৪:২১ অপরাহ্ন

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
শীতকালে মাছের ক্ষতরোগ দূর করার উপায়
মৎস্য

শীতকালে মাছ চাষিদের একটু বেশি সতর্ক হতে হয়। কারণ এসময়ে মাছের রোগ-বালাই বেশি দেখা দেয়। ফলে খামারিরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। শীতে দূষিত পানি বা পানির চেয়ে মাছ বেশি হলে মাছের বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। এছাড়া পরজীবী ও জীবাণুর আক্রমণে শীতকালে মাছ রোগাক্রান্ত হয়।

রোগাক্রান্ত মাছের কিছু অস্বাভাবিক আচরণ ও শারীরিক অসঙ্গতি দেখা যায়। এসব অসঙ্গতির মধ্যে রয়েছে খাবারের প্রতি অনিহা, কঠিন বস্তুতে গা ঘর্ষণ ও চলার গতি ধীর হওয়া। অন্যদিকে পানির উপর ভেসে থাকা, লাফালাফি করা এছাড়াও দেহের যেকোনা অংশে ঘা হতে পারে। আবার মাছের রূপালি রঙের সাদা ফোঁসকা উঠে পেট ফুলে যায়, ফুলকা ফুলে উঠে এবং গা থেকে আঠাঁলো বিজলা বের হয়।

আমাদের দেশে শীতকালে সাধারণত মাছের ক্ষত রোগটি মহামারি আকার ধারণ করে। উপযুক্ত ব্যবস্থা না নিলে এসময় খমারিরা ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হন। একানোমাইসিস নামের একপ্রকার ব্যাকটেরিয়ার কারণে মাছের ক্ষত রোগ হয়। এ রোগের জীবাণু সম্পর্কে দ্বিমত থাকলেও প্রতিকূল পারিপার্শ্বিকতা এ রোগের মূল কারণ বলে মৎস্য বিজ্ঞানীরা মনে করেন।

মাছের শরীরে ছোটছোট লাল রঙের দাগ হওয়া, দাগগুলো বড় ক্ষতে পরিণত হওয়া, লেজ, ফুলকা ও পাখনাতে পচন ধরা, কোনো কোনো সময় ফুলকা ও পাখনা পচে গিয়ে খসে পড়া। ক্ষত রোগে আক্রান্ত মাছগুলো পানির মধ্যে কাত হয়ে দল ছাড়াভাবে ভাসতে থাকে এবং মাছ দুর্বলভাবে সাঁতার কাটে।

শীতকালে পুকুরের পানির পিএইচ ঠিক রাখার জন্য নিয়মিতভাবে চুন দিতে হবে। ঘন ঘন জাল ফেলে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে হবে। জাল ফেললেও মাছগুলোকে পটাশিয়াম পারমাঙ্গানেট দ্রবণে ডুবিয়ে তারপর পুনরায় পানিতে ছাড়তে হবে।

পুকুরে নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে বেশি মাছ রাখা ঠিক হবে না। বর্ষার সময় বাইরের পানি পুকুরে ঢুকতে দেওয়া ঠিক হবে না। পুকুরের তলদেশের গাদ প্রতি দুই-তিন বছর পরপর একবার সরিয়ে নিতে হবে। মরা মাছগুলোতে চুন লাগিয়ে পুকুর থেকে দূরে মাটির নিচে পুঁতে রাখতে হবে।

ঘা হওয়া মাছগুলো তুত বা কপার সালফেট পরিমিত পরিমাণে তৈরি করে তাতে সামান্য সময়ে গোসল করিয়ে আবার পানিতে ছেড়ে দিতে হবে। ব্যাপকহারে এ রোগ দেখা দিলে বিঘাপ্রতি ২০০ কিলোগ্রাম লবণ দুই কিস্তিতে ভাগ করে তিন দিনের ব্যবধানে পানিতে প্রয়োগ করতে হবে।

মাছের অতিরিক্ত খাবারের সঙ্গে টিরামাইসিন নামক ঔষধ (১০০ মিলিগ্রাম ঔষধ প্রতি কিলোগ্রাম খাদ্যের সঙ্গে) ভালোভাবে মিশিয়ে ছিটিয়ে দিতে হবে। সিফেক্স প্রতি হেক্টর পানিতে ১ লিটার ঔষধ প্রয়োগ করে রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। এছাড়া কাঁচা হলুদ ১০:২ অনুপাতে বিঘাপ্রতি পানিতে একসঙ্গে মিশিয়ে শীতের সময়ে ব্যবহার করলে এ রোগ থেকে খামারের মাছকে ভালো রাখা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২১ ২:৫০ অপরাহ্ন
হালদা নদীতে ১০ হাজার মিটার অবৈধ ভাসা জাল জব্দ
মৎস্য

হালদা নদীর মা মাছ রক্ষায় চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন ১০ হাজার মিটার অবৈধ ভাসা জালসহ জাল বসানোর সরঞ্জাম ও নোঙর জব্দ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) হালদা নদীর গড়দুয়ারা এলাকা থেকে হালদা মুখ পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিদুল আলম আইডিএফ ও রৌশনগীর একদল স্বেচ্ছাসেবক।

ইউএনও মো. শাহিদুল আলম বলেন, হালদা নদীর মা মাছসহ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় হালদা নদীতে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাল জব্দ করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত হালদা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার মিটার অবৈধ ভাসা জাল, জাল বসানোর সরঞ্জামসহ একটি নোঙর জব্দ করেছি।

তিনি আরও বলেন, হালদার মা মাছ, ডলফিন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিয়মিত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার জন্য অনুরোধ করছি।

অভিযানে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান ইউএনও মো. শাহিদুল আলম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২১ ১২:৩২ অপরাহ্ন
বিলুপ্তির পথে হাকালুকি হাওরের দেশীয় প্রজাতির রাণী মাছ
মৎস্য

এশিয়ার বৃহত্তম হাকালুকি হাওর, নদ-নদী,খাল-বিলে বিভিন্ন জাতের মাছ ধরা পড়লেও দেশীয় প্রজাতির রাণী মাছের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন জাতের মাছের সঙ্গে রাণী মাছের বংশ অনেকটা বিলুপ্তি হতে চলেছে। বিশেষ করে আষাঢ় মাসের মাঝামাঝি সময় হতে কার্তিক মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত হাকালুকি হাওরও আশপাশের বিভিন্ন জলাশয়ে অন্যান্য দেশীয় মাছের সাথে রাণী মাছ ধরা পড়তো।

বিগত কয়েক বছর যাবত এ মাছের খুব একটা দেখা পাওয়া যাচ্ছেনা। এ বছর অন্যান্য বছরের চেয়ে রাণী মাছ একেবারেই কম পাওয়া যাচ্ছে। সরেজমিনে হাকালুকি হাওরে গিয়ে মৎস্যজীবিদের অনেকের সাথে কথা হলে তারা বলেন, আগামীতে এ প্রজাতির মাছ একেবারেই না পাওয়ারই সম্ভাবনা। এ জাতীয় মাছের বংশ বিস্তার বা রক্ষার লক্ষ্যে মৎস্য বিভাগের কোনো উদ্যোগ নেই। যার ফলে, হাকালুকি হাওর,বিল, জলাশয়ের অতি পরিচিত প্রজাতির রাণী মাছ আজ বিলুপ্তি হওয়ার পথে।

ফলজ,বনজ ও জলজ সম্পদে পরিবেষ্টিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর, ভ্রমণ পিপাসু পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান ওই হাকালুকি হাওর। এ হাওর ও জলাশয় থেকে সারা বছরই মাছ ধরা হয়।হাকালুকি হাওর,বিলসহ আশপাশের জলাশয় ও মৎস্য ভান্ডারগুলোতে নানা প্রজাতির মাছ জন্মে।মাছের বংশ বিস্তারের লক্ষ্যে উপজেলা মৎস্য বিভাগের উদ্যোগে বিভিন্ন স্থানে অভয়াশ্রম গড়ে তোলা হয়েছে। তেলাপিয়া, কার্পো, রুই, কাতলাসহ ওই জাতীয় মাছের উৎপাদন ও বংশ বিস্তারে মৎস্য বিভাগ বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নিলেও দেশীয় স্থানীয় প্রজাতির মাছের বংশ রক্ষায় তেমন উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি।

উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, হাকালুকি হাওরসহ বিভিন্ন বিল ও জলাশয় থেকে ২৩ জাতের দেশীয় প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।ওই জাতীয় মাছের বংশ রক্ষায় কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় নতুন প্রজন্মের অনেকেই ওই সব মাছ সম্পর্কে পরিচিত হতে পারছেনা। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে রাণী মাছ। রাণী মাছ জুড়ীসহ বৃহত্তর সিলেটের মানুষের কাছে বেশ পরিচিত। খেতে সুস্বাদু হওয়ায় অনেকে বেশী দামে এ মাছ ক্রয় করতে আগ্রহী।

মাত্র এক যুগ আগেও এ সময়ে জুড়ীর বিভিন্ন হাটবাজারে রাণী মাছের ব্যাপক বেচা-কেনা ছিলো।ধীরে ধীরে এ প্রজাতির মাছের সংখ্যা কমতে থাকায় অতি পরিচিত রাণী মাছ আজ অনেকটা হারিয়ে যাচ্ছে।এ ব্যাপারে অত্র অঞ্চলের মৎস্যজীবিদের সাথে কথা হলে, অনেকের অভিমত অন্যান্য মাছের মতো রাণী মাছ চাষে সরকারিভাবে উদ্যোগ নেয়া হলে হাকালুকি হাওরসহ আশপাশের জলাশয়গুলো আবারো অতীতের ন্যায় রাণী মাছ ভরে উঠবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২১ ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
বড়শিতে ধরা পড়ল ৪৩ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প মাছ
মৎস্য

বড়শিতে ধরা পড়ল ৪৩ কেজি ওজনের ব্ল্যাক কার্প মাছ। কুমিল্লা নগরীর ধর্মসাগর দীঘিতে এই বিশাল মাছটি ধরা পড়ে। বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে ব্যবসায়ী জাহিদুল্লাহ রিপনের বড়শি দিয়ে মাছটি শিকার করেন।

ধর্মসাগর দীঘিতে এতো বড় ওজনের মাছ পাওয়া গেছে খবর খবর পেয়ে মাছটি দেখতে ছুটে যান কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার।

এ সময় তিনি বলেন, ধর্মসাগরে বড় মাছের ঐতিহ্য এখনও টিকে রয়েছে। কুমিল্লা জনপ্রিয় ব্যাংক ও ট্যাঙ্কের জন্যে। কুমিল্লার অনেক দিঘী বা পুকুরে বড় বড় মাছ পাওয়া যায়। তবে দিঘীতে এত বড় মাছ বিরল ঘটনা।

ব্যবসায়ী জাহিদুল্লাহ রিপন জানান, বড়শি নিয়ে বসেছি বিকেল ৫টায়। রাত ৮টায় মাছটি ধরা পড়ে। প্রায় ৪০ মিনিট মাছটি পানিতে ছিল। পরে নেটিং করে ওপরে তুলেছি। মাছটির ওজন ৪৩ কেজি ৬০০ গ্রাম। মাছটি এমপি বাহারকে উপহার হিসেবে দেবো।

উল্লেখ্য, নগরীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ধর্মসাগরের আয়তন ২৩.১৮ একর। ত্রিপুরার রাজা প্রথম ধর্মমাণিক্য ১৪৫৮ সালে দিঘিটি খনন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ৪:০৬ অপরাহ্ন
মাদারীপুরে ইলিশ সম্পদ রক্ষায় অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
মৎস্য

মাদারীপুরে ইলিশ সম্পদ রক্ষায় অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমির হলরুমে দিনব্যাপী এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা মৎস্য অফিসের আয়োজনে এতে ৫টি উপজেলার কয়েকশ’ মৎস্য চাষি, পেশাজীবী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বাবুল কৃষ্ণ ওঝার সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিমন রায়, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান খান, সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা তপন কুমার মজুমদারসহ অনেকেই।

কর্মশালায় ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও এর ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি ইলিশ সম্পদ রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এছাড়া মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নির্দেশনা মেনে নদীতে জাল ফেলার জন্য জেলেদের প্রতি আহবান জানান বক্তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ২:৫৩ অপরাহ্ন
পটুয়াখালীতে ১৪ মণ জাটকা জব্দ
মৎস্য

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অভিযান চালিয়ে ১৪ মণ জাটকা ইলিশ জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ।

বুধবার রাত নয়টায় শেখ কামাল সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইটি ট্রাক, বেশ কয়েকটি গণপরিবহন ও ১টি ত্রি-হুইলার থেকে এসব জাটকা জব্দ করা হয়।

এ সময় জাটকা পরিবহনের দায়ে ৫ হাজার টাকা করে তিন ব্যবসায়ীকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা। পরে জব্দকৃত মাছ এতিমখানা মাদ্রাসার ছাত্র ও দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

কলাপাড়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিভিন্ন গণপরিবহন ও ট্রাকে অভিযান চালিয়ে এসব জাটকা জব্দ করা হয়েছে।

জাটকা শিকারি জেলেদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ১২:৪৪ অপরাহ্ন
এক ইলিশের দাম হাঁকছে ৪০২৫ টাকা
মৎস্য

ওজন পৌনে দুই কেজি। হয়তো ওজনের ভারেই ইলিশ মাছটি আর বেরুতে পারেনি জেলেদের জাল থেকে।

মঙ্গলবার দুপুরে পটুয়াখালীর পায়রা নদী থেকে ধরা এ মাছ শহরের নিউ মার্কেটের মাছের বাজারে তোলা হয় বিকেল বেলায়। দাম হাঁকা হয়েছে চার হাজার ২৫ টাকা। এই টাকায় পটুয়াখালীর বাজার থেকে সাড়ে চার মণ ধান কেনা যায়। তাই বোধহয় বুধবার বিকেল সোয়া ৫টায়ও বিক্রি হয়নি এ মাছ।

জাল থেকে তোলার পর জেলে ইলিশটিকে বিক্রি করেছিলেন স্থানীয় আড়তে। সেখান থেকে বলতে গেলে চড়া দাম দিয়েই মাছটি কিনে আনেন নিউ মার্কেটের মাছ ব্যবসায়ী মো. হারুন অর রশিদ মৃধা (৫৭)। কেজিপ্রতি দুই হাজার ৩০০ টাকা হিসেবে পৌনে দুই কেজি ওজনের মাছটির দাম হাঁকা হয় ৪ হাজার ২৫ টাকা।

পটুয়াখালীর দক্ষিণ উপকূলের বাজারে এক মণ ধানের দাম এখন ৯০০ টাকা। স্থানীয় কৃষক কবির হোসেন বলছেন, চার হাজার ২৫ টাকা দিয়ে সাড়ে চার মণের মতো ধান কেনা যায়। মাছ দেখে মন ভরলেও দামে তো কুলায় না।

মাছ ব্যবসায়ী মো. হারুন অর রশিদ মৃধা জানান, পায়রা নদীর মাছ সুস্বাদু। তাই অন্য কোনো নদী কিংবা সাগরের চেয়ে পায়রার ইলিশের দাম একটু বেশিই হয়ে থাকে। তা ছাড়া এত বড় সাইজের ইলিশ সাধারণত ধরাও পড়ে না। ভোজনরসিক ক্রেতাদের কাছে এমন মাছের কদরই আলাদা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
দেশের মৎস্য সম্পদের জন্য হুমকি সাকার ফিস
মৎস্য

অ্যাকুরিয়ামে চাষ করা বিদেশি প্রজাতির রাক্ষুসে মাছ ছড়িয়ে পড়েছে দেশের নদী ও জলাশয়ে। দেশীয় মাছের জন্য ক্ষতিকর এই মাছটির কারণে হুমকির মুখে পড়ছে দেশের মৎস্য সম্পদ। ‘সাকার’ ফিস নামে পরিচিত মাছটি অন্য মাছ ও জলজ প্রাণীর পোনা খেয়ে ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন সরকারি গবেষণা।

বুড়িগঙ্গা, ঢাকার ময়লা আবর্জনা গর্ভে ধারণ করে খরস্রোতা এই নদীর পানি এখন বিষাক্ত। এবার বুড়িগঙ্গায় বাসা বেঁধেছে এক রাক্ষুসে মাছ, যার জন্য হুমকির মুখে দেশের মৎস্য সম্পদ। মাছটির নাম ‘সাকার মাউথ ক্যাটফিস’। তবে দেশে পরিচিত ‘সাকার ফিস’ নামে। অ্যাকুরিয়ামে চাষযোগ্য বিদেশি প্রজাতির এই ক্ষতিকর মাছটি প্রায়ই এখন দেখা মিলছে বুড়িগঙ্গাসহ দেশের বিভিন্ন নদ-নদী, হাওর ও জলাশয়ে। কিন্তু প্রশ্ন হলো- এই মাছ এলো কোত্থেকে?

নারায়ণগঞ্জ মৎস্য কর্মকর্তা বলছেন, মাছটা হয়তো কারও অ্যাকুরিয়ামে ছিল। কোনো কারণে তারা হয়তো মাছটি সেখান থেকে আশেপাশে ডোবা, খাল বা নদীতে। এর থেকে এখন বুড়িগঙ্গায় আমরা প্রচুর পরিমাণে সাকার ফিস দেখতে পাচ্ছি।

নদী গবেষকরা বলছেন, মাছটির পাখনা খুব ধারালো। ফলে অল্প আঘাতেই অন্য মাছের দেহে ক্ষত তৈরি করে। এতে প্রথমে পচন এবং পরে মারা যেতে থাকে দেশি মাছগুলো। তাই যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে জীববৈচিত্রের জন্য এই মাছ মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ বলেন, যেহেতু অন্য কোনো মাছ নদীতে বাঁচতে পারে না, বিশেষ করে ঢাকার চার নদীতে। সেক্ষেত্রে এই মাছগুলো যেহেতু অক্সিজেন ছাড়া অনেক সময় বেঁচে থাকতে পারে, তাই এরা সারভাইভাল ফর দ্যা ফিটেস্টে দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকে। এটাই বাস্তবতা। আমাদের প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীব বৈচিত্রের সঙ্গে যে দেশীয় মাছগুলো আছে, সেগুলোর জন্য এটি খারাপ।

সাকার ফিস জলজ পোকামাকড় ও শ্যাওলার পাশাপাশি ছোট মাছ ও মাছের পোনা খেয়ে থাকে। তাই এই মাছ জালে ধরা পড়লে, ফের নদীতে না ফেলার পরামর্শ তাদের।

মোহাম্মদ এজাজ আরও বলেন, নদীতে মাছ ধরতে গেলে জালে এ মাছগুলো উঠছে। পরে মাছগুলো আবার জলাশয়ে ফেলে দেওয়া হচ্ছে, এটা বন্ধ করতে হবে।

ধারণা করা হচ্ছে, ইউরোপের এক কূটনীতিক মেয়াদ শেষে চলে যাওয়া আগে ঢাকার গুলশান লেকে এই মাছটি ছেড়ে দেন। এরপর সেখান থেকেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এটি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ৩:৩৯ অপরাহ্ন
বরিশালে গৌরনদী বিপুল পরিমাণ জাটকা জব্দ
মৎস্য

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী পেট্টলপাম্প সংলগ্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে বিভিন্ন পরিবহনে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাটকা জব্দ করেছে প্রশাসন। 

মঙ্গলবার রাতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রিন্স। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল বাসারসহ গৌরনদী হাইওয়ে পুলিশ।

এসময় চারটি ককসিট ভর্তি বিপুল পরিমাণ জাটকা জব্দ করা হয়। এসংক্রান্ত দুই মামলায় গাড়ী চালক ও সুপারভাইজারকে ১৩ হাজার পাঁচশ’ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ২০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ১:৩৩ অপরাহ্ন
কুয়াকাটায় দেখা মিললো নীল মান্না কাঁকড়ার
মৎস্য

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের ফ্রাই মার্কেট মানেই রকমারি মাছের দেখা, তারমধ্যে অন্যতম কাঁকড়া ফ্রাই। বিভিন্ন সাইজ ও জাতের কাঁকড়া দেখা যায় এখানে।

তবে এবার দেখা মিললো ১ কেজি ওজনের সামুদ্রিক নীল মান্না কাঁকড়ার।

ফিস ফ্রাই মার্কেটের ‘বেল্লাল ফ্রাই’ নামে একটি দোকানে মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে কাঁকড়াটি দেখা যায়।

দোকানী বেল্লাল জানান, কাঁকড়াটি আজকে গভীর সমুদ্র থেকে আসা একজন জেলের কাছ থেকে আটশো টাকায় কিনেছি, এর ওজন ১ কেজি। এখন দোকানে নিয়ে আসলাম, পর্যটকদের পছন্দ হলে ফ্রাই করে নিতে পারে বা কেউ এভাবেও নিতে পারে। এগুলো বছরের মধ্যে দু’একটি পাওয়া যায়। তবে তাও শীতের মৌসুমে, এ বছরে এ প্রথম পেলাম। কাঁকড়াটি খেতে অনেক সুস্বাদু।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, এ সামুদ্রিক কাঁকড়াটির নাম নীল মান্না কাঁকড়া ছাড়াও পোর্টুনাস পেলাজিকাস ফুল কাঁকড়া, নীল কাঁকড়া, নীল সাঁতারু কাঁকড়া ও বালি কাঁকড়া নামে পরিচিত। তবে এক এক এলাকার মানুষ এক এক নামে চেনে। এটি কক্সবাজারে দেখা গেলেও এ অঞ্চলে তেমন দেখা মেলে না। বর্তমানে শীত মৌসুম হওয়ার দু-একটা আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এগুলোর ওজন দেড় কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop