৭:৪৪ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২১ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
বিষাক্ত গো-খাদ্য খাওয়ানো হচ্ছে গরুকে
প্রাণিসম্পদ

গাজীপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে কারখানার পরিত্যক্ত বিষাক্ত তুলা। এতে খামারিরা সাময়িক লাভবান হলেও রোগাক্রান্ত হচ্ছে গবাদিপশু।

গাজীপুর সদরে পশুসম্পদ অফিস ও স্থানীয়রা জানায়, জেলায় সরকারি হিসাবে গবাদিপশু রয়েছে ২ লাখেরও বেশি। বিশেষ করে গাজীপুরে শিল্পায়নের ফলে কৃষিকাজ ও কৃষিজমি কমে যাওয়ায় গবাদিপশুর খাদ্যের সংকট দেখা দিলে তুলাকে বেছে নেয় গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে। এতে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠা গরুগুলো অসুস্থ হয়ে অনেক সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী গ্রামের গৃহবধূ জমিনা খাতুন বলেন, দিন দিন জমি কমে যাওয়ায় খড়ের অভাব পড়েছে। অপরদিকে গরু চড়ানোর জন্য মাঠ নেই। তবে তুলা এখন খুবই সহজলভ্য, তাই বাধ্য হয়ে গরুকে তুলা খাওয়াচ্ছি। এছাড়াও অনেকেই বলেছেন তুলাকে গরুর খাবার হিসেবে ব্যবহার করলে গরুর স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। ক্ষতি হয় তা আমাদের জানা ছিল না।

গাজীপুর সদর উপজেলার আলীমপাড়া গ্রামের কৃষক ইমান হোসাইন জানান, সম্প্রতি তার একটি গাভী অসুস্থ হয়ে খাবার খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিল। পরে পশু হাসপাতালের চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে গাভীর জিহ্বার নিচ থেকে তারের কুণ্ডলীর কিছু অংশ বের করে আনেন এবং গবাদিপশুর দেহের জন্য এসব তুলা ক্ষতিকর বলে জানান। তিনি খাবারের তালিকা থেকে তুলা বাদ দিতে পরামর্শ দেন।

পিরুজালী এলাকার তুলা ব্যবসায়ী জালাল উদ্দীন খান যুগান্তরকে বলেন, খামারিরা তুলা নেন তাই বিক্রি করি। আমি একা নই, এলাকার অনেকেই এসব বিষাক্ত তুলার ব্যবসা করছেন। পশুর জন্য ক্ষতিকর তা আমাদের জানা ছিল না।

গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সেলিম উল্লাহ খান যুগান্তর প্রতিবেদককে বলেন, পশুর একমাত্র সুষম খাদ্য ঘাস, আমরা ঘাস উৎপাদনে খামারিদের উৎসাহ দিয়ে থাকি। উপজেলায় প্রায় দেড়শ বিঘা জমিতে ঘাস চাষ হচ্ছে। তবে কারখানার পরিত্যক্ত তুলা গবাদিপশুর জন্য অখাদ্য। পশুর খাদ্যে এসব ব্যবহার করলে স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়বে এবং গবাদিপশুর মৃত্যুর ঝুঁকিও রয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাকী বলেন, যারা কারখানায় নষ্ট ও উচ্ছিষ্ট তুলা মজুদ ও বিক্রি করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র: যুগান্তর

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২২, ২০২১ ৮:৫০ অপরাহ্ন
দুর্যোগে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা সরকার সবকিছুই করবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

দুর্যোগে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা সরকার সবকিছুই করবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

রবিবার (২২ আগস্ট) পিরোজপুরের নেছারাবাদে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩৩ নম্বরে কল করে সাহায্য চাওয়া পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “আমাদের ইতিহাসে শেখ হাসিনার আমল স্বর্ণালী অধ্যায়। দেশের ইতিহাসে এতো ভালো রাষ্ট্র পরিচালনা আর কেউ করেন নি। তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, দেশের মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি মানুষের বিপদ-আপদ, অভাব-অনটন দূর করতে সহায়তা করছেন। একসঙ্গে দেশের উন্নয়ন, মানুষের উন্নয়ন, বিশ্বে বাংলাদেশ যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে, আমাদের সম্মান যাতে বৃদ্ধি পায় সে জন্য তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। করোনাসহ যে দুর্যোগই আসুক না কেনো, সবকিছু মোকাবিলা করে শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকে মানুষের জন্য যা কিছু দরকার আমরা তা পূরণ করবো”।

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, পিরোজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী রেবেকা খান ও নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হক। অনূষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পিরোজপূর জেলা পূজা উদাযাপন পরিষেদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মন্ত্রী পিরোজপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত নেছারাবাদ উপজেলায় চারতলাবিশিষ্ট আধুনিক ডাকবাংলো নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। পরে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে নেছারাবাদের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য নির্মিত গৃহ পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেব যোগ দেনে তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২২, ২০২১ ৫:৫১ অপরাহ্ন
সাতক্ষীরায় অস্বাভাবিক বাছুরের জন্ম
প্রাণিসম্পদ

সাতক্ষীরায় দুই মাথা বিশিষ্ট একটি অস্বাভাবিক বাছুর জন্ম হয়েছে। অদ্ভুত ওই বাছুরটি দেখতে উৎসুক জনতা ওই খামারে ভিড় করে। তবে জন্মের কিছুক্ষণ পরই বাছুরটি মারা যায় বলে জানিয়েছেন খামারের মালিক।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার আগরদাড়ী ইউনিয়নের ইন্দিরা গ্রামের একটি খামারে ওই বাছুরের জন্ম হয়।

খামারের মালিক আগড়দাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান জানান, দীর্ঘদিন ধরে খামারে ফ্রিজিয়ান জাতের গাভীটি লালনপালন করে আসছি। শনিবার সকালে গাভীটি একটি বাছুরের জন্ম দিয়েছে। তবে সেটি অস্বাভাবিক। বাছুরটি দুই মাথা বিশিষ্ট। জন্মের ২০ মিনিট পর বাছুরটি মারা যায়। বাছুরটি দেখার জন্য খামারে ভিড় লেগে গিয়েছিল।

এদিকে বাছুরটি দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় জমায় ওই খামারে। তাদের কেউ কেউ এ ঘটনাকে প্রকৃতির বিরুপ আচরণ বলে মনে করছেন।

ইন্দিরা গ্রামের গ্রামপুলিশ আবুল হাসান জানান, ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের খামারে দুই মাথা বিশিষ্ট একটি বাছুর জন্মেছিল; তবে সেটি জন্মের কিছু সময় পর মারা গেছে। এটি প্রকৃতির বিরুপ আচরণ বলে মনে হয়।

আগড়দাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজনুর রহমান জানান, ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি। এটি অস্বাভাবিক ঘটনা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২২, ২০২১ ৫:১৯ অপরাহ্ন
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদনে করণীয়
প্রাণিসম্পদ

গবাদিপশু দিয়ে লাভবান হওয়ার আশায় অনেকে খামার গড়ে তুলেছেন। গবাদিপশু তথা গরু পালনে লাভবান হওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে দুধ উৎপাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদনে যা জানা জরুরী তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই।

স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদন করবেন যেভাবে:
যথাসম্ভব কম লোক দিয়ে খামারের সকল গরুর দুধ দোহন করতে হবে। খামারের প্রবেশদ্বারে জীবানু নাশক সহ ফুটবাথ রাখতে হবে।
দুধ দোহনের পরে গাভীকে খাবার দিতে হবে, ফলে ওলান ফুলা রোগ বা ম্যাসটাইটিস হবার সম্ভবনা থাকবে না।

ম্যাসটাইটিস প্রতিরোধে নিয়মিত সিএমটি পরীক্ষা করা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। চিকিৎসা ও কৃত্রিম প্রজনন গুরুত্ব দেয়ার সাথে সাথে খামার ব্যবস্থাপনায় অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

বছরে ২-৩ বার সঠিক পরিমানে কৃমি নাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত সঠিক মাত্রায় টিকা প্রদান করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২১, ২০২১ ১০:৪৬ অপরাহ্ন
কুকুর মারতে বড়ভাইয়ের ছোড়া ইটের আঘাতে বোনের মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

যশোরের অভয়নগর উপজেলার পায়রা ইউনিয়নের সমশপুর গ্রামে কুকুর মারতে ছোড়া ইটের আঘাতে মারা পড়েছে ছোটবোন জাকিয়া খাতুন (১২)। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার সমশপুর গ্রামের ইলেকট্রিক মিস্ত্রি জিয়াউর রহমান গোলদারের বাড়িতে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

চিকিৎসা শেষে বাড়িতে নেওয়ার পর জাকিয়ার বমি শুরু হয়। সন্ধ্যার পর তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তার মৃত্যু হয়।

জানা যায়, জিয়াউর রহমান গোলদারের বড়ছেলে রাব্বি গোলদার (২০) বাড়িতে প্রবেশ করা একটি কুকুরকে মারতে ইটের খোয়া ছোড়ে মারেন। ইটের খোয়াটি কুকুরের গায়ে না গেলে ঘরের প্রাচীরে লাগার পর তা ছুটে গিয়ে পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা তার ছোটবোন জাকিয়া খাতুনের মাথায় লাগে। ইটের আঘাতে গুরুতর আহত হলে তাকে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিষয়টি সম্পর্কে পায়রা ইউপি চেয়ারম্যান বিষ্ণুপদ দত্ত জানান, কুকুর মারতে বড়ভাইয়ের ছোড়া ইটের আঘাতে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েটির মৃত্যু হয়েছে। অতি আদরের ছোটবোনের মৃত্যুতে বড়ভাই রাব্বি গোলদার পাগলপ্রায়; যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২১, ২০২১ ৬:০০ অপরাহ্ন
২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ‘৭৫ এর ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতা :প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ‘৭৫ এর ১৫ আগস্টের ঘটনার ধারাবাহিকতা। এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। আর ‘৭৫ এর ১৫ আগস্টের ঘটনা ছিল ১৯৭১ সালের বর্বরোচিত, নৃশংস ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ধারাবাহিকতা।”

শনিবার (২১ আগস্ট) পিরোজপুরের নেছারাবাদে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে নেছারাবাবাদ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন আয়োজিত শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, ” ‘৭১ সালে যারা আমাদের মা-বোনদের ধর্ষণ করেছে, বাড়ি-ঘর পুড়িয়েছে, ৩০ লাখ মানুষকে হত্যা করেছে, জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করেছে, দেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে তাদের লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ যাতে প্রতিষ্ঠিত না হয়। বঙ্গবন্ধুর অসীম সাহস এবং বীর মুক্তিযোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করার কারণে তারা সেদিন সফল হয়নি। কিন্তু তারা থেমে থাকেনি। ‘৭৫ এর এর ১৫ আগস্ট সেই চক্রই জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছে। তারা ভেবেছিল সব শেষ। শেখ হাসিনা-শেখ রেহানা ফিরে আসার পর ওরা বুঝতে পারলো শেখ হাসিনা-শেখ রেহানা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবেন। সে জন্য অন্তত ১৯ বার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করে তারা।”

এ সময় তিনি আরো বলেন, “সম্মিলিতভাবে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। শেখ হাসিনা ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। বঙ্গবন্ধুর বিশ্বাস-দর্শন এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত। নেতা হলেন একজন, সেটা শেখ হাসিনা। আর সবাই আমরা কর্মী। আজকের বাংলাদেশে শেখ হাসিনা আছেন বিধায় অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার, জেল হত্যার বিচার, বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার, দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, সব সম্ভব হচ্ছে। আমাদের অনুভূতি থাকতে হবে শেখ হাসিনাকে কীভাবে রক্ষা করতে পারি, তাঁর কর্মসূচি কীভাবে সফল করতে পারি।”

নেছারাবাদ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসেন, নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবির মোহাম্মাদ হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য কামরুজ্জামান খান শামীম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক এস এম ফুয়াদসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২০, ২০২১ ৫:২১ অপরাহ্ন
৩৫টি দিয়ে শুরু করে এখন ১ হাজার দেশি মুরগির মালিক সাইদুল
পোলট্রি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের সাইদুল ইসলাম স্বল্প পুঁজিতে মুরগির ব্যবসা শুরু করে এখন বেশ স্বাবলম্বী। উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়নের চারপারা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম আব্দুর রহমানের একমাত্র ছেলে তিনি। পেশায় ছিল একজন ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ী। ২০২০ সালে কোভিট-১৯ বাংলাদেশে আক্রমণের পর থেকে লকডাউনে দোকানপাট খুলতে না পারায় আর্থিক সংকটে পড়ে যান সাইদুল ইসলাম।

ইউটিউব দেখে দেশি মুরগি পালনে আগ্রহী হয়ে শুরু করেন দেশি মুরগি পালন। সাইদুল ইসলাম তার নিজ বাড়িতে প্রথমে একটি ছোট মুরগির সেড তৈরি করে ৩৫টি দেশি মুরগি পালন শুরু করেন। এরপর তার আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে তার দুইটি ভালোমানের মুরগির সেড এবং ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার দেশি মুরগি রয়েছে।

দেশি মুরগি পালনের ব্যাপারে সাইদুল ইসলাম জানান, বহুদিনের প্রবল ইচ্ছা ও মনোভাব থাকায় আমি আমার নিজ জমিতে দেশি মুরগি পালন শুরু করি। মুরগি পালনে আমি স্বাবলম্বী হয়েছি। বর্তমানে আমার দুইটি মুরগির সেড রয়েছে এতে আমার মুরগি জায়গা হয় না, আমি আরো দুইটি মুরগির সেড তৈরি করবো।

বর্তমানে প্রতি মাসে সেখান থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা উপার্জন করা সম্ভব এবং সামনে আরো মুরগির ফার্ম বাড়ানোর মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মুরগি পালনের ইচ্ছা আছে তার। তার দেশি মুরগির খামারে প্রতি কেজি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়। এবং প্রতিটি মুরগির বাচ্চা বিক্রয় আকার ভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২০, ২০২১ ৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
কৃমিনাশক ওষুধে প্রাণ গেল একে একে ১৪ ভেড়ার
প্রাণিসম্পদ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কমলাপুর গ্রামের আবজাল হোসেন ও আরজিনা বেগমের একমাত্র সম্বল ছিল ৩০টি ভেড়া। কিন্তু কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানোর পর একে একে তাদের ১৪টি ভেড়া মারা গেছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছে হতদরিদ্র পরিবারটি।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) ছয়টি ও বুধবার (১৮ আগস্ট) আটটি ভেড়া মারা যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত আবজাল ও আরজিনা বেগম জানান, তাদের চাষযোগ্য কোনো জমি নেই। মাত্র তিন শতক জমির ওপর টিনের ঝুপড়িতে স্বামী-স্ত্রীর বসবাস। বাড়ির সঙ্গে আরও ১০ শতক জমিতে গড়ে তুলেন ভেড়ার খামার। গত পাঁচ বছর ধরেই ভেড়া লালন পালন করে আসছেন তারা। মাত্র পাঁচটি ভেড়া থেকে এখন ৩০টি।

তারা আরও জানান, সম্প্রতি তারা লক্ষ্য করেন ভেড়াগুলো ঠিকমতো মল ত্যাগ করছে না। বিষয়টি মঙ্গলবার কালীগঞ্জ প্রাণি সম্পদ অধিদফতরের গিয়ে জানান। সেখানকার চিকিৎসকরা কৃমিনাশক ওষুধ দিয়ে বলে দেন গর্ভবতী ভেড়াকে এই ওষুধ খাওয়ানো যাবে না।

বুধবার সকালে তাদের কথামতো নিয়ম মেনে খামারের ১৮টি ভেড়াকে ওষুধ খাওয়ানো হয়। এরপরই ভেড়াগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাতেই আটটি ভেড়া মারা যায়। বৃহস্পতিবার আরও ছয়টি ভেড়া মারা যায়। অসুস্থ রয়েছে আরও চারটি।

এদিকে, ঘটনার পর মৃত ভেড়ার নমুনা সংগ্রহ করেছে উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস।

কালীগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার এএসএম আতিকুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে যায় এবং অসুস্থ ভেড়ার চিকিৎসা দেয়। এছাড়া মৃত ভেড়ার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। মূলত কৃমি ওষুধ সকালে খাওয়াতে হয়। প্রাণিদের বিশ্রামে রাখতে হয়। কিন্তু খামারি আফজাল হোসেন কৃমিনাশক ওষুধ খাইয়ে মাঠে ভেড়াগুলো চরাতে নিয়ে যান। এর কারণেই ভেড়াগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মারা যায়। তবে প্রাণি সম্পদ অফিস থেকে যতটুকু সহযোগিতা করা যায়, তা করা হবে।

এছাড়া স্থানীয় সুন্দরপুর দুর্গাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইলিয়াস রহমান মিঠু খামার পরিদর্শন করেছেন।চেয়ারম্যান জানান, খবর পেয়ে তিনি বুধবার ক্ষতিগ্রস্ত খামারির বাড়িতে যান। সেখানে তিনি আটটি মৃত ভেড়া দেখেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৯, ২০২১ ৭:৩৯ অপরাহ্ন
সোর্স ট্রেস এবং এগ্রো সল্যুশন‘র সাথে আফতাব ফিড প্রোডাক্টস লি. এর সমঝোতা চুক্তি
পোলট্রি

সোর্স ট্রেস(আমেরিকা ভিত্তিক কৃষি বিষয়ক সমস্যা সমাধানের জন্য এ্যাপ উন্নয়নে বিশ্বখ্যাত আইটি কোম্পানী) আফতাব ফিড প্রোডাক্টস লিমিটেড এর জন্য ডিজিটাল ফিড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট এর উপর একটি অত্যাধুনিক এ্যাপস এর উন্নয়ন এবং মাঠ পর্যায়ে মাছ চাষীদের চাষ সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য এগ্রো সল্যুশন একটি কল সার্ভিস সেন্টার চালু করে সেবা প্রদানের নিমিত্তে আফতাব ফিড প্রোডাক্টস লিমিটেড ও উক্ত দুটি সংস্থার মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আফতাব ফিড প্রোডাক্টস লিমিটেড এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (অপারেশন) জনাব এটিএম হাবিবুল্লাহ, অপারেটিভ ডিরেক্টর (সেলস এন্ড মার্কেটিং) জনাব নুরুল মোর্শেদ খান এবং সোর্স ট্রেস এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব এ কে এম রেশাদ আলম ও এগ্রো সল্যুশন এর পক্ষে ছিলেন কনসালটেন্ট জনাব অংতুন আইয়ে।

ফিড দ্য ফিউচার বাংলাদেশ অ্যাকুয়াকালচার অ্যাক্টিভিটি প্রকল্পের আওতায় সমঝোতা চুক্তিটি সম্পাদিত হয় এবং প্রকল্পটির সার্বিক কারিগরী সহায়তায় রয়েছেন ওয়ার্ল্ড ফিশ ও মাঠ পর্যায়ে উক্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছেন আফতাব ফিড প্রোডাক্টস লিমিটেড।

উক্ত অনুষ্ঠানে আফতাব ফিড প্রোডাক্টস লিমিটেড এর পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব মো: শহীদ কবির ও জনাব সাকিব রেজওয়ান ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৯, ২০২১ ৬:০৮ অপরাহ্ন
মারা গেল পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গরু ‘রানী’
প্রাণিসম্পদ

গত ঈদে সবচেয়ে ছোট হওয়ায় আলোচনায় এসেছিল সাভারের ‘রানী’। দুঃসংবাদ হচ্ছে, গরুটি মারা গেছে। গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখানোর প্রক্রিয়াও শুরু করলেও, সনদ পাওয়ার আগেই মারা যায় রানী। পেটে গ্যাস জমে বক্সার ভুট্টি জাতের খর্বাকৃতির গরুটি মারা গেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা পশু চিকিৎসকরা।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে সাভার প্রাণিসম্পদ দফতর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) আব্দুল মোতালিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুল মোতালিব জানান, গত বুধবার হঠাৎ গরুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। গরুটির পেট ফোলা ছিল। চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও কোনো উন্নতি না হওয়ায় গরুটি আমাদের কাছে নিয়ে আসা হয়। এখানেও আমাদের ভেটেরিনারি সার্জনসহ কয়েকজন মিলে চিকিৎসা দেন। এর পরও ছোট গরুটির কোনো উন্নতি হয়নি। পরে দুপুর ২টার দিকে মারা যায়।

সাভারের আশুলিয়ার গ্রাম চারিগ্রাম এলাকার শিকড় অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড প্রাণী চিকিৎসক আতিকুজ্জামান জুয়েল জানান, বক্সার ভুট্টি জাতের এ খর্বাকৃতির গরুটির পেটে গ্যাস জমে মারা গেছে। ছোট আকৃতি ও গঠনে ভিন্ন হওয়ায় প্রায়ই অসুস্থ হয়ে যেত রানী। বিশেষ করে পেট ফুলে যেত। অনেকবার সুস্থ করে তোলা সম্ভব হলেও, এবার আমরা ব্যর্থ হয়েছি। সকাল থেকে রানী অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রাণী চিকিৎসালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় রানীকে। এরপর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পেটে গ্যাস জমে রানীর মৃত্যু হয়েছে।

২০ ইঞ্চি উচ্চতা এবং ২৬ কেজি ওজনের সাদা রঙের ছোট্ট এই গাভী গত কোরবানির ঈদ থেকেই আলোচিত ছিল। এটির বয়স ছিল আড়াই বছর। গরু প্রজাতির জন্য দুই দাঁত উঠলেই প্রাপ্তবয়স্ক বিবেচনা করা হয়। সেই হিসেবে রানীর দুটি দাঁত থাকলেও তাকে দেখলে বাছুর বলে মনে হতে পারে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop