৮:১৫ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ৪:২৪ অপরাহ্ন
মনপুরায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলায় আজ ২০২১-২২ মৌসুমে রবি ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় হাজির হাট ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামীম মিঞার সভাপত্বিতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিনা আক্তার চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকাশ বৈরাগী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো: নিজাম হাওলাদার, উপসহকারী কৃষি অফিসার মো: আনোয়ার হোসেন।

উপজেলার মোট ৪টি ইউনিয়নের ২৫শ ৬৫ জন কৃষকের গম ,ভ’ট্টা, সরিষা,সূর্যমূখি,চিনাবাদাম,মুগ খেসারী বীজও রাসায়নিক সার দেয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ৩:৪৪ অপরাহ্ন
কৃষকের বাগানের শিমগাছ কেটে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা
কৃষি বিভাগ

নরসিংদীর শিবপুরে রাতের আঁধারে এক দরিদ্র কৃষকের শিমের বাগানের শিমগাছ কেটে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে এমন অভিযোগ করেছেন আবুল কাশেম নামের এক কৃষক। এ ঘটনায় প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তার।

এর আগে বুধবার (১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলা বাঘাব ইউনিয়নের চাঁদপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান তিনি।

কৃষক আবুল কাশেম (৫০) শিবপুর উপজেলার বাঘাব ইউনিয়নের চাঁদপাশা গ্রামের মৃত সুন্দর আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবুল কাশেম তিন মাস আগে ৬০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে বাড়ির পাশের বন্ধক নেওয়া দুই বিঘা জমিতে শিমের চাষ করেন। গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই বাগানের পুরো মাচায় ফুল ফুটতে শুরু করে। ইতোমধ্যে অনেক গাছে শিমও ধরেছে। আর কিছুদিন পরেই শিম বড় হবে, বাজারে নিয়ে বিক্রি করবেন, ধার করা টাকা শোধ করে লাভের মুখ দেখবেন; এমন স্বপ্ন ছিল তার। এর মধ্যে বৃহস্পতিবা সকালে শিম-বাগানে গিয়ে দেখেন গাছগুলো নেতিয়ে পড়েছে। পরে দেখেন গাছের গোড়া কাটা।

আবুল কাশেম জানান, বুধবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা আমার শিম-বাগানের সব গাছ কেটেছে বলে ধারণা করছি। আর মাত্র সপ্তাহ দুয়েক পরই অন্তত দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার শিম বিক্রি করতে পারতাম। তিন মাস ধরে কঠোর পরিশ্রম ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা ধারদেনা করে বাগানটা সাজিয়েছি। ভেবেছিলাম এই শিম বিক্রি করে এবার কিছু টাকা পাব। কিন্তু কে বা কারা আমার এত বড় ক্ষতি করল। এ ঘটনায় আমি আইনের আশ্রয় নেব।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ২:৩৮ অপরাহ্ন
ফরিদপুরে আমন ধান সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

ফরিদপুরে চলতি বছরের আমন ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে অম্বিকাপুর ১০ নং গোডাউন চত্বরে আমন সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক অতুল সরকার।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মোল্যা, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দিন, পৌর কাউন্সিলর সামসুল আরেফিন সাগর, অম্বিকাপুর এলএসডি কর্মকর্তা মোঃ মুশফিকুর রহমান।

জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, সরকারি নির্দেশনা না মেনে যারা গোডাউনে চাল ও ধান দেবে না তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। প্রয়োজনে সেই মিল মালিকদের কালো তালিকাভুক্ত করে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

এ বছর চলতি মৌসুমে ফরিদপুর জেলায় কৃষকদের কাছ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে ৪১শ ৯৪ মেট্রিক টন চাল এবং ২৭ টাকা কেজি দরে ৪১শ ৬৪ মেটিক টন ধান কেনা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ২:১১ অপরাহ্ন
বাগেরহাটে ব্যাগিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ
কৃষি বিভাগ

ব্যাগিং পদ্ধতিতে বিষমুক্ত বেগুন চাষ করে লাভবান হচ্ছেন বাগেরহাটের কৃষকরা। পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করতে পারছেন ফলন। ফলে এই পদ্ধতিতে আবাদে আগ্রহ বাড়ছে অনেকের। বাজারে চাহিদা থাকায় এসব বেগুন বিক্রি করে বেশ লাভ হচ্ছে চাষীদের।

কিছুদিন আগেও পোকামাকড়ের কারণে বেগুন চাষ করা নিয়ে শঙ্কায় থাকতে হতো বাগেরহাটের কৃষকদের। কিন্তু কৃষি বিভাগের পরামর্শে ব্যাগিং পদ্ধতিতে বিষমুক্ত বেগুন চাষ করে শঙ্কামুক্ত হয়েছেন তারা। এতে পোকার আক্রমণ কমে যাওয়ার পাশাপাশি ফলনও হচ্ছে ভালো। ফলে স্থানীয় বাজারে মিটছে বেগুনের চাহিদা।

চলতি মৌসুমে বাগেরহাটের ৯টি উপজেলায় ৭’শ ৬৭ হেক্টর জমিতে বেগুনের চাষ হয়েছে। এরমধ্যে সদর, কচুয়া ও ফকিরহাটে ৭০ হেক্টর জমিতে ব্যাগিং পদ্ধতিতে বিষমুক্ত বেগুন চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন কৃষকরা। তারা বলেছেন, এই পদ্ধতিতে খরচও হয় কম।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বললেন, বিষমুক্ত বেগুনের চাহিদা থাকায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। আর কৃষি কর্মকর্তারা জানালেন, ভালো ফলনের আশায় অনেকে এই পদ্ধতির জন্য পরামর্শ নিচ্ছেন।

আগামী মৌসুমে ব্যাগিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ আরও বাড়বে বলে ধারণা কৃষি কর্মকর্তাদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ১:১০ অপরাহ্ন
নওগাঁর রাণীনগরে পানি না দেয়ায় ৫০ বিঘা জমির ধান নষ্ট
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর রাণীনগরে চলতি আমন মৌসুমে ধানের জমিতে সঠিকভাবে পানি না দেয়ায় প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান নষ্টের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গভীর নলকূপ মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং ক্ষতিপূরণ চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিএমডিএ এবং কৃষি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কৃষকরা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বেলঘড়িয়া মাঠে।

জানা গেছে, উপজেলার বেলঘড়িয়া মৌজায় ৯৫ ও ৯৬ দাগে বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করে প্রায় ১৩০ বিঘা ধানের জমিতে পানি দেয়া হয়। গভীর নলকূপটির অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন একই এলাকার খাগড়া গ্রামের সাহান মহুরীর স্ত্রী বেবি খাতুন। বেবি খাতুনের আওতায় পানির দায়িত্বে রয়েছেন বেলঘড়িয়া গ্রামের সুকদেব ও স্বপন নামে দুই ব্যাক্তি।

কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, গভীর নলকূপ স্থাপনের পর থেকে প্রায় প্রতিটি মৌসুমেই পানির টাকা নিলেও সঠিকভাবে ধানে পানি সেচ দেয়া হয় না। ফলে পানি অভাবে তুলনা মূলকভাবে ধানের ফলন কমে যায়। চলতি আমন মৌসুমে শেষের দিকে অনাবৃষ্টি ও প্রচণ্ড খড়ায় ধানের জমি শুকে যায়। প্রতি বিঘা জমিতে পানি সেচ দিতে এক হাজার টাকা করে মূল্য ধরেছেন গভীর নলকূপে দায়িত্বরতরা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী পানি দেয়নি।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা গভীর নলকূপের মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং ক্ষতিপূরণ চেয়ে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্প ও কৃষি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কৃষক এবাদুল হক, আবু বক্কর সিদ্দিক, আলেফ হোসেন ও বজলুল হক জানান, পানির জন্য দায়িত্বে থাকা লোকজনকে বারবার বলেও জমিতে সঠিকভাবে পানি সেচ দেয়নি। ফলে পানির অভাবে ওই স্কিমের মধ্যে প্রায় ৫০ বিঘা আতব ধানের জমির মাটি ফেটে গেছে। ধানের শীষ মরে সাদা হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। যেখানে বিঘাপ্রতি প্রায় ১২/১৪ মণ হারে ফলন হওয়ার কথা সেখানে হয়তো ২/৪ মণ হারে ধান হতে পারে। আমরা এর ক্ষতিপূরণ ও সঠিক বিচার দাবি করছি।

এ ব্যাপারে গভীর নলকূপের অপারেটর বেবি খাতুন বলেন, নলকূপ আমার নামে আছে কিন্তু পানি সেচ বা সবকিছু করে বেলঘড়িয়া গ্রামের সুকদেব ও স্বপন। সেখানে কী হয়েছে এটা সঠিক বলতে পারব না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ৪:৪৮ অপরাহ্ন
পেয়ারা চাষ করে সফল নাটোরের আফাজ আলী
কৃষি বিভাগ

নাটোরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পেয়ারা চাষ হচ্ছে এক দশক ধরে। সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পেয়ারা চাষ করে জাদুকারি সাফল্য পেয়েছেন চাষীরা। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হওয়ায় পেঁয়ারা চাষে আগ্রহী হয়েছে অনেকে। নাটোর সদর উপজেলার মাটি সব ফসলের জন্য উপযোগী। জেলার উদ্দোমী পেয়ারা চাষী আফাজ আলী পেঁয়ারা চাষ করে সফল হয়েছেন।

২০১৫ সালে বাড়ির পাশে নিজের দুই বিঘা জমিতে শুরু করেন পেঁয়ারা চাষ। শুরুতে বিনিয়োগ করেন দুই লাখ টাকা। বছর শেষে পেয়ারা বিক্রি করেন ১০ লাখ টাকার। তারপর থেকে সিদ্ধান্ত নেন পেয়ারা চাষকে পেশা হিসেবে বেছে নেবেন। বাড়াতে শুরু করেন পেয়ারা বাগানের পরিধি। ২০০ বিঘায় ৯টি বাগানে পেয়ারা চাষ করে তিনি এখন জেলার সবচেয়ে বড় পেয়ারা উৎপাদনকারী।

শুধু বাগানই নয়, ভিটামিন-খনিজ উৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি ও দেশের পুষ্টিতে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি গড়ে তুলেছেন কর্মসংস্থান। প্রতিদিন গড়ে দেড়শ মানুষের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন তিনি। এছাড়া আফাজের বাগানের পেয়ারা নাটোর ছাড়িয়ে চলে যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।সফল উদ্যোক্তা পেয়ারাচাষী আফাজ আলীর বাড়ি নাটোর সদর উপজেলার চন্দ্রকোলা রুয়েরভাগ গ্রামে। কৃষক পরিবারে ১০ ভাইবোনের আর্থিক টানাপোড়েনের সংসারে সবার ছোট আফাজ আলী। আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ব্যবসায়ের হাতছানির কারণে পড়াশোনা বেশি দূর করতে পারেনি । ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসার অভিজ্ঞতা থেকে একসময় শুরু করেন চাল ব্যবসা। এ ব্যবসায় মুনাফা থাকলেও একসময় হাল ছেড়ে দেন। বারবার ব্যবসায়ের পরিবর্তন শেষে পেয়ারা চাষেই থিতু হন তিনি। মাত্র ছয় বছরের ব্যবধানে পেয়ারা যেহেতু তাকে এনে দিয়েছে সাফল্য, তাই এখন পেয়ারাই তার ধ্যান-জ্ঞান।

জানা যায়, নাটোর সদর উপজেলার তেবাড়িয়া, ছাতনী, আগদিঘা, বড়হরিশপুর ইউনিয়ন পেরিয়ে আফাজের পেয়ারা বাগান এখন সিংড়া উপজেলার হাতিয়ানদহে। দুই শতাধিক বিঘার মোট ৯টি বাগানজুড়ে পেয়ারা চাষ করে তিনি এখন জেলার সবচেয়ে বড় পেয়ারা উৎপাদনকারী।এমনিতেই নাটোর ফল উৎপাদনের সূতিকাগার। নাটোরের অসংখ্য ফল উৎপাদক সারা দেশে নন্দিত হয়েছেন ইতোপূর্বে। তাদের উৎপাদনের ক্ষেত্র কখনো একটা মাত্র ফলে সীমিত থাকেনি। প্রত্যেকেই রকমারি ফল উৎপাদন করেন। ব্যতিক্রম শুধু আফাজ আলী। তার ক্ষেত্র শুধুই পেয়ারা।

নাটোর সদর উপজেলার শংকরভাগ এলাকার এক জায়গায় ১২০ বিঘা ও অন্যান্য জায়গায় ৮০ বিঘায় পেয়ারা-বাগান গড়ে তোলেন আফাজ আলী। আফাজ আলী থাই-৩ জাতের পেয়ারা চাষ করেন। তার প্রতি বিঘায় গাছ রয়েছে ২০০টি করে। সাধারণত এক বছরের মাথায় ফলন পাওয়া যায়। প্রতিটি গাছের বার্ষিক ফলন এক মণের কাছাকাছি।

বারো মাস ফলন পাওয়া গেলেও পেয়ারের মৌসুম মূলত আশ্বিন থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস। তবে উচ্চ মূল্য ও সময় হিসেবে পৌষ ও মাঘ মাসসহ অগ্রহায়ণ ও ফালগুনের অর্ধেকটা সময় ব্যবসায়ীদের কাছে পেয়ারা বাজারজাতকরণের কাঙ্ক্ষিত সময়।

আফাজ আলী বলেন, আগে আমি নার্সারি ও চালের ব্যবসা করতাম। এক বন্ধুর পেয়ারা চাষ দেখে আমি উদ্বুদ্ধ হই। প্রথমে আমি দুই বিঘা জমিতে চাষ শুরু করি। অন্য কোনো ফল নয়, পেয়ারাই আমার ধ্যান-জ্ঞান। ৯টি বাগানে প্রতিদিন গড়ে দেড় শ মানুষ কাজ করে। তাদের গাছ রোপণ, আগাছা নিধন, সার দেওয়া, সেচ, পেয়ারার ব্যাগিং কাজের দিকনির্দেশনা দিয়েই আমার বাগানে দিন কাটে।

বাগানে কাজ করা শ্রমিক শাকিল মাহমুদ বলেন, পেয়ারার বাগানে কাজ করছি। আমরা এখানে ১৫০ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছি। সবার সংসারে উন্নতি আসছে এবং সবাই ভালোমতো চলতে পারছি। আমরা বাগানে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকি।

শ্রমিক মো. শাহ আলম মিয়া জানান, আমি পেয়ার-বাগানে শুরু থেকে কাজ করছি। মাসে ৯ হাজার টাকা বেতন পাই। আমাদের এখানে প্রতিদিন আট ঘণ্টা কাজ করতে হয়। সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বাগানে কাজ করি।

ঢাকার কাওয়ানবাজারের মা ফলভান্ডারের স্বত্বাধিকারী ও ব্যবসায়ী আলী জানান, নাটোরের আফাজের পেয়ারা খুবই ভালো। তার পেয়ারার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। গুণগত মানেও খুব ভালো। তাই আমি আফাজের বাগানের পেয়ারা গাড়িযোগে ঢাকায় এনে বিক্রি করি।

কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহমুদুল ফারুক বলেন, পেয়ারার বাগান সৃষ্টির মাধ্যমে আফাজ শুধু নিজের আর্থিক সমৃদ্ধিই অর্জন করেননি, শত মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, সর্বোপরি দেশের মানুষের পুষ্টির অভাব পূরণের মাধ্যমে অবদান রাখছেন। নাটোরের উৎপাদিত ফল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ হচ্ছে। কৃষি বিভাগ পেয়ারা উৎপাদনের নতুন নতুন প্রযুক্তি ও পরামর্শ দিয়ে সব সময় আফাজের পাশে আছে। আমরা সব সময় কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করি ফল চাষের জন্য।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ৪:২৬ অপরাহ্ন
শেরপুরে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

শেরপুর আমন মৌসুমে শেরপুর জেলায় অভ্যন্তরীণ আমন সংগ্রহ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মমিনুর রশীদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন করেন হুইপ আতিউর রহমান আতিক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্ত ওয়াজিউর রহমান। উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আসাদুজ্জামান রৌশন প্রমুখ।

আজ বেলা ১১ টায় জেলা খাদ্য গুদামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হুইপ আতিক বলেন, সফটওয়্যার এর মাধ্যমে ধান ও চাল ক্রয় করা হবে। ফলে কৃষকের হয়রানি কমবে। তিনি খাদ্য কর্মকর্তাদের মান সম্মতভাবে ধান-চাল ক্রয় করার জন্য নির্দেশনা দেন।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ওয়াজিউর রহমান বলেন, সদর উপজেলায় ৮ হাজার ১০২ মেট্রিক টন চাল, ৮শ ৪৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও নালিতাবাড়ী ৯শ ৪৫ মেট্রিক টন চাল ও ৭শ ৮০ মেট্রিক টন ধান, নকলায় ৩শ ৯২ মেট্রিক টন চাল ও ৫শ ৩৭ মেট্রিক টন ধান, শ্রীবরদীতে ৬শ ৩১ মেট্রিক টন চাল ও ৫শ ৯০ মেট্রিক টন ধান এবং ঝিনাইগাতীতে ৭শ ৫৬ মেট্রিক টন চাল এবং ৫শ ৩৭ মেট্রিক টন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলার ২৭২টি মিলের সাথে সিদ্ধ চালের চুক্তি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারি ২২ পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে। প্রতি কেজি চালের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ টাকা ও ধান ২৭ টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ২:৩৫ অপরাহ্ন
চলনবিলের কৃষকরা সরিষা ক্ষেতে ছবি তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায়
কৃষি বিভাগ

দিগন্তজোড়া হলুদ রঙের সরিষা ফুলে সেজে ওঠেছে চলনবিলের সরিষার ক্ষেতগুলো। মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে হলুদের বিশাল সমারোহ। কুয়াশা ও ঝলমলে রোদের খেলা এখন দিগন্ত বিস্তৃত হলদে বরণ সরিষার ফুলে ফুলে। সরিষা ফুলের সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন চলনবিলে ঘুরতে আসা মানুষজন। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা বেড়েছে স্থানীয় কৃষকদের। কারণ চলনবিলে ঘুরতে এসে অধিকাংশ মানুষজন ছবি তোলার জন্য সরিষা ক্ষেতের মধ্যে নেমে পড়ছেন। এতে ক্ষতি হচ্ছে ফসলের।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে দেখা যায়, চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ উপজেলার কুন্দইল সেতু এলাকার সড়কের দুপাশের সরিষা ক্ষেতের মধ্যে ১৮ থেকে ২০জন বিভিন্ন ভঙ্গিতে ছবি তুলছেন।

সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল গ্রামের কৃষক ছরোয়ার হোসেন, মন্টু মিঞা, ছোহরাব আলী, সিরাজ উদ্দিন ও মইনুল ইসলাম বলেন, লোকজন হাইহিল ও বুট জুতা পড়ে সরিষার ক্ষেতের মধ্যে ছবি তোলার জন্য রীতিমতো হুমরি খেয়ে পড়েন। তখন পায়ের নিচে পড়ে সরিষা গাছ ভেঙে যায় ও গাছ থেকে ফুল ঝড়ে যায়। নিষেধ করলেও শোনেননা।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, সরিষার ক্ষেতে ছবি তোলার সময় অধিক সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। ক্ষেতের আইলে দাড়িয়েও ছবি তোলা সম্ভব।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশে এ বছর ৪৫৯০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ২:০৪ অপরাহ্ন
চৌদ্দগ্রামে কৃষকদের মাঝে ধানের বীজ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে বোরো ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে হাইব্রিড ও উফশী ধানের বীজ এবং সার বিতরণ করা হয়। 

আজ সকাল ১০টায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কৃষকদের হাতে সার ও বীজ তুলে দেন উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুস সোবহান ভূঁইয়া।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নের সাড়ে পাঁচ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ৫ কেজি করে ধান বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি, ১০ কেজি করে এমওপি সার, এছাড়া প্রত্যেক কৃষকের মাঝে ৩ কেজি করে হাইব্রিড ধান বিতরণ করা হয়।

এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মনজুরুল হক, পৌর মেয়র জিএম মীর হোসেন মীরু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এবিএম এ বাহার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাশেদা আখতার, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. হাসিবুর রহমান, জেলা কৃষকলীগ নেতা মমিনুর রহমান ফটিক। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুব্রত রায়, সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল হালিম, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা নাজমুল হাসান মজুমদার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরিফ সোলায়মান, শাহ আলম প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ১:০২ অপরাহ্ন
খাগড়াছড়িতে চাষ হচ্ছে নতুন প্রজাতির ফল, রক মেলন
কৃষি বিভাগ

খাগড়াছড়িতে নতুন প্রজাতির ফল ‘রক মেলন’ চাষ করে সফলতার মুখ দেখেছেন কৃষক প্রবীর চাকমা। ভালো ফলন পেয়েছেন। বিক্রি করে লাভও হয়েছে বেশ। পার্বত্য অঞ্চলে রক মেলনের চাষ এই প্রথম। সুমিষ্ট বিদেশী এই ফলটির চাষে সাফল্য জেলার অন্য কৃষকদের দেখাচ্ছে নতুন স্বপ্ন। পার্বত্য অঞ্চলে ‘রক মেলন’ এর আবাদ আগামীতে বাড়বে বলেই ধারণা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা

খাগড়াছড়ি জেলা সদরের ১ নম্বর গড়গয্যাছড়ি গ্রামে প্রবীর চাকমার বাড়ি। ইউটিউব থেকে ধারণা নিয়ে তিনি পাহাড়ে চাষ করেন নতুন প্রজাতির ফল ‘রক মেলন’ এর। পার্বত্য অঞ্চলে এই প্রথমবারের মতো ফলটির আবাদ হয়। পরীক্ষামূলকভাবে ১ হাজার ৮০০ ‘রক মেলনে’র চারা এনে রোপন করেন নিজের ২০ শতক জায়গায়।

স্বল্প পরিমাণ এই জায়গাতেই ১০ মণের অধিক ফলন হয়। সেখান থেকে তিনি প্রতি কেজি ৩শ’ টাকা দরে প্রায় ৫মণ রক মেলন ফল বিক্রি করেছেন। সফলতা পাওয়ায় আগামী বছর থেকে ব্যাপকভাবে এর চাষ করবেন বলে জানান তিনি।

রক মেলন সুস্বাদু ও মিষ্টি জাতীয় ফল। তাই বাজারে চাহিদাও প্রচুর। প্রবীর চাকমার বাগানে ফলটি দেখতে ও কিনতে আশাপাশের এলাকা থেকে মানুষ আসছেন।

কৃষি বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, রক মেলন হলো দেশীয় বাঙ্গির বিদেশী জাত। আর, পার্বত্য অঞ্চলের আবহাওয়া ও মাটি রক মেলন চাষাবাদের জন্য উপযোগী।

আগামীতে পার্বত্য অঞ্চলের অনেক কৃষকই রক মেলন ফল চাষে এগিয়ে আসবেন বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop