৪:০৮ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২ ৫:২৭ অপরাহ্ন
দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় বড় যোগান দেয় মাছ: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় মাছ বড় যোগান দেয় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের রজতজয়ন্তী উদযাপনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের মৎস্যসম্পদকে গুরুত্ব দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন মাছ হবে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে মাছ ও প্রাণিসম্পদের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সে সময় তুলে ধরেছিলেন বঙ্গবন্ধু। মৎস্যসম্পদ আহরণের জন্য তার সময়ে বিদেশ থেকে মাছ ধরার ট্রলার আনা হয়। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে সমুদ্র সংক্রান্ত আইন তৈরি করেছেন। এ আইনের উপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রায় সমপরিমাণ আয়তনের সমুদ্র সীমায় আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেই সমুদ্রসীমা আমাদের সুনীল অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করছে। সুনীল অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্রচলিত ও অপ্রচলিত মাছ, সামুদ্রিক শৈবালসহ অন্যান্য সম্পদ।

মৎস্যবিজ্ঞানের ক্ষেত্র উন্মুক্ত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশে ও দেশের বাইরে মৎস্যবিজ্ঞানের ব্যপ্তি ও কাজ করার সুযোগ অনেক বেশি। এ বিষয়ে দেশে গবেষণার প্রচুর সুযোগ ও বরাদ্দ রয়েছে। মৎস্যবিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। মৎস্য খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মৎস্যবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। মৎস্য খাত উদ্যোক্তা তৈরি করছে। বেকারত্ব দূর করতে এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গ্রামীণ অর্থনীতি সচলে ভূমিকা রাখছে।

দেশে মাছের উৎপাদন ৫ দশমিক ৬৫ লাখ মেট্রিক টন উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও যোগ করেন, এক সময় বলা হত ভাতে-মাছে বাঙালি। তারপর একটা সময় বলা হত মাছের আকাল। বর্তমানে মাছের উৎপাদন অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মৎস্য খাতে উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। সরকার এ খাতে স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে ঋণ দিচ্ছে, উদ্যোক্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে ৩৭ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় মাছ ফিরিয়ে এনেছে। দেশীয় মাছ সংরক্ষণে লাইভ জিন ব্যাংক করা হয়েছে। কোন অঞ্চলে মাছের শূন্যতা দেখা দিলে জিন ব্যাংক থেকে মাছের পোনা সে অঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে। ফলে দেশের কোথাও আর মাছের আকাল হবে না। এখন গ্রাম থেকে শহরে সর্বত্র পুষ্টিসম্মত পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় প্রণোদনা ও পৃষ্ঠপোষকতা বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা এগিয়ে আসায় এটা সম্ভব হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন মনির।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২ ৫:৩৩ অপরাহ্ন
মিয়ানমার থেকে নাফ নদী সাঁতরে বাংলাদেশে প্রবেশ করলো মহিষের পাল
প্রাণিসম্পদ

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমার থেকে নাফ নদী সাঁতরে একটি মহিষের পাল প্রবেশ করেছে বাংলাদেশে।

মহিষের পালটিতে ছোট বড় ১৯টি মহিষ রয়েছে।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা সীমান্ত দিয়ে মহিষের পালটিকে নাফ নদী সাঁতরে আসতে দেখে টহলরত বিজিবি সদস্যরা। এসময় স্থানীয়দের সহায়তায় মহিষের পালটিকে এক স্থানে একত্রিত করে রাখা হয়।

বিজিবি টেকনাফ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে.কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খোঁজখবর করেও মহিষগুলোর কোনো মালিক খুঁজে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, মিয়ানমার থেকে নদী সাঁতরে মহিষের পালটি এইপারে চলে এসেছে। জব্দকৃত মহিষের পালটিকে টেকনাফ শুল্ক গুদামে জমা করা হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২ ৪:৫০ অপরাহ্ন
দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণে সম্মিলিত প্রচেষ্টা নেয়ার আহ্বান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী’র
প্রাণিসম্পদ

দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও বিস্তারে সম্মিলিত প্রচেষ্টা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ-এর থ্রিডি হলে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের কেন্দ্রীয় অবহিতকরণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক আমাদের জন্য খুবই উপযোগী। আমরা এক সময় সামুদ্রিক মাছে অভ্যস্ত ছিলাম না। বিদেশি মাছের চাষাবাদও এখানে হতো না। আমাদের সবচেয়ে সুস্বাদু মাছ ছিল দেশীয় মাছ। সে মাছ নানা ঘটনা প্রবাহে অনেকটা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আধুনিক শস্য চাষ করতে গিয়ে একদিকে গুরুত্ব দিয়ে অন্যদিকে গুরত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে দেশীয় মাছ উৎপাদনের উৎস মূলে আঘাত করা হয়েছে। জলাশয়, পুকুর, নদী ভরাট ও কীটনাশকের অপরিমিত ব্যবহারের কারণে দেশীয় মাছ বিলুপ্ত হওয়ার মত অবস্থায় চলে গেছে। মাছের অভয়াশ্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বর্তমান সরকারের কার্যকর উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং মৎস্য অধিদপ্তর দীর্ঘ কার্যক্রমের মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ৩৭টি বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির দেশীয় মাছ ফিরিয়ে এনেছে।

দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, দেশীয় মাছ খাবারের চাহিদা মেটায় এবং পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটায়। মাছের পাশাপাশি শামুক ও ঝিনুকের নানা প্রকার উপযোগিতা রয়েছে। দেশীয় মাছ এবং শামুকের বিস্তার ও সংরক্ষণে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে। পাশাপাশি দেশের প্রচলিত ও অপ্রচলিত সব ধরণের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণেও কাজ করতে হবে।
মৎস্যসম্পদের প্রতি আমরা যত বেশি যত্নশীল হবো ততো বেশি এ খাতের বিকাশ হবে। এ খাত বিকশিত হলে খাবারের চাহিদা পূরণ হবে, আমিষের যোগান হবে। পর্যাপ্ত উৎপাদন হলে মাছ বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে।

দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য এ সময় আহ্বান জানান মন্ত্রী।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হকের সভাপতিত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান ও প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক এস এম আশিকুর রহমান। মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মৎস্য অধিদপ্তরের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এবং মৎস্যজীবী প্রতিনিধিগণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২ ১২:১২ অপরাহ্ন
বাংলাদেশিদের ৫৮ গরু ফেরত দিল বিএসএফ
প্রাণিসম্পদ

রাজশাহী সীমান্ত থেকে ধরে নেয়া বাংলাদেশিদের ৫৮টি গরু ফেরত দিয়েছে বিএসএফ।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় বাংলাদেশর খিদিরপুর বিওপি কমান্ডার এবং ভারতের রাজানগর ক্যাম্প কমান্ডারের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে গুরুগুলো ফেরত দেয়া হয়।

পরে ব্যাটালিয়নের অ্যাডজুটেন্ট সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের উপস্থিতিতে মুচলেকা নিয়ে প্রকৃত মালিকদের কাছে গরুগুলো হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে, শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চর খিদিরপুর বিওপির সীমান্তের কাছে বাংলাদেশিদের ৫৮টি গরু ঘাস খেতে খেতে ভারতের ৫০০ গজ অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে। পরে করলে বিএসএফের রাজানগর ক্যাম্পের টহল দল গরুগুলো ধরে নিয়ে যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২ ৭:২৮ পূর্বাহ্ন
রাঙ্গুনিয়ায় ডেইরি ফার্মে আগুন,মারা গেল ১৮ গরু!
প্রাণিসম্পদ

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় একটি ডেইরি ফার্মে (গরুর খামার) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আগুনে পুড়ে ১৮টি গরু মারা গেছে এবং দগ্ধ হয়েছে আরও ১টি গরু।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের সিপাহি পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

সরফভাটা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী জানান, সিপাহী পাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতির মালিকানাধীন এই খামারটিতে সন্ধ্যার দিকে আগুন লাগে। আগুনে খামারটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে খামারে থাকা ১৮টি গরু পুড়ে মারা গেছে।

সমিতির সদস্য জামাল উদ্দিন জানান, এলাকার ২০ জন যুবক মিলে এই সমিতি গঠন করে খামারটি গড়ে তুলেছেন। হঠাৎ আগুনে তাদের দীর্ঘদিনের সব পরিশ্রম শেষ হয়ে গেছে। পুড়ে যাওয়া গরুর মধ্যে ৬টি বাছুর ছিল।

ফায়ার সার্ভিসের রাঙ্গুনিয়া স্টেশন কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান সুমন জানান, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা ধারণা করছি। আগুনে একটি ৭০ ফুট লম্বা ও ৩০ ফুট প্রস্থের একটি গরুর খামার পুড়ে গিয়ে খামারের ১৮টি গরু পুড়ে যায়। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২ ৬:০১ অপরাহ্ন
হাঁসের খোঁয়াড়ে পাওয়া গেল কালো ডিম, এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য
প্রাণিসম্পদ

গতকাল সকালে হাঁসের খোঁয়াড়ে যান গৃহকর্ত্রী তাসলিমা বেগম। কয়েকটি ডিমের মধ্যে চোখে পড়ে ডিম আকৃতির কালো বস্তু। প্রথমে ভয় পেয়ে গেলেও কাছে গিয়ে দেখেন কালো বস্তুটা সত্যি ডিম। প্রথমে এলাকাবাসীর অনেকে বিশ্বাস না করলেও খবর দেওয়া হয়েছিল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালেও খামারে আরো একটি কালো ডিমের সন্ধান পেয়েছেন তাসলিমা। ডিমটি একই হাঁসের বলে দাবি তার। তাসলিমার দাবি, হাঁসটির বয়স আট মাস। সাদা রঙের এই হাঁসটির প্রথম ডিম এটাই।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল মতিনের বাড়িতে পাওয়া যায় এই কালো ডিম। তাসলিমা আব্দুল মতিনের স্ত্রী।

আব্দুল মতিন দাবি করেন, তার স্ত্রী ১১টি দেশি হাঁস পালন করেন। এর মধ্যে আট মাস বয়সী একটি হাঁস এই প্রথম ডিম পাড়ে। সকালে বাড়ির খোঁয়াড় থেকে হাঁস ছাড়তে গেলে কালো রঙের একটি ডিম দেখতে পান। একই অবস্থা বৃহস্পতিবারও ঘটে। বিষয়টি নিয়ে তারাও বেশ চিন্তিত।

চরফ্যাশন উপজেলা উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘বুধবার হাঁসের কালো ডিম দেওয়ার বিষয়টি জানার পর আমরা ওই বাড়িতে গিয়ে এর সত্যতা পেয়েছি। আজও (বৃহস্পতিবার) আরো একটি কালো ডিম দিয়েছে হাঁসটি। তবে সেটি প্রথম দিনের তুলনায় কিছুটা কম কালো। এ ছাড়া ডিমগুলো কিছু দিয়ে আঁচড় দিলে ভেতর থেকে সাধারণ ডিমের কালার বেরিয়ে আসে। তার পরও আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রেখেছি। আরো এক সপ্তাহ দেখার পর এ ডিমগুলো ঢাকায় প্রাণিসম্পদের পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২ ৪:৩৯ অপরাহ্ন
গত একযুগে চাষের মাধ্যমে দেশীয় মাছের উৎপাদন বেড়েছে ৪ গুণ: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

গত একযুগে চাষের মাধ্যমে দেশীয় মাছের উৎপাদন ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) এর বোর্ড অব গভর্নরস এর ৪১তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৩৭ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছের প্রজনন কৌশল ও চাষাবাদ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। যার মধ্যে গত এক বছরে ১১ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। দেশীয় মাছ সংরক্ষণে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে লাইভ জিন ব্যাংক। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গবেষণা কার্যক্রম অতীতের তুলনায় জোরদার করা হয়েছে। গত ১২ বছরে চাষের মাধ্যমে দেশীয় মাছের উৎপাদন ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৬৭ হাজার মেট্রিক টন থেকে ২ দশমিক ৬ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও সরকারের বাস্তবমুখী কার্যক্রম গ্রহণের কারণে দেশে ইলিশের বিস্তৃতি ও উৎপাদন বেড়েছে। গত ১২ বছরে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে ৮৫ শতাংশ । পাশাপাশি বড় আকারের ইলিশের প্রাপ্যতা আগের তুলনায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ইলিশ সংরক্ষণ ও সহনশীল আহরণ নিয়েও গবেষণা চলমান রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদনে অভাবনীয় সাফল্যের মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট। দেশের স্বার্থে এ ইনস্টিটিউটের সাথে সম্পৃক্তদের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। এ দেশ অনেক উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ খাত মৎস্য খাত। এ খাতের সমৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবিরাম প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতা রয়েছে। এ খাতে সরকারের বিভিন্ন রকম অনুদান ও বরাদ্দ রয়েছে।

বিএফআরআই এর বোর্ড অব গভর্নরস এর সদস্য ও সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, বোর্ড সদস্য ও পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য এ কে এম ফজলুল হক, বোর্ড সদস্য সচিব ও বিএফআরআই এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, বোর্ড সদস্য ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক, বোর্ড সদস্য ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মিয়া সাঈদ হাসান, বিএফআরআই এর পরিচালক (গবেষণা ও পরিকল্পনা) ড. মো. খলিলুর রহমান এবং পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. আনিছুর রহমান সভায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২ ৮:৫১ অপরাহ্ন
সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে জাতীয় নৃত‌্য প্রতিযোগিতা ২০২২ উপলক্ষ্যে নৃত্যাঙ্গণ আয়োজিত আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, পুঁথিগত বিদ্যা দিয়ে একটি পরিপূর্ণ জীবনসত্তা প্রতিষ্ঠিত করা যায় না, যদি না তার মধ্যে বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ইতিহাস, ঐতিহ্য আমরা প্রবেশ করাতে না পারি। বাঙালির নিজস্ব একটা জায়গা আছে। যার মধ্যে জারি, সারি, ভাটিয়ালি, লালনগীতি, কবি গান, পট গান, ভাওয়াইয়া গান, নৃত্য, যাত্রা এগুলো আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাঙালির সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য চমৎকারভাবে তুলে ধরার অন্যতম মাধ্যম নৃত্য। নৃত্যের মাধ্যমে জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধ তুলে ধরতে হবে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশের সংস্কৃতি চর্চা আজকের অবস্থানে থাকতো না। এ দেশ কট্টর কোন রাষ্ট্র থাকতো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংস্কৃতি চর্চাকে সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আজকের পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন।

প্রধান অতিথি আরও যোগ করেন, সংস্কৃতির বিকশিত রূপ দিয়ে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। সমাজের অবক্ষয়ের বল্গাহীন স্রোত থেকে সন্তানদের রক্ষার জন্য রক্ষণশীলতা থেকে বের হয়ে এসে সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে মননশীলতা ও সুকুমারবৃত্তির বিকাশ ঘটাতে হবে। সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি সন্তানদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে। এজন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

নৃত্যাঙ্গণের সভাপতি বিপুল চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক শাহেদুল কবির চৌধুরী, বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মিনু হক ও নৃত্যশিল্পী মুনমুন আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন নৃত্যাঙ্গণের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান উজ্জল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২২ ৮:১১ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ খাতে বীমা সম্প্রসারণে স্বল্প সময়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ খাতে বীমা সম্প্রসারণে স্বল্প সময়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ খাতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি ও প্রাণিবীমা সম্প্রসারণে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব প্রযুক্তির ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে প্রাণিবীমা সম্প্রসারণে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব প্রযুক্তির ভূমিকা: আমাদের অবস্থান ও করণীয় বিষয়ক অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান। আদর্শ প্রাণিসেবা লিমিটেড এ সেমিনার আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতে বীমা সম্প্রসারণে একটি যৌথ কার্যকরী কমিটি গঠন করা দরকার। প্রাণিবীমার জন্য নীতিমালা কিভাবে করা যায়, এক্ষেত্রে কী কী প্রতিবন্ধকতা আছে, কী সুযোগ আছে এটা আগে নির্ধারণ করতে হবে। প্রাণিসম্পদ খাতে বীমা প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়ার জন্য আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগ দরকার।

প্রাণিসম্পদ খাতে বীমা ধারণার সাথে একমত পোষণ করে এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতকে বীমার আওতায় নিয়ে আসা দরকার। বীমা একটি প্রচলিত ব্যবস্থা। এ প্রচলিত ব্যবস্থায় প্রাণীকে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব। গবাদিপ্রাণী আমৃত্যু অবদান রেখে যাচ্ছে। মানুষের উপকারের দিক থেকে গবাদিপ্রাণী কোন অংশেই কম নয়। মৃত্যু পর্যন্ত তার উপযোগিতা ও উপকারিতা ভোগ করার সুযোগ আমাদের রয়েছে। এ প্রাণী যারা লালন-পালন করবেন, সেক্ষেত্রে একটি ব্যবস্থাপনার নিয়ে আসা প্রয়োজন। এ বিষয়টি নিয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কার্যক্রম চলমান আছে।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, প্রাণিবীমা সম্প্রসারণে একটি কমিটি গঠন করে নীতি নির্ধারণ করতে হবে। এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে কাজ করবে। সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে এ পলিসি নির্ধারণে কাজ শুরু করা হবে, পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

সেমিনারের এ অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম মোস্তফা কামাল ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আদর্শ প্রাণিসেবা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ফিদা হক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাহরিয়ার আহসান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ খাত কর্মসংস্থানের বড় উৎস। এ খাত বাণিজ্যিক খাতে পরিণত হয়েছে। এ খাতে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। বীমা থাকলে সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করা যায়। বীমা ব্যবস্থা উৎপাদন ত্বরান্বিত করতে অপরিহার্য। এজন্য প্রাণিসম্পদ খাতে বীমা জনপ্রিয় করতে হবে, প্রচারণায় গুরুত্ব দিতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২ ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশ থেকে কৃষকের গরু নিয়ে গেল বিএসএফ!
প্রাণিসম্পদ

ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে এক কৃষকের তিনটি গরু ধরে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মৌলভীবাজারের বড়লেখার কুমারশাইল সীমান্তে শুক্রবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে।

দেড় মাস আগেও একই এলাকায় অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে আরেক কৃষকের একটি গরু ধরে নিয়ে যান ভারতীয় নাগরিকরা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুক্রবার বিকালে উপজেলার কুমারশাইল গ্রামের কৃষক আব্দুল করিম কুমারশাইল চা বাগানের নম্বরে গরু চরাচ্ছিলেন। চা গাছের ফাঁকে ফাঁকে গরুগুলো ঘাস খাচ্ছিল। সন্ধ্যা নামার আগেই হঠাৎ কয়েকজন অস্ত্রধারী বিএসএফ সদস্য সীমান্ত অতিক্রম করে চা বাগানে ঢুকে তিনটি গরু ধরে নিয়ে যায়। গরুগুলো সামনের দিকে এগোতে না চাইলেও তারা মেরে এগিয়ে নেন। গরুর মালিক কৃষক আব্দুল করিম দূরে আড়াল থেকে তা দেখেও ভয়ে প্রতিবাদ করেননি।

কৃষক আব্দুল করিম জানান, বাগানের ভেতর তিনি গরুগুলোকে ঘাস খাওয়াচ্ছিলেন। হঠাৎ কয়েকজন বিএসএফ সদস্য আমাদের এরিয়ায় ঢুকে পড়ে। আমি ভয়ে আড়ালে চলে যাই। তারা আমার তিনটি বড় গরু ধরে নিয়ে যায়। কী কারণে বিএসএফ আমার গরুগুলো নিয়ে গেল তা বুঝতে পারছি না। ঘটনাটি আমি ইউপি চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি বিজিবিকে জানান।

এর আগে গত ২৫ জুলাই সীমান্তের একই এলাকার কাঁটাতারের বেড়া ডিঙিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ৫-৬ জন ভারতীয় নাগরিক অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে আব্দুল কাইয়ুমের নামের এক কৃষকের একটি বড় ষাঁড় ধরে নিয়ে যায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে আব্দুল কাইযুমকে তারা পিটিয়ে আহত করে।

উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ জানান, কৃষক আব্দুল করিম তার তিনটি গরু বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়ার কথা তাকে বলেন। তিনি তাৎক্ষণিক লাতু বিজিবি ক্যাম্পের ইনচার্জকে ঘটনাটি জানান। প্রায় দেড় মাস আগে একই এলাকার আব্দুল কাইয়ুম নামে এক ব্যক্তির একটি বড় ষাঁড় ভারতীয়রা সীমান্ত অতিক্রম করে আমাদের দেশে ঢুকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায়। বাধা দিতে গিয়ে ষাড়ের মালিক আহত হন। এ ষাঁড়টিও বিজিবি এখনো উদ্ধার করে দিতে পারেনি।

বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের লাতু ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার আব্দুল খালেক জানান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিএসএফ কর্তৃক তিনটি গরু ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়েছেন। তিনি বিএসএফের কাছে নোট পাঠিয়ে গরুগুলো ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু তারা তা অস্বীকার করছে। বিষয়টি এখন রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা হচ্ছে। এর আগে ভারতীয় নাগরিকরা জোরপূর্বক বাংলাদেশি নাগরিকের গরু ধরে নেওয়ার বিষয়টিও বিএসএফ অস্বীকার করেছে।

সূত্র :যুগান্তর

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop