৬:০০ অপরাহ্ন

রবিবার, ১৫ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ৫, ২০২১ ১২:৪০ অপরাহ্ন
মেহেরপুরে বেড়েছে ওলকপি চাষ
কৃষি বিভাগ

মেহেরপুর জেলায় শীত মৌসুমে সবজি চাষে ওলকপি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ভালো দাম পাওয়ায় মেহেরপুর জেলায় জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ওলকপির চাষ। বাঁধাকপি, ফুলকপি উৎপাদনে অনেক ঝুঁকি থাকলেও ওলকপি উৎপাদনে অনেকটা ঝুঁকিমুক্ত ও রোগবালাই কম। এসব কারণে শিক্ষিত বেকার যুবকেরাও উদ্যোগী হচ্ছে ওলকপির চাষে। দাম এবং চাহিদা ভালো থাকায় মেহেরপুরের ওলকপি সারাদেশে কিনে নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা।

কপির মধ্যে অন্যতম সবজি হলো ওলকপি। অন্যান্য কপি চাষের থেকে ওলকপি চাষে খরচ কম। অল্প খরচে বেশি লাভ হওয়ায় মেহেরপুরে বাণিজ্যিক ভাবে ওলকপি চাষ প্রতিবছরই বাড়ছে। এলাকার চাহিদা মিটিয়ে ওলকপি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করছে কৃষকরা। বিঘাপ্রতি জমিতে ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ করে লক্ষাধিক টাকা ঘরে তুলছে চাষি। কৃষি বিভাগের হিসেবে চলতি বছর জেলায় ৭৫ হেক্টর জমিতে ওলকপি চাষ হয়েছে।

আমাদের দেশের কৃষকরা বেশিরভাগ সময়ে চারা রোপণ করে ওলকপির চাষ করে থাকে। তবে চারা রোপণ না করাই ভালো। কারণ এতে কোনো ভাবে রোপণের সময় প্রধান শিকড় ভেঙ্গে যেতে পারে । কৃষি বিভাগের মতে সারিতে বীজ বুনলে সারি থেকে সারির দূরত্ব ৩০ সেন্টিমিটার বা ১ ফুট রাখতে হবে এবং চারা রোপণ করলে চারা থেকে চারা ২০ সেন্টিমিটার বা ৮ ইঞ্চি দূরত্বে রোপণ করতে হবে।

চাষিরা জানায়, বাঁধাকপি ও ফুলকপি চাষে পাতামরা রোগ ও পোকার আক্রমণের ঝুঁকি থাকলেও এ জাতের কপি চাষে ঝুঁকি কম। এছাড়া ৪০ থেকে ৪৫ দিনে এ কপি বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে।

সব মাটিতেই ওলকপি চাষ হলেও হালকা দো-আঁশ মাটি ওলকপি চাষের জন্য উপযোগী। অধিক বৃষ্টিপাত এ সবজি চাষের জন্য ক্ষতিকর। গাছের দ্রুত বেড়ে ওঠার জন্য আলোর প্রয়োজন। আমাদের দেশে সাধারনত রবি মৌসুমে ওলকপির চাষ হয়।

সদর উপজেলার উজুলপুর গ্রামের জুয়েল আহমেদ বাবু জানান, তিনি চার বছর ধরে শীতকালীন সবজি হিসেবে ওলকপি চাষ করেন। এ পর্যন্ত কোনবছর লোকসান হয়নি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার খাঁ জানান- ওলকপি চাষ করে চাষিরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে। খরচ কম ও লাভ বেশি হওয়ায় ওলকপি চাষ বৃদ্ধিতে চাষিদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। মূলত এটি একটি শীতকালীন সবজি। এ সবজির পুষ্টিগুণ প্রচুর ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৫, ২০২১ ১২:১৬ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে আগাম জাতের আলু চাষে লাভবান কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

আলু চাষে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জেলা জয়পুরহাটে আগাম জাতের আলু চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। বাজারে আসতে শুরু করেছে নতুন আলু। ভালো দাম পেয়ে খুশি বলে আলুচাষিরা জানান।

জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়, কৃষকরা এখন মাঠে আগাম জাতের আলু তোলা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। আগাম জাতের ক্যারেজ আলু চাষ করে বিঘা প্রতি ২৫/৩০ মণ ফলন পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের চাষি সম্ভু চন্দ্র। আগাম জাতের আলুতে ভালো লাভ পাওয়া যায় এ জন্য প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দুই বিঘা জমিতে আগাম জাতের ক্যারেজ আলু চাষ করেছেন বলে জানান। বর্তমান বাজারে দুই হাজার টাকা থেকে ২ হাজার ৪শ টাকা পর্যন্ত প্রতি মণ আলু পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। ভালো দাম পাওয়ায় খুশি বলে জানান আলুচাষি সম্ভু চন্দ্র ।

কালাই উপজেলার কাজীপড়িা এলাকার কৃষক মোসলেম উদ্দিন এবার ৪ বিঘা জমিতে আগাম জাতের আলু চাষ করেছেন বলে জানান। আগাম জাতের আলু চাষ করে ভালো দাম পাওয়া যায় এ জন্য আগ্রহ নিয়ে আগাম জাতের এ ক্যারেজ জাতের আলু চাষ করে থাকেন বলেও জানান তিনি। খুচরা বাজারে বর্তমানে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে নতুন আলু।

আগাম জাতের আলু ওঠার পরবর্তী সময়ে ২য় দফায় অন্যান্য আলু চাষ করার সময় বিঘা প্রতি ৫০/৫৫ মণ আলু উৎপাদন হয়ে থাকে। এ সময় কিছুটা আলুর বাজার দর কম থাকলেও অতিরিক্ত ফলনের কারণে তাতে কৃষকদের লোকসান হয়না।

স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জানান, জেলায় এবার ৫ হাজার ৮ শ ৫০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আলু চাষ হয়েছে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৫, ২০২১ ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
মাদারীপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

আবহাওয়া অনুকল থাকায় এবার মাদারীপুরে রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলায়। বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে তাদের মুখে। 

মাদারীপুর জেলার পাঁচটি উপজেলার সবগুলোতেই রোপা আমন ধানের আবাদ হয়ে থাকে। কৃষকরা জমির পাট কাটার পর সেখানে রোপা আমন বুনেন। প্রায় চার মাস আবাদের পর এখন তাদের ব্যস্ততা ধান কাটা, মাড়াই ও ঘরে তোলা নিয়ে। এরই মধ্যে ৭০ভাগ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে।

উচ্চ ফলনশীল জাতের এই ধান চাষে এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও কোনো রোগবালাই না হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকরা জানায়, এ বছর কাঙ্খিত ফলন ঘরে তুলতে পারবেন তারা। বাজারে ভালো দাম থাকায় লাভও হবে বেশ ভালো।

কালকিনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানালেন, রোপা আমন ধান চাষে কৃষকদের সহযোগিতা করতে বিনামূল্যে সার ও বীজ দেয়া হয়েছে।

জেলা কৃষি কর্মকর্তা জানালেন, আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এবং প্রণোদনা কার্যক্রম চালু রাখায় এবারে লক্ষ্যমাত্রার চাইতেও বেশি রোপা আমন ধানের আবাদ হয়েছে।

কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ি, এবছর জেলায় ১৩ হাজার ৩১ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিলো। তবে আবাদ হয়েছে তার চাইতেও বেশি জমিতে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ১০:৩৫ অপরাহ্ন
কলাপাড়ায় কৃষকের ধান কাটার হিড়িক
কৃষি বিভাগ

ঘুর্নিঝড় জাওয়াদ আতঙ্কে কলাপাড়র উপকূলজুড়ে কৃষকের ধান কাটার হিড়িক লেগেছে। কৃষকরা পাকা ধান তো দুরের কথা, কাঁচাপাকা ধানও কেটে বাড়িতে তুলছেন।

বছরের একটি মাত্র আমন ফসল ঘরে তোলার শঙ্কা নিয়েই কৃষকরা যে যেভাবে পারছেন ধান কেটে ঘরে তুলছেন। হাইলা-কামলা, কৃষাণদের অতিরিক্ত মজুরি দিয়ে কৃষকরা এখন মাঠে ধান কাটার কাজে নেমেছেন কোমর বেধে। আবার বহু কৃষক কম্বাইন্ড হারভেস্টর মেশিনেও ধান কাটছেন। সারা বছরের খোরাকি চাল সংরক্ষণের অবলম্বন আমন ধান।

শুক্রবার রাত থেকে কলাপাড়ার পায়রা বন্দরসহ গোটা উপকূলজুড়ে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ছে। আকাশ মেঘলা রয়েছে। ফলে কৃষকরা চরম শঙ্কায় পড়েছেন।

টিয়াখালী গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ রিয়াজ জানান, দেড় কানি (১২ বিঘা) জমির ধান মেশিনে কেটেছেন। আরও বাকি ১৫ কানি। কিছু ধান কাঁচা থাকলেও বৃষ্টিসহ ঝড়োহাওয়ায় কেটে ফেলেছেন। শনিবার দুপুর পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে কৃষকের ধান কেটে ঘরে তোলার মহাব্যস্ততার দৃশ্য।

কুমিরমারা গ্রামের ধান ও সবজি চাষী সুলতান গাজী জানালেন, কৃষকরা যে যেভাবে পারছেন ধান কেটে ঘরে তুলছেন। এই মুহুর্তে বৃষ্টি হলে পাকা ধান ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে যাবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এআরএম সাইফুল্লাহ জানান, ৮০ ভাগ ধান পাকলেই ধান কাটতে হয়। তিনি জানালেন ইতোমধ্যে ৪০ ভাগ জমির ধান কাটা শেষ করেছেন কৃষকরা। এখনও মাঠে অন্তত ৩০টি কম্বাইন্ড হারভেস্টর মেশিন ধান কাটার কাজে নিয়োজিত রয়েছে।

এছাড়া শ্রমিক তো আছেই। কারণ এই মুহুর্তে বেশি বৃষ্টি হলে আমন ধাণের বেশি ক্ষতি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। তবে হারভেস্টর দিয়ে ঘন্টায় এক একরের বেশি জমির ধান কাটা সম্ভব। কৃষকরা চরম উৎকন্ঠা নিয়ে আমন ধান ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ১০:২৪ অপরাহ্ন
রানীনগরে সেচে অনিয়ম ৫০ বিঘা আমন ধান নষ্ট
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর রানীনগরে চলতি আমন মৌসুমে ধানের জমিতে সেচে অনিয়মের কারণে প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গভীর নলকূপ মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং ক্ষতিপূরণ চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিএমডিএ ও কৃষি কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে কৃষকরা।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার বেলঘড়িয়া মৌজায় ৯৫ ও ৯৬ দাগে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করে প্রায় ১৩০ বিঘা ধানের জমিতে পানি সেচ দেয়া হয়।

গভীর নলকূপটির অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন একই এলাকার খাগড়া গ্রামের সাহান মহুরীর স্ত্রী বেবি খাতুন। বেবি খাতুনের আওতায় পানি সেচের দায়িত্বে রয়েছেন বেলঘড়িয়া গ্রামের সুকদেব ও স্বপন নামে দুই ব্যক্তি।

কৃষকরা অভিযোগ করে বলে, গভীর নলকূপ স্থাপনের পর থেকে প্রায় প্রতি মৌসুমেই পানি সেচের টাকা পরিশোধ করা হলেও সঠিকভাবে ধানে পানি সেচ দেয়া হয় না।

এর ফলে পানির অভাবে ধানের ফলন অনেক কমে যায়। চলতি আমন মৌসুমের শেষের দিকে টানা বৃষ্টি ও প্রচণ্ড খরায় ধানের জমি শুকিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে গভীর নলকূপের অপারেটর বেবি খাতুন বলেন, নলকূপ আমার নামে আছে কিন্তু পানি সেচ বা সবকিছু করে বেলঘড়িয়া গ্রামের সুকদেব ও স্বপন। সেখানে কী হয়েছে এটা সঠিক বলতে পারব না।

রানীনগর উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী গোলাম ফারুক বলেন, পানি সেচের অভাবেই যদি কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে তাহলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ৩:৪২ অপরাহ্ন
নওগাঁয় ২০২১-২২ মৌসুমে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

নওগাঁয় জেলায় চলতি রবি ২০২১-২২ মৌসুমে মোট ২৩ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জেলার কৃষকরা জমি প্রস্তুতসহ আলুর বীজ রোপণ শুরু করেছে।

নওগাঁ জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ শামসুল ওয়াদুদ জানিয়েছেন, কৃষি বিভাগ কৃষকদের জমি প্রস্তুত থেকে শুরু করে বীজ রোপণের সুষ্ঠু পরিচর্যার বিষয় সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী উপজেলাভিত্তিক আলু চাষের পরিমাণ হচ্ছে সদর উপজেলায় ২ হাজার ৫শ ২৫ হেক্টর। রানীনগর উপজেলায় ১ হাজ্রা ২শ ৩৫ হেক্টর। আত্রাই উপজেলায় ২ হাজার ৬শ ৯০ হেক্টর। বদলগাছি উপজেলায় ৩ হাজার ৮৫ হেক্টর। মহাদেবপুর উপজেলায় ১ হাজার ৭শ ৯০ হেক্টর। পত্নীতলা উপজেলায় ১ হাজার ৭শ ৭৫ হেক্টর। ধামইরহাট উপজেলায় ২ হাজার ৭শ ৪৫হেক্টর। , সাপাহান উপজেলায় ১ হাজার ৩শ হেক্টর, পোরশা উপজেলায় ৪৭০ হেক্টর, মান্দা উপজেলায় ৪ হাজার ৫ হেক্টর ও নিয়ামতপুর উপজেলায় ১ হাজার ৪শ ৮০ হেক্টর।

উল্লেখিত পরিমাণ জমি থেকে এ বছর ৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৯শ ২২ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগ প্রত্যাশা করছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ২:০৪ অপরাহ্ন
বান্দরবানের কৃষকরা জুম ছেড়ে মিষ্টি কুমড়ার চাষে ঝুঁকছেন
কৃষি বিভাগ

পার্বত্য জেলা বান্দরবানে জুম চাষের পাশাপাশি এককভাবে চাষ হচ্ছে মিষ্টি কুমড়ার। দাম ভালো পাওয়ায় খুশি চাষিরা। ফলে চাষিদের মাঝে দিনদিন আগ্রহ বাড়ছে মিষ্টি কুমড়া চাষে। পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় সহজেই মিলছে পাইকারি ক্রেতাও।

স্বল্প পুঁজি ও কম পরিশ্রমে বেশি লাভ হওয়ায় বান্দরবানের চাষিদের অনেকেই জুম চাষ বাদ দিয়ে ঝুঁকছেন মিষ্টি কুমড়া চাষে। সদর উপজেলার টংকাবতী, বাগান পাড়া, বসন্ত পাড়া, চিম্বুক, ওয়াইজংশন এলাকা ছাড়াও রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলায় ব্যাপকভাবে মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছে।

আবহাওয়া ভালো থাকায় এক একটির মিষ্টি কুমড়ার ওজন হয়েছে ৪ থেকে ৫ কেজি। মণ প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়। এতে খুশি কৃষক।

পাহাড় থেকে ঝুড়ি ভর্তি করে মিষ্টি কুমড়া নিয়ে আসছেন চাষিরা। সেখান থেকে পাইকাররা নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

গত বছর বান্দরবানে ২৪২ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ হলেও এবার তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৪৮ হেক্টর জমিতে।

কৃষি বিভাগ থেকে সহায়তা অব্যাহত থাকলে পাহাড়ে মিষ্টি কুমড়ার ফলন ও বিক্রি আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা চাষিদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ১:০১ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় কালো টমেটো চাষ করে তাক লাগিয়েছে জামিল
কৃষি বিভাগ

সবচেয়ে কালো টমেটোর একটি হচ্ছে ব্ল্যাক বিউটি টমেটো। কালোর সাথে হালকা সবুজ থাকাতে এ টমেটো দেখতে নান্দনিক মনে হয়। এটি পৃথিবীর বিরল প্রজাতির একটি সবজি। কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতে এখনো বাংলাদেশে এর চাষ শুরু হয়নি। কিন্তু কুমিল্লার সৌখিন কৃষক আহমেদ জামিল সেলিম এটি প্রথম চাষ করেছেন। নিজের বাড়ির উঠানে তিনি এ চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। প্রতিদিন এ বিরল প্রজাতির টমেটো দেখতে তার বাড়িতে লোকজন ভিড় করছে।

টমেটোর নাম ব্ল্যাক বিউটি। কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ী এলাকায় এ টমেটোর চাষ হচ্ছে। স্থানীয়দের কাছে যার নাম ‘কালো সুন্দরী’। যুগ যুগ ধরে দেখা সাধারণ টমেটোর সাথে এ কালো সুন্দরীর রং একেবারই অমিল। সুন্দরীও যে কালো হতে পারে তা দেখা যাবে কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়ার এ বাগানবাড়ী এলাকায়।

পেশায় ব্যবসায়ী জামিল ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনা থেকে আত্নীয়ের মাধ্যমে কালো টমেটোর বীজ আনান। পরের বছর প্রথম নিজের বাড়িতে টবে কালো টমেটো চাষ করেন। ফলনও পায় ভালো। কৃষি গবেষকেরা বলছেন, এটি প্রচলিত টমেটোর চেয়ে বেশি মাংসল হয়। এ টমেটো গাছের উচ্চতাও বেশি। ফলন কেবল শীতকালে হয়। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কালো টমেটো বেশিদিন সংরক্ষণ করা যায়। এ টমেটোর নানা রকম ওষুধি গুণাগুণ রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

কুমিল্লার কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, এ প্রজাতির টমেটোর চাষ দেশে এ প্রথম। এদেশে বিদেশি কোনো বউ এলে পাড়া ও পড়শীরা তাকে দেখতে ভিড় করে। এ কালো সুন্দরীকে দেখতে তেমনি ভিড় লেগে থাকে ওই বাড়িটিতে। কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বাসিন্দা আহমেদ জামিল সেলিম নিজ গ্রামে ধান, সবজি, মাছ চাষ করেন শখের বশে। সম্প্রতি তিনি বিভিন্ন দেশ থেকে নানা জাতের টমেটো বীজ সংগ্রহ করেছেন। সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে ব্ল্যাক বিউটি, পর্ন চপ, টাইগার এলা এরর, অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা চেরী টমেটোর বীজ।

সৌখিন চাষি আহমেদ জামিল সেলিম বলেন, নতুন কোনো জাতের ধান বা শাক-সবজির খোঁজ পেলেই আমি তার সংগ্রহের চেষ্টা করি। ব্ল্যাক বিউটি টমেটোর বীজটিও তেমন। আত্মীয়ের কাছে এ জাতটি সম্পর্কে খোঁজ পেয়ে তা আমেরিকা থেকে নিয়ে এসেছি। চাষ করে সফলতাও পেয়েছি। অনেকেই এটি দেখার জন্য আমার বাড়িতে ভিড় করছেন। এটা অনেক আনন্দের।

ইতিমধ্যে জামিলের কালো টমেটো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট এবং কৃষি অধিদপ্তর। কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর তিনি বাণিজ্যিক চাষাবাদ শুরু করবেন।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটে টমেটো নিয়ে গবেষণা করছেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ফেরদৌসি ইসলাম। তিনি বলেন, প্রচলিত টমেটোর সঙ্গে কালো টমেটোর কিছু গুণগত পার্থক্য রয়েছে। কালো টমেটো নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা এখনো হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিক বিশ্লেষণে তারা দেখেছেন এ টমেটোর খাদ্যগুণ দেশি টমেটোর চেয়ে বেশি। এ টমেটোতে ভিটামিন এ এবং আয়রনের পরিমাণ বেশি থাকে। একই সঙ্গে এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণও সাধারণ টমেটোর চেয়ে বেশি। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এর ফলন অনেক বেশি হয়, যা দেশিয় চাষিদের জন্য উপকারী ব্যাপার। এর ফলে তারা অল্প জমিতে চাষ করে অধিক লাভবান হতে পারবেন। এখনো বাণিজ্যিক চাষাবাদ শুরু না হলেও ইতিমধ্যেই কৃষি অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন সরকারি নার্সারিতে কালো টমেটোর বীজ ও চারা রাখতে শুরু করেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক তারিক মাহমুদুল ইসলাম বলেন, এ জাতটি শীত প্রধান দেশের। আহমেদ জামিল সেলিমই এ দেশে প্রথম এর চাষ করলেন। তিনি আরো বলেন, ব্ল্যাক বিউটির গাছ সাধারণত টমেটোর গাছ থেকে অনেক বড় হয়। এটি কৃষক পর্যায়ে গেলে প্রতি গাছ থেকে ৮/১০ কেজি টমেটো পাওয়া যেতে পারে। আমরা এর বাণিজ্যিক চাষের চেষ্টা করবো। কুমিল্লার বেসরকারি কৃষি বিষয়ক সংগঠন আধুনিক কৃষিমনার প্রতিষ্ঠাতা কৃষিবিদ মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ব্ল্যাক বিউটি টমেটো অনেক সুন্দর। এটি অনেক স্বাদের। ভিতরে পানির অংশ কম থাকায় সংরক্ষণ করা যাবে। ব্যতিক্রমধর্মী রং হওয়ায় কৃষকরাও ভাল দাম পাবে আশা করা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ১২:০০ অপরাহ্ন
নাটোর চিনিকলে চলতি মৌসুমের আখ মাড়াই শুরু
কৃষি বিভাগ

নাটোর চিনিকলে চলতি মৌসুমের আখ মাড়াই হয়েছে। শুক্রবার (৩রা ডিসেম্বর) বিকালে এ কাজের উদ্ধোধন করেন চিনি খাদ্য করপোরেশন সদর দফতরের ইক্ষু ও গবেষণা পরিচালক মোহাম্মাদ আশরাফ আলী

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের যুক্ত হন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, নাটোর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবু বকর, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আহমেদসহ অনেকে।

চলতি মৌসুমে ৫০ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে ৩ হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে মিল কর্তৃপক্ষ। এর আগে গত বছর নির্ধারিত সময়ের আগেই আখের অভাবে প্রায় ৩০ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা নিয়ে বন্ধ হয়েছিল মিলটি।

এছাড়া, গত ২৬শে নভেম্বর শুক্রবার বিগত বছরের ২২ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা মাথায় আখ মাড়াই মৌসুম শুরু করেছে জেলার অপর বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান লালপুরের নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২১ ৪:০৭ অপরাহ্ন
শীতের শুরুতেই বাজারে নতুন আলু
কৃষি বিভাগ

শীতের শুরুতেই বাজারে এসেছে নতুন আলু। তবে দাম চড়া। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে নতুন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। নতুন আলুর পাশাপাশি বাজারে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিমের সরবরাহও বেড়েছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অবশ্য এর মাঝে ডিম ও মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।

আজ রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা নতুন আলুর কেজি বিক্রি করছেন ৫০ টাকা। আর পুরাতন আলু আগের মতো, ২৫ টাকা কেজি দরেই বিক্রি হচ্ছে।

নতুন আলুর দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, কয়েকদিন ধরে বাজারে নতুন আলু আসছে। নতুন আসায় এ আলুর দাম একটু বেশি। কয়েক দিন গেলে দাম কমে যাবে।

মালিবাগ হাজীপাড়ার আরেকজন বলেন, ৪-৫ দিন ধরে নতুন আলু বিক্রি করছি। প্রথমদিকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি। দুদিন ধরে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। এভাবে সরবরাহ বাড়বে, দামও কমবে।

এদিকে শিমের কেজি গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। তবে গাজরের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া গাজর এখন ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop