৮:৪২ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১ ৪:০১ অপরাহ্ন
ইয়াস বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটিতে পবিপ্রবির দুই মুখ
ক্যাম্পাস

ফামিন জাহান ঐশী,পবিপ্রবি প্রতিনিধি: সম্প্রতি ঘোষণা করা হয়েছে ইয়াস বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটি ২০২১/২২। কমিটিতে বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর সাথে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পর্ব শেষে গুরুত্বপূর্ণ দুই পদের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন পবিপ্রবির দুই শিক্ষার্থী উম্মে সাঈদা এবং সুজিত মন্ডল।

উম্মে সাঈদা বর্তমানে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিউট্রিশন এন্ড ফুড সাইন্স অনুষদে ৪র্থ বর্ষে এবং সুজিত মন্ডল কৃষি অনুষদের ৩য় বর্ষে অধ্যয়নরত রয়েছেন। তারা যথাক্রমে ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ ফিন্যান্স এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ কমিউনিকেশন পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাদের ইয়াসের সাথে পথচলা, স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও নানা গল্পই জানবো আজ।

‌নব্য নিয়োগপ্রাপ্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ ফিন্যান্স উম্মে সাঈদা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই কাজ করে যাচ্ছেন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে। সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী সংগঠন ইয়াসের সাথে পথচলা কীভাবে শুরু হলো সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “শুরুটা ছিলো ২০১৯ সালের মে মাসে ইয়াস বাংলাদেশ পিএসটিইউ লোকাল কমিটির একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে। প্রায় দুবছরের বেশি সময় ধরে ইয়াসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত রয়েছি।

স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যটা ছিলো বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পদার্পণের শুরু থেকেই। সেক্ষেত্রে অন্যতম বড় একটি মাধ্যম হিসেবে ইয়াস বাংলাদেশ আমাকে সর্বদা সহায়তা করে চলেছে। ইয়াস বাংলাদেশ পিএসটিউ লোকাল কমিটিতে কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের আয়োজনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নেটওয়ার্কিং এর পরিধিও বৃদ্ধি পেয়েছে। সেখান থেকেই ইয়াস বাংলাদেশ ‘র মত জাতীয় পর্যায়ের এমন বড় একটি প্ল্যাটফর্মে কাজের মাধ্যমে নিজে মেধা ও বিকাশকে আরো প্রস্ফুটিত করার ইচ্ছেটা ছিলো অনেকদিনের। রিক্রুটমেন্টের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে অবশেষে কাঙ্ক্ষিত পদ ভাইস প্রেসিডেন্ট অব ফিন্যান্সে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।“

তার আগামী দিনগুলোর পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ইয়াস বাংলাদেশ পিএসটিইউ ‘র সাথে বিগত এক বছর আমি সেক্রেটারি অফ প্রমোশন হিসেবে কাজ করেছি। এবার সুযোগ হয়েছে আর্থিক স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে এবং বিজ্ঞানী থেকে তৃণমূলের মানুষকে নিয়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে ইয়াস বাংলাদেশকে বিশ্ব ইয়াসে অনন্য অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার এবং এই স্বপ্ন নিয়েই আমি মূলত এগোতে চাই। আশা করি সকলের প্রচেষ্টা এবং সংঘবদ্ধভাবে কাজের মাধ্যমে আমরা লক্ষ্যে পৌঁছে যেতে পারব। কৃষি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে এবং ভবিষ্যৎ জীবনে কাজের ক্ষেত্রে ইয়াস অনেক বড় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছি।“

নবনিযুক্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ কমিউনিকেশন সুজিত মন্ডল বলেন, “সম্ভবত ২য় সেমিস্টারের শুরুর দিকের কথা, আমাদের ক্যাম্পাসে ইয়াস বাংলাদেশ পিএসটিইউ ক্যারিয়ার টক নামে একটি প্রোগ্রাম হয় যেখানে আমি পার্টিসিপেন্ট হিসেবে ছিলাম। আবিদুর রহমান আবিদ, সোহানুর সোহান, আব্দুল্লাহ মারুফ, প্লাবন সাহা, ফারহান সাদ এবং আরো অনেক পরিচিত প্রিয়মুখ ছিলেন যারা তখন ইয়াসের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।

প্রোগ্রামে সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং সিনিয়রদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড দেখে আমার ইয়াসের প্রতি একটা দূর্বলতা তৈরি হয়। আমি ঠিক করি যেভাবেই হোক আমাকে এই সংগঠনের মেম্বার হতেই হবে।“

এর পরবর্তী সময়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার কাজ করার আগ্রহ দেখে সোহানুর সোহান ভাই পরবর্তী প্রোগ্রাম ক্যারিয়ার টক ২ (পিএসটিইউ টু বিসিএস)-এ আমাকে ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করার সুযোগ করে দেন। সেই থেকে ইয়াসের সাথে পথচলা শুরু। আর পেছনে তাকাতে হয়নি, আমার কাজের প্রতি আগ্রহ দেখে ক্যাম্পাস কমিটির ডিরেক্টর আবিদুর রহমান আবিদ ভাই আমাকে এগ্রিকালচারাল ডিপ্লোমেটিক সিম্পোজিয়াম প্রোগ্রামের অরগানাইজিং কমিটিতে যুক্ত করেন। তারপর একদিন ভাইভা দিয়ে ইয়াস বাংলাদেশ পিএসটিইউ এর অফিশিয়াল মেম্বার হলাম। সবগুলো প্রোগ্রামে অরগানাইজিং কমিটি মেম্বার হিসেবে এক্টিভলি কাজ করতে লাগলাম। হঠাৎ করে করোনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়াতে কয়েক মাস পর অনলাইনের মাধ্যমেই নতুন কমিটি ঘোষণা করা হলো। সেখানে আমি ইয়াস বাংলাদেশ পিএসটিইউ এর সেক্রেটারি অফ এডমিনিস্ট্রেশন এর দায়িত্ব পেলাম। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর উৎসাহ আরও বেড়ে গেলো। অনলাইনেই বিভিন্ন প্রোগ্রামের আয়োজন করতে লাগলাম।“

ইয়াসের সাথে কাজ করাকালীন কি ধরনের সুবিধা-অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “এর মধ্যে আমার ক্যাম্পাসের ইমিডিয়েট সিনিয়র প্লাবন সাহা দাদা ইয়াস বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটি ২০২০-২১ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ কমিউনিকেশন এর দায়িত্ব পেলেন। তারপর প্রতিনিয়ত দাদাকে বিরক্ত করতাম, এটা কি, ওটা কিভাবে করবো এসব নিয়ে। কিছুদিন পর তিনি আমাকে তার অধীনে ন্যাশনাল কমিটির কোয়ালিটি বোর্ডে কাজ করার প্রস্তাব দিলেন। আমি ২য় বার না ভেবে রাজি হয়ে গেলাম। সেখান থেকে ন্যাশনাল কমিটির সাথে যাত্রা শুরু। প্লাবন দাদার সহযোগিতায় এবং নির্দেশনায় অনেক কিছু শিখেছি। গ্রাফিক্স ডিজাইনে পারদর্শী হওয়ার সুবাদে ইয়াস বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটি কর্তৃক প্রকাশিত কৃষিকল্প ২য় ইস্যুতে ও ৩য় ইস্যুর এডিটোরিয়াল টিম মেম্বার হিসেবে কাজ করি।

একই সাথে ন্যাশনাল এবং লোকাল কমিটির সাথে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িয়ে রইলাম আর নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করতে লাগলাম। বিগত এক মাস ছিলো আমার জন্য ইয়াস জার্নির সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও স্বপ্নের মতো একটি অধ্যায়। একদিকে ন্যাশনাল কংগ্রেসের দায়িত্ব পালন করা আবার অন্যদিকে ইবি-সিবি ২০২১-২২ অর্থাৎ নতুন ন্যাশনাল কমিটির রিক্রুইটমেন্টের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা। এখানেও প্লাবন সাহা দাদার ভূমিকা অনস্বীকার্য। তার দিকনির্দেশনা না পেলে হয়তো আমি নতুন কমিটিতে এপ্লিকেশন করার সাহসই পেতাম না। শেষমেশ সাহস সঞ্চয় করে ন্যাশনাল কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ কমিউনিকেশন পদের জন্য আবেদন করলাম। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আর সকলের আশীর্বাদে আমি ইয়াস বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটি ২০২১-২২ এর ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ কমিউনিকেশন হিসেবে সিলেক্টেডও হয়ে গেলাম। আশা করছি সকলের সহযোগিতায় আমরা ভালো কিছু করতে পারবো“

ইয়াস বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটি ২০২১/২২ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আরো ৬টি প্রতিভাবান মুখ। এক্সিকিউটিভ বোর্ডের (ইবি) ন্যাশনাল ডিরেক্টর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান নূর, ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ এক্সচেঞ্জ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোঃ আতিক আশহাব এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট অফ এক্সটার্নাল রিলেশন হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শের-এ-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পূজা সরকার মলি। এছাড়া কন্ট্রোল বোর্ডের (সিবি) জন্য হেড অফ কন্ট্রোল বোর্ড হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোঃ মাহাদী হাসান তুষার, মেম্বারশিপ অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন যশোর বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সত্যজিৎ পাল এবং রিসার্চ এন্ড প্রোগ্রাম ডেভেলপমেন্ট অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাব্বির আহমেদ।

ইয়াস (IAAS বা International Association of Students in Agricultural and related Sciences) ১৯৫৭ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কৃষি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে কাজ করে চলেছে; বাংলাদেশে যার যাত্রা শুরু হয় ২০১৭ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাত ধরে এবং ২০১৮ সালে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় যার প্রসারতা বৃদ্ধি পায়। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তরুণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইয়াস বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে।

বর্তমানে দেশের ১১টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইয়াস বাংলাদেশের লোকাল কমিটি সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইয়াস বাংলাদেশের প্রতিটি সদস্য আশা করে, কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের নির্ভরতার এক অনন্য নাম হয়ে উঠবে ইয়াস বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ ১১:০৬ অপরাহ্ন
বাকৃবি’তে ইউএন ফুড সিস্টেম সামিট-২১ মুক্তসংলাপ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মাদ দীনু, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ) ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ঃ ফুড টেকনোলজি এন্ড গ্রমীন শিল্প বিভাগ, বাকৃবি এবং গ্লোবাল এলায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশান (জিএআইএন) কর্তৃক আয়োজিত সকলের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করণে ইউএন ফুড সিস্টেম সামিট -২০২১ মুক্তসংলাপ ভার্চুয়ালী অনুষ্ঠিত হয়। সংলাপে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান।

ফুড টেকনোলজি এন্ড গ্রমীন শিল্প বিভাগের প্রধান পলি কর্মকার এর সভাপতিত্বে উক্ত মুক্তসংলাপে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর ড. বোরহান উদ্দিন এবং মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন পটয়াখালী সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটির সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর এবং জার্মান ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ এর ভাইস-চ্যান্সেলর, প্রফেসর ড. মোঃ শামস-উদ-দিন। মুক্তসংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম , বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথরিটি এর সদস্য প্রফেসর ড. মো: আব্দুল আলীম এবং স্মল ফারমারস ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ জাকির হোসেন আকন্দ।

মুক্তসংলাপে প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান বলেন, ফুড সিকিউরিটিতে আমাদের সফলতা রয়েছে কিন্তু নিউট্রিশানের ক্ষেত্রে আমাদের আরও সফলতা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আমাদের আরও জোরালো নজর দিতে হবে। জিএআইএন এর সাথে বাকৃবি যে কাজ করছে তার পরিধিকে যদি আরো বৃদ্ধি করা বা বাড়ানো যায় তবে দেশের প্রান্তিক গ্রাম বাংলার কৃষক-শ্রমিক সমাজের মানুষ বেশ উপকৃত হবে। দারিদ্র্যসীমার ক্ষেত্রে আজকে কোভিড সিচুয়েশানে আমরা যতটুকু পিছিয়েছি যদি আমরা সবাই মিলে একটু চেষ্টা করি তবে আমার বিশ্বাস খুব দ্্রুতই এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারব। নিরাপদ খাদ্য পেতে আমাদের কি কি প্যারামিটার দরকার এ ব্যাপারে আমাদের আরও বেশি কাজ করতে হবে। তিনি আরোও বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির পরও খাদ্য ঘাটতি পূরণে বাকৃবি গ্রেজুয়েটদের অবদান অনস্বীকার্য। যেখানে গতানুগতিক ফুড প্রসেসিং এর কারণে আমাদের ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত খাদ্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সেখানে আধুনিক ফুড প্রসেসিং এর কোন অল্টারনেটিভ নাই্।

প্রফেসর ড. মোঃ শামস-উদ-দিন বলেন, আমাদের দেশে ফসল তোলার পরের প্রক্রিয়াতেই প্রায় ০.৫% থেকে ৩৫% পর্যন্ত খাদ্যশষ্য ক্ষতি বা নষ্ট হয়ে যায়। যা দিয়ে প্রায় সোয়া ০৪ কোটি মানুষের খাদ্য ঘাটতি পূরণ হয়। তিনি আরও বলেন, খাদ্য চাহিদা এবং পর্যাপ্ত যোগানের দৈরত্ব সমাধানের পূর্ব শর্ত হচ্ছে নতুন উদ্ভাবন এবং টেকসই প্রযুক্তি।

মুক্তসংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল এলায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশান (জিএআইএন) এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. রুদাবা খন্দকারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের র্কমর্কতা, বিভিন্ন এনজিও ব্যাক্তিত্বসহ অনেক গুনীজন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ ৩:৪২ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ
ক্যাম্পাস

নাজমূল(গবি):সিরাজগঞ্জ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশন (এসভিএসএ) এর ২০২১-২২ বর্ষের ১০১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে।

উক্ত কমিটির সভাপতি হিসেবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ ফয়সাল এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বিদ্যুৎ কুমার মাহাতো দায়িত্ব পেয়েছেন৷

এছাড়া, প্রতিষ্ঠা কমিটির সম্মানিত উপদেষ্টা মন্ডলী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার সাবেক কিউরেটর ডাঃ এস এম নজরুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার,সাভার) ডাঃ মোঃ আলমগীর হোসেন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জাকারিয়া হোসেন, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস ফেডারেশনের সভাপতি ডাঃ ইমতিয়াজ আবির, ভেটেরিনারি প্র‍্যাক্টিশনার ডাঃ মোঃ ইমরুল হাসান ইমু, ভেটেরিনারি প্র‍্যাক্টিশনার ডাঃ রাসেল আহমেদ।

ভেটেরিনারি পেশার উন্নয়ন, প্রচার এবং প্রসারের লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশন সর্বদা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৪, ২০২১ ৫:৪২ অপরাহ্ন
সিকৃবির মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ড
ক্যাম্পাস

সিকৃবি প্রতিনিধি: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের নবনিযুক্ত ডিন হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জলজ সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সিনিয়র প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ড।

শনিবার(০৪ সেপ্টেম্বর) মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের সম্মেলন কক্ষে সিকৃবি ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মতিয়ার রহমান হাওলাদার এর উপস্থিতিতে ডিনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ড। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী ডিন প্রফেসর ড. মোঃ আবু সাঈদ। উল্লেখ্য ড. কুন্ড মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ৫ম ডিন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।

ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ড ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইন ফিশারিজ, ২০০৪ সালে এমএস ইন ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট এবং ২০০৮ সালে পিএইচডি ইন ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট ডিগ্রি অর্জন করেন।

একাধারে শিক্ষক ও গবেষক ড. মৃত্যুঞ্জয় কুন্ডের ৫২ টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। ইতোমধ্যে তাঁর মাৎস্য শিক্ষা ও গবেষণা সংক্রান্ত ৫ টি পুস্তক প্রকাশিত হয়েছে।

ডিন হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, সিকৃবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবং সভাপতি সহ শিক্ষা ও প্রশাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি শিক্ষা ও গবেষণা সংক্রান্ত কাজে অস্ট্রেলিয়া, কোরিয়া, ভিয়েতনাম, ভারত, হংকংসহ বিশ্বের প্রায় ৪০ টি দেশে ভ্রমণ করেছেন। বিশ্ব ব্যাংক, আইডিএ ও ইফাদসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্প তাঁর তত্ত¡বধানে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার তারাউজিয়াল গ্রামের সম্ভ্রান্ত হিন্দু পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই পুত্র সন্তানের জনক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২১ ৯:৪৫ অপরাহ্ন
জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে ঢাবিতে পোনা অবমুক্তকরণ
ক্যাম্পাস

‘বেশি বেশি মাছ চাষ করি, বেকারত্ব দূর করি’ স্লোগান ধারণ করে এ বছর জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত হচ্ছে। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২১ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের পুকুরে ১৪২৫টি রুই মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ সময় শহীদুল্লাহ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাবেদ হোসেন, ঢাবি প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. নিয়ামুল নাসের, মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম, ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষের প্রতিনিধি ড. মোহাম্মদ শামসুর রহমান ও ড. মো. হাবিবুল্লাহ-আল-মামুন, শিক্ষক শিক্ষার্থীরা এবং মৎস্য অধিদফতরের পরিচালক (অভ্যন্তরীণ মৎস্য) মোহা. আতিয়ার রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মৎস্য অধিদফতর এই মাছের পোনা সরবরাহ করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ অনুষ্ঠানটির সার্বিক সমন্বয় করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২১ ৪:১৩ অপরাহ্ন
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ শুরু
ক্যাম্পাস

স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে যথাযথভাবে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উদযাপন করা হলো ‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২১’।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন পুকুরে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়।

মাছের পোনা অবমুক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ, গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদের নেতাবৃন্দ, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা), প্রক্টরিয়াল বডি এবং প্রভোস্ট কাউন্সিলসহ উচ্চপদস্থ শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।মাছের পোনা অবমুক্ত শেষে ভাইস চ্যান্সেলর ক্যাম্পাসের বিভিন্ন মৎস্য গবেষণার হ্যাচারি ও খাঁচা পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বেশি বেশি মাছ চাষ করি, বেকারত্ব দূর করি’।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২১ ১২:১৩ পূর্বাহ্ন
প্রাধিকারের ৭ম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা, সভাপতি তাজুল ও সম্পাদক নীলোৎপল
ক্যাম্পাস

প্রাধিকারের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি তাজুল ইসলাম মামুন ও সাধারণ সম্পাদক নীলোৎপল দে। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণি অধিকার এবং জীববৈচিত্র সংরক্ষণ বিষয়ক সংগঠন “প্রাধিকার” এর ৭ম কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ( ২ সেপ্টেম্বর ) সন্ধ্যা ৭ঃ৩০ মিনিটে ভার্চুয়াল এক অনুষ্ঠানে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি ঘোষণা করা হয়।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাধিকারের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সম্মানিত সদস্য বায়োটেকনোলজি ফ্যাকাল্টির সম্মানিত ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মেহেদি হাসান খান, ভূমি সন্তান বাংলাদেশের সমন্বয়ক আশরাফুল কবীর, প্রাধিকারের সাবেক সভাপতি ডা. বিনায়ক শর্মা এবং ডা. আনিসুর রাহমান।সাবেক সহ সভাপতি আল আমিন আহমেদ রুয়েল। সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. মহিউদ্দিন রিফাত, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা.মাহদী রাহি।

নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন ভেটেরিনারি, এনিম্যাল এন্ড বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের লেভেল-৪, সেমিস্টার-১ এর শিক্ষার্থী তাজুল ইসলাম মামুন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন একই অনুষদের লেভেল-৪, সেমিস্টার-১ এর শিক্ষার্থী নীলোৎপল দে।

নতুন কার্যনির্বাহী কমিটিতে অন্যান্য পদে যারা থাকছে, সহ-সভাপতি- তিলোত্তম ভট্টাচার্য্য তূর্য ,মোঃ আকিব, আল ইবনে রিফাত ,তাশফিয়া তাহজীন। জয়েন্ট সেক্রেটারী আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ আসিফ ,আরিফ ইশতিয়াক, মোঃমোশাররফ হোসেন , রুওনক জাহান উন্নতি,মামুনুর রহমান মুন ।

কোষাধ্যক্ষ -মোঃ মাহাদী হাসান, সহকারী কোষাধ্যক্ষ -উসামা ওয়াসিফা রিভু ও তানভীর হাসান।সাংগঠনিক সম্পাদক (ওয়াইল্ডলা­ইফ) -প্রশান্ত দেবনাথ স্বরণ,আব্দুল্লাহ আল মামুন। সাংগঠনিক সম্পাদক (ডোমেস্টিক­ এন্ড পেট এনিম্যাল)- মোঃ আল ফায়েদুর রহমান , কানন তালুকদার । সাংগঠনিক সম্পাদক (ফিশারিজ)- কাজী রাকিব উদ্দিন সাব্বির, সিদ্দিকুর রহমান সুজন।সংগঠনটির সম্পাদক (জেনেটিক রিসোর্স)- হাঞ্জালা ওসমান নীলয়, আহাদ মোল্লা ।

প্রাধিকার রেস্কিউ উইং হেড -আশরাফুল ইমন, সহকারী রেস্কিউ উইং-তুষার কান্তি, শাকিল মাহমুদ সুপ্ত । ল-কনসার্ন সম্পাদক সোহানুর রহমান, শাকিল আহমেদ । হিউম্যান রিসোর্স সম্পাদক – সূচনা আক্তার, শবনম শায়েস্তা শিফা । জনসংযোগ সম্পাদক – আরিজ আহমেদ সাদ, নাহিয়ান রহমান সাদ ।

এছাড়াও এক্সিকিউটিভ মেম্বারা হলেন- আলিফ আলী জনি, আবদুল্লাহ আল মামু্‌ন, শাওন দেবনাথ নিলয়, প্রমিতোষ দত্ত , পার্থ বিশ্বাস , মো: সাহেকুর রহমান, মো: জাহিদুর রহমান জুয়েল , নাসের ইকবাল , আফসানা মিমি , নাঈম চৌধুরী ।

অতিথিগণ তাদের বক্তব্যে বলেন, প্রাধিকার একটি মহতী সংগঠন যারা বোবা প্রাণীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। পূর্ববর্তী ধারা অব্যাহত রেখে নতুন কমিটি এই সংগঠনককে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা। এ সময় উপস্থিত শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সর্বসম্মতিক্রমে আগামী এক বছরের জন্য পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২, ২০২১ ৯:০৭ অপরাহ্ন
শেকৃবিতে ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
ক্যাম্পাস

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সমৃদ্ধ আন্তর্জাতিক মানের ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করা হয়েছে।

আজ বিকাল ৪টা ৩০মিনিটে ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রশীদ ভূ্ঁইয়া।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন শেকৃবির মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম, গবেষণা পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মিজানুল হক কাজল, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন, এএসভিএম অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. লাম-ইয়া-আসাদ, ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের ইনচার্জ ও মেডিসিন এন্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কেবিএম সাইফুল ইসলাম, মাইক্রোবায়োলজি এন্ড প্যারাসাইটোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. উদয় কুমার মহন্ত, রেজিস্ট্রার শেখ রেজাউল করিম, প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আজিজুর রহমান, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতাল স্থাপনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষকদের পাশাপাশি ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার খামারী এবং পোষা প্রাণীর অভিভাবকগন উপকৃত হবেন। পাঁচ তলা বিশিষ্ট ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের নির্মান ব্যায় হবে ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২, ২০২১ ৬:২৬ অপরাহ্ন
বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় বাকৃবি
ক্যাম্পাস

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু, বাকৃবি: টাইমস হায়ার এডুকেশন বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় এক হাজার থেকে এক হাজার দুইশ’র মধ্যে স্থান করে নিয়েছে. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,ময়মনসিংহ। এ তালিকায় বাংলাদেশের তিনটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থান লাভ করেছে । বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি হচ্ছে- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় , বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)।

আজ বৃহস্পতিবার(০২ সেপ্টেম্বর) এক অনলাইন আলোচনা সভার মাধ্যমে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান।

আগামীতে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে আরো সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা বিষয়ক ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল(আইকিউএসি)এর আয়োজনে অনলাইন আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রেখেছেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। বাকৃবি আইকিউএসি এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো: তাজ উদ্দিন এর সভাপতিত্বে এবং আইকিউএসি এর অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মো: হারুন অর রশীদ এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ আবু তাহের, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান, মিডিয়া ব্যাক্তিত্ব সুভাস সিংহ রায়সহ বাকৃবির সিনিয়র অ্যালামনাইবৃন্দ, বাকৃবির শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং আমন্ত্রিত অতিথিগণ বক্তব্য রাখেন। টাইমস হায়ার এডুকেশন বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র্যাংকিং বিষয়ে বিস্তারিত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাকৃবি ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো আলমগীর আলমগীর হোসেন ও ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রফেসর ড.হারুনুর রশীদ ।

টাইমস হায়ার এডুকেশন বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এ তালিকা প্রকাশ করেছে । ২০২১ সালে ৯৩টি দেশের প্রায় ১০ হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য থেকে ১ হাজার ৬শ’ ৬২টির তালিকা প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি।জাতিসংঘ নির্ধারিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজি অর্জনের ভিত্তিতে গবেষণা, আউটরিচ এবং শিক্ষণ এর মানদন্ডে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার তার বক্তব্যে এদেশের কৃষির ব্যাপক উন্নয়নে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানের প্রশংসা করেন।তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এ সাফল্যে সকলকে অভিনন্দন জানান। কৃষি প্রধান বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কাজের ওপর আরও যত্নবান হওয়ার আহবান জানান মন্ত্রী।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান বলেছেন, এ সাফল্যে আমরা উচ্ছসিত । আগামীতে বিশ্বের সেরা ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান করে নিতে আমরা সর্বাত্নক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আধুনিক কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে যথোপযুক্ত প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও কৃষকদের মাঝে তা সম্প্রসারণ করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ছয় দশকে বাংলাদেশ কৃষি বিশবিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটবৃন্দ কৃষির আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। যার ফলে দেশ আজ ক্রমবর্ধিষ্ণু জনসংখ্যার জন্য খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনে অসামান্য সাফল্য লাভ করতে পেরেছে।

পথিকৃৎ এ বিশ্ববিদ্যালয় দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি ক্ষেত্রে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আরও নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করবে এবং ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তার অগ্রণী ভূমিকা অব্যাহত রাখবে । এ বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞানচর্চা ও মেধার বিকাশ এবং সার্বিক উন্নয়নে সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুপরিকল্পিত দিক নির্দেশণা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এর আন্তরিক সহযোগিতা প্রশংসনীয়।

পাশাপাশি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অ্যালামনাইবৃন্দ,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাবাসী ও সচেতন অভিভাবকগণ, যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে তা অপরিসীম। আমি কৃতজ্ঞতাভরে তাদের স্মরণ করছি।এই শুভক্ষণে আজ সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যিনি এদেশের কৃষি ও কৃষকের দ্রুত সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বহু যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭৩ সনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বরে এসে তিনি এক ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন, যার ফলে আজ কৃষিবিদগণ চাকরির ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত।যার ফলশ্রুতিতে এবং অনুপ্রেরণায় বাংলাদেশের কৃষি ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আজ এ অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, প্রকাশনা, আন্তর্জাতিকীকরণ, একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি লিঙ্কেজ ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে বিশ্বের অনেক প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিং করে থাকে । একজন ছাত্র বা তার অভিভাবক হায়ার স্টাডিস এর জন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করবেন, শিক্ষক/গবেষক কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াবেন বা গবেষণা করবেন, ডোনার কোথায় ফান্ড দিবেন, এমপ্লোয়ার কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট রিক্রুট করবেন, পলিসি মেকার বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কি ধরনের স্ট্রাটেজিক প্লান নিবেন, স্কলারশীপ এর ক্রাইটেরিয়া পূরনে হোস্ট ইউনিভার্সিটি নির্বাচন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন, ইত্যাদিতে এই র্যাংকিং বিশেষ ভুমিকা রাখে।

সারা বিশ্ব জুড়ে মূলত টাইমস হায়ার এডুকেশন, কিউএস এবং সাংহাই এই তিনটি গ্লোবাল র্যাকিং এর ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতা থাকলেও টাইমস হায়ার এডুকেশন ছাত্র, শিক্ষক, গবেষক, এক্সিকিউটিভ, পলিসি মেকার কতৃক সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও সবচেয়ে প্রভাবশালী র্যাংকিং। বাংলাদেশ সরকারও বিভিন্ন স্কলারশীপ যেমন, প্রধানমন্ত্রী ফেলোশীপ এর জন্য একমাত্র টাইমস হায়ার এডুকেশন এর র্যাংকিং কেই বিবেচনায় নিয়ে থাকে।

উল্লেখ্য ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল(আইকিউএসি) ২০১৯ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই র্যাংকিং বিষয়ে কাজ করছে এবং আইকিউএসি এর অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মো: হারুন অর রশীদ এ বিষয়ে সার্বিক তত্ত্বাধানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১, ২০২১ ১১:২৩ অপরাহ্ন
বিশ্ব র‍্যাংকিং এ দেশের সেরা তিনে ‘বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’
ক্যাম্পাস

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু,বাকৃবি: বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় এক হাজার থেকে এক হাজার দুইশ’র মধ্যে স্থান করে নিয়েছে. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,ময়মনসিংহসহ বাংলাদেশের তিনটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় । বিশ্ববিদ্যালয় তিনটি হচ্ছে- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

টাইমস হায়ার এডুকেশন বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এ তালিকা প্রকাশ করেছে । ২০২১ সালে ৯৩টি দেশের প্রায় ১০ হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্য থেকে ১ হাজার ৬শ’ ৬২টির তালিকা প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি।জাতিসংঘ নির্ধারিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজি অর্জনের ভিত্তিতে গবেষণা, আউটরিচ এবং শিক্ষণ এর মানদন্ডে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান বলেছেন, এ সাফল্যে আমরা উচ্ছসিত । আগামীতে বিশ্বের সেরা ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান করে নিতে আমরা সর্বাত্নক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আধুনিক কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে যথোপযুক্ত প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও কৃষকদের মাঝে তা সম্প্রসারণ করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ছয় দশকে বাংলাদেশ কৃষি বিশবিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটবৃন্দ কৃষির আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তি স¤প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। যার ফলে দেশ আজ ক্রমবর্ধিষ্ণু জনসংখ্যার জন্য খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনে অসামান্য সাফল্য লাভ করতে পেরেছে।

পথিকৃৎ এ বিশ্ববিদ্যালয় দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি ক্ষেত্রে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আরও নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করবে এবং ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তার অগ্রণী ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞানচর্চা ও মেধার বিকাশ এবং সার্বিক উন্নয়নে সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুপরিকল্পিত দিক নির্দেশণা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এর আন্তরিক সহযোগিতা প্রশংসনীয়।পাশাপাশি এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অ্যালামনাইবৃন্দ,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাবাসী ও সচেতন অভিভাবকগণ, যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে তা অপরিসীম।

আমি কৃতজ্ঞতাভরে তাদের স্মরণ করছি।এই শুভক্ষণে আজ সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করছি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যিনি এদেশের কৃষি ও কৃষকের দ্রুত সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বহু যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭৩ সনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বরে এসে তিনি এক ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন, যার ফলে আজ কৃষিবিদগণ চাকরির ক্ষেত্রে প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড পদমর্যাদায় অধিষ্ঠিত।যার ফলশ্রুতিতে এবং অনুপ্রেরণায় বাংলাদেশের কৃষি ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আজ এ অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত।

টাইমস হায়ার এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং 2022 এ বাকৃবির স্থান লাভে বাকৃবির সকল অ্যালামনাই ,বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশন উচ্ছসিত ,আনন্দিত ।

উল্লেখ্য কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন দিন ব্যাপি THE World Academic Summit 2021 এর প্রথম দিনে টাইমস হায়ার এডুকেশন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং 2022 প্রকাশ করে। টাইমস হায়ার এডুকেশন এবছর 1662 টি বিশ্ববিদ্যালয় তালিকা প্রকাশ করছে।

May be an image of grass

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, প্রকাশনা, আন্তর্জাতিকীকরণ, একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি লিঙ্কেজ ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে বিশ্বের অনেক প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিং করে থাকে । একজন ছাত্র বা তার অভিভাবক হায়ার স্টাডিস এর জন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করবেন, শিক্ষক/গবেষক কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াবেন বা গবেষণা করবেন, ডোনার কোথায় ফান্ড দিবেন, এমপ্লোয়ার কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট রিক্রুট করবেন, পলিসি মেকার বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে কি ধরনের স্ট্রাটেজিক প্লান নিবেন, স্কলারশীপ এর ক্রাইটেরিয়া পূরনে হোস্ট ইউনিভার্সিটি নির্বাচন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন, ইত্যাদিতে এই র‍্যাংকিং বিশেষ ভুমিকা রাখে।

সারা বিশ্ব জুড়ে মূলত টাইমস হায়ার এডুকেশন, কিউএস এবং সাংহাই এই তিনটি গ্লোবাল র‍্যাকিং এর ব্যাপক গ্রহনযোগ্যতা থাকলেও টাইমস হায়ার এডুকেশন ছাত্র, শিক্ষক, গবেষক, এক্সিকিউটিভ, পলিসি মেকার কতৃক সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও সবচেয়ে প্রভাবশালী র‍্যাংকিং। বাংলাদেশ সরকারও বিভিন্ন স্কলারশীপ যেমন, প্রধানমন্ত্রী ফেলোশীপ এর জন্য একমাত্র টাইমস হায়ার এডুকেশন এর র‍্যাংকিং কেই বিবেচনায় নিয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop