৯:২৭ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১ ৫:০৪ অপরাহ্ন
সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধের আহ্বান ফিআব এর
পোলট্রি

সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক হাঁস-মুরগি,মৎস্য ও গবাদিপশুর খাদ্য তৈরির অত্যাবশ্যকীয় একটি উপকরণ ‘সয়াবিন মিল’ রপ্তানির অনুমতি প্রদান করায় খামারি ও উদ্যোক্তাদের মাঝে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে দাবী করে সংবাদ সম্মেলন করেছে ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন বাংলাদেশ(ফিআব)।

আজ বুধবার(২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারের “লা ভিঞ্চি হোটেল” এর কনফারেন্স রুমে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এহতেশাম বি. শাহজাহান, সভাপতি, ফিড ইন্ডাষ্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ(ফিআব), মোঃ আহসানুজ্জামান(ফিআব), সাধারণ সম্পাদক, ফিড ইন্ডাষ্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ, মসিউর রহমান, সদস্য, ফিআব, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)  এবং সভাপতি, ওয়ার্ল্ড’স পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখা (ওয়াপসা-বিবি), শামসুল আরেফিন খালেদ, সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি), সাইফুল আলম খান, সদস্য, ফিড ইন্ডাষ্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ফিআব), আবু লুৎফে ফজলে রহিম খান, সদস্য, ফিড ইন্ডাষ্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ফিআব)।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পোল্ট্রি, ডেইরি ও প্রাণিখাদ্য তৈরিতে প্রধান যে কাঁচামালগুলো ব্যবহৃত হয় তার মধ্যে- ভুট্টা, সয়াবিন মিল, গম, আটা, ময়দা, ভাঙা চাউল, চাউলের কুড়া, ফিশ মিল, সরিষার খৈল, তৈল, ভিটামিন, মিনারেল ইত্যাদি অন্যতম। এর মধ্যে দু’টি উপকরণ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় (১) ভুট্টা এবং (২) সয়াবিন মিল। ভুট্টার ব্যবহার প্রায় ৫০-৫৫ শতাংশ এবং সয়াবিন মিলের পরিমান প্রায় ২৫-৩৫ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। বাংলাদেশে বিগত কয়েক বছর থেকে ভুট্টার আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশীয় মোট চাহিদার প্রায় ৫০ শতাংশ ভুট্টা দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। তবে সয়াবিনের উৎপাদন নিতান্তই নগণ্য।

No description available.

 

বক্তারা বলেন, বর্তমানে চাহিদাকৃত ‘সয়াবিন মিল’ দেশীয় সয়াবিন তৈল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়াও ভারত, আমেরিকা, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা প্রভৃতি দেশ থেকে আমদানি করা হয়ে থাকে। আমাদের দেশে ‘সয়াবিন মিল’ এর মোট চাহিদা বছরে প্রায় ১৮-২০ লক্ষ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ৭৫-৮০ ভাগ দেশীয় সয়াবিন তৈল উৎপাদকারি প্রতিষ্ঠান হতে এবং অবশিষ্ট ২০-২৫ ভাগ আমদানির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়।

দেশে উৎপাদিত সয়াবিন মিলের একমাত্র ক্রেতা হচ্ছে পোল্ট্রি, মৎস্য, ক্যাটল ও ফিড উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ খামারিবৃন্দ উল্লেখ করে তারা জানান,সয়াবিন মিলের রপ্তানির সিদ্ধান্তে খামারিরা উদ্বিগ্ন কারন ডিম, মাছ, মুরগি উৎপাদনে মোট খরচের প্রায় ৭০-৭৫ শতাংশ খরচই হয় ফিড ক্রয় বাবদ। তাই ফিডের মূল্য বৃদ্ধি পেলে খামারিদের উৎপাদন খরচ বাড়ে; অন্যদিকে খরচের বিপরীতে পণ্যের নায্য দাম না পাওয়ায় বড় অংকের লোকসানের মুখে পড়তে হয় তাঁদের।

তারা বলেন, অতীতে চাহিদা মেটাতে সিংহভাগ সয়াবিন মিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হলেও এলসি করা, অতিরিক্ত জাহাজ ভাড়া, চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য খালাসে জটিলতা, ল্যাব টেস্টের জটিলতা, বিলম্ব মাশুল, ইত্যাদি নানাবিধ জটিলতার কারণে সয়াবিন মিল আমদানির পরিমান সাম্প্রতিক বছরগুলো ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেয়েছে।

No description available.

বর্তমানে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা থেকে সয়াবিন মিল আমদানি করতে হলে এলসি করা থেকে শুরু করে বন্দরে মাল এসে পৌঁছানো পর্যন্ত সময় লাগে প্রায় ৫০ দিন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে সময় লাগে ৭০ দিন। ভারত থেকে সড়কে ৭-১০ দিন, কনটেইনারে ১৫-২০ দিন। বিশ্ববাজারে এবং সেই সাথে পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতে সয়াবিন মিলের দাম বেড়ে যাওয়ায় সে দেশের পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস শিল্প রক্ষা করতে এবং স্বল্পতম সময়ে বাংলাদেশ থেকে সয়াবিন মিল আমদানির জন্য আগ্রহ বেড়েছে ভারত, নেপাল প্রভৃতি দেশের ফিড প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর। আমাদের উদ্বৃত্ত থাকলে রপ্তানি করতে কোন অসুবিধাই ছিলনা কিন্তু দেশের চাহিদা যখন দেশীয়ভাবে পূরণ করা যাচ্ছে না; তখন রপ্তানির সিদ্ধান্ত কেন? প্রশ্ন তোলেন তাঁরা।

“সয়াবিন মিল রপ্তানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার” এমন খবর জাতীয় সংবাদ-মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় সয়াবিন মিল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সয়াবিন মিলের দাম কেজি প্রতি ১০-১২ টাকা বৃদ্ধি করেছে; সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে; ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান তাঁরা।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয় হতে সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধের সুস্পষ্ট মতামতসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি প্রদান করলে এগুলোর কোন কিছুই আমলে না নিয়ে একতরফাভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় রপ্তানির সিদ্ধান্তে অনঢ় রয়েছে এবং ভারত ও নেপালে সয়াবিন মিলের রপ্তানি চালু রয়েছে। শুধু তাই নয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সয়াবিন মিল বন্ধের আদেশ প্রদান করলেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপের কারণে তা পুনরায় প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানান তারা।

মসিউর রহমান বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, খাদ্য মন্ত্রণালয়সহ এই তিন মন্ত্রাণালয় থেকে সয়াবিন মিল রপ্তানি বন্ধের সুপারিশ করলেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় তা উপেক্ষা করাটা সত্যি দুঃখজনক। তিনি বলেন,যারা আমাদেরকে পেঁয়াজ সংকটের সময় পেঁয়াজ দিতে চাই না, করোনার এই ক্রান্তিকালে ভ্যাক্সিন দিতে চাচ্ছে না। তাদের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এমন উদারতা আমাদের জন্য উদ্বেগের বিষয়।

শামসুল আরেফিন খালেদ বলেন, এভাবে চলতে থাকলে কয়েক মাসের ভিতরে বাংলাদেশের ৫০ শতাংশ ফিড মিল এবং ৫০ শতাংশ খামার বন্ধ হয়ে যাবে।আর এভাবে বন্ধ হয়ে গেলে বিদেশীরা আমাদের এই পোল্ট্রি সেক্টরও দখল করে নিবে। তারা এখানে ব্যবসা শুরু করলে আমাদের দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো একেবারেই বন্ধ হয়ে যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ ১:০৫ পূর্বাহ্ন
৬ মাসের মধ্যে মৎস্যজীবীদের নিবন্ধন
প্রাণিসম্পদ

মৎস্যজীবীদের সরকারি সব সুবিধা পৌঁছে দেয়ার জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়া ছয় মাসের মধ্যে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের নবনির্মিত মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র উদ্বোধন শেষে সোমবার তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘মৎস্যজীবী নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া, মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদ করা চলমান রয়েছে। ৬ মাসের মধ্যে মৎস্যজীবীদের নিবন্ধন হালনাগাদ হয়ে যাবে। প্রকৃত মৎস্যজীবীরা এ তালিকার আওতায় আসবেন।

‘মাছ ধরা বন্ধের সময় প্রকৃত মৎস্যজীবীদের ভিজিএফ সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে। মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকার সময় প্রকৃত মৎস্যজীবীরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন।’

রেজাউল করিম বলেন, ‘মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখার সময় পরিবর্তনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে। যারা সমুদ্রে মাছ ধরতে যাবেন তাদের আধুনিক প্রযুক্তির সুযোগ-সুবিধা দেয়ার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।’

দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধির জন্য শেখ হাসিনা সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়েছে। ইলিশ নিয়ে গবেষণার জন্য গবেষণা কেন্দ্র করা হয়েছে। দেশের যে প্রান্তে ইলিশ কমে যাচ্ছে সে প্রান্তে উৎপাদন যাতে বাড়ানো যায়, ইলিশ যাতে নির্বিঘ্নে প্রজনন করতে পারে, এ বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

‘যেসব নদীতে ইলিশ ছিল, কিন্তু এখন নেই সেখানে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম করা হচ্ছে। অনাকাঙ্ক্ষিত মৎস্য আহরণ বন্ধ করার জন্য যেসব এলাকায় নজর দেয়া দরকার, সেসব এলাকায় নজর দেয়া হচ্ছে। নদীর গভীরতা যাতে নষ্ট না হয়, নদীর গতি-প্রকৃতি যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে আমরা খেয়াল রাখছি।

‘নদীর নাব্যর কারণে মৎস্যসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নজরে আনা হবে।’

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকার সময় সীমান্তবর্তী ভারতের নদী বা সমুদ্র এলাকায় একই সময়ে মৎস্য আহরণ বন্ধের বিষয়টি ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এর আগে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের খেপুপাড়া নদী উপকেন্দ্রের অফিস কাম গবেষণা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
নতুন জাতের মুরগি উদ্ভাবন, এক কেজি হতে লাগবে ৫৬ দিনে
পোলট্রি

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই) জার্মপ্লাজম ব্যবহার করে ধারাবাহিক সিলেকশন ও ব্রিডিংয়ের মাধ্যমে অধিক মাংস উৎপাদনকারী একটি মুরগির জাত উদ্ভাবন করেছে। পরিবর্তনশীল আবহাওয়া উপযোগী এই মুরগির জাতটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘মাল্টি কালার টেবিল চিকেন’ (এমসিটিসি)।

গবেষকদের দাবি, এটি অধিক মাংস উৎপাদনকারী মুরগির জাত। বাংলাদেশের আবহাওয়া এবং জলবায়ুর প্রেক্ষাপটেই এর উদ্ভাবন করা হয়েছে।

বিএলআরআইয়ের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আতাউল গনি রাব্বানী বাংলা জানান, ‘বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মাধ্যমে আমরা মুরগির পরীক্ষা করিয়েছি। এমসিটিসি সংশ্লিষ্ট যত ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার সেগুলোও সম্পন্ন হয়েছে। দেখা গেছে, এই মুরগির মাংসের গুণাগুণ দেশি মুরগির অনুরূপ।’‘এমসিটিসি জাতের মুরগির মাংসের স্বাদ ও পালকের রং দেশি মুরগির মতো মিশ্র বর্ণের হওয়ায় খামারিরা দাম প্রচলিত সোনালি বা অন্যান্য ককরেল মুরগির তুলনায় বেশি পাবেন। এই জাতের মুরগি পালনে জায়গার পরিমাণ, ব্রিডিং, তাপমাত্রা, আলো ও বায়ু ব্যবস্থাপনা অন্যান্য মুরগির মতোই। এই জাতের মৃত্যুর হার খুবই কম। বিএলআরআই পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণায় সর্বোচ্চ ১.৫ শতাংশ মৃত্যুহার পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

বিএলআরআইয়ের গবেষকরা বলছেন, মাংসের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এ জাতের উদ্ভাবন করা হয়েছে। আট সপ্তাহে (৫৬ দিনে) এই মুরগির গড় ওজন হবে ৯৭৫ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত। এ ওজন হতে প্রতিটি মুরগির প্রায় ২.২০-২.৪০ কেজি খাবার খায়। যেখানে বাজারে বহুল প্রচলিত অনেক মুরগির এই ওজনে আসতে প্রায় ৯০ দিন লেগে যায়।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল জলিল জানান, ‘এমসিটিসি মুরগির জাতটিকে আমরা বলে থাকি, দেশীয় ব্রয়লার। সরকারি চারটা ফার্ম এবং প্রাইভেট দুইটা ফার্মের মাধ্যমে আমরা পুরো বাংলাদেশকে কাভার করার চেষ্টা করছি। পরবর্তী সময়ে চাহিদার ওপর ভিত্তি করে আরও অন্যান্য এলাকায় এর কার্যক্রম পরিচালনা করবো। এক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর কার্যক্রমটি পরিচালনা করবে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২১ ১:৩৭ অপরাহ্ন
​যুক্তরাজ্যের খামারে শনাক্ত হলো গবাদিপশুর নতুন রোগ
প্রাণিসম্পদ

যুক্তরাজ্যের সমারসেটের একটি খামারে বিএসই নামের একটি গবাদিপশুর রোগ শনাক্ত হয়েছে। রোগটি ম্যাড কাউ নামেও পরিচিত।

রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এসব জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি। খামারটিতে একটি গরু মারা গেছে এ রোগে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের দ্য এনিম্যাল এন্ড প্ল্যান্ট হেলথ এজেন্সি (এপিএইচএ) জানিয়েছে, গরুটির মরদেহ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সংক্রমণের উৎস খুঁজতে তদন্ত চলছে। প্রধান ভেটেনারি অফিসার ক্রিস্টিন মিডলমিস বলেছেন, খাদ্য নিরাপত্তা বা জনস্বাস্থ্যের কোন ঝুঁকি নেই। কৃষকদের জন্য কঠিন সময় আসছে। আমরা আছি পরামর্শ দেওয়ার জন্য।

যুক্তরাজ্যে ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচটি পশুর শরীরে ম্যাড কাউ রোগ শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে এপিএইচএ। এর আগে গত শতকের নব্বইয়ের দশকে রোগটি দেশটিতে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ে। সে সময়ে ম্যাড কাউ রোগ নিয়ন্ত্রণে লাখ লাখ গরু হত্যা করা হয়েছিল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১ ৫:৩৭ অপরাহ্ন
এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে দেশে শীঘ্রই ভ্যাকসিন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ও ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি জোরদারকরণ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান মন্ত্রী।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) যৌথভাবে এ সেমিনার আয়োজন করে।

সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, “খুব শীঘ্রই কারিগরী কমিটি গঠন করে ভ্যাকসিন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ হাতে নেওয়া হবে। যে ভ্যাকসিন আমাদের দেশে উৎপাদন হচ্ছে সে ভ্যাকসিনের মান আরো উন্নত করে এর পরিসর বাড়ানো হবে। যে সব রোগের ক্ষেত্রে আরো ভ্যাকসিনেশন দরকার সে সব রোগের ভ্যাকসিন উৎপাদন বাড়ানো হবে। আমাদের সক্ষমতা রয়েছে। প্রয়োজনে আরো বৈজ্ঞানিক গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করা হবে”।

“মেধাবী জাতি তৈরিতে পুষ্টিমানসমৃদ্ধ খাবার দরকার। সেক্ষেত্রে মাংস, মাছ, দুধ, ডিম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ পণ্যগুলো যদি গুণগত মানসম্পন্ন না হয়, শুধু উৎপাদন বাড়িয়ে মেধাবী জাতি সৃষ্টি করা যাবে না। সে জন্য মানসম্পন্ন পণ্য তৈরিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা কাজ করছি। আমাদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাগার রয়েছে, এর পরিসর আরো বাড়ানো হবে। কী কী প্রক্রিয়ায় গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয়গুলোও গভীরভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।”-যোগ করেন মন্ত্রী।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “প্রাণিসম্পদ খাতকে আমরা উন্নত-সমৃদ্ধ করতে চাই। এ খাত বেকারত্ব দূর করায় বড় ধরনের ভূমিকা রাখছে, মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখছে, খাবারের একটি বড় যোগান দিচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখতে ভূমিকা রাখছে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রেও এ খাত একটি বড় ধরনের সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করবে। এ খাতকে আমরা যত সমৃদ্ধ এবং গুণগত মানে উন্নত করতে পারবো, এ খাত ততই আমাদের কল্যাণ বয়ে আনবে।”

এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ কঠোর অবস্থানে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “একসময় দেশে বার্ড ফ্লু নিয়ে শঙ্কিত অবস্থা ছিল। সেখান থেকে অমাদের উত্তরণ হয়েছে। প্রতিবেশি দেশ থেকে কোনভাবে যেন বার্ড ফ্লু সংক্রমণ ঘটতে না পারে সে জন্য সীমান্তে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে। জুনোটিক রোগ নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি জায়গায় প্রতিটি স্তরে সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে”।

“সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে যার যার অবস্থান থেকে গুণগত সামর্থ্য কাজে লাগাতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতামত ও পরামর্শের আলোকে প্রাণিসম্পদ খাতকে আরো সমৃদ্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি”-জানান মন্ত্রী।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. মো. আবদুল জলিল ও এফএও’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা।

সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম ও বিএলআরআই-এর মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আব্দুস সামাদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুবোল বোস মনি, মোঃ তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলমসহ মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বিএলআরআই-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রাণিসম্পদ খাতের বিজ্ঞানী, গবেষক ও উদ্যোক্তাগণ সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১ ৪:২১ অপরাহ্ন
আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ প্রকল্পের আওতায় মনোহরদীতে জনসচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ প্রকল্পের আওতায় নরসিংদীর মনোহরদীতে এক জনসচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) এল.ডি.ডি.পি প্রশিক্ষণ হল রুম হাতিরদিয়া, মনোহরদীতে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (মনোহরদী) ডা. আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই যুগে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে গরু লালন পালনের বিকল্প নেই। তাই নতুন প্রযুক্তির সাথে খামারিদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং তাতে দ্রুত অভ্যস্ত হয়ে সর্বাধিক লাভবান হওয়া এবং প্রাণিজ প্রোটিন সরবরাহের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রাণিজ আমিষের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করার পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ২০৩০ এর অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানান বক্তারা।

উল্লেখ্য এই প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে সুফলভোগী খামারিদের বিনামূল্যে ভিটামিন-মিনারেল প্রিমিক্স, কৃমিনাশক ঔষুধ, হেলথ কার্ড, প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল, ঘাসের কাটিংসহ বিভিন্ন ধরনের উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ফলে নারী-পুরুষ হয়ে উঠেন স্বাবলম্বী।

এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী খামারি, মনোহরদীর ইমাম উদ্দিন জানান, আগে আমরা আমাদের মত করে গরু পালন করতাম। বছর শেষে লাভ হতো খুব কম। এখন আমার আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ প্রকল্পের নির্দেশনায় গরু পালন করে আগের থেকে বহুগুন মোটাতাজা গরু বিক্রি করতে পারছি এবং সংসারে স্বচ্ছলতা এসেছে।

এই প্রকল্পের আরেক সুবিধাভোগী আমেনা বেগম জানান, আমরা আগে জানতাম না গরু পালনের সঠিক নিয়ম। এখন আমরা আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ প্রকল্পের নির্দেশনায় গরু পালন করতে গিয়ে খুব কম খরচে সঠিক পরিচর্যায় গরু মোটাতাজা করতে সক্ষম হচ্ছি। এই প্রকল্প আমাদের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিয়েছে বলে জানান মনোহরদীর এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ।

উল্লেখ্য যে “নিরাপদ মাংসের চাহিদা পূরণে, গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়নে” ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের “আধুনিক প্রযুক্তিতে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ” প্রকল্পটি যাত্রা শুরু করে । অল্প সময়ের মাঝে দেশের ৪৯১টি উপজেলায় প্রকল্পটির কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছে ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১ ৯:০০ অপরাহ্ন
প্রকল্প বাস্তবায়নে ক্ষুদ্র ত্রুটি সব অর্জন ম্লান করে দেয়: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

প্রকল্প বাস্তবায়নে ক্ষুদ্র ত্রুটি সব অর্জন ম্লান করে দেয় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সচিবালয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ উপখাতের প্রকল্পসমূহের আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, “রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ববোধ দেশপ্রেম থেকে আসা উচিত। শুধু দাপ্তরিক সময়ের মধ্যে দায়িত্ব পালন করলেই কাজ শেষ নয়। অর্পিত দায়িত্ব পালন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করতে হবে।”

তিনি আরো যোগ করেন, “রাষ্ট্রের সম্পদের প্রতি প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হতে হবে। যেকোন প্রকল্প শেষে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের যথাযথভাবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে হবে। অর্পিত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার পরিচয় দিতে হবে। দায়িত্বে গাফিলতি করা চলবে না। শৈথিল্য, অনিয়ম, দুর্নীতি যেখানে হবে, সেখানে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় করলে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।”

May be an image of 7 people, people sitting and people standing

“মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর উপকৃত হচ্ছে। এ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের অনেক মানুষ সম্পৃক্ত। এর মাধ্যমে অনেক অসহায়-ছিন্নমূল মানুষ ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছে। অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছে। এ বিষয়টি প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মাথায় রাখতে হবে।”- যোগ করেন মন্ত্রী।

করোনা সংকটের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ সময় ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব মোঃ তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান, বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিলসহ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১৮টি, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৬টি এবং বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১টিসহ মোট ২৫টি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১ ২:০০ অপরাহ্ন
নির্দিষ্ট স্থানে প্রস্রাব করছেন গরু, ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)
প্রাণিসম্পদ

গরুদের একটি নির্দিষ্ট স্থানে প্রস্রাব করার অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সফল হয়েছেন গবেষকরা। তারা একটি বিশেষ টয়লেটও নির্মাণ করেছেন, ওই টয়লেটে প্রস্রাব করার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য গরুদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে নেওয়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই গবেষণাটি পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। খবর এনডিটিভি।

নিউজিল্যান্ডে গবেষণাটি চালানো হয়। গরুর প্রস্রাব নিয়ে রসিকতা করতে গিয়ে এই গবেষণার ধারণা মাথায় আসে বলে স্বীকার করেছেন নিউজিল্যান্ড এবং জার্মানির এই গবেষকরা। তারা বলেছিলেন, গরুর নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ তরল বর্জ্য নিয়ে কাজ করলে সত্যিকার অর্থে দীর্ঘমেয়াদী জলবায়ুর জন্য উপকার হতে পারে।

দেশটির অকল্যান্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক ডগলাস ডগলাস এলিফ বলেন, আমরা যদি ১০ অথবা ২০ শতাংশ প্রস্রাব সংগ্রহ করতে পারি। তাহলে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন এবং মাটিতে নাইট্রেটের শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমান যাবে।

তিনি বলেন, গরু প্রস্রাব করার পর তাতে থাকা নাইট্রোজেন দুটি পদার্থে ভাগ হয়, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এর মধ্যে নাইট্রাস অক্সাইড, যা অতিমাত্রায় গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের দায়ী এবং অপরটি হলো নাইট্রেট, যা মাটিতে শোষণ হওয়ার মধ্য দিয়ে নদী ও জলাধারে গিয়ে পড়ে।

গবেষক লিন্ডসে ম্যাথিউস বলেন, তিনি জার্মানিতে তার সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করেন। এজন্য তারা ১৬টি বাছুরকে বেছে নেয়। তাদের প্রতিদিন প্রস্রাবের জন্য টয়লেট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ কাজের পুরষ্কার হিসেবে টয়লেটে খাবার দেওয়া হতো বাছুরগুলোর জন্য। এক্ষেত্রে তিন বছরের বাচ্চার কাছে যে ধরনের সফলতা আসত, ঠিক একই ধরনের ফলাফল পাওয়া গেছে।

গবেষক ডগলাস এলিফ বলেন, চলতি সপ্তাহে কারেন্ট বায়োলজি জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা পত্রে এই ‘ধারণার পক্ষে প্রমাণ’ দেওয়া হয়েছে যে গরুকে টয়লেটের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব।

তবে বিশাল গরুর পালকে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া একটি বিশাল বড় চ্যালেঞ্জের কাজ। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের মতো দেশে, যেখানে অধিকাংশ সময় গরুগুলো মাঠে চরে। সূত্র: আরটিভি

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১ ১:২৭ অপরাহ্ন
পোরশায় গরু মোটাতাজাকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর পোরশায় গরু মোটাতাজাকরণ বিষয়ক ৩ দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টায় আধুনিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর মিলনায়তনে তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে ও উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাপনী প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ্ মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী।

প্রশিক্ষণে উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. গোলাপ হোসেন, উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আজম সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত প্রশিক্ষণে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক খামারি অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ ৬:৩৩ অপরাহ্ন
প্রতিটি মাছ বাজারে একটি করে ফরমালিন বুথ স্থাপন দুরূহ: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ‘মাছে ফরমালিনের ব্যবহার রোধে মৎস্য অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে বাজার পরিদর্শন, অভিযান ও মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করে আসছে। মৎস্য অধিদপ্তরের সীমিত জনবল দিয়ে বর্তমানে প্রতিটি মাছ বাজারে একটি করে ফরমালিন বুথ স্থাপন করা দুরূহ।’

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংসদে টেবিলে উত্থাপিত দিদারুল আলমের (চট্টগ্রাম-৪) তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, তবে খাদ্যে ভেজাল রোধে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের আওতায় বাজার পরিদর্শন, মোবাইলকোর্ট পরিচালনা ও ফরমালিন মুক্ত বাজার ঘোষণা কার্যক্রম অব্যাহত আছে। দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার (মার্চ, ২০১৬ থেকে জুন, ২০২১ পর্যন্ত) আওতায় ১০৫টি উপজেলাকে মাছ বিপণনে ফরমালিন মুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং ৪২ হাজার ১৬১টি বাজার পরিদর্শন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিগত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সারাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজার, আড়ত এবং অবতরণকেন্দ্রে সর্বমোট ২ হাজার ৮৬৪টি অভিযান, ২২৬টি মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করে মাছ জব্দ ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বর্তমান অবস্থায় সরকার তথা সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে প্রতিটি আড়তে মনিটরিং সেল গঠন করা যেতে পারে।

ভবিষ্যতে মৎস্য অধিদপ্তরে প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবলের সংস্থান করলে মাছে ফরমালিন ব্যবহার প্রতিরোধে প্রতিটি মৎস্য আড়তে মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop