৩:৪১ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ১৯, ২০২১ ২:১৮ অপরাহ্ন
দিনাজপুরে ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

আগাম আমন ও উফশী জাতের ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো। কৃষকরা বলছেন, বাজারে ভালো দামও পাচ্ছেন তারা। কৃষি বিভাগ মনে করছে, জেলার চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত চাল দেওয়া যাবে দেশের খাদ্যভাণ্ডারে।

চলছে ব্রি-৯০ ও ৩৪ আগাম জাতের আমন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। দিনাজপুরের মাঠে মাঠে এখন ধান কাটা ও মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষকরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের ভালো ফলন এবং ভালো দর পেয়ে লাভবান তারা।

 আমনের বাম্পার ফলন হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত চাল দেশের খাদ্যভাণ্ডারে দেওয়া যাবে বলে আশা স্থানীয় কৃষি বিভাগের।
দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক প্রদীপ কুমার গুহ বলেন, ২ লাখ ৬০ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমি থেকে আমরা প্রায় সাড়ে ৭ লাখ মেট্রিক টন চাল পাবে, যা জেলার চাহিদা মিটিয়েও দেশের খাদ্য ভাণ্ডারে যোগ করতে পারব বলে আমরা আশা করি।
 
দিনাজপুরে আমন মৌসুমে ২ লাখ ৬০ হাজার ৮২৫ হেক্টর জমিতে রোপা-আমন ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১০ হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৯, ২০২১ ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
বরিশালে উন্নতমানের ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরগুনা সদরের বাইনসামের্ত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রে (এআইসিসি) বিনামূল্যে আইসিটি মালামাল বিতরণ করা হয়েছে।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) উপজেলার পরীরখালে কৃষি তথ্য সার্ভিসের উদ্যোগে সংগঠনের সদস্যদের সাথে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন। উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা এস এম নাহিদ বিন রফিক। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. কবির মিয়া, এআইসিসির সভাপতি মো. জালাল মাহমুদ, সহ-সভাপতি মো. জালাল আহমেদ প্রমুখ।


প্রধান অতিথি মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিশ্বায়নের যুগে দেশকে এগিয়ে নিতে আইসিটি ব্যবহারের বিকল্প নেই। আর তা বাস্তবায়নের জন্যই আপনাদের মাঝে এসব আইসটি সামগ্রি বিতরণের ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে নিজেদের জীবনমান উন্নয়ন হবে। দেশ হবে কৃষিতে সমৃদ্ধ।

উল্লেখ্য, কৃষি তথ্য সার্ভিস আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের মাধ্যমে ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, রঙিন প্রিন্টার, সাউন্ড সিস্টেম, স্মার্ট ফোন, জেনারেটর এবং স্কানার বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৮, ২০২১ ৩:২৮ অপরাহ্ন
বাগেরহাটের শরণখোলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে উপজেলা কৃষি অফিসের সামনে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ তুলে দেন শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাতুনে জান্নাত।

বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে শরণখোলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ওয়াসীম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মো. মোস্তফা মশিউল আলম,উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আবুল হাসান, শেখ আলাউদ্দিন মজুমদার প্রমুখ।

এসময় শরণখোলা উপজেলার চারটি ইউনিয়নের দুইশত প্রান্তিক কৃষকদের মঝে এ সার ও বীজ তুলে দেয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৮, ২০২১ ৩:০২ অপরাহ্ন
ময়মনসিংহের ভালুকায় আখ চাষে লাভবান কৃষক
কৃষি বিভাগ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় কৃষকরা আখ চাষ শুরু করেছেন। উপজেলার মাটি আখ চাষের উপযোগী হওয়ায় স্থানীয়ভাবে পরিচিত অমৃত, সুন্দরী, রংবিলাশ, বিএসআরআই ৪১/৪২ জাতের আখ চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন তারা।

কয়েকজন কৃষক গত কয়েক বছর থেকে আখ চাষ করে এখন তারা স্বাবলম্বী। রোগ বালাইয়ে তেমন একটা ক্ষতি না হলে এক একরে আড়াই লক্ষাধিক টাকার আখ বিক্রয় করা যায়। উৎপাদন খরচ ৫০-৬০ হাজার টাকা বাদে একরে ২ লাখের বেশি টাকা লাভ হয়। এজন্য প্রতি বছর কৃষকদের আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

মল্লিক বাড়ি গ্রামের কৃষক তাজউদ্দিন জানান, লাভজনক ফসল হলেও আখ চাষে তারা অধিক চাষের সাহস করেন না। কারণ হিসেবে তাদের কাছ থেকে জানা যায়, বাণিজ্যিকভাবে চিনিকলগুলো এ জাতের আখ কেনে না। শুধু মুখে চিবিয়ে কিংবা রস করে খাওয়া হয়। চিনিকলগুলোতে কেনা হলে কৃষকরা আখ চাষে অনেক লাভবান হবেন। তবে ৬ বিঘা জমিতে আখ চাষ করে খরচ হয়েছে ২ লাখ টাকা। আমি আশা করছি, ৬ লাখ বিক্রি করতে পারব।

কৃষক মাফিজুল জানান, গত ৩ বছর ধরে আখ চাষ করছি। ২৫ কাঠা জমিতে দেড় লাখ খরচ হয়েছে। আশা করছি ৫ লাখ বিক্রি করব।

আখ চাষি আব্দুল বাতেন বলেন , আখ লাভজনক ফসল। যুব সমাজ যদি এ পেশায় আগ্রহী হয়, তাহলে বেকারত্ব কমে আসবে।

তিনি জানান, স্থানীয় পাইকাররা তাদের ক্ষেত থেকে আখ ক্রয় করে নিয়ে যায়। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবারে তেমন একটা রোগ বালাই দেখা দেয়নি। দামও ভালো আছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জেসমিন জাহান জানান, আখ চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, এটি অন্য ফসলের চেয়ে লাভজনক হওয়ার স্থানীয় কৃষকরা এ চাষে অধিক মনোযোগী হয়েছেন। বর্তমানে ১ হাজার ৬৮০ হেক্টর জমিতে ৯২ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন ফলন আশা করছেন এই কৃষি কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৮, ২০২১ ১:৩১ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে প্রযুক্তিনির্ভর পাট বীজ উৎপাদন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাটে কৃষকদের উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট বীজ উৎপাদন বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

২০২১-২০২২ অর্থ বছরের ’উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট বীজ উৎপাদন ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পর আওতায় যৌথভাবে ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে পাঁচবিবি উপজেলা প্রশাসন ও জেলা পাট সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ।

বর্তমান সরকারের পাট চাষ সম্প্রসারণে গৃহীত কর্মসূিচ তুলে ধরে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মীর্জা আলী আশরাফ। পঁচিবিবি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরমান হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন মন্ডল, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লুৎফর রহমান। উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট চাষ ও বীজ উৎপাদন বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা সামছুল আলম, বীজ প্রত্যয়ন কর্মকর্তা তামান্না সুলতানা, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন ও উপসহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা নাজমুল হক।

পাঁচবিবি উপজেলার পাট বীজ উৎপাদনকারী নির্বাচিত শতাধিক কৃষক প্রযুক্তি নির্ভর পাট বীজ উৎপাদন বিষয়ক ওই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৮, ২০২১ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
কৃষকের ৩ হাজার টমেটো গাছ কাটল দুর্বৃত্তরা
কৃষি বিভাগ

বাগেরহাটের কচুয়ায় এক কৃষকের তিন হাজার ফলন্ত টমেটো গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার গভীর রাতে কচুয়া উপজেলার বিশারখোলা মাঠে কৃষক দাউদ মৃধার ক্ষেতের এসব গাছ কাটে দুর্বৃত্তরা। ভুক্তভোগী কৃষক দাউদ মৃধা দাবি করেন, এ ঘটনায় তার ৭-৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। গত বছরও দাউদ মৃধা ও তার ভাইয়ের টমেটো গাছ কেটেছিল দুর্বৃত্তরা। শুধু দাউদ মৃধা ও তার ভাই নয়, দুই বছর ধরে বিশারখোলা ও গজালিয়া এলাকার অন্তত ২০ জন কৃষকের টমেটো গাছ কেটে ফেলে দুর্বৃত্তরা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দাউদ মৃধা বলেন, ৭৪ শতক জমি লিজ নিয়ে অনেক কষ্ট করে তিন হাজার গাছ লাগিয়েছি। এতে ২ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। ১৫ দিন পরেই এসব গাছ থেকে টমেটো বিক্রি করতে পারতাম। তিন হাজার গাছে অন্তত ৮ লাখ টাকার টমেটো বিক্রি হতো।

কে বা কারা কেটেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে দাউদ মৃধা বলেন, এ টমেটোই সব আমার। রাত জেগে পাহারা দিই। শীত লাগার কারণে মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে বাড়িতে যাই। গতকাল সকালে এসে দেখি সব গাছ কাটা। কে কাটছে জানি না। আমাকে আর্থিকভাবে শেষ করে দেয়ার জন্যই এ কাজ করেছে তারা।

স্থানীয় মোস্তফা দরানী ও আলী আকবর দরানী বলেন, শুধু এবার নয়, দুই বছর ধরে গজালিয়া ও বিশারখোলা এলাকার একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন লোকের ফলন্ত গাছ কেটে নষ্ট করছে। গত বছরও দাউদ ও তার ভাই ওয়াদুদ মৃধাসহ অন্তত ২০ জনের টমেটো গাছ কেটেছে চক্রটি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে এ দুষ্টচক্রকে খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, একজন কৃষকের টমেটো গাছ কাটার খবর পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৭, ২০২১ ৯:৪৮ অপরাহ্ন
বরিশালে উন্নতমানের ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (বুধবার) নগরীর ব্রি’র হলরুমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রকল্প পরিচালক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন। তিনি বলেন, মানুষের খাদ্য ও পুষ্টির নিরাপত্তা দেওয়াই আমাদের কাজ। তবে দেশের অতিরিক্ত লোকের চাহিদা নিশ্চিত করতে অন্য ফসলের পাশাপাশি ধানের উৎপাদন বাড়াতে হবে। এ জন্য দরকার উন্নত জাত ব্যবহার। আর তা কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছানো এ প্রকল্পের মাধ্যমেই সম্ভব। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হৃদয়েশ্বর দত্ত এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন।

ডিএই ঝালকাঠির অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. অলিউল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. ছাব্বির হোসেন, ডিএই ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. ফজলুল হক, ডিএই ভোলার উপপরিচালক আবু মো. এনায়েত উল্লাহ, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, উপ-প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ডিএই ঝালকাঠির জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. মনিরুল ইসলাম, রহমতপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, ডিএই ঝালকাঠির অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. রিফাত শিকদার, ভোলার তজুমুদ্দিনের উপজেলা কৃষি অফিসার অপূর্ব লাল সরকার, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার পপি, ভোলার জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোর্শেদা আক্তার মিমি প্রমুখ। কর্মশালায় কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১ শ’ ১০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৭, ২০২১ ২:০২ অপরাহ্ন
কৃষিপণ্যের টেস্টিং ল্যাব স্থাপনে সহযোগিতা করবে- যুক্তরাজ্য
কৃষি বিভাগ

যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বাজারে কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর জন্য দেশে আধুনিক টেস্টিং ল্যাব স্থাপন, উন্নয়নে সহযোগিতা করবে যুক্তরাজ্যের ফুড স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি। এ লক্ষ্যে কৃষিপণ্য রোগজীবাণুমুক্ত ও নিরাপদ বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য সনদ (ফাইটোস্যানিটারি) দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাজ্যের ফুড স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সির সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই হবে।

মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সোমবার (১৫ নভেম্বর) যুক্তরাজ্যের লন্ডনে দেশটির ফুড স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি (এফএসএ) এবং সরকারি গবেষণাগারের কর্মকর্তা এবং লন্ডন সফররত কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশে আমরা বিশ্বমানের আধুনিক ল্যাব স্থাপন ও গ্রহণযোগ্য সার্টিফিকেশন দেওয়ার জন্য কাজ করছি। এক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের যে সক্ষমতা রয়েছে, তা আমরা কাজে লাগাতে চাই। আমরা যুক্তরাজ্যের কারিগরি সহযোগিতা কামনা করি। আমাদের নিজস্ব অর্থেই এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে পান রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেও ইউকেতে তা এখনো বহাল রয়েছে। এ বিষয়ে ইউকে প্রতিনিধি দল জানায়, ইংল্যান্ড, ওয়েলস ও স্কটল্যান্ডের পার্লামেন্টে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ব্যাপারে বিল পাস বিবেচনাধীন রয়েছে। উত্তর আয়ারল্যান্ডে পান রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা নেই।

এ সময় লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম জানান, বাংলাদেশ ও ইউকের মধ্যে ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্টের বিষয়ে যে আলোচনা হচ্ছে। তার মধ্যে ল্যাব ও ফাইটোস্যানিটারি বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া ইউকে প্রতিনিধি দল ল্যাব সিস্টেম উন্নয়নে ইউনিডো থেকে অনুদান পাওয়া যেতে পারে বলেও জানান তিনি।

ইউকে এআইডির চলমান ফান্ডিং সহায়তায় এ বিষয়টিকে অন্তর্ভুক্ত করা যায় কিনা, এটিও তারা খতিয়ে দেখবেন বলেও জানান সাইদা মুনা তাসনিম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউকের ফুড স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সির চিফ সাইন্টেফিক অ্যাডভাইজার অধ্যাপক রবিন মে, ডেপুটি গভর্নমেন্ট কেমিস্ট সেলভারানি এলাহি, হেড অব ইইউ অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি লিজ স্ট্রেটন, এফএসএর সাইন্টেফিক স্যাম্পলিং ও ল্যাবরেটরি পলিসি লিডার ডেভিড ফ্রাঙ্কলিং।

ফুড স্ট্যান্ডার্ড এজেন্সি ও সরকারি গবেষণাগারের এক্সপার্টরা এ সময় সেদেশের ল্যাবস স্থাপন, পরিচালনা, টেস্টিং মানদণ্ড, রেগুলেটরি চাহিদা প্রভৃতি বিষয়ে উত্থাপন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৭, ২০২১ ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
খাল পুনঃখননে কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর আত্রাইয়ের লালপাড়া-পৈঁসাওতা খাল পুনঃখনন করা হয়েছে। এই খাল পুনঃখনন হওয়ায় উপ-প্রকল্প এলাকার কৃষক-সমিতির সদস্য উপকৃত হয়েছে। খালটির দৈর্ঘ্য চার কি.মি.।

জানা গেছে, আত্রাইয়ে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) টেকসই ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সার্বিক তত্ত্বাবধানে, টেকসই ক্ষুদ্রাকার পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খাল পুনঃখনন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে লালপাড়া-পৈঁসাওতা (এসপিনং-২৫৩২৭) পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিঃ। খাল খনন শুরু হয় চলতি বছরের মার্চ মাসে আর শেষ হয় ৩১শে এপ্রিলের মধ্যে। খালটি উপজেলার মনিয়ারী ইউনিয়নের লালপাড়া স্লুইস গেট থেকে শুরু হয়ে পৈঁসাওতা ব্রিজের পূর্ব প্রান্তে গিয়ে শেষ হয়েছে। খালটি পুনঃখনন হওয়ায় পৈঁসাওতা, বাহাদুরপুর, দমদত্ত বাড়িয়া, হিঙ্গলকান্দি, উলুবাড়িয়া, লালপাড়াসহ কয়েকটি গ্রামের প্রায় ৮ হাজার মানুষ বিভিন্ন উপায়ে সুবিধা ভোগ করছেন। খালটি পুনঃখনন করায় বর্ষার পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে খাল তীরবর্তী আটশ’ হেক্টর জমিতে সেচ কাজ সহজসাধ্য হয়েছে।

সুবিধাভোগী হিঙ্গলকান্দি গ্রামের কৃষক বাবলু বলেন, লালপাড়া-পৈঁসাওতা উপ-প্রকল্প খালটি পুনঃখনন করায় এলাকার কৃষকরা নতুন করে সোনালি স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। আগে বন্যার পানি উপচে ফসল ডুবে যেত খাল পুনঃখনন করায় এখন আর এ সমস্যা নেই। খালের পানি ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষবাদ শুরু করেছি।

লালপাড়া-পৈঁসাওতা (এসপিনং-২৫৩২৭) পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিঃ সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ বলেন, খালের পানি ব্যবহার করে ইরি-বোরো ধানের চারা রোপণ এবং বীজতলা বপন সহজ হবে। তা ছাড়া এ পানি ব্যবহার করে রবি মৌসুমে গম, সরিষা, পেঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি উৎপাদন হবে। যার ফলে একদিক যেমন কৃষকরা লাভবান হবেন পাশাপাশি বেকারত্ব দূর হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী মো. পাভেজ নেওয়াজ খান বলেন, খালের মাটি খালসংলগ্ন রাস্তায় ব্যবহার করে রাস্তা প্রায় ৪.৫ ফিট উচুঁ করা হয়েছে এবং প্রায় ১১০০ মি. রাস্তার শোল্ডার তৈরি করা হয়েছে।

আত্রাই-রাণীনগরের সংসদ সদস্য আলহাজ আনোয়ার হোসেন হেলাল বলেন, বর্ষাকালে অতিবৃষ্টির ফলে রাণীনগর ও রক্তদহ বিলে যে রূপ বন্যা সৃষ্টি হয় তা নিষ্কাশনের একমাত্র পথ এই খালটি পুনঃখননের মাধ্যমে বন্যার পানি নিষ্কাশন সহজ হবে। আমি মনে করি এ গুরুত্বপূর্ণ খালটি পুনঃখননের ফলে বিভিন্ন মৌসুমে কৃষকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ সুবিধা ভোগ করবে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর নওগাঁর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. তোফায়েল আহম্মেদ জানান, খাল খননের ফলে ওই এলাকার কৃষির প্রসার ঘটানো ইরি-বোরো ধানের চারা রোপণ সহজ হবে। তাছাড়া মৎস্য চাষ ও হাঁস পালনসহ অন্যান্য সুবিধা পাবে। এতে করে সমিতির সদস্যের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটবে।

অপরদিকে খালের উভয় পাড়কে সুরক্ষিত এবং মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করার একটি রাস্তা হয়েছে। এ ছাড়া কৃষকরা ১২ মাস সেচ সুবিধা পাবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৬, ২০২১ ১২:৩৩ অপরাহ্ন
কৃষি প্রণোদনা পাচ্ছেন ১ হাজার ২৭৫ কৃষক
কৃষি বিভাগ

যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলায় কৃষি প্রণোদনা পাচ্ছেন ১হাজার ২৭৫ কৃষক।কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় রবি ২০২১-২০২২ মৌসুমে গম, ভূট্টা, সরিষা,সূর্যমূখী, শীতকালীন পেঁয়াজ,মুগ-মসুর ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলার ১হাজার ২৭৫ কৃষকের মাঝে প্রণোদনা হিসেবে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হচ্ছে বলে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

অভয়নগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ গোলাম ছামদানী জানান, গম ফসলের জন্য ২শ’ জন কৃষক জনপ্রতি ২০ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন। ভূট্টা ফসলের জন্য ২শ’ জন কৃষক জনপ্রতি ২ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন।সরিষা ফসলের জন্য ৬শ’ জন কৃষক জনপ্রতি ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন। সূর্যমূখী চাষের জন্য ১০ জন কৃষক জনপ্রতি ১ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন।পেঁয়াজ চাষের জন্য ৩৫ জন কৃষক জনপ্রতি ১ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন এবং মুগ-মসুরের চাষের জন্য ২৩০ জন কৃষক জনপ্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি করে এমওপি সার পাবেন

কৃষকদের বিভিন্ন ফসল আবাদে আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে এসব কৃষি প্রণোদনা প্রদান করা হচ্ছে বলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop