১০:০১ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৩ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ২৫, ২০২১ ২:০০ অপরাহ্ন
বাছুরের দাম ২ লাখ টাকা!
প্রাণিসম্পদ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় একটি গরুর বাছুর ২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। নেপালি জাতের গরুর বাছুরটি বিক্রি করে রীতিমতো সাড়া ফেলেছেন দামুড়হুদা উপজেলার বয়রা গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা লাল্টু মল্লিক।

তিনি একই গ্রামের জিয়ারত মল্লিকের ছেলে। এতো দামে গরুর বাছুর বিক্রির ঘটনায় এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বাছুরটি দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন এলাকাবাসী।

তরুণ উদ্যোক্তা লাল্টু মল্লিক জানান, আমি চাষি মানুষ। গত ২০ বছর ধরে নেপালি জাতের একটি গাভি লালন-পালন করছি। পরে গাভিটি একটি বাছুর প্রসব করে। এটি তৃতীয়তম বাছুর। বর্তমানে বাছুরের বয়স সাড়ে তিন মাস। গত শনিবার ২ লাখ টাকায় কেনেন পার্শ্ববর্তী চাঁদপুর গ্রামের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম। বাছুরটি আমার বাড়িতেই আছে, মায়ের (গাভির) দুধ পান করছে। তাই ১ মাস পর আমার কাছ থেকে নিবেন ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর।

তিনি আরও জানান, সাড়ে তিন মাস বয়সী এঁড়ে বাছুরটি ২ লাখ টাকায় বিক্রির বিষয়টি এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি জানার পর থেকে আমার বাড়িতে বাছুরটি দেখতে আসছেন এলাকার মানুষ। এখন ওর (বাছুর) দাম আরও বেশি হাঁকানো হচ্ছে। যেহেতু আমি বিক্রি করে ফেলেছি তাই আর নতুন করে বিক্রি করা সম্ভব নয়।

চাঁদপুর গ্রামের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম জানান, বাছুরটি দেখতে খুব চমৎকার। আমার খুব পছন্দ। বিদেশি জাতের হওয়ায় দাম বেশি হলেও কিনেছি। এখন গাভির দুধ খাচ্ছে। তাই কিছুদিন পর বাড়ি নিয়ে আসবো।

দামুড়হুদা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান জানান, তরুণ উদ্যোক্তা লাল্টুর সাফল্যের কথা আমি শুনেছি। খামার উন্নয়নে তাকে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে। তার মতো কেউ যদি গরুর খামার করতে চায় তাহলে তাকেও উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে সহযোগিতা করা হবে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২১ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
হাঁসের খামারে ভাগ্য বদল লতিফা ও হামিদ দম্পতির
প্রাণিসম্পদ

দৃঢ় মনোবল, কঠোর পরিশ্রম আর সঠিকভাবে পরিচর্যা করে অল্প পুঁজিতে দেশীয় পদ্ধতিতে হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী লতিফা ও হামিদ দম্পতি। এতে দুঃখের সংসারে ফিরেছে সুখের দিন। ১১ বছরের ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর বিরামহীন শ্রমে হাঁসের খামারটি আজ সফলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এলাকার সবার কাছে অনুকরণীয় মডেল দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আবদুল হামিদ ও লতিফা বেগম দম্পতি।

এই দম্পতির সফলতা দেখে অনেকেই তাদের কাছে পরামর্শ নিতে ও খামার দেখতে ছুটে আসছেন।

আবদুল হামিদ তার স্ত্রী লতিফা বেগমের অনুপ্রেরণায় ১১ বছর আগে আত্রাই নদীর কোল ঘেঁষে মাত্র ২৫টি বাচ্চা দিয়ে হাঁসের খামার শুরু করেন। এই উদ্যোগে সার্বক্ষণিক পাশে থাকেন স্ত্রী লতিফা। প্রতি বছরের মতো গত ছয়-সাত মাস আগে ২০ হাজার টাকা দিয়ে ১ হাজার হাঁসের বাচ্চা পালন শুরু করেন। সময়ের পরিক্রমায় এখন খামারে হাঁসের সংখ্যা প্রায় ৩০০টি। গত তিন-চার মাস থেকে তাদের খামারে দৈনিক ডিম উৎপাদন হচ্ছে ১০০টি। সেটি থেকেই প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা আয় হয়। এটি থেকে হাঁসের খাবার ও পরিচর্যা বাবদ ব্যয় হয় ১০-১৫ হাজার টাকা।

আবদুল হামিদ ও লতিফা দম্পতি জানান, তাদের দুজনের সময় ও শ্রমে এখন পর্যন্ত পুরনো সব ঋণ পরিশোধ, ইটের পাকা বাড়ি ও কিছু জমি ক্রয় করে এখন সুখের দিন ফিরেছে। গৃহবধূ লতিফা বেগম বলেন, পুরনো অভিজ্ঞতা ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খামার গড়েছি। যার ফলে অল্প পুঁজি ব্যয়ে লাভবান হয়েছি। আবদুল হামিদ বলেন, স্ত্রীর সাহস ও শ্রমের মাধ্যমে খামারটি আজ বড় আকারে হয়েছে। খামার থেকে সংসার যেমন আলোকিত তেমনি আর্থিক সচ্ছলতা ফিরেছে।

এ ব্যাপারে খানসামা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, হামিদা-লতিফা দম্পতির হাঁসের খামার নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। সফল এই খামার দেখে অনেকে খামার গড়তে আগ্রহী হবে সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। খামারিদের যে কোনো সমস্যা ও প্রয়োজনে চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২১, ২০২১ ৫:১৫ অপরাহ্ন
সিকৃবিতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স উপর সেমিনার অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

‘হোক সচেতনতার বিস্তার, চাই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স থেকে নিস্তার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) পালিত হয়েছে বিশ্ব এন্টিম্যাক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ ২০২১।গত  শনিবার সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সম্মেলন কক্ষে  এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শাহ জাহান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর  ড.  মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান সিকদার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মোঃ রুস্তম অালী, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার,সিলেট; ডাঃ প্রেমানন্দ মন্ডল, সিভিল সার্জন,সিলেট; সিকৃবির জীবপ্রযুক্তি ও জিনপ্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ডঃ মোঃ মেহেদী হাসান খান ।এছাড়া আরো উপস্থিত অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়ক ও সিকৃবির মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ সুলতান আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকমন্ডলী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষকবৃন্দ, এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর প্রফেসর  ড.  মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান সিকদার, জাতীয় টেকনিক্যাল এডভাইজার,ওয়ান হেলথ।

এসময় বক্তারা বলেন, সারা বিশ্বে অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল রেসিসট্যান্স একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। জীবাণুসমূহ অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেই চলছে। জীবাণুগুলো অনেক রকম অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি প্রতিরোধী হয়ে পড়েছে। ফলে কম বা বেশি দামি সব ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রমণ চিকিৎসায় অকার্যকর হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এতে করে এ ধরনের রোগজীবাণু ব্যক্তির জন্য প্রাণঘাতী হওয়া ছাড়াও সমাজে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করতে পারে। তাই এ সংক্রান্ত সচেতনতা তৈরির বিকল্প নেই।

বিশেষজ্ঞদের মত চিকিৎসক ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা ঠিক নয়। এটির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ক্ষতিকর। অ্যান্টিবায়োটিক ঠান্ডা বা ভাইরাসজনিত রোগে কোনো কাজ করে না। যদি ভাইরাসজনিত রোগে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হয়, তবে বিপজ্জনক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। এ ধরনের চিকিৎসা চলতে থাকলে অর্থাৎ অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার যথার্থ না হলে এমন একটা সময় আসবে যখন ব্যাকটেরিয়াকে মারা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

ড.  মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান সিকদার বলছেন, দেশে রোগীরা ওষুধের দোকান থেকে মুখস্থ অ্যান্টিবায়োটিক কিনে নিয়মবহির্ভূতভাবে সেবন করে থাকেন। ফলে ওষুধটির যথার্থ প্রয়োগ না হওয়ায় জীবাণুগুলো ধীরে ধীরে রেজিসট্যান্স হয়ে পড়ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোনো ওষুধ কিনতে হলে চিকিৎসককের পরামর্শপত্র দেখাতে হয়। চিকিৎসক ছাড়া অন্য কারও ওষুধ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। কিন্তু দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা অন্য ওষুধের সঙ্গে এর কোনো ইন্টারঅ্যাকশন আছে কি না তা সাধারণ জনগণের অজানা। অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে গিয়ে অনেকে অন্যান্য সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই সচেতনতা খুবই জরুরি। ওষুধটির এবং বিস্তার এড়াতে সাধারণ জনগণ, ভেটেরিনারিয়ান, স্বাস্থ্যকর্মী এবং নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সেরা অনুশীলনকে উৎসাহিত করা দরকার।

উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা এন্টিবায়োটিকের যথাযথ ব্যবহারের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন এবং এন্টিম্যাক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এর কুফল সর্ম্পকে জনগণকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের পাঠ্যসূচীতে এন্টিম্যাক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স  সংযুক্ত করার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৯, ২০২১ ১২:০৪ অপরাহ্ন
গবাদি পশু পালনে স্বাবলম্বী হচ্ছেন শতাধিক নারী
প্রাণিসম্পদ

গাইবান্ধার দুর্যোগ কবলিত যমুনা নদীর বালুচরে এখন ভেড়া পালন করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চরের নারীরা। উন্নত জাত, দুর্যোগ সহনীয় ও প্রজনন ক্ষমতা বেশি হওয়ায় ভেড়া পালনে ঝুঁকে পড়েছেন চরের নারীরা। এতে সংসারের চাহিদা মিটিয়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছেন তারা।

মোল্লারচরের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান বলেন- গাইবান্ধার তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর বুকজুড়ে ১৬৫টি চর রয়েছে। গাইবান্ধার, ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জসহ চার উপজেলার এসব চরে অন্তত ৩ লাখ মানুষ বাস করে। বিশেষ করে তিস্তা সহ তিন নদীর দুর্গম চরাঞ্চল কাপাসিয়া, বেলকা, তারাপুর, হরিপুর। গাইবান্ধার মোল্লারচর, কামারজানি, এড়েন্ডাবাড়ী, উড়িয়া ও কঞ্চিপাড়া। সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া, কামালেরপাড়া, সাঘাটা সদরসহ অন্তত ১৩টি ইউনিয়ন দুর্গম চরাঞ্চল।

চরাঞ্চলের বাসিন্দা ও উপকারভোগী শিল্পী বেগম বলেন, এসব এলাকার প্রায় ৩ লাখ মানুষ তাদের জীবন-জীবিকা যাপনে চাষাবাদ ও গবাদি পশু সম্পদের উপর নির্ভর করে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৬, ২০২১ ১১:১১ অপরাহ্ন
সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেনের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি একাব্বর হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৬, ২০২১ ৩:২২ অপরাহ্ন
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের সংসদীয় কমিটিতে প্রাণ গোপাল দত্ত
প্রাণিসম্পদ

মঙ্গলবার সংসদে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে প্রধান হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী পাঁচটি এবং স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী একটি কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব তুললে সংসদ তা গ্রহণ করে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে একটি সদস্য পদ ফাঁকা ছিল। সেখানেই স্থান পেলেন প্রাণ গোপাল দত্ত ।

সাবেক ডেপুটি স্পিকার মো. আলী আশরাফের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে সংসদে এসেছেন এ চিকিৎসক।

সিরাজগঞ্জ-৬ থেকে নতুন নির্বাচিত মেরিনা জাহান কবিতার জায়গা হয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে। ওই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাসিবুর রহমান স্বপনের জায়গায় কবিতা কমিটিতে সদস্য পদ পেলেন।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের স্ত্রী সংরক্ষিত আসনের সদস্য শেরীফা কাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য হয়েছেন। দলটির প্রয়াত সংসদ সদস্য মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী ওই কমিটির সদস্য ছিলেন।

বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটির একটি পদ সদস্য ফাঁকা ছিল। সেখানে এসেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু।

১২ সদস্যের কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত কমিটির একটি সদস্য পদ ফাঁকা ছিল। জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সেখানে সদস্য হয়েছেন।

স্পিকার শিরীন শারমিন পিটিশন কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব করেন। ফাঁকা একটি সদস্য পদ থাকায় সেখানে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের সুবিদ আলী ভূঁইয়াকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৬, ২০২১ ১:৫৯ অপরাহ্ন
ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন ফরিদপুরের দুগ্ধ খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

করোনার প্রকোপে দুর্দশা কাটিয়ে আবারও স্বাবলম্বী হতে শুরু করেছে ফরিদপুরের দুগ্ধ খামারিরা। টানা দুই বছর লোকসানে থাকার পর এবার ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তারা।

আর ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রণোদনাসহ সব ধরনের সহযোগিতার কথা জানান জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।

করোনাকালীন প্রায় দুই বছরে বন্ধের মুখে পড়ে ফরিদপুরের অনেক দুগ্ধ খামারিরা। সময় মতো দুধ বিক্রি করতে না পারা এবং গো খাদ্যের দাম বৃদ্ধিসহ নানা সংকটে ঋণগ্রস্ত বেশিরভাগ খামারি।

মহামারী কমে আসায় আবারও ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছেন তারা। কাঙ্খিত দাম পাওয়ায় নতুন আশা আলো দেখছেন খামারিরা। তবে দুর্যোগপূর্ণ সময়ে দুধ সংরক্ষণের ব্যবস্থার দাবিও জানান তারা।

এদিকে করোনাকালীন সময়ে হারানো চাকরি ফিরে পেয়ে খুশি শ্রমিকেরা। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের লোকসান পুষিয়ে নিতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা।

ফরিদপুর জেলায় বর্তমানে ১০হাজার দুগ্ধ খামার রয়েছে, যা থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার লিটার দুধ উৎপাদিত হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৪, ২০২১ ৪:৪১ অপরাহ্ন
বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা বিশ্বমানে পৌঁছে যাচ্ছে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা বিশ্বমানে পৌঁছে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রবিবার (১৪ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানার আধুনিকায়নে মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত দুই দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন,”বাংলাদেশের সকল প্রতিষ্ঠানকে সরকার আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে চায়। এ ধারাবাহিকতায় জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানার আধুনিকায়নে মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানা বিশ্বমানে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় রয়েছি। বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব এগিয়ে যাওয়ার গতির সাথে আমরাও সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলেছি। আমরা চিড়িয়াখানা দেখতে দুবাই, সিঙ্গাপুর, হংকং কিংবা বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় যাব না। বিশ্বের অন্যান্য প্রান্ত থেকে মানুষ আসবে বাংলাদেশের চিড়িয়াখানা দেখতে। পরিকল্পিতভাবে ও পরিবেশসম্মত উপায়ে চিড়িয়াখানার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে”।

 

বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ বিশ্বের বিস্ময় উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, “এ উন্নয়নের কারিগর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় উন্নয়নের প্রশ্নে বিস্ময়কর সাফল্য শেখ হাসিনা দেখাতে সক্ষম হয়েছেন। তাঁর আগ্রহ ও নির্দেশনায় আধুনিক চিড়িয়াখানা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পৃথিবীর সাথে সঙ্গতি রেখে, প্রকৃতিকে ধ্বংস না করে, প্রাণীকূলকে কষ্ট না দিয়ে, প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টি করে কীভাবে চিড়িয়াখানাকে আধুনিক করা যায়, সে লক্ষ্যে আমরা মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছি। আমরা প্রত্যাশা করছি আমাদের চিড়িয়াখানার মহাপরিকল্পনা সিঙ্গাপুর চিড়িয়াখানার চেয়ে উন্নত হবে। চিড়িয়াখানার উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামগ্রিক উন্নয়নের একটি চিত্র”।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “চিড়িয়াখানার মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমরা দীর্ঘ সময় নিতে চাই না। স্বল্প সময়ে আমরা লক্ষ্যে পৌঁছাতে চাই। আন্তর্জাতিক পরিসরে আমাদেরকে সকল ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে হবে”।

“মহাপরিকল্পনায় আমাদের লক্ষ্য থাকবে বৃক্ষ নিধন নয় বরং বৃক্ষ স্থানান্তর করে সাফারি পার্কের আদলে প্রাণীদের জন্য উন্মুক্ত এলাকা তৈরি করা। চিড়িয়াখানায় আমরা সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করতে চাই। সৌন্দর্যের বিকাশ ও আধুনিকায়ন আমরা একই স্থানে নিয়ে আসতে চাই। যাতে চিড়িয়াখানায় এসে দর্শনার্থীরা প্রকৃতির মাঝে থাকার অনুভূতি পান। শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলের জন্য সময়োপযোগী, বিশ্বমানের প্রাকৃতিক সবকিছু আমরা একটি জায়গায় নিয়ে আসতে চাই। সে লক্ষ্যেই আমরা মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করছি। আমরা শুধু মহাপরিকল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এর আলোকে জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানাকে আধুনিক, উন্নত ও বিশ্বমানে পরিণত করতে যাচ্ছি”-যোগ করেন মন্ত্রী।

সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিবেশ ও বিদ্যমান অবকাঠামো উন্নয়নের কথাও এ সময় জানান মন্ত্রী। বর্তমানে চিড়িয়াখানায় স্বাস্থ্যকর, পরিবেশসম্মত ও পরিচ্ছন্ন অবস্থা বিরাজ করছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী আরো বলেন, “বিশ্বের বিস্ময় বাংলাদেশ। সেই বিস্ময়ের ছোট একটি অংশ হবে দৃষ্টিনন্দন, প্রাকৃতিক পরিবেশসম্মত, স্বাস্থ্যসম্মত ও আধুনিক জাতীয় চিড়িয়াখানা ও রংপুর চিড়িয়াখানা”।

প্রণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তৌফিকুল আরিফ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মো. আব্দুল লতীফ। চিড়িয়াখানার মহাপরিকল্পনার রূপরেখা উপস্থাপন করেন সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বার্নার্ড হ্যারিসন এন্ড ফ্রেন্ডস লিমিটেডের টিম লিডার ও আন্তর্জাতিক চিড়িয়াখানা বিশেষজ্ঞ বার্নার্ড হ্যারিসন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম ফেরদৌস আলম, আন্তর্জাতিক চিড়িয়াখানা বিশেষজ্ঞ ড. রেজা খান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, চিড়িয়াখানা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞগণ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৩, ২০২১ ৯:৩৫ অপরাহ্ন
বিএলআরআই-এ ২০২১-২০২২ অর্থবছরের গবেষণা প্রকল্পসমূহের মূল্যায়ন অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এর ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত গবেষণা প্রকল্পসমূহের মূল্যায়ন অদ্য ১৩/১১/২১ খ্রিঃ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। এবারের অর্থবছরের জন্য পাঁচটি গবেষণা ক্ষেত্রে মোট ৭৫ (পচাত্তর) গবেষণা প্রকল্পের প্রস্তাবনা উত্থাপন করা হয়।
সকাল ১০.০০ ঘটিকায় প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে প্রকল্পসমূহের মূল্যায়ন সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির সভা শুরু হয়। সভায় বিশেষজ্ঞ সদস্যগণেন সাথে সাথে ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ ও প্রকল্প পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন।
সভার শুরুতেই সবাইকে স্বাগত জানান ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা এবং প্রযুক্তি পরীক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং পরিচালক (গবেষণা) ড. সরদার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। এসময় তিনি এই অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পসমূহের শ্রেণিভিত্তিক পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেন।
উক্ত সভায় সভাপতিত্বে করেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল মহোদয়। এসময় তিনি সকলকে সভায় উপস্থিত হবার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং প্রকল্পসমূহ মূল্যায়নের বিষয়ে কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞদের প্রতি অনুরোধ জানান।
এরপর বিশেষজ্ঞ সদস্যরা একে একে নিজেদের মতামত উপস্থাপন করেন এবং গবেষকদের প্রতি বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। এসময় আউটপুট-আউটকাম-ইমপ্যাক্ট বিবেচনায় নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা, সুষ্ঠুভাবে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইনস্টিটিউশনাল ও ইনডিভিজুয়াল রিসার্চ ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা, তারা খামারীদের চাহিদা মাথায় নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করা, রপ্তানিমুখী পণ্য উৎপাদনের জন্য আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুসরণ করে গবেষণা পরবচালনা করা, গবেষকদের জন্য পর্যাপ্ত ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি নানা বিষয়ে আলোচনা করেন।
২০২১-২০২২ অর্থবছরের জন্য বায়োটেকনোলজি, অ্যানিমেল প্রোডাক্ট প্রোসেসিং এন্ড ভ্যালু অ্যাডিশন, এনভায়রনমেন্ট এন্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স এবং ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক গবেষণা ক্ষেত্রে ১৪টি প্রকল্প; অ্যানিমেল এন্ড পোল্ট্রি ব্রিডিং এন্ড জেনেটিকস বিষয়ক গবেষণা ক্ষেত্রে ২৩টি প্রকল্প; ফিডস, ফডার এন্ড নিউট্রিশন বিষয়ক গবেষণা ক্ষেত্রে ১৭টি প্রকল্প; অ্যানিমেল এন্ড পোল্ট্রি ডিজিজ এন্ড হেলথ, ভ্যাকসিন, বায়োলজিকস এন্ড কিটস/টুলস বিষয়ক গবেষণা ক্ষেত্রে ১৩টি প্রকল্প এবং সোশিও-ইকোনোমিকস এন্ড ফার্মিং সিস্টেম বিষয়ক গবেষণা ক্ষেত্রে ৮টি প্রকল্প প্রস্তাব করা হয়।
গবেষণা ক্ষেত্রগুলোতে বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে প্রকল্প মূল্যায়ন কার্যক্রমে অংশ নেন ড. তালুকদার নুরুন্নাহার, প্রাক্তন মহাপরিচালক, বিএলআরআই; প্রফেসর ড. ইয়াহিয়া খন্দকার, পশু প্রজনন ও কৌলিবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; প্রফেসর ড. ফজলুল হক ভূঁইয়া, পশু প্রজনন ও কৌলিবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; ড. কাজী ইমদাদুল হক, প্রাক্তন মহাপরিচালক, বিএলআরআই; প্রফেসর ড. মোঃ আলী আকবর, প্রাক্তন উপাচার্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; ড. শরীফ আহম্মেদ চৌধুরী, মহাব্যবস্থাপক, পিকেএসএফ; প্রফেসর ড. সুবাশ চন্দ্র দাস, পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; ড. মোঃ গিয়াসউদ্দিন, মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (পিআরএল), বিএলআরআই; প্রফেসর ড. মোঃ বাহানুর রহমান, মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, প্রাক্তন মহাপরিচালক, বিএলআরআই; ড. মোঃ মোশাররফ উদ্দিন মোল্লা, সদস্য পরিচালক, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল এবং ড. মোঃ আব্দুর রশীদ, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, কৃষি অর্থনীতি বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৭, ২০২১ ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
‘বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু’ রাজশাহীর মাফিন
প্রাণিসম্পদ

সাভারের রানি নামে গরুর পর এবার রাজশাহীতে ‘বিশ্বের সবচেয়ে ছোট’ জীবিত গরু পাওয়া গেছে বলে দাবি উঠেছে। গরুটির মালিক আরাফাত রুবেল এর নাম দিয়েছেন মাফিন। রাজশাহী মহানগরীর রামচন্দ্রপুর কালুমিস্ত্রির মোড়ে নিজ বাড়িতেই রেখেছেন গরুটি। গরুটিকে দেখার জন্য অনেকেই এখন রুবেলের বাড়িতে ভিড় করছেন।

বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে সম্প্রতি পরিচিতি পায় সাভারের রানি। ২০ ইঞ্চি উচ্চতার রানি মারা যাওয়ার পর বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে তার নাম উঠে। রানির ওজন ছিল ২৬ কেজি। এর মৃত্যুর পর গাজীপুরের শ্রীপুরে ‘টুনটুনি’ নামে ২৪ ইঞ্চির একটি গরু পাওয়া যায়। এর ওজন ২২ কেজি, লম্বায় ৩৩ ইঞ্চি। তবে টুনটুনির বয়স ১৪ মাস। দাঁতও উঠেনি। ফলে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে টুনটুনির উচ্চতা বাড়ার সম্ভাবনা আছে।

আরাফাত রুবেল জানান, রানি ছিল মেয়ে গরু। সেটি এরমধ্যে মারা গেছে। এদিকে তার মাফিন ষাঁড়। এর উচ্চতা সাড়ে ২৩ ইঞ্চি। দুই দাঁতের প্রাপ্তবয়স্ক মাফিন লম্বায় ২৮ ইঞ্চি। ওজন ১৮ কেজি। বয়স দুই বছরের বেশি হওয়ায় দুটি দাঁত উঠেছে। এর আর বড় হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সে হিসেবে দেশ এবং বিশ্বের সন্ধানপ্রাপ্ত সবচেয়ে ছোট গরু এখন মাফিন।

রুবেল জানান, রানি মারা যাওয়ার পর তিনি এ ধরনের ছোট গরু খুঁজছিলেন। সপ্তাহখানেক আগে জুয়েল রানা নামে এক ব্যক্তি সাতক্ষীরার কলারোয়া থেকে এই গরুটি ঢাকার গাবতলী হাটে তোলেন। তার কাছ থেকে গরুটি তিনি ২৫ হাজার টাকায় কিনে নেন। এরপর তিনি গরুটির নাম রাখেন মাফিন।

গিনেস রেকর্ডের তথ্য অনুসারে, ২০১৫ সালে ভারতের কেরালা রাজ্যে পাওয়া ‘মানিক্যাম’ নামে গরুর উচ্চতা ছিল ২৪ ইঞ্চি। ওজন ছিল ৪০ কেজি। বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে গিনেজ বুকে স্বীকৃতি পেয়েছিল এটি। এরপরই মানিক্যামের রেকর্ড ভেঙে সবচেয়ে ছোট গরুর তালিকায় উঠে রানির নাম।

আরাফাত রুবেল বলেন, হিসেবে অনুযায়ী জীবিত গরুর মধ্যে এখন বিশ্বের সবচেয়ে ছোট মাফিন। গিনেস বুকে নাম উঠতে হলে গরুটিকে অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে। আমার গরুটি প্রাপ্তবয়স্ক। তাই সবচেয়ে ছোট গরুর স্বীকৃতি দিতে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আমি গিনেস কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করব।

শনিবার সকালে মাফিনকে দেখতে রুবেলের বাড়িতে এসেছিলেন মহানগর প্রাণিসম্পদ দপ্তরের (বোয়ালিয়া) উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফজলে রাব্বী। তিনি বলেন, মাফিন প্রাপ্তবয়স্ক এবং পুরোপুরি সুস্থ্য একটি গরু। এটা বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু কি-না, তা বলতে পারব না। তবে গরুটা ছোটই আছে। জেনেটিক কারণে গরুটি ছোট বা বেটে আকৃতির।

আরাফাত রুবেল এও বলেন, গরুটি বিক্রির কোনো চিন্তা নেই। তবে রাজশাহীর শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ চাইলে বিনামূল্যে এটি দান করব। তবে দাতা হিসেবে আমার নাম লেখা থাকতে হবে। এছাড়া যদি প্রাণিসম্পদ বিভাগ গবেষণার জন্য চায়, তাদেরও দিয়ে দেব।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop