৫:১৮ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৩ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ১০:৫৬ অপরাহ্ন
১০ হাজার মুরগির খামার জয়পুরহাটে
প্রাণিসম্পদ

পোলট্রিশিল্পে সারা দেশের মধ্যে জয়পুরহাট দ্বিতীয় আর সোনালি মুরগি উৎপাদনের দিক থেকে প্রথম। সোনালি জাতের এই মুরগির উদ্ভাবনও জয়পুরহাটে। পোলট্রি ভিলেজ বলে পরিচিতি পেয়েছে আক্কেলপুরের জামালগঞ্জ এলাকা। সবজির জন্য পরিচিত জয়পুরহাটে পোলট্রিশিল্পের বিপ্লব ঘটে প্রায় দুই যুগ আগে। জেলাজুড়ে ছোট-বড় মিলিয়ে ১০ হাজারের বেশি মুরগির খামার আছে।

পোলট্রিশিল্পকে ঘিরে ফিড মিলও গড়ে উঠেছে। জেলার আড়াই লাখ মানুষ এখন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই পোলট্রিশিল্পের সঙ্গে জড়িত।

জেলায় পোলট্রিশিল্পে প্রতিদিন চার থেকে সাড়ে চার কোটি টাকার লেনদেন হয়। এই শিল্পে সারা দেশের মধ্যে জয়পুরহাট দ্বিতীয় আর সোনালি মুরগি উৎপাদনের দিক থেকে প্রথম। সোনালি জাতের এই মুরগির উদ্ভাবনও জয়পুরহাটে।

জেলায় পোলট্রিবিপ্লবের পেছনে রয়েছে ‘সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামার’। এটি জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়নের জামালগঞ্জে অবস্থিত। ব্রিটিশ আমলে অর্থাৎ, ১৯৩৭ সালে ৩০ বিঘা জমিতে সরকারি এ খামারটি নির্মিত হয়।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় ও মুরগির খামার মালিকরা জানায়, জামালগঞ্জে অবস্থিত এই খামারের প্রথম নাম ছিল সরকারি হাঁস-মুরগির খামার। এখন হাঁস বাদ দিয়ে নামকরণ হয়েছে সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামার। ২০০০ সালের পর মূলত জেলায় পোলট্রিবিপ্লব ঘটে। তৎকালীন সরকারি হাঁস-মুরগি খামারের সহকারী পরিচালক মো. শাহ জামাল সোনালি জাতের মুরগি উদ্ভাবন করেন। প্রথমে শাহাপুর গ্রামের ১০টি মুরগির খামারে নতুন জাতের এই সোনালি মুরগি পরীক্ষামূলকভাবে লালনপালন শুরু হয়। নতুন উদ্ভাবিত সোনালি জাতের এই মুরগি দেখতে অনেকটা দেশি মুরগির মতো, মাংসের স্বাদও একইরকম।

২০১০ সালের দিকে দেশব্যাপী নতুন জাতের এই সোনালি মুরগির বিস্তৃত লাভ করে। জয়পুরহাট জেলাসহ আশপাশের জেলাগুলোতে একের পর এক বাণিজ্যিকভাবে সোনালি মুরগির খামার গড়ে ওঠে। আগে যে জমিতে ধান-সবজি চাষ হতো, এখন সেখানে উঠেছে পাঁচ থেকে সাততলার মুরগির খামার। এই শিল্পকে ঘিরে ১১ হাজার ৫৭০ জন উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। জেলায় ১১টি পোলট্রি ফিড কারখানা ও ৫৫টি হ্যাচারি গড়ে উঠেছে। প্রতিদিন গড়ে চার লাখ ডিম, তিন লাখ এক দিনের সোনালি মুরগির বাচ্চা উৎপাদন হচ্ছে। পোলট্রিশিল্পকে ঘিরে ভেটেরিনারিও সমৃদ্ধি লাভ করেছে। জেলায় পোলট্রিশিল্পের ওষুধ খাতে বছরে ২২ থেকে ২৪ কোটি টাকার বিনিয়োগ হয়।

জয়পুরহাট পদ্মা ফিড অ্যান্ড চিকেন ব্যবস্থাপনার পরিচালক আনোয়ারুল হক বলেন, এ শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করার জন্য জেলায় একটি মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন জরুরি। এ ছাড়া মানসম্পন্ন ফিড উৎপাদন নিশ্চিতের জন্য কারখানাগুলোতেও নজরদারি বৃদ্ধি করতে হবে।

জয়পুরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাহফুজার রহমান জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর খামারিদের প্রশিক্ষণ, নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও কারিগরি সহায়তায় নিবিড় তদারকি করছে। এ শিল্পের প্রসারে আরও কাজ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২১ ২:২৪ অপরাহ্ন
আশুলিয়ায় খামারে বিষ প্রয়োগে ২৫০টি হাঁস হত্যা
প্রাণিসম্পদ

সাভারের আশুলিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে বিষ প্রয়োগ করে দেশি ও বিদেশি প্রজাতির প্রায় ২৫০টি হাঁস মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই হাসগুলোকে মেরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ খামারির। মারধর করা হয়েছে খামারের ম্যানেজারকেও। এতে তার চার লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন খামারি।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে আশুলিয়ার দরগারপাড় এলাকায় রাশেদ ভূইয়ার খামারে এ ঘটনা ঘটে।

খামারের মালিক রাশেদ ভূইয়া জানান, তার চাচাতো ভাইয়ের লিজ নেয়া জায়গায় এক বছর আগে শখ করে হাঁসের খামার গড়ে তুলেন তিনি। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিদেশি প্রজাতির ১০০টি বেলজিয়াম ও ১৫০টি খাকি ক্যাম্বেল প্রজাতির হাঁসের বাচ্চা সংগ্রহ করে খামার করেন। হাসগুলো দেখাশুনা করার জন্য একজন ম্যানেজারও রাখেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ম্যানেজার তাকে ফোন করে জানায় জাহাঙ্গীর, ফারুক ও বশিরসহ অজ্ঞাতনামা দুই তিনজন মিলে তার কাছে শেডের চাবি চায়। চাবি না দিলে তাকে মারধর করার একপর্যায়ে জীবন রক্ষার্থে সে পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরে এসে দেখেন হাঁসগুলো লাফিয়ে লাফিয়ে মারা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরেই জাহাঙ্গীরের সাথে জমি নিয়ে তার বিরোধ চলে আসছে। গতকালকেও জাহাঙ্গীর খামারে দুইটা লোক পাঠিয়ে ১০টা হাস চেয়েছিল খাওয়ার জন্য। এতে রাজি না হওয়ায় হুমকি দিয়ে যায়। আমি জিডিও করেছিলাম। এরই জেরে তার হাসগুলো মেরে ফেলা হয়েছে।

আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসওয়াদুর রহমান বলেন, রাশেদ ভূইয়া নামে এক ব্যক্তি তাকে হুমকি দেয়ার ঘটনায় জিডি করেছেন। তবে হাঁস মারা যাওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাভার উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করার পর বিষয়টি আমরা দেখবো। পরে পুলিশের মাধ্যমে মরে যাওয়া হাঁস ফরেনসিতে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ৯:১৩ অপরাহ্ন
রাজশাহীর পদ্মা নদীতে ঘড়িয়াল অবমুক্ত
প্রাণিসম্পদ

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে একটি ঘড়িয়াল অবমুক্ত করা হয়েছে। রাজশাহী বন বিভাগের বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ ঘড়িয়ালটি অবমুক্ত করে। তারা খুলনা বন বিভাগের কাছ থেকে ঘড়িয়ালটি পেয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে পদ্মা নদীর রেলবাজার এলাকায় এটি অবমুক্ত করা হয়।

জানা যায়, পুরুষ জাতের ঘড়িয়ালটির ওজন দুই কেজি। এর দৈর্ঘ্য ২৮ ইঞ্চি। ধরা পড়ার পর এটি খুলনা বিভাগের রেসকিউ সেন্টারে ছিল। আজ সকালে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঘড়িয়ালটি অবমুক্ত করার সময় রাজশাহী বিভাগের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির, ওয়াইল্ড রেঞ্জার হেলিম রায়হান, ফরেস্টার মোশাররফ হোসেনসহ অন্যান্য কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

জাহাঙ্গীর কবির জানান, গত ২৮ নভেম্বর ঘড়িয়ালটি নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার নদীতে নওয়া গ্রামের জেলেদের জালে আটকা পড়ে। পরে খুলনা বন বিভাগ জেলেদের কাছ থেকে ঘড়িয়ালটি উদ্ধার করে রাজশাহী বন বিভাগের কাছে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, নববঙা একটি ছোট নদী। সে জন্য সেখানে অবমুক্ত করা হয়নি। বংশবিস্তারের সুবিধার্থে রাজশাহীর পদ্মা নদীতে ছাড়া হয়েছে। এখানে আরও ঘড়িয়াল রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ২:৫৯ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনার পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের ক্রীড়াঙ্গন সমৃদ্ধ হয়েছে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মোঃ ইফতেখার হোসেন : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমৃদ্ধ ক্রীড়াঙ্গনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তাঁর সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের ক্রীড়াঙ্গন সমৃদ্ধ ও সম্প্রসারিত হয়েছে। বিশ্বের বুকে আমাদের গৌরবের একটি বড় স্থান করে দিয়েছে দেশের ক্রীড়াবিদরা। ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহায়তা করা হবে। আমাদের লক্ষ্য ক্রীড়াক্ষেত্রে সারাবিশ্বে বাংলাদেশ অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, অসামান্য গৌরব বয়ে আনবে”।

বৃহস্পতিবার (০২ ডিসেম্বর) রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশন আয়োজিত বঙ্গবন্ধু ৫ম আন্তঃসার্ভিস জাতীয় ভারোত্তোলন প্রতিযোগিতা ২০২১ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশনের সহসভাপতি এবং প্রতিযোগিতার আয়োজক কমিটির সভাপতি উইং কমান্ডার মহিউদ্দিন আহম্মেদ (অব.), বাংলাদেশ ভারোত্তোলন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লে. কর্ণেল মোঃ. নজরুল ইসলাম (অব.), ফেডারেশনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ক্রীড়াবিদগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান নারীর ক্ষমতায়ন। তিনি চান নারীরা সামনের দিকে এগিয়ে যাক। প্রশাসন থেকে শুরু করে ক্রীড়াঙ্গনে সর্বত্র নারীদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের সন্তানরা, বিশেষ করে নারী ক্রীড়াবিদরা দেশে ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে চমৎকার সাফল্য দেখাচ্ছে। এটা দেশের জন্য অত্যন্ত সম্মানজনক”।

এর আগে মন্ত্রী ভারোত্তোলনের বিভিন্ন শ্রেণিতে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারী ক্রীড়াবিদদের পুরস্কার তুলে দেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ১:৩৮ অপরাহ্ন
গরু মোটাতাজা করতে খামারিরা যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

গরু পালন লাভজনক হওয়াতে এখন আমাদের দেশের অনেকেই গরুর খামার করার প্রতি ঝুঁকছেন। তবে, এই গরু যদি হয় আরেকটু মোটাতাজা তাহলে আর কথা ই নাই। আর এর জন্য দরকার গরুর সুষম খাদ্য। আর সুষম খাদ্য প্রয়োগে আপনি আরো লাভবান হতে পারেন গরু পালনে।

খামারে গরু মোটাতাজাকরণে যেসকল আমিষ খাবার আপনার গরুকে খাওয়াবেন:

শুকনা খড়: ২ বছর বয়সের গরুর জন্য দৈহিক ওজনের শতকরা ৩ ভাগ এবং এর অধিক বয়সের গরুর জন্য শতকরা ২ ভাগ শুকনা খড় ২ থেকে ৩ ইঞ্চি করে কেটে এক রাত লালীগুড়-চিটাগুড় মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে সরবরাহ করতে হবে।

কাঁচা ঘাস: গরুকে প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ কেজি কাঁচা ঘাস বা শস্য জাতীয় তাজা উদ্ভিদের উপজাত দ্রব্য যেমন- নেপিয়ার, পারা, জার্মান, দেশজ মাটি কলাই, খেসারি, দুর্বা ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।

দানাদার খাদ্য: গরুকে প্রত্যেক দিন কমপক্ষে ১ থেকে ২ কেজি দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। নিচে ১০০ কেজি দানাদার খাদ্যের তালিকা দেয়া হলো- গম ভাঙা-গমের ভুসি ৪০ কেজি চালের কুঁড়া ২৩.৫ কেজি খেসারি বা যে কোনো ডালের ভুসি ১৫ কেজি তিলের খৈল-সরিষার খৈল ২০ কেজি লবণ ১.৫ কেজি। উল্লিখিত তালিকা ছাড়াও বাজারে প্রাপ্ত ভিটামিন মিনারেল মিশ্রণ ১% হারে খাওয়াতে হবে।

১৫০ কেজি ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: খড় = ৩ কেজি কাঁচা ঘাস = ৫-৬ কেজি দানাদার খাদ্যের মিশ্রন = ১.৫-২ কেজি চিটাগুড় = ৫০০ গ্রাম ইউরিয়া = ৪৫ গ্রাম (নিয়মানুয়ায়ী) লবন = ৩৫ গ্রাম।

১০০ কেজি দৈহিক ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: ধানের খড় = ২ কেজি সবুজ ঘাস = ২ কেজি (ঘাস না থাকলে খড় ব্যবহার করতে হবে দানদার খাদ্যে মিশ্রন = ১.২-২.৫ কেজি ইউরিয়া = ৩৫ গ্রাম (নিয়মানুযায়ী) চিটাগুড়া = ২০০-৪০০ গ্রাম লবণ = ২৫ গ্রাম দানাদার খাদ্যের সাথে লবন, ইউরিয়া, চিটাগুড় এক সাথে মিশিয়ে দিনে ২ বার দিতে হবে। ধানের খড় এবং কাঁচা ঘাস ছোট ছোট করে কেটে এক সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

কৃমিমুক্তকরণ ও টিকা প্রদান: গরুকে ডাক্তারের নির্দেশনা মত কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। নতুন গরু সংগ্রহের পর পরই পালের সব গরুকে একসঙ্গে কৃমিমুক্ত করা উচিত। এক্ষেত্রে প্রতি ৭৫ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ টি করে এনডেক্স বা এন্টিওয়ার্ম ট্যাবলেট ব্যবহার করা যেতে পারে।

পূর্ব থেকে টিকা না দেয়া থাকলে খামারে আনার পর পরই সব গরুকে তড়কা, বাদলা ও ক্ষুরা রোগের টিকা দিতে হবে। এ ব্যাপারে নিকটস্থ পশু হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

ঘর তৈরি ও আবাসন ব্যবস্থাপনা: আমদের দেশের অধিকাংশ খামারী ২/৩ টি পশু মোটাতাজা করে থাকে, যার জন্য সাধারণত আধুনিক শেড করার প্রয়োজন পড়ে না। তবে যে ধরনের ঘরেই গরু রাখা হোক, ঘরের মধ্যে পর্যন্ত আলো ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ঘরের মল- মূত্র ও অন্যান্য আবর্জনা যাতে সহজেই পরিষ্কার করা যায়, সে দিকে খেয়াল রেখে ঘরে তৈরি করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

মোঃ ইফতেখার হোসেন: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শোক বার্তায় মন্ত্রী বলেন, “একুশে পদকপ্রাপ্ত ও স্বাধীনতা পুরস্কার জয়ী নজরুল গবেষক রফিকুল ইসলাম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। তার মৃত্যু এ দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি”।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
ভেড়া পালন ও সবজি চাষে পাল্টে গেছে ধরলার চরের জীবন
প্রাণিসম্পদ

ববিতা বেগম। কুড়িগ্রামের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের ধরলার চর সরদার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। বিগত বছরের বন্যাগুলোতে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন। ভেসে গেছে বসতবাড়ি। সেসময় সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা পেলেও কষ্টের জীবন কাটেনি। গত বন্যার পরে খাদ্য সহায়তার সঙ্গে পেয়েছেন ১টি ভেড়া ও শাক-সবজির বীজ। এক বছরেই তার ঘরে এখন ৪টি ভেড়া। বিক্রি করছেন বাড়ির উঠোনের শাক-সবজি। সংসারে এসেছে সচ্ছলতা।

কুড়িগ্রামের ভোগডাঙ্গা, পাঁচগাছি ও যাত্রাপুর ইউনিয়নে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, এমন মানবিক সহযোগিতায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের ৮টি গ্রামের ২৪০ পরিবার। এমন সহযোগিতা করেছে বেসরকারি সংগঠন ফ্রেন্ডশিপের ট্রানজিশন ফান্ড (এএসডি) প্রকল্প।

ববিতা বেগম জানান, তিনি ফ্রেন্ডশিপের ট্রানজিশন ফান্ড (এএসডি) প্রকল্প থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের একটি ভেড়া পেয়েছেন। এখন তার ৪টি ভেড়া; যার বাজারমূল্য ১৬ হাজার টাকা। আধুনিক পদ্ধতিতে শাক-সবজি উৎপাদনের প্রশিক্ষণ পাওয়ার পর তার বসতবাড়িতে উৎপাদিত সবজি এ বছর ৮ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। তার সাংসারিক ব্যয়ভার বহনে সহায়ক হচ্ছে। একটি সেলাই মেশিনও কিনেছেন।

একই গ্রামের আহাদ আলী, সুমি বেগম, সাজিনা খাতুনসহ আরও অনেকে বলেন, আগে হাট থেকে সার কিনে আনতাম। এখন আমরা কম্পোস্ট সার তৈরি করে ব্যবহার করি। ফেরোমন ফাঁদ দিয়ে পোকা মারছি। সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেতে বিভিন্ন অফিসে যোগাযোগ করছি। সঙ্গে গ্রামে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

‘ফ্রেন্ডশিপ’-এর ট্রানজিশন ফান্ড (এএসডি) প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম মল্লিক বলেন, ফ্রেন্ডশিপ লুক্সেমবার্গের সহায়তায় গ্রামের মানুষের সচ্ছলতা আসে। তাদের আয়-রোজগার নিয়মিত হয়। এতে তারা অর্থনৈতিক মুক্তি পায়। সমাজে সুশাসন; যেমন বাল্যবিবাহ রোধ, পারিবারিক নির্যাতন বন্ধ, জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সম্পর্কে ধারণা, জিডি করার কৌশল ইত্যাদি শিক্ষামূলক প্রশিক্ষণ পায় তারা। পাশাপাশি তাদের মধ্যে দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। রৌমারী উপজেলার মোট ২৪টি চরের ৭২১ পরিবারকে সহায়তা করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় ফ্রেন্ডশিপের ট্রানজিশন ফান্ড প্রকল্পের মাধ্যমে ২৪০টি পরিবারকে ভেড়া প্রদান এবং প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ফলে পরিবারগুলোর ভেড়া পালনের মাধ্যমে স্বল্প সময়ে অধিক আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেকটি ভেড়াকে টিকা এবং কৃমিনাশক বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে। চর এলাকা ভেড়া পালনের উপযুক্ত, তাই এ অঞ্চলের মানুষ স্বাবলম্বী হবে বলে আশাবাদী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ২:৫৩ অপরাহ্ন
তিন পা নিয়ে জন্ম নেয়া বাছুরটির দাম ৩ লাখ টাকা
প্রাণিসম্পদ

দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় তিন পাবিশিষ্ট অদ্ভুত এক বাছুরের দাম তিন লাখ টাকা হাঁকানো হয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে বাছুরটির তিন পা নিয়ে জন্ম হয়। বাছুরটির বয়স সাত মাস।

নীবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে লালন-পালন করছেন কৃষক মো. নুর ইসলাম। তিনি দিনাজপুরের বিরল পৌর শহরের ৬নং ওয়ার্ডের শাকধোয়া এলাকার বাসিন্দা ও উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাও. মো. মনসুর আলীর ছেলে।

এদিকে বাছুরটি দেখতে প্রতিদিন উৎসুক জনতা ভিড় করছেন ওই কৃষকের বাড়িতে।

কৃষক মো. নুর ইসলাম জানান, সাত মাস আগে তিন পা নিয়েই বাছুরটির জন্ম হয়। অদ্ভুতভাবে বাছুরটি তিন পা নিয়েই দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। ধীরে ধীরে বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিন পা নিয়েই অন্যান্য গরুর মতোই চলাফেরা করছে বাছুরটি। এর তিনটি পা স্বাভাবিক থাকলেও পেছনের বাম পা শরীর ভেদ করে সামান্য একটু বের হয়ে আছে। এখানে দুটি নোখও রয়েছে।

বর্তমানে বাছুরটি সুস্থ রয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় বাছুরটি নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া এবং বিশ্রাম করে।

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ও রিসোর্ট থেকে ও বাছুরটি ক্রয়ের জন্য প্রস্তাব আসে। তবে তিন লাখ টাকা মূল্য পেলে এ ষাঁড় বাছুরটি বিক্রি কবেন বলে জানান মো. নুর ইসলাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ১২:২৬ অপরাহ্ন
গবাদিপশুকে সুষম খাবার যেকারণে খাওয়াবেন
প্রাণিসম্পদ

গবাদিপশু পালন করে অধিক লাভ করতে সুষম খাদ্যের কোন বিকল্প নাই। সুষম খাদ্য গবাদিপশুতে আরো লাভ নিয়ে আসে।কারণ সুষম খাদ্য ছাড়া গবাদিপশু বেশি বৃদ্ধি পায় না। গবাদিপশুর সুষম খাদ্য বলতে বুঝায় যে খাদ্যে আমিষ, শর্করা, স্নেহ বা চর্বি, খনিজ লবণ, ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ ও পানি সঠিক অনুপাতে থাকে।  আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য অন্ত্রে পরিপাক হয়ে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত হয়। পরে তা অন্ত্রে শোষিত হয়ে রক্তে মিশে এবং দেহের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধি সাধন করে।

আমিষের সহায়তায় দেহের ভেতরে জৈব অনুঘটক এনজাইম তৈরি হয়। যেমন, পেপসিন, ট্রিপসিন ইত্যাদি। এসব এনজাইম খাদ্যের প্রোটিন, লিপিড ও শর্করাকে ভেঙে সহজপাচ্য পুষ্টিতে রূপান্তরিত করে যা কোষ সহজেই শোষণ ও সদ্ব্যবহার করতে পারে। পশুর দেহের রক্ত, পেশী ও সংযোজক কলার প্রধান অংশই প্রোটিনে গঠিত। খাদ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন পশু দেহের শক্তি ও চর্বির উৎস হিসেবে কাজে লাগে।

শর্করা পশু দেহে কর্মশক্তি যোগায়। শর্করা খাদ্যান্ত্রে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয় যা অন্ত্রে শোষিত হয়ে রক্তে মিশে কার্যসম্পাদন করে। অতিরিক্ত শর্করা দেহে গ্লাইকোজেনরূপে জমা থাকে এবং খাদ্যে শর্করার অভাব হলে প্রয়োজনে সেই গ্লাইকোজেন কর্মশক্তি যোগায়।

স্নেহ প্রাণী দেহের টিস্যুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। গবাদিপশুর প্রধানত তাপ ও শক্তির উৎস হিসেবে সঞ্চিত থাকে। সাধারণত গবাদিপশুর দানাদার খাদ্যে শতকরা ৪ ভাগ চর্বি জাতীয় পদার্থ থাকা প্রয়োজন।

খনিজ পদার্থ বাড়ন্ত পশুর নতুন অস্থি ও টিস্যু সৃষ্টিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই উপাদান কঙ্কালের আকৃতি ও দৃঢ়তা বজায় রাখে। পশুর লোম, ক্ষুর ও শিং গঠনে খনিজ পদার্থ প্রয়োজন। খনিজ পদার্থ যেমন- লৌহ রক্তে অক্সিজেন ও কার্বনডাইঅক্সাইড বহন করতে সহায়তা করে। আবার পটাসিয়াম পশুর দেহের তরল পদার্থের অ্যাসিড বেসের সমতা রক্ষা করে।

যেসব জৈব যৌগ খাদ্য উপাদান হিসেবে অল্প পরিমাণ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য জরুরি তাদের ভিটামিন বলা হয়। প্রাণী দেহের জন্য পর্যাপ্ত আমিষ, শর্করা, স্নেহ ও খনিজ পদার্থ খাদ্যের সাথে সরবরাহ করেও ভিটামিন ছাড়া জীবন চালনা সম্ভব হয় না।

স্বাভাবিক টিস্যুর বৃদ্ধি, দৈহিক বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভিটামিন অত্যাবশ্যক। পশুখাদ্যে যদি ভিটামিন না থাকে অথবা সুষ্ঠভাবে ভিটামিন শোষিত না হয় কিংবা দেহে ভিটামিন সদ্ব্যবহার না হয় তবে সুনির্দিষ্ট রোগ হয়। যেমন, ভিটামিন ‘এ’ -এর অভাবে রাতকানা, জনন কর্মক্ষমতা হারানো, ভিটামিন ‘কে’ -এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে সমস্যা হয় এবং ভিটামিন ‘ই’ -এর অভাবে জনন অকৃতকার্যতা পরিলক্ষিত হয়।

পশুদেহের শতকরা ৭০ থেকে ৯০ ভাগ পানি। সাধারণত দানাদার খাদ্যে শতকরা ১০ ভাগ ও খড় জাতীয় খাদ্যে শতকরা ১৫ ভাগ পানি থাকে। আবার সবুজ ঘাসে পানির পরিমাণ শতকরা ৯০ ভাগ। পশুখাদ্যে প্রচুর পরিমাণ পানি থাকা সত্ত্বেও পশুকে পৃথকভাবে পানি সরবরাহ করতে হয়। কারণ পানি দেহের কোষের কাঠিন্য ও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে। এতে প্রাণিদেহের কাঠামো ঠিক থাকে।

পানি ছাড়া দেহে যেকোনো ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটা সম্ভব নয়। পানি দেহের এক অঙ্গ থেকে অন্য অঙ্গে বিভিন্ন পুষ্টিকারক পদার্থ সরবরাহ করে। তাছাড়া পানি দেহের অতিরিক্ত তাপ শোষণ করে। আবার পানি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাফার হিসেবেও কাজ করে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৮, ২০২১ ১:৫৬ অপরাহ্ন
গবাদি পশুর খামার যেভাবে মাছিমুক্ত রাখবেন
প্রাণিসম্পদ

মাছির যন্ত্রণায় কেবল মানুষ বিরক্ত এমনটি নয়। বরং মাছির যন্ত্রণায় সবচেয়ে বেশি বিরক্ত এবং রোগাক্রান্ত হচ্ছে গবাদিপশু। কারণ এই মাছির মাধ্যমে খামারে বিভিন্ন রোগ জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। যা গবাদিপশুর অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই জন্য প্রতিটা গবাদিপশু খামারিকে খামার থেকে মাছি দূর করার উপায় সম্পর্কে জানা খুবই দরকার। কারণ মাছি তাড়াতে না পারলে আপনার স্বপ্নের খামার থেকে প্রত্যাশিত আয় করতে পারবেন না।

খামার থেকে মাছি দূর করার উপায়:

মাছি তাড়ানোর সবচেয়ে ভালো কৌশল হলো খামারের আশে-পাশে গাছ লাগানো। বাতাসে গাছের নড়া-ছড়াতে খামারে মাছি আসবে কম। এছাড়া খামারে আশে-পাশে কিছু সবুজ বৃক্ষাদি থাকলে পরিবেশের জন্যও ভালো।

গবাদিপশুর মল-মূত্র নিয়মতি ও দ্রুত সেসব পরিষ্কার করতে হবে। কারণ এগুলো জমা হলেই মাছি এসে জমাট বাঁধে। আর এটাই হলো মাছিদের ডিম পাড়ার উপযুক্ত জায়গা। একবারে ৭৫–১৫০টি ডিম পাড়ে এরা। ডিম ফুটে বাচ্চা বেরোতে সময় লাগে মাত্র ২৪ ঘণ্টা।

লেবু টুকরো টুকরো করে ভেতরের অংশে অনেকগুলো লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা ঢুকাবেন শুধুমাত্র লবঙ্গের মাথার দিকের অংশ বাইরে থাকবে। এরপর লেবুর টুকরাগুলো একটি প্লেটে করে খামারের কোণায় রেখে দিন। এই পদ্ধতিতে মশা-মাছি, পোকামাকড় একেবারেই দূর হয়ে যাবে।

ব্যবহৃত চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন। এইভাবে ওই চা পাতা ধুনোর বদলে ব্যবহার করুন। শুকনো চা পাতা পোড়ানো ধোঁয়ায় সমস্ত মশা, মাছি পালিয়ে যাবে।

রসুন বেটে পানিতে মিশিয়ে তরল করে পুরো খামারে স্প্রে করতে পারেন। এটা মশা তাড়াতে খুবই কার্যকরী প্রাকৃতিক উপায়। খামারের মাছি তাড়াতে এর যেকোনো একটি উপায় প্রয়োগ করুন।

গরুর গায়ে স্প্রে করার জন্য ২ মিলি তারপিন তেল (অয়েল তারপিন, স্পিরিট তারপিন বা থিনার না), ২ গ্রাম কর্পুর (ন্যাপথালিন গুঁড়াও অনেকে দেন) এ দুইটা জিনিস ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে গরুর গায়ে স্প্রে করলে মাছি বসবে না।

মশা-মাছি কর্পুরের গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারে না। একটি ৫০ গ্রামের কর্পুরের ট্যাবলেট একটি ছোট বাটিতে রেখে বাটিটি পানি দিয়ে পূর্ণ করুন। এরপর এটি খামারের কোনায় রেখে দিন।

তাৎক্ষণিকভাবেই মশা- মাছি গায়েব হয়ে যাবে। দুই দিন পর পানি পরিবর্তন করে নিন। আগের পানিটুকু ফেলে না দিয়ে ফার্মে ছিটিয়ে দিলে পোকামাকড় ও পিঁপড়ের যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি পাবেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop