৮:৩৬ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২১ ৭:৫৫ অপরাহ্ন
ভিডিও দেখে মাছ চাষ আমিরুলের, বিক্রি ৩ লাখ টাকা
মৎস্য

বগুড়ার সোনাতলার বালুয়াহাট ইউনিয়নের ছয়ঘোড়া পাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী খয়বর মন্ডলের ছেলে আমিরুল ইসলাম। পড়াশোনা করেছেন অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত। এরপর অভাবের তাড়নায় আর পড়াশোনা করা হয়ে ওঠেনি তার। স্কুলপড়ুয়া ছোট্ট দুই মেয়ে নিয়ে আমিরুলের সংসার।

আমিরুল একদিন ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেখতে পান বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ। এরপর তার আরও আগ্রহ জন্মায়। তিনি ভালোভাবে মাছ চাষের ভিডিওগুলো দেখেন এবং তার স্ত্রীকে বলেন। প্রথমে তার স্ত্রী সায় না দিলে এক প্রকার জোর করেই ব্যবসার জমানো টাকা দিয়ে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের উপকরণ কেনেন এবং মাছ চাষ শুরু করেন।

আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রথমে আমার কাজে পরিবার সায় দিতে চায়নি। অবাধ্য হয়েই মাছ চাষ শুরু করি। এগারো কেজি ছোট পোনা মাছ দিয়ে মাছের খামার তৈরি করি। সেগুলো বড় হতে থাকে। ১১ কেজি মাছের পোনা থেকে মাছ হয় ৪০০ কেজি। যা ছয় চালানে খুব অল্প সময়ে ৩ লাখ টাকা বিক্রি করি। মাছ চাষ করেই এখন আমার মেয়েদের পড়ালেখা ও সংসার চলে।’

এ বিষয়ে আমিরুলে স্ত্রী বলেন, ‘আমার স্বামী যখন আমাকে এ বিষয়ে বলে, আমি ভাবি এভাবে ছোট জায়গায় কি মাছ চাষ সম্ভব? এরপর আমার স্বামী জোর করেই মাছ চাষ করেন। প্রথম চালানে ৫০ হাজার টাকার মাছ বিক্রি হয়। তখন খুবই আশ্চর্য হই। আমার স্বামী ঝুঁকি নিয়ে মাছ চাষ করে সফল। এখন গ্রামের অনেকেই তার কাছে আসেন। তাকে দেখে অনেকেই বায়োফ্লকে মাছ চাষে আগ্রহী হয়েছেন।’

সোনাতলা উপজেলা মৎস্য অফিসার হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমি এখনো আমিরুলের মাছের খামার দেখতে যাইনি। তবে শুনেছি। আমি শিগগিরই যাবো। তার যদি কোনো সহায়তার প্রয়োজন হয়, আমি করবো। যদি ট্রেনিংয়েরও প্রয়োজন পরে, আমরা উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।’

বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে চোখেমুখে খুশির ঝিলিক আমিরুলের। তিনি সরকারি কোনো সহায়তা পেলে মাছের খামারটি আরও বড় করবেন। এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করেই জীবিকা নির্বাহ করতে চান তিনি।

– জাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২১ ১:৩৪ অপরাহ্ন
নাটোরে পুকুরে বিষ দিয়ে লাখ টাকার মাছ নিধন!
মৎস্য

নাটোরের সিংড়া ও বড়াইগ্রামে দুটি পুকুরে কিছু অজ্ঞতা লোক ‘বিষ দিয়ে কয়েক লাখ’ টাকার মাছ নিধন করার অভিযোগ উঠেছে। “বিষক্রিয়ায় রুই, কাতলা, সিলভার কার্পসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৭০ থেকে ৮০ মন মারা যায়।”এতে তার প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। এখন ঋণের টাকা কীভাবে পরিশোধ করবেন তা নিয়ে দুঃচিন্তায় পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে সিংড়া উপজেলার রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামে এবং বড়াইগ্রাম উপজেলার বাগডোব বিল গরিলায় এই ঘটনা ঘটে।

সিংড়ার মাছ চাষি মাহাবুব আলম জানান, বসন্তপুর গ্রামে প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যা ৭টায় তার পুকুরের প্রহরী আছির উদ্দিন মাছের খাবার দিয়ে বাড়ি চলে যান। ভোর রাতে পুকুরে মাছ ভাসতে দেখা যায়।

অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে তিনি সিংড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানান।

এদিকে, বড়াইগ্রামে সলিম মুন্সি (৫৫) বলেন, বড়াইগ্রাম ইউনিয়নের বাগডোব বিল গরিলায় ‘বিষ প্রয়োগে’ তার পুকুরের অন্তত সাত লাখ টাকার মাছ নিধন করা হয়েছে। এই ঘটনায় শুক্রবার বড়াইগ্রাম থানায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন সলিম মুন্সি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৫, ২০২১ ৫:৩৭ অপরাহ্ন
কারখানার দূষিত পানিতে ৮ লাখ টাকার মাছ নিধন!
মৎস্য

সাভারের আশুলিয়ায় ১০ বিঘা পুকুরের প্রায় ৮ লাখ টাকার মাছ ডাইং কারখানার দূষিত পানির কারণে মরে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।আনুমানিক ৮ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।

শুক্রবার (২৫ জুন) বেলা ১২টার দিকে আশুলিয়ার জিরানীর কলেজপাড়া কলাবাগানের দক্ষিণ পাশের পুকুর থেকে মরা মাছ তুলতে দেখা গেছে।

পুকুরটির মালিক রেজাউল করিম জানান, তিনি ও মো. মালেক নামে এক ব্যক্তি ১০ বিঘা জমির পুকুরে কাতল, সিলভার কার্প, রুই, তেলাপিয়া ও কার্প মাছসহ নানা প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছেন। কিন্তু গতকাল তার পুকুরের পাশে মার্স ওয়াস অ্যান্ড ডেনিং লিমিটেড নামের একটি কারখানা তাদের বর্জ্য পানি পুকুরে ছেড়ে দেয়। পরে আজ সকালে পুকুরে গেলে অনেক মাছ মরে পানির উপর ভাসতে দেখেন তিনি।

তিনি বলেন, কারখানার দূষিত পানি ছেড়ে দিয়েছে। রাত থেকেই মাছ মরা শুরু হয়েছে। আমি থানায় যাচ্ছি অভিযোগ দায়ের করবো। আনুমানিক ৮ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে মার্স ওয়াস অ্যান্ড ডেনিং লিমিটেড কারখানার প্রকৌশলী রুস্তম আলী মণ্ডল জানান, বিষয়টি শুনেছি। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিস্তারিত দেখবো। আর আমাদের কারখানার পানি গিয়েই মাছ মারা গেছে কি না এটা তো শিউর না।

সাভার উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, বিষয়টি শুনেছি। সেই মাছ চাষিকে কয়েকটি মাছ ও পুকুরের পানি নিয়ে আসতে বলেছি। যদি কারখানার পানির কারণে কিছু হয় আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৫, ২০২১ ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
কাপ্তাই লেকের ৬৫ কেজি মাছ জব্দ
মৎস্য

কাপ্তাই লেকে প্রজনন মৌসুমে মা-মাছ রক্ষায় বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি) অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৬৫ কেজি মাছ জব্দ করেছে ।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সকাল ৮টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাজার মনিটরিং টিম বনরুপা বাজারে কড়া নজরদারি করে পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব মাছ জব্দ করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বনরুপা বাজারের কাটাপাহাড় সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানের পিছনে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৬৫ কেজি মাছ জব্দ করা হয়।

আটক মাছের মধ্যে রয়েছে- ১১ কেজি ওজনের ২টি মা-কাতল, ১৩ কেজি ওজনের একটি চিতলসহ বাচা, বাটা, আইড় ও চাপিলা মাছ। মাছগুলো প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে বিএফডিসি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৪, ২০২১ ৫:২৩ অপরাহ্ন
ঘাটাইলের সর্বত্র চায়না জাল, নিধন হচ্ছে ডিমওয়ালা মাছ!
মৎস্য

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার নদী-নালা, খাল-বিল ও মাঠ-ঘাট বর্ষা আসার আগেই “চায়না” জালে ভরপুর হয়ে গেছে। আর এসব জাল দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে মাছ দিতে আসা মাছকে নিধন করছেন তারা। মোটামুটি উপজেলার সব জায়গাতেই দেখা যাচ্ছে এই জাল। এমন কোন মাছ নেই যা এই জালে ধরা পড়ে না। তাই সচেতনদের দাবি এমন জাল এখনি বন্ধ করা উচিত।

উপজেলার গুণগ্রাম, লাউয়াগ্রাম, বানিয়াপাড়া, জামুরিয়া চানতারা, আন্দিপুর, শাহপুর গ্রামের নিচু বাইদগুলো ঘুরে সারি সারি চায়না জাল দেখতে পাওয়া যায়। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যেখানেই একটু পানি জমেছে সেখানেই এই জাল পাতা হচ্ছে। আর অবাধে ডিমওয়ালা দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা হচ্ছে।

জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় মাস মাছের প্রজননকাল। চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার কারণে নতুন পানিতে মা মাছ ডিম ছাড়তে পারছে না। যার ফলে প্রাকৃতিকভাবে মাছের উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। পোনা মাছও ধরা পড়ছে এই জালে। এভাবে অবাধে ডিমওয়ালা মাছ ও পোনা মাছ ধরলে মাছের অভাব দেখা দেবে।

স্থানীয়রা বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে মানুষ কর্মহীন হওয়ায় এসব মাছ ধরা আরো বেড়েছে। আগে যেসব লোক অন্য কাজকর্ম করে ব্যস্ত সময় পার করতেন, এখন তারা অনেকেই এসব মাছ ধরছেন।

বানিয়াপাড়া গ্রামের হায়দর আলী দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে মাছের ব্যবসা করেন। মাছ কখন ডিম ছাড়ে এটি তিনি ভালো করে খেয়াল রাখেন। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে যে মাছ ধরতে হয় না তা তিনি মেনে চলেন। হায়দর আলীকে চায় না জাল সম্পর্কে জিজ্ঞেসা করলে তিনি বলেন, যারা প্রকৃতপক্ষে মাছের কারবার করেন কিংবা মাছ ধরা যাদের বংশগত পেশা, তারা কখনো এই জাল দিয়ে মাছ ধরবেন না। শুধু মৌসুমি শিকারিরাই এমন সর্বনাশা কাজ করতে পারেন।

ঘাটাইল বাজারের একজন মাছ ব্যবসায়ী জানান, এখন চায়না জাল দিয়ে যেভাবে গুঁড়া মাছ ধরা হচ্ছে, তাতে শুষ্ক মৌসুমে মাছের তীব্র আকাল হবে। হানিফ দ্রুত এই জাল নিষিদ্ধ করার দাবি জানান। আরেক ব্যবসায়ী আরফান আলী বলেন, এখন যারা চায়না জাল দিয়ে পোনা মাছ ধরে টাকা রোজগার করছে, তারাই একসময় আফসোস করবে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা খাদিজা খাতুন বলেন, চায়না জাল, কারেন্ট জালসহ যে জাল দিয়ে পোনা মাছ ধরা হয় সেসব জাল আমাদের দেশে নিষিদ্ধ। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে এ সর্বনাশা জাল বন্ধ করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২২, ২০২১ ৮:১৫ অপরাহ্ন
মুজিববর্ষে দুই গ্রামকে ‘মৎস্য গ্রাম’ ঘোষণা
মৎস্য

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গৃহীত কার্যক্রমের আওতায় নেত্রকোণা জেলার সদর উপজেলার ‘দক্ষিণ বিশিউড়া’ ও শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার ‘হালইসার’ গ্রামকে ‘ফিশার ভিলেজ’ বা ‘মৎস্য গ্রাম’ ঘোষণা করা হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় সোমবার (২১ জুন) এ ঘোষণা সংক্রান্ত পত্র জারি করেছে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৎস্য অধিদপ্তর। বর্তমান সরকারের বিশেষ কর্মসূচি ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ বাস্তবায়নে মৎস্য অধিদপ্তরের ‘মৎস্য গ্রাম’ কার্যক্রম মূলত সমৃদ্ধ গ্রাম গড়ে তোলার উদ্যোগ।

এ কার্যক্রমের আওতায় গ্রামাঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়ন, মৎস্য চাষ, কৃষিনির্ভর শিল্প, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, কৃষির বহুমুখীকরণ ও বাজার ব্যবস্থাপনাসহ নানারকম সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও জীবনমান উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তর এ গ্রাম দুটিতে ব্যাপক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-গ্রামের সকল পুকুর ও দিঘীতে বিজ্ঞানসম্মত মাছ চাষ কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে ব্যবস্থা গ্রহণ, মাছ চাষিদের দল গঠন, প্রশিক্ষণ ও প্যাকেজভিত্তিক পুকুরে মাছ চাষ প্রদর্শনী, জেলেদের দল গঠন, প্রশিক্ষণ, বিকল্প কর্মসংস্থান ও ঋণ সহায়তা প্রদান, উন্মুক্ত জলাশয় তথা বিল ও প্লাবনভূমিতে সমাজভিত্তিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা দল গঠন, বিল নার্সারি স্থাপন ও পোনা অবমুক্তকরণ, জলাশয় সংস্কার ও মাছের অভয়াশ্রম স্থাপন এবং কমিউনিটি সঞ্চয় দল গঠনের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন। এছাড়া গ্রাম দুটিতে সরকারের অন্যান্য দপ্তরের সহায়তায় যে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে তা হলো, গভীর নলকূপ ও স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা স্থাপন, যানবাহন চলাচল উপযোগী রাস্তা নির্মাণ, বৃক্ষরোপণ, সুফলভোগীদের হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশুর চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গ্রামের অধিবাসীদের সন্তানদের শতভাগ শিক্ষা কর্মসূচি নিশ্চিতকরণ ও অন্যান্য শিক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ।

উল্লেখ্য, ‘মৎস্য গ্রাম’ হবে একটি আদর্শ গ্রাম যে গ্রামের সকল উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং অর্জিত সাফল্য অন্যান্য গ্রামের জন্য অনুকরণীয় হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২২, ২০২১ ১২:৪৬ অপরাহ্ন
দেশে বিলুপ্তপ্রায় রানী মাছের পোনা উৎপাদন
মৎস্য

বউ মাছ, বেটি মাছ, পুতুল মাছ, বেতাঙ্গী মাছ প্রভৃতি আঞ্চলিক নামে পরিচিত ‘রানী মাছ’। অনেকেই আবার ‘গাঙ্গ রানী’ বলেও ডাকে। ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) এ মাছটিকে ‘বিপন্ন’ তালিকাভুক্ত করেছে। তবে, দেশে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া রানী মাছের প্রজনন ও পোনা উৎপাদন কৌশল উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে।

আইইউসিএন বাংলাদেশের (২০১৫) হিসাব মতে দেশের ২৬০ প্রজাতির মিঠাপানির মাছের মধ্যে ৬৪ প্রজাতির মাছ বিলুপ্তপ্রায়। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ইতোমধ্যে পাবদা, গুলশা, টেংরা, বাটা, ফলি, মহাশোল, খলিশা, বৈরালী, ঢেলা, বাতাসি, পিয়ালীসহ ২৯ প্রজাতির মাছের প্রজনন ও চাষাবাদ কৌশল উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে। এবার রানী মাছের পোনা উৎপাদন ইনস্টিটিউটের আরেকটি সাফল্য।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ জানান, বিপন্নেরতালিকায় দেশীয় প্রজাতির সব মাছকে পর্যায়ক্রমে পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। চলতি বছরে ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা ১০টি বিপন্ন প্রজাতির মাছের প্রজনন কৌশল উদ্ভাবনের জন্য গবেষণা শুরু করেন। এ পর্যন্ত চলতি প্রজনন মৌসুমে ঢেলা, বাতাসি, পিয়ালী ও রানী মাছসহ সাতটি প্রজাতির মাছের প্রজনন কৌশল উদ্ভাবন করতে তারা সক্ষম হন। গবেষণার সর্বশেষ সাফল্য হলো রানী মাছের পোনা উৎপাদন। গবেষক দলে ছিলেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. সেলিনা ইয়াছমিন, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো: রবিউল আওয়াল, পরিচালক ড. এ এইচ এম কোহিনুর ও স্বাদুপানি কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: শাহা আলী।

জানা যায়, অক্টোবরের শেষ থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত যখন বিলের পানি কমে যেতে থাকে তখন রানী মাছ জালে ধরা পড়ে বেশি। এ মাছ খাল-বিল, নদী-নালা, হাওর-বাঁওড় ইত্যাদির তলদেশে পরিষ্কার পানিতে বসবাস করতে পছন্দ করে। বউ মাছ প্রায় সব ধরনের স্বাদুপানির জলাশয় যেমন, খাল-বিল, নদী-নালা, হাওর-বাঁওড় জলাভূমির তলদেশে পরিষ্কার পানিতে বসবাস করতে পছন্দ করে। তবে কখনো কখনো ঘোলা পানিতেও এদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। এক সময় বাংলাদেশের খাল-বিল, নদ-নদী, হাওর-বাঁওড় ও প্লাবনভূমিতে এই মাছ প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যেত। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, জলাশয় সঙ্কোচন, পানি দূষণ, মাছ ধরার ধ্বংসাত্মক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে যত্রতত্র মাছ আহরণ, মা-মাছ ধরা, জলাশয়ের মধ্যে রাস্তা-ঘাট, বসতবাড়ি নির্মাণসহ অতি আহরণের ফলে মাছটির বিচরণ ও প্রজনন ক্ষেত্র ধ্বংস হওয়ায় এ মাছটির প্রাপ্যতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এই মাছ ভারত, ভুটান, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে পাওয়া যায়।

বাংলাদেশে ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের রক্ষিত বন্যপ্রাণীর তালিকার তফসিল-২ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ময়মনসিংহের স্বাদুপানি কেন্দ্রে ২০২০ সালে রানী মাছের সংরক্ষণ, প্রজনন ও পোনা উৎপাদন বিষয়ে গবেষণা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। গবেষণার আওতায় চলতি জুন মাসে দেশে প্রথমবারের মতো রানী মাছের (ইড়ঃরধ ফধৎরড়) প্রজনন ও পোনা উৎপাদন কৌশল উদ্ভাবন করা হয়েছে।

ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ আরো জানান, দেশের চলনবিল ছাড়াও রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট, ফরিদপুর, পার্বত্য চট্টগ্রামের জলাশয়ে, বিশেষ করে নদীতে রানী মাছের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। শৌখিনরা রানী মাছ অ্যাকুয়ারিয়ামে পালন করে। বাণিজ্যিকভাবেও অ্যাকুয়ারিয়ামে রানী মাছ পালন করা যেতে পারে। স্ত্রী রানী মাছের চোখের ঠিক সামনে একটি কাটা থাকে যেটি দিয়ে তারা আত্মরক্ষা করে থাকে। এছাড়া এই মাছের মুখে চার জোড়া ছোট বার্বেল থাকে। একটি পূর্ণ বয়স্ক ও প্রজননক্ষম রানী মাছ সাধারণত ৮-১০ গ্রাম ওজনের হয়। পুরুষ মাছের তুলনায় স্ত্রী রানী মাছ আকারে বড় হয়। এ মাছ প্রধানত প্লাঙ্কটন ও পোকামাকড় খায়। গবেষণায় দেখা গেছে, রানী মাছ মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত প্রজনন করে থাকে।

জুন-জুলাই এদের সর্বোচ্চ প্রজনন মৌসুম। একটি পরিপক্ব স্ত্রী মাছে প্রতিগ্রামে ৮০০-৯০০টি ডিম পাওয়া যায়। এ মাছের ডিম্বাশয় এপ্রিল মাস থেকে পরিপক্ব হতে শুরু করে। পরিপক্ব স্ত্রী মাছের জননেন্দ্রিয় গোলাকার ও হালকা লালচে রঙের হয় কিন্তু পুরুষ মাছের জননেন্দ্রিয় পেটের সাথে মেশানো, কিছুটা লম্বাটে ও ছোট হয়। প্রজননের জন্য রানী মাছ যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও কংশনদী এবং নেত্রকোনার হাওর থেকে ২০২০ সালে সংগ্রহ করা হয় এবং গবেষণাকেন্দ্রের পুকুরে প্রতিপালন করা হয়।

কৃত্রিম প্রজননের জন্য পুকুর থেকে পরিপক্ব স্ত্রী ও পুরুষ মাছ নির্বাচন করে কৃত্রিম প্রজননের ৫-৬ ঘণ্টা পূর্বে স্ত্রী ও পুরুষ মাছকে হ্যাচারিতে হরমোন ইনজেকশন দেয়া হয়। ইনজেকশন দেয়ার ১০-১২ ঘণ্টা পরে স্ত্রী মাছ ডিম দেয়। ডিম দেয়ার ২২-২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিষিক্ত ডিম হতে রেণু বের হয়ে আসে। পর্যবেক্ষণে দেখা যায় যে, ডিম নিষিক্ত ও ফোটার হার যথাক্রমে ৭৫ শতাংশ ও ৫০ শতাংশ। রেণুর ডিম্বথলি ২-৩ দিনের মধ্যে নিঃশেষিত হওয়ার পর প্রতিদিন ৩-৪ বার সিদ্ধ ডিমের কুসুম খাবার হিসেবে হাঁপায় সরবরাহ করা হয়। হাঁপাতে রেণু পোনা ৬-৭ দিন রাখার পর নার্সারি পুকুরে স্থানান্তরের উপযোগী হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২১, ২০২১ ১:১৮ অপরাহ্ন
যমুনায় ধরা পড়ল ৪৭ কেজির বাঘাইড়, বিক্রি ৫৯ হাজার টাকা!
মৎস্য

পাবনায় যমুনা নদীতে ৪৭ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি রাজবাড়ির দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ে ৫৯ হাজার ১২৫ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

রবিবার (২০ জুন) সকালে পাবনার বেড়া উপজেলার ঢালারচর এলাকায় যমুনা নদীতে কালিদাস হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

কালিদাস হালদার মাছটি পাওয়ার পরে সকালে মাছটি বিক্রির উদ্দেশ্য নদী পাড়ি দিয়ে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের বাইপাস সড়কের পাশে অবস্থিত দেলোয়ার হোসেনের মাছের আড়তে নিয়ে যায়। সেখানে খোলামেলা দরদামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দাম দিয়ে মৎস্য ব্যবসায়ী নূরু শেখ মাছটি ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজি দরে মোট ৫৯ হাজার ১২৫ টাকা দিয়ে মাছটি কিনে নেন। এ সময় মাছটি দেখতে সেখানে উৎসুক জনতা ভিড় করে।

কাজীরহাট ঘাট এলাকার ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেন জানান, শুনেছি মাছটি পাওয়ার পর পরই ওই জেলে নৌকা যোগে দৌলতদিয়া ঘাটে গিয়ে বিক্রি করেছেন। সেখানকার নুরু শেখ মাছটি কিনে তিনি আবার ঢাকায় পাঠিয়ে দিয়েছেন।

কাজীরহাট ঘাট এলাকার রুপপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান উজ্জল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এখন বর্ষা মৌসুমে নতুন পানির সাথে এই এলাকায় বিভিন্ন প্রকার মাছ ধরা পড়ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২০, ২০২১ ৬:২৮ অপরাহ্ন
মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
মৎস্য

খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়নের ছোট আংটিহারা এলাকায় শাকবাড়িয়া নদীতে ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে তৌহিদুল্যাহ (১৯) নামের এক যুবকের মুত্যু হয়েছে।

রোববার (২০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তৌহিদুল্যাহ ঘড়িলাল গ্রামের তৈয়বুর আলী মোল্যার ছেলে।

নিহতের পরিবার সূত্র জানায়, প্রতিদিনের মতো রোববার দুপুরে তৌহিদুল্যাহ তার বাবার সঙ্গে শাকবাড়িয়া নদীতে মাছের পোনা ধরতে যান। মাছ ধরা অবস্থায় হঠাৎ বৃষ্টি হয়। এসময় বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।

দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জিএম শামছুর রহমান তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২০, ২০২১ ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
মরা পদ্মায় চলছে বিষ দিয়ে অবাধে মাছ শিকার!
মৎস্য

গোয়ালন্দের উজানচর মরা পদ্মা নদীতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ স্থানীয় লোকমান গায়েনের নেতৃত্বে বিল্লাল হোসেন, আতিয়ার মন্ডল, মতি ডাঃ, শামসুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন এ মাছ ধরার সাথে জড়িত।

জানা গেছে, মরা পদ্মা নদীর (উজানচর বদ্ধকোল) নতুন ব্রীজের উত্তরে সোনালী হ্যাচারীজ এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে পানিতে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকার করছে অসাধু চক্রটি। তারা বিশাল জলাশয়কে বাঁশ-খুটি ও লম্বা পলিথিন দিয়ে খন্ড খন্ড করে ছোট করে নেন। অতঃপর রাতের বেলায় তাতে বিষ প্রয়োগ করেন। অল্প সময়ের মধ্যে জলাশয়ের মাছ মরে ভেসে উঠতে থাকে। এরপর তারা বেড় জাল দিয়ে সহজেই সে মাছ সংগ্রহ করে। পরে রাতের আঁধার থাকতেই সে মাছ স্থানীয় বাজার ছাড়াও বিভিন্ন বাজারে পাঠিয়ে বিক্রি করে । এভাবে চক্রটি লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

এদিকে রাতের বেলায় মাছ ধরার পরও বহু মরা মাছ নদীতে থেকে যায়। স্থানীয় লোকজন সকাল থেকে সারাদিন সে মাছ সংগ্রহ করে থাকে।

স্থানীয় শাহজাহান শেখ (৪০), জাহিদুল ইসলাম (২০), হৃদয় (১৬), সোহেল রানা (৩০)সহ অনেকেই জানান, তারা এ জলাশয় হতে গত কয়েকদিন ধরে মরে ভেসে ওঠা বড় বড় বোয়াল, রুই, কাতল, শোল, গজার, আইড়, বাইনসহ বিভিন্ন মাছ সংগ্রহ করেছেন। এ ছাড়া নানা জাতের প্রচুর ছোট মাছ মরে ভেসে আছে। তবে সেগুলো কেউ নেয় না। এর বেশীর ভাগই পচা। পানিতে বিষ দেয়ার কারনে এভাবে মাছ মরে ভেসে ওঠে বলে তারা জানান।

জলাশয়টির একাংশে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে থাকা সৌখিন মৎস্য শিকারী হাবিবুর রহমান, রাশেদ শেখ, আরজু মিয়া, হাবু শেখ, সোহেল রানাসহ অনেকেই বলেন, জলাশয়ে বিষ দিয়ে যারা এভাবে মাছ শিকার করছে তারা দেশের শত্রু। মাছের সাথে সাথে তারা জলাশয়ের সাপ, ব্যাঙ, কুইচ্যা, কাকড়া, শামুক-ঝিনুকসহ সকল জলজ প্রানীকেও হত্যা করছে।

তারা বলেন, এখন প্রায় প্রতিটি মাছের পেটে ডিম। আর কিছুদিন পরই সকল মাছ ডিম ছাড়বে। কিন্তু এই মূহুর্তে এভাবে মাছ শিকারের কারনে আগামীতে জলাশয়ে মাছের আকাল সৃষ্টি হবে।

অভিযুক্তদের মধ্যে লোকমান গায়েন মুঠোফোনে জানান, “তিনি উজানচর ও দক্ষিণ দৌলতদিয়া মৎস্যজীবি সমবায় সমিতির সভাপতি। পুরো বদ্ধ জলাশয়টি তিনি ১৪২৭-১৪৩০ সনের জন্য সরকারিভাবে লিজ নিয়েছেন। সরকারি কোষাগার ছাড়াও নানা জায়গায় দিয়ে তার মোট ৭ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা ব্যায় হয়েছে। জলাশয়ে মাছ চাষ করা ও ধরা তার অধিকার।” তবে বিষ দিয়ে মাছ শিকারের নামে সকল মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রানী ধ্বংস করার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রসঙ্গ এড়িয়ে তিনি বলেন,”ভাই, আমি এখন একটু ব্যাস্ত আছি, আপনার সাথে পরে কথা বলব”।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আজিজুল হক খান মামুন জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। জলাশয়ে বিষ প্রয়োগের বিষয়টি প্রমানিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।সূত্র:যায়যায়দিন

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop