১০:০২ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১ ৩:১১ অপরাহ্ন
ক্যাকটাস চাষে আলতাফের মাসিক আয় ৩০ হাজার টাকা!
কৃষি বিভাগ

শখের বশে ৩০ টাকায় একটি ক্যাকটাস কিনে বাড়িতে লাগিয়েছিলেন বাগেরহাট জেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের নিভৃত গ্রাম চন্ডিপুরের যুবক আলতাফ হোসেন। এরপর শুরু করেন ক্যাকটাস চাষ। আজ সেই শখ থেকে গড়ে তুলেছেন ২৫০ প্রজাতির ক্যাকটাসের নার্সারি।

জানা যায়, এ ক্যাকটাস নার্সারি থেকে প্রতিমাসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয়ও করছেন তিনি। ক্যাকটাসের সঙ্গে তার নার্সারিতে রয়েছে নানা প্রজাতির অর্কিড, সাকুলেন্ট, বনসাই, অ্যাডেনিয়াম, ঝুলন্ত গাছও।

প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থী ও ক্রেতারাও আসছেন এ নার্সারিতে। চাহিদা সম্পন্ন ক্যাকটাসের চাষ সম্প্রসারিত হলে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আর্থিক স্বচ্ছলতাও আসবে বলে দাবি কৃষি বিভাগের।

মরা বলেশ্বর নদীর পাশের এ গ্রামের বাসিন্দা আলতাফ হোসেন চাকরি করেন পার্শ্ববর্তী পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার রুপসী বাংলা নামের স্থানীয় একটি এনজিওতে। ২০১০ সালের কোনো এক দিনে পিরোজপুর বাজার থেকে ৩০ টাকা দিয়ে একটি ক্যাকটাস কিনে বাড়িতে আনেন তিনি। পরম যত্নে ক্যাকটাসটি বড় করেন। এরপর থেকে মাঝে মধ্যেই নতুন নতুন প্রজাতির ক্যাকটাস কিনতেন আলতাফ। বাড়িতে ক্যাকটাসের সংখ্যা ও প্রজাতি বাড়তে থাকে। ক্যাকটাসের সঙ্গে অর্কিড, সাকুলেন্ট, বনসাই, অ্যাডেনিয়াম, ঝুলন্ত গাছও কেনেন তিনি। একপর্যায়ে পরিধি বাড়ায় ২০১৬ সালে ঘরের সামনের তিনটি শেড করে বাণিজ্যিকভাবে ক্যাকটাসের চাষ শুরু করেন। পরে আরও দু’টি শেড তৈরি করে নার্সারি বড় করেন আলতাফ।

এরপর থেকে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের আরও বেশি ক্যাকটাস ও অন্যান্য সৌন্দর্যবর্ধক গাছ সংগ্রহ করতে থাকেন। বর্তমানে তার এ নার্সারিতে ২৫০ প্রজাতির ক্যাকটাস, নানা প্রজাতির অর্কিড, সাকুলেন্ট, বনসাই, অ্যাডেনিয়াম ও শোভাবর্ধক ঝুলন্ত গাছ রয়েছে।

এর মধ্যে আমেরিকা, থাইল্যান্ড, ইতালি, ইন্দোনেশিয়া, ভারতসহ অন্তত আটটি দেশের ক্যাকটাস রয়েছে। দেশি-বিদেশি ক্যাকটাসের মধ্যে রয়েছে রেবুসিয়া, মেলো, ফেরো, গোল্ডেন ব্যারেল, বানিয়ইয়ার-অপানসিয়া, ক্রিসমাস, এস্টার জিমনো, লিথসপ, মুন ইত্যাদি। এর সঙ্গে রয়েছে শতমূলী, ঘৃতকুমারী, লজ্জাবতীসহ নানা প্রজাতির ঔ ষধি গাছ। যার বাজার মূল্য অন্তত সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ টাকা। গাছের সঙ্গে ক্যাকটাস রেডিমিক্স সয়েল, সাকুলেন্ট সয়েল, কোকোপিট, হাড়ের গুড়াসহ ক্যাকটাস চাষের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণও বিক্রি করেন তিনি।

এ নার্সারির একেকটি গাছ ১৫০ থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। যা থেকে প্রতিমাসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয় করেন আলতাফ। অনলাইন ও অফলাইন দুই মাধ্যমেই তার গাছ বিক্রি হয়। করোনাকালে অনলাইনে বিক্রি বেড়েছে।

পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, বাগেরহাট জেলার মধ্যে হলেও ক্যাকটাস নার্সারিটি আমার অফিস থেকে খুবই কাছে। তাই এখানে প্রায়ই আসি। মাঝে মধ্যে গাছ কিনি। খুবই ভালো লাগে নার্সারিটি আমার। মাঝে মধ্যে পরিবারসহও আসা হয় এখানে।
ফিরোজ হাওলাদার বলেন, আমাদের বাড়ির সামনের খাল পার হয়েই আলতাফ ভাইয়ের ক্যাকটাস নার্সারি। হরেক রকম গাছ দেখে আমাদের খুবই ভালো লাগে।

নার্সারির মালিক আলতাফ হোসেন জানান, রুপসী বাংলা এনজিওতে চাকরির পাশাপাশি এ নার্সারিতে সময় দিই। গাছগুলোর যত্ন করি। ক্যাকটাসসহ অন্যান্য গাছের যত্ন এখন আমার নেশায় পরিণত হয়েছে। অনলাইন-অফলাইন দুইভাবেই গাছ বিক্রি করে প্রতি মাসে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা আয় হয় আমার। ফেসবুকে অর্ডার দিলে আমরা কুরিয়ারে পাঠিয়ে দিই। নার্সারির সামনে এলে খুবই ভালো লাগে। নার্সারিটি আরও বড় পরিসরে করার ইচ্ছা আছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বাগেরহাটের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ক্যাকটাস একটি চাহিদা সম্পন্ন সৌখিন উদ্ভিদ। বর্তমানে দেশি-বিদেশি বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রজাতি ভেদে নিম্ন ও উচ্চ মূল্যে এ উদ্ভিদ বিক্রি হয়। আলতাফ ক্যাকটাস চাষে সফলতা পেয়েছেন। অন্য কোন কেউ যদি ক্যাকটাস চাষ করতে চান, আমরা তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবো বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১ ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
ধান কাটা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১
কৃষি বিভাগ

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার সুলতানপুর গ্রামল আউশ ধান কাটা নিয়ে সংঘর্ষে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। নিহত ওই ব্যক্তি সুলতানপুর গ্রামের লিয়াকত আলী(৬০)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সুলতানপুর হাওরে ধান কাটা নিয়ে লিয়াকত আলী ও একই গ্রামের মাতাব মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। এই বচসার জেরে বিকালে দুই পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে জড়ো হয়।

একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে প্রতিপক্ষের কয়েকজন লাঠি দিয়ে লিয়াকত আলীর মাথায় আঘাত করেন।

স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত লিয়াকতকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি মো. শাফায়েত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। নিহতের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত করা হবে।

নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিহতের পরিবারের লোকজন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১ ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
পিরোজপুরে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে আমন চাষ
কৃষি বিভাগ

পিরোজপুর জেলায় চলতি আমন চাষ মৌসুমে ৬১ হাজার ৬৩৫ হেক্টরে চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ শেষে দেখা গেছে এ লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে ৬৩ হাজার ৮৬৩ হেক্টরে আমন চাষ করা হয়েছে।

একই সাথে আমন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৯৮ হাজার ১২১ মেট্রিকটন নির্ধারণ করা হলেও চাষের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সম্ভাব্য উৎপাদন ১ লক্ষ ৭৩ মেট্রিক টন চাল হতে পারে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জেলার ৭ উপজেলার প্রতিটির আমন চাষের ও আমন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করলেও জেলার ৫২টি ইউনিয়ন ও ৪ পৌরসভায় একযোগে বীজতলা তৈরির কাজ এবং আমন চারা রোপণের কাজ একযোগে চাষিরা সম্পন্ন করেছে । অনেক পৌর এলাকা ও উপজেলায় লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে অধিক হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে।

এ পর্যন্ত সবকিছুই চাষিদের অনুকূলে রয়েছে বলে পিরোজপুর পৌর এলাকার লখাকাঠী গ্রামের আমন ধান চাষি ইউসুফ আলী জানান।

পিরোজপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো: নজরুল ইসলাম সিকদার জানান, উন্নত মানের ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় ৫ একর আয়তনের ২১টি প্রদশর্নী প্লট তৈরি করা হয়েছে। সরকার এসব প্রদশর্নী প্লটের জন্য বীজ, সার, ওষুধ বিনামূল্যে চাষিদের সহায়তা করছে।

এছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে ৩৭টি কৃষক প্রশিক্ষণ স্কুল পরিচালিত হচ্ছে। আমনের বীজ বপন থেকে শুরু করে ধান মাড়াই পর্যন্ত এসব স্কুলের প্রত্যেকটিতে ৫০জন কৃষাণ কৃষাণী হাতে কলমে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে ২ দিন আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান করছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মাস্টার ট্রেইনার এবং কৃষি, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ বিভাগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

কৃষাণ কৃষানীদের সুবিধামত সময় এসমস্ত প্রশিক্ষণ ক্লাস অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং এদের প্রতিদিন ৭০ টাকা প্রশিক্ষণ গ্রহণ ভাতা দেওয়া হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণের জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অরুন রায় জানান, এ জেলায় ইতিমধ্যেই চাষে ৯৯ ভাগ এবং ধান মাড়াইতে শতভাগ যান্ত্রিকীকরণ হয়েছে। খুব দ্রুতই শতভাগ কৃষক এসব পদ্ধতি ব্যবহার করবে।

জেলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক আমন চাষিদের পরামর্শ দিচ্ছেন। সার বীজ সহজলভ্য হওয়ায় এবং এ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চাল উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক আশা করছেন সংশ্লিষ্ট সকলে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১ ৩:৪৩ অপরাহ্ন
তরমুজ চাষে আগ্রহ বাড়ছে খুলনার চাষিদের
কৃষি বিভাগ

ঘেরের আইলে উৎপাদিত শসার চেয়ে মৌসুম ছাড়া উৎপাদিত তরমুজ চাষ বেশি লাভজনক হওয়ায় শসা ছেড়ে এখন তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন খুলনার কৃষকরা।স্থানীয় কৃষি অফিস থেকেও তরমুজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। ফলে গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রায় দশগুণ বেশি জমিতে তরমুজ উৎপাদন হচ্ছে।

খুলনার কৃষি অধিদপ্তরের সূত্র অনুযায়ী, খুলনার শষ্যভান্ডার হিসেবে ডুমুরিয়া উপজেলার ব্যাপক পরিচিতি থাকলেও শসা উৎপাদনে সব সময় এগিয়ে রয়েছে জেলার তেরখাদা উপজেলা। এখানকার শসা দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু দিনকে দিন দাম কমে যাওয়ায় কৃষকরা শষা উৎপাদনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। এ ছাড়া শসা উৎপাদনে বেশি পরিমাণে সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। ফলে মাটির উর্বরা শক্তি কমে যায়। পানির ক্ষতি হওয়ায় মাছের উৎপাদনও কমে যায়।

তেরখাদা কৃষি অফিস সূত্র অনুযায়ী, গত বছর তেরখাদা উপজেলায় মাত্র দেড় একর জমিতে (ঘেরের ভেড়িতে) তরমুজ উৎপাদন হয়। ওই বছরই ভালো দাম পান কৃষকরা। ফলে এবার উপজেলার আজুগড়া, শ্রীপুর, কাটেঙ্গা, নেবুদিয়া, পারেরখালি এলাকায় তিন হেক্টর জমিতে মৌসুম ছাড়া তরমুজ উৎপাদন হচ্ছে।

তেরখাদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মৌসুম ছাড়া তরমুজ চাষ করে কৃষকরা ভালো ফলন পাচ্ছেন। যা শসার তুলনায় অনেক বেশি। এমনও হয়েছে যে, এক সপ্তাহ আগে যে শসা ১৫ থেকে ১৬ শত টাকা মণ বিক্রি হয়েছে, এক সপ্তাহ পরে গিয়ে সেই শসা ৩ শত টাকায় নেমে এসেছে। এতে কৃষক ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ফলে শসা ছেড়ে এবার কৃষকরা মৌসুম ছাড়া তরমুজ চাষে বেশি আগ্রহী হয়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১ ৮:০২ পূর্বাহ্ন
মাল্টা চাষে সাফল্য দেখিয়েছেন হান্নান শেখ
কৃষি বিভাগ

পিরোজপুরের নাজিরপুরের বলিবাবলা গ্রামে বিশাল এলাকা নিয়ে মাল্টার বাগান গড়ে তুলেছেন সদর উপজেলার দূর্গাপুরের হান্নান শেখ।

হান্নান শেখ মাল্টা বাগান করে অল্প সময়ে পেয়েছেন প্রত্যাশিত সাফল্য। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের জন্য খুবই উপযোগী বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

প্রায় ৪ বছর পূর্বে ৭ বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ শুরু করেন ব্যবসায়ী হান্নান শেখ। গাছ রোপণের পরের বছরই ফলন পেতে শুরু করেন হান্নান। এরপর থেকে প্রতিবছরই তিনি ওই জমি থেকে নিয়মিত মাল্টা পাচ্ছেন। আর এ মাল্টা বিক্রি করে লাভবানও হয়েছেন তিনি। মাল্টার পাশাপাশি তার একই জমিতে মাছের ঘের, মুরগি, গরু ও ছাগলের খামার রয়েছে।

প্রায় একযুগ আগে পিরোজপুরে বাণিজ্যিকভাবে বারি-১ প্রজাতির মাল্টা চাষ শুরু হয়। এরপর এ মাল্টাকেই জেলা ব্র্যান্ডি করা হয়। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে প্রতিকেজি মালটা খুচরা ৮০-৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শুধু হান্নানই নন, বর্তমানে মাল্টা চাষের প্রতি ঝুঁকেছেন এ জেলার অনেক চাষি ও বেকার যুবকরা।

মাল্টা চাষে কোনো এখন পর্যন্ত সমস্যায় পড়তে হয়নি বলে জানিয়েছেন হান্নান শেখ। এ কারণে মাল্টা চাষ আরও সম্প্রসারণের আশা করছেন তিনি। এ ছাড়া স্থানীয় বাজারেও মাল্টার অনেক চাহিদা রয়েছে। প্রতিদিন এ চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পিরোজপুরে প্রথমে শখের বশে কেউ কেউ মাল্টা বাগান করতেন। বর্তমানে জেলায় প্রায় ৯৫০টি মাল্টা বাগান রয়েছে। জেলায় বর্তমানে ১২৭ হেক্টর জমিতে মাল্টার বাগান আছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১ ৫:১৬ অপরাহ্ন
পাটের বাম্পার ফলনে মুখে হাসি চাপাইনবাবগঞ্জ চাষিদের
কৃষি বিভাগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাট কেটে নদীতে জাগ দেওয়া ও আঁশ ছড়ানোর কাজ চলছে পুরোদমে। সদর উপজেলার ইসলামপুর, শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর, বাররশিয়া, দুলর্ভপুর ও খাষেরহাট এলাকায় এমন চিত্র দেখা যায়। পাটের ভালো ফলন ও দাম বেশি হওয়ায় খুশি সেখানকার চাষিরা।

শিবগঞ্জ উপজেলার মুসলিমপুর এলাকার এরফান ফারুক জানান, পাট চাষে খরচ খুবই কম তাই প্রতি বছর পাট চাষ করি এবার তিন বিঘা জামিতে পাট চাষ করেছিলাম। ফলন বেশি হওয়ায় সব কর্যক্রম শেষ করতে পারিনি। আজও এক বিঘা জমির পাট জাগ দিচ্ছি। আর দুই বিঘা জমির ২১ মণ পাট বিক্রি করেছি ২৭০০ টাকা মণ দরে।

গোমস্তাপুর উপজেলার চানপুর এলাকার রুবেল নামে আরও এক পাট চাষি জানান, তিনি ১২ কাঠা পাট চাষ করেছিলেন এ বছর এতে পাট হয়েছে প্রায় ৫ মণ বিক্রি করেছেন সাড়ে ১২ হাজার টাকায়। আর পাটখড়ি হয়েছে সাড়ে তিন মণ বিক্রি করেছেন এক হাজার টাকায়।

কানসাটের হাসান আলী নামে এক পাট আড়তদার জানান, গত বছর এসময় পাট কিনেছিলাম ১২০০-১৩০০ টাকা মণ এবার করছি ২৫০০-২৭০০ টাকা মণ দরে। আর পাটখড়ি ক্রয় করছি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা মণ দরে। পাটের দাম এ বছর প্রথম থেকেই ভালো।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, এ বছর জেলায় ৩০৯৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। জেলার ৫ উপজেলার মধ্যে সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলায় এবার পাট চাষ বেশি।

গত বছর শেষ দিকে ভালো দাম পাওয়ায় এবার পাট বেশি চাষ করেছিলেন চাষিরা। এবারও দাম বেশ ভালো চাষিরা অনেক লাভবান হবেন। গত বছর এই জেলায় পাট চাষ হয়েছিল ১৭৬৫ জমিতে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ ৬:১৪ অপরাহ্ন
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কানাইঘাটে চারা বিতরণ
কৃষি বিভাগ

কানাইঘাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে সবজি বীজ এবং চারা বিতরণ করা হয়।

গতকাল বিকাল ৪ টার সময় ২ নং লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের বড়বন্দ গ্রামে ভূমিহীনদের সরকারি ভাবে নবনির্মিত ঘরের আঙ্গীনায় মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সবজি বীজ ও ফলের চারা বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

কানাইঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকারের সভাপতিত্বে ও উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো:আবুল হারিছ এর পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানর্জী।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ২ নং লক্ষী প্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জেমস লিউ ফারগুশন নানকা,৩ নং দিঘির পার পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হায়দার আলী,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম,উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ওমর ফয়সল প্রমুখ।

সভায় প্রধান অতিথি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিহীনদের জন্য জমি দিয়েছেন সেই জমিতে ঘর নির্মান করে দিয়েছেন এখন ফলের চারা ,সবজির বীজ দেওয়া হল পর্যায়ক্রমে আপনাদের সব সমস্যার সমাধান হবে আপনারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন।

পরে প্রধান অতিথি ২১ জন ভূমিহীনদের মধ্যে ফলের চারা ও সবজি বীজ বিতরণ করা হয়। এর আগে প্রধান অতিথি একটি ফলের চারা রোপন করে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ ৬:০৬ অপরাহ্ন
বাড়ির আঙিনায় ১০ ফুট লম্বা চিচিঙ্গার চাষ!
কৃষি বিভাগ

ভোলার মনপুরা উপজেলার মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক উৎপল মণ্ডল বাড়ির আঙিনায় ১০ ফুট লম্বা চিচিঙ্গা চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। উৎপল মণ্ডল মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চর যতিন গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম নিতাই পদ মণ্ডল।

ওই চিচিঙ্গার ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। বৃহদাকার এ সবজিটি দেখতে ওই শিক্ষকের বাড়িতে ভিড় করছে শত শত মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, তিন মাস আগে খুলনার পাইকগাছার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান উৎপল মণ্ডল। ওই সময় তার শ্বশুর চারটি চিচিঙ্গার বীজ উপহার দেন। বীজগুলো তিনি ভারতের চেন্নাই থেকে নিয়ে এসেছিলেন। পরে ওই কলেজ শিক্ষক মনপুরার বাড়িতে দুটি বীজ রোপণ করেন। সার-কীটনাশক ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে গাছ বড় হতে থাকে। এ সময়ের মধ্যে গাছে শতাধিক চিচিঙ্গা ধরে। প্রতিটি চিচিঙ্গা প্রায় ১০ ফুট লম্বা।

সম্প্রতি ওই শিক্ষকের বাড়িতে ঘুরতে যান সীমান্ত হেলাল নামের স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী। বাড়ির আঙিনায় এতো লম্বা চিচিঙ্গা দেখে অবাক হন তিনি। ওই চিচিঙ্গার ছবি তুলে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দিলে সেটি ভাইরাল হয়।

এ বিষয়ে উৎপল মণ্ডল বলেন, ফেসবুকে চিচিঙ্গার ছবি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ও কৃষকরা বাড়িতে আসছেন। অনেকে এ জাতের চিচিঙ্গা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মো. এনায়েত উল্লাহ জানান, এটি হাইব্রিড জাতের চিচিঙ্গা। আমার জানা মতে, ভোলায় প্রথম এ জাতের চিচিঙ্গা চাষ হয়েছে। গোটা জেলায় এ জাতের চিচিঙ্গা চাষের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ ২:৪৬ অপরাহ্ন
বিদেশের মাটিতে যাচ্ছে জৈন্তাপুরের জারালেবু
কৃষি বিভাগ

সিলেটের জৈন্তাপুর পাহাড়টিলা বেষ্টিত হওয়ায় পর্যটকদের কাছে পরিচিত।এবার জৈন্তার জারালেবুর নামডাক ছড়িয়ে পড়েছে দেশে-বিদেশে। এ উপজেলায় জারালেবু চাষ করে দুই শতাধিক কৃষক পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে। শুধু তাই নয়, এলাকার উৎপাদিত জারালেবু দেশের বাজার ছেড়ে ইউরোপ, আমেরিকাসহ অনেক দেশে রপ্তানিও হচ্ছে।

জারালেবু চাষ করে ভালো দর পাওয়ায় বদলে যাচ্ছে কৃষকদের ভাগ্য। পাশাপাশি অন্য ফসলের চেয়ে জারালেবুর চাষ লাভবান হওয়ায় জারালেবু চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষক পরিবার। এ উপজেলার ভূমি পাহাড়টিলা শ্রেণির হওয়াতে লেবু জাতীয় ফল চাষের জন্য খুবই উপযোগী।

জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল, হরিপুর, জৈন্তাপুর ও ফতেহপুর বাজার জারালেবুর জন্য সিলেটের মানুষের কাছে বেশি পরিচিত। স্থানীয় এই বাজারগুলোতে লেবু, আধালেবু, জারালেবু, কমলা ক্রয় করার জন্য জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ী, পাইকার ও সৌখিন ভোজনরসিক লোকজন আসেন।

এই উপজেলার জারালেবুসহ টকজাতীয় ফল প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবসায়ীরা যুক্তরাজ্য, আমেরিকা, কাতার, সৌদি আরব, কুয়েত, আরব আমিরাত, সিংঙ্গাপুরসহ ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যোর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করছেন।

ফতেপুর ইউনিয়নে দেখা যায়, শ্যামপুর, হরিপুর, বাগেরখাল, শিকারখাঁ, উৎলারপার, উমনপুর, পানিছড়া, ঠাকুরের মাটি, কালিনঞ্জিবাড়ি বিভিন্ন অঞ্চলে টিলা শ্রেণির ভূমিতে বাণিজ্যিকভাবে জারালেবু চাষ হচ্ছে। অন্য যে কোনো ফসলের চেয়ে ফলন বেশি হওয়ায় এবং বাজারে চাহিদা থাকায় জারালেবু চাষ করতে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা। অধিকাংশ কৃষক অন্য ফসল চাষ বাদ দিয়ে অধিক মুনাফার আশায় জারালেবু চাষের দিকে ঝুঁকছেন। বেকারত্ব দূর হচ্ছে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন কৃষকরা। জারালেবুর সুস্বাদু ও টক জাতীয় ফল। লেবু দেখতে অনেকটা চালকুমড়ার মতো। একেকটি জারালেবুর ওজন ২ থেকে আড়াই কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

দলইপাড়া (বাগেরখাল) গ্রামের কৃষক সেলিম আহমদ জানান, জারালেবু চাষের জন্য আমাদের এলাকাটি খুব উপযোগী। আমাদের পূর্ব পুরুষরা জারালেবু চাষ করেছেন শুধু নিজ পরিবারের জন্য। আমি এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ করতে শুরু করেছি। বর্তমানে আমার সাড়ে ১৩ বিঘা (৪০৫ শতক) জমি সাত বছরের জন্য চুক্তি নিয়ে ৫টি বাগান করেছি। আমার বাগানগুলোতে পরিচর্যার জন্য ৫০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত আছে। সব খরচ বাদে বছরে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা উপার্জন করছি।

জৈন্তাপুর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোয়েব আহমদ জারালেবু চাষ সর্ম্পকে জানান, এলাকার কৃষকদের মাধ্যমে লেবু জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ, ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় এ উপজেলায় বিভিন্ন আয়াতনের ১২০টি বাগান রয়েছে। এছাড়া বাগান পরির্চযায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ ২:২১ অপরাহ্ন
মাগুরায় ক্ষিরার বাম্পার ফলনের সাথে দামেও খুশি চাষিরা
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে মাগুরা জেলায় ক্ষিরার ভালো ফলনের পাশাপাশি ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে মাগুরার কৃষকদের মুখে। চার উপজেলার উৎপাদিত ক্ষিরা স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছর মাগুরার শ্রীপুর, সদর, শালিখা ও মহম্মদপুর উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ক্ষিরা চাষ করা হয়েছে। এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকার পাশাপাশি বীজ, সার এবং কীটনাশক সুলভমূল্যে পাওয়ায় ক্ষিরার বাম্পার ফলন হয়েছে।

সদর উপজেলার কৃষক আহাদ বিশ্বাস জানান, প্রতি বিঘা জমিতে ক্ষিরা চাষ করতে প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি বিঘা জমি থেকে উৎপাদিত ক্ষিরা বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ হাজার টাকা। ক্ষিরা আবাদে পোকামাকড়ের ঝামেলা কম হওয়ায় অনেকটা নিশ্চিন্তেই এটি চাষ করা যায়। এ কারণে ক্ষিরা চাষে কৃষকের আগ্রহ দিন দিন আরও বাড়ছে।

ক্ষিরা চাষি মো. রায়হান আলী জানান, তার প্রতি বিঘা জমিতে ক্ষিরার আবাদ করতে প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখন প্রতি বিঘা জমির ক্ষিরা বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা।

মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক জানান, জেলায় এ বছর ৬৮০ হেক্টর জমিতে ক্ষিরা চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষিরার সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে সদর উপজেলায়। এ বছর ক্ষিরা চাষে কৃষকরা ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। ক্ষিরা চাষে অল্প সময়ে এবং স্বল্প বিনিয়োগেই অধিক লাভ করা যায়।

কৃষকরা বিঘাপ্রতি খরচ বাদে ২৫-৩০ হাজার টাকা করে লাভ করছেন। আগামীতে ক্ষিরা চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop