১:১৯ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১ ৯:০০ অপরাহ্ন
প্রকল্প বাস্তবায়নে ক্ষুদ্র ত্রুটি সব অর্জন ম্লান করে দেয়: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

প্রকল্প বাস্তবায়নে ক্ষুদ্র ত্রুটি সব অর্জন ম্লান করে দেয় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সচিবালয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ উপখাতের প্রকল্পসমূহের আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, “রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ববোধ দেশপ্রেম থেকে আসা উচিত। শুধু দাপ্তরিক সময়ের মধ্যে দায়িত্ব পালন করলেই কাজ শেষ নয়। অর্পিত দায়িত্ব পালন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করতে হবে।”

তিনি আরো যোগ করেন, “রাষ্ট্রের সম্পদের প্রতি প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হতে হবে। যেকোন প্রকল্প শেষে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের যথাযথভাবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে হবে। অর্পিত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার পরিচয় দিতে হবে। দায়িত্বে গাফিলতি করা চলবে না। শৈথিল্য, অনিয়ম, দুর্নীতি যেখানে হবে, সেখানে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় করলে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।”

May be an image of 7 people, people sitting and people standing

“মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর উপকৃত হচ্ছে। এ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের অনেক মানুষ সম্পৃক্ত। এর মাধ্যমে অনেক অসহায়-ছিন্নমূল মানুষ ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছে। অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছে। এ বিষয়টি প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মাথায় রাখতে হবে।”- যোগ করেন মন্ত্রী।

করোনা সংকটের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ সময় ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব মোঃ তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান, বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিলসহ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১৮টি, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৬টি এবং বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১টিসহ মোট ২৫টি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১ ২:০০ অপরাহ্ন
নির্দিষ্ট স্থানে প্রস্রাব করছেন গরু, ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)
প্রাণিসম্পদ

গরুদের একটি নির্দিষ্ট স্থানে প্রস্রাব করার অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সফল হয়েছেন গবেষকরা। তারা একটি বিশেষ টয়লেটও নির্মাণ করেছেন, ওই টয়লেটে প্রস্রাব করার অভ্যাস গড়ে তোলার জন্য গরুদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়। গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে নেওয়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই গবেষণাটি পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। খবর এনডিটিভি।

নিউজিল্যান্ডে গবেষণাটি চালানো হয়। গরুর প্রস্রাব নিয়ে রসিকতা করতে গিয়ে এই গবেষণার ধারণা মাথায় আসে বলে স্বীকার করেছেন নিউজিল্যান্ড এবং জার্মানির এই গবেষকরা। তারা বলেছিলেন, গরুর নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ তরল বর্জ্য নিয়ে কাজ করলে সত্যিকার অর্থে দীর্ঘমেয়াদী জলবায়ুর জন্য উপকার হতে পারে।

দেশটির অকল্যান্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক ডগলাস ডগলাস এলিফ বলেন, আমরা যদি ১০ অথবা ২০ শতাংশ প্রস্রাব সংগ্রহ করতে পারি। তাহলে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন এবং মাটিতে নাইট্রেটের শোষণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমান যাবে।

তিনি বলেন, গরু প্রস্রাব করার পর তাতে থাকা নাইট্রোজেন দুটি পদার্থে ভাগ হয়, যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এর মধ্যে নাইট্রাস অক্সাইড, যা অতিমাত্রায় গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের দায়ী এবং অপরটি হলো নাইট্রেট, যা মাটিতে শোষণ হওয়ার মধ্য দিয়ে নদী ও জলাধারে গিয়ে পড়ে।

গবেষক লিন্ডসে ম্যাথিউস বলেন, তিনি জার্মানিতে তার সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করেন। এজন্য তারা ১৬টি বাছুরকে বেছে নেয়। তাদের প্রতিদিন প্রস্রাবের জন্য টয়লেট ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ কাজের পুরষ্কার হিসেবে টয়লেটে খাবার দেওয়া হতো বাছুরগুলোর জন্য। এক্ষেত্রে তিন বছরের বাচ্চার কাছে যে ধরনের সফলতা আসত, ঠিক একই ধরনের ফলাফল পাওয়া গেছে।

গবেষক ডগলাস এলিফ বলেন, চলতি সপ্তাহে কারেন্ট বায়োলজি জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা পত্রে এই ‘ধারণার পক্ষে প্রমাণ’ দেওয়া হয়েছে যে গরুকে টয়লেটের জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব।

তবে বিশাল গরুর পালকে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া একটি বিশাল বড় চ্যালেঞ্জের কাজ। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের মতো দেশে, যেখানে অধিকাংশ সময় গরুগুলো মাঠে চরে। সূত্র: আরটিভি

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১ ১:২৭ অপরাহ্ন
পোরশায় গরু মোটাতাজাকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর পোরশায় গরু মোটাতাজাকরণ বিষয়ক ৩ দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টায় আধুনিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর মিলনায়তনে তিন দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে ও উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাপনী প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শাহ্ মঞ্জুর মোরশেদ চৌধুরী।

প্রশিক্ষণে উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. গোলাপ হোসেন, উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আজম সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত প্রশিক্ষণে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক খামারি অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ ৬:৩৩ অপরাহ্ন
প্রতিটি মাছ বাজারে একটি করে ফরমালিন বুথ স্থাপন দুরূহ: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ‘মাছে ফরমালিনের ব্যবহার রোধে মৎস্য অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে বাজার পরিদর্শন, অভিযান ও মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করে আসছে। মৎস্য অধিদপ্তরের সীমিত জনবল দিয়ে বর্তমানে প্রতিটি মাছ বাজারে একটি করে ফরমালিন বুথ স্থাপন করা দুরূহ।’

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সংসদে টেবিলে উত্থাপিত দিদারুল আলমের (চট্টগ্রাম-৪) তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, তবে খাদ্যে ভেজাল রোধে মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের আওতায় বাজার পরিদর্শন, মোবাইলকোর্ট পরিচালনা ও ফরমালিন মুক্ত বাজার ঘোষণা কার্যক্রম অব্যাহত আছে। দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার (মার্চ, ২০১৬ থেকে জুন, ২০২১ পর্যন্ত) আওতায় ১০৫টি উপজেলাকে মাছ বিপণনে ফরমালিন মুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং ৪২ হাজার ১৬১টি বাজার পরিদর্শন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিগত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সারাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজার, আড়ত এবং অবতরণকেন্দ্রে সর্বমোট ২ হাজার ৮৬৪টি অভিযান, ২২৬টি মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করে মাছ জব্দ ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বর্তমান অবস্থায় সরকার তথা সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে প্রতিটি আড়তে মনিটরিং সেল গঠন করা যেতে পারে।

ভবিষ্যতে মৎস্য অধিদপ্তরে প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবলের সংস্থান করলে মাছে ফরমালিন ব্যবহার প্রতিরোধে প্রতিটি মৎস্য আড়তে মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করা সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১ ৩:৩৭ অপরাহ্ন
৩ দিন ব্যাপি গরু মোটা-তাজাকরণ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

পাইকগাছায় ৩ দিন ব্যাপি গরু মোটা-তাজাকরণ প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রোববার সকালে উত্তরণ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উত্তরণ অপ্রতিরোধ্য প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী।

অপ্রতিরোধ্য প্রকল্পের সেন্টার ম্যানেজার মাহফুজা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভূমি কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ আব্দুল আজিজ ও উত্তরণ কর্মকর্তা নাজমুল বাশার। প্রশিক্ষণে ৩০ জন নারী অংশগ্রহণ করে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ ৬:৩৪ অপরাহ্ন
হাওর অঞ্চলের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

হাওর অঞ্চলের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন হাওরে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন,”হাওর অঞ্চলকে উন্নত-সমৃদ্ধ করার জন্য যা কিছু প্রয়োজন তা বর্তমান সরকার করবে। প্রাকৃতিক পরিবেশ স্বাভাবিক রেখে হাওর অঞ্চল কিভাবে উন্নত করা যায় এ লক্ষ্যে একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলের মৎস্যসম্পদ কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়, কীভাবে মৎস্যসম্পদকে জাতীয় অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত করা যায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। হাওর অঞ্চলের মাছ কীভাবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পরিবহন করা যায়, মৎস্যজাত পণ্য কিভাবে সৃষ্টি করা যায়, এ বিষয়গুলো গভীরভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।”

শীঘ্রই কিশোরগঞ্জে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের হাওর মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে বলেও এ সময় জানান মন্ত্রী।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “প্লাস্টিক বা অন্যান্য বর্জ্যের কারণে মৎস্যসম্পদ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মাছের ডিম নষ্ট হয়, প্রজনন বাধাগ্রস্ত হয়। হাওড়ের মধ্যে প্লাস্টিক জাতীয় বা অন্যান্য বর্জ্য কেউ যাতে না ফেলে সে জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পাশাপাশি গণমাধ্যমকে সোচ্চার হতে হবে। প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হয়ে গেলে আমরা সবাই এর ক্ষতির মুখোমুখি হবো। তাই হাওরের পরিবেশ রক্ষায় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলমের সভাপতিত্বে পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ ও মিঠামইন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আছিয়া আলম। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও সুবোল বোস মনি, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, কিশোরগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার পাল, মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রভাংশু সোম মহান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এদিন মিঠামইন হাওরে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে পাবদা, গুলশা, টেংরা, চিতল, ফলি, দেশি পুঁটি, ঢেলা, হিরালু, দেশি শোল, মহাশোল, সুবর্ণ রুই ও কাতলা মাছের প্রায় ১২ হাজার পোনা অবমুক্ত করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ ৪:২৭ অপরাহ্ন
খাদ্যের দামে দিশেহারা হয়ে খামার ছাড়ছেন চাটমোহরের পোল্ট্রি খামারীরা
পোলট্রি

ছয় মাস পূর্বে বিভিন্ন কোম্পানীর ৫০ কেজি লেয়ার খাদ্যের দাম ছিল ১ হাজার ৬শ টাকা। ছয় মাসের ব্যবধানে এখন ৫০ কেজি লেয়ার খাদ্য বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১শ টাকায়। এতে করে লেয়ার খাদ্যের দাম বেড়েছে প্রায় ৩২ শতাংশ। অন্যদিকে হাঁস, মুরগি ও ডিমের দাম না বাড়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে খামারীদের। এমতবস্থায় দিশেহারা হয়ে খামার বন্ধ করে দিচ্ছেন খামারীরা।

চাটমোহরের খামারীরা ইতোপূর্বে নিজ জেলাল প্রয়োজন মিটিয়ে উদ্বৃত্ত মুরগি ও ডিম সরবরাহ করেছেন দেশের বিভিন্ন জেলায়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে খাদ্যের দাম দফায় দফায় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়ছেন সেখানকার খামারীরা।

জানা গেছে, গত দুই দশকে চাটমোহর পৌরসদরসহ চাটমোহরের বিভিন্ন গ্রামে প্রায় আড়াই হাজার হাঁস, মুরগির খামার গড়ে উঠে। এসব খামারে উৎপাদিত হাঁস, মুরগি ও ডিম ঢাকা, চট্রগ্রাম, চাপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মাগুড়া, টাঙ্গাইল, সাতক্ষীরাসহ দেশের অন্তত ষোলটি জেলায় পাঠানো হতো।

এখন থেকে কয়েক মাস পূর্বেও চাটমোহরে প্রতিদিন দশ লাখ ডিম উৎপাদন হতো। চাটমোহরে উৎপাদিত ডিম দেশের সার্বিক ডিমের চাহিদার অনেকটাই পূরণ করতো। কিন্তু খাদ্যের দাম বাড়ায় অনেকে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ায় হাঁস, মুরগি ও ডিম উৎপাদন ক্রমশই হ্রাস পাচ্ছে। আফতাব, নারিশ, সগুনা, প্যরাডাইস, প্যারাগন, আগাতা, এসিআই, সিপি, ফ্রেশ, কোয়ালিটি, ইনডেক্স, নিউহোপসহ প্রায় সকল কোম্পানীই মুরগির খাদ্যের দাম বাড়িয়েছে।

বিলচলন ইউনিয়নের দোলং গ্রামের একজন খামারী জানান, ৭ টি লেয়ার মুরগির খামার গড়ে তুলেছিলেন তিনি। এসব খামারে ১৩ হাজার মুরগী পালন করতেন। মুরগির খাদ্যের দাম বাড়ায় বড় তিনটি খামার বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। এখন ছোট ৪ টি খামারে সাড়ে ৫ হাজার মুরগি পালন করছেন। ছয় মাস পূর্বে ইনডেক্স কোম্পানীর ৫০ কেজি খাদ্যের দাম ছিল ১ হাজার ৬শ টাকা। এখন সে খাদ্য বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১শ টাকায়। যে তুলনায় খাদ্যের দাম বেড়েছে সে তুলনায় মুরগি ও ডিমের দাম না বাড়ায় ব্যবসার পরিধি কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান তিনি। মূলগ্রাম ইউনিয়নের কুবিরদিয়ার গ্রামের জাকির হোসেন ৬ হাজার মুরগি পালন করতেন। এখন তিনি মুরগি পালন করেন না।

এর কারণ হিসেবে জানান, ছয় মাস পূর্বে ৫০ কেজি খাদ্যের দাম ছিল ১ হাজার ৬শ টাকা। এখন সে খাদ্য বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১শ টাকায়। লোকসান হওয়ায় ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। দোলং মহল্লার মুরগি ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম জানান, বর্তমান প্রতি কেজি লেয়ার মুরগি ১৭৫ টাকায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১শ ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমান পাইকারী বাজারে ১০০ টি ডিম ৭৫০ টাকা থেকে ৭৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চাটমোহরে কর্মরত ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ মোঃ রোকনুজ্জামান জানান, চাটমোহর পোল্ট্রি খাতে দেশের অন্যান্য অনেক এলাকা থেকে এগিয়ে রয়েছে। চাটমোহরে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত ডিম বাহিরে পাঠাচ্ছেন আড়তদাররা। তবে গত কয়েক মাসে মুরগির খাদ্যের দাম বাড়ায় এ ব্যবসায় ভাটা পরেছে। খামারীরা জৈব নিরাপত্তার উপর গুরত্ব দিলে রোগ বালাই কম হবে। এতে কিছুটা হলেও ক্ষতি পোষাতে পারবে তারা বলে জানান এই কর্মরত ভেটেরিনারি সার্জন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১ ৭:০৬ অপরাহ্ন
উন্নয়নের বিস্ময় রাষ্ট্র সৃষ্টির কারিগর শেখ হাসিনা: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “বিশ্বব্রহ্মান্ডে উন্নয়নের বিস্ময় রাষ্ট্র সৃষ্টির কারিগর শেখ হাসিনা। তিনি আমাদের জন্য আশীর্বাদ। করোনাসহ সব প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গোটা জাতির জন্য তিনি মহামানবীরূপে আবির্ভূত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের দুঃসাহসী অভিযাত্রায় আন্দোলনের অগ্নি মশালের নাম শেখ হাসিনা।”

শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সাভারের শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অনুকূলে জমি হস্তান্তরের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে যে প্রতিষ্ঠান, যে প্রতিষ্ঠান দেশের যুব সমাজকে দক্ষ যুব সমাজ হিসেবে গড়ে তুলছে, সে প্রতিষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করার জন্য, কলেবর বৃদ্ধির জন্য রাষ্ট্রের এক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জমি হস্তান্তর করার মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আমরা একধাপ এগিয়ে গেলাম।”

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অর্জন স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। এই অর্জনে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাঙালি জাতির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর বাঙালি জাতির ইতিহাসে মহামানবী হিসেবে এসেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর নামের প্রতিষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনশক্তিকে মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।”

মন্ত্রী আরো যোগ করেন,”যারা রাজনীতি করেন না তারাও বলেন শেখ হাসিনা দক্ষ শাসক। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরাও বলেন পরিপূর্ণ রাজনীতিবিদের নাম শেখ হাসিনা। বিপন্ন বাংলাদেশকে, দুর্যোগকবলিত বাংলাদেশকে বিস্ময়কর উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করতে পেরেছেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনাকে দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার দরকার নেই। সবাই মিলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অনাগত ভবিষ্যতের জন্য সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে।”

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান এমপি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুব আরা বেগম গিনি এমপি, এ এম নাঈমুর রহমান এমপি ও জাকিয়া তাবাসসুম এমপি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ আখতার হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুবোল বোস মনি এবং বিএলআরআই এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুল করিম।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল এবং শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের পক্ষে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুল করিম। সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিএলআরআই শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটকে ৩ দশমিক ৩৮ একর জমি হস্তান্তর করেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ ৩:৪২ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ
ক্যাম্পাস

নাজমূল(গবি):সিরাজগঞ্জ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশন (এসভিএসএ) এর ২০২১-২২ বর্ষের ১০১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে।

উক্ত কমিটির সভাপতি হিসেবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ ফয়সাল এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বিদ্যুৎ কুমার মাহাতো দায়িত্ব পেয়েছেন৷

এছাড়া, প্রতিষ্ঠা কমিটির সম্মানিত উপদেষ্টা মন্ডলী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার সাবেক কিউরেটর ডাঃ এস এম নজরুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার,সাভার) ডাঃ মোঃ আলমগীর হোসেন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জাকারিয়া হোসেন, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস ফেডারেশনের সভাপতি ডাঃ ইমতিয়াজ আবির, ভেটেরিনারি প্র‍্যাক্টিশনার ডাঃ মোঃ ইমরুল হাসান ইমু, ভেটেরিনারি প্র‍্যাক্টিশনার ডাঃ রাসেল আহমেদ।

ভেটেরিনারি পেশার উন্নয়ন, প্রচার এবং প্রসারের লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশন সর্বদা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ ৩:৩৮ অপরাহ্ন
ধুনটে অগ্নিকাণ্ডে ৬ গরুর মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

বগুড়ার ধুনট উপজেলার বিলচাপড়ী ও আরকাটিয়া গ্রামে পৃথক অগ্নিকাণ্ডে কৃষকের ৬টি গরু ও ২টি ছাগল পুড়ে মারা গেছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পৃথক এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ধুনট উপজেলার বিলচাপড়ী গ্রামের কৃষক শাহীন প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার রাতে তার গোয়াল ঘরে ৫টি গরু ও ২টি ছাগল রেখে ঘুমিয়ে পড়েন।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার গোয়াল ঘরে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও আগুনে পুড়ে শহীদের গাভীন গরুসহ ৫টি গরু ও ২টি ছাগলের মৃত্যু হয়। তবে স্থানীয় লোকজনের ধারনা কে বা কারা তার গোয়াল ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।

অপরদিকে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে আরকাটিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার কৃষক রহিম উদ্দিনের গোয়ালঘরে পৃথক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে আগুনে পুড়ে তার ১টি গরু মারা যায়।

ধুনট ফায়ার সার্ভিস এন্ড ডিফেন্সের ইনচার্জ হামিদুল ইসলাম জানান, সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই স্থানীয় লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলে। তবে বিলচাপড়ী গ্রামের কৃষক শাহীনের গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ডের কোন সূত্রপাত পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী কে বা কারা কৃষক শাহীনের গোয়াল ঘরে লাগিয়ে দিয়েছে। এছাড়া আরকাটিয়া গ্রামে কৃষক রহিম উদ্দিনের গোয়াল ঘরে মশার কয়েল থেকে পৃথক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop