৯:৪৯ অপরাহ্ন

রবিবার, ২৬ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ৩১, ২০২২ ৮:৪৪ পূর্বাহ্ন
মাটি ছাড়া শাক-সবজি চাষ করবেন যেভাবে
কৃষি বিভাগ

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত আমাদের দেশের শহরে বসবাসকারী মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে মাটি ছাড়া সবজি চাষ। অল্প সময়ে ঝামলেহীন এ উপায়ে শাক-সবজি চাষ করা যায়। এখন মাটিবিহীন ছোট পাত্রে উৎপাদন হচ্ছে টমেটো, লাকশাক, লাউ, লেটুস, লাউ, কাঁচামরিচ, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শসা, খিরা, ক্যাপসিকাম, স্ট্রবেরি, মটরশুঁটিসহ নানা ফসল।

মাটি ছাড়া চাষাবাদের এই বিশেষ পদ্ধতির নাম হাইড্রোপনিক। গবেষকরা বলছেন, এ পদ্ধতিতে বাড়ির বারান্দা, ছাদ, উঠানে প্লাস্টিকের পট বা পলি টানেলে অধিক শস্য চাষ করে পারিবারিক চাহিদার অনেকাংশই পূরণ করা সম্ভব হবে। সেই সাথে অবসর সময়ও ভালো কাটে।

যেখানে স্বাভাবিক চাষের জমি কম বা জমি একেবারেই নেই, সেখানে পানিতে এ হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে প্রথমে সাফল্য পান বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের কৃষিবিজ্ঞানীরা। তাদের দেখানো পথে এখন এটি ছড়িয়ে পড়ছে সারাদেশে। পানিতে চাষাবাদের এ পদ্ধতির কেতাবি নাম ‘হাইড্রোপনিক পদ্ধতি। ইউরোপ, আমেরিকা, জাপান, তাইওয়ান, চীন, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং প্রাচ্যের দেশগুলোতে বাণিজ্যিকভাবে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে সবজি ও ফল উৎপাদন বেশ জনপ্রিয়।

শহরের বাসিন্দাদের যাদের কোনো জমি নেই, তারা পলি টানেল, টব, বালতি, জগ, বোতল, পাতিল, প্লাস্টিকের থালায় অনায়াসে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে সবজি, ফল ও ফুল উৎপাদন করতে পারবেন। তিনি জানান, এই চাষাবাদে কোনো কীটনাশক বা আগাছানাশক প্রয়োজন পড়ে না। অনায়াসে গড়ে তোলা যায় অরগানিক ফসলের সম্ভার।

সঞ্চালন পদ্ধতিতে গাছের অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য উপাদানগুলো যথাযথ মাত্রায় মিশিয়ে একটি ট্যাঙ্কে নেওয়া হয় এবং পাম্পের সাহায্যে ট্রেতে পুষ্টি দ্রবণ সঞ্চালন করে ফসল উৎপাদন করা যায়। আর সঞ্চালনবিহীন পদ্ধতিতে ট্রেতে গাছের প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান পরিমিত মাত্রায় সরবরাহ করে সরাসরি ফসল উৎপাদন করা হয়।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩০, ২০২২ ৬:০৬ অপরাহ্ন
বাকৃবি ভেটেরিনারি অনুষদের নতুন ডিন প্রফেসর ড. মো. আব্দুল আউয়াল
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের নতুন ডিন এর দায়িত্ব গ্রহণ করলেন এনাটমি এন্ড হিস্টোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল আউয়াল।

রবিবার(৩০ অক্টোবর) সকাল ১১ ঘটিকায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদ কন্ফারেন্স হলে সাবেক ডিন প্রফেসর ড. মোঃ মকবুল হোসেন ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন এর দায়িত্ব প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল আউয়াল এর নিকট হস্তান্তর করেন।

দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি ভাইস চ্যান্সেলর (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলাম।

প্রফেসর ড. আউয়াল ১৯৮৮ সনে বাকৃবিতে লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন। পরে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯১ সনে সহকারী প্রফেসর, ১৯৯৭ সনে সহযোগী প্রফেসর এবং ২০০২ সন থেকে অদ্যবধি প্রফেসর হিসেবে শিক্ষাদান করে যাচ্ছেন।

এছাড়াও তিনি পোহাং ইউনির্ভাসিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি, দক্ষিন কোরিয়ায় ২০০৪-০৫ পর্যন্ত ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। প্রফেসর ড. আউয়াল বিভিন্ন সময় এনাটমি এন্ড হিস্টোলজি বিভাগের প্রধানসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। তার জাতীয় এবং আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে মোট ৬৪ টি গবেষনা প্রবন্ধ রয়েছে।
অনুষ্ঠানে ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষকমন্ডলীগণসহ আমন্ত্রিত অতিথিগন উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩০, ২০২২ ৫:১৫ অপরাহ্ন
সুগারমিলের পতিত জমি চাষের আওতায় আনা হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

সুগারমিলসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের পতিত জমি চাষের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

রোববার (৩০ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সুগারমিলের অনেক পতিত জমি আছে। সেগুলোকে চাষের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জমি কোথায় কোথায় পতিত আছে, তা খুঁজে বের করে চাষের আওতায় আনতে হবে।

সভাটি সঞ্চালনা করেন কৃষিসচিব মো. সায়েদুল ইসলাম। এসময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংস্থাপ্রধানসহ প্রকল্প পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় সুগারমিল এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করে এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, প্রতিবছর জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খাদ্যের চাহিদাও বাড়ছে। কাজেই যেকোনো মূল্যে খাদ্য উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে। এজন্য যেটুকু সুযোগ আছে, তার সবটুকু আমরা কাজে লাগাতে চাই। সেজন্য মাঠ পর্যায়ের সব কর্মকর্তাকে আরও তৎপর ও সক্রিয় হতে হবে। কীভাবে উৎপাদন আরও বাড়ান যায়-তা খুঁজে বের করতে হবে।

সভায় জানানো হয়, চলমান ২০২২-২৩ অর্থবছরের এডিপিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৭২টি প্রকল্পের অনুকূলে মোট ৪ হাজার ১৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে। এ বছর সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ আছে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পে, যার পরিমাণ ৬৬০ কোটি টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৬, ২০২২ ৭:৫৭ অপরাহ্ন
বকশীগঞ্জে পাটের গুদামে আগুন, ৮৬ লাখ টাকার ক্ষতি
কৃষি বিভাগ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে পাটের গুদাম আগুনে পুড়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে পৌর শহরের চরকাউরিয়া পশ্চিম মাঝপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে ৮৬ লাখ টাকার পাট পুড়ে গেছে বলে দাবি করেছেন গুদামের মালিক।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বকশীগঞ্জের পাট ব্যবসায়ী জুয়েল মিয়ার গুদামে আগুন লাগে। এরপর স্থানীরা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে চারটি ইউনিট এসে পঁঅচ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনতে সক্ষম হয়। তবে গুদামে থাকা প্রায় ৩ হাজার মণ পাট আগুনে পুড়ে যায়।

এ নিয়ে পাটগুদামের মালিক জুয়েল মিয়া বলেন, ‘গতকাল রাত ৮টার দিকে জানতে পারি, গুদামে আগুন লেগেছে। গুদামে প্রায় ৩ হাজার মণ পাট ছিল, যার বাজার মূল্য ৮৬ লাখ টাকার মতো। সব পুড়ে গেছে।

বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা তুহিনুল উল হক জানান, ‘বকশীগঞ্জ ও শ্রীবরদী উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং কীভাবে আগুনের সূত্রপাত তা তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৬, ২০২২ ৭:২৭ অপরাহ্ন
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে মাটিতে নুয়ে পড়েছে রোপা আমন
কৃষি বিভাগ

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সোমবার রাতে প্রবল বর্ষণ ও দমকা বাতাসে বিভিন্ন স্থানে রোপা আমন ও সবজিসহ অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রায় সব আমনখেতের ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে।

সিরাজগঞ্জ : সিত্রাংয়ের প্রভাবে দিনভর প্রবল বর্ষণ ও দমকা বাতাসে উঠতি রোপা আমন ও সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাকা-আধাপাকা রোপাআমন ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ায় নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের সবজি নষ্ট হয়ে যাওয়ার খোলা বাজারে প্রভাবসহ দাম বেড়েছে। সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, জেলার ৯টি উপজেলায় প্রায় এক হাজার হেক্টর রোপা জমির আমন, বীজতলা, চীনাবাদাম, বিভিন্ন ধরনের সবজিসহ কাঁচামরিচের ক্ষতি হয়েছে।

সদর উপজেলার শিয়ালকোল এলাকার কৃষক আব্দুল হামিদ, ঘোড়চরা এলাকার সবজিচাষি হারুন অর রশিদ জানান, দমকা বাতাস ও বৃষ্টিতে জমির ধান ও বিভিন্ন ধরনের সবজি হেলে পড়েছে; এতে আমরা ক্ষতির আশঙ্কা করছি। দু-এক দিনের মধ্যে জমির পানি না নামলে বড় ধরনের ক্ষতির কথা তারা জানান।

সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা (সংযুক্তি) শামিনুর ইসলাম শামীম জানান, মাঠ পর্যায়ে ফসলের ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয়ের কাজ চলছে। কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের এ বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন।

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) : ফুলবাড়ীতে বৃ?ষ্টিপাত ও দমকা বাতাসে শত শত হেক্টরের আমনখেত হেলে পড়েছে। আমন ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষ?তি হ?য়ে?ছে। টানা দুই দিনের হালকা-বৃষ্টিপাত ও দমকা বাতাসে উপজেলার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টিপাত ও দমকা বাতাসে ঘরবাড়ি গাছপালার ক্ষয়ক্ষতি না হলেও উপজেলার নাওডাঙ্গা, শিমুলবাড়ী, ফুলবাড়ী সদর, কাশিপুর, ভাঙ্গামোড় ও বড়ভিটা ইউনিয়নের শীষ বের হওয়া শত শত বিঘা জমির আমন ধান মাটিতে হেলে পড়ে আমনচাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। শুধু আমন চাষি নয়, শাকসবজিসহ আগাম শীতকালীন সবজিরও ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় কৃষকরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াছমিন জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১১ হাজার ৩৫২ হেক্টর জমিতে কৃষকরা আমন ধানের চাষাবাদ করেছেন। হঠাত্ বৃষ্টিপাত ও দমকা বাতাসে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে ৩৬০ হেক্টর আমন ধান মাটিতে হেলে পড়েছে।

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) : সোমবার বিকাল থেকে শুরু হয় ঝড়-বৃষ্টি। বেলা গড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। উপজেলা জুড়ে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

সরেজমিনে উপজেলার ইটাকুরি দোলা, হিন্দুর ডাবরী কানুরাম, পুটিকাটা দোলা, কিসামত পুনকর, চাঁন্দামারী, হরিশ্বরতালুক, ডাংরাহাট, মনিডাকুয়া, সোমনারায়ণসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, মাঠের পরে মাঠ ধানগাছ মাটিতে লন্ডভন্ড অবস্থায় পড়ে আছে। কথা হয় কৃষক ফরিজল হক, হাবিব, জছিজল, ফকর উদ্দিনসহ আরো অনেকের সঙ্গে। সবাই বলেন, এবার আবাদ খুব ভালো হয়েছিল, বৃষ্টি না থামলে সব ধান নষ্ট হয়ে যাবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সম্পা আকতার জানান, এই ঝড়ে ২৪০ হেক্টর জমির রোপা আমন এবং চার হেক্টর জমির সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কালাই (জয়পুরহাট) : কালাইয়ে আমন ধান ও শীতকালীন আগাম সবজির ব্যাপক ক্ষতির হয়েছে। সোমবার বিকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত দমকা হাওয়ার সঙ্গে মাঝারি থেকে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি অব্যাহত ছিল। এলাকার বহু স্থানে কাঁচা-পাকা ধান কাদামাটির সঙ্গে লেপ্টে গেছে।

উপজেলার রোড়াই গ্রামের কৃষক আব্দুল রউফ বলেন, এবার ৭ বিঘা জমিতে কাটারি জাতের ধান রোপণ করেছি। ধানগাছে যে শীষ এসেছিল, তাতে ফলনও খুব ভালো হবে বলে মনে হয়েছে। অসময়ে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে বৃষ্টি ও বাতাসে আমার বেশির ভাগ ধানগাছ মাটিতে পড়ে গেছে।

কালাই উপজেলা কৃষি অফিসার অরুণ চন্দ্র রায় বলেন, উপজেলায় এবার আমন মৌসুমে ১১ হাজার ৮৩০ হেক্টর জমিতে আমন-ধান চাষাবাদ হয়েছে এবং ৫৫ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ হয়েছে। ইতিমধ্য কৃষকেরা প্রায় ২০ হেক্টর জমির ধান কর্তন করেছেন। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে কিছু কিছু স্থানে প্রায় ১ হাজার ৬০০ হেক্টর জমির পাকা ও কাঁচা ধানের গাছগুলো হেলে পড়েছে। তবে ধানের তেমন ক্ষতি হবে না। ইত্তেফাক

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৬, ২০২২ ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
বিনা’র মহাপরিচালকের সাথে আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাত
কৃষি বিভাগ

পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্য্পূর্ণ অবদান রাখছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) । বিনা উদ্ভাবিত প্রযুক্তি কিভাবে প্রান্তিক চাষী পর্যায়ে জনপ্রিয় ও সহজলভ্য করা যায় সেই লক্ষ্যে বিনা ও বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিমিটেড এর মাঝে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে । উক্ত আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম ও আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু লুৎফে ফজলে রহিম খান শাহরিয়ার ।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৪, ২০২২ ৯:০২ অপরাহ্ন
সিত্রাং মোকাবিলায় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল
কৃষি বিভাগ

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং মোকাবিলায় জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি নিজেদের অধীন সব দপ্তর বা সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করেছে। সেই সঙ্গে তাদের সার্বক্ষণিক কর্মস্থলে অবস্থানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জরুরি প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়। কৃষিতে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় এ সভা হয়।

এতে যেসব এলাকায় ৮০ ভাগ আমন ধান পেকেছে, সেগুলো কর্তনের জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কৃষি বিভাগের অফিসে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় পূর্ব প্রস্তুতি ও পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শদান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক মাঠে অবস্থান করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে জরুরি ভিত্তিতে মন্ত্রণালয়ে রিপোর্টদান এবং ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী পুনর্বাসন পরিকল্পনা অগ্রিম প্রস্তুত রাখা, যাতে দ্রুততম সময়ে কৃষকদের পুনর্বাসন সহায়তাদান করা যায়। সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উপকূলীয় এলাকায় ফসল ক্ষেতে পানি প্রবেশ করলে দ্রুততম সময়ে তা নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক সমন্বয় সাধন এবং স্লুইচ গেট অপারেশনের মাধ্যমে লবণাক্ত পানি শস্য ক্ষেতে প্রবেশ রোধ, অধিক উচ্চতায় জোয়ারের কারণে লবণাক্ত পানি প্রবেশ করলে তা নিষ্কাশনের দ্রুত ব্যবস্থা করা- এসব বিষয়ে কৃষি বিভাগ নিয়মিতভাবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম। এতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) রবীন্দ্রশী বড়ুয়া, অতিরিক্ত সচিব (গবেষণা), অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা), মহাপরিচালকসহ (বীজ) মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সংস্থা প্রধান, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ জেলাগুলোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৪, ২০২২ ৫:০৪ অপরাহ্ন
দেশে খাদ্য সংকট হবে না: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দেশে মাঠভর্তি ফসল রয়েছে। আমনের অবস্থা ভালো, সোনালী ফসল হবে। এছাড়া, দেশে যথেষ্ট খাদ্য মজুদ রয়েছে। কাজেই, বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে বাংলাদেশে খাদ্যের কোন সংকট হবে না, দুর্ভিক্ষ হবে না। পৃথিবীর অন্য যে কোনো দেশে খাদ্যের অভাব হতে পারে, দুর্ভিক্ষ হতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশ কোনো খাদ্য সংকটে পড়বে না। এই মুহূর্তে দেশে খাদ্যের কোনো হাহাকার নাই, আগামী দিনেও হাহাকার হবে না।

আজ সোমবার টাঙ্গাইল শহরের পৌর উদ্যানে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রাজপথের নিয়ন্ত্রণ বিএনপির নিকট থাকবে না মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, রাজপথের নিয়ন্ত্রণ সবসময়ই আওয়ামী লীগের হাতে ছিল, এখনও আছে, আগামী দিনেও থাকবে। রাজাকার আর জামায়াতকে সাথে নিয়ে বিএনপি যতই আন্দোলন করুক, রাজপথের নিয়ন্ত্রণ তাদের কাছে থাকবে না। তিনি বলেন, বিএনপি আন্দোলন করে সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না। বর্তমান সরকার একটি ন্যায়সঙ্গত, জনগণের নির্বাচিত সাংবিধানিক সরকার, মেয়াদের শেষ দিন পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে।

মন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের নামে বিএনপি রেল লাইনে আগুন দিবে, বিদ্যুৎ লাইন কেটে দিবে, ঘরে-গাড়িতে আগুন দিবে জীবন্ত মানুষ মারবে আর পুলিশ চুপ করে বসে থাকবে তাতো হতে পারে না। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় যা যা করা দরকার, সরকার তাই করবে। তিনি বলেন, ২০১৫ সালে একটানা ৯০ দিন হরতাল দিয়েছিলো বিএনপি, তখনও তারা সফল হয় নি। আন্দোলন ফেলে মাথা নিচু করে বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলো। আগামী দিনেও বিএনপিকে খালি হাতে নতমুখে ঘরে ফিরে যেতে হবে।

সম্মেলনে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, সদস্য এ বি এম রিয়াজুল কবির কাওছার, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৪, ২০২২ ৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
বরবটি চাষে ভাগ্য বদল মিরসরাইয়ের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বরবটি চাষে ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে অনেকের। অন্য বছরের তুলনায় এবার দামও ভালো পাওয়ায় খুশি কৃষকরা। এতে আগামীতে বরবটি চাষে কৃষকরা আরও আগ্রহী হবেন বলে জানায় উপজেলা কৃষি অফিস।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, দেশের অন্যতম সবজিভান্ডার হিসেবে পরিচিত মিরসরাইয়ের বিভিন্ন ইউনিয়নে এবার ২২০ একর জমিতে বরবটি চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশি এবং হাইব্রিড প্রজাতি চাষ করা হয়। এবার দেশি বরবটি চাষ করা হয়েছে বেশি। বর্তমানে কৃষকরা পাইকারি হিসেবে প্রতিকেজি বরবটি বিক্রি করছেন ৪৫-৫০ টাকা। যা গতবছর এ সময়ে মূল্য ছিল ২২-২৫ টাকা। অন্যদিকে খুচরা ব্যবসায়ীরা কৃষকদের কাছ থেকে কিনে সাধারণ ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছে ৭০-৭৫ টাকা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার করেরহাট, হিঙ্গুলী, জোরারগঞ্জ, দুর্গাপুর, মিরসরাই সদর ইউনিয়ন, খৈয়াছরা ও ওয়াহেদপুর ইউনিয়নে বরবটি চাষ করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি চাষ করা হয়েছে ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়।

সাইফুল্লাহ জানান, গত সপ্তাহে ৩৫০ কেজি বরবটি তিনি বাজারে নিয়ে বিক্রি করেছেন প্রতিকেজি ৪৫ টাকা করে। এবার এ পর্যন্ত ৫ বাজারে বিক্রি করেছেন। আরও ১ মাস বিক্রি করতে পারবেন। সোমবার ও বৃহস্পতিবার উপজেলার বড়দারোগাহাট বাজারে নিয়ে পাইকারদের কাছে বরবটি বিক্রি করেছেন।

কৃষকরা বরবটি তুলে আটি বেঁধে উপজেলার মিঠাছরা, বড়তাকিয়া, বড়দারোগাহাট, সীতাকুণ্ড, বাড়বকুণ্ড ও শুকলালহাট বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যান। সবচেয়ে বড় বাজার বসে দুইশ বছরের পুরোনো বড়দারোগাহাটে। এখানে বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে কিনে ট্রাকযোগে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেটসহ বিভিন্ন জেলায় নিয়ে যান।

ওয়াহেদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুল কবির ফিরোজ জানান, ‘আমার ইউনিয়ন সবজি চাষের জন্য বেশি উপযোগী। তাই কৃষকরা বিপুল পরিমাণ সবজি চাষ করে। যদি উপজেলায় হিমাগারের ব্যবস্থা থাকত, তাহলে কৃষকরা সবজি সংরক্ষণ করে ভালো দাম পেত।’

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কাজী মো. নুরুল আলম জানান, ‘মিরসরাইয়ে গত কয়েক বছরের তুলনায় বরবটি চাষ বেড়েছে। প্রায় ২২০ একর জমিতে চাষ হয়েছে। দাম ভালো হওয়ায় চাষ বাড়বে বলে জানান তিনি।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৪, ২০২২ ৯:২৫ পূর্বাহ্ন
কলা চাষের দিকে ঝুঁকছেন চন্ডিহারার চাষিরা
কৃষি বিভাগ

কলার গাছ রোপণের পর পাতা না কাটলে ভলো ফলন পাওয়া যাবে। শিবগঞ্জ উপজেলার চন্ডিহারা গ্রামের আবুল মুনছুর জানান ,কলার পাতা না কেটে ফলন পেয়েছেন ভালো । কলার উৎপাদন ও ভালো দাম পেয়ে খুশি তার মতো অনেক কৃষক। কলায় লাভ বেশি হওয়ায় শিবগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ঝুঁকছেন চাষিরা কলা চাষে।

কাক ডাকা ভোরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার চন্ডিহারায় রংপুর- বগুড়া মহাসড়কের কলার হাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের কেনা-বেচায় মুখরিত হয়ে ওঠে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাকডাকও বেড়ে যায়। সকাল থেকে কলার হাটে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যাপারীরা আসে হাটে । আবার অনেকে কলাচাষিদের বাড়িতে রাতে অবস্থান নেয়।

শিবগঞ্জ উপজেলা বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে খুব কমখরচে কলার আবাদ হয়ে থকে। আর সেই কলার হাট বসে চন্ডিহারার রাস্তার পাশে দেড় থেকে ২ কিলোমিটার জুড়ে। ভোরে কলা চাষিরা রিকশা ভ্যান ভোঝাই করে কলা নিয়ে আসে চন্ডিহারা হাটে।

কলা চাষি আকরাম জানান ,হাট বারে এখানে কুষ্টিয়া, যশোর, জয়পুরহাট, ঢাকা, পাবনাসহ বিভিন্ন জেলার ব্যাপরীরা আসে। প্রতি হাট বারে প্রায় ২০ ট্রাক কলা বিক্রি হয়। সাগার কলা, রঙিন সাগর, স্থানীয় ভাষায় অনুপম, এঁটে , চাঁপাকলাপ্রচুর সমাহার হাটে।

জেলার কাহালু উপজেলার কলার ব্যাপারী আনছার হোসেন জানান ,তিনি প্রায় ৩০ বছর এ হাট থেকে কলা কিনে নিয়ে তার এলাকায় পাইকারীতে বিক্রি করে থাকেন।তাতে বেশ ভালো দাম পেয়ে থাকেন।

জেলার অনেক জাযগায় কেজি ও হালিতে খুচরা বিক্রি হয়ে থাকে। চাঁপা কলা এক কাঁদি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। এক কাঁদিতে প্রায় দেড়শত থেকে ২০০ কলা থাকে। খুচরা বাজারে এ কলা ১৫ থেকে ২০ টাকা হালি(৪ টা) আবার ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়ে থাকে। সাগার ও রঙিন সাগার কলা দামও প্রায় একই রকম। তবে কৃষক সপরী কলার দামভালো পেয়ে থাকেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক এনামুল হক জানান,জেলায় এবার ৬০০ হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা সম্পূর্ণ পূরণ হয়েছে। এ উৎপাদন সারা বছর চলমান থাকে।

শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার আল মুজাহিদ জানান, এ হাট থেকে ২০ ট্রাক কলা বিক্রি হয়ে থাকে। প্রতিট্রাকে ১৫ থেকে ২০ ট্রাক কলা হাট বারে বিক্রি হয়ে থাকে। ট্রাক প্রতি ১০ থেকে ১২ টন কলাবহন করতে পারে। এতে প্রতিহাট বারে ১৫০ টন থেকে পৌনে ২০০ টন বিক্রি হয় এ হাট থেকে। তবে ভালা দাম পেয়ে চাষি ও ব্যাপরীরা খুশি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop