৯:০৯ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১ ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
মাল্টাবাগান করে সাফল্যের হাসি কুষ্টিয়ার ময়না খাতুনের
কৃষি বিভাগ

মাল্টা বাগান করে সাফল্য অর্জন করেছেন জেলার নারী উদ্যোক্তা ময়না খাতুন। বেশ কয়েক বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করে মাল্টা বাগান গড়ে তুলেছেন কুষ্টিয়ার ময়না খাতুন। জেলার ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের চন্ডিপুর এলাকার প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী ময়না। স্বামী প্রায় দুই যুগ দক্ষিণ ধরে দক্ষিণ কোরিয়ায় থাকলেও দেশে মাল্টা বাগান নিয়েই তার যত ব্যস্ততা। যদিও এই বাগান তৈরির ব্যাপারে স্বামীরও উৎসাহ রয়েছে।

জানা যায়, গাছে গাছে সবুজ পাতার আড়ালে ও ডালে ডালে ঝুলছে থোকায় থোকায় মাল্টা। বাতাসে মাল্টার টক-মিষ্টির গন্ধ। দুইজন শ্রমিক বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত। আর কোন গাছের পাতা ছিঁড়তে হবে গাছের গোড়া পরিষ্কার করতে হবে এসব নির্দেশনা দিচ্ছেন ময়না খাতুন। পুরো বাগানটি একটি সবুজ ছায়ায় ঘেরা। গেলো বছর ৩ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করেছেন তিনি। এ বছর তার বাগানে বেশ অনেক মাল্টা ধরেছে। লাখ চারেক টাকার মাল্টা বিক্রি হবে বলে আশাব্যক্ত করেন তিনি।

মাল্টা বাগানেই কথা হয় ময়না খাতুনের সঙ্গে। তিনি বলেন, স্বামীর অনুপ্রেরণায় ২০১৭ সালে সিলেট থেকে ৫৭০টি বারি মালটা-১ এর চারা এনে ৬ বিঘা নিজের জমিতে মাল্টা বাগান গড়ে তুলি। বর্তমানে মাল্টার বাগান এখন দেখার মতো হয়েছে। কাক্সিক্ষত ফলও পেতে শুরু করেছি। কয়েক দিনের মধ্যেই বাগানের মাল্টা বিক্রি শুরু করবেন বলেও জানান তিনি।

তার বাগান থেকেই পাইকারি ব্যবসায়ীরা এসে কিনে নিয়ে যায় বলে বিক্রি করতে কোন ঝামেলাই হয় না। এছাড়াও তার বাগানে সিডলেস ও চায়না লেবু এবং কিছু লিচু গাছও রয়েছে। প্রতিকেজি মাল্টা ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। এছাড়াও অনেক দর্শনার্থীরা এই বাগান পরিদর্শনে আসেন। এতে তিনি আনন্দও পান। তবে, নারী হিসেবে তাকে সফল হতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। শুনতে হয়েছে নানান জনের নানান কথা। তবুও দমে যাননি তিনি।

নিজ প্রচেষ্টায় এগিয়ে গেছেন সামনের দিকে। এতোকিছুর পরেও একজন নারী হিসেবে ফলের বাগান গড়ে তোলা সেটি ছিলো অনেকটা দুঃসাহসের ব্যাপারও বটে। ভবিষ্যতে নারীদের উজ্জ্বীবিত হওয়ার জন্য কিছু করার ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রায়ই দেখা যায় এই মাল্টা বাগান পরিদর্শনে অনেক দর্শনার্থী আসেন। তেমনি একজন দর্শনার্থী বিভাস চৌধুরীর সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, বাগানে এসে নিজ হাতে ফল পেড়ে খাওয়ার মজাই আলাদা। বাগান ঘুরে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে এবং তরতাজা গাছপাকা মাল্টাও কিনতে পাওয়া যায়।

উপজেলার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা রাজিবুল গোলাম রাজন জানান, ‘মাল্টা একটি অর্থকরী ফসল। মাল্টা বারি-১ একটি উচ্চ ফলনশীল সুস্বাদু ফল। ময়না খাতুনের মাল্টার বাগানে আমি সবসময়ই নানান পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ভেড়ামারায় তার মতো এতোবড় মাল্টার বাগান আর নেই। তাকে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কেবল পরামর্শ প্রদান করেছি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. হায়াত মাহমুদ জানান, একজন নারী হয়েও ময়না খাতুন এতো সুন্দর মাল্টা বাগান করে উপজেলাবাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। তার বাগানে কোন প্রকার ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না। এমন সুন্দর বাগান এ অঞ্চলে মাল্টা উৎপাদনে অনেককেই উৎসাহিত করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১ ৫:৫১ অপরাহ্ন
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর কালো জাতের ধান চাষে সাফল্যঃ
কৃষি গবেষনা

খাদ্য নিরাপত্তা এখন আর শুধু খাদ্যের পর্যাপ্ততাতেই সীমাবদ্ধ নয় বরং সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনের জন্য সকলের চাহিদা ও খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী পর্যাপ্ত, নিরাপদ এবং পুষ্টিকর খাবারের নিশ্চয়তা। শস্যদানার বাইরের  স্তরে অবস্থিত ‘পিগমেন্ট’ হচ্ছে বিভিন্ন অ্যান্থোসায়ানিন যৌগের মিশ্রণ (Yawadio et al., 2007)। অ্যান্থোসায়ানিন হচ্ছে ফ্ল্যাভোনয়েড শ্রেণীর অন্তর্গত এবং উদ্ভিদে সহজলভ্য এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ। সাদা বর্ণের চাউলের চেয়ে গাঢ় রঙিন  চাউলের শস্যদানায় লৌহ, পলিফেনল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকে।

এ বিষয়ে  সৈয়দ সাজিদুল ইসলাম ; সয়েল ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিন;  মাস্টার্স  ;বলেন, “গত ২-৩ বছর যাবত আমি এই কালো  জাতের ধান নিয়ে কাজ করছি , যেটা ২০১৯ সালে শেরপুর থেকে প্রথম ১৬-১৯ টা বীজ নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম , এটা নিয়ে পরে ধাপে ধাপে উপযোগিতা যাচাই চলে। এই ধান টা সাধারণত দক্ষিণ অঞ্চল এ চাষ হয়না । এই ধানটার নিউট্রিয়েন্ট কোয়ালিটি অনেকটাই উন্নত আমাদের প্রচলিত ধানগুলোর জাত থেকে । যেটার ফলন প্রতি হেক্টরে ৩.২ – ৩.৯ টন/হেক্টর । সাধারণত আমাদের প্রচলিত ধানগুলোর চেয়ে ফলন একটু কম হলেও নিউট্রিয়েন্ট কোয়ালিটি অনেক অনেক বেশি । যেহেতু বর্তমান সরকার ফুড কোয়ান্টিটির চেয়ে ফুড কোয়ালিটির দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে, এক্ষেত্রে এটি যুগান্তকারী হিসেবে গণ্য হতে পারে”।

স্বাস্থ্য উপকারিতা: ১. রঙিন চাউল  থেকে পৃথকীকৃত বিভিন্ন অ্যান্থোসায়ানিন যৌগ যেমন- সায়ানিডিন-৩-গ্লুকোসাইড, পেলারগনিডিন-৩-গ্লুকোসাইড ইত্যাদি অ্যালডোজ রিডাকটেজ ইনহিবিটরি অ্যাক্টিভিটি প্রদর্শন করে যা ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে (Yawadio et al., 2007)। ২. অ্যান্থোসায়ানিনযুক্ত কালো চাউল সম্বৃদ্ধ খাদ্যতালিকায় থাকলে তা রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। (Zawistowski et al., 2009) ৩. রঙিন চাউলের অ্যান্টিঅক্সিডেটিভ ক্ষমতা রয়েছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ও এনজাইমের এ্যাকটিভিটি কে বাড়ায় (Chung and Shin (2007) and Hiemori et al. (2009)) ৪. বাদামী চাউল ভিটামিন ও মিনারেলস এর গুরুত্বপূর্ণ উত্স। Meng et al (2005) অনুযায়ী কালো রঙের চাউলে আয়রন, জিংক, ক্যালসিয়াম, কপার এবং ম্যাঙ্গানিজ বেশি থাকে। ৫.কালো বর্ণের চাউলে আদ্রর্তা, প্রোটিন, লিপিড, ক্রূড ফাইবার এবং অ্যাশ এর পরিমাণ যথাক্রমে ৫.৯৬-৮.১৯, ৬.৬৩-৮.৪৬, ১.৪৪- ৩.৪৭, ০.১৬-০.৩৫, ১.৩৫-২.১৫ গ্রাম/১০০ গ্রাম (ডিবি)। চাউলের নমুনা গুলোতে আয়রন এবং পলিফেনল এর পরিসর যথাক্রমে ০.৯১-১.৬৬ মিলিগ্রাম/১০০ গ্রাম এবং ৫৮-৩২৯ মিলিগ্রাম জিএই/১০০ গ্রাম। পিগমেন্টেড রাইস বা কালো ধানের পুষ্টিগুণ নন-পিগমেন্টেড ( সাধারন) ধানের চেয়ে অনেক বেশি। পিগমেন্টেড রাইস বা কালো ধানে স্টার্চ ৮৬.৬৯%, অ্যামাইলোজ ২.১%, ক্রুড প্রোটিন ৮.৩১%, ক্রুড ফ্যাট ২.৬৭%, ক্রুড অ্যাশ ০.৫৯%, ক্রুড ফাইবার ০.৭৭% ময়েশ্চার কন্টেন্ট ১১.৭০% অন্যদিকে, নন- পিগমেন্টেড ধানে যথাক্রমে স্টার্চ ৯২.৬৬% অ্যামাইলোজ ০.৪%, ক্রুড প্রোটিন ৬.০৫%, ক্রুড ফ্যাট ০.৬৪%, ক্রুড অ্যাশ ০.৪৬%, ক্রুড ফাইবার ০.১৫%, ময়েশ্চার কন্টেন্ট ১২.৬৪%।

মোঃ আমিনুল খান

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ ৪:৫৫ অপরাহ্ন
বাগাতিপাড়ায় প্রণোদনার বীজ ও সার পেলেন শত কৃষক
কৃষি বিভাগ

নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার ১০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে মাসকালাই ডাল চাষে প্রণোদনার বীজ ও সার দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সুবিধাভোগী কৃষকদের হাতে এসব কৃষি প্রণোদনা হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অহিদুল ইসলাম গোকুল এবং সভা প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াংকা দেবী পাল।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থ বছরে খরিপ-২ মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ১০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে উন্নত জাতের মাসকালাই বারী-৩ বীজ জনপ্রতি পাঁচ কেজি করে এবং জনপ্রতি ১০ কেজি করে ডিএপি সার ও পাঁচ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে। প্রত্যেক কৃষক তাদের এক বিঘা জমিতে মাসকালাই ডাল আবাদ করবেন।

কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা সংক্রান্ত উপজেলা কমিটির সভায় উপকারভোগী ১০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
প্রত্যেক কৃষক তাদের জমিতে উন্নত বীজের মাসকালাই ডাল আবাদ করে বিঘাপ্রতি অন্তত তিন মণ করে ফলন পাবেন বলে জানান উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মোমরেজ আলী।

এরআগে উপজেলার নির্বাচিত কৃষকদের মাঝে সরকারের কৃষি প্রণোদনার নাবী পাটের বীজ, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ এবং সার ও পরিচর্যা ব্যয়ের অর্থ বিতরণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ ৪:২৬ অপরাহ্ন
রংপুরের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ
কৃষি বিভাগ

আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি’র) সহযোগীতায় আরডিআরএস বাংলাদেশ বাস্তবায়িত Accelerated Genetic Gains in Rice Alliance (AGGRi) প্রকল্পের আওতায় রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার আলমপুর ফেডারেশন হল রুমে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত প্রশিক্ষণে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, রংপুর জেলার জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার মো: খোরশেদ আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ত¡ করেন আলমপুর ফেডারেশনের সদস্য মোছা: নূরজাহান বেগম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, তারাগঞ্জ উপজেলার উপসহকারী কৃষি অফিসার মো: মোজাম্মেল হক।

প্রশিক্ষণে আরডিআরএস বাংলাদেশ এর পক্ষে কৃষি অফিসার অনুপ কুমার ঘোষ আধুনিক জাতের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষনের গুরুত্বপূর্ণ্য বিষয়গুলো আলোচনা করেন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বীজ উৎপাদন, রোগবালাই সহনশীল এবং উচ্চ ফলনশীল জাতের চাষ পদ্ধতি ও বাজারজাতকরণের বিভিন্ন আধুনিক পদ্ধতি ও ধাপসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং এই প্রকল্পের কার্যক্রমকে তিনি সাদুবাদ জানিয়ে আরডিআরএসকে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বীজ উৎপাদনের কৃষকবৃন্দ, ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, আডিআরএস বাংলাদেশ এর ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর তাপস কুমার রায় সহ মোট ১৬ জন অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
গাইবান্ধার কচু যাচ্ছে সারাদেশে
কৃষি বিভাগ

কচুর মুখি চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন গাইবান্ধার চার উপজেলার কৃষকরা। কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় এ জাতের কচু চাষ করে পরিবারের পুষ্টি চাহিদার পাশাপাশি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তারা। আর কচু প্রক্রিয়াজাত কাজে কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে শত শত নারীর।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী এ জেলায় এবার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে কচুর মুখি চাষ হয়েছে।

কৃষি বিভাগের হিসাবে গাইবান্ধার সাঘাটা, গোবিন্দঞ্জ, পলাশবাড়ী ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া কচুর মুখি চাষের উপযোগী। ধানসহ অন্য ফসলের চেয়ে কচুর মুখি চাষাবাদে খরচ কম। তাই ৪ উপজেলার মহিমাগঞ্জ, পবনাপুর, জামালপুর, কিশোরগাড়ি, গাইবান্ধার বোয়ালীসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় ২ হাজার কৃষক এবার কচুর মুখি চাষ করেছেন।

ফলনও হয়েছে আগের চেয়ে অনেক ভালো। গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার আমলাগাছি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সবুজ আর সবুজ কচু পাতা। কেউ কেউ দুহাত দিয়ে কচুর গোড়া ছিড়ে মাটির নিচ থেকে হাতড়িয়ে কচু উত্তোলন করছেন। আবার সেই কচু বাজারজাত করতে মাটি পরিষ্কার করছেন। তারপর পানিতে ধুয়ে বেপারীদের কাছে অথবা বাজারে বিক্রি করছেন।

গ্রামের কচু চাষি জহুরুল ইসলাম জানান, তার ৪ বিঘা জমিতে এবার কচু চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে বিঘা প্রতি ১২ হাজার টাকা। কিন্তু বিঘা প্রতি কচু উৎপাদন হবে অন্তত ১০০ মণ। তা বিক্রি হবে অন্তত ৪০ হাজার টাকা। অল্প সময়ে ভালো লাভের কারণে তিনি আগামীতেও অন্য ফসলের পাশাপাশি কচুর চাষ করতে ভুলবেন না।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদ্প্তরের উপ-পরিচালক মো. মাসুদার রহমান জানান, চার উপজেলার উৎপাদিত কচু জেলার চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। এ ধরনের কচু চাষে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় জেলায় কচু চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে অল্প খরচে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি জেলার সবজি চাহিদা পুরণ হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
বরিশালে বিসিআইসির বাফার গোডাউন পরিদর্শন করলেন ডিএইর পরিচালক
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি)বাফার গোডাউন পরিদর্শন করলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক একেএম মনিরুল আলম।

তিনি আজ (২০ সেপ্টেম্বর) নগরীর বান্দ রোডে রাসায়নিক সারের মজুদ, উত্তোলন এবং সার্বিক অবস্থা প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় ডিলারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সময়মত সার উত্তোলন করে তা অবশ্যই সরকারের নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করতে হবে। সারের ক্ষেত্রে যেন কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না হয়। এমন পরিস্থিতিতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরিদর্শনকালিন সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিএইর অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম, উপপরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) সাবিনা ইয়াসমিন, বরিশাল সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মো. ফাহিমা হক, মেট্টোপলিটন কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস প্রমুখ। পরে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি)সারের গুদাম পরিদর্শন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১ ২:১৪ অপরাহ্ন
এ বছর ৩ টন মাল্টা উৎপাদন করবেন আল আমিন
কৃষি বিভাগ

মৌলভীবাজারের রাজনগরে আল আমিন মাল্টা মাল্টা চাষ করে এখন সফল ও স্বাবলম্বী হয়েছেন। ২০২০ সালে দেড়টন মাল্টা উৎপাদন হয়েছে আল আমিনের । বিক্রি করেন ১ লাখ টাকা। প্রতিবছর মাল্টার উৎপাদন বৃদ্ধি হওয়ায় আল আমিন অল্প পরিশ্রমে বেশি লাভের আশায় আছেন। এ বছর ৩ টন মাল্টা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ঠিকমত বাজারজাত করতে পারলে ৩ লাখ টাকা লাভ করতে পারবেন। তাকে অনুসরণ করে এলাকার অনেকেই মাল্টা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

জানা যায়, চার বছর আগে জেলার রাজনগর উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের নন্দিউড়া গ্রামের আল আমিন শখের বশে, কৃষিবিদ শেখ আজিজুর রহমানের পরামর্শে দুই বিঘা জমিতে মাটি উচুঁ করে মাল্টা চাষ শুরু করেন। কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ৪ বছর আগে রাজস্ব প্রকল্পের আওতায় প্রর্দশনীর দিয়ে আল আমিনকে মাল্টা চাষে উৎসাহিত করা হয়। এখন সে স্বাবলম্বী। নিজ উদ্যাগেই চাষ করে যাচ্ছেন।

আল আমিন জানান, বিগত কয়েক বছর আগে বিভিন্ন জাতের ফলে ফরমালিন ব্যবহারের হিরিক পরে। যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকারক। মানুষ নিরাপদ ফল খাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে ছিল। ভেজালমুক্ত ফল উপহার দেওয়ার কথা চিন্তা করেই কৃষি বিভাগের সহযোগীতা নিয়ে মাল্টার বাগান করেছি। অল্প পরিশ্রমে কম খরচে মাল্টা চাষ করে লাভবান হওয়া যায়।

তার বাগানে বারি-১ থাইল্যান্ড জাতের ২০০টি মাল্টার গাছ রয়েছে। চারা রোপণের দুই বছর পর ফলন শুরু করে। তিন বছর পর একটি গাছে পূর্ণাঙ্গরূপে ফল ধরা শুরু করে। প্রতিটি গাছে ৩০০ থেকে ৪০০টি ফল আসে। তার বাগান দেখে অনেকেই মাল্টা চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ ইফফাত আরা ইসলাম জানান, মাল্টা চাষ করে আল আমিন সফল হয়েছেন। কৃষি বিভাগ সব সময় তাকে পরামর্শ দিয়ে থাকে। তার বাগানে গিয়ে দেখেছি মাল্টাগুলো পাকা শুরু হয়েছে। পরিপক্ক না হওয়া পর্যন্ত বাজারজাত না করতে বলেছি।

মৌলভীবাজার কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী পরিচালক কাজী লুৎফুল বারি জানান, কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় মৌলভীবাজারের বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ শুরু হয়েছে। চাষিদের উদ্বুদ্ধ করেছেন আশানুরূপ ফলন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১ ১২:৪৫ অপরাহ্ন
বরিশাল সদরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে পাটবীজ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): চলতি খরিফ-২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১৯ সেপ্টম্বর বরিশাল সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে পাটবীজ, সার ও সাইন বোর্ড বিতরণ করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মুনিবুর রহমান।

উপজেলা কৃষি অফিসার মোসা. ফাহিমা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. মাহফুজুর রহমান এবং এইও তানজিলা আহমেদ।

প্রধান অতিথি বলেন, পাট আমাদের সোনালী আঁশ। তাই এর হারানো ঐতিহ্য ফিরে আনতে হবে। এ জন্য পাটের উৎপাদন বাড়ানো দরকার। আর তা বাস্তবায়নে এ ধরনের প্রণোদনা যথেষ্ট ভূমিকা রাখবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার জানান, পাটবীজ উৎপাদনের লক্ষ্যে ২০ জন কৃষকের প্রত্যেককে ৫ শ’ গ্রাম পাটবীজ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ১০ কেজি হারে ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি সার এবং ১’টি করে সাইনবোর্ড দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পরিচর্যা ও বালাইনাশক বাবদ জনপ্রতি ২ হাজার ৬ শ’ ৩০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাসহ অর্ধশতাধিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তি উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১ ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
আউশের বাম্পার ফলনে খুশি শরীয়তপুরের কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে শরীয়তপুর জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আউশের আবাদ হয়েছে। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে আউশ কাটা ও মাড়াই উৎসব। ভালো ফলনের পাশাপাশি এ ধানের দাম বেশি পেয়ে খুশি কৃষকরা। জানা গেছে, গত বছর ফলন ভালো হওয়ায় এবং আশানুরূপ দাম পাওয়ায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আউশের আবাদ করেছেন কৃষকরা।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ১২ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমিতে আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ মৌসুমে জেলায় মোট ১৩ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫৮৩ হেক্টর বেশি। চাষ করা জমিতে ২৭ হাজার ৫৮৮ হাজার মেট্রিক টনের বেশি চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।

জাজিরা উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের চাষি সেকান্দর সরদার জানান, ‘কৃষি অফিস থেকে বিনা ধান-১৯-এর একটি প্রদর্শনী করা হয়। সেখান থেকে ওই ধানের নতুন আমি বীজ সংগ্রহে রেখেছি। অনেকেই আমার কাছ থেকে বীজ কিনে নিচ্ছেন। আমার এক বিঘা জমিতে কাঁচা ২২ মণ ধান হয়েছে। বাবুই পাখি কিছু খেয়ে ফেলেছে, না হলে আরও বেশি হতো। আমরা এই জাত পেয়ে খুশি।’

ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর এলাকার কৃষক নুর ইসলাম জানান, ‘আগে ফলন খুবই কম হওয়ায় কৃষকরা আউশ ধান চাষ করতে আগ্রহ হারাচ্ছিলেন। চলতি মৌসুমে আউশের বাম্পার ফলন হওয়ায় তারা ভীষণ উৎসাহিত হয়েছেন। যদিও চলতি মৌসুমে উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে আউশের আবাদে মনোযোগী হন চাষিরা।’

আরেক কৃষক সাত্তার মোল্লা বলেন, ‘বোরো ধান কাটার সঙ্গে সঙ্গেই কৃষকরা আউশ রোপণ করেন। মাত্র ১০০ দিনেই আউশ ধান কৃষকদের ঘরে আসে। ধান কাটার সঙ্গে সঙ্গেই একই জমিতে কেউ চলতি আমনের চারা রোপণ করেছেন।’

জাজিরা উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জামাল হোসেন জানান, ‘সরকার বৃষ্টিনির্ভর আউশ উৎপাদনের চিন্তা করছে। যাতে গ্রাউন্ড ওয়াটার হার্ভেস্ট কম হয়, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনা যায়। সেই লক্ষ্যে আমরা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষকদের নিয়ে আউশ উৎপাদনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এই জন্যে স্থানীয় জাতের বদলে আধুনিক উফসী যেমন ব্রিধান ৮২, ব্রিধান ৮৫ এবং বিনাধান ১৯-এর মতো জাত নিয়ে এসেছি, যার গড় ফলন পাঁচ টনের মতো। বর্তমানে আউশ উৎপাদন বাড়াতে জাজিরাতে এক হাজার ৩৯০ জনকে উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে বিনামূল্যে সার ও বীজ সরবরাহ করা হয়েছে।’

ভেদরগঞ্জ উপজেলার কৃষি অফিসার ফাতেমা ইসলাম জানান, ‘আমরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের মাঠ দিবস, উঠান বৈঠক, প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন তৎপরতা অব্যাহত রেখেছি। এজন্য সেচনির্ভর বোরো আবাদের পর তারা বৃষ্টির পানিতে আউশ চাষ করেছেন। ফলে আউশের ফলন ভালো হয়েছে। পাশাপাশি ধানের দাম বেশি থাকায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১ ১০:০১ অপরাহ্ন
রাতের আঁধারে কৃষকের পেঁপে বাগান কাটল দুর্বৃত্তরা
কৃষি বিভাগ

গাজীপুরের শ্রীপুরে সংখ্যালঘু সনাতন ধর্মালম্বী এক কৃষকের অর্ধ শতাধিক পেঁপে গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নাম শ্রী বিপ্লব চন্দ্র বর্মণ। তিনি ওই গ্রামের শ্রী মাধব চন্দ্র বর্মণের ছেলে।উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের কাওরাইদ মধ্য পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শনিবার মধ্য রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা গাছ ভর্তি পেঁপেসহ গাছগুলো কেটে ফেলে। সকালে কৃষক ক্ষেতে গেলে এ ঘটনা চোখে পড়ে। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে অবহিত করেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ গ্রামে সংখ্যালঘু সনাতন ধর্মালম্বী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর চার পাঁচটি পরিবার বসবাস করে। তারা সাধারণত কৃষি কাজের ওপর নির্ভর করেই জীবিকা নির্বাহ করেন। বিপ্লব চন্দ্র বর্মণ ও বিপুল চন্দ্র বর্মণ দুই ভাই তাদের পৈত্রিক জমিতে পেঁপে চাষ করেছেন। এরি মধ্যে গাছে বেশ পেঁপে ধরেছে।

শনিবার রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা অর্ধশতাধিক পেঁপে গাছ কেটে ফেলে। সকালে কৃষক ক্ষেতে গেলে এমন চিত্র দেখেন।

স্থানীয় মানবাধিকার কর্মী রাহাত আকন্দ জানান, নিরীহ কৃষকের এমন ক্ষতি চরম অন্যায়। সংখ্যালঘু পরিবারটি কৃষির ওপর নির্ভর করেই চলেন। দুর্বৃত্তদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি করেন এ মানবাধিকার কর্মী।

কৃষক বিপ্লব চন্দ্র বর্মণ জানান, পৈত্রিক জমির ৭ কাঠা জমিতে পাঁচশতাধিক পেঁপে গাছ রোপন করেন। গাছগুলোর বয়স ছয় মাসের বেশি। এরি মাঝে পেঁপে বিক্রি শুরু করেন তিনি। সকালে ক্ষেতে গেলে পেঁপে ভর্তি অর্ধশতাধিক গাছ কাটা অবস্থায় দেখেন বিপ্লব। পরে তিনি স্থানীয়দেরসহ জনপ্রতিনিধিদের ডেকে ক্ষতিগ্রস্ত পেঁপে বাগানটি দেখান।

স্থানীয় ইউপি সদস্য (৩ নং ওয়ার্ড) আবদুস সামাদ জানান, সকালেই এমন খবর পেয়ে সরেজমিনে খোঁজ নিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারকে আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি। তাদের সকল সহযোগীতা করা হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop