১:১১ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ২৪, ২০২১ ১২:০৭ অপরাহ্ন
দিনাজপুরে ধানের দাম কমায় দুশ্চিন্তায় কৃষক
কৃষি বিভাগ

বাজারে নতুন ধানের সরবরাহ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই কমতে শুরু করেছে ধানের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৭৫ কেজির প্রতি বস্তা ধানের দাম কমেছে প্রকারভেদে ১শ থেকে দেড়শ টাকা। ধানের দাম কমতে শুরু করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। সদর উপজেলার অন্যতম বৃহৎ ধানের হাট গোপালগঞ্জে গিয়ে দেখা যায়, নতুন ধানের সরবরাহ বেড়েছে।

হাট-সংশ্লিষ্টরা জানান, নভেম্বর মাসের শুরু থেকে বাজারে উঠতে শুরু করেছে নতুন আমন। ক্রমান্বয়ে সরবরাহও বাড়ছে। গত সপ্তাহে গোপালগঞ্জ ধানের হাটে ধান উঠেছিল ৫শ বস্তার মতো। সোমবার বাজারে ১ হাজারেরও বেশি বস্তা ধান উঠেছে। পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াই শুরু হওয়ায় বাজারে নতুন ধানের সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানান হাট-সংশ্লিষ্টরা।

বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কমতে শুরু করেছে ধানের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৭৫ কেজির প্রতি বস্তায় ধানের দাম কমেছে ১শ থেকে ১৫০ টাকা। গত এক সপ্তাহ আগে প্রতিবস্তা গুটি স্বর্ণা ধান বিক্রি হয়েছিল ২ হাজার ৩০ টাকায়, সোমবার তা নেমে এসেছে ১ হাজার ৯৫০ টাকায়। অনুরূপ কটরাপারী ২ হাজার ১০ টাকা থেকে নেমে ১ হাজার ৯২০ টাকায়, বিনা-৭ জাতের ধান ২ হাজার ২শ থেকে নেমে ২ হাজার ৫০ টাকায় এবং প্রতি বস্তা সুমন স্বর্ণ জাতের ধান ২ হাজার ৭০ থেকে নেমে ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বিআর-৫১ জাতের ধানের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

ধানের দাম কমতে শুরু করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। বাজারে ধান বিক্রি করতে আসা সদর উপজেলার কৃষক নাজির হোসেন বলেন, আমরা ভেবেছিলাম-যতই দিন যাবে, ততই ধানের দাম বাড়বে। কিন্তু দাম বৃদ্ধির পরিবর্তে গত সপ্তাহের তুলনায় আজ ধানের দাম কমেছে। এতে হতাশ তিনি। ধান বিক্রি করতে আসা বিরল উপজেলার কানাইবাড়ী এলাকার কৃষক গোলাম মোস্তফা জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ধান আবাদ করতে গিয়ে খরচ হয়েছে বেশি। পোকার হাত রক্ষায় এবার আমন ক্ষেতে অধিক পরিমাণে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়েছে। এতে ফলন ভালো হলেও উৎপাদন খরচ পড়েছে বেশি। তাই ধানের ভালো দাম না পেলে লোকসান গুনতে হবে তাদের। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন তিনি।

বাজারে ধান ক্রেতারা জানান, মিল-মালিকরা যে দামে ধান কিনছে, সেই অনুযায়ীই তাদের ধান কিনতে হয়। বেশি দামে ধান কিনলে লোকসান গুনতে হবে তাদের। গোপালগঞ্জ পাইকারি ধান ক্রেতা বিভাকর বসাক জানান, কাটা-মাড়াই কেবল শুরু হয়েছে। নতুন অবস্থায় বাজার একটু উঠানামা করতেই পারে। কারণ এখনো বোঝা যাচ্ছে না প্রকৃত অবস্থা। সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে ক্রেতার তুলনায় ধান বেশি হওয়ায় বাজারে কিছুটা প্রভাব পড়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে কিছুটা প্রতিকূল অবস্থা গেলেও এবার দিনাজপুরে আমন ধানের ভালো ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, এবার আশানুরূপ ফলন হয়েছে। বাজারে ধানের দাম ভালো থাকলে কৃষকরা আমন আবাদ করে লাভবানই হবেন।

দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক প্রদীপ কুমার গুহ জানান, জেলায় চলতি আমন মৌসুমে ২ লাখ ৬০ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। ভালো ফলন হওয়ায় এবার জেলায় চালের উৎপাদন ৭ লাখ টন ছাড়িয়ে যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৩, ২০২১ ৯:৪১ অপরাহ্ন
কৃষি কর্মসংস্থানে আফ্রিকায় জমি লিজ নিতে চায় বাংলাদেশ
কৃষি বিভাগ

কন্ট্রাক্ট ফার্মিং করতে আফ্রিকায় জমি লিজ নিতে চায় বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এ বিষয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আলোচনা হয়েছে। এই সভায় যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন এবং কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

সভায় বিডা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান, পররাষ্ট্র সচিব, কৃষি, বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে বাংলাদেশি কৃষক ও উদ্যোক্তাদের দ্বারা আফ্রিকান দেশগুলোতে চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদ করার উপায় ও কৌশল নিয়ে আলোকপাত করা হয়।

বৈঠকের শুরুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন যে, আফ্রিকার দেশগুলোতে জমি লিজ দিয়ে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক ও কৃষকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। তিনি পরামর্শ দেন, আফ্রিকান দেশগুলোতে আমাদের শান্তিরক্ষা মিশনগুলো চুক্তিতে চাষের সুযোগের জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।

তিনি কৃষিক্ষেত্রে আমাদের অগ্রগতির সঙ্গে পরিচিত করতে আফ্রিকান দেশগুলোর সাথে কৃষি বিষয়ে প্রশিক্ষণ বিনিময় করার কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, যেহেতু বাংলাদেশের বিপুল জনসংখ্যা রয়েছে, তাই চুক্তিভিত্তিক কৃষি বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির একটি কার্যকর উৎস হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের কৃষকরা আফ্রিকার দেশগুলোতে যে পণ্যগুলি উৎপাদন করবে তা আমদানি ও বাণিজ্যিকী করণের উদ্দেশ্যে নিযুক্ত করা যেতে পারে। তিনি এ বিষয়ে আফ্রিকার উপযুক্ত দেশগুলোকে চিহ্নিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৩, ২০২১ ৪:৫৫ অপরাহ্ন
আমন ধান সংগ্রহ অভিযান সফল করার আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর
কৃষি বিভাগ

সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে আমন সংগ্রহ অভিযান সফল করতে খাদ্য বিভাগের মাঠ কর্মকর্তাদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

তিনি বলেন, কৃষকের আমন ফসল উৎপাদন ভালো হয়েছে। সরকার আমন ধান ও চালের যৌক্তিক দামও নির্ধারণ করেছে।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সচিবালয় থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে অভ্যন্তরীণ আমন সংগ্রহ অভিযান ২০২১-২২ এর রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, যে সকল জেলায় নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রকিউরমেন্ট শতভাগ অর্জিত হবে, প্রয়োজনে তাদের আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে। যে সকল জেলায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে না তাদের জবাবদিহি করতে হবে।

উত্তরাঞ্চলকে শষ্য ভান্ডার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অঞ্চল থেকে বেশি ধান সংগ্রহের চেষ্টা করতে হবে। ধান-চাল সংগ্রহকালে কোনো কৃষক কিংবা মিল মালিক যেন হয়রানির শিকার না হয় সেটিও নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।

মিল মালিকদের উদ্দেশ্যে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে ধান চালের অভাব নেই। বিগত সময়ে ২৯ লাখ মেট্রিক টন আমদানির অনুমতি দিলেও আমদানি হয়েছে ৮ লাখ মেট্রিক টন। এ সময়ে দেশে চালের অভাব হয়নি। এতে প্রমাণ হয় চালের যথেষ্ঠ মজুত থাকা সত্ত্বেও কেউ কেউ চালের মজুদ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।

তিনি বলেন, মিল মালিকদের শুধু লাভের কথা চিন্তা করলেই হবেনা। ভোক্তার দিকেও নজর রাখতে হবে। এ সময় তিনি মিল মালিকদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন‍ ‘ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ’ গড়তে সহযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

জানুয়ারি মাসের মধ্যে আমন সংগ্রহ সম্পন্ন করতে খাদ্য বিভাগের মাঠ কর্মকর্তাদের তৎপর হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এখন আবহাওয়া অনুকূলে আছে। এখনই প্রকিউরমেন্ট জোরদার করতে হবে। কোনো ভাবেই গাছাড়া ভাব বরদাস্ত করা হবে না।

অবৈধ মজুতদারীর বিরুদ্ধে মনিটরিং জোরদার হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফুড গ্রেড লাইসেন্স ছাড়া কেউ খাদ্য শষ্য মজুদ করতে পারবে না। ফুড গ্রেড লাইসেন্সধারীকে পাক্ষিক ক্রয় বিক্রয়ের প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- খাদ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত সচিব খাজা আব্দুল হান্নান ও রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর।

খাদ্য অধিদপ্তরের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, খাদ্য বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও মিল মালিকরা সভায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৩, ২০২১ ৩:৩০ অপরাহ্ন
মানিকগঞ্জে বার্ষিক কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

‘কৃষি হলে পরিবেশ বান্ধব ও প্রকৃতি নির্ভর কৃষক হবে স্বনির্ভর’ এই স্লোগানে মানিকগঞ্জে বার্ষিক কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ১০ থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত জেলা ক্রীড়া সংস্থা মিলনায়তনে মানিকগঞ্জ জেলা কৃষি উন্নয়ন কমিটি, কৃষক গবেষণা ফোরাম ও বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজেনাস নলেজ (বারসিক)-এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

জেলা কৃষি উন্নয়ন কমিটির সভাপতি করম আলী মাস্টারের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা কৃষিবিদ রওশন আলম।

অন্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা কৃষিবিদ তাহমিনা শহিদ, জেলা কৃষি উন্নয়ন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ইমান আলী, বায়ড়া ইউনিয়ন কৃষি উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ফরহাদ হোসেন, মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক অতীন্দ্র চক্রবর্তী বিপ্লব, জেলা পরিষদের সদস্য শামীমা চায়না, আঞ্চলিক সমন্বয়কারী (বারসিক) বিমল রায় ও প্রান্তিক কৃষকরা।

সম্মেলন শেষে জেলা কৃষি উন্নয়ন কমিটির নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৩, ২০২১ ৩:১১ অপরাহ্ন
সখীপুরে নাবী পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নাবী পাটবীজ উৎপাদনকারী চাষি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষণে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য করেন পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আতাউর রহমান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চিত্রা শিকারির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ান্তা বর্মণ, জেলা পাট কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান খান, উপজেলা পাট উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. সবুজ মিয়া, পরিদর্শক রমেশচন্দ্র সূত্রধর, জহির রায়হান প্রমুখ।

এ সময় প্রত্যেক কৃষককে একটি পাটের ব্যাগ ও পাঁচশত টাকা দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৩, ২০২১ ২:৪৩ অপরাহ্ন
হিলি স্থলবন্দরে কমেছে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম
কৃষি বিভাগ

এক দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে আবারও ৩ টাকা কমেছে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ। প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ২০ টাকা। গতকাল যা বিক্রি হয়েছে ২৩ টাকায়। আমদানি বেশি হওয়াতে কমেছে দাম বলছেন ব্যবসায়ীরা।অন্যদিকে তিন দিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে কেজি প্রতি ২০ টাকা কমেছে কাঁচা মরিচের দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়, যা তিন দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকায়। দেশের বাজারে দেশিয় মরিচের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়াতেই কমতে শুরু করেছে দাম বলছেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) হিলি বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়।

হিলি বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধি হওয়াতে দাম কমেছে। তবে দাম কমলেও ক্রেতা নেই বলছেন ব্যবসায়ীরা। গত এক সপ্তাহের তুলনায় কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা কমেছে গেছে পেঁয়াজের দাম।

কাঁচা মরিচ কিনতে আসা আরিফুল ইসলাম বলেন, হিলি বাজারে মরিচের দাম কমেছে। সেই জন্য আজকে ৫ কেজি কাঁচা মরিচ কিনলাম। তবে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ২০ টাকার মধ্যে থাকতো তবে আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতাদের সুবিধা হতো।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ বলেন, সম্প্রতি ভারত হতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দেশের বাজারে সেই তুলনায় চাহিদা কম রয়েছে। চাহিদা কম হওয়াতে দাম কমতে শুরু করেছে। সেই সাথে দেশীয় পেঁয়াজ বাজারে উঠতে শুরু করেছে। আগামীতে আরো কমতে পারে পেঁয়াজের দাম বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন ব্যবসায়ীরা আপাতত ভারত থেকে কোন প্রকার কাঁচা মরিচ আমদানি করছেন না। কারণ দেশিয় বাজারে কাঁচা মরিচের উৎপাদন ভাল হয়েছে এবং প্রচুর পরিমান সরবরাহ রয়েছে। 

 

 

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৩, ২০২১ ১২:০৮ অপরাহ্ন
পরিত্যক্ত জমিতে সবজি, ফুল ও ফলের চাষ জেলা প্রশাসকের
কৃষি বিভাগ

জেলা প্রশাসকের বাংলো লাগোয়া বিলুপ্ত কুমিল্লা উদ্ভিদ উদ্যানের অনেক জমি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। এখন সেই জমিতে সবুজের সমারোহ। পতিত জমিতে ৬২ রকমের সবজি, ফুল ও ফলের আবাদ হচ্ছে।

এসব সবজি ও ফুল-ফলের আবাদের নেপথ্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান। তিনি প্রতিদিন সকালে নিজে গাছের পরিচর্যা করেন। এ ছাড়া ছুটির দিনে অবসর সময়ে তিনি মাঠে কাজ করেন। শীতকালীন ও বারোমাসি ফসল দোল খাচ্ছে একেকটি ব্লকে।

রোববার  জেলা প্রশাসকের বাংলোর লাগোয়া কুমিল্লা উদ্ভিদ উদ্যানে গিয়ে দেখা যায়, টুকটুকে লালশাকের গাছ পরিচর্যা করছেন তিনি। উদ্ভিদ উদ্যানের পূর্ব পাশের সড়কের দুই ধারে ব্লক করে একেকটি সবজি লাগানো। ইতিমধ্যে অনেক ধরনের সবজি পুষ্ট হয়েছে। কর্মীদের কাঁচা মরিচ তুলতে দেখা গেছে। বাংলোর পুকুরের পশ্চিম পাড়ে ফুলকপি, কাঁচা মরিচ, বেগুন, লাউয়ের মাচা, দক্ষিণ পাড়ে বিভিন্ন ধরনের মরিচগাছ দেখা গেছে।

জেলা প্রশাসকের দপ্তরের তালিকা থেকে জানা গেছে, তিনি ৩৯ ধরনের সবজি চাষ করেছেন। এগুলো হলো পালংশাক, লালশাক, মুলাশাক, ডাঁটাশাক, লাউশাক, পুঁইশাক, কাঁকরোল, পটোল, শজনে, কাঁচকলা, পেঁপে, মিষ্টিকুমড়া, শর্ষে, গাজর, ধনেপাতা, বিলাতি ধনেপাতা, শালগম, বেগুন, ঝিঙে, বরবটি, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, লেবু, শসা, ধুন্দুল, করলা, স্কোয়াশ, শিম, ফুলকপি, লেটুস, বাঁধাকপি, কলমি, ব্রকলি, টমেটো, ওল, মরিচ, স্ট্রবেরি ও ক্যাপসিকাম। ১৬ ধরনের ফুলের মধ্যে সিলভিয়া, অর্কিড, গন্ধরাজ, টগর, জবা, বেলি, কসমস, গাঁদা, সূর্যমুখী, রাধাচূড়া, বেলি, জুঁই, বকুল, রঙ্গন, কামিনী ও মালতি। সাত ধরনের ফল চিরতা, তোকমা, লটকন, ডালিম, সফেদা, আমড়া ও কলা চাষ হচ্ছে।

কুমিল্লা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘কুমিল্লা জেলা প্রশাসক এখানে যোগদান করেছেন আট মাস হলো। তিনি একজন কৃষিপ্রেমী। নেশা থেকে তিনি কৃষিকাজ করছেন পরিত্যক্ত জমিতে। এখানে জৈব সার ব্যবহার করা হচ্ছে। কোনো ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে না। আমরা এখানে সহযোগিতা করে থাকি। তিনি (জেলা প্রশাসক) নিজে কাজ করেন। সবজির ফলন ভালো। মাটিও ভালো। তিনি পরিপক্ব সবজি মানুষের মধ্যে বিলি করেন। স্কুল ও কলেজের বাচ্চাদের বাগান দেখাবেন, উদ্বুদ্ধকরণের জন্য তাঁর এই প্রচেষ্টা। এটা দেখে যে কেউ পরিত্যক্ত জমি ও বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষ করতে পারেন।’

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠে বাগান পরিচর্যা করি। হঠাৎ মনে হলো, এত জায়গা পড়ে আছে, তাতে শীতকালীন সবজি চাষ করি। ওই ভাবনা থেকে সবজি লাগাই। কর্মী ও মালিদের সঙ্গে আমিও হাত লাগাই। বাংলোর পুকুরের পশ্চিম ও দক্ষিণ পাড়ে সবজি চাষ। উত্তর ও পূর্ব পাড়ে ফুল ও ফলের চাষ। এ ছাড়া কুমিল্লা উদ্ভিদ উদ্যানের বিস্তীর্ণ জায়গাজুড়ে শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করি। সেগুলো এখন বেড়ে উঠছে। চারদিকে সবুজ আর সবুজ। আর কয়েক দিন পর আরও সুন্দর লাগবে। জৈব সার দিয়ে চাষাবাদ করা হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২১ ১১:০২ অপরাহ্ন
বরিশাল মেট্টোপলিটনে কৃষকের মাঝে প্রণোদনা বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশাল মেট্টোপলিটনে কৃষকের মাঝে রবি ফসলের প্রণোদনা বিতরণ করা হয়েছে।আজ (সোমবার) নগরীর খামারবাড়ির চত্বরে মেট্টোপলিটন কৃষি অফিসের উদ্যোগে প্রণোদনা উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম। এসময় তিনি বলেন, কৃষকের প্রতি বর্তমান সরকারের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন ফসলের জন্য এই প্রণোদনা বিতরণ করা হচ্ছে। আপনারা ফসলের উৎপাদন বাড়াবেন। কৃষি বিষয়ক যেকোনো পরামর্শের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। আশা করি, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কৃষিতে দেশ এগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে ডিএই’র উপপরিচালক হারুন-অর-রশিদ, তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার রথীন্দ্রনাথ বিশ^াস, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার মো. তাজুল ইসলাম, ডিএই’র অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) সাবিনা ইয়াসমিন, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন, মেট্টোপলিটন কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা এস. এম. নাহিদ বিন রফিক অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি অফিসার জানান, ১ হাজার ২ শ’ চাষিকে বিভিন্ন ফসলের প্রণোদনা দেওয়া হবে। এর অংশ হিসেবে ৫ শ’ কৃষকের মধ্যে ৪ শ’ জনের জন্য ২ কেজি হারে হাইব্রিড ধানের বীজ রয়েছে। অপর ১ শ’ জনের প্রত্যেককে ৫ কেজি উফশী ধানের বীজ, সে সাথে আছে ডিএপি এবং এমওপি ১০ কেজি করে। বাকি ৭ শ’ কৃষকের জন্য ২০ কেজি গম, ২ কেজি ভুট্টা, ১ কেজি সরিষা, ১ কেজি সূর্যমুখী, ৫ কেজি মুগ, ৫ কেজি মুসুর এবং ৮ কেজি খেসারি মধ্যে যেকোনো একটি ফসলের বীজ। এর পাশাপাশি ডিএপি সার ১০ কেজি করে। আর এমওপি সার দেওয়া হবে গম, ভুট্টা, সরিষা ও সূর্যমুখীর ক্ষেত্রে ১০ কেজি। তবে মুগ, মসুর ও খেসারির জন্য ৫ কেজি। এসব প্রণোদনা প্রতি কৃষকের ১ বিঘা জমিতে ব্যবহার হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২১ ৪:৪৬ অপরাহ্ন
নীলফামারীর ডিমলায় পাট চাষীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা
কৃষি বিভাগ

সোনালী আশেঁর সোনার দেশ মুজিববর্ষের বাংলাদেশ, এই শ্লোগান কে সামনে রেখে আজ ২২শে নভেম্বর সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয় পাট অধিদপ্তর ডিমলার আয়োজনে দশটি ইউনিয়নের একশত কৃষক কৃষানীদের মাঝে উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়।

এটিএম তৈয়বুর রহমান পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা নীলফামারীর সঞ্চালনায় সহকারী কমিশনার ভূমি ইবনুল আবেদীন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক পাট অধিদপ্তর রংপুর মোঃ সোলায়মান আলী, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ মোঃ সেকেন্দার আলী, উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ দরিবুল্লাহ সরকার ডিমলা, উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম, ডোমার সহ স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ ।

প্রশিক্ষনে বলেন, পাট চাষীদের উন্নত প্রযুক্তি নির্ভরে পাটবীজ উদপাদন এবং শীর্ষংক প্রকল্পের মাধ্যমে পাট চাষীদের বিনামুল্যে পাটবীজ সার, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হচ্ছে। পাট দিয়ে কেবল দড়ি নয় চট, বস্তা, বহুমুখী পাটজাত পন্য সহ সর্বাধুনিক মডেলের গাড়ীর বডি, ঢেউটিন, প্রিন্টারের কালি, চারকোল হতে উন্নমানের প্রসাধন সামগ্রী, ভেজস সমৃদ্ধ শাক এবং চায়ের মতো পানীয় ব্যবহার হচ্ছে । আমরা পার্শ্ববর্তি দেশের উপর নির্ভর না থেকে নিজে পাট বীজ উৎপাদন করে বীজ সংরক্ষন করতে পারি এ বিষয়ে বিষদ আলোচনা দিন ব্যাপি করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২১ ৩:০৯ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জের যমুনার চর ভরে উঠেছে সবুজ সবজিতে
কৃষি বিভাগ

যমুনা-বিধৌত সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বিস্তীর্ণ যমুনার চর ভরে উঠেছে সবুজ সবজিতে। বেগুন, মুলা, পালংশাক, শিম, মিষ্টিকুমড়া, লাউ, টমেটো, লালশাক, বরবটি ও শসাসহ নানা ফসলের সমারোহ চারিপাশে। সবুজ-শ্যামল এসব সবজি পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকরা।

এ বছর ব্যাপক বন্যার পরও শীতকালীন আগাম সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন যমুনার চরাঞ্চলের কৃষকরা। ‘সবজি গ্রাম’ নামে খ্যাত উপজেলার ধুপুলিয়া চর, বাউশা চর উমারপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ চরভূমি এখন ভরে উঠেছে সবুজ সবজিতে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চরাঞ্চলে এবার লালশাক ২৬ হেক্টর, মুলা ৫৪, পালংশাক ৩৪, বেগুন ৫৯.৫, মুলাশাক ১১, শিম ৩০, লাউ ৬৩, ধনেপাতা ২১.৫, ফুলকপি ৯, আলু ২৩.৫, বাধাকপি ১, বরবটি ১৪, ক্ষিরা ২, মিষ্টিকুমড়া ৮ ও টমেটো ১ হেক্টর জমিতে এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মিনিদিয়া চরের কৃষক সামাদ মিয়া, ধুপুলিয়া গ্রামের কৃষক মকছেদ আলী, সুলতান মিয়া, বাউশা গ্রামের কৃষক আলিম ও সবুজ বলেন, এবার শীতকালীন সবজির দাম অনেক বেশি। তাই বন্যায় আমাদের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, সবজির দাম বেশি হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। এবার ব্যাপক বন্যা হওয়ায় ক্ষেতে পলিমাটি পড়াতে ক্ষেতের উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ায় ফলে সবজিক্ষেতে সার অনেক কম দিতে হচ্ছে এবং সার ছাড়াই সবজির ফলন অনেক ভালো হয়েছে।

চৌহালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জেরিন আহমেদ বলেন, এ বছর উপজেলায় ব্যাপক বন্যা হওয়ায় কৃষকরা বন্যার পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে আগাম সবজি চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। আর বাজার ভালো থাকায় উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে ভালো দাম পাচ্ছেন তারা। এতে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারছেন তারা।

তিনি আরও বলেন, এবার উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমিতে সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার মধ্যে এখন পর্যন্ত আবাদ হয়েছে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর। ডিসেম্বরের শুরুতে শীতকালীন সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে বলে ধারণা করছেন এই কৃষিবিদ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop