৩:৩৯ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ১৬, ২০২১ ১১:১১ অপরাহ্ন
সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেনের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি একাব্বর হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৬, ২০২১ ৩:২২ অপরাহ্ন
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের সংসদীয় কমিটিতে প্রাণ গোপাল দত্ত
প্রাণিসম্পদ

মঙ্গলবার সংসদে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে প্রধান হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী পাঁচটি এবং স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী একটি কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব তুললে সংসদ তা গ্রহণ করে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে একটি সদস্য পদ ফাঁকা ছিল। সেখানেই স্থান পেলেন প্রাণ গোপাল দত্ত ।

সাবেক ডেপুটি স্পিকার মো. আলী আশরাফের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে সংসদে এসেছেন এ চিকিৎসক।

সিরাজগঞ্জ-৬ থেকে নতুন নির্বাচিত মেরিনা জাহান কবিতার জায়গা হয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে। ওই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাসিবুর রহমান স্বপনের জায়গায় কবিতা কমিটিতে সদস্য পদ পেলেন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের স্ত্রী সংরক্ষিত আসনের সদস্য শেরীফা কাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য হয়েছেন। দলটির প্রয়াত সংসদ সদস্য মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী ওই কমিটির সদস্য ছিলেন।

বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির একটি পদ সদস্য ফাঁকা ছিল। সেখানে এসেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

১২ সদস্যের কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত কমিটির একটি সদস্য পদ ফাঁকা ছিল। জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সেখানে সদস্য হয়েছেন।

স্পিকার শিরীন শারমিন পিটিশন কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব করেন। ফাঁকা একটি সদস্য পদ থাকায় সেখানে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের সুবিদ আলী ভূঁইয়াকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৬, ২০২১ ১:৫৯ অপরাহ্ন
ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন ফরিদপুরের দুগ্ধ খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

করোনার প্রকোপে দুর্দশা কাটিয়ে আবারও স্বাবলম্বী হতে শুরু করেছে ফরিদপুরের দুগ্ধ খামারিরা। টানা দুই বছর লোকসানে থাকার পর এবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তারা।

আর ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রণোদনাসহ সব ধরনের সহযোগিতার কথা জানান জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।

করোনাকালীন প্রায় দুই বছরে বন্ধের মুখে পড়ে ফরিদপুরের অনেক দুগ্ধ খামারিরা। সময় মতো দুধ বিক্রি করতে না পারা এবং গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধিসহ নানা সংকটে ঋণগ্রস্ত বেশিরভাগ খামারি।

মহামারী কমে আসায় আবারও ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছেন তারা। কাঙ্খিত দাম পাওয়ায় নতুন আশা আলো দেখছেন খামারিরা। তবে দুর্যোগপূর্ণ সময়ে দুধ সংরক্ষণের ব্যবস্থার দাবিও জানান তারা।

এদিকে করোনাকালীন সময়ে হারানো চাকরি ফিরে পেয়ে খুশি শ্রমিকেরা। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের লোকসান পুষিয়ে নিতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।

ফরিদপুর জেলায় বর্তমানে ১০হাজার দুগ্ধ খামার রয়েছে, যা থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার লিটার দুধ উৎপাদিত হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৪, ২০২১ ৪:৪১ অপরাহ্ন
বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা বিশ্বমানে পৌঁছে যাচ্ছে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা বিশ্বমানে পৌঁছে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রবিবার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানার আধুনিকায়নে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত দুই দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন,”বাংলাদেশের সকল প্রতিষ্ঠানকে সরকার আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে চায়। এ ধারাবাহিকতায় জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানার আধুনিকায়নে মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানা বিশ্বমানে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছি। বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব এগিয়ে যাওয়ার গতির সাথে আমরাও সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলেছি। আমরা চিড়িয়াখানা দেখতে দুবাই, সিঙ্গাপুর, হংকং কিংবা বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় যাব না। বিশ্বের অন্যান্য প্রান্ত থেকে মানুষ আসবে বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা দেখতে। পরিকল্পিতভাবে ও পরিবেশসম্মত উপায়ে চিড়িয়াখানার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে”।

 

বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ বিশ্বের বিস্ময় উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, “এ উন্নয়নের কারিগর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় উন্নয়নের প্রশ্নে বিস্ময়কর সাফল্য শেখ হাসিনা দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর আগ্রহ ও নির্দেশনায় আধুনিক চিড়িয়াখানা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পৃথিবীর সাথে সঙ্গতি রেখে, প্রকৃতিকে ধ্বংস না করে, প্রাণীকূলকে কষ্ট না দিয়ে, প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি করে কীভাবে চিড়িয়াখানাকে আধুনিক করা যায়, সে লক্ষ্যে আমরা মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছি। আমরা প্রত্যাশা করছি আমাদের চিড়িয়াখানার মহাপরিকল্পনা সিঙ্গাপুর চিড়িয়াখানার চেয়ে উন্নত হবে। চিড়িয়াখানার উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামগ্রিক উন্নয়নের একটি চিত্র”।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “চিড়িয়াখানার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমরা দীর্ঘ সময় নিতে চাই না। স্বল্প সময়ে আমরা লক্ষ্যে পৌঁছাতে চাই। আন্তর্জাতিক পরিসরে আমাদেরকে সকল ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে হবে”।

“মহাপরিকল্পনায় আমাদের লক্ষ্য থাকবে বৃক্ষ নিধন নয় বরং বৃক্ষ স্থানান্তর করে সাফারি পার্কের আদলে প্রাণীদের জন্য উন্মুক্ত এলাকা তৈরি করা। চিড়িয়াখানায় আমরা সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করতে চাই। সৌন্দর্যের বিকাশ ও আধুনিকায়ন আমরা একই স্থানে নিয়ে আসতে চাই। যাতে চিড়িয়াখানায় এসে দর্শনার্থীরা প্রকৃতির মাঝে থাকার অনুভূতি পান। শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলের জন্য সময়োপযোগী, বিশ্বমানের প্রাকৃতিক সবকিছু আমরা একটি জায়গায় নিয়ে আসতে চাই। সে লক্ষ্যেই আমরা মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করছি। আমরা শুধু মহাপরিকল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এর আলোকে জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানাকে আধুনিক, উন্নত ও বিশ্বমানে পরিণত করতে যাচ্ছি”-যোগ করেন মন্ত্রী।

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিবেশ ও বিদ্যমান অবকাঠামো উন্নয়নের কথাও এ সময় জানান মন্ত্রী। বর্তমানে চিড়িয়াখানায় স্বাস্থ্যকর, পরিবেশসম্মত ও পরিচ্ছন্ন অবস্থা বিরাজ করছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী আরো বলেন, “বিশ্বের বিস্ময় বাংলাদেশ। সেই বিস্ময়ের ছোট একটি অংশ হবে দৃষ্টিনন্দন, প্রাকৃতিক পরিবেশসম্মত, স্বাস্থ্যসম্মত ও আধুনিক জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানা”।

প্রণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তৌফিকুল আরিফ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মো. আব্দুল লতীফ। চিড়িয়াখানার মহাপরিকল্পনার রূপরেখা উপস্থাপন করেন সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বার্নার্ড হ্যারিসন এন্ড ফ্রেন্ডস লিমিটেডের টিম লিডার ও আন্তর্জাতিক চিড়িয়াখানা বিশেষজ্ঞ বার্নার্ড হ্যারিসন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম ফেরদৌস আলম, আন্তর্জাতিক চিড়িয়াখানা বিশেষজ্ঞ ড. রেজা খান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, চিড়িয়াখানা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৩, ২০২১ ৯:৩৫ অপরাহ্ন
বিএলআরআই-এ ২০২১-২০২২ অর্থবছরের গবেষণা প্রকল্পসমূহের মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এর ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত গবেষণা প্রকল্পসমূহের মূল্যায়ন অদ্য ১৩/১১/২১ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। এবারের অর্থবছরের জন্য পাঁচটি গবেষণা ক্ষেত্রে মোট ৭৫ (পচাত্তর) গবেষণা প্রকল্পের প্রস্তাবনা উত্থাপন করা হয়।
সকাল ১০.০০ ঘটিকায় প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে প্রকল্পসমূহের মূল্যায়ন সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির সভা শুরু হয়। সভায় বিশেষজ্ঞ সদস্যগণেন সাথে সাথে ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ ও প্রকল্প পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভার শুরুতেই সবাইকে স্বাগত জানান ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা এবং প্রযুক্তি পরীক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং পরিচালক (গবেষণা) ড. সরদার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। এসময় তিনি এই অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পসমূহের শ্রেণিভিত্তিক পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেন।
উক্ত সভায় সভাপতিত্বে করেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল মহোদয়। এসময় তিনি সকলকে সভায় উপস্থিত হবার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং প্রকল্পসমূহ মূল্যায়নের বিষয়ে কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞদের প্রতি অনুরোধ জানান।
এরপর বিশেষজ্ঞ সদস্যরা একে একে নিজেদের মতামত উপস্থাপন করেন এবং গবেষকদের প্রতি বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। এসময় আউটপুট-আউটকাম-ইমপ্যাক্ট বিবেচনায় নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা, সুষ্ঠুভাবে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইনস্টিটিউশনাল ও ইনডিভিজুয়াল রিসার্চ ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা, তারা খামারীদের চাহিদা মাথায় নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা, রপ্তানিমুখী পণ্য উৎপাদনের জন্য আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসরণ করে গবেষণা পরবচালনা করা, গবেষকদের জন্য পর্যাপ্ত ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।
২০২১-২০২২ অর্থবছরের জন্য বায়োটেকনোলজি, অ্যানিমেল প্রোডাক্ট প্রোসেসিং এন্ড ভ্যালু অ্যাডিশন, এনভায়রনমেন্ট এন্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স এবং ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক গবেষণা ক্ষেত্রে ১৪টি প্রকল্প; অ্যানিমেল এন্ড পোল্ট্রি ব্রিডিং এন্ড জেনেটিকস বিষয়ক গবেষণা ক্ষেত্রে ২৩টি প্রকল্প; ফিডস, ফডার এন্ড নিউট্রিশন বিষয়ক গবেষণা ক্ষেত্রে ১৭টি প্রকল্প; অ্যানিমেল এন্ড পোল্ট্রি ডিজিজ এন্ড হেলথ, ভ্যাকসিন, বায়োলজিকস এন্ড কিটস/টুলস বিষয়ক গবেষণা ক্ষেত্রে ১৩টি প্রকল্প এবং সোশিও-ইকোনোমিকস এন্ড ফার্মিং সিস্টেম বিষয়ক গবেষণা ক্ষেত্রে ৮টি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়।
গবেষণা ক্ষেত্রগুলোতে বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে প্রকল্প মূল্যায়ন কার্যক্রমে অংশ নেন ড. তালুকদার নুরুন্নাহার, প্রাক্তন মহাপরিচালক, বিএলআরআই; প্রফেসর ড. ইয়াহিয়া খন্দকার, পশু প্রজনন ও কৌলিবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; প্রফেসর ড. ফজলুল হক ভূঁইয়া, পশু প্রজনন ও কৌলিবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; ড. কাজী ইমদাদুল হক, প্রাক্তন মহাপরিচালক, বিএলআরআই; প্রফেসর ড. মোঃ আলী আকবর, প্রাক্তন উপাচার্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; ড. শরীফ আহম্মেদ চৌধুরী, মহাব্যবস্থাপক, পিকেএসএফ; প্রফেসর ড. সুবাশ চন্দ্র দাস, পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; ড. মোঃ গিয়াসউদ্দিন, মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পিআরএল), বিএলআরআই; প্রফেসর ড. মোঃ বাহানুর রহমান, মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, প্রাক্তন মহাপরিচালক, বিএলআরআই; ড. মোঃ মোশাররফ উদ্দিন মোল্লা, সদস্য পরিচালক, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এবং ড. মোঃ আব্দুর রশীদ, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, কৃষি অর্থনীতি বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৭, ২০২১ ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
‘বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু’ রাজশাহীর মাফিন
প্রাণিসম্পদ

সাভারের রানি নামে গরুর পর এবার রাজশাহীতে ‘বিশ্বের সবচেয়ে ছোট’ জীবিত গরু পাওয়া গেছে বলে দাবি উঠেছে। গরুটির মালিক আরাফাত রুবেল এর নাম দিয়েছেন মাফিন। রাজশাহী মহানগরীর রামচন্দ্রপুর কালুমিস্ত্রির মোড়ে নিজ বাড়িতেই রেখেছেন গরুটি। গরুটিকে দেখার জন্য অনেকেই এখন রুবেলের বাড়িতে ভিড় করছেন।

বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে সম্প্রতি পরিচিতি পায় সাভারের রানি। ২০ ইঞ্চি উচ্চতার রানি মারা যাওয়ার পর বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে তার নাম উঠে। রানির ওজন ছিল ২৬ কেজি। এর মৃত্যুর পর গাজীপুরের শ্রীপুরে ‘টুনটুনি’ নামে ২৪ ইঞ্চির একটি গরু পাওয়া যায়। এর ওজন ২২ কেজি, লম্বায় ৩৩ ইঞ্চি। তবে টুনটুনির বয়স ১৪ মাস। দাঁতও উঠেনি। ফলে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে টুনটুনির উচ্চতা বাড়ার সম্ভাবনা আছে।

আরাফাত রুবেল জানান, রানি ছিল মেয়ে গরু। সেটি এরমধ্যে মারা গেছে। এদিকে তার মাফিন ষাঁড়। এর উচ্চতা সাড়ে ২৩ ইঞ্চি। দুই দাঁতের প্রাপ্তবয়স্ক মাফিন লম্বায় ২৮ ইঞ্চি। ওজন ১৮ কেজি। বয়স দুই বছরের বেশি হওয়ায় দুটি দাঁত উঠেছে। এর আর বড় হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সে হিসেবে দেশ এবং বিশ্বের সন্ধানপ্রাপ্ত সবচেয়ে ছোট গরু এখন মাফিন।

রুবেল জানান, রানি মারা যাওয়ার পর তিনি এ ধরনের ছোট গরু খুঁজছিলেন। সপ্তাহখানেক আগে জুয়েল রানা নামে এক ব্যক্তি সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে এই গরুটি ঢাকার গাবতলী হাটে তোলেন। তার কাছ থেকে গরুটি তিনি ২৫ হাজার টাকায় কিনে নেন। এরপর তিনি গরুটির নাম রাখেন মাফিন।

গিনেস রেকর্ডের তথ্য অনুসারে, ২০১৫ সালে ভারতের কেরালা রাজ্যে পাওয়া ‘মানিক্যাম’ নামে গরুর উচ্চতা ছিল ২৪ ইঞ্চি। ওজন ছিল ৪০ কেজি। বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে গিনেজ বুকে স্বীকৃতি পেয়েছিল এটি। এরপরই মানিক্যামের রেকর্ড ভেঙে সবচেয়ে ছোট গরুর তালিকায় উঠে রানির নাম।

আরাফাত রুবেল বলেন, হিসেবে অনুযায়ী জীবিত গরুর মধ্যে এখন বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মাফিন। গিনেস বুকে নাম উঠতে হলে গরুটিকে অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। আমার গরুটি প্রাপ্তবয়স্ক। তাই সবচেয়ে ছোট গরুর স্বীকৃতি দিতে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আমি গিনেস কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করব।

শনিবার সকালে মাফিনকে দেখতে রুবেলের বাড়িতে এসেছিলেন মহানগর প্রাণিসম্পদ দপ্তরের (বোয়ালিয়া) উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফজলে রাব্বী। তিনি বলেন, মাফিন প্রাপ্তবয়স্ক এবং পুরোপুরি সুস্থ্য একটি গরু। এটা বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু কি-না, তা বলতে পারব না। তবে গরুটা ছোটই আছে। জেনেটিক কারণে গরুটি ছোট বা বেটে আকৃতির।

আরাফাত রুবেল এও বলেন, গরুটি বিক্রির কোনো চিন্তা নেই। তবে রাজশাহীর শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ চাইলে বিনামূল্যে এটি দান করব। তবে দাতা হিসেবে আমার নাম লেখা থাকতে হবে। এছাড়া যদি প্রাণিসম্পদ বিভাগ গবেষণার জন্য চায়, তাদেরও দিয়ে দেব।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৬, ২০২১ ৭:৪৭ অপরাহ্ন
সমবায়ের নামে হয়রানি করলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সমবায়ের নামে অসহায় মানুষদের হয়রানি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (৬ নভেম্বর) পিরোজপুরের নেছারাবাদে জাতীয় সমবায় দিবস ২০২১ উপলক্ষে নেছারাবাদ উপজেলা সমবায় বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধুর দর্শন, সমবায়ে উন্নয়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লক্ষ্য ছিল যৌথ মালিকানা ও যৌথ নেতৃত্ব। সে কারণে তিনি সমবায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা চালু করতে চেয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন রাষ্ট্রের সম্পত্তি হবে সকলের। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষক, জেলে, শ্রমিক এবং খেটে খাওয়া মানুষদের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। সে লক্ষ্যেই বঙ্গবন্ধু সমবায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার কথা বলেছিলেন এবং সমবায়ভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থা কায়েম হয় বাংলাদেশে। সমাজে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থা আনার জন্য বঙ্গবন্ধুর যে লক্ষ্য ছিল সেটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে আবার মেহনতি মানুষ, কৃষক, শ্রমিক, জেলে ও খেটে খাওয়া মানুষের সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আবার কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন।

দেশে সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থা অনেক জোরদার উল্লেখ করে মন্ত্রী আরোওবলেন, দেশে সমবায়ভিত্তিক ব্যবস্থা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। তবে মাইক্রোক্রেডিটের নামে একটা শ্রেণি মানুষদের নিষ্পেষণ করছে, চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ নিচ্ছে। এদের জন্য নীতি-নিয়মের মধ্যে যে সব সমবায় প্রতিষ্ঠান কাজ করছে তাদের বদনাম হচ্ছে। এ বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে। বিধি ভঙ্গ করে মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে কেউ যেন নীল চাষিদের মতো অসহায় মানুষদের নির্যাতন করতে না পারে। সমবায়ের সুযোগ নিয়ে কেউ যেন এর অপব্যবহার না করে। সমবায় হোক আমাদের শক্তির একটি প্লাটফর্ম। সমবায় হোক দরিদ্র-অসহায় মানুষদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার একটি প্ল্যাটফর্ম।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, সমবায়ভিত্তিক মৎস্যজীবীদের সরকারিভাবে সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। সমবায় দল গঠন করে মৎস্য চাষ বা গবাদিপশু পালন করতে চাইলে রাষ্ট্র তাদের সহজশর্তে, স্বল্প সুদে ঋণ দিচ্ছে।

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হক, স্বরূপকাঠি পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম কবির, নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রনি দত্ত জয় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৬, ২০২১ ২:৪৫ অপরাহ্ন
প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সাথে বাফিটা নেতৃত্ববৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রাণিসম্পদ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয় ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগনের সাথে বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রিডিয়েন্টস ইম্পোটার্স এন্ড ট্রেডার্স এসোসিয়েশন (বাফিটা) এর কার্য্যনির্বাহী পরিষদের প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত।গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয় ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগনের সাথে বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রিডিয়েন্টস ইম্পোটার্স এন্ড ট্রেডার্স এসোসিয়েশন (বাফিটা) এর কার্য্যনির্বাহী পরিষদের প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত।


অদ্যকার নভেম্বর ০৩, ২০২১ খ্রিঃ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নব-নিযুক্ত মহাপরিচালক মহোদয় জনাব ডা: মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, পরিচালক (প্রশাসন) ডা: দেবাশীষ দাশ, পরিচালক (উৎপাদন) ডা: রেয়াজুল হক ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগনের সাথে বাফিটা’র পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় এবং কার্য্যনির্বাহী পরিষদের প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। মহাপরিচালক মহোদয় ও উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগনের সাথে প্রতিনিধিগণ শুভেচ্ছা বিনিময় ও প্রাণীজসম্পদ বিষয়ক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।

বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রিডিয়েন্টস ইম্পোটার্স এন্ড ট্রেডার্স এসোসিয়েশন এর কার্য্যনির্বাহী পরিষদের মহাসচিব জনাব হেলাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি জনাব আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মোঃ গিয়াস উদ্দিন খান, উপদেষ্টামন্ডলী জনাব এ.এম আমিরুল ইসলাম ও জনাব জয়ন্ত কুমার দেব সহ এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৪, ২০২১ ৫:০৪ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ খাতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরিতে কাজ করছে সরকার-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মোঃ ইফতেখার হোসেন বৃহস্পতিবার (০৪ নভেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এর সেমিনার হলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর আওতায় খামারিদের নিয়ে প্রডিউসার গ্রুপ গঠন ও সংহতকরণ সংক্রান্ত বিভাগীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) যৌথভাবে ঢাকা বিভাগে এ কর্মশালা আয়োজন করেছে।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার গ্রামীণ এলাকার উন্নয়নে কাজ করছে। এ জন্য সরকার প্রাণিসম্পদ খাতকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এ খাতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির মাধ্যমে সরকার উদ্যোক্তা সৃষ্টি করছে, যাতে তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। প্রাণিসম্পদ খাতে সম্পৃক্ত জনশক্তি দেশের উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরির জন্য সরকার কাজ শুরু করেছে”।

তিনি আরো বলেন, “প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ধারায় আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি তৈরির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হতদরিদ্র, বঞ্চিত ও উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার মানুষদের ভালো রাখার জন্য এ রাষ্ট্র ব্যবস্থা। এ রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রাণিসম্পদ খাতে সম্পৃক্তরা এক একজন কারিগর। এ খাতে সম্পৃক্তদের হতে হবে গ্রামীণ মানুষদের সহায়ক শক্তি। বাস্তব অভিজ্ঞতা ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রান্তিক মানুষদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। তৃণমূল মানুষদের দক্ষ জনশক্তিকে পরিণত করতে না পারলে জাতিকে সামনে এগিয়ে নেয়া যাবে না। আমাদের জনসংখ্যা বর্তমানে জনশক্তিতে পরিণত হয়েছে। আগামীর লক্ষ্য তৃণমূল মানুষদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করা। এভাবে আমরা টেকসই উন্নয়ন করতে চাই”।

তিনি আরো যোগ করেন, “প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প সারাবিশ্বে প্রাণিসম্পদ খাতের অন্যতম বড় প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে খামারিদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা হবে। বৈদেশিক অর্থায়নের এ প্রকল্পের অর্থ যাতে অপব্যবহার না হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ মেধার ব্যবহার করতে হবে”।

প্রাণিসম্পদ খাতে অপার সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, “প্রাণিসম্পদ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসায় বেকাররা কর্মোদ্যক্তা হচ্ছে। গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে। পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে। বিদেশে মাংস রফতানির সুযোগ এসেছে”।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব সুবোল বোস মনি কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফএও’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি. সিম্পসন এবং বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এগ্রিকালচার স্পেশালিস্ট ক্রিস্টিয়ান বার্জার। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সহকারী এফএও প্রতিনিধি নূর আহমেদ খন্দকার। এলডিডিপি প্রকল্প নিয়ে উপস্থাপন করেন প্রকল্পের চিফ টেকনিক্যাল কোঅর্ডিনেটর ড. গোলাম রাব্বানী। অন্যান্যের মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার বক্তব্য প্রদান করেন ।

উল্লেখ্য, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬১টি জেলায় গাভীর ৩ হাজার ৩৩৪টি, গরু মোটাতাজাকরণের ৬৬৬টি, ছাগল ও ভেড়ার ৫০০টি এবং দেশি মুরগির ১ হাজারসহ মোট ৫ হাজার ৫০০টি প্রডিউসার গ্রুপ গঠন ও সংহতকরণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এ প্রডিউসার গ্রুপসমূহে ১ লাখ ৬৫ হাজার পরিবার সংযুক্ত হবে। এর মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ খাতের প্রান্তিক খামারিদের বিভিন্ন ভেল্যু চেইনভিত্তিক প্রডিউসার গ্রপে যুক্ত করে তাদেরকে জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত, বাজারজাতকরণ, ঋণ ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। পাশাপাশি তারা যাতে এ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী হয় সে বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২, ২০২১ ২:২২ অপরাহ্ন
কৃষিপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি করতে ইউরোপ সফরে যাচ্ছেন কৃষিমন্ত্রী-শীর্ষ ব্যবসায়ীগণ
কৃষি বিভাগ

ইউরোপের বাজারে কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে কৃষিমন্ত্রীর নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য (ইউকে) ও নেদারল্যান্ড সফরে যাচ্ছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীসহ ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত বরার্ট চ্যাটারসন ডিকশনের সঙ্গে বৈঠকের পর কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ এক সময় খাদ্য ঘাটতির দেশ ছিল। এখন আমাদের প্রধান খাদ্য ভাতে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। আমাদের শাক-সবজি ফলমূল, তেল-ডাল, পেঁয়াজ সব কিছুরই উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা এখন চিন্তা করছি কৃষকের আয় কিভাবে বাড়ানো যায়। সেটি করতে হলে আমাদের বাণিজ্যিক কৃষিতে যেতে হবে। বাণিজ্যিক কৃষিতে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় তুলনামূলকভাবে কম।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শাক-সবজি ও ফলমূলের উৎপাদন বেড়েছে তাই এগুলো রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। আমরা কিছু কিছু রপ্তানি করি যুক্তরাজ্য ও মধ্যপ্রাচ্যে, সেখানে বাঙালি যারা কাজ করে তাদের জন্য। আমরা চাচ্ছি ইউরোপীয় দেশে উন্নত দেশের মূল মার্কেটে যাওয়ার জন্য।’

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এজন্য আমার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নেদারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যে (ইউকে) যাচ্ছে। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহসান খান চৌধুরী, ফ্রেস গ্রুপের মোস্তফা কামাল, এসিআইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এফ এইচ আনসারী এবং বাংলাদেশ ফ্রুটস, ভেজিটেবল অ্যান্ড অ্যালাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন প্রতিনিধিদলে থাকছেন। লিডিং বিজনেস হাউজগুলোর প্রায় সবাই যাচ্ছেন।’

এছাড়া প্রতিনিধিদলে সরকারি কর্মকর্তারা থাকবেন বলে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।

১২ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি আগামী ৯ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত দুটি দেশ সফর করবে বলেও জানান কৃষিমন্ত্রী।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘এই সফরের বিষয়ে…ইউকেতে আমরা কোন ধরনের কর্মসূচি করবো, কাদের সঙ্গে দেখা করবো… আমরা চাচ্ছি বড় বড় কোম্পানির সিওদের সঙ্গে, পরিবেশ ও কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এবং তাদের সঙ্গে একটা লিংকেজ সৃষ্টি করতে। যাতে আমরা রপ্তানি বাড়াতে পারবো।’

‘এটা নিয়ে আলোচনা (রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে) করেছি, উনি আমাদের সহযোগিতা করবেন। যাতে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের অন্যান্য দেশে রপ্তানি করতে পারি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি রপ্তানি বাড়াতে পারি, তবে আমাদের কৃষকদের আয়ও বাড়বে। স্থানীয় বাজারেও মানুষের কেনার ক্ষমতা বাড়বে।’

তিনি বলেন, ‘পোল্ট্রি বা দুধ একটু বেশি উপাদন হলেই আর বেচতে পারে না। ডিমেও এই রকম। মানুষের আয় বাড়া দরকার। এটা কোনভাবেই স্থানীয় মার্কেটে হবে না। ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড যেভাবে…ভিয়েতনাম ৪০ বিলিয়ন ডলার আয় করে শুধু কৃষিপণ্য রপ্তানি করে।’

‘মানের বিষয়েও আমরা যাচ্ছি। ইউরোপীয় স্ট্যান্ডার্ডের ক্ষেত্রে কী কী রিকয়ারমেন্ট, গুড এগ্রিকালচার প্র্যাকটিসেস, অ্যাক্রেডিটেড ল্যাবের সার্টিফিকেট। মানুষের নিরাপদ খাদ্য খুবই স্পর্শকাতর একটি বিষয়। আমরা কিভাবে নিরাপদ খাদ্য দিতে পারি, সেগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।’

বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের কারিগরি সহযোগিতা চায় জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা চাই। ফান্ডিং সাপোর্ট এখন চাচ্ছি না। ইনশাআল্লাহ আমাদের ফান্ড আছে। এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিও আমরা সেটআপ করতে পারবো। কিন্তু কারিগরি সহযোগিতা দরকার। এই ব্যাপারেই সহযোগিতা চেয়েছি। সে আমাদের বলেছে, কারিগরি ক্ষেত্রে সব ধরনের সহযোগিতা তারা দেবেন।’

‘পূর্বাচলে একটি প্যাকেজিং প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রধানমন্ত্রী ২ একর জমি দিয়েছেন। সেখানে আমরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অ্যাক্রেডিটেড ল্যাব করবো, যেখান থেকে আমাদের কৃষিপণ্য সার্টিফাইড করা হবে। সেখানে প্যাকেজিং করে বিভিন্ন পণ্যের জন্য আলাদা আলাদা কোল্ড স্টোরেজ থাকবে। সেখানে থেকে পণ্য এয়াপোর্টে চলে যাবে। এজন্য তাদের ল্যাবগুলো দেখার জন্য যাচ্ছি এবং লিংকেজ করা, আমরাও কিভাবে করতে পারি।’

জলবায়ু সম্মেলন নিয়ে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী গতকাল তাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন। সেগুলো নিয়েও কিছু বলেছেন যে, বাংলাদেশের একটি বিরাট ভূমিকা রয়েছে। ৪৯টি দেশের লিডার হিসেবে বাংলাদেশ কাজ করছে। আমরা প্রশংসা করি, এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্য যেভাবে কপ২৬ আয়োজন করেছে। গ্লোবাল লেভেল পার্টিসিপেশন ভালো। ভালো আলোচনা হচ্ছে। আমরা আশা করি, একটা ভালো ফলাফল  পাবো।’

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop