১:১৯ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ৩১, ২০২২ ৪:০০ অপরাহ্ন
পাবনার চাটমোহরে সরিষার বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

পাবনার চাটমোহর সহ চলনবিল অঞ্চলে পাকা সরিষা কর্তন শুরু করেছে চাষিরা। চলতি রবি মৌসুমে উপজেলায় সরিষার চাষ ব্যাপক ফলন হয়েছে। আশানুরুপ ফলনে মহা খুশি কৃষক।

সরিষার ভালো ফলনের পাশাপাশি ন্যায্য মূল্য পাবেন বলে আশা করছেন কৃষকরা। এ মৌসুমে সরিষার চাষ ভালো হওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মৌচাষিদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ উপজেলায় চলতি মৌসুমে মোট ৬হাজার ৩শ’৩০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। সরিষার ফলন বাড়াতে কৃষকদের মাঝে মৌসুমের শুরুতে বিএডিসি কর্তৃক উচ্চ ফলনশীল জাতের সরিষা বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া কৃষি প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে কৃষকদের সরিষা বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে। উন্নত ফলনশীল জাতের বারী-৯,১১,১৪,১৫,১৭,১৮, বিনা- ৪, টরি-৭ জাতের সরিষার চাষ সহ স্থানীয় জাতের সরিষার চাষ হয়েছে।

চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া পাড় মাঝগ্রামের সরিষা চাষী আলা উদ্দিন জানান, তিনি ১৪ বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছেন। ইতিমধ্যে ৫ বিঘা সরিষা কেটেছেন বাকী সরিষা দু’চারদিনের মধ্যে কাটা শুরু করবেন। এ বছর সরিষার ফলন ভালো হয়েছে। তার পাশ্ববর্তী জমিতে সরিষা কাটা শুরু হয়েছে বলে তিনি জানান।

উপজেলা কৃষি অফিসার এ.এ. মাসুম বিল্লাহ বলেন, উপজেলায় সরিষা চাষ সফল করতে কৃষক পর্যায়ে ব্যাপক উদ্বুদ্ধকরণের পাশাপাশি সরিষা সংরক্ষণের জন্য যথাপোযুক্ত পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও সরিষার ফুল ও পাতা জমির উর্বরতা শক্তি বাড়ায় বলে তিনি জানান।

সরিষা কর্তনের এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সরিষার বাম্পার ফলন সহ ভালো দাম পেয়ে খুশি চাষী। সরিষা চাষ বেশ লাভজনক, বর্তমানে সরিষা ২ হাজার ৩শ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা মন বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩১, ২০২২ ১:৩২ অপরাহ্ন
বিলাঞ্চলে জমি চাষাবাদের একমাত্র ভরসা নৌকা টিলার
কৃষি বিভাগ

বিলাঞ্চলের মাটি নরম ও প্রায় বারো মাসই পানিতে ডুবে থাকায় পাওয়ার টিলার কিংবা ট্রাক্টর দিয়ে চাষাবাদ করা সম্ভব হচ্ছেনা। ফলে জেলার উজিরপুর উপজেলার বিলাঞ্চলের জমি চাষাবাদের জন্য কৃষকের কাছে গত দুইবছর ধরে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে স্থানীয়ভাবে তৈরিকৃত নৌকা টিলার।

সরেজমিনে উজিরপুরের পশ্চিম সাতলা গ্রামের কৃষক হেমান্ত সমদ্দারসহ একাধিক কৃষকরা জনকণ্ঠকে বলেন, দীর্ঘদিন থেকে বিলাঞ্চলের কৃষকের কাছে গরুর হালই ছিলো একমাত্র ভরসা। কালের বিবর্তনে গরুর হাল অনেকটা বিলুপ্ত হওয়ায় বিলাঞ্চলের কৃষকের বোরো মৌসুমে অনেকটা বিপাকে পরতে হয়। এরইমধ্যে গত দুইবছর পূর্বে সাতলা ইউনিয়নের পশ্চিম সাতলা গ্রামের জলিল মোল্লা নামের এক চাষী স্থানীয় ওয়াকর্শপ দিয়ে নিজের মেধায় বিলাঞ্চলের নরম মাটিতে ও পানির মধ্যে জমি চাষাবাদের জন্য একটি নৌকা টিলার নির্মান করেন। স্টীল বডির একটি নৌকার ওপর ডিজেল চালিত পাম্প মেশিন বসিয়ে বিশেষ কৌশলে নৌকার পেছনে লাগানো ট্রাক্টরের ২০টি লোহার লাঙ্গল দিয়ে চাষবাদ করা হয় বলেই স্থানীয়ভাবে এ যন্ত্রের নাম দেয়া হয়েছে নৌকা টিলার।

কৃষকরা আরও বলেন, প্রথম বছরেই বিলাঞ্চলের পুরো এলাকায় জলিল মোল্লার নৌকা টিলারটি ব্যাপক সারা ফেলে। ফলশ্রুতিতে গত দুই বছরে উজিরপুরের বিলাঞ্চলের জমি চাষাবাদের জন্য স্থানীয়ভাবে অসংখ্য নৌকা টিলার নির্মান করা হয়েছে।

নৌকা টিলারের প্রথম নির্মাতা জলিল মোল্লা বলেন, প্রতিটি নৌকা টিলার নির্মানে খরচ হচ্ছে ৬৫ হাজার টাকা। গত বছর প্রতি বিঘা জমি চাষাবাদের জন্য চাষীদের কাছ থেকে ১২শ’ টাকা নেওয়া হয়েছে। চলতি মৌসুমে ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে প্রতি বিঘা জমি চাষাবাদের জন্য নেওয়া হচ্ছে ১৪শ’ টাকা।

তিনি আরও বলেন, প্রতিটি নৌকা টিলারের দুইজন চালক, জ্বালানী খরচসহ অন্যান্য সকল খরচ মিটিয়ে প্রতিদিন লাভ হচ্ছে প্রায় তিন হাজার টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩১, ২০২২ ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
পাবনার সুজানগরে সূর্যমুখীর বাণিজ্যিক চাষ বাড়ছে
কৃষি বিভাগ

পাবনার সুজানগরে আগে স্বল্প পরিসরে বাণিজ্যিকভাবে সূর্যমুখী ফুল চাষ করা হলেও এ বছর তা বেড়েছে। বিশেষ করে উপজেলার চরাঞ্চলের জমিতে ব্যাপকভাবে সূর্যমুখী ফুল চাষ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চরসুজানগর, চরভবানীপুর চরবিশ্বনাথপুর, ভাটাপাড়া, শ্যামনগর এবং চরখলিলপুরে রয়েছে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। ঐ সব চরাঞ্চলের জমিতে ধানপাট তেমন ভাল হয় না। চলতি মৌসুমে ঐ সব জমিতে স্থানীয় কৃষকরা সূর্যমুখী ফুল চাষ করেছেন। গত বছর ১০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী ফুল চাষ করা হলেও এবার ১৫ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে।

উপজেলার চরসুজানগর গ্রামের কৃষক বাদশা শেখ বলেন, সূর্যমুখী ফুল চাষে উৎপাদন খরচ কম। তাছাড়া ফলন হয় বেশ ভালো। সে কারণে লাভ বেশি হয়।

উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুস সাত্তার বলেন, এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুল চাষ করতে সার-বীজসহ উৎপাদন খরচ হয় ১২-১৫ হাজার টাকা। আর প্রতি বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের বীজ উৎপাদন হয় ৬-৭ মণ। বর্তমানে হাট-বাজারে প্রতি মণ সূর্যমুখী ফুলের বীজ বিক্রি হচ্ছে চার হাজার টাকা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম বলেন, সূর্যমুখী ফুল চাষে উৎপাদন খরচের চেয়ে লাভ বেশি। সে কারণে কৃষকরা সূর্যমুখী ফুল চাষে ঝুঁকছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩১, ২০২২ ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
তরমুজ চাষে ব্যস্ত পটুয়াখালীর কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

তরমুজ চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন পটুয়াখালীর কৃষকরা। গতবছর তরমুজের ভালো দাম পাওয়ায়, এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে তরমুজ চাষ হচ্ছে বলে জানায় কৃষি বিভাগ। তবে তরমুজ চাষের বীজ, কীটনাশক ও সারের দাম বাড়ায় ক্ষোভ জানান কৃষকরা।

সারাদেশে যে পরিমাণ তরমুজের চাহিদা তার বড় একটি অংশ পটুয়াখালী জেলায় উৎপাদন হয়। এছাড়া এই অঞ্চলের তরমুজ সুমিষ্ট হওয়ায়, দেশজুড়ে এর বাড়তি চাহিদা রয়েছে। পাশাপাশি গতবছর তরমুজ কেজি হিসেবে বিক্রি এবং দাম ভালো পাওয়ায়, কৃষকরা এবার বাড়তি আগ্রহ নিয়ে বেশি জমিতে তরমুজ চাষে নেমেছেন। আমন ধান কাটার পরপরই পরিবার-পরিজন নিয়ে মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

তবে বিগত বছরের চেয়ে এবার তরমুজের বীজ, সার এবং কীটনাশকের দাম বেড়েছে বলে জানালেন কৃষকরা। পাশাপাশি ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে জমি চাষেও বেশি খরচ হচ্ছে। এর ফলে, এবার তরমুজের উৎপাদন খরচ বাড়বে বলে জানান তারা।

পটুয়াখালী জেলা কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম মহিউদ্দিন জানান, কৃষকদের তরমুজ চাষে প্রয়োজনীয় পরামর্শ এবং সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। তাই দিনদিন এই জেলায় তরমুজের আবাদী জমির পরিমাণ বাড়ছে।

ভালো দাম পেতে এবং মৌসুমের আগেই তরমুজ বাজারে তুলতে আগাম তরমুজ চাষ করেছেন কেউ কেউ। যার ফলনও পেতে শুরু করেছেন তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ৫:১১ অপরাহ্ন
বরিশালে নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ফসল উৎপাদনে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার’ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ফসল উৎপাদনে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার’ বিষয়ক দুইদিনের কৃষক প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ নগরীর খামারবাড়িতে কৃষি তথ্য সার্ভিসের উদ্যোগে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হৃদয়েশ্বর দত্ত। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, উজিরপুরের মুন্ডুপাশা কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রের সভাপতি মো. ফজলুল হক, বেতাগীর বুড়ামজুমদার ইউনিয়নের ইউপি. সদস্য মো. আব্দুল মন্নান প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, পুষ্টি ও নিরাপদ খাবার উৎপাদনে প্রয়োজন জৈব বালাইনাশক ব্যবহার। এর সাথে আরো কিছু করণীয় রয়েছে। এর অংশ হিসেবে অপরিপক্ক ফসল সংগ্রহ না করা। কোনো ফল যেন কৃত্রিমভাবে পাকানো না হয়। তাহলেই এর গুণগতমান অক্ষুন্ন থাকবে। ফল-সবজি হবে সুস্বাদু।

প্রশিক্ষণে বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর ও ভোলা জেলার কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রের ৩০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ৪:৫৪ অপরাহ্ন
৫ হাজার মণ কাঁচাপাট জব্দ
কৃষি বিভাগ

নিয়মবহির্ভূত ভাবে গুদামে মজুদ করায় পাঁচ হাজার মণ কাঁচাপাট জব্দ করেছে পাট অধিদপ্তর। অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রয়োজনীয় কাঁচাপাট সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানির ধারা বেগবান করার লক্ষ্যে নিয়মবহির্ভূত কাঁচাপাট মজুদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে পাট অধিদপ্তর।

রোববার (৩০ জানুয়ারি) পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) হোসেন আলী খোন্দকার ও নাটোর জেলা প্রশাসনের সহায়তায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নাটোরের গুরুদাশপুর উপজেলার নাজিরপুর বাজারের বিভিন্ন পাটের গুদামে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচা‍লিত হয়। অভিযানকালে ভাই-ভাই ট্রেডার্স গুদাম থেকে নিয়মবহির্ভূত মজুদ করা প্রায় পাঁচ হাজার মণ কাঁচাপাট জব্দ করা হয়।

জানা গেছে, দেশে কাঁচাপাটের সংকট তৈরির কারণে পাটকলগুলোর উৎপাদন ঝুঁকিতে পড়েছে। এ অবস্থায় পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয়ের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য কাঁচাপাটের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। লাইসেন্স বিহীন অসাধু ব্যবসায়ীরা, কাঁচাপাটের ডিলার/আড়তদাররা এক হাজার মণের বেশি কাঁচাপাট এক মাসের বেশি সময় ধরে মজুদ করতে পারবে না। এছাড়াও লাইসেন্স বিহীন কাঁচাপাট ক্রয়-বিক্রয় ও মজুদ থেকে বিরত রাখা; ভিজাপাট ক্রয়-বিক্রয় রোধ করা; বাজারে কাঁচাপাটের সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পাট অধিদপ্তর কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

এছাড়া চলতি পাট মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, পাট চাষ নিশ্চিতকরণে বীজ সরবরাহ সঠিক রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মানসম্মত পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে পাঁচবছরের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় যৌথ উদ্যোগে একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত পাটবীজ উৎপাদনে স্বনির্ভর হবে। প্রয়োজনীয় পাটবীজ সংগ্রহে আমদানি নির্ভরতা আর থাকবে না। এ পাট মৌসুম থেকে রোডম্যাপ বাস্তবায়ন শুরু হবে। ধাপে ধাপে তা আগামী পাঁচবছরে শতভাগ বাস্তবায়ন করা হবে।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় উচ্চফলনশীল পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ম্ভরতা অর্জন এবং মানসম্মত পাট উৎপাদনে কৃষকদের উদ্ধুদ্ধকরণ ও সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)- এর আওতায় ‘উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্প চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি দেশের ৪৬টি জেলার ২৩০টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় প্রতিবছর প্রত্যক্ষভাবে এক লাখ ৫৩ হাজার পাটচাষি ও পরোক্ষভাবে ছয় লাখ ১২ হাজার কৃষক ও পরিবারের সদস্য উপকৃত হচ্ছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
যে কোনো মূল্যে চালের উৎপাদন বাড়াতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

যে কোনো মূল্যে চালের উৎপাদন বাড়াতে বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণকর্মী ও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেছেন, ‘রেকর্ড উৎপাদন ও সর্বকালের সর্বোচ্চ সরকারি মজুদ থাকার পরও দেশে চালের দাম নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। চাল আমাদের প্রধান খাদ্য। যে কোনো মূল্যে চালের উৎপাদন আমাদেরকে বাড়াতে হবে। এ অবস্থায়, হাওর, উপকূলসহ প্রতিকূল এলাকায় ধানের চাষ সম্প্রসারণ এবং নতুন উদ্ভাবিত উচ্চ উৎপাদনশীল জাতগুলোকে দ্রুত মাঠে নিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণকর্মীসহ সকল কর্মকর্তাদের সমন্বিত ও নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে।’

রোববার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রকল্প পরিচালক হওয়ার জন্য তদবির না করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘পেশাগত দক্ষতা, যোগ্যতা, নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনার সামর্থ্যসহ নানা দিক বিবেচনা করে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয়। পিডি হয়ে অনিয়ম দুর্নীতি করে অনৈতিক সুযোগসুবিধা নিবেন ও পাবেন- এই আশায় তদবির করে পিডি হবেন না। আর যারা পিডি হয়েছেন, তাদেরকে অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে প্রকল্পের অর্থ ব্যয় করতে হবে। সততা, নিষ্ঠা ও সতর্কতার সাথে কাজ করতে হবে।’

এ সময় সরেজমিনে কঠোরভাবে প্রকল্পের কাজ তদারকি করতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন কৃষিমন্ত্রী।

সভায় জানানো হয়, চলমান ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের সংখ্যা ৭১টি। মোট বরাদ্দ ২ হাজার ৯২৮ কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি হয়েছে প্রায় ৩২ শতাংশ, যা জাতীয় গড় অগ্রগতিরে চেয়ে ৮ শতাংশ বেশি। এ সময়ে জাতীয় গড় অগ্রগতি হয়েছে ২৪ শতাংশ।

সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. আবদুর রৌফ, কমলারঞ্জন দাশ, মো. রুহুল আমিন তালুকদার, বলাই কৃষ্ণ হাজরা, আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংস্থাপ্রধান ও  প্রকল্প পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ৪:১৮ অপরাহ্ন
কুড়িগ্রামে শৈত্যপ্রবাহে বোরো আবাদ ব্যাহতের আশঙ্কা
কৃষি বিভাগ

মাঘের শীতে কাবু হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রামের জনজীবন। বিগত ৩ দিন ধরে অঞ্চলটিতে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। এতে জনজীবনের দুর্ভোগ বাড়ার পাশাপাশি বোরো আবাদ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

রোববার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস। কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি ও সিনপটিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, রোববার (৩০ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। শনিবারও (২৯ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একই ছিল।

তিনি আরও জানিয়েছেন, সকালে কুয়াশা পড়লেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের দেখা মিলেছে। কিন্তু উত্তরে হিমেল হাওয়ার কারণে ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে।

এ অবস্থায় সেচনির্ভর বোরো আবাদ নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন কৃষকরা। এ বিষয়ে সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের দোয়ালীপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল জব্বার জানান, ঠান্ডার কারণে বোরো আবাদ পিছিয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এখনো তিন ভাগের এক ভাগ জমিতে বোরোর চার রোপণ করতে পারিনি। কনকনে ঠান্ডার কারণে পানির মধ্যে চারা রোপণ করতে চাচ্ছেন না মজুররা। আগে চারা রোপণে বিঘাপ্রতি ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকা মজুরদের দিতে হতো। এখন ২ হাজার টাকা চাইছে। তারপরও মজুর পাওয়া যাচ্ছে না।

শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাওয়ার সময়ে চারা রোপণের বিষয়ে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, শৈত্যপ্রবাহ চলাকালীন বোরোর চারা রোপণে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। কারণ শৈত্যপ্রবাহের সময় রোপণকৃত চারা ‘ট্রান্সপ্লান্ট শক’ সহ্য করতে পারবে না। এতে চারার স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দফতরের উপপরিচালক মো. আব্দুর রশীদ জানান, ঠান্ডা বেশি হলেও কুয়াশা কম থাকার পাশাপাশি রোদ উঠেছে। ফলে বোরো বীজতলার কোনো ক্ষতি এখন পর্যন্ত হয়নি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দফতরের তথ্য মতে, কুড়িগ্রামে এবার এক লাখ ১৫ হাজার ৫৫৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে এ পর্যন্ত ২৮ হাজার ১৪০ হেক্টরে বোরো চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ২:৫০ অপরাহ্ন
বালাইনাশকের উৎস উন্মুক্তকরণে দ্বন্দ্বে পিটাক-কৃষি মন্ত্রণালয়
কৃষি বিভাগ

বালাইনাশকের উৎস উন্মুক্তকরণ নিয়ে প্রকাশ্য দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি (পিটাক) ও কৃষি মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় বলছে, যে কোনো দেশ থেকে বালাইনাশকের কাঁচামাল আমদানিতে দেশীয় উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের কোনো আইনি বাধা নেই। অথচ সেই সুযোগ বন্ধ রেখেছে পিটাক। এ অবস্থায় দেশীয় উৎপাদকদের জন্য বালাইনাশকের একাধিক উৎস পছন্দের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। তবে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে বাদ সেধেছে পিটাক। তারা বলছে, উৎস উন্মুক্ত করার কোনো সুযোগ নেই।

আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কৃষিতে বেড়েছে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ। এসব মোকাবিলা করে অধিক ফলনের আশায় বালাইনাশক ব্যবহার করছেন কৃষকরা।

চাহিদার প্রেক্ষিতে দেশে বালাইনাশকের চার হাজার কোটির টাকার বিশাল বাজার গড়ে উঠেছে। খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, যার ৮০ ভাগ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের দখলে। আর মাত্র ২০ শতাংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে প্রায় ৬০০ এর বেশি আমদানিকারক এবং ২২টি দেশীয় উৎপাদক প্রতিষ্ঠান। উৎপাদকদের অভিযোগ, সরকারের বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির (পিটাক) বৈষম্যমূলক শর্তের কারণে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন তারা।

দেশে ফসলের মাকড় দমনে কার্যকরী বালাইনাশক সালফার। দেশীয় উৎপাদকরা বলছেন, চীনে প্রতি টন সালফারের দাম পড়ে ৭৫০ ডলার। বিপরীতে ভারতে খরচ পড়ে ৬৩৫ ডলার। সাধারণত একই মানের কাঁচামাল যেখানে কম দাম পাবেন ব্যবসায়ীরা সেখান থেকে আমদানি করবেন। এক্ষেত্রে নেই আইনি বাধাও। অথচ পিটাকের ৭৭তম সভায় শর্ত আরোপ করে দেশীয় উৎপাদকদের উৎস পরিবর্তনের সুযোগ সীমাবদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। তবে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান চাইলে কান্ট্রি অব অরিজিন সার্টিফিকেট নিয়ে যেকোন দেশ থেকে পণ্য বা কাঁচামাল আনতে পারে।

এ বিষয়ে ন্যাশনাল অ্যাগ্রিকেয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কে এস এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, শুধু একটি পণ্যের উৎস পরিবর্তন করতে যদি ৪ বছর লাগে। অথচ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ল্যাবরেটরি পরীক্ষা করে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই সেই উৎস পরিবর্তন করে চীনের পরিবর্তে ভারত থেকে আনতে পারবে। 

এদিকে কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, পিটাকের দেওয়া শর্তের আইনি ভিত্তি নেই। তাই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরকে বালাইনাশকের উৎস উন্মুক্ত করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. বেনজীর আলম বলেন, যেহেতু আমরা চাচ্ছি যে, কৃষিপণ্য দেশের উৎপাদন করব স্থানীয়ভাবে এবং বিদেশে রফতানি করব। সেই সঙ্গে আমরা চাচ্ছি উৎস উন্মুক্ত করা হোক। একটি কমিটি হয়েছে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি এই বিষয়টি নিয়ে।

অপরদিকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের এমন নির্দেশনার প্রকাশ্যে বিরোধিতা করছে পিটাক। পিটাক বলছে, বালাইনাশকের উৎস উন্মুক্ত করার সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে বালাইনাশক কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সচিব মো. আব্দুল মাজেদ বলেছেন, সিদ্ধান্ত হচ্ছে একটিই। কোনো অবস্থাতেই এটিকে উন্মুক্ত করা যাবে না। উৎস পরিবর্তন করা যাবে। 

এদিকে পিটাকের বিরোধিতা সত্ত্বেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে চায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩০, ২০২২ ১:৪৬ অপরাহ্ন
লালমনিরহাটে কৃষিভিত্তিক শিল্প কলকারখানা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে সরকার
কৃষি বিভাগ

বর্তমান সরকার দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে, মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য কাজ করছে। দেশের মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, সে জন্য সবকিছু করা হচ্ছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। মন্ত্রী বলেন, দেশের উত্তরাঞ্চলে এখন শীত বেশি। শীতার্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে এসেছি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগের কারণে এ অঞ্চল থেকে মঙ্গা বিদায় নিয়েছে। একের পর এক উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। লালমনিরহাটে কৃষিভিত্তিক শিল্প কলকারখানা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চলছে। যাতে করে এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান হয়, মানুষের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয় এবং মানুষের জীবন যাত্রার পরিবর্তন হয়।

লালমনিহাটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার কাজ চলছে। লালমনিহাটও আজ উন্নয়ন থেকে বাইরে নয়। দেশের গ্রামগুলো এখন শহরে পরিনত হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী আজ (২৯ জানুয়ারি) লালমনিহাটের শেখ সফিউদ্দিন কমার্স কলেজ প্রঙ্গনে রোটারি ক্লাব অব লালমনিরহাট আয়োজিত এবং ঢাকার ৫টি রোটারি ক্লাবের সহযোগীতায় লালমনিরহাটের শীতার্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে করোনার প্রকপ বাড়ছে। সবাইকে স্বাস্থ্য সচেতন করতে হবে। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সকলের প্রচেষ্টা ও আন্তরিক ইচ্ছা ছাড়া এ মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব নয়।

পরে বাণিজ্যমন্ত্রী কলেজ প্রঙ্গনে বৃক্ষ রোপন করেন, মাস্ক বিতরন ও বিনা মূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প এর উদ্বোধন করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop