৯:১২ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ২৫, ২০২১ ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
লেয়ার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল
পোলট্রি

লেয়ার মুরগি হলো ডিম উৎপাদনের জন্য বিশেষ ধরনের মুরগি যাদেরকে একদিন বয়স থেকে পালন করা হয়, যারা ১৮ থেকে ১৯ সপ্তাহ বয়সে ডিম দিতে শুরু করে এবং উৎপাদনকাল ৭২ থেকে ৭৮ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত স্হায়ী হয়। ডিম উৎপাদনকালীন সময়ে এরা গড়ে প্রায় সোয়া দু’কেজি খাবার খেয়ে এক কেজি ডিম উৎপাদন করে।

খামারকে ভাইরাস জনিত রোগ থেকে মুক্ত রাখতে হলে যথাযথভাবে টিকা প্রাদান করার বিকল্প নেই। মুরগির টিকাপ্রাদন তালিকা প্রনয়নে, অনেকগুলি বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন। যেমন, লেয়ারের জাত, প্রাপ্ত ইমিউনিটি, এলাকা, আবহাওয়া, মুরগির স্বাস্থ ইত্যাদি।

যদিও বিভিন্ন ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক কোম্পানি বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি প্রস্তাবন করে থাকে। তবে আমাদের দেশে সর্বাধিক প্রচলিত টিকাদান কর্মসূচি নিচে উল্লেখ করা হলো।

বাণিজ্যিক লেয়ার মুরগির প্রস্তাবিত টিকাদান কর্মসূচি

 

বয়স রোগের নাম ভ্যাকসিনের নাম প্রকৃতি প্রয়োগ পদ্ধতি
১-৩ দিন ম্যারেক্স
রাণীক্ষেত+ ব্রংকাইটিস
ম্যারেক্স,
আইবি+ এনডি
লাইভ ঘাড়ের চামড়ার নিচে ইনজেকশন
চোখে ফোঁটা
৭-৯ দিন গামবোরো আই বি ডি লাইভ ফুখে ফোঁটা
১০-১২ দিন রাণীক্ষেত+ গামবোরো জি + এনডি কিল্ড ঘাড়ের চামড়ার নিচে ইনজেকশন
১৬-১৭ দিন রাণীক্ষেত ল্যাসোটা লাইভ চোখে ড্রপ
১৮-২০ দিন গামবোরো আই বি ডি লাইভ খাবার পানিতে
২৪-২৮ দিন এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা
(বার্ড ফ্লু)
এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (H5N1) কিল্ড চামড়ার নিচে ইনজেকশন
৩০-৩৫ দিন ফাউল পক্স ফাউল পক্স ডি এন এ লাইভ ডানায়সূচ ফুটানো
৪০-৪৫ দিন মাইকোপ্লাজমা মাইকোপ্লাজমা কিল্ড ঘাড়ের চামড়ার নিচে ইনজেকশন
৬-৭ সপ্তাহ রাণীক্ষেত এনডি কিল্ড ঘাড়ের চামড়ার নিচে ইনজেকশন
৮ সপ্তাহ ফাউল কলেরা ফাউল কলেরা কিল্ড নির্দেশনা মোতাবেক
৯ সপ্তাহ ইনফেকশাস করাইজা, সালমোনেলা করাইজা + সালমোনেলা কিল্ড
লাইভ
নির্দেশনা মোতাবেক
১০ সপ্তাহ ব্রংকাইটিস (ভ্যারিয়ান্ট) আইবি ভ্যারিয়ান্ট লাইভ খাবার পানিতে
১২ সপ্তাহ ফাউল কলেরা ফাউল কলেরা কিল্ড নির্দেশনা মোতাবেক
১৫-১৬ সপ্তাহ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা
(বার্ড ফ্লু)
এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (H5N1) কিল্ড চামড়ার নিচে ইনজেকশন
১৬ সপ্তাহ করাইজা, সালমোনেলা, রাণীক্ষেত, ব্রংকাইটিস
ও এগ ড্রপ সিন্ড্রোম
জি + এনডি +আইবি + ইডিএস কিল্ড নির্দেশনা মোতাবেক

 

প্রতি ৬ মাস অন্তর রানীক্ষেত কিল্ড ভ্যাকসিন দিতে হবে। ভ্যাকসিন টাইটার কমে গেলে লাইভ ভ্যাকসিন করা যেতে পারে। সালমোনেলা রোগের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করার পূর্বে মুরগি সালমোনেলা মুক্ত কিনা পরীক্ষা করে নিলে ভ্যাকসিন কার্যকর হয়ে থাকে।উল্লেখ্য বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন নামে ভ্যাকসিন বাজারজাত করে থাকে। এক্ষেত্রে রোগের নাম অনুযায়ী ভ্যাকসিন নির্বাচন করতে হবে।

এলাকা আবাহাওয়া, মুরগির স্বাস্থ ইত্যাদি বিবেচনায় উল্লেখিত লেয়ার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল পরিবর্তন করা যেতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৪, ২০২১ ৮:১৪ পূর্বাহ্ন
হিলিতে একটি ট্রাক ও তিনটি চোরাই গরু সহ আটক ৯
প্রাণিসম্পদ

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলিতে একটি ট্রাক ও তিনটি চোরাই গরু সহ পালিয়ে যাওয়ার সময় ৯ ব্যক্তিকে আটক করেছে সেখানকার স্থানীয় জনতা। পরে আটককৃত ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে সোর্পদ করা হয়।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) সকালে উপজেলার আলীহাট ইউনিয়নের কাশিয়াডাঙ্গা এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করে হাকিমপুর থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করেন স্থানীয় জনতা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ।

ওসি জানান, জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলা থেকে গরুগুলো চুরি করা হয়। পরে ট্রাকে করে নিয়ে সকালের দিকে হিলির কাশিডাঙ্গা এলাকা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন আটকরা। এসময় স্থানীয় জনতা তাদেরকে একই এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে আটক করেন।

ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চোরাইকৃত তিনটি গরু ও একটি ট্রাক জব্দ এবং ৯ চোরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে হাকিমপুর থানায় আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আটকরা হলেন-দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের তোশারফ হোসেনের ছেলে মুসফিকুর রহমান, বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগডোবা গ্রামের মৃত হরেণ দাসের ছেলে তাপস দাস, কোতোয়ালি উপজেলার বোদাবাড়ী গ্রামের মৃত সুন্দর দাসের ছেলে কৃষ্ণ দাস ও যলীবাড়ি গ্রামের মঞ্জুর ছেলে আরিফ হোসেন, বোচাগঞ্জ উপজেলার শ্রীমন্দপুর গ্রামের বিজয় দাসের ছেলে সুজল দাস, খানসামা উপজেলার নবেশ দাসের ছেলে সাধু চন্দ্র দাস, রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার চকপাড়া জামালপুর গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে আব্দুল মনিম, নীলফামারী সদর উপজেলার বেলাডাঙ্গা গ্রামের রবি চন্দ্রের ছেলে লিটন চন্দ্র ও একই উপজেলার বাগানবাড়ি গ্রামের মৃত জহিমুদ্দিনের ছেলে হযরত আলী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২২, ২০২১ ১১:৩০ অপরাহ্ন
বরিশালে গরুর খাদ্য হিসেবে ভুট্টার আবাদ
প্রাণিসম্পদ

বরিশারে গরুর জন্য আবাদ করা হচ্ছে ভুট্টা। এটি স্বল্পমূল্যের উন্নত গো-খাদ্য হওয়ায় কৃষকরা তাদের গরুর জন্য এটি আবাদ করে ব্যাপকা সাড়া জাগিয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে ভুট্টা উৎপাদন যেমন স্বল্প খরচের, তেমন পরিশ্রমও কম। আর ভুট্টার মতো উন্নতমানের গো-খাদ্যের দাম প্রায় দ্বিগুণ, সেই সঙ্গে ফিডের থেকে ভুট্টা খাওয়ানো গরু অনেকটাই সতেজ ও তরতাজা থাকে।

বরিশাল সদর উপজেলার কৃষকরা জানান, ভুট্টা এমন একটি শস্য যা শুধু মানুষের জন্য উপকারী এমনটা নয়। এটি গবাদি পশুর জন্যও উপকারী। আবার ভুট্টা, ফিডের চেয়ে দামেও অনেকটাই সাশ্রয়ী। তাই যে অঞ্চলে মানুষ বেশি গরু লালন-পালন অর্থাৎ গো খামারি রয়েছেন সেখানে ভুট্টার আবাদ বেশি করতে দেখা যায়।

তারা আরো জানান, ভুট্টা আবাদে বেশি শ্রম যেমন প্রয়োজন হয় না, তেমনি জাতভেদে সময় অনুযায়ী পরিমাণ মতো ফসফেট, ড্যাপ, ইউরিয়া ও জিপসাম সার ব্যবহার করলেই হয়। আর এতে বীজ ও সারসহ ভুট্টা উৎপাদনে তেমন একটা খরচও হয় না। আবার এ অঞ্চলে তেমন একটা রোগবালাই ও দেখা যায় না ভুট্টা ক্ষেতে।

তারা জানান, ভুট্টা যেমন সহজে সংরক্ষণ করা যায়, তেমনি গবাদি পশু (গরু) খেয়েও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। ফিডের থেকে ভুট্টা খেয়ে বড় হওয়া গরুর শারীরিক শক্তি ও গঠন বেশি ও ভালো হয়ে থাকে উল্লেখ করে একজন খামারি বলেন, ভুট্টা খাওয়ানো গরু সহসা নিস্তেজ হতেও দেখা যায় না, রোগ বালাইও কম হয়। আর ফিডের থেকে খরচ প্রায় অর্ধেক হওয়ায় যারা বেশি সংখ্যক গরু লালন-পালন করেন তারা নিজেরাই জমিতে ভুট্টা উৎপাদন করেন।

বরিশাল সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা ফাহিমা হক জানান, ধান ও গমের থেকে ভুট্টাতে পুষ্টিমান অনেক বেশি। এটি মানুষের জন্য বেশ উপকারী। এছাড়া ভুট্টার বহুমুখী ব্যবহার থাকলেও দেশে পোল্ট্রি ও মাছের খাবার হিসেবে এর ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে। সেই সঙ্গে বর্তমানে গো-খাদ্য হিসেবেও ভুট্টা ব্যবহার বেড়েছে। বরিশালেও গো-খাদ্য হিসেবে অনেকেই ভুট্টার আবাদ করছেন। ফলে এ অঞ্চলেও ভুট্টা চাষ বাড়ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২২, ২০২১ ১০:২১ অপরাহ্ন
এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স`র “Gift Handover Ceremony” অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

“বদলে যাবে সারাদেশ , দুধে মাংসে বাংলাদেশ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ও মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজন অনুযায়ী আগামীতে গবাদী পশুর আধুনিক প্রজনন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স বিদেশ থেকে বিভিন্ন উন্নত জাতের ষাঁড় আমদানি করাসহ নতুন নতুন প্রযুক্তি খামারিদের মাঝে হস্তান্তর করবে।

এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকার পুলিশ প্লাজায় বছরের বেস্ট ডিসবিউটার এওয়ার্ড হিসাবে এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স এর “Gift Handover Ceremony” প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডঃ ফা হ আনসারি ( এমডি এন্ড সিইও, এসিআই এগ্রিবিজনেস ) ,মোহাঃ শাহিন শাহ ( ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, এসিআই এনিম্যাল হেলথ),ডাঃ অরবিন্দ কুমার শাহা ( চিফ এডভাইজার, এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স ) ,ডাঃ হিরেস রঞ্জন ভৌমিক ( চিফ এডভাইজার, এসিআই এনিমেল হেলথ ) ,ডাঃ এম এ সালেক ( চিফ টেকনিক্যাল এডভাইজার, এসিআই এনিমেল হেলথ) প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সময়ের সাথে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। প্রযুক্তির হাত ধরে বিস্তৃত হচ্ছে কৃষি অর্থনীতি। শহর থেকে প্রান্তিক জনপদে সৃষ্টি হয়েছে অধিক উৎপাদনশীল গবাদি পশুর খামার। পরিবর্তনের সেই অগ্রযাত্রায় কৃষকের বিশ্বস্ত সহযাত্রী এসিআই এনিমেল জেনেটিকস্।

গাজীপুরের রাজাবাড়িতে বিস্তৃত পরিসরে গড়ে উঠেছে এসিআই-এর বিশেষায়িত জেনেটিক্স রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার। যেখানে গরুর প্রজনন, জাত উন্নয়ন, দুধ ও মাংসের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি নিয়ে বৃদ্ধি নিয়ে চলছে গবেষণা ও প্রযুক্তি হস্তান্তর।

এছাড়া এসিআই-এর বিশেষায়িত জেনেটিক্স রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে রয়েছে দেশ-বিদেশ থেকে সংগৃহিত বিভিন্ন উন্নত জাতের ষাঁড়। কৃত্রিম প্রনজনের জন্য এসব ষাঁড় থেকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সিমেন সংগ্রহ ও প্রসেজিং করা হয় যা এসিআই সিমেন নামে দেশব্যাপী পৌঁছে যাচ্ছে খামারির কাছে। এসিআই নিবিড় গবেষণার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে গাভীর উচ্চ গর্ভধারণ হার যা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি।

মূলত, মাংস ও দুধ বৃদ্ধির মাধ্যমে খামারির মুখে হাসি ফুটানোই এসিআই-এর ব্রত। এখানকার কৃত্রিম প্রজননের প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছে গ্রাম বাংলার অসংখ্য বেকার যুবকরা, সম্পৃক্ত হচ্ছে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার মূল ধারার সাথে। ইতোমধ্যে এসিআই সিমেন ব্যবহার করে ভালো ফলাফল পাচ্ছে খামারিগণ এবং দারুণভাবে প্রশংসিত হচ্ছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২২, ২০২১ ৭:৫৩ অপরাহ্ন
জনকণ্ঠের সম্পাদকের মৃত্যুতে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আতিকউল্লাহ খান মাসুদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

আজ সোমবার মন্ত্রী এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় মন্ত্রী আরো জানান, আতিকউল্লাহ খান মাসুদ দীর্ঘ সময় সাহসিকতার সাথে সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করে গেছেন। তার মতো বরেণ্য সাংবাদিকের মৃত্যু এক অপূরণীয় ক্ষতি বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২২, ২০২১ ৪:২৬ অপরাহ্ন
চাঁদপুরে কয়েলের আগুনে ৪ গরুর মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে এক কৃষকের গোয়ালঘরে কয়েলের আগুনে পুড়ে চারটি গরুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার গভীর রাতে উপজেলার ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের লুধুয়া গ্রামের কৃষক লতিফ বেপারিবাড়ির গোয়াল ঘরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে

কৃষক লতিফ বেপারির ছেলে আমির হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো মশা থেকে গরুকে রক্ষা করতে গোয়ালঘরে কয়েল জ্বালিয়ে পাঁচটি গরু রশি দিয়ে বেঁধে ঘুমাতে যাই। রাত ১২টার কিছু সময় পর গোয়ালে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে আমাদের ঘুম ভাঙে।

পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। এ সময় আমাদের একটি গোয়ালঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে চারটি মারা যায়। অপর গরুটির অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২১, ২০২১ ৭:৫৯ অপরাহ্ন
‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট শিল্প বিকাশে সকল সহযোগিতা করবে সরকার’
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “দেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট শিল্প স্থাপন ও বিকাশে সকল সহযোগিতা করবে সরকার। এজন্য দেশীয় শিল্পোদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশীয় শিল্প বিকাশে অত্যন্ত আগ্রহী। এ শিল্প বিকাশে যেখানেই সমস্যা হবে সেটা আমরা সমাধান করবো। যৌক্তিক ক্ষেত্রে কর রেয়াতের বিষয়টিও আমরা বিবেচনা করবো। মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্য তৈরীর শিল্প দেশে বিকশিত হলে উৎপাদন খরচ আমরা কমাতে পারবো এবং কম মূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ভোক্তোদের নিকট পৌঁছে দিতে পারবো। একইসাথে এসকল পণ্য বিদেশে রপ্তানি করতে পারবো।”

রবিবার (২১ মার্চ) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পোল্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ আবদুল জব্বার শিকদার, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল।

এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, “রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা না থাকলে, ভালো ব্যবস্থাপনা না থাকলে পোল্ট্রি খাতের আজকের যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন, সেটি সম্ভব হতো না। করোনা সংকটে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সমস্যা মোকাবেলার জন্য কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ভ্রাম্যমান বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে মানুষ আমিষ ও পুষ্টির যোগান পেতে পারে এবং খামারি ও উৎপাদকগণ যাতে ক্ষতির সম্মুখীন না হয়। এর নেপথ্যে উৎসাহ, অনুপ্রেরণা ও নির্দেশনা ছিলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। এভাবে রাষ্ট্র এগিয়ে চলেছে।”

বাংলাদেশ উন্নয়নের অপ্রতিরোধ্য গতি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে এসময় প্রধান অতিথি আরো যোগ করেন, “আলোকবর্তিকা হাতে নিয়ে অন্ধকার থেকে গোটা জাতিকে এমন জায়গায় নিয়ে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের মানুষের জীবনমান এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, কেউ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের অভাবে থাকতে হচ্ছে না। অর্থনৈতিক সূচকে পাকিস্তান, নেপাল এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে ভারতের চেয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এটা ভালো ব্যবস্থাপনার কারণে সম্ভব হয়েছে। একজন ভালো ক্যাপ্টেনের কারণে হয়েছে। রাষ্ট্রকে তিনি পরিচালনা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা সুন্দর থাকলে সবকিছু সামনের দিকে এগিয়ে যায়।”

মন্ত্রী আরো বলেন, “জনগণের পুষ্টি চাহিদা মেটাতে পোল্ট্রি এমন একটি খাত যেখান থেকে আমরা মাংস ও ডিম পাচ্ছি। এ খাত থেকে খাবারের একটা বড় অংশের যোগান আসছে। পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাচ্ছে এ খাত। দেশের উন্নয়নে অন্যতম বড় খাত হবে পোল্ট্রি খাত-এ প্রত্যাশা করি।”

মৎস্য ও পোল্ট্রি খাদ্যে পাটের ব্যাগ ব্যবহার এবং একাধিকবার মান নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষাজনিত সমস্যা অচিরেই সমাধান করা হবে বলেও এসময় আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।

সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা উল্লেখ করে এসময় মন্ত্রী আরো বলেন, “গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিচালনার ক্ষেত্রে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গণমাধ্যমের সাথে আমার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে যে সাংবাদিকরা কাজ করেন তাদের সকলকে অ্যাওয়ার্ড দিতে না পারলেও তাদেরকে মনেপ্রাণে আমি ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি। তবে অপসাংবাদিকতার বিষয়েও আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।”

অনুষ্ঠানে সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে ৪জন, টেলিভিশন ও রেডিও ক্যাটাগরিতে ৪জন, বার্তা সংস্থা/অনলাইন ক্যাটাগরিতে ১ জন ও পোল্ট্রি/কৃষি বিষয়ক ম্যাগাজিন/অনলাইন ক্যাটাগরিতে ১ জন এবং প্রমিজিং পোল্ট্রি রিপোর্টার্স ক্যাটাগরিতে ১০ জন সাংবাদিককে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২১, ২০২১ ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
ফুলবাড়ীতে চোরাপথে আসা ভারতীয় গরু আটক
প্রাণিসম্পদ

জেলার ফুলবাড়ীতে চোরাপথে আসা ভারতীয় ছয়টি গরু আটক করেছে বিজিবি। ফুলবাড়ী ২৯ বডার গার্ড ব্যাটলিয়ন বিজিবি এই গরু আটক করেন।

শনিবার (২০ মার্চ) সকালে ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির অধিন জলপাইতলী সীমান্ত এলাকা থেকে এই ভারতীয় গরু আটক করে।

ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল শরিফ উল্যাহ আবেদ গণমাধ্যমকে ঘটনা নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ২৯ বিজিবির অধীনস্থ জলপাইতলী বিওপির একটি টহল দল দায়িত্বপূর্ণ এলাকার শূন্য লাইনের নিকটবর্তী খেয়াপাড়া মাঠ থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ছয়টি ভারতীয় গরু আটক করতে সক্ষম হয়।

আটককৃত গরুর আনুমানিক মূল্য চার লাখ ২০ হাজার টাকা বলে জানা যায় বিজিবির একটি সূত্রে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২০, ২০২১ ২:০৭ অপরাহ্ন
মধুখালীতে ‘কয়েলের’ আগুনে গবাদি পশু পুড়ে দগ্ধ
প্রাণিসম্পদ

ফরিদপুরের মধুখালীতে ‘মশার কয়েলের’ আগুনে এক কৃষক পরিবারের বসতঘর ও পাঁচটি গাভী, চারটি ছাগল ও নগদ অর্থ পুড়ে গেছে।

শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাগাট ইউনিয়নের দাসপাড়ায় এই অগ্নিকাণ্ড হয়।

এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস জানায়, দাসপাড়ার বাসিন্দা কাওছার শেখের বাড়ির গোয়ালঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মধুখালী ফায়ার সার্ভিস, থানা পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এর আগেই বসতঘর ও ঘরে থাকা মালামাল, পাঁচটি গাভী, চারটি ছাগল ও নগদ অর্থ পুড়ে যায় বলে ক্ষতিগ্রস্ত কাওছার শেখ জানান।

মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার টিটব সিকদার বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। অগ্নিকাণ্ডে দুইটি বসত ঘর, রান্নার ঘর ও গোয়াল ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। গোয়াল ঘরে থাকা পাঁচটি দামি গাভী ও চারটি ছাগল ভষ্মীভূত হয়েছে। এছাড়া আরও দুইটি গাভীর অনেকাংশ পুড়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, বসতঘরে থাকা মালামালও ভষ্মীভূত হয়েছে। পরিবারটি নিঃস্ব হয়ে গেছে। প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

“মশার কয়েলের আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।”

ক্ষতিগ্রস্ত কাওছার শেখ বলেন, “আগুন আমাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। ধার দেনা করে গাভী ও ছাগল পালন করতাম। এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া আছে। গাভী ও ছাগলগুলো পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আয় রোজগারের একমাত্র অবলম্বন ছিল এগুলো।”

অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে মধুখালী থানার এস আই আব্দুল হাকিম, জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে জানা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২০, ২০২১ ১:৪৭ অপরাহ্ন
নওগাঁয় কৃষকের বাড়ি থেকে দেড় লক্ষাধিক টাকার গরু চুরি
প্রাণিসম্পদ

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ১-নং ধামইরহাট ইউনিয়নের অন্তর্গত মইশর এলাকা থেকে নুর মোহাম্মদ নামক এক কৃষকের বাড়ি থেকে ২টি গাভী গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। যার বাজার মূল্য প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকা বলে দাবি করেন গরুর মালিক।

শুক্রবার (১৯ মার্চ) ভোররাতে এই ঘটনা ঘটে। নুর মোহাম্মদ মইশড় পশ্চিমপাড়ার মৃত নমির উদ্দিন মন্ডলের ছেলে।

এ বিষয়ে ওই কৃষকের ছেলে রেজাউল করিম জানান, বৃহস্পতিবার রাতে নুর মোহাম্মদ গরুরগোয়াল ঘরে কয়েল জ্বালিয়ে বাড়ির দরজায় তালা লাগিয়ে ঘুমিয়ে যান।

পরে ভোর রাতে গোয়াল ঘরে গিয়ে দেখেন তার ২টি গাভি গরু দরজার পাশে সিঁধ কেটে ভিতর দিয়ে দরজার তালা খুলে গরু দুটি চুরি করে নিয়ে যায়।

এমন ঘটনায় সে খুব ভেঙে পড়েন। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে বিভিন্নভাবে শান্তনা দেয়। কারণ অনেক কষ্টে ধার দেনা করে গরু পালন করেছিলেন সে।

বিষয়টি আমি জানার পরে বিভিন্ন স্থানে গরু দুটির সন্ধান চালাচ্ছি বলে জানান ওই এলাকার ইউটি সদস্য সাজেদুর রহমান।।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop