৪:৩৪ অপরাহ্ন

রবিবার, ১৫ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ৩:৩২ অপরাহ্ন
কৃষিপণ্যে বছরে রপ্তানী আয় শত কোটি ডলার
কৃষি বিভাগ

দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন আশা জাগাচ্ছে কৃষিজাত পণ্য। পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে এই খাতের রপ্তানি আয়। গত অর্থ বছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০২ কোটি ডলার। তবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বন্দরে পণ্য পাঠানোয় জটিলতা, উৎপাদিত পণ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ এর ব্যবস্থা না থাকা, কাঁচামাল ও মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানিতে শূল্ক ছাড়সহ প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তার অভাব। এসব বাধা দূর হলে, আগামি দুই থেকে তিন বছরে কৃষি পণ্য রপ্তানী খাত থেকে ৩’শ কোটি ডলার আয় করা সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। 

একসময় দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি ছিলো কৃষি। বর্তমানে কৃষিপণ্য রপ্তানি আয় এক সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে দেখা দিয়েছে। ইপিবির তথ্য মতে, এরই মধ্যে ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশসহ ১৪৪ টি দেশে কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে। গত পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে এই খাতের রপ্তানি আয়।

বিভিন্ন ধরনের মসলা, ফলের রস, পানীয়, রুটি, বিস্কুট ও চানাচুরজাতীয় শুকনা খাবার বেশি রপ্তানি হয়। উদ্যোক্তারা বলছেন, বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা ৩ কোটির বেশি প্রবাসী বাঙ্গালী দেশের কৃষিজাত পণ্যের বড় ভোক্তা। এছাড়া, উৎপাদন খরচ তুলনামুলক কম হওয়ায় বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের কৃষিজাত পণ্যের চাহিদা প্রচুর।

কিন্তু সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত না করার কারণে কৃষকের উৎপাদিত বিভিন্ন শস্য ও ফসলের ৩০ শতাংশই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া, দেশে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরনের পর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং বিশ্বমানের ল্যাবরেটরি গড়ে উঠেনি। বাংলাদেশ কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী সংগঠন- বাপা’র তথ্যমতে, এই খাতের পাঁচশতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিদেশে রপ্তানি করে মাত্র ১০০ প্রতিষ্ঠান।

কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি বাড়াতে মাঝারি এবং ছোট উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া এবং দেশের কৃষিকে আরও উৎপাদনমুখী করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি আয়
অর্থ বছর                     আয়
২০১৬-১৭                 ৫৫.৩১ কোটি ডলার
২০১৭-১৮                 ৬৭.৩৭ কোটি ডলার
২০১৮-১৯                 ৯০.৮৯ কোটি ডলার
২০১৯-২০                 ৮৬.২০ কোটি ডলার
২০২০-২১                 ১০২.৮১ কোটি ডলার

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ২:৪১ অপরাহ্ন
আমন ধান ঘরে তোলা নিয়ে উদ্বিগ্ন কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

যশোরের বাঘারপাড়ার মাঠে মাঠে চলছিলো পাকা আমন ধান কাটার ধুম। আবহাওয়া ভালো থাকায় অনেকেই ধান কেটে বাড়িতে নিয়ে গিয়েছেন। তবে এরইমধ্যে দেখা দিয়েছে ঘূর্নিঝড় জাওয়াদের প্রভাব। গত তিন দিন সকাল থেকেই মেঘাচ্ছন্ন আকাশ আর টানা বৃষ্টিতে দুশ্চিন্তার ভাজ নেমে এসেছে কৃষকদের। শুকনো ধান ভিজে গেছে অনেক চাষীর। অনেকের ধান পানিতে ভাসছে। শেষ সময়ে কষ্টের ফলানো ধান ঘরে তোলা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তারা।

কৃষকরা বলছেন, আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় আমনের আশানুরুপ ফলন হয়েছে। কয়েকদিন ধরে সোনালি আমন ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন কৃষাণ-কৃষাণীরা। আনন্দ আর উৎসাহ নিয়ে মাঠের অধিকাংশ ধান কেটে বাড়িতে নিয়েছেন। আবহাওয়া ভালো থাকলে কিছু দিনের ভিতর ধান ঘরে তোলার কাজ সম্পন্ন হবে। কিন্তু সে আশা গুড়েবালি। টানা বৃষ্টিতে ভিজে গেছে অনেকের শুকনো ধান। এতে ক্ষতির শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

সরেজমিনে বিল জলেশ্বর মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠের অধিকাংশ জমির ধান বাড়িতে নিয়েছেন চাষিরা। অনেকেই ধান কাটার পর শুকানোর জন্য রেখে দিয়েছিলেন। আবার কেউ কেউ শুকনো ধানের মুঠো বেঁধে গাদা করে রেখেছেন। টানা বৃষ্টিতে ভাসতে শুরু করেছে অধিকাংশ কৃষকের ধান।

বাঘারপাড়া গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২ বিঘা জমিতে এবার আমন ধানের চাষ করেছিলেন। এরমধ্যে ১ বিঘা ৮ কাঠা বাড়িতে আনা হয়ে গেছে। ১২ কাঠা জমির ধান বৃষ্টিতে ভিজেছে। দুই দিন রৌদ্দুর হলে হাসি মুখে সব জমির ধান বাড়িতে আনতে পারতেন তিনি। এইরকম আবহাওয়া থাকলে অনেক ধান নষ্ট হয়ে যাবে তার।

শালবরাট গ্রামের কৃষক বাচ্চু মোল্যা বলেন, ১৭ কাঠা জমির ধান ভেজা অবস্থায় মুঠো বেঁধে গাদা করে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। আবহাওয়া ভালো না হলে আনা সম্ভব হবেনা। ২ বিঘা জমিতে চাষ করেছি, সব ধানই মাঠে পড়ে আছে। আবার ঘূর্ণিঝড় আসছে। চাষীদের একের পর এক দুর্ভোগ লেগে আছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুহুল আমিনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ২:০৫ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় শসা চাষে বাম্পার ফলনে আনোয়ারের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বলারামপুর গ্রামের যুবক কাজী আনোয়ার হোসেন স্বল্পকালীন জাতের শসা চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন। তিন মাসেই শসা বিক্রি করে তিন লাখ টাকা মুনাফা করেছেন। আনোয়ারের মুখে এখন তৃপ্তির হাসি। এর আগেও তিনি হলুদ তরমুজ ও মরুর ফল সাম্মাম চাষ করে সফল হয়েছেন। মুদি দোকানি থেকে কৃষি উদ্যোক্তা হওয়া আনোয়ার কৃষিতেই জীবনে সচ্ছলতা এনেছেন।

আনোয়ার জানান, সেপ্টেম্বরের শুরুতে ১৮০ শতক জমিতে শসার বীজ রোপণ করেন। চারা মাটি ভেদ করে উঁকি দিলে মাচা তৈরি করেন। প্রতিদিনই বেড়ে ওঠে শসাগাছ। মাচা আঁকড়ে ধরে ফুল দেয় গাছগুলো। সেই ফুল থেকে শসা হয়। বুলবুলি, দোয়েল ও শালিক পাখি অনেক শসা নষ্ট করেছে বলে চোখে-মুখে বিরক্তি প্রকাশ করেন আনোয়ার।

তিনি জানান, জমি তৈরি, বীজ সংগ্রহ ও সার বাবদ ব্যয় হয় এক লাখ টাকা। পোকামাকড় দমনে সেক্স ফেরোমন ও আলোর ফাঁদ তৈরি করেছেন। তাই শসাগুলো স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। কৃষক আনোয়ার বলেন, ১৮০ শতক ক্ষেতে শসা চাষ করে ১০ হাজার কেজি বিক্রি করি। এখনও যে শসা আছে আরও ৫০০ থেকে এক হাজার কেজি শসা বিক্রি করা যাবে। সব মিলিয়ে আমার আয় হবে চার লাখ। খরচ এক লাখ বাদ দিলে তিন লাখ টাকা লাভ হবে।

রাজগঞ্জ বাজারের পাইকার আবদুল মোতালেব বলেন, আনোয়ারের স্বল্পকালীন জাতের শসা স্বাদে ভালো। গত এক মাসে অনেক বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। ক্রেতারা আমাদের কাছে দু-তিন মণ করে শসার অর্ডার করতেন। আমরা আনোয়ারকে জানাতাম। পরে গাড়িতে সেই শসা নিয়ে আসি। আমরা ৪০ টাকায় এনে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতাম।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান জানান, আনোয়ার হোসেন একজন কৃষি উদ্যোক্তা। নতুন কৃষি ফসল উৎপাদনে আনোয়ারের জুড়ি নেই। চলতি বছরের শুরুতে হলুদ তরমুজ, ব্ল্যাকব্যারি জাতের তরমুজ ও মরুর ফল সাম্মাম চাষ করে সফল হয়েছেন।

তিনি জানান, আনোয়ার যখনই কোনো সমস্যায় পড়েন, তখনই কৃষি অফিস থেকে সহযোগিতা করা হয়। তার মতো কৃষকদের যেকোনো ধরনের পরামর্শ দিতে কৃষি অফিস সব সময়ই প্রস্তুত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
ইঁদুরের গর্তের জমানো ধান সংগ্রহে স্থানীয় শিশুরা
কৃষি বিভাগ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে ঝরে পড়া ও ইঁদুরের গর্তে জমানো ধান সংগ্রহে মেতে উঠেছে স্থানীয় শিশুরা। রোদ কিছুটা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাতে খুন্তি, কোদাল, শাবল, ব্যাগ নিয়ে দল বেঁধে ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান সংগ্রহ করতে নেমে পড়েন ফসলের মাঠে। স্থানীয়ভাবে যাকে বলে ইঁদুরের গোলায় হানা। কোনো কোনো ইঁদুরের গর্তে মেলে প্রায় ৮ থেকে ১০ কেজি ধান।

এ মৌসুমে অনেক শিশু-কিশোর স্কুলে না গিয়ে দিন পার করছে ফসলের মাঠে। ইঁদুরের গর্তে ধান সংগ্রহ করতে আশা সাগর জানান, তাদের সংগ্রহ করা এই ধান ২ থেকে ৩ মাসের খাবারের যোগান দেয়।

গাড়াগ্রাম বিলে ধান সংগ্রহ করতে আসেন বেশ কয়েকজন কোমলমতি শিশু-কিশোর। এসময় তরিকুল ইসলাম নামে একজন বলেন, বিভিন্ন মাঠে সংগ্রহ করা ধান বিক্রির টাকা দিয়ে পোশাক ও কেউ খাতা-কলম কেনেন।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ফসলের মাঠে শিশু-কিশোররা দল বেঁধে চষে বেড়াচ্ছেন। তারা তুলছেন পড়ে থাকা গোছা ধানের শীষ। ভাগ বসাচ্ছেন ইঁদুরের গর্তে জমানো ধানেও। দৈনন্দিন এমন দৃশ্য চোখে পড়ার মতো।

চাঁদখানা ইউনিয়নের নগরবন গ্রামের আমন ধান চাষি শাহজাহান সিরাজ বলেন, ক্ষেত থেকে ইঁদুর ধানের শীষ কেটে নিয়ে গর্তে মজুদ রাখে। শিশু-কিশোরাও যেন ইঁদুরের ব্যতিক্রম নয়। তবে মাটিতে পড়ে থাকা ধান সংগ্রহে আমরা বাধা দেই না। এতে এক দিকে পড়ে থাকা ধানের অপচয় রোদ হয়। অন্যদিকে গ্রামের অনেক পরিবার এই ধান দিয়ে শীতকালীন মুড়ি, পিঠা তৈরি করে সংসারে আয়-রোজগার করেন।

নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলার কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান বলেন, ধান ঘরে তোলার পর শূন্য ফসল মাঠে ধান কুড়ানি এবং ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান সংগ্রহ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। তবে এখন আগের মতে ইঁদুরের গর্তে তেমন ধান পাওয়া যায় না। কারণ কৃষক পর্যায়ে ইঁদুর নিধনে নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ধান কাটা ও মাড়াই করলে ধানের অপচয় রোধ হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৫, ২০২১ ৯:১৭ অপরাহ্ন
বগুড়ার শেরপুরে কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার শেরপুরে বোরো মৌসুমে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রায় দুই হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার-বীজ বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে এই বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ময়নুল ইসলাম।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু উপস্থিত থেকে এক হাজার সাতশ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের হাতে বোরো উফশী ধানের বীজ-সার এবং হাইব্রিড বীজ তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কষি কর্মকর্তা মোছা. জান্নাতুল ফেরদৌস। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সহসভাপতি আলহাজ মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শাহজামাল সিরাজী।
এছাড়া অন্যদের মধ্যে পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মকবুল হোসেন, কৃষকলীগের সভাপতি এসএম আবুল কালাম আজাদ, কৃষি অফিসের কর্মকর্তা ছামিদুল ইসলাম, মাসউদ আলম প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

স্থানীয় কৃষি অফিস জানায়, চলতি ২০২১-২২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বোরো উফশী ও হাইব্রিড ধানের ফলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে এসব সার-বীজ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেক কৃষককে এক বিঘা জমির জন্য পাঁচ কেজি বীজ, দশ কেজি ডিএপি ও দশ কেজি এমওপি দেওয়া হয়। এছাড়া হাইব্রিড প্রতি বিঘা জমির জন্য দুই কেজি বীজ দেওয়া হয় বলে সূত্রটি জানায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৫, ২০২১ ৮:৪৭ অপরাহ্ন
হাওর, পাহাড়ি জমিতে ফসল উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে-কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপকূলের লবণাক্ত, হাওর, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ প্রতিকূল পরিবেশে ও জমিতে ফসল উৎপাদনে সরকার এখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকারের আমলে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জিত হয়েছে। সরকার এখন সব মানুষের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করছে। কিন্তু ক্রমহ্রাসমান চাষযোগ্য জমি, বিপরীতে ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠী ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই বা ধরে রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

রোববার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস’ উপলক্ষে এক সেমিনার, শোকেসিং, সয়েল কেয়ার অ্যাওয়ার্ড ও মৃত্তিকা দিবস পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বিশ্ব মৃত্তিকা দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য ‘লবণাক্ততা রোধ করি, মাটির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করি’। অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট প্রকাশিত ‘সয়েল অ্যাটলাস অব বাংলাদেশ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশে লবণাক্ততা একটি বড় সমস্যা। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে লবণাক্ত জমির পরিমাণ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায়, খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা স্থিতিশীল ও টেকসই রাখতে হলে উপকূলীয় ও দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত জমিতে চাষযোগ্য জাত এবং উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ছড়িয়ে দিতে হবে। সেজন্য, আমরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে আমাদের কৃষি বিজ্ঞানীরা অনেক ফসলের লবণাক্ততাসহিষ্ণু উন্নত জাত উদ্ভাবনে করতে সক্ষম হয়েছে। এসব জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তি চাষিদের মধ্যে দ্রুত সম্প্রসারণের জন্য কাজ চলছে।

তিনি বলেন, জনসংখ্যা যে হারে বাড়ছে, উপকূলের লবণাক্ত জমিকে কাজে লাগাতে না পারলে খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব হবে না। সেটিকে বিবেচনায় নিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো সঠিক পথে নিরলসভাবে কাজ করছে। ফলে, আগে যেখানে বছরে একটি ফসল হতো, এখন সেখানে ২-৩টি ফসল হচ্ছে। এসব কার্যক্রমকে আরও জোরদার ও গতিশীল করতে মন্ত্রণালয় প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রেখেছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন, ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব হাসানুজ্জামান কল্লোল, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিধান কুমার ভান্ডার, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মো. বখতিয়ার, এফএওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৫, ২০২১ ৫:৩৪ অপরাহ্ন
নাসিরনগরে কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির ২০২১-২২ অর্থবছরে রবি মৌসুমে বোরো ধানের উচ্চ ফলনশীলজাতের বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ২ হাজার জন কৃষকের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন করা হয়েছে।

রোবাবর (৫ ডিসেম্বর) উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উদ্যোগে সার ও বীজ বিতরণের উদ্বোধন করেন সমাজ কল্যান মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বদরুদ্দোজা মোঃ ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এমপি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হালিমা খাতুনের সভাপতিত্বে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সাইদ মোঃ তারেকের পরিচালনায় এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান রাফিউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা চিন্ময় অপু, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগ দলীয় নেতৃবৃন্দসহ কৃষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে ১৩টি ইউনিযনের ২০০০ জন কৃষককের প্রত্যেককে ৫ কেজি ধান বীজ,২০ কেজি সার প্রদান করা হয়।

এছাড়াও সমম্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় উন্নয়ন সহায়তা (ভর্তুকি) কার্যক্রমের কৃষিযন্ত্র বিতরণ করেন বদরুদ্দোজা মোঃ ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এমপি।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৫, ২০২১ ৪:১৬ অপরাহ্ন
হাওরের বোরো ধানের বীজতলা পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক
কৃষি বিভাগ

হাওরে মানেই বর্ষায় থৈ থৈ পানি, আর শীতে অবাধ সবুজের সমারোহ। দিগন্ত জোড়া মাঠের চারদিকে এখন সবুজ ধানের কোলাহল তৈরি হবে। যতদূর চোখ যাবে শুধু চোখে ভাসবে সবুজ ধানের ক্ষেত। 

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের কৃষকরা এখন বোরো ধানের বীজতলা পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতিবছর হাওরের চিত্র, আর এবছরের চিত্র কিছুটা ভিন্ন।এবার হাওরের পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় বোরো চাষিরা অত্যন্ত খুশি। তারা এখন দলবেঁধে বোরা চাষ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

বোরো ধানের বীজতলায় হাওরাঞ্চল এখন সবুজে সবুজে একাকার। কিশোরগঞ্জের এক হাজার চারশত সত্তুর বর্গকিলোমিটার হাওরাঞ্চলে চলছে বোরো আবাদের প্রস্তুতি। এ অঞ্চলের কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন বীজতলার পরিচর্যায়।

জেলার মিঠামইন উপজেলার কৃষক ছফির উদ্দিন জানান, হাওরের পানি আগেভাগে নেমে যাওয়ায় চলতি বোরো মৌসুমে বীজতলা তৈরি করতে আমাদের সুবিধা হয়েছে। এখন বীজতলা পরিচর্যার পাশাপাশি জমিও প্রস্তুত করছি। কয়েকদিনের মধ্যে ধানের চারা জমিতে লাগাতে পারবো।

আরেক চাষি মো. লতিফ মিয়া বলেন, সময়টা ভালই আশা করি সব ঠিকঠাক থাকলে ফলনও ভাল হবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগতো প্রতি বছরই কমবেশি থাকে। কিন্তু ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরা শঙ্কায় আছি। এতে করে উৎপাদন খরচও বেড়ে যাবে এ বছর। ধানের ফলন ভাল হলেও, ধানের দাম যদি বেশি না পাই তাহলে আমরা ক্ষতির মুখে পড়বো।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক মো. ছাইফুল আলম বলেন, হাওরাঞ্চলের চাষিদের বোরো ধানের বীজতলা তৈরির বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছি। এমনকি সরেজমিনেও তাদের জায়গাগুলো দেখেছি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর হাওরের পানি দ্রুত চলে যাওয়ায়, হাওরের কৃষকরা বীজতলা প্রস্তুত করার সময় অনেক আগেই পেয়ে গেছেন। এটা কৃষকদের জন্য খুশির খবর। যদি বড় ধরনের প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগ না হয়, তাহলে হাওরে এবছর বোরো উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করবে।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চলতি বছর জেলায় ১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪০০শ ৮৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে ধানের দাম ভাল, তাই এ মৌসুমে বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে আশা করা যাচ্ছে। তবে, ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ধানের ন্যায্য দাম নিয়েও শঙ্কায় রয়েছে কৃষক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৫, ২০২১ ৩:৪২ অপরাহ্ন
মানিকগঞ্জের মৌচাষিরা মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন
কৃষি বিভাগ

মানিকগঞ্জে এখন সরিষার ভরা মৌসুম। এই সময়ে ব্যস্ত সময় পার করছে মৌ-চাষিরা। মানিকগঞ্জের ৭টি উপজেলাতে চলতি মৌসুমে ৭০ থেকে ৮০ মেঃ টন মধু সরিষা ফুল থেকে সংগ্রহ করার টার্গেট করে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে মৌ-চাষিরা। মধু আহরন করতে পারলে এ চলতি মৌসুম এ ২ কোটি টাকা মধু বিক্রয় হবে বলে ধারনা করছে মৌচাষিরা।সদর, ঘিওর, দৌলতপুর, শিবালয়, সাটুরিয়া, সিংগাইর, হরিরামপুর, এলাকার বিভিন্ন স্থানে ৫ শতাধিক মৌয়ালরা সরিষা ক্ষেতে কাঠের বাস্ক মৌমাছি পালন করে মধু উৎপাদন মাঠে নেমে পরেছে।

মৌচাষিরা সকালে তাদের বাস্ক থেকে মৌমাছি ছেড়ে দেয়। সন্ধ্যার সময় দল বেধেঁ মৌমাছি মধু আহরন করে আবার ফিরে আসে। মধু ভারত, মালেশিয়া,কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে এলাকার অনেক যুবক। মানিকগঞ্জে এবার ৩৬ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে। ফরিদপুর, যশোহর, গাজিপুর, পাবনা, নারায়নগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, সাতক্ষিরা ও খুলনা থেকে অনেক মৌচাষিরা মানিকগঞ্জের ৭টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মধু সংগ্রহের জন্য সকল প্রকার প্রস্তুতি নিয়েছে। জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধির জন্য এর ফুল ও পাতা ঝরে জৈব সার তৈরি হয়। ফলে মানিকগঞ্জের ৭টি উপজেলার অনেক কৃষক ধানের পাশাপাশি সরিষা চাষের দিকে ঝুঁকে পরেছে। চলতি বছরে আবহাওয়া অনুকুলে থাকার দরুন সরিষা আবাদ করে অনেক কৃষক বেশি লাভবান হয়েছে।

খুচরা প্রতি কেজি মধু তারা ২৫০ টাকা থেকে ৩শ’ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করেন। কোম্পানীর কাছে তারা ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা কেজি মধু বিক্রি করেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের জানান, চলতি মৌসুমে সরিষা ফুল থেকে প্রায় ৭০থেকে ৮০ টন মধু আহরনের সম্ভবনা রয়েছে। ফসলি জমিতে মধু আহরনে জমির কোন ক্ষতি হবার সম্ভবনা নেই। গত বছরে প্রায় ৬০ মেঃ টন মধু আহরন করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য ছিল প্রায় এক কোটি টাকা। তবে চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৫, ২০২১ ৩:০৯ অপরাহ্ন
কৃষি জমি রক্ষায় অঞ্চলভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের যত্রতত্র শিল্প-কারখানা করা যাবে না। কৃষিজমি রক্ষা করতে, কোভিড পরিস্থিতির পর বিশ্বের অনেক দেশ খাদ্য সংকটে ভুগছে, যদিও সে সমস্যা বাংলাদেশে নেই। তবুও চাষের জমি রক্ষা করতে হবে। খাদ্য চাহিদা কখনও কমবে না বরং বাড়বে।

রবিবার (৫ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় এসএমই পণ্য মেলা-২০২১’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে খাদ্য উৎপাদন ও শিল্পায়ন দুটোই প্রয়োজন। এজন্য সুনির্দিষ্ট জায়গায় শিল্পায়ন করতে হবে, যাতে উৎপাদন ব্যহত না হয়। এজন্য সারাদেশে ১০০টি শিল্পনগরী গড়ে তোলা হচ্ছে। বিসিকের শিল্পাঞ্চল সম্প্রসারিত হচ্ছে। এসবের মধ্যে শিল্পায়ন করতে হবে। তাতে বর্জ্যব্যবস্থাপনাও ঠিক থাকবে। পরিবেশ নষ্ট হবে না।

এসএমই ফাউন্ডেশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি উদ্যোক্তা হয় তবে সে কোথায় কারখানা করবে সেটা ঠিক করে দেওয়ার ব্যবস্থা নিন। নিজস্ব জায়গায় করলে, সেখানে কীভাবে বর্জ্যব্যবস্থাপনা করবে সেটা ভালোভাবে দেখতে হবে।

তিনি বলেন, অঞ্চলভিত্তিক শিল্পকে কাজে লাগাতে হবে। যে অঞ্চলে যে পণ্য হচ্ছে সেগুলো কাজে লাগাতে হবে। ওই অঞ্চলে সেই ধরনের শিল্পনগরী করতে হবে। কোন দেশে কোন ধরনের পণ্যের চাহিদা রয়েছে, সেটা দেশের কোথায় থেকে কীভাবে পূরণ করা সম্ভব সেগুলো নিয়ে ভাবতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা কৃষি ও খাদ্যপ্রক্রিয়াজাত শিল্পকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। মাছ-সবজি উৎপাদন অনেক বাড়িয়েছি। এজন্য উদ্বৃত্ত সম্পদকে সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশি বাজার ধরতে হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop