১:৩৩ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ১:৩৮ অপরাহ্ন
গরু মোটাতাজা করতে খামারিরা যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

গরু পালন লাভজনক হওয়াতে এখন আমাদের দেশের অনেকেই গরুর খামার করার প্রতি ঝুঁকছেন। তবে, এই গরু যদি হয় আরেকটু মোটাতাজা তাহলে আর কথা ই নাই। আর এর জন্য দরকার গরুর সুষম খাদ্য। আর সুষম খাদ্য প্রয়োগে আপনি আরো লাভবান হতে পারেন গরু পালনে।

খামারে গরু মোটাতাজাকরণে যেসকল আমিষ খাবার আপনার গরুকে খাওয়াবেন:

শুকনা খড়: ২ বছর বয়সের গরুর জন্য দৈহিক ওজনের শতকরা ৩ ভাগ এবং এর অধিক বয়সের গরুর জন্য শতকরা ২ ভাগ শুকনা খড় ২ থেকে ৩ ইঞ্চি করে কেটে এক রাত লালীগুড়-চিটাগুড় মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে সরবরাহ করতে হবে।

কাঁচা ঘাস: গরুকে প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ কেজি কাঁচা ঘাস বা শস্য জাতীয় তাজা উদ্ভিদের উপজাত দ্রব্য যেমন- নেপিয়ার, পারা, জার্মান, দেশজ মাটি কলাই, খেসারি, দুর্বা ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।

দানাদার খাদ্য: গরুকে প্রত্যেক দিন কমপক্ষে ১ থেকে ২ কেজি দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। নিচে ১০০ কেজি দানাদার খাদ্যের তালিকা দেয়া হলো- গম ভাঙা-গমের ভুসি ৪০ কেজি চালের কুঁড়া ২৩.৫ কেজি খেসারি বা যে কোনো ডালের ভুসি ১৫ কেজি তিলের খৈল-সরিষার খৈল ২০ কেজি লবণ ১.৫ কেজি। উল্লিখিত তালিকা ছাড়াও বাজারে প্রাপ্ত ভিটামিন মিনারেল মিশ্রণ ১% হারে খাওয়াতে হবে।

১৫০ কেজি ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: খড় = ৩ কেজি কাঁচা ঘাস = ৫-৬ কেজি দানাদার খাদ্যের মিশ্রন = ১.৫-২ কেজি চিটাগুড় = ৫০০ গ্রাম ইউরিয়া = ৪৫ গ্রাম (নিয়মানুয়ায়ী) লবন = ৩৫ গ্রাম।

১০০ কেজি দৈহিক ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: ধানের খড় = ২ কেজি সবুজ ঘাস = ২ কেজি (ঘাস না থাকলে খড় ব্যবহার করতে হবে দানদার খাদ্যে মিশ্রন = ১.২-২.৫ কেজি ইউরিয়া = ৩৫ গ্রাম (নিয়মানুযায়ী) চিটাগুড়া = ২০০-৪০০ গ্রাম লবণ = ২৫ গ্রাম দানাদার খাদ্যের সাথে লবন, ইউরিয়া, চিটাগুড় এক সাথে মিশিয়ে দিনে ২ বার দিতে হবে। ধানের খড় এবং কাঁচা ঘাস ছোট ছোট করে কেটে এক সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

কৃমিমুক্তকরণ ও টিকা প্রদান: গরুকে ডাক্তারের নির্দেশনা মত কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। নতুন গরু সংগ্রহের পর পরই পালের সব গরুকে একসঙ্গে কৃমিমুক্ত করা উচিত। এক্ষেত্রে প্রতি ৭৫ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ টি করে এনডেক্স বা এন্টিওয়ার্ম ট্যাবলেট ব্যবহার করা যেতে পারে।

পূর্ব থেকে টিকা না দেয়া থাকলে খামারে আনার পর পরই সব গরুকে তড়কা, বাদলা ও ক্ষুরা রোগের টিকা দিতে হবে। এ ব্যাপারে নিকটস্থ পশু হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

ঘর তৈরি ও আবাসন ব্যবস্থাপনা: আমদের দেশের অধিকাংশ খামারী ২/৩ টি পশু মোটাতাজা করে থাকে, যার জন্য সাধারণত আধুনিক শেড করার প্রয়োজন পড়ে না। তবে যে ধরনের ঘরেই গরু রাখা হোক, ঘরের মধ্যে পর্যন্ত আলো ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ঘরের মল- মূত্র ও অন্যান্য আবর্জনা যাতে সহজেই পরিষ্কার করা যায়, সে দিকে খেয়াল রেখে ঘরে তৈরি করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

মোঃ ইফতেখার হোসেন: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শোক বার্তায় মন্ত্রী বলেন, “একুশে পদকপ্রাপ্ত ও স্বাধীনতা পুরস্কার জয়ী নজরুল গবেষক রফিকুল ইসলাম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। তার মৃত্যু এ দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি”।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
ভেড়া পালন ও সবজি চাষে পাল্টে গেছে ধরলার চরের জীবন
প্রাণিসম্পদ

ববিতা বেগম। কুড়িগ্রামের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের ধরলার চর সরদার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। বিগত বছরের বন্যাগুলোতে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন। ভেসে গেছে বসতবাড়ি। সেসময় সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা পেলেও কষ্টের জীবন কাটেনি। গত বন্যার পরে খাদ্য সহায়তার সঙ্গে পেয়েছেন ১টি ভেড়া ও শাক-সবজির বীজ। এক বছরেই তার ঘরে এখন ৪টি ভেড়া। বিক্রি করছেন বাড়ির উঠোনের শাক-সবজি। সংসারে এসেছে সচ্ছলতা।

কুড়িগ্রামের ভোগডাঙ্গা, পাঁচগাছি ও যাত্রাপুর ইউনিয়নে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, এমন মানবিক সহযোগিতায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের ৮টি গ্রামের ২৪০ পরিবার। এমন সহযোগিতা করেছে বেসরকারি সংগঠন ফ্রেন্ডশিপের ট্রানজিশন ফান্ড (এএসডি) প্রকল্প।

ববিতা বেগম জানান, তিনি ফ্রেন্ডশিপের ট্রানজিশন ফান্ড (এএসডি) প্রকল্প থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের একটি ভেড়া পেয়েছেন। এখন তার ৪টি ভেড়া; যার বাজারমূল্য ১৬ হাজার টাকা। আধুনিক পদ্ধতিতে শাক-সবজি উৎপাদনের প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর তার বসতবাড়িতে উৎপাদিত সবজি এ বছর ৮ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। তার সাংসারিক ব্যয়ভার বহনে সহায়ক হচ্ছে। একটি সেলাই মেশিনও কিনেছেন।

একই গ্রামের আহাদ আলী, সুমি বেগম, সাজিনা খাতুনসহ আরও অনেকে বলেন, আগে হাট থেকে সার কিনে আনতাম। এখন আমরা কম্পোস্ট সার তৈরি করে ব্যবহার করি। ফেরোমন ফাঁদ দিয়ে পোকা মারছি। সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেতে বিভিন্ন অফিসে যোগাযোগ করছি। সঙ্গে গ্রামে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

‘ফ্রেন্ডশিপ’-এর ট্রানজিশন ফান্ড (এএসডি) প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম মল্লিক বলেন, ফ্রেন্ডশিপ লুক্সেমবার্গের সহায়তায় গ্রামের মানুষের সচ্ছলতা আসে। তাদের আয়-রোজগার নিয়মিত হয়। এতে তারা অর্থনৈতিক মুক্তি পায়। সমাজে সুশাসন; যেমন বাল্যবিবাহ রোধ, পারিবারিক নির্যাতন বন্ধ, জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সম্পর্কে ধারণা, জিডি করার কৌশল ইত্যাদি শিক্ষামূলক প্রশিক্ষণ পায় তারা। পাশাপাশি তাদের মধ্যে দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। রৌমারী উপজেলার মোট ২৪টি চরের ৭২১ পরিবারকে সহায়তা করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় ফ্রেন্ডশিপের ট্রানজিশন ফান্ড প্রকল্পের মাধ্যমে ২৪০টি পরিবারকে ভেড়া প্রদান এবং প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ফলে পরিবারগুলোর ভেড়া পালনের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে অধিক আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেকটি ভেড়াকে টিকা এবং কৃমিনাশক বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে। চর এলাকা ভেড়া পালনের উপযুক্ত, তাই এ অঞ্চলের মানুষ স্বাবলম্বী হবে বলে আশাবাদী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ২:৫৩ অপরাহ্ন
তিন পা নিয়ে জন্ম নেয়া বাছুরটির দাম ৩ লাখ টাকা
প্রাণিসম্পদ

দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় তিন পাবিশিষ্ট অদ্ভুত এক বাছুরের দাম তিন লাখ টাকা হাঁকানো হয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে বাছুরটির তিন পা নিয়ে জন্ম হয়। বাছুরটির বয়স সাত মাস।

নীবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে লালন-পালন করছেন কৃষক মো. নুর ইসলাম। তিনি দিনাজপুরের বিরল পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডের শাকধোয়া এলাকার বাসিন্দা ও উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাও. মো. মনসুর আলীর ছেলে।

এদিকে বাছুরটি দেখতে প্রতিদিন উৎসুক জনতা ভিড় করছেন ওই কৃষকের বাড়িতে।

কৃষক মো. নুর ইসলাম জানান, সাত মাস আগে তিন পা নিয়েই বাছুরটির জন্ম হয়। অদ্ভুতভাবে বাছুরটি তিন পা নিয়েই দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। ধীরে ধীরে বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিন পা নিয়েই অন্যান্য গরুর মতোই চলাফেরা করছে বাছুরটি। এর তিনটি পা স্বাভাবিক থাকলেও পেছনের বাম পা শরীর ভেদ করে সামান্য একটু বের হয়ে আছে। এখানে দুটি নোখও রয়েছে।

বর্তমানে বাছুরটি সুস্থ রয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় বাছুরটি নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া এবং বিশ্রাম করে।

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ও রিসোর্ট থেকে ও বাছুরটি ক্রয়ের জন্য প্রস্তাব আসে। তবে তিন লাখ টাকা মূল্য পেলে এ ষাঁড় বাছুরটি বিক্রি কবেন বলে জানান মো. নুর ইসলাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ১২:২৬ অপরাহ্ন
গবাদিপশুকে সুষম খাবার যেকারণে খাওয়াবেন
প্রাণিসম্পদ

গবাদিপশু পালন করে অধিক লাভ করতে সুষম খাদ্যের কোন বিকল্প নাই। সুষম খাদ্য গবাদিপশুতে আরো লাভ নিয়ে আসে।কারণ সুষম খাদ্য ছাড়া গবাদিপশু বেশি বৃদ্ধি পায় না। গবাদিপশুর সুষম খাদ্য বলতে বুঝায় যে খাদ্যে আমিষ, শর্করা, স্নেহ বা চর্বি, খনিজ লবণ, ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ ও পানি সঠিক অনুপাতে থাকে।  আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য অন্ত্রে পরিপাক হয়ে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত হয়। পরে তা অন্ত্রে শোষিত হয়ে রক্তে মিশে এবং দেহের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধি সাধন করে।

আমিষের সহায়তায় দেহের ভেতরে জৈব অনুঘটক এনজাইম তৈরি হয়। যেমন, পেপসিন, ট্রিপসিন ইত্যাদি। এসব এনজাইম খাদ্যের প্রোটিন, লিপিড ও শর্করাকে ভেঙে সহজপাচ্য পুষ্টিতে রূপান্তরিত করে যা কোষ সহজেই শোষণ ও সদ্ব্যবহার করতে পারে। পশুর দেহের রক্ত, পেশী ও সংযোজক কলার প্রধান অংশই প্রোটিনে গঠিত। খাদ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন পশু দেহের শক্তি ও চর্বির উৎস হিসেবে কাজে লাগে।

শর্করা পশু দেহে কর্মশক্তি যোগায়। শর্করা খাদ্যান্ত্রে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয় যা অন্ত্রে শোষিত হয়ে রক্তে মিশে কার্যসম্পাদন করে। অতিরিক্ত শর্করা দেহে গ্লাইকোজেনরূপে জমা থাকে এবং খাদ্যে শর্করার অভাব হলে প্রয়োজনে সেই গ্লাইকোজেন কর্মশক্তি যোগায়।

স্নেহ প্রাণী দেহের টিস্যুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। গবাদিপশুর প্রধানত তাপ ও শক্তির উৎস হিসেবে সঞ্চিত থাকে। সাধারণত গবাদিপশুর দানাদার খাদ্যে শতকরা ৪ ভাগ চর্বি জাতীয় পদার্থ থাকা প্রয়োজন।

খনিজ পদার্থ বাড়ন্ত পশুর নতুন অস্থি ও টিস্যু সৃষ্টিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই উপাদান কঙ্কালের আকৃতি ও দৃঢ়তা বজায় রাখে। পশুর লোম, ক্ষুর ও শিং গঠনে খনিজ পদার্থ প্রয়োজন। খনিজ পদার্থ যেমন- লৌহ রক্তে অক্সিজেন ও কার্বনডাইঅক্সাইড বহন করতে সহায়তা করে। আবার পটাসিয়াম পশুর দেহের তরল পদার্থের অ্যাসিড বেসের সমতা রক্ষা করে।

যেসব জৈব যৌগ খাদ্য উপাদান হিসেবে অল্প পরিমাণ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য জরুরি তাদের ভিটামিন বলা হয়। প্রাণী দেহের জন্য পর্যাপ্ত আমিষ, শর্করা, স্নেহ ও খনিজ পদার্থ খাদ্যের সাথে সরবরাহ করেও ভিটামিন ছাড়া জীবন চালনা সম্ভব হয় না।

স্বাভাবিক টিস্যুর বৃদ্ধি, দৈহিক বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভিটামিন অত্যাবশ্যক। পশুখাদ্যে যদি ভিটামিন না থাকে অথবা সুষ্ঠভাবে ভিটামিন শোষিত না হয় কিংবা দেহে ভিটামিন সদ্ব্যবহার না হয় তবে সুনির্দিষ্ট রোগ হয়। যেমন, ভিটামিন ‘এ’ -এর অভাবে রাতকানা, জনন কর্মক্ষমতা হারানো, ভিটামিন ‘কে’ -এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে সমস্যা হয় এবং ভিটামিন ‘ই’ -এর অভাবে জনন অকৃতকার্যতা পরিলক্ষিত হয়।

পশুদেহের শতকরা ৭০ থেকে ৯০ ভাগ পানি। সাধারণত দানাদার খাদ্যে শতকরা ১০ ভাগ ও খড় জাতীয় খাদ্যে শতকরা ১৫ ভাগ পানি থাকে। আবার সবুজ ঘাসে পানির পরিমাণ শতকরা ৯০ ভাগ। পশুখাদ্যে প্রচুর পরিমাণ পানি থাকা সত্ত্বেও পশুকে পৃথকভাবে পানি সরবরাহ করতে হয়। কারণ পানি দেহের কোষের কাঠিন্য ও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে। এতে প্রাণিদেহের কাঠামো ঠিক থাকে।

পানি ছাড়া দেহে যেকোনো ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটা সম্ভব নয়। পানি দেহের এক অঙ্গ থেকে অন্য অঙ্গে বিভিন্ন পুষ্টিকারক পদার্থ সরবরাহ করে। তাছাড়া পানি দেহের অতিরিক্ত তাপ শোষণ করে। আবার পানি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাফার হিসেবেও কাজ করে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৮, ২০২১ ১:৫৬ অপরাহ্ন
গবাদি পশুর খামার যেভাবে মাছিমুক্ত রাখবেন
প্রাণিসম্পদ

মাছির যন্ত্রণায় কেবল মানুষ বিরক্ত এমনটি নয়। বরং মাছির যন্ত্রণায় সবচেয়ে বেশি বিরক্ত এবং রোগাক্রান্ত হচ্ছে গবাদিপশু। কারণ এই মাছির মাধ্যমে খামারে বিভিন্ন রোগ জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। যা গবাদিপশুর অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই জন্য প্রতিটা গবাদিপশু খামারিকে খামার থেকে মাছি দূর করার উপায় সম্পর্কে জানা খুবই দরকার। কারণ মাছি তাড়াতে না পারলে আপনার স্বপ্নের খামার থেকে প্রত্যাশিত আয় করতে পারবেন না।

খামার থেকে মাছি দূর করার উপায়:

মাছি তাড়ানোর সবচেয়ে ভালো কৌশল হলো খামারের আশে-পাশে গাছ লাগানো। বাতাসে গাছের নড়া-ছড়াতে খামারে মাছি আসবে কম। এছাড়া খামারে আশে-পাশে কিছু সবুজ বৃক্ষাদি থাকলে পরিবেশের জন্যও ভালো।

গবাদিপশুর মল-মূত্র নিয়মতি ও দ্রুত সেসব পরিষ্কার করতে হবে। কারণ এগুলো জমা হলেই মাছি এসে জমাট বাঁধে। আর এটাই হলো মাছিদের ডিম পাড়ার উপযুক্ত জায়গা। একবারে ৭৫–১৫০টি ডিম পাড়ে এরা। ডিম ফুটে বাচ্চা বেরোতে সময় লাগে মাত্র ২৪ ঘণ্টা।

লেবু টুকরো টুকরো করে ভেতরের অংশে অনেকগুলো লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা ঢুকাবেন শুধুমাত্র লবঙ্গের মাথার দিকের অংশ বাইরে থাকবে। এরপর লেবুর টুকরাগুলো একটি প্লেটে করে খামারের কোণায় রেখে দিন। এই পদ্ধতিতে মশা-মাছি, পোকামাকড় একেবারেই দূর হয়ে যাবে।

ব্যবহৃত চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন। এইভাবে ওই চা পাতা ধুনোর বদলে ব্যবহার করুন। শুকনো চা পাতা পোড়ানো ধোঁয়ায় সমস্ত মশা, মাছি পালিয়ে যাবে।

রসুন বেটে পানিতে মিশিয়ে তরল করে পুরো খামারে স্প্রে করতে পারেন। এটা মশা তাড়াতে খুবই কার্যকরী প্রাকৃতিক উপায়। খামারের মাছি তাড়াতে এর যেকোনো একটি উপায় প্রয়োগ করুন।

গরুর গায়ে স্প্রে করার জন্য ২ মিলি তারপিন তেল (অয়েল তারপিন, স্পিরিট তারপিন বা থিনার না), ২ গ্রাম কর্পুর (ন্যাপথালিন গুঁড়াও অনেকে দেন) এ দুইটা জিনিস ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে গরুর গায়ে স্প্রে করলে মাছি বসবে না।

মশা-মাছি কর্পুরের গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারে না। একটি ৫০ গ্রামের কর্পুরের ট্যাবলেট একটি ছোট বাটিতে রেখে বাটিটি পানি দিয়ে পূর্ণ করুন। এরপর এটি খামারের কোনায় রেখে দিন।

তাৎক্ষণিকভাবেই মশা- মাছি গায়েব হয়ে যাবে। দুই দিন পর পানি পরিবর্তন করে নিন। আগের পানিটুকু ফেলে না দিয়ে ফার্মে ছিটিয়ে দিলে পোকামাকড় ও পিঁপড়ের যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি পাবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৫, ২০২১ ২:০০ অপরাহ্ন
বাছুরের দাম ২ লাখ টাকা!
প্রাণিসম্পদ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় একটি গরুর বাছুর ২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। নেপালি জাতের গরুর বাছুরটি বিক্রি করে রীতিমতো সাড়া ফেলেছেন দামুড়হুদা উপজেলার বয়রা গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা লাল্টু মল্লিক।

তিনি একই গ্রামের জিয়ারত মল্লিকের ছেলে। এতো দামে গরুর বাছুর বিক্রির ঘটনায় এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। বাছুরটি দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন এলাকাবাসী।

তরুণ উদ্যোক্তা লাল্টু মল্লিক জানান, আমি চাষি মানুষ। গত ২০ বছর ধরে নেপালি জাতের একটি গাভি লালন-পালন করছি। পরে গাভিটি একটি বাছুর প্রসব করে। এটি তৃতীয়তম বাছুর। বর্তমানে বাছুরের বয়স সাড়ে তিন মাস। গত শনিবার ২ লাখ টাকায় কেনেন পার্শ্ববর্তী চাঁদপুর গ্রামের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম। বাছুরটি আমার বাড়িতেই আছে, মায়ের (গাভির) দুধ পান করছে। তাই ১ মাস পর আমার কাছ থেকে নিবেন ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর।

তিনি আরও জানান, সাড়ে তিন মাস বয়সী এঁড়ে বাছুরটি ২ লাখ টাকায় বিক্রির বিষয়টি এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিষয়টি জানার পর থেকে আমার বাড়িতে বাছুরটি দেখতে আসছেন এলাকার মানুষ। এখন ওর (বাছুর) দাম আরও বেশি হাঁকানো হচ্ছে। যেহেতু আমি বিক্রি করে ফেলেছি তাই আর নতুন করে বিক্রি করা সম্ভব নয়।

চাঁদপুর গ্রামের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম জানান, বাছুরটি দেখতে খুব চমৎকার। আমার খুব পছন্দ। বিদেশি জাতের হওয়ায় দাম বেশি হলেও কিনেছি। এখন গাভির দুধ খাচ্ছে। তাই কিছুদিন পর বাড়ি নিয়ে আসবো।

দামুড়হুদা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান জানান, তরুণ উদ্যোক্তা লাল্টুর সাফল্যের কথা আমি শুনেছি। খামার উন্নয়নে তাকে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে। তার মতো কেউ যদি গরুর খামার করতে চায় তাহলে তাকেও উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে সহযোগিতা করা হবে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২১ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
হাঁসের খামারে ভাগ্য বদল লতিফা ও হামিদ দম্পতির
প্রাণিসম্পদ

দৃঢ় মনোবল, কঠোর পরিশ্রম আর সঠিকভাবে পরিচর্যা করে অল্প পুঁজিতে দেশীয় পদ্ধতিতে হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী লতিফা ও হামিদ দম্পতি। এতে দুঃখের সংসারে ফিরেছে সুখের দিন। ১১ বছরের ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রীর বিরামহীন শ্রমে হাঁসের খামারটি আজ সফলতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এলাকার সবার কাছে অনুকরণীয় মডেল দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আবদুল হামিদ ও লতিফা বেগম দম্পতি।

এই দম্পতির সফলতা দেখে অনেকেই তাদের কাছে পরামর্শ নিতে ও খামার দেখতে ছুটে আসছেন।

আবদুল হামিদ তার স্ত্রী লতিফা বেগমের অনুপ্রেরণায় ১১ বছর আগে আত্রাই নদীর কোল ঘেঁষে মাত্র ২৫টি বাচ্চা দিয়ে হাঁসের খামার শুরু করেন। এই উদ্যোগে সার্বক্ষণিক পাশে থাকেন স্ত্রী লতিফা। প্রতি বছরের মতো গত ছয়-সাত মাস আগে ২০ হাজার টাকা দিয়ে ১ হাজার হাঁসের বাচ্চা পালন শুরু করেন। সময়ের পরিক্রমায় এখন খামারে হাঁসের সংখ্যা প্রায় ৩০০টি। গত তিন-চার মাস থেকে তাদের খামারে দৈনিক ডিম উৎপাদন হচ্ছে ১০০টি। সেটি থেকেই প্রতি মাসে ১ লাখ টাকা আয় হয়। এটি থেকে হাঁসের খাবার ও পরিচর্যা বাবদ ব্যয় হয় ১০-১৫ হাজার টাকা।

আবদুল হামিদ ও লতিফা দম্পতি জানান, তাদের দুজনের সময় ও শ্রমে এখন পর্যন্ত পুরনো সব ঋণ পরিশোধ, ইটের পাকা বাড়ি ও কিছু জমি ক্রয় করে এখন সুখের দিন ফিরেছে। গৃহবধূ লতিফা বেগম বলেন, পুরনো অভিজ্ঞতা ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে খামার গড়েছি। যার ফলে অল্প পুঁজি ব্যয়ে লাভবান হয়েছি। আবদুল হামিদ বলেন, স্ত্রীর সাহস ও শ্রমের মাধ্যমে খামারটি আজ বড় আকারে হয়েছে। খামার থেকে সংসার যেমন আলোকিত তেমনি আর্থিক সচ্ছলতা ফিরেছে।

এ ব্যাপারে খানসামা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, হামিদা-লতিফা দম্পতির হাঁসের খামার নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। সফল এই খামার দেখে অনেকে খামার গড়তে আগ্রহী হবে সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। খামারিদের যে কোনো সমস্যা ও প্রয়োজনে চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২১, ২০২১ ৫:১৫ অপরাহ্ন
সিকৃবিতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স উপর সেমিনার অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

‘হোক সচেতনতার বিস্তার, চাই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স থেকে নিস্তার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) পালিত হয়েছে বিশ্ব এন্টিম্যাক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ ২০২১।গত  শনিবার সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সম্মেলন কক্ষে  এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শাহ জাহান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর  ড.  মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান সিকদার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মোঃ রুস্তম অালী, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার,সিলেট; ডাঃ প্রেমানন্দ মন্ডল, সিভিল সার্জন,সিলেট; সিকৃবির জীবপ্রযুক্তি ও জিনপ্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ডঃ মোঃ মেহেদী হাসান খান ।এছাড়া আরো উপস্থিত অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়ক ও সিকৃবির মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ সুলতান আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকমন্ডলী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের শিক্ষকবৃন্দ, এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর প্রফেসর  ড.  মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান সিকদার, জাতীয় টেকনিক্যাল এডভাইজার,ওয়ান হেলথ।

এসময় বক্তারা বলেন, সারা বিশ্বে অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল রেসিসট্যান্স একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। জীবাণুসমূহ অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করেই চলছে। জীবাণুগুলো অনেক রকম অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি প্রতিরোধী হয়ে পড়েছে। ফলে কম বা বেশি দামি সব ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রমণ চিকিৎসায় অকার্যকর হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এতে করে এ ধরনের রোগজীবাণু ব্যক্তির জন্য প্রাণঘাতী হওয়া ছাড়াও সমাজে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করতে পারে। তাই এ সংক্রান্ত সচেতনতা তৈরির বিকল্প নেই।

বিশেষজ্ঞদের মত চিকিৎসক ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা ঠিক নয়। এটির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার ক্ষতিকর। অ্যান্টিবায়োটিক ঠান্ডা বা ভাইরাসজনিত রোগে কোনো কাজ করে না। যদি ভাইরাসজনিত রোগে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করা হয়, তবে বিপজ্জনক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। এ ধরনের চিকিৎসা চলতে থাকলে অর্থাৎ অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার যথার্থ না হলে এমন একটা সময় আসবে যখন ব্যাকটেরিয়াকে মারা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

ড.  মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান সিকদার বলছেন, দেশে রোগীরা ওষুধের দোকান থেকে মুখস্থ অ্যান্টিবায়োটিক কিনে নিয়মবহির্ভূতভাবে সেবন করে থাকেন। ফলে ওষুধটির যথার্থ প্রয়োগ না হওয়ায় জীবাণুগুলো ধীরে ধীরে রেজিসট্যান্স হয়ে পড়ছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোনো ওষুধ কিনতে হলে চিকিৎসককের পরামর্শপত্র দেখাতে হয়। চিকিৎসক ছাড়া অন্য কারও ওষুধ দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। কিন্তু দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বা অন্য ওষুধের সঙ্গে এর কোনো ইন্টারঅ্যাকশন আছে কি না তা সাধারণ জনগণের অজানা। অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে গিয়ে অনেকে অন্যান্য সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই সচেতনতা খুবই জরুরি। ওষুধটির এবং বিস্তার এড়াতে সাধারণ জনগণ, ভেটেরিনারিয়ান, স্বাস্থ্যকর্মী এবং নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সেরা অনুশীলনকে উৎসাহিত করা দরকার।

উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা এন্টিবায়োটিকের যথাযথ ব্যবহারের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন এবং এন্টিম্যাক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এর কুফল সর্ম্পকে জনগণকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের পাঠ্যসূচীতে এন্টিম্যাক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স  সংযুক্ত করার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৯, ২০২১ ১২:০৪ অপরাহ্ন
গবাদি পশু পালনে স্বাবলম্বী হচ্ছেন শতাধিক নারী
প্রাণিসম্পদ

গাইবান্ধার দুর্যোগ কবলিত যমুনা নদীর বালুচরে এখন ভেড়া পালন করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চরের নারীরা। উন্নত জাত, দুর্যোগ সহনীয় ও প্রজনন ক্ষমতা বেশি হওয়ায় ভেড়া পালনে ঝুঁকে পড়েছেন চরের নারীরা। এতে সংসারের চাহিদা মিটিয়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছেন তারা।

মোল্লারচরের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান সাইদুজ্জামান বলেন- গাইবান্ধার তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর বুকজুড়ে ১৬৫টি চর রয়েছে। গাইবান্ধার, ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জসহ চার উপজেলার এসব চরে অন্তত ৩ লাখ মানুষ বাস করে। বিশেষ করে তিস্তা সহ তিন নদীর দুর্গম চরাঞ্চল কাপাসিয়া, বেলকা, তারাপুর, হরিপুর। গাইবান্ধার মোল্লারচর, কামারজানি, এড়েন্ডাবাড়ী, উড়িয়া ও কঞ্চিপাড়া। সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া, কামালেরপাড়া, সাঘাটা সদরসহ অন্তত ১৩টি ইউনিয়ন দুর্গম চরাঞ্চল।

চরাঞ্চলের বাসিন্দা ও উপকারভোগী শিল্পী বেগম বলেন, এসব এলাকার প্রায় ৩ লাখ মানুষ তাদের জীবন-জীবিকা যাপনে চাষাবাদ ও গবাদি পশু সম্পদের উপর নির্ভর করে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop