৫ হেক্টর, বর্তমানে ৭৫ হেক্টর আবাদ হয়েছে।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, তেলবীজ চাষ বাড়ানোর জন্য ফেনী সদরে সাড়ে ১৪ হাজার কৃষককে সরিষা চাষে সরকার প্রণোদনা দিয়েছে। যাতে করে ফসল উৎপাদনের পাশাপাশি ডাল ও তৈল বীজ উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করা যায়।

উল্লেখ্য, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলার চলতি বছর সরিষা চাষ হয়েছে তিনহাজার ৪৯৪ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে আবাদের পরিমাণ বেড়েছে একহাজার ১৪৭ হেক্টর। চাষাবাদ অনুযায়ী ৪৬৭০ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৩, ২০২৩ ৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
কুড়িগ্রামে মরিচের বাম্পার ফলনে খুশি চাষিরা
কৃষি বিভাগ

জেলায় এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। দামেও খুশি এ অঞ্চলের মরিচ চাষিরা। গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর ভরা মৌসুমে মরিচের ভালো দাম পেয়ে দ্বিগুণ লাভবান হয়েছেন মরিচ চাষিরা। প্রতি বছর চাষিরা মরিচের চাষাবাদ করে বদলে দিয়েছে নিজের ভাগ্যের চাকা। ক্ষেতের মধ্যেই স্থানীয় পাইকারদের কাছে মরিচ বিক্রি করতে পেরে স্বস্তিও পেয়েছেন এ অঞ্চলের চাষিরা। মরিচের ব্যাপক চাহিদা থাকায় স্থানীয় শত শত পাইকার ওই সব প্রান্তিক কৃষকদের কাজ থেকে মরিচ ক্রয় করে কুড়িগ্রাম জেলা শহরসহ পার্শ্ববর্তী জেলা লালমনিরহাট, বড়বাড়ী ও মোস্তফি মরিচের হাটে ক্রয়কৃত মরিচ বিক্রি করে তারাও লাভবান হচ্ছেন।

ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা, গোরকমন্ডপ, চর-গোরকমন্ডপ, বালাটারী, কুরুষাফেরুষা, গজেরকুটিসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চলতি মৌসুমে মরিচের বাম্পার ফলনসহ মরিচের ভালো দাম থাকায় চাষিরা মরিচ ক্ষেতে পরিচর্যা কাজ ব্যস্ত সময় পার করছেন, আবার কেউ ক্ষেতের মরিচ তুলছেন, অনেকেই আবার মরিচ বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। শত শত বিঘা জমিতে প্রচুর পরিমানে মরিচের চাষবাদ করেছেন চাষিরা। যে সকল চাষির নিজস্ব কোন জমি নেই, তারাও অন্যের জমি লিজ (কন্ট্রাক) নিয়ে মরিচসহ নানা ধরনের সবজির চাষ করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করছেন। স্থানীয় পাইকাররা (ব্যবসায়ী) ক্ষেতের ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা দরে মরিচ ক্রয় করে ট্রাক-অটোরিকশা ও ভ্যান যোগে কুড়িগ্রাম জেলা শহর, উলিপুর ও লালমনিরহাট শহর, বড়বাড়ী এবং মোস্তফি বাজারে গিয়ে দেশের দূর -দূরা ন্তের পাইকার (ব্যবসায়ীদের কাছে ২ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকা দরে মরিচের মণ বিক্রি করছেন।

উপজেলার পূর্বফুলমতি এলাকার মরিচ চাষি তৈয়ব আলী জানান, তিনি গত ২০ দিন আগেই এক বিঘা জমির মরিচ ক্ষেতই ৬০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। তিনি আগাম মরিচ বিক্রি করায় এক বিঘা জমিতে খরচ মিটিয়ে ৩৫ হাজার টাকা আয় করেছেন। তিনি আরো জানান, গত বছর ভরা মৌসুমে ১ মণমরিচ বিক্রি করেছি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা। এবছর মরিচের ভরা মৌসুমেও চাষিরা ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকা মরিচের মণ বিক্রি করছেন।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত জানান, চলতি মৌসুমে জেলার নয়টি উপজেলায় ১ হাজার ২৭৫ হেক্টর জমিতে কৃষকরা মরিচের চাষাবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। মরিচের ভালো দাম পেয়েও খুশি হয়েছেন চাষিরা। কৃষি বিভাগ মরিচ চাষিদের বিভিন্ন ধরণে পরামর্শ প্রদানসহ সহায়তা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২৩, ২০২৩ ৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
১৫ লাখ টাকার কুল বিক্রির আশা শরীফের!
কৃষি বিভাগ

এক একর জমিতে আপেল কুলের ১২০০ চারা রোপন করে বাগান করেন লক্ষ্মীপুরের মোহাম্মদ শরীফ। চারা লাগানোর ৬-৭ মাসের ব্যবধানেই ফলন পেয়েছেন। তার প্রায় প্রতিটি গাছেই ফল এসেছে। ইতোমধ্যে ৬ লাখ টাকার কুল বিক্রি করেছেন তিনি।

জানা যায়, মোহাম্মদ শরীফ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের সুতারগোপ্তা বাজার সংলগ্ন পশ্চিম চর মনসা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ফজর আলী এগ্রো ফার্ম নামের একটি কৃষি প্রকল্পের পরিচালক। সেই প্রকল্পের পাশেই ১ একর জমিতে তিনি ১২০০ কুল গাছের চারা রোপন করেছেন। রোপনের ৬-৭ মাসের মধ্যেই ফলন পান তিনি। তার সফলতার কথা ছড়িয়ে পড়ায় অনেকে বাগানটি দেখতে আসেন এবং কুল চাষের পরামর্শ নিচ্ছেন।

কুল চাষি শরীফ জানান, আমি ৭-৮ মাস আগে ঝিনাইদহ থেকে ভারত সুন্দরী জাতের আপেল কুলের ১২০০ চারা নিয়ে আসি। তারপর ১ একর জমিতে সেই চারা রোপন করি। জমি তৈরী, সার ঔষধ ও পরিচর্যায় প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ হয়। চারা রোপনরে ৬-৭ মাস পরেই ফলন পাই। বাগনের প্রায় প্রতিটি গাছেই থোকায় থোকায় বরই ধরেছে। গত একমাস ধরে গাছের বরই বিক্রি করছি। ইতোমধ্যে ৬ লাখ টাকার বরই বিক্রি করেছি। আরো দেড় মাস বরই বিক্রি করতে পারবো। আশা করছি এবছর অন্তত ১৫ লাখ টাকার বরই বিক্রি করতে পারবো।

শরীফ আরো জানান, শুরুতে প্রতি কেজি ১০০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। স্থানীয় পাইকাররা বাগানে এসে বরই নিয়ে যাচ্ছেন। ধীরে ধীরে দাম কমতে শুরু করেছে। এখন প্রতি কেজি ৬০ টাকা দরে বিক্রি করছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২২, ২০২৩ ৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
কর্মকর্তা সঙ্কটে ভুগছে রাঙামাটি কৃষি সম্প্রসারণ
কৃষি বিভাগ

দেশের আশি ভাগ মানুষ কৃষির উপর এখনো নির্ভরশীল। তাই বাংলাদেশকে কৃষি প্রধান দেশ বলা হয়ে থাকে। দেশের অর্থনৈতিক চাকার মূল চালিকা শক্তি হলো কৃষি। কৃষির যত উন্নতি হবে ততই দেশের অর্থনীতি দৃঢ় ও সমৃদ্ধিশালী হবে।

মানুষের মৌলিক চাহিদার প্রধান হলো খাদ্য। দেশের মানুষের খাদ্যর যোগান দিতে সরকার রাজস্ব খাত থেকে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ভর্তুকী দিচ্ছে। নানা রকম গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে। দেশের কৃষিকে দিনদিন আধুনিকায়ন করছে।

তবে কৃষিকে এগিয়ে নিতে হলে দক্ষ জনবলের প্রয়োজন হয়। যারা কৃষকদের জন্য পথের সারথী হয়ে কাজ করবে। দক্ষ জনবল না থাকলে কৃষিকে এগিয়ে নেওয়া কোনোদিন সম্ভব নয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর রাঙামাটি জেলা কার্যালয় দীর্ঘদিন ধরে কৃষি কর্মকর্তা সঙ্কটে ভুগছে। দেশের এত বড় বৃহৎ জেলায় কৃষি কর্মকর্তা না থাকায় কৃষি কাজকে এগিয়ে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। দেশের বড় জেলাটির কৃষি কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে কয়েকজন কর্মকর্তার পক্ষে অত্যন্ত দুরুহ হয়ে পড়ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর রাঙামাটি জেলা কার্যালয় সৃত্রে জানা গেছে, রাজস্থলী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ে উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা নেই। দুর্গম এই এলাকাটিতে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা দিয়ে এ উপজেলার কৃষি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অর্থাৎ উপজেলায় কৃষি কর্মকর্তা সঙ্কট রয়েছে।

বিলাইছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঙ্কট রয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষি কর্মকর্তার হয়ে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছে।
জেলার আরেক দুর্গম উপজেলা জুরছড়ি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নেই। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাই কৃষি কর্মকতার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছে।

বরকল উপজেলায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নেই। জেলা থেকে একজন কৃষি কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে এ গুরুত্বপূর্ণ কৃষি প্রধান উপজেলার কৃষি খাতকে পরিচালিত করা হচ্ছে।

জেলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা লংগদু উপজেলায় কৃষি কর্মকর্তা নেই। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাকে দিয়ে এ উপজেলার কৃষি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

এছাড়াও জেলা কৃষি সম্প্রসারণের গুরুত্বপূর্ণ পদ অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য)-১, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্ভিদ)-১ এবং অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান)-১ খালি রয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগে ২০জন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে ৮ জন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাকে দিয়ে দেশের বৃহৎ জেলার কৃষি কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। যে কারণে জেলার কৃষি কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সরকারের নির্দেশিত কৃষি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে কৃষি বিভাগকে চরম ভাবে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর রাঙামাটি জেলার উপ-পরিচালক তপন কুমার পাল জানান, কৃষির উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর। সরকার দেশের কৃষির উন্নয়নে আমাদের যে নির্দেশ দিচ্ছে তা আমরা বাস্তবায়নে সর্বাত্বক চেষ্টা করছি।

বলেন, এখানে কৃষির উন্নয়ন করতে হলে অনেক জনবলের দরকার। আমাদের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী সঙ্কট রয়েছে। অনেক কর্মকর্তাকে কৃষির উন্নয়নে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করতে হয়। যে কারণে আমাদের গতির কাজ কিছুটা ধীর হচ্ছে। কাজের গতি বাড়াতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে যাতে শূন্যপদগুলোতে দ্রুত সময়ের মধ্যে কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop