১২:৫২ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ২১, ২০২১ ৭:৫৮ অপরাহ্ন
করোনা: লোকসানের মুখে মাছ চাষিরা!
মৎস্য

করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক কমে গিয়েছে। তাই এমন পরিস্থিতিতে মাছের খাবারের বাড়তি মূল্য মারাত্মক সংকট হিসেবে দেখা দিয়েছে দেশের মৎস্য চাষের ক্ষেত্রে। অন্যদিকে ক্রয়ক্ষমতার বাইরে যাওয়ায় কম দামে মাছ বিক্রি করত বাধ্য হচ্ছেন মাছ চাষিরা।

বুধবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীতে ‘অ্যাকুয়াকালচার সেক্টর স্টাডি বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা সমীক্ষার ভার্চুয়াল প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

বিজনেস কনসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠান লারিভ ইন্টারন্যাশনাল ও লাইটক্যাসল পার্টনার্স যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে এই গবেষণা সমীক্ষা করা হয়। মাছ চাষি, বাজার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি ৫০ জনের অধিক ব্যক্তির সাক্ষাতকার ও মতামতের ভিত্তিতে এই সমীক্ষা করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ৬৪ শতাংশ কৃষক জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতিতে যান চলাচল স্বাভাবিক না থাকায় দূরত্বের স্থানগুলোতে খামারীদের মাঝে মাছের খাবার, মৎস্যজাত দ্রব্য ও পোনা সরবরাহে জটিলতা দেখা দিয়েছে। এর ফলে ব্যাহত হচ্ছে মৎস্য উৎপাদন। আবার মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে যাওয়ায় তা বাজারে কম মূল্যে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। তদুপরি, এই পরিস্থিতিতে মাছের খাবারের দাম মাত্রাতিরিক্তভাবে বেড়ে গেছে। এতে উৎপাদন খরচ আগের চেয়ে বহুগুণ বেড়েছে।

সমীক্ষায় বলা হয়, ২০২০ সালের শুরু থেকে ২০২১ সালের চলতি এপ্রিল নাগাদ এর প্রভাব পড়তে শুরু করে। তবে গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ বেড়ে গেলে সংকট আরও ঘনীভূত হয়। ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসে বেশির ভাগ প্রজাতির মাছের দাম কোভিড পরিস্থিতির আগের তুলনায় ৫ থেকে ১৫ শতাংশ কমে যায়। আর এপ্রিল-মে মাসটা ছিল দেশে তুলনামূলক বেশি কোভিড সংক্রমণকালীন সময়। এই পরিস্থিতিতে ৩৭ শতাংশ কৃষক মনে করেন, ওই সময়টাতে তাদের ৫০-১০০ শতাংশ মূল আয় কমতে থাকে। ৫১ শতাংশ কৃষক মনে করেন, এই সময়টাতে তাদের আয়-ব্যয় সমান্তরালে ১-৫০ শতাংশ হয়, মাত্র ১০ শতাংশ তেমন ক্ষতির সম্মুখীন হননি।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৪ দশমিক ৩৮ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন করে। এর ৫০ শতাংশের অধিক আসে চাষ করার মাধ্যমে। তাই এই খাতকে গুরুত্ব দিয়ে বক্তারা মাছ চাষিদের ব্যাংক ঋণ প্রদান, সরকারি প্রণোদনা বাড়ানো ও তা সঠিকভাবে কার্যকর করা, মাছের খাবার দাম কমানো, মাছ চাষিদের বাস্তব উপযোগী প্রশিক্ষণ, সাপ্লাই চেইন বজায় রাখা এবং সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারওয়েজ, নেদারলান্ডসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ।

আরও বক্তব্য রাখেন লারিভ ইন্টারন্যাশনালের ডিরেক্টর ম্যাথিয়াস বিনেন, লাইটক্যাসল পার্টনার্স এর পরিচালক জাহেদ আমিন, একই প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র বিজনেস কনসালট্যান্ট সাইফ নজরুল প্রমুখ।

আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকারসহ এই খাত সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২১, ২০২১ ১:৫৯ অপরাহ্ন
দুমকিতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন,অর্ধলক্ষাধিক টাকার ক্ষতি!
মৎস্য

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় বিষ দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের নিজ বাড়িতে বায়োফ্লকে বিষ প্রয়োগের ঘটনাটি ঘটে।

বায়োফ্লোকের মালিক মো. সাইফুল ইসলাম জানান, প্রায় ছয় মাস আগে মাটির ওপরে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের প্রজেক্ট শুরু করেন তিনি। দুটি ট্যাংকে প্রায় ১০ হাজার তেলাপিয়া মাছ চাষ করেন। এর মধ্যে একটি ট্যাংকের মাছ বিক্রির উপযোগী হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতের আঁধারে বিক্রির উপযোগী ওই একটি ট্যাংকে দুর্বৃত্তরা বিষ প্রয়োগ করে। এতে কিছু সময়ের মধ্যে মাছ মরে পানিতে ভেসে ওঠে । শত্রুতাবশত আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য একটি মহল এসব করেছে বলে তিনি জানান।

দুমকি থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।

আরো পড়ুন:  পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘেরে বিষ, ১০০ মণ মাছ নষ্ট!

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২১, ২০২১ ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
পূর্ব শত্রুতার জেরে ঘেরে বিষ, ১০০ মণ মাছ নষ্ট!
মৎস্য

পূর্ব শত্রুতার জেরে যশোরের মনিরামপুরে দুটি ঘেরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় একশ মণ মাছ মরে ভেসে উঠেছে।

সোমবার রাতে উপজেলার বাকোশপোল গ্রামের হাজরাপাড়ার মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিক তপন কুমার দাস ও শহিদুল হকের দাবি, পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ সুব্রত বেদনাথ ও তার লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্তরা সোমবার থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

বাকোশপোল গ্রামের হাজরাপাড়ার মাঠে ১৩ শতক জমি লিজ নিয়ে গত জানুয়ারি মাসে ঘের নির্মাণ করেন তপন কুমার দাস। আর পাশেই ৮৪ শতক জমি লিজ নিয়ে আরেকটি ঘের নির্মাণ করেন শহিদুল হক। এই ঘের নিয়ে আগে সুব্রত দেবনাথের সঙ্গে তপন দাসের বিবাদ হয়। বিষয়টি থানা পুলিশের উপস্থিতিতে মীমাংসাও হয়। কিন্তু সুব্রত দেবনাথ বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। তপন দাসের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে সুব্রত দেবনাথ ও তার লোকজন সোমবার রাতে ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে।

অপর ঘের মালিক শহিদুল হক জানান, ঘের নিয়ে বিবাদের সময় তিনি তপনের পক্ষ অবলম্বন করায় সুব্রত দেবনাথ তার ঘেরেও বিষ প্রয়োগ করেন। এতে তাদের ক্ষতি হয়েছে চার লাখ টাকার।

তবে সুব্রত দেবনাথ অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তপন দাস ও শহিদুল হক এলাকায় অনেকের কাছ থেকে ঋণ নিয়েছেন। পাওনাদারদের ফাঁকি দিতে পরিকল্পিতভাবে তারা ঘেরে বিষ প্রয়োগ করতে পারেন।

মনিরামপুর থানার ওসি (সার্বিক) রফিকুল ইসিলাম জানান, অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২০, ২০২১ ৮:১২ অপরাহ্ন
৩০ কেজি ওজনের কাতল, বিক্রি ৪৮ হাজার টাকা!
মৎস্য

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় ৩০ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি বিশাল আকৃতির কাতলা মাছ ধরা পড়েছে পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায়। যা বিক্রি হয়েছে ৪৮ হাজার ১৬০ টাকা।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকালে দৌলতদিয়ার লঞ্চ ঘাটের উজানে জেলে জয়নাল সরদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

পরে মাছ‌টি দুপুরে দৌলত‌দিয়া ফেরি ঘাটে দুলাল আড়তদারের আড়তে বিক্রির উদ্দেশ্যে আনলে ফেরি ঘা‌টের মাছ ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা বেশী লাভের আশায় ১হাজার ৬শ টাকা কে‌জি দ‌রে ৪৮ হাজার ১৬০ টাকায় কি‌নে নেন। এ সময় মাছটি দেখ‌তে স্থানীয়রা ভীড় করেন।

এ ব্যাপারে মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা জানান, অনেকদিন পরে উন্মুক্ত নিলামে বাজার থেকে ৪৮ হাজার টাকায় একটি ক্রয় করি। এখন মাছটি ১৭শ টাকা কেজি দরে বিক্রি করবো বলে বড় বড় ব্যবসায়ীদের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করছি।

গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ জানান, বর্তমানে পদ্মা-যমুনা নদীর মোহনায় এখন প্রায়ই জেলেদের জালে বড় আকৃতির বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ছে। বর্তমানে ইলিশ মাছের আকাল থাকলেও এই ধরনের সুস্বাদু মাছ জেলেদের জালে বেশি ধরা পড়ছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
উপকূলজুড়ে বাড়ছে মাছ চাষিদের হাহাকার
মৎস্য

আশাশুনি সদরের পশ্চিমপাড়ার আব্দুস সামাদ সরদারের ছেলে রুহুল আমি সরদার নিজের জমি নেই। আছে শুধু ভিটেবাড়ি। অন্যের ৬ বিঘা জমি লিজ নিয়ে মাছের ঘের করেছিলেন। মাছের ঘের করতে গিয়ে এনজিও থেকে নিতে হয় ঋণ। বড় স্বপ্ন ছিল তার। গত অগ্রহায়ণে ছেড়েছিলেন মাছের পোনা। ঘেরে মাছের পোনা বড় হয়ে ধরার উপযুক্ত হয়েছিল।

গোনে গোনে আটন ঝেড়ে দেখতেন রুহুল আমিন। বাগদার সাইজ দেখে মন ভরে যেতো তার। সংসারে সুদিনের আশায় মনে মনে বুনতেন নানা স্বপ্নের জাল। কিন্তু গত পূর্ণিমার গোনে খোলপেটুয়া নদীর বাঁধ ভেঙে সেই স্বপ্নের জাল ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে রুহুল আমিনের। এখন তিনি নিঃস্ব। ঋণের কথা চিন্তা করে তার কপালে দেখা দিয়েছে ভাজ।

শুধু রুহুল আমিন নয়, এ অবস্থা একই এলাকার হযরত আলী, রফিকুল ইসলাম, প্রতিবন্ধী আজহারুল ইসলামসহ শতশত মাছ চাষির।

এদিকে শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোলিনী ইউনিয়নের দূর্গবাটি বাঁধ ভেঙে খোলপেটুয়া নদীর পানিতে তলিয়ে গেছে শত শত মৎস্য ঘের। বাঁধ ভাঙার সঙ্গে যেন কপাল ভেঙেছে তাদের। গোটা উপকূলজুড়ে মাছ চাষিদের মধ্যে বিরাজ করছে বোবা কান্না।

মাছ চাষিরা জানান, আশাশুনির সদর ইউনিয়নের দয়ার ঘাটের রিংবাঁধ ভেঙে মৎস্য ঘেরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বাঁধ ভেঙে প্লাবনে সদর ইউনিয়নের বাগদা চিংড়ি ঘের মালিক মহিতুর রহমানের ২০ বিঘা, প্রফেসর বজলুর রহমানের ৫৫ বিঘা, দীপন কুমার মণ্ডল ৭ বিঘা, আব্দুস সালামের ১৫ বিঘা, খোকন গাজীর ৮ বিঘা, মফিজুল ইসলাম লিংকনের ৭ বিঘা, শাহিন রেজার ৯ বিঘা, আসাদুজ্জামান খোকনের ৮ বিঘা, শরিফুল ইসলাম টোকনের ১১ বিঘা, সোলায়মান হক কাজলের ৪ বিঘা, সাদিক আনোয়ার ছট্টুর ১০ বিঘা, আজিজুল ইসলাম ছোটন ৭ বিঘাসহ কয়েক শত বাগদা চিংড়ি মাছের ঘের পানিতে ভেসে গেছে। এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বাগদা চিংড়ি ঘের মালিকরা আরও জানান, কেউ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে, কেউ সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে আবার কেউ ধারদেনা করে জমির হারি অর্ধেক পরিশোধ করে মাছ চাষ করেছেন। তাদের স্বপ্ন ছিল এক মাসের মধ্যে মাছ ধরা শুরু হবে এবং এই মাছ বিক্রি করে করে তাদের লীজকৃত জমির হারির টাকা ও ঋণ পরিশোধ করে ঘুরে দাঁড়াবেন। কিন্তু ২৯ মার্চ ‘সুপারমুন’ পূর্ণিমার গোনে বাঁধ ভেঙে পানিতে ঘের ভেসে যাওয়ায় তাদের সে স্বপ্ন শেষ হয়ে গেছে। এখন তারা পরিবার চালাবে কীভাবে আর ব্যাংক ও বিভিন্ন এনজিওর কিস্তির টাকা পরিশোধ করবে কীভাবে সে চিন্তায় হতাশ হয়ে পড়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিকরা বিনা সুদে সহজ শর্তে পুনরায় যাতে ঋণ পেতে পারে এবং মৎস্য চাষ করতে পারে সে ব্যাপারে আর্থিক সহায়তার জন্য সরকারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে আশাশুনি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শহীদ সৈকত মল্লিক বলেন, আশাশুনি উপজেলায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে চিংড়ি চাষ হয় এবং চিংড়ি চাষের ঘেরের সংখ্যা ১৩ হাজার ১৭৯টি। এর মধ্য আশাশুনি সদর ইউনিয়নে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে ৩৬০ হেক্টর জমির ৩১৫টি ঘের। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত ঘের মালিকদের তালিকা করেছি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারি উচ্চ দপ্তরে পাঠিয়েছি।

আশাশুনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এবিএম মোস্তাকিম বলেন, দিন আসে দিন যায়, বদলায় অনেক কিছু। শুধু বদলায় না আশাশুনি উপজেলার জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধের চিত্র। ষাটের দশকের সেই বেড়িবাঁধের অস্তিত্ব এখন আর নেই। আমাদের মাসিক সভায়ও পাওয়া যায় না সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের। স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে রিংবাঁধ বাঁধে প্রতিবার। এখানে বার বার বাঁধ ভাঙে, ভাসে মাছের ঘের। সঙ্গে ভাসে উপকূলের মানুষও। কিন্তু মূলবাঁধ একবারও বাঁধা হয় না।

এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপকূল রক্ষা বাঁধ ভেঙে শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ৫ নং পোল্ডারের পশ্চিম দূর্গাবাটি এলাকার সাইক্লোন শেল্টার সংলগ্ন অংশে প্রায় ২০০ ফুট বাঁধ খোলপেটুয়া নদীতে বিলীন হলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। ভাঙন কবলিত অংশ দিয়ে নদীর সঙ্গে সমানতালে লোকালয়ে জোয়ার-ভাটা চালু থাকায় প্রায় সাত হাজার বিঘা জমির চিংড়ি ঘেরসহ শত শত মিষ্টি পানির পুকুর লবণ পানিতে তলিয়ে গেছে। প্রায় ছয় হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ার পাশাপাশি তিন শতাধিক বাড়ি-ঘরে নদীর পানি প্রবেশ করেছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য এসএম জগলুল হায়দারসহ পাউবোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে বলেছেন, বেড়িবাঁধ ভাঙনের কারণে উপকূলের চিংড়ি চাষিরা সর্বস্বান্ত হয়ে গেছেন। তারা অবলম্বে বিষয়টি নিরসনে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সূত্র: বাংল ট্রিবিউন

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৮, ২০২১ ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
বৃষ্টি: হালদায় মাছ ধরা জেলেদের কেটেছে শঙ্কা
মৎস্য

এপ্রিল ও মে মাসে হালদা নদীতে মা মাছের ডিম ছাড়ার সময় হয়। কিন্তু প্রতিবছর এপ্রিল মাসের শুরুতে বৃষ্টির দেখা পেলেও এ বছর সেটি না পেয়ে শঙ্কিত ছিল জেলেরা। তবে এবার শঙ্কা কাটিয়ে শনিবারের (১৭ এপ্রিল) বৃষ্টিতে হালদা পাড়ের মানুষের মনে ফিরেছে স্বস্তি।

বাংলা বছরের চৈত্র-বৈশাখ মাসে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হলে এবং নদীতে স্রোত বৃদ্ধি পেলে মা মাছ ডিম ছাড়ে। গত বছর ২২ মে হালদায় ডিম ছেড়েছিল মা মাছ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও হালদা গবেষক ড. মঞ্জুরুল কিবরিয়া জানান, মার্চ মাসে বৃষ্টির প্রয়োজন ছিল। এপ্রিলের মধ্যে ভরা পূর্ণিমায় যদি বৃষ্টিপাত হতো তখন মা মাছ ডিম ছাড়তে পাড়তো। একটু বৃষ্টির অপেক্ষায় ছিলাম। বৃষ্টি হওয়াতে পরিবেশটা অনুকূলে আসার প্রথম পর্যায় শুরু হলো। এখন যদি পরবর্তী অমাবস্যা আর পূর্ণিমায় বৃষ্টি হয় তাহলে মাছ ডিম ছাড়বে।

তিনি আরও জানান, হালদার সার্বিক পরিস্থিতি ২০ বছরের মধ্যে সবদিক দিয়ে ইতিবাচক। দূষণের পরিমাণ কম, মা মাছ সংরক্ষণে ছিল, প্রচুর পরিমাণে জাল উদ্ধার হয়েছে, এলাকার মানুষ অনেক বেশি সচেতন। একটি মাত্র নেতিবাচক বিষয়, সেটা হলো ‘প্রকৃতি’। প্রকৃতি এখনো আমাদের অনুকূলে নেই।

ডিম সংগ্রহকারী জেলেরা জানান, হালদায় প্রতি বছর এপ্রিল মাসের শেষ দিকে ও মে মাসে মা মাছ ডিম ছাড়ে। প্রতিবছর আমরা এপ্রিল মাসের বৃষ্টির অপেক্ষায় থাকি। এখন সেটি হয়েছে, আমরা একটু হলেও স্বস্তি অনুভব করছি।

হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন জানান, হালদা নদীকে রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ছিল। তাই আজ হালদা এ পর্যায়ে এসেছে। এতদিন বৃষ্টি না হওয়াতে আমরা দুশ্চিতায় ছিলাম। শনিবার সকালের বৃষ্টি হওয়াতে কিছুটা স্বস্তি এসেছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ৪:৪১ অপরাহ্ন
লকডাউন: রাজধানীর ১৬ এলাকায় ফিশভ্যানের ব্যবস্থা
মৎস্য

চলছে কঠোর লকডাউন। আর এই লকডাউনের মাঝেও রাজধানীর ১৬টি ‍এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে সুলভ মূল্যে সামুদ্রিক ও মিঠাপানির বিভিন্ন জাতের সতেজ ও ফরমালিনমুক্ত মাছ। এই ফিশভ্যানের ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন। এত করে ভোগান্তি থেকে বাঁচবেন ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়।

যে ১৬ এলাকায় ভ্যান থাকবে
ইস্কাটন লেডিস ক্লাব সংলগ্ন (সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত), মিরপুর ডিওএইচএস (সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত), মিরপুর ডিওএইচএস (নতুন ভবন) (দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত), মহাখালী ডিওএইচএস (সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত), ধানমন্ডি (সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত), গুলশান (সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত), বনানী ডিওএইচএস (সকাল ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত), বারিধারা (দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত), সেচ ভবন (সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত)।

শংকর (সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত), সচিবালয় গেট (দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত), আজিমপুর কলোনি (দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত), সেগুনবাগিচা (দুদক অফিসের সামনে) (দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত), এজিবি কলোনি, মতিঝিল (দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত), মোহাম্মদপুর মা ও শিশু হাসপাতাল সংলগ্ন (দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত), ধানমন্ডি-২৮ (বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত)।

দেশে বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন, পরিবহন, সরবরাহ ও বিপণন অব্যাহত রাখার উদ্যোগের কথা জানায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ সদর দফতর, হাইওয়ে পুলিশ সদর দফতর, মৎস্য অধিদফতর, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, সব বিভাগীয় কমিশনার, সব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল, বাংলাদেশ অ্যাকুয়া প্রোডাক্ট কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন ও ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বরাবর পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ৭:১১ অপরাহ্ন
এক সপ্তাহে ৮০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার ভ্রাম্যমাণ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে গত এক সপ্তাহে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে সারাদেশে খামারিগণ তাদের উৎপাদিত ৭৭ কোটি ৭৭ লক্ষ ৫ হাজার ২১৫ টাকার দুধ, ডিম, মাংস, পোল্ট্রি ও বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য এবং ২ কোটি ৯৪ লক্ষ ২৩ হাজার ৫৬২ টাকার মাছ বিক্রয় করেছে।

করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে গত বছরের মতো এ বছরও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভ্রাম্যমান বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও বিভিন্ন প্রাণিজাত এই পণ্য বিক্রয় শুরু হয়েছে।

গত ৭ এপ্রিল থেকে সারাদেশে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলেও গত ৫ এপ্রিল থেকে এ ব্যবস্থায় সারাদেশে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্য বিক্রয় চলছে। এর মাধ্যমে দেশের ৮টি বিভাগের ৬৪ জেলায় গত এক সপ্তাহে মোট ৮০ কোটি ৭১ লক্ষ ২৮ হাজার ৭৭৭ টাকা মূল্যের মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, পোল্ট্রি ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্য বিক্রয় হয়েছে।

এ বছর জেলা প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে সংশ্লিষ্ট জেলার মৎস্য দপ্তর ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় ডেইরি ও পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমে খামারিগণ নিজেদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ন্যায্যমূলো ভোক্তাদের নিকট বিক্রয় করতে পারছেন।

উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতিতে গতবছরও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাজারজাতকরণ সংকটে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত উৎপাদক, খামারি ও উদ্যোক্তাদের কথা মাথায় রেখে এবং ভোক্তাদের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা হয়। গতবছর করোনা সংকটে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের খামারিদের উৎপাদিত মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম ভ্রাম্যমান ব্যবস্থায় বিক্রয় করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ১২:৫১ অপরাহ্ন
নলছিটিতে ভ্রাম্যমাণ মৎস্য বাজার উদ্বোধন
মৎস্য

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস প্রার্দুভাবের কারণে ঝালকাঠির নলছিটিতে মাছ ক্রয় বিক্রয় সহজীকরণ ও করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে উপজেলা মৎস্য অফিসের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ মৎস্য বাজার উদ্বোধন করা হয়েছে। এতে করে বেশ কয়েকটি ভ্যানগাড়িতে এ বাজার ক্রেতার দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।

সোমবার (১২ এপ্রিল) সকালে ভ্রাম্যমাণ মৎস্য বাজারের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুম্পা সিকদার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রমনি কুমার মিস্ত্রি (অতি. দায়িত্ব) ও উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী এসএম সোয়েব।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, পচনশীল মাছ ক্রয়ের জন্য সাধারণ জনগণকে বাজারে যেতে হয়, যার কারণে বিপুল লোকের সমাগম ঘটে, যা করোনাকালে বিপদজনক। এ বাজারের কারণে কিছুটা হলেও মানুষের উপকার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

করোনা পরিস্থিতিতে নলছিটি উপজেলার সকল স্তরের মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য অনুরোধ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

মাছ বিক্রেতা নান্নু সিকদার জানান, করোনার জন্য মানুষ বাজারে কম আসে। তাই ভ্যানগাড়িতে বিক্রি করলে আমাদের রুটি রুজির ব্যবস্থা হবে। সেই সঙ্গে মানুষজনেরও স্বাস্থ্য ঝুঁকি কম হবে। ইউএনও স্যার আমাদের জন্য এ ব্যবস্থা করে দেয়ায় তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
রাজবাড়ীতে বিষ প্রয়োগে লাখ টাকার মাছ নিধন
মৎস্য

রাজবাড়ীতে ২টি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধন ও প্রাণনাশের হুমকি দাতাদের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

গতকাল রোববার সকালে রাজবাড়ী জেলা শহরের পৌর মিলোনিয়াম মার্কেটে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামের মৃত মাদারী শেখের ছেলে মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাতে তার খরিদকৃত ৪০ শতাংশ ও রেলওয়ে লিজকৃত ১০ শতাংশ জমিতে ২টি পুকুরে থাকা ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মাছ জাল দিয়ে চুরি করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় রাজবাড়ীর আদালতে স্থানীয় প্রভাবশালী মৃত জলিল শেখের ছেলে ইকরাম শেখ, মৃত ইকুল শেখের ছেলে ইদ্রিস শেখ, মৃত রহমান খানের ছেলে আজম খান, সামছুল শেখের ছেলে সোহেল শেখ, রাজু শেখসহ অজ্ঞাত আরো ৭ থেকে ৮ জনসহ আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। তিনি আরো বলেন, মাছ চুরি করে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তারা বিভিন্নভাবে আমাকে ভয়ভীতি ও জীবননাশের হুমকি দিচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন, আমাকে জীবন নাশের হুমকি দেয়া হলে তিন আরো একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের আধারে অন্য আরো একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে অন্তত দুই লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে। এ ঘটনায়র বিচার ও দোষি ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রতনদিয়া ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামের মৃত ছাত্তার খার ছেলে আজিজ খা, ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলামের মেয়ে বর্না ইসলামসহ স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop