৪:৩৬ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ৭, ২০২১ ২:৩১ অপরাহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেড়েছে তুলা চাষ
কৃষি বিভাগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে তুলা চাষে সফল হয়েছেন চাষিরা। বরেন্দ্র অঞ্চলের অনাবাদী ও উঁচু জমিতে ধানের বিকল্প হিসেবে তুলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।  চলতি বছর প্রায় ৩’শ বিঘা জমিতে তুলার চাষ হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তুলা চাষ লাভজনক ও পরিবেশ বান্ধব। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার পূর্ব লক্ষনপুর গ্রামের সাঁওতাল যুবক জুসেন টুডু। বাবার জমি থাকলেও, সেচ সংকটের কারণে ঠিকমত ধানচাষ করতে পারতেন না। কৃষি বিষয়ে ডিপ্লোমা করা এই যুবক সেই জমিতে তুলার চাষ করে সফল হয়েছেন। টুডুর মতো অনেক কৃষক এখন ধানের ধানের পরিবর্তে বিনা সেচে তুলা চাষ করছেন।

সংশ্লিষ্ঠরা বলছেন, বরেন্দ্র এলাকার কৃষি অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে তুলার বাণিজ্যিক চাষাবাদ। তাই তুলার চাষাবাদ বাড়াতে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড।

গবেষকরা বলছেন, পানি সাশ্রয়ী ও পরিবেশ বান্ধব ফসল হওয়ায় বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া তুলা চাষের জন্য উপযোগী।

তিনি আরও জানান, দেশে প্রতিবছর তুলার চাহিদার মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ উৎপাদিত হয়। এ অবস্থায় আমদানি নির্ভরতা কমাতে বরেন্দ্র অঞ্চলের উঁচু ও অনাবাদী জমি হতে পারে তুলা চাষের নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৭, ২০২১ ২:০২ অপরাহ্ন
টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে কৃষকের স্বপ্ন
কৃষি বিভাগ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় আমন ধান ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাদারীপুরে চার উপজেলার প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমির বীজতলা তলিয়ে গেছে। ক্ষতি হয়েছে রবিশস্যেরও। এতে বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা।

জাওয়াদের প্রভাবে গত দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে ক্ষেতের ফসল। আমন ধান ও বোরো বীজতলা ডুবে আছে পানিতে। রবিশস্য ও সবজির একই অবস্থা।

মাদারীপুরে কোথায় পুরো বীজতলা পানির নিচে, আবার কোথায়ও গলাপানিতে ভাসতে কৃষকের স্বপ্ন। সদর, রাজৈর, কালকিনি ও শিবচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমির বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ঋণ নিয়ে এসব বীজতলা তৈরি করলেও নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কৃষকের এখন মাথায় হাত। লোকসানের মুখে কয়েক হাজার কৃষক।

কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা জানায়, বৃষ্টির প্রভাবে ধানের বীজতলা নিমজ্জিত হয়েছে। এতে করে কয়েক মণ বীজ অঙ্কুরেই ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়াও যারা সরিষা এবং কলাইয়ের বীজ ফেলেছিল, তাদেরও বীজতলা ডুবে গেছে। এমতবস্থায় কৃষকেরা সরকারের সাহায্য কামনা করেন।

এছাড়াও যশোরে শীতকালীন সবজিসহ রবিশস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়া ৭০ ভাগ ফসলই নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় আছেন চাষিরা। এতে করে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে তারা। এ ক্ষতি কোনোভাবেই পুষিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে কৃষকেরা।

এ ব্যাপারে যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, আগামীতে যে প্রণোদনা আসবে, কৃষকদের সেখানে অন্তর্ভুক্ত করতে চেষ্টা থাকবে আমাদের। এছাড়াও কৃষকরা যাতে বিনামূল্যে বীজ পায় সেই চেষ্টাও অব্যহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৭, ২০২১ ১২:২৯ অপরাহ্ন
বীজ বুনেই মাথায় হাত মুন্সীগঞ্জের আলুচাষিদের
কৃষি বিভাগ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে গত কয়েকদিন ধরে সারাদেশে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে শঙ্কায় পড়েছেন মুন্সীগঞ্জের আলুচাষিরা। রবি ও সোমবারের বিরতিহীন বৃষ্টিপাতে অধিকাংশ আলুর জমিতে পানি জমে গেছে। জেলার মোট কৃষিজমির প্রায় অর্ধেক জমিতে আলু চাষ করা হয়। ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৪০ ভাগ জমিতে আলুচাষ সম্পন্ন হয়েছে।

কৃষকরা জানান, আবহাওয়ার পুর্বাভাস পেয়েই কৃষকরা এখনও লক্ষ্যমাত্রার সব জমিতে বীজ রোপণ করেননি। তা না হলে অন্যান্য বছর আরও ১০-১২ দিন আগেই জেলার সব জমিতে আলু রোপণ সম্পন্ন হয়ে যায়।

আলুচাষি মাসুদুর রহমান তার মোট জমির প্রায় ৫০ ভাগ জমিতে আলু রোপণ করেছেন। তিনি বলেন, প্রায় ১৪৫ শতাংশ জমিতে আড়াই লাখ টাকা ব্যয়ে চাষ করেছি। আবহাওয়া খারাপ হতে পারে জেনে পুরো জমিতে এখনও বীজ বপন করিনি। কিন্তু, যতটুকু চাষ সম্পন্ন করেছি তার অবস্থা এখন খারাপ। নালা কেটে পানিও সরাতে পারছি না। কারণ, পানি কেটে অন্যের জমিতে দিলে সে জমির মালিক আপত্তি করবে। এখন মনে হয় পুনরায় চাষ করতে হবে। কারণ, বৃষ্টি থামারও কোনও লক্ষণ দেখছি না।

আরেক আলুচাষি ওবায়দুল্লাহ বলেন, আলু চাষ করা আমাদের নেশা। লাভ ক্ষতি যাই হোক আমরা চাষ করি। এখন বৃষ্টির কারণে সব আলুবীজ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। নালা কেটে পানি সরানোর উপায় নেই। আবার অনেক জমিতে আলুবীজ বৃষ্টির পানিতে ভেসে উঠছে। কাজেই নতুন করে চাষ করা ছাড়া উপায় নেই।

মুন্সীগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক খুরশিদ আলম জানান, মুন্সীগঞ্জে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৭ হাজার ৯০০ হেক্টর। এর মধ্যে ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে আলু রোপণ হয়েছে। যেসব জমিতে ১০-১২ দিন আগে আলু চাষ হয়েছে, সেসব জমিতে ইতোমধ্যে আলুর গাছ গজিয়ে গেছে। এই জমিগুলোতে শুধু নালা কেটে জমে থাকা পানি বের করে দিতে হবে এবং একটি ছত্রাকনাশক ছিটাতে হবে। তাহলে আলুগাছের কোনও ক্ষতি হবে না। যেসব জমিতে ২-৩ দিন আগে বীজ বপন করা হয়েছে, সেসব জমিতে পুনরায় আলু রোপণের প্রয়োজন নেই। শুধু নালা কেটে পানি বের করে দিতে হবে।

তিনি জানান, যদি মঙ্গলবারের (৭ ডিসেম্বর) বৃষ্টি থেমে যায় তাহলে কিছুটা শঙ্কা দূর হবে। আর যদি না থামে তাহলে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হবে। তবে জেলায় আলুচাষের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে সপ্তাহখানেক সময় লাগবে।

তবে, দুর্যোগে কৃষকের ক্ষতি হলে সরকারের পক্ষ থেকে কোনও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা এখনও করা হয়নি। সরকার যদি ব্যবস্থা নেয় তাহলে কৃষকদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানা তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৭, ২০২১ ১২:০৫ অপরাহ্ন
ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদে ১০ জেলায় আমনের ব্যাপক ক্ষতি
কৃষি বিভাগ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদসৃষ্ট প্রবল বর্ষণে ক্ষতির শিকার হয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলার আমন ধান। এর মধ্যে যশোর অঞ্চলের ছয় জেলার ৯৪ হাজার ৫৩৮ হেক্টর ও বরিশাল অঞ্চলের চার জেলায় ৩৮ হাজার ৪২৯ হেক্টর আবাদি জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে ১০ জেলায় প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৬৭ হেক্টর জমিতে আবাদকৃত আমন ক্ষতির শিকার হয়েছে।

দেশের জেলাগুলোকে কয়েকটি কৃষি অঞ্চলে বিভক্ত করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)। এর মধ্যে যশোর ও বরিশাল অঞ্চল অন্যতম। প্রবল বর্ষণে যশোর অঞ্চলে আমনের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলো হলো যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা। বরিশাল অঞ্চলের জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও পটুয়াখালী।

ঘূর্ণিঝড়সৃষ্ট অকালবর্ষণে আমনের চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শিগগিরই নির্ধারণ করা হবে বলে ডিএই সূত্রে জানা গিয়েছে। চলতি বছর সারা দেশে আমন মৌসুমের ধান-চাল উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য হাতে নিয়েছিল ডিএই। বর্তমান পরিস্থিতিতে সে লক্ষ্য পূরণ হওয়া নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, গত অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে ৫৬ লাখ ২৫ হাজার ৯০৭ হেক্টর জমি থেকে ১ কোটি ৪৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৬৩ টন চাল উৎপাদন হয়। এ সময় আগের অর্থবছরের (২০১৯-২০) তুলনায় উৎপাদন বেড়েছে প্রায় আড়াই লাখ টন। আমন মৌসুমের উৎপাদনে এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখার পরিকল্পনা করেছিল ডিএই। চলতি অর্থবছরে আমন মৌসুমে ৫৮ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর জমি থেকে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ৪৬ হাজার টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্য হাতে নিয়েছিল সংস্থাটি। এরই মধ্যে দেশের প্রায় ৫৭ লাখ ৬৩ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। দেশে আমন মৌসুমের ধান-চালের বড় একটি অংশ আসে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে। চলমান প্রেক্ষাপটে জাওয়াদের প্রভাবে সৃষ্ট অকালবর্ষণে আমন ধানের ক্ষতির মাত্রা দ্রুততার সঙ্গে নির্ধারণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে যশোর ও বরিশাল কৃষি অঞ্চলে বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলোর পুরোপুরি নষ্ট হওয়া ধানের পরিমাণ কম বলে জানিয়েছেন ডিএইর কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানেই সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে বিষয়টি এমন নয়। কোথাও কোথাও আক্রান্ত ফসল থেকে কিছু কিছু ধান উদ্ধার করা সম্ভব হবে। উত্তরের জেলাগুলোয় এবং উপকূলীয় বেশকিছু জেলায় বেশির ভাগ জমির ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। এ কারণে বৃষ্টিতে অল্প কিছু ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে বীজ রাখার ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হবে। খড়েরও কিছু ক্ষতি হবে। আগে থেকেই ঘোষণা দেয়া হয়েছিল কৃষকরা যাতে ধান দ্রুত কেটে ফেলেন। কিছুটা শ্রমিকস্বল্পতা ও আমন জমিতে শুকিয়ে কাটার প্রবণতার কারণে কিছু ধান ক্ষেতে রয়ে গিয়েছে। ফলে এবারের ঘূর্ণিঝড়ে আমন ধানে বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা কম। এছাড়া চলতি রবি মৌসুমে যেসব শস্য এরই মধ্যে লাগানো হয়েছে, বৃষ্টিতে কিছুটা হলেও সেগুলোর উপকার হবে। যা লাগানো বাকি আছে, বৃষ্টিতে জমি ভেজা থাকার কারণে তা রোপণে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। তবে মাটি সিক্ত থাকায় লাগানোর পর সেগুলোয় দ্রুত ফলন পাওয়া যাবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ উপকূলে আঘাত হানার আগেই দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। নিম্নচাপ হিসেবে এটির গতকাল মধ্যরাতে ভারতের উড়িশা উপকূল অতিক্রম করার কথা। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম ও সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে গতকাল সকালে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থান করে। নিম্নচাপের প্রভাবে বাংলাদেশ ও ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। তবে আজ থেকে দেশের বেশির ভাগ এলাকার আকাশ পরিষ্কার হতে থাকবে। এছাড়া তাপমাত্রা কমে শীত বাড়তে পারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও শস্যের সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করা প্রয়োজন, যাতে চালের কোনো ঘাটতির সম্ভাবনা থাকলে সহজেই সরবরাহ বাড়ানোর বিকল্প উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে থাকার উদ্যোগ নিতে হবে। বীজ, সার ও উপকরণ সহায়তা দিয়ে কৃষকের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভর্তুকি কার্যক্রম থেকেও কৃষকদের সহায়তা দেয়া প্রয়োজন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ৮:৫০ অপরাহ্ন
বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত সরিষার আবাদ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত সরিষার আবাদ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার(৬ ডিসেম্বর) জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বিনার হলরুমে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে উদ্বোধনী (ভার্চুয়ালী) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গকেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

বিনা আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তেল জাতীয় ফসলের বৃদ্ধি প্রকল্পের (বিনা অংগ) প্রকল্প সমন্বয়ক ড. মো. ইকরামুল হক এবং উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নাসির উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, এসও নাজমুন নাহার পপি, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, আমাদের চাহিদা মেটাতে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে ভোজ্য তেল আমদানি করতে হয়। তা কমিয়ে আনতে অন্যান্য তেল ফসলের পাশাপাশি সরিষার আবাদ বাড়াতে হবে। এর অংশ হিসেবে বিনাসরিষা-৯ চাষ করলে বেশি লাভবান হওয়া যাবে। কারণ, এতে তেলের পরিমাণ বেশি থাকে। হেক্টরপ্রতি ফলন হয় ১.৯ টন (প্রায়)। তাই স্বল্পকালিন আমন ধান কাটার পর এ জাতের সরিষা চাষ করলে দক্ষিণাঞ্চলের শস্যনিবিড়তা বাড়ানো সম্ভব।

বিনার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থীর জনপ্রতি ১ বিঘা জমির জন্য বিনা উদ্ভাবিত ১ কেজি সরিষার বীজ দেওয়া হয়। সেই সাথে ইউরিয়া টিএসপি, এমওপি, জিপসাম, জিংক সালফেট, এবং বরিক এসিড মিলে ৫০ কেজি রাসায়নিক সার বিতরণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ৪:২৬ অপরাহ্ন
বৃষ্টিতে সরিষা আবাদে ক্ষতির আশঙ্কা
কৃষি বিভাগ

টাঙ্গাইলে দুইদিন ধরে দফায় দফায় বৃষ্টি হচ্ছে। শীতের মধ্যে হওয়া এই বৃষ্টিতে জেলায় সরিষাসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। তবে সোমবারের (৬ ডিসেম্বর) মধ্যে বৃষ্টি শেষ হলে সরিষার তেমন ক্ষতি হবেনা বলে জানিয়েছেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার।

জেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানা যায়, চলতি মৌসুমে টাঙ্গাইলে ৪৭ হাজার ৯৮৩ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে।

সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের ভাটচান্দা গ্রামের সরিষা চাষী আল আমিন বলেন, এ বছর দুই বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছি। অর্ধেক জমিতে ফুল এসেছে। কিন্তু দুই দিন ধরে দফায় দফায় বৃষ্টি হওয়ায় ক্ষেতের ক্ষতি হতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ৩:৩২ অপরাহ্ন
কৃষিপণ্যে বছরে রপ্তানী আয় শত কোটি ডলার
কৃষি বিভাগ

দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন আশা জাগাচ্ছে কৃষিজাত পণ্য। পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে এই খাতের রপ্তানি আয়। গত অর্থ বছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০২ কোটি ডলার। তবে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বন্দরে পণ্য পাঠানোয় জটিলতা, উৎপাদিত পণ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ এর ব্যবস্থা না থাকা, কাঁচামাল ও মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানিতে শূল্ক ছাড়সহ প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তার অভাব। এসব বাধা দূর হলে, আগামি দুই থেকে তিন বছরে কৃষি পণ্য রপ্তানী খাত থেকে ৩’শ কোটি ডলার আয় করা সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। 

একসময় দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি ছিলো কৃষি। বর্তমানে কৃষিপণ্য রপ্তানি আয় এক সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে দেখা দিয়েছে। ইপিবির তথ্য মতে, এরই মধ্যে ইউরোপ ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশসহ ১৪৪ টি দেশে কৃষিপণ্য রপ্তানি হচ্ছে। গত পাঁচ বছরে দ্বিগুণ হয়েছে এই খাতের রপ্তানি আয়।

বিভিন্ন ধরনের মসলা, ফলের রস, পানীয়, রুটি, বিস্কুট ও চানাচুরজাতীয় শুকনা খাবার বেশি রপ্তানি হয়। উদ্যোক্তারা বলছেন, বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা ৩ কোটির বেশি প্রবাসী বাঙ্গালী দেশের কৃষিজাত পণ্যের বড় ভোক্তা। এছাড়া, উৎপাদন খরচ তুলনামুলক কম হওয়ায় বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের কৃষিজাত পণ্যের চাহিদা প্রচুর।

কিন্তু সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাত না করার কারণে কৃষকের উৎপাদিত বিভিন্ন শস্য ও ফসলের ৩০ শতাংশই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া, দেশে কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরনের পর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং বিশ্বমানের ল্যাবরেটরি গড়ে উঠেনি। বাংলাদেশ কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকারী সংগঠন- বাপা’র তথ্যমতে, এই খাতের পাঁচশতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিদেশে রপ্তানি করে মাত্র ১০০ প্রতিষ্ঠান।

কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি বাড়াতে মাঝারি এবং ছোট উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেয়া এবং দেশের কৃষিকে আরও উৎপাদনমুখী করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি আয়
অর্থ বছর                     আয়
২০১৬-১৭                 ৫৫.৩১ কোটি ডলার
২০১৭-১৮                 ৬৭.৩৭ কোটি ডলার
২০১৮-১৯                 ৯০.৮৯ কোটি ডলার
২০১৯-২০                 ৮৬.২০ কোটি ডলার
২০২০-২১                 ১০২.৮১ কোটি ডলার

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ২:৪১ অপরাহ্ন
আমন ধান ঘরে তোলা নিয়ে উদ্বিগ্ন কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

যশোরের বাঘারপাড়ার মাঠে মাঠে চলছিলো পাকা আমন ধান কাটার ধুম। আবহাওয়া ভালো থাকায় অনেকেই ধান কেটে বাড়িতে নিয়ে গিয়েছেন। তবে এরইমধ্যে দেখা দিয়েছে ঘূর্নিঝড় জাওয়াদের প্রভাব। গত তিন দিন সকাল থেকেই মেঘাচ্ছন্ন আকাশ আর টানা বৃষ্টিতে দুশ্চিন্তার ভাজ নেমে এসেছে কৃষকদের। শুকনো ধান ভিজে গেছে অনেক চাষীর। অনেকের ধান পানিতে ভাসছে। শেষ সময়ে কষ্টের ফলানো ধান ঘরে তোলা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তারা।

কৃষকরা বলছেন, আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় আমনের আশানুরুপ ফলন হয়েছে। কয়েকদিন ধরে সোনালি আমন ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েন কৃষাণ-কৃষাণীরা। আনন্দ আর উৎসাহ নিয়ে মাঠের অধিকাংশ ধান কেটে বাড়িতে নিয়েছেন। আবহাওয়া ভালো থাকলে কিছু দিনের ভিতর ধান ঘরে তোলার কাজ সম্পন্ন হবে। কিন্তু সে আশা গুড়েবালি। টানা বৃষ্টিতে ভিজে গেছে অনেকের শুকনো ধান। এতে ক্ষতির শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

সরেজমিনে বিল জলেশ্বর মাঠে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠের অধিকাংশ জমির ধান বাড়িতে নিয়েছেন চাষিরা। অনেকেই ধান কাটার পর শুকানোর জন্য রেখে দিয়েছিলেন। আবার কেউ কেউ শুকনো ধানের মুঠো বেঁধে গাদা করে রেখেছেন। টানা বৃষ্টিতে ভাসতে শুরু করেছে অধিকাংশ কৃষকের ধান।

বাঘারপাড়া গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ২ বিঘা জমিতে এবার আমন ধানের চাষ করেছিলেন। এরমধ্যে ১ বিঘা ৮ কাঠা বাড়িতে আনা হয়ে গেছে। ১২ কাঠা জমির ধান বৃষ্টিতে ভিজেছে। দুই দিন রৌদ্দুর হলে হাসি মুখে সব জমির ধান বাড়িতে আনতে পারতেন তিনি। এইরকম আবহাওয়া থাকলে অনেক ধান নষ্ট হয়ে যাবে তার।

শালবরাট গ্রামের কৃষক বাচ্চু মোল্যা বলেন, ১৭ কাঠা জমির ধান ভেজা অবস্থায় মুঠো বেঁধে গাদা করে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। আবহাওয়া ভালো না হলে আনা সম্ভব হবেনা। ২ বিঘা জমিতে চাষ করেছি, সব ধানই মাঠে পড়ে আছে। আবার ঘূর্ণিঝড় আসছে। চাষীদের একের পর এক দুর্ভোগ লেগে আছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুহুল আমিনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ২:০৫ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় শসা চাষে বাম্পার ফলনে আনোয়ারের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বলারামপুর গ্রামের যুবক কাজী আনোয়ার হোসেন স্বল্পকালীন জাতের শসা চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন। তিন মাসেই শসা বিক্রি করে তিন লাখ টাকা মুনাফা করেছেন। আনোয়ারের মুখে এখন তৃপ্তির হাসি। এর আগেও তিনি হলুদ তরমুজ ও মরুর ফল সাম্মাম চাষ করে সফল হয়েছেন। মুদি দোকানি থেকে কৃষি উদ্যোক্তা হওয়া আনোয়ার কৃষিতেই জীবনে সচ্ছলতা এনেছেন।

আনোয়ার জানান, সেপ্টেম্বরের শুরুতে ১৮০ শতক জমিতে শসার বীজ রোপণ করেন। চারা মাটি ভেদ করে উঁকি দিলে মাচা তৈরি করেন। প্রতিদিনই বেড়ে ওঠে শসাগাছ। মাচা আঁকড়ে ধরে ফুল দেয় গাছগুলো। সেই ফুল থেকে শসা হয়। বুলবুলি, দোয়েল ও শালিক পাখি অনেক শসা নষ্ট করেছে বলে চোখে-মুখে বিরক্তি প্রকাশ করেন আনোয়ার।

তিনি জানান, জমি তৈরি, বীজ সংগ্রহ ও সার বাবদ ব্যয় হয় এক লাখ টাকা। পোকামাকড় দমনে সেক্স ফেরোমন ও আলোর ফাঁদ তৈরি করেছেন। তাই শসাগুলো স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ। কৃষক আনোয়ার বলেন, ১৮০ শতক ক্ষেতে শসা চাষ করে ১০ হাজার কেজি বিক্রি করি। এখনও যে শসা আছে আরও ৫০০ থেকে এক হাজার কেজি শসা বিক্রি করা যাবে। সব মিলিয়ে আমার আয় হবে চার লাখ। খরচ এক লাখ বাদ দিলে তিন লাখ টাকা লাভ হবে।

রাজগঞ্জ বাজারের পাইকার আবদুল মোতালেব বলেন, আনোয়ারের স্বল্পকালীন জাতের শসা স্বাদে ভালো। গত এক মাসে অনেক বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। ক্রেতারা আমাদের কাছে দু-তিন মণ করে শসার অর্ডার করতেন। আমরা আনোয়ারকে জানাতাম। পরে গাড়িতে সেই শসা নিয়ে আসি। আমরা ৪০ টাকায় এনে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতাম।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান জানান, আনোয়ার হোসেন একজন কৃষি উদ্যোক্তা। নতুন কৃষি ফসল উৎপাদনে আনোয়ারের জুড়ি নেই। চলতি বছরের শুরুতে হলুদ তরমুজ, ব্ল্যাকব্যারি জাতের তরমুজ ও মরুর ফল সাম্মাম চাষ করে সফল হয়েছেন।

তিনি জানান, আনোয়ার যখনই কোনো সমস্যায় পড়েন, তখনই কৃষি অফিস থেকে সহযোগিতা করা হয়। তার মতো কৃষকদের যেকোনো ধরনের পরামর্শ দিতে কৃষি অফিস সব সময়ই প্রস্তুত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
ইঁদুরের গর্তের জমানো ধান সংগ্রহে স্থানীয় শিশুরা
কৃষি বিভাগ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে ঝরে পড়া ও ইঁদুরের গর্তে জমানো ধান সংগ্রহে মেতে উঠেছে স্থানীয় শিশুরা। রোদ কিছুটা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাতে খুন্তি, কোদাল, শাবল, ব্যাগ নিয়ে দল বেঁধে ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান সংগ্রহ করতে নেমে পড়েন ফসলের মাঠে। স্থানীয়ভাবে যাকে বলে ইঁদুরের গোলায় হানা। কোনো কোনো ইঁদুরের গর্তে মেলে প্রায় ৮ থেকে ১০ কেজি ধান।

এ মৌসুমে অনেক শিশু-কিশোর স্কুলে না গিয়ে দিন পার করছে ফসলের মাঠে। ইঁদুরের গর্তে ধান সংগ্রহ করতে আশা সাগর জানান, তাদের সংগ্রহ করা এই ধান ২ থেকে ৩ মাসের খাবারের যোগান দেয়।

গাড়াগ্রাম বিলে ধান সংগ্রহ করতে আসেন বেশ কয়েকজন কোমলমতি শিশু-কিশোর। এসময় তরিকুল ইসলাম নামে একজন বলেন, বিভিন্ন মাঠে সংগ্রহ করা ধান বিক্রির টাকা দিয়ে পোশাক ও কেউ খাতা-কলম কেনেন।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ফসলের মাঠে শিশু-কিশোররা দল বেঁধে চষে বেড়াচ্ছেন। তারা তুলছেন পড়ে থাকা গোছা ধানের শীষ। ভাগ বসাচ্ছেন ইঁদুরের গর্তে জমানো ধানেও। দৈনন্দিন এমন দৃশ্য চোখে পড়ার মতো।

চাঁদখানা ইউনিয়নের নগরবন গ্রামের আমন ধান চাষি শাহজাহান সিরাজ বলেন, ক্ষেত থেকে ইঁদুর ধানের শীষ কেটে নিয়ে গর্তে মজুদ রাখে। শিশু-কিশোরাও যেন ইঁদুরের ব্যতিক্রম নয়। তবে মাটিতে পড়ে থাকা ধান সংগ্রহে আমরা বাধা দেই না। এতে এক দিকে পড়ে থাকা ধানের অপচয় রোদ হয়। অন্যদিকে গ্রামের অনেক পরিবার এই ধান দিয়ে শীতকালীন মুড়ি, পিঠা তৈরি করে সংসারে আয়-রোজগার করেন।

নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলার কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান বলেন, ধান ঘরে তোলার পর শূন্য ফসল মাঠে ধান কুড়ানি এবং ইঁদুরের গর্ত থেকে ধান সংগ্রহ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। তবে এখন আগের মতে ইঁদুরের গর্তে তেমন ধান পাওয়া যায় না। কারণ কৃষক পর্যায়ে ইঁদুর নিধনে নানা পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ধান কাটা ও মাড়াই করলে ধানের অপচয় রোধ হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop