৭:১৭ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ১৭, ২০২২ ৩:১৯ অপরাহ্ন
প্রচণ্ড গরমে হিটস্ট্রোক এবং তার প্রতিকার
পোলট্রি

সময়ের বৈরি আবহাওয়ার ফলে আমরা অনেক সময়েই সমস্যায় পড়ি। কিছু সমস্যা আছে যেগুলো আমাদের শুধু কষ্ট বা সাময়িক অস্বস্তি দিয়ে যায় আর কিছু আছে যা আমাদের অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতি করে থাকে।

যেমন কাল বৈশাখি ঝড়ে আমাদের অর্থনৈতিক ভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হতে হয়। আর শীতকালের তীব্র শীত আর গরমের প্রচন্ড গরম যে শুধু আমাদের জন্যই ক্ষতিকর তা নয়, তা আমাদের আশ্রয়ে পালন হওয়া গরু ছাগল, হাঁস মুরগী সবাই এর ভুক্তভুগী। তবে এদের মধ্যে বর্তমাণে বানিজ্যিক ভাবে পালন করা মুরগীর এই সমস্যা বেশি পরিলক্ষিত হয়।

কয়েকদিন থেকেই পত্র পত্রিকায় দেশের বিভিন্ন স্থানে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মুরগী মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। সুর্য্যের তাপমাত্রা বেশি আর পরিবেশের ভ্যাপসা ও অসনীয় গরমে তাদের মেটাবলিক হার বেড়ে যাচ্ছে। আর এত বেশি তাপমাত্রায় তাদের প্রধান অঙ্গ গুলো ভালভাবে কাজ করতে না পারায় মুরগী মারা যায়।

হিটস্ট্রোকের কারণঃ মানবদেহের সকল জৈবিক কার্যাবলী ঠিকমত সম্পর্ন হতে প্রয়োজন উপযুক্ত পরিবেশের। আর এই পরিবেশের মধ্যে অন্যতম উপাদান হল তাপমাত্রা , চাপ ইত্যাদি। খুব কম তাপমাত্রা যেমন ভাল নয় ঠিক তেমনি বেশি তাপমাত্রা ও ভাল না। আর দ্রুত বর্ধনশীল মুরগীর ক্ষেত্রে এই সমস্যা তো আরো অনেক গুন বেশি। তারা এমনিতেই খুব কাতর হয়ে থাকে।

অতিরিক্ত তাপমাত্রায় মুরপগীর কিডনি, হার্ট ,ফুসফুস কাজ করতে না পারার কারনে স্ট্রোক করে থাকে। গাদাগাদী করে থাকায় এবং পানির কোন ঘাটতি থাকলে এই প্রকোপ বেড়ে যায় অনেকংশে।

মুরগীর তাপমাত্রা অসহনীয় হয়েছে বোঝার উপায়ঃ

মানুষ তার গরম লাগার কথা বলতে পারে,কিন্তু মুরগী তা পারেনা।

তাই তাদের কিছু বৈশিষ্ট দেখে বুঝতে হয় ফ্লকের তাপমাত্রা বেড়েছে-পানির পাত্রের উপর মুরগি হুমড়ী খেয়ে পড়ছে।

মুরগী গুলো যেদিকে একটূ ঠান্ডা পরিবেশ পাচ্ছে তার দিকে ছুটে যেতে থাকবে।

পাখা গুলো এলিয়ে দিয়ে ঝিমিয়েও যেতে পারে।

মুরগীর হার্ট রেট ও শ্বাসরেট বেড়ে যায় অনেকাংশে।

পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও এর প্রভাব: ঘর্মগ্রন্থি না থাকার কারণে মোরগ-মুরগির অতিরিক্ত গরম অসহ্য লাগে। এতেউত্পাদন ক্ষমতা ব্যাহত হয়। অতিরিক্ত তাপে এদের পানি গ্রহণ, শ্বাস-প্রশ্বাস, শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে থাইরয়েড গ্রন্থিরআকার, রক্তচাপ, নাড়ির স্পন্দন, রক্তে ক্যালসিয়ামের সমতা, খাদ্য গ্রহণ, শরীরের ওজন ও ডিমের উত্পাদন হ্রাস পায়। ১৫ হতে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসতাপমাত্রায় এদের উত্পাদন সর্বোচ্চ। ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে প্রতি ডিগ্রিতাপমাত্রা বৃদ্ধিতে শতকরা ৪ ভাগ হারে পানি গ্রহণ বৃদ্ধি পায়। ২৪ ডিগ্রিসেলসিয়াস তাপমাত্রার পর হতে ডিমের সংখ্যা না কমলেও প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রাবৃদ্ধিতে ডিমের ওজন শতকরা এক ভাগ হারে কমে যায়। ২৬.৫ সেলসিয়াস ডিগ্রিতাপমাত্রার পর হতে মোরগ-মুরগির খাদ্যের রূপান্তর ক্ষমতা হ্রাস পায়। ২৭ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে প্রতি ডিগ্রি তাপ বৃদ্ধিতে ২ হতে ৪ শতাংশ খাবার গ্রহণকমে যায়। ৩৬ হতে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মোরগ-মুরগির জন্য অসহনীয়এবং ৩৮ ডিগ্রির পর মৃত্যু হার খুব বৃদ্ধি পায়।

হিটস্ট্রোক এড়ানোর জন্য স্বল্পকালীন প্রস্তুতিঃ হিট স্ট্রোক যেহেতু পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে হয়ে থাকে। আর তা হল প্রাকৃতিক কারণ। এতে যেমন আমাদের হাত দেয়ার ক্ষমতা থাকেনা, কিন্তু একটু ভালভাবে চেষ্টা করলে এর মারাত্বক প্রভাব থেকে মুরগীকে রক্ষা করা যেতে পারে। বেশি তাপমাত্রা থাকাকালীন সময়ে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ করা যেতে পারে।

ফ্লকের তাপমাত্রা নিয়ত্রণের চেষ্টা করাঃ বাইরের তাপমাত্রা অনেক বেশি হলেও ফ্লকে মুরগীর জন্য উপযুক্ত তাপমাত্রার ব্যবস্থা করা জরুরি। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিমাণে ফ্যানের ব্যবস্থা করা। এবং ভিতরের গরম বাইরে বের করার জন্য এক্সিট ফ্যান ব্যবহার করতে হবে। যদি তাপমাত্রা খুবই বেশি দেখা যায় তাহলে টিনের ছাদ হলে তার উপরে পানি রাখার মত কিছু হলেও ব্যবস্থার মাধ্যমে এর তাপমাত্রা নিয়ত্রন করা। গাছের ডাল অথচা টিনের উপর খড়ের চালের ব্যবস্থা করা।

লক্ষ রাখতে হবে ফিড : এ সময় মুরগির ফিড গ্রহণের পরিমাণ কমে যায়। সেই কারণে দিনের নির্দিষ্ট বেশি গরমের সময় ব্রিডার লেয়ারের ক্ষেত্রে ফিড না দেওয়াই ভালো। শুধু পানি খাবে। দিনের ঠাণ্ডা সময় যেমন ভোর ও সন্ধ্যার পর ফিড দিতে হবে।

এ সময় খামারে দেওয়া ফিডে বিশেষ লক্ষ রাখতে হবে, ফিডে যেন পুষ্টিমান সঠিক এবং বেশি থাকে। যেমন স্বাভাবিক ১০০ গ্রাম ফিডের পুষ্টি ৯০ গ্রাম ফিডে থাকতে হবে। সে কারণে ফিডে ব্যবহার করা প্রোটিনের ক্ষেত্রে অতি উচ্চমানের প্রোটিন ব্যবহার করতে হবে। লক্ষ রাখতে হবে, এই প্রোটিনে প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড মিথুনিন, লাইসিন ঘাটতি আছে কি না? যদি ঘাটতি থাকে তাহলে বাড়তি অ্যামাইনো এসিড মেশাতে হবে।

খামারে রেডি ফিড (পিলেট ফিড) ব্যবহারের ক্ষেত্রে ফিডে অ্যামাইনো এসিড মেশানোর উপায় থাকে না। সে ক্ষেত্রে পানির মাধ্যমে তরল মিথুনিন যেমন রেডিমেড এটি-৮৮ পানিতে খাওয়াতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে এক থেকে দুই মিলিলিটার দিতে হবে। এ ছাড়া অন্যান্য অ্যামাইনো এসিডের ঘাটতি পূরণের জন্য অ্যামাইনো লাইটস এবং অ্যামাইনো এসিড ও শক্তি সরবরাহের জন্য অ্যামাইনো-১৮ পানির সঙ্গে খাওয়াতে হবে।

হিটস্ট্রোক প্রতিরোধ : গরমের সময় রক্ত চলাচল দ্রুততর হওয়ার জন্য হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায় ও কোনো কোনো সময় রক্ত জমাট হতে পারে। এই রক্ত জমাট হওয়াটাই হিটস্ট্রোক। এতে মুরগি মারা যেতে পারে। এ সময় এসপিরিন ও ভিটামিন-সিযুক্ত কোনো মিশ্রণ যেমন এন্টি স্ট্রেস প্রিমিক্স দিনের উষ্ণতম সময় যেমন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পানির মাধ্যমে খাওয়ালে হিটস্ট্রোকের পরিমাণ অনেক কমে যায়। এ ছাড়া ফিডেও ভিটামিন-সিযুক্ত প্রিমিক্স ব্যবহার করা যেতে পারে।

গরমের বাড়তি যত্ন : গরমে পোলট্রি খামারে বিশেষ যত্ন না নিলে ফ্লকে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এখনকার তাপজনিত ধকলে মুরগির দৈহিক ওজন কমে যাওয়াসহ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ডিম উৎপাদন কমে যায় এবং মোরগ-মুরগির মৃত্যুও হতে পারে। এ সময় বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে।

খামারে এক দিনের বাচ্চা আসার আগে পরিষ্কার ও ঠাণ্ডা পানির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে পানির সঙ্গে ভিটামিন সি, আখের গুড় অথবা ইলেকট্রোলাইটযুক্ত স্যালাইন পানির সঙ্গে দিতে হবে।

খামার শেডে বাতাসের অবাধ চলাচলের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। মুক্ত বাতাস শেড অভ্যন্তরের তাপমাত্রা শীতল রাখবে, সেই সঙ্গে অ্যামোনিয়াসহ অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের বিষক্রিয়াও মুক্ত রাখবে। শেডে সিলিং ফ্যানের পাশাপাশি এগজস্ট ফ্যানের ব্যবস্থা করতে হবে।

শেডে মোরগ-মুরগি যেন আরামদায়ক পরিবেশে বাস করতে পারে সেদিকে নজর দিতে হবে। অহেতুক এদের বিরক্ত করা যাবে না। প্রতিটি বড় মুরগিকে এক বর্গফুটের অধিক জায়গা দিতে হবে।

অধিক রোদে টিনের চালা অতিরিক্ত গরম হলে দিনে দুই-একবার চালায় পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করতে হবে। টিনের চালার নিচে চাটাই, হার্ডবোর্ড দিয়ে শিলিংয়ের (চাতাল) ব্যবস্থা করতে হবে।

লিটার ব্যবস্থাপনাঃ শেডের চারপাশে সপ্তাহে দুবার চুন ছিটানোর ব্যবস্থা করতে হবে। ব্রয়লার লিটার ভোর কিংবা রাতে ওলটপালট করে দিতে হবে।

খাবার পাত্র ও পানির পাত্রসংখ্যা বাড়িয়ে দিতে হবে। পানির পাত্রে দিনে কমপক্ষে তিনবার পরিষ্কার ঠাণ্ডা পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।গরমের ধকলের কারণে মাইকোপ্লাজমা ও কলিব্যাসিলোসিস রোগের আক্রমণ বেড়ে যায়।সে কারণে এ সময় মুরগির স্বাস্থ্যবিধি পুরোপুরি মেনে চলা প্রয়োজন। বিশেষ করে ফিড ও পানিতে ভিটামিন-সি ও ভিটামিন-ই ব্যবহার করতে হবে।

গরমকালে বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ায় শেডের মেঝেয় অনেক সময় লিটার দ্রুত ভিজে যায়। যার ফলে রোগ আক্রমণও বেশি হয়। সে কারণে লিটারে পাউডার চুন ব্যবহার করতে হবে। এ সময় ফিডের বস্তা খোলা রাখা যাবে না। কারণ বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে ফিডে ছত্রাক বা মোল্ড জন্মায়, যা পোলট্রি খাদ্যের উপযুক্ত নয়

তাপজনিত ধকল প্রতিরোধে করণীয়: খামারের আশে পাশে ছায়াযুক্ত বৃক্ষ রোপণ এবং ঘর পূর্ব-পশ্চিমে হওয়া বাঞ্চনীয়। তবে আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনায় বায়োসিকিউরিটির কথা চিন্তা করেগাছপালা রোপণের প্রতি অনুত্সাহিত করা হয়ে থাকে। গরমে পোল্ট্রি শেডেপ্রত্যক্ষ সূর্যালোক পরা যাবে না। অত্যধিক গরম প্রতিরোধে প্রয়োজনে শেডেরছাদে/বা টিনের চালায় দিনে দু’তিন বার পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করতে হবে।টিনের নিচে চাটাই/হার্ডবোর্ড দিয়ে সিলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক সময়মুরগি যখন হাঁ করে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয় তখন ঘরে সেপ্র মেশিন দিয়েকুয়াশার মত করে পানি ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে। পানির ড্রিংকার ও ফিডারেরসংখ্যা বাড়াতে হবে। ঘন ঘন ড্রিংকারের পানি পাল্টাতে হবে। গরমে বাতাসেরআর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার কারণে শেডের মেঝে অনেক সময় স্যাঁতসেঁতে হয়ে লিটারদ্রুত ভিজে যায়। ফলে রোগের আক্রমণও বাড়ে। সেজন্য প্রতিদিন সকালেব্রয়লার শেডের লিটার উলোট-পালোট করা প্রয়োজন। লিটারে গুঁড়ো চুন ব্যবহারকরলে খুব ভাল ফল পাওয়া যায়। শেড হতে শেডের দূরত্ব ৩০ ফুটের অধিক হলে ভালহয়। শেডে মোরগ-মুরগির ঘনত্ব বেশি হলে তা কমিয়ে দিতে হবে। বাতাসের অবাধচলাচল শেডের ভেতরের তাপমাত্রা শীতল রাখতে সাহায্য করবে এবং পোল্ট্রির জন্যক্ষতিকর অ্যামোনিয়া গ্যাস মুক্ত রাখবে। শেডে স্টেন্ড ফ্যানের ব্যবস্থাকরতে হবে।

ঠান্ডা পানির সরবরাহ: ঠাণ্ডা ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হবে। যেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এদের খাদ্য গ্রহণ কমে যায়, সেহেতু প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ৮হতে ১০ ভাগ শক্তি কমিয়ে প্রোটিন, খনিজ লবণ ও ভিটামিন বাড়িয়ে দিতে হবে।প্রতি লিটার পানিতে ১০-১২ গ্রাম গ্লুকোজ ও মুরগি প্রতি ১০ গ্রাম ভিটামিন সি পানির সঙ্গে মিশিয়ে দিলে ভাল ফল পাওয়া যায়। এছাড়া প্রাকৃতিক বিটেইনেধনাত্মক ও ঋনাত্মক আছে যা কোষের মধ্যে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে হিটস্ট্রোকের হাত থেকে এরা রক্ষা পায়। গরমে পোল্ট্রির অ্যামাইনো এসিডেরচাহিদা বেড়ে যায়। বিটেইনে মিথাইল মূলক বিদ্যমান, যা মিথিওনিন ও কলিনেরঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। গরমে প্রয়োজনে একদিনের বাচ্চার জন্য পানিতে আখেরগুড়, ভিটামিন সি অথবা ইলেকট্রোলাইট যুক্ত স্যালাইন পানি দিতে হবে।

দীর্ঘকালীন পরিকল্পনাঃ সুষ্ট পরিকল্পনা কাজের অর্ধেক। আর আবহাওয়ার কথা চিন্তা করে খামার এমন স্থানে স্থাপন করা দরকার যেন বৈরি আবহাওয়ায় ঐ স্থান সহায়ক হয়। শেডের চারপাশি কিছু গাছ লাগানো যেতে পারে, বিশেষত নিমের গাছ যেখান হতে বিশুদ্ধ বাতাস পাওয়ার পাশাপাশি জীবানূদের ধ্বংস করতেও সাহায্য করবে।

পর্যাপ্ত বায়ুচলাচলের ব্যবস্থা করে শেড নির্মাণ করতে হবে (যারা নতুন করে করবেন)।

খামারীভাইদের এই সময়ে একটু বিশেষ সচেতন থাকতে হবে। যেন হিটস্ট্রোকে মুরগী মারা না যায়। উপরের বিষয়গুলো খেয়াল করে মুরগীর যত্ন নিলে এর প্রকাপ অনেকাংশেই কমানো যাবে বলে আশাবাদী। এই সময় মুরগীর ভাল দাম পেয়ে লাভবাণও হওয়া যাবে দ্রুত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৭, ২০২২ ৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
কক্সবাজার খামারে আগুন, পুড়লো ২৫০০ মুরগি
পোলট্রি

কক্সবাজার শহরের কলাতলী একটি খামারে অগ্নিকাণ্ডে দুটি শেডের প্রায় আড়াই হাজার লেয়ার মুরগি পুড়ে মারা গেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ও স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে প্রায় ২৫০০ মুরগি পুড়ে ছাই হয়েছে বলে দাবি খামারির।

বৃহস্পতিবার বিকেলে কক্সবাজার পৌরসভার কলাতলী গয়মতলী গ্রামে নয়ন সেলিনার খামারে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ সময় একটি বসত ঘরও পুড়ে ছাই হয়ে যায়। খামারির দাবি, আগুনে তার প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় খামারে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে দুটি বসতঘর ও পুরো খামারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের লোকজন স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

মুরগির খামারি নয়ন সেলিনার দাবি, আগুনে তার খামারের দুটি শেড পুড়ে গেছে। এতে প্রায় আড়াইহাজার লেয়ার মুরগি পুড়ে ছাই হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৫ লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সোয়াইব জানান, ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্ণয় করা হয়নি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৬, ২০২২ ৮:০৫ অপরাহ্ন
শনিবার(১৬ জুলাই) পোলট্রি ও ডিমের সর্বশেষ পাইকারী বাজার দর
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৬/০৭/২০২২ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৯.২০
সাদা ডিম=৮.৫০

ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
সাদা ডিম=৭.৫৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
লেয়ার সাদা=
ব্রয়লার=

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২৪/কেজি
কালবার্ড লাল=২২৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৩০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=১৪-১৬
লেয়ার সাদা=১২-১৬
ব্রয়লার=১৮-২১

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
সাদা ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.২০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.২০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২৫০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৫০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =১০
ব্রয়লার=২০

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১১৩/কেজি
সোনালী মুরগী=২১৫/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৯০
সাদা ডিম=৮.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =১৮-২০

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
হাইব্রিড সুপার=
সোনালী হাইব্রিড =

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৮৫
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২১০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০৫
বাচ্চার দর:-
হাইব্রিড সুপার=
সোনালী হাইব্রিড =

টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
সাদা ডিম=৭.২০
ব্রয়লার মুরগী=১১৩/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৫০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৬১
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
লেয়ার মুরগী=২২৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
হাইব্রিড সুপার=৩৫
সোনালী হাইব্রিড =৩১

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৫০
সাদা ডিম=৮.২০

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজ
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৯০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =১২
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =২০

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.০০
সাদা ডিম=৮.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.৫০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/ কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৫০
সাদা ডিম=৮.২০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৫, ২০২২ ৭:৪৮ অপরাহ্ন
শুক্রবার (১৫ জুলাই) পোল্ট্রি ও ডিমের সর্বশেষ বাজার দর
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৫/০৭/২০২২ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৯.২০
সাদা ডিম=৮.৫০

ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৫০
সাদা ডিম=৭.৬৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৪০
সাদা ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
লেয়ার সাদা=
ব্রয়লার=

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
সাদা ডিম=৮.০০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২২৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
লেয়ার সাদা=
ব্রয়লার=

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
সাদা ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.৭০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.২০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
ব্রয়লার=

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
ব্রয়লার মুরগী=১১৩/কেজি
সোনালী মুরগী=২১৫/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী)ডিম=৯.০০
সাদা ডিম=৮.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
হাইব্রিড সুপার=
সোনালী হাইব্রিড =

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২১০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
হাইব্রিড সুপার=
সোনালী হাইব্রিড =

টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=৭.৩০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৯০/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=২২৫/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
লেয়ার মুরগী=২২৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
হাইব্রিড সুপার=৩৫
সোনালী হাইব্রিড =৩১

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=৮.০০

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৯.০০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজ
কালবার্ড লাল=২৫০/কেজি
সোনালী মুরগী=২২০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.০০
সাদা ডিম=৮.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=১০.০০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/ কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৫০/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৬০
সাদা ডিম=৮.৩০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৫, ২০২২ ৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
প্রচণ্ড গরমে মুরগীর মৃত্যু হার কমাবেন যেভাবে
পোলট্রি

বেশ কয়েকদিন ধরেই চলছে প্রচন্ড তাপদাহ। এই তাপদাহে অতিষ্ঠ যেমন শহরের মানুষ, তেমনি পশু পাখিরা। বিশেষ করে মারা যাচ্ছে কম বয়সী ও ডিম দেওয়া মুরগি। মুরগির হিট স্ট্রোকের লক্ষণ জানা থাকলে কমানো যায় মৃত্যুহার।

অতিরিক্ত গরমে হিট স্ট্রোক করে মুরগি মারা যাওয়ার প্রাক্কালে যে ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
শ্বাস কষ্ট এবং হা করে জোরে জোরে শ্বাস নিবে। ঝুঁটি বিবর্ণ হবে। শরীর থেকে পাখা দূরে সরিয়ে রাখবে। ঝিমুনি ধরা, ডায়রিয়া এবং খিঁচুনিও হতে পারে। হার্ট অ্যাটাক করেও অনেক সময় মুরগি মারা যায়।

অতিরিক্ত তাপমাত্রায় মুরগির মৃত্যুহার কমাতে পারেন যেভাবে:
১. অবশ্যই খামারে ঠাণ্ডা ও পরিষ্কার পানির ব্যবস্থা করবেন। পানি ঠাণ্ডা করতে প্রয়োজনে বরফের টুকরা দিয়ে রাখতে পারেন। খামার ঘর পরিষ্কার পরিছন্ন রাখবেন।
২. মুরগি অতিরিক্ত ঘন করা যাবে না। এটা একমাত্র অন্যতম পরামর্শ।
৩. সূর্যের আলো যেন ঘরে প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশের সুযোগ করতে হবে। পর্দা সম্পূর্ণ খুলে ফেলতে পারেন। যে পাশে রোদ যাবে সেদিকে টেনে লম্বা করে বারান্দার মতো করে রাখতে পারেন। কিন্তু নামিয়ে রেখে রোদ ঠেকাতে যাবেন না।
৪. মুরগিকে দিনের শীতল সময়ে খাবার পরিবেশন করবেন। দুপুরে অতিরিক্ত গরমে খাবার দিবেন না। তবে পানির পাত্র কখনই ফাঁকা রাখা যাবে না।
৫. টিনের চালে চটের বস্তা ভিজিয়ে দিন। সিলিং ফ্যান ব্যবহারের চেয়ে স্ট্যান্ড ফ্যান ব্যবহার করা উত্তম।
৬. মুরগিকে শান্তভাবে বসে থাকতে দিন। মুরগির ইচ্ছা হলে পানি পান করবে। মনে রাখবেন, এসময় বারবার মুরগিকে তুলে দিয়ে পানি পান করানোর দায়িত্ব আপনার নয়।
৭. ভেটেরিনারিয়ান বা প্রাণীচিকিৎসকের পরামর্শে ভাল কোনো ইলেক্ট্রোলাইট পরিবেশন করুন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৪, ২০২২ ৮:২৯ পূর্বাহ্ন
আবহাওয়া পরিবর্তনে মুরগির যত্ন নিবেন যেভাবে
পোলট্রি

আমাদের দেশের ডিম ও মাংসের চাহিদা পূরণ করার জন্য এখন বিপুল সংখ্যক পোলট্রি তথা মুরগির খামার গড়ে উঠেছে। আবহাওয়া বা ঋতু পরিবর্তনজনিত কারণে খামারে অনেক সময় প্রভাব পড়ে থাকে। আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত কারণে মুরগির রোগ প্রতিরোধে করণীয় কি কি রয়েছে সেগুলো খামারিদের ভালোভাবে জেনে রাখা দরকার।

আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত কারণে মুরগির রোগ প্রতিরোধে করণীয়:
আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে খামারে বাচ্চা আসার সময় বক্স মর্টালিটি হয়। আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে ব্রুডিং অব্যবস্থাপনাজনিত কারণে মুরগির বাচ্চা মারা যায়।

লেয়ার মুরগির খামারের ক্ষেত্রে প্রোডাকশন কিছুটা কমে যায়। শীতকালের মত কম জায়গায় বেশি মুরগি পালনের ফলে মুরগির ওজন কম আসে।

খামারে পর্দা ব্যবস্থাপনার কারণে গ্যাস জমে এবং মুরগির চোখে এ্যামোনিয়া বার্ন হয়, এসসাইটিস দেখা দেয়। খামারে হঠাৎ মুরগির মড়ক দেখা দিতে পারে এবং খামারিদের লোকসান হয়ে থাকে।

আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত সমস্যায় করণীয়:
আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত সমস্যায় প্রথম এবং সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে বায়োসিকিউরিটিতে।খামারের মুরগি অসুস্থ হলে সব ঔষধ বন্ধ করে পরিস্কার পানি দেয়া এবং দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।

সঠিক ভাবে এলাকা উপযোগী ভ্যাকসিনেশন শিডিউল মেনে চলা।ব্রুডিংয়ের সময় মুরগীর অবস্থা বুঝে তাপ দেয়া। যেমন বাচ্চা ব্রুডারের নিচে গাদাগাদি করলে তাপ বাড়িয়ে দেয়া।

হঠাৎ অনেক বেশী মড়ক দেখা দিলে অতিদ্রুত পার্শ্ববর্তী ল্যাবে পরীক্ষা করানো।মুরগির খামারে সবসময় জীবাণুমুক্ত পানি সরবরাহ করতে হবে। রাতের বেলা কোন মতেই যেন পানি গ্যাপ না পড়ে তার দিকে খেয়াল রাখা। যদি গ্যাপ পড়ে যায় এবং পাত্র খালি হয়ে যায় তা হলে পরের বার পানি দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই পানির পাত্র বাড়িয়ে দিতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৩, ২০২২ ৫:২৭ অপরাহ্ন
সিদ্ধিরগঞ্জে বিষ প্রয়োগে ৭’শ মুরগি হত্যা!
পোলট্রি

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলায় একটি খামারে বিষ প্রয়োগ করে ৭০০ মুরগি হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১০ জুলাই) রাত ১১টায় সিদ্ধিরগঞ্জের আটি ওয়াবদা কলোনির মুরগির ডিলার মো. সেলিমের খামারে এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার (১১ জুলাই) রাতে এ ঘটনায় মুরগির ফার্মে স্থাপন করা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ভুক্তভোগী মো. সেলিম ৫ জনের নামোল্লেখ করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী সেলিম একজন পোল্ট্রি মুরগির ডিলার।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি এই মুরগির ব্যবসা করে আসছেন। তার মুরগির ফার্মে সব সময় দুই থেকে তিন হাজার মুরগি থাকে।

প্রতিদিনের মতো রোববার রাতে খামারের মুরগির পরিচর্যা করে বাসায় ঘুমাতে যান তিনি। পরদিন সোমবার সকাল সাতটার সময় ঘুম থেকে উঠে ফার্মে গিয়ে দেখেন প্রায় ৭০০ মুরগি মারা গেছে এবং অন্যান্য মুরগি অসুস্থ হয়ে ফ্লোরে পড়ে আছে। হঠাৎ এতগুলো মুরগি মারা যাওয়ার কারণে তিনি দ্রুত ফার্মের সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ চেক করেন। ভিডিও ফুটেজ চেক করে দেখতে পান রোববার রাত ১১টায় অভিযুক্ত ফরিদের ছেলে রিপন (৩০), শুকুরের ছেলে নাজমুল (১৭) ও ইয়াসিন (১৬) ফার্মে কোন রাসায়নিক কিছু দিয়ে যায়।

পরে অভিযুক্ত ইয়াসিনকে ডেকে এনে আমার ফার্মে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান অভিযুক্ত ইদ্রিস আলীর ছেলে মকবুল (৩৫) ও সোহরাব (৪৫) মুরগির ফার্মে রাসায়নিক (বিষ) দিয়ে আসতে বলেন। অভিযুক্ত মকবুল ও সোহরাবের কথামত তারা ভুক্তভোগীর খামারে রাসায়নিক (বিষ) ঢেলে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

এদিকে ভুক্তভোগী সেলিম বলেন, অভিযুক্তদের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। অভিযুক্ত সোহরাব তার খামারে দীর্ঘদিন ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। কিছু দিন আগে সোহরাব তার খামারের ম্যানেজারের দায়িত্ব ছেড়ে চলে যান। তারা আমার ক্ষতি সাধনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে পাঁয়তারা করে আসছেন। এ ঘটনায় আমার প্রায় তিন লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোকলেছুর রহমান বলেন, অভিযোগ হাতে পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৩, ২০২২ ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
খাবারের দাম বৃদ্ধিতে লোকসানের পথে পোল্ট্রি খামারিরা
পোলট্রি

পোল্ট্রির খাবারের দাম বৃদ্ধিতে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কয়েকশো পোল্ট্রি খামারি লোকসানে পড়েছেন। গত বছরের করোনার ধাক্কা সামাল দিতে অনেকেই লোন করে ব্যবসা টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে আরো বিপাকে পড়েছেন।

জানা যায়, বছর দুয়েক আগেও যেসকল পোল্ট্রি খামার বড় ছিলো সেগুলো ছোট করে ফেলেছেন খামারিরা। অনেকেই পোল্ট্রি খামারের জিনিসপত্র বিক্রি করে দিয়েছেন। খামারিরা অনেকে এ ব্যবসায় লোকসান গুণে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। অনেকে অন্য পেশাতে না যেতে পেরে এখনো লোকসান গুনছেন।

জেলা প্রাণীসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় নিবন্ধিত লেয়ার ও সোনালি মুরগির খামার ৬৩৪টি ও অনিবন্ধিত লেয়ার ও সোনালি মুরগির খামার ৩৩৮১টি। নিবন্ধিত ব্রয়লার মুরগির খামার ৪০৮ টি ও অনিবন্ধিত ব্রয়লার মুরগির ২৫৬৮টি খামার রয়েছে।

ঘাটাইল উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিস সূত্র জানায়, এ উপজেলায় আটশো লেয়ার  মুরগির খামার রয়েছে। এসব খামারে লেয়ার মুরগির সংখ্যা ১২ লাখ ৫৭ হাজার দুইশো টি, সোনালি মুরগির সংখ্যা ১ লাখ ২ হাজার ৯২টি এবং ব্রয়ালার মুরগির সংখ্যা ৩ লাখ ৪৭ হাজার চারশো ১০ টি।

সাগরদিঘী গুপ্তবৃন্দাবন এলাকার মুরগির খামারি সায়েম হোসেন জানান,আমার খামারে চার হাজার একশত লেয়ার মুরগি রয়েছে। প্রতিটি মুরগির জন্য খাবার বাবদ দুইশত টাকা খরচ হয় মাসে। ৪-৫ বছর আগেও খাবারের মুল্য এক হাজার দুইশত টাকা ছিলো। আর এখন মুরগির খাবার কিনতে হচ্ছে দুই হাজার তিনশ থেকে চারশ টাকা দরে।

টাঙ্গাইল খামার মালিক সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ বাহার সুজন বলেন, সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল পোল্ট্রি খাবারের দাম নিয়ন্ত্রণে সঠিকভাবে নজরদারি করলে খামারিরা রক্ষা পাবেন। উৎপাদন খরচও এখন ঠিকমতো উঠে না। এ অবস্থায় পোল্ট্রি খামারিদের রক্ষায় খাবারের দামের লাগাম টেনে না ধরলে এ শিল্প ধ্বংসের মুখ দেখবে।

ঘাটাইল উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা তোফায়েল আহমদ বলেন,সারা দেশেই এক রকম অবস্থা, ফিডের দাম বৃদ্ধিতে খামারিদের লাভটা কমে গেছে।খামারিরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।সরকার যদি পোল্ট্রি শিল্পের দিকে মনোযোগ দিতেন।আর ভ্যাট ও ট্যাক্সের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া হতো তাহলে খাবারের মূল্যটা কমে যেতো।আর কাঁচামাল সহজলভ্য করে বিদেশে রপ্তানি কিছুদিনের জন্য কমিয়ে দিলে বা বন্ধ করে দিলে ভালো হতো।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২২ ১০:০০ অপরাহ্ন
শুক্রবার(৮ জুলাই) পোল্ট্রি ও ডিমের সর্বশেষ পাইকারী বাজার দর
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:০৮/০৭/২০২২ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=১০.০০
সাদা ডিম=৯.২০

ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.০০
সাদা ডিম=৮.০৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৯০
সাদা ডিম=৮.০০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=১০-১২
লেয়ার সাদা=১৭-১৮
ব্রয়লার=২২-২৩

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=৯.৪০
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=৯.০০

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.৩০
সাদা ডিম=৮.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১১০/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=২২০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
লেয়ার সাদা=
ব্রয়লার=

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৭০
সাদা ডিম=৮.০০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=১০.৭০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.৭০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
ব্রয়লার=

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.০০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২১০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী)ডিম=৯.৮০
সাদা ডিম=৯.২০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =১০-১২
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =২২/২৫

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.১০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
হাইব্রিড সুপার=৩৫
সোনালী হাইব্রিড =৩১

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৯.১০
ব্রয়লার মুরগী=১১০/কেজি
সোনালী মুরগী =২০০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
হাইব্রিড সুপার=৩১
সোনালী হাইব্রিড =৩৫

টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৯.০০
সাদা ডিম=৮.১৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৯০/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.৫০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
কালবার্ড লাল=২২৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২০০/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.৬০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১০৫/কেজি
লেয়ার মুরগী=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৮০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
হাইব্রিড সুপার=৩৫
সোনালী হাইব্রিড =৩১

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৯.৩০
সাদা ডিম=৯.০০

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/কেজ
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৯.৫০
সাদা ডিম=৯.২০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=১১.০০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৯.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১১৬/ কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২২০/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৬০
সাদা ডিম=৮.৩০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২২ ১২:৩১ অপরাহ্ন
মুরগির খামারে খাদ্য অপচয়ে যে কৌশল অবলম্বন করবেন খামারিরা
পোলট্রি

পোল্ট্রি খামারের দিকে বর্তমানে অধিক লাভ আর মাংসের চাহিদা পূরণে অনেকেই ঝুঁকছেন। তবে এই খাতে যদি খাবারসহ আরো নানাবিধ অপচয় কমানো যায় তাহলে এই খাতে আরো লাভবান হওয়া সম্ভব। সুতরাং প্রত্যেক খামারিদের খামারে খাদ্য অপচয় রোধ সম্পর্কে জানা একান্ত দরকার।

খামারে খাদ্যের অপচয় রোধে করণীয়:
পোলট্রি খামারে প্রয়োজনের তুলনায় কম সংখ্যক খাবার ও পানির পাত্র দিলে মুরগি অনেক সময় খাদ্য নষ্ট করে ফেলে। তাই খামারে মুরগির সংখ্যা অনুযায়ী খাদ্য ও পানির পাত্র দিতে হবে। পোলট্রি খামারে জায়গার তুলনায় বেশী পরিমাণ খাদ্য প্রদান করা হলে মুরগি খাদ্য নষ্ট করতে পারে। এজন্য খামারে জায়গা অনুপাতে খাদ্য প্রদান করতে হবে।

খাদ্যের পাত্র পূর্ন করে খাবার দিলে খাবার নষ্ট করে ফেলতে পারে। সেজন্য খাদ্যের পাত্র কিছুটা খালি রেখে খাদ্য প্রদান করতে হবে। খাবারের পাত্র সঠিক উচ্চতায় স্থাপন না করলে মুরগি খাবার নষ্ট করে ফেলতে পারে। খাদ্যের পাত্র খুব বেশি উচ্চতায় রাখা যাবে না।

পোলট্রি খামারে কৃমির সংক্রমণ বিশেষ করে সোনালী বা কক মুরগীতে গোলকৃমির কারণে খাবার নষ্ট করতে পারে। এজন্য সময়মতো কৃমিনাশক ওষুধ দিতে হবে।মুরগির খাদ্য হঠাৎ পরিবর্তন করলে মুরগি খাদ্য নষ্ট করতে পারে। সেজন্য খাদ্য পরিবর্তন করলে অল্প অল্প করে খাদ্য পরিবর্তন করতে হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop