২:৫১ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২২ ৬:১৫ অপরাহ্ন
ডিম, মুরগি ও ১ দিন বয়সী বাচ্চার সর্বশেষ (শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি) পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:২৫/০২/২০২২ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৯.০০
সাদা ডিম=৮.৫০

ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=৭.৯৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.২০
সাদা ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
লেয়ার সাদা=
ব্রয়লার=

কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৬০
সাদা ডিম=৮.১০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
লেয়ার সাদা=
ব্রয়লার=

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৩০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/ কেজি
সোনালী মুরগী=২৩৫/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৬০
সাদা ডিম-৮.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =

[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৪১
সোনালী রেগুলার=৩৭

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৮.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী =২৪০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=৪১
সোনালী রেগুলার=৩৭

টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী= ১২৮/১৩০ কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
লেয়ার মুরগী=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২২০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৪১
সোনালী রেগুলার=৩৭

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.১০
সাদা ডিম=৭.৮০

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৯০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
সাদা ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৫০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১২৮/ কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৪০
সাদা ডিম=৮.১০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২২ ১২:৪৯ অপরাহ্ন
মৎস্য ও পোল্ট্রি ফিডের বিকল্প ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’
পোলট্রি

প্যারোট পোকা হাঁস-মুরগি ও মাছের প্রাকৃতিক খাবার। এই পোকা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হচ্ছে ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’ থেকে। অল্প খরচে এই পোকা উৎপাদন করে হাঁস-মুরগি ও মাছের খাবারের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

এতে খামারিদের বেশি দামে বাজার থেকে ফিড কিনতে হবে না। তারা নিজেরাই পোকা উৎপাদন করতে পারবেন।

রংপুর বিভাগের কয়েকটি স্থানে গড়ে উঠেছে পোকার খামার। বিশেষ করে শিক্ষিত যুবকরা ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’ থেকে প্যারোট পোকা উৎপাদনে দেখছেন কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ।

খামারিরা জানান, ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’ থেকে প্যারোট পোকা উৎপাদন আমেরিকার সংস্কৃতি। চলতি বছর রংপুর বিভাগের কয়েকটি স্থানে যুবকরা এই পোকা উৎপাদন শুরু করেছেন।

বর্তমানে স্বল্প সংখ্যায় উৎপাদিত হচ্ছে এই পোকা। তবে দিনদিন এর পরিধি বাড়ছে। ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’ থেকে প্যরোট পোকা উৎপাদন বৃহৎ আকার ধারণ করলে এটি এক দিকে যেমন অনেক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে অন্যদিকে হাঁস-মুরগি ও মাছের খাদ্য চাহিদা পূরণ হবে। এখান থেকে প্রস্তুত হবে বিপুল পরিমাণে জৈব সার।

ময়লা-আবর্জনা, তরকারির অবশিষ্টাংশ, মুরগির বিষ্ঠা ও খৈলের সংমিশ্রণে দুর্গন্ধযুক্ত খাদ্যে তৈরি হয় ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’। প্রত্যেক ফ্লাই ৯০০ থেকে ১ হাজার পিউপা দিয়ে মারা যায়। এসব পিউপা একটি পাত্রে নিয়ে দুর্গন্ধযুক্ত খাবারে রাখা হয়। ১৪-১৬ দিনের মধ্যে এসব পিউপা থেকে জন্ম নেয় প্যারোট পোকা।

‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই’ থেকে প্যারোট পোকা উৎপন্ন করতে দরকার মশারি নেট, কয়েকটি পাতিল ও কয়েকটি কাঠের টুকরো। একজন খামারি বড় পরিসরে এই পোকা চাষ করলে প্রতিদিন ১০০ থেকে ৫০০ কেজি পর্যন্ত পোকা উৎপন্ন করে লাভবান হতে পারবেন।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই গ্রামের নুর আমিন বলেন, ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই থেকে প্রতিদিন গড়ে ১০ কেজি পোকা উৎপন্ন করছি। এসব পোকা মুরগির খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পোকার উৎপাদন দিনদিন বাড়ছে। আগামী ৪-৫ মাস উৎপাদিত পোকা দিয়েই মুরগির খাবারের চাহিদা মেটানো যাবে।’

লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রামের নিবারণ চন্দ্র রায় বলেন, ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই থেকে পোকা উৎপাদন করা সহজ। রংপুরের এক খামারির কাছে ৩ দিন দেখেই এ পদ্ধতি শিখে ফেলেছি। এখন ২ কেজি ফ্লাই দিয়ে পোকা উৎপাদন করছি।’

‘ভবিষ্যতে উৎপাদিত পোকা দিয়ে নিজের পুকুরে মাছ চাষ করার কথা ভাবছি,’ যোগ করেন তিনি।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামিম আশরাফ বলেন, ‘ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই থেকে প্যারোট পোকা উৎপাদন করার পর বর্জ্যের যে অংশ অবশিষ্ট থাকে তা দিয়ে তৈরি হচ্ছে উৎকৃষ্টমানের জৈব সার। পোকার খামারের সঙ্গে অনেকে যুক্ত হচ্ছেন। ধীরে ধীরে এর পরিধি বাড়ছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২২ ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
যেভাবে গড়ে তুলবেন মুরগির খামার
পোলট্রি

দেশের আবহাওয়া উপযোগী হওয়ায় উন্নত জাতের মুরগি পালনের দিকে জনগণ উৎসাহিত হয়ে ঝুঁকছেন খুব। অন্যদিকে জনগণের উৎসাহের সাথে সাথে সরকারও করছেন নানাবিধ সহযোগিতা। যার কারণে দেশে আমিষের ঘাটতি পূরণে গড়ে উঠেছে অনেকে মুরগি খামার। আর এই শিল্পে লাভ করতে হলে খামারিদের দরকার নিয়ম মোতাবেক খামার গড়ে তোলা। খামারের উপর অনেকাংশে নির্ভর করে মুরগিতে লাভবান হওয়ার আর না হওয়া।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, উন্নত বিশ্বে বছরে মাথাপিছু ডিমের প্রাপ্যতা যেখানে ২০০; সেখানে আমাদের দেশে মাত্র ১৫ থেকে ১৬টি। এ ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে প্রত্যেক বসতবাড়িতে উন্নতজাতের মুরগি চাষ অপরিহার্য। উন্নত জাতের একটি মুরগি ছয় মাস বয়সে ডিমপাড়া শুরু করে এবং বছরে ২০০ থেকে ২৫০ ডিম দেয়। অন্যদিকে ব্রয়লার (মাংস উত্পাদক মুরগি) মুরগি দুই মাসেই দেড় থেকে দুই কেজি মাংস দেয়। বসতবাড়িতে অল্প শ্রম ও কম খরচে মুরগি পুষে পরিবারের প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের ঘাটতি সহজেই মেটানো যায়।

মুরগির থাকার ঘর :  মুরগির থাকার ঘর উচ্চতায় চার ফুট, প্রস্থে সাড়ে ৪ ফুট এবং দৈর্ঘ্য ৬ ফুট করুন। এর ভেতরে ডিম পাড়ার খাঁচি, খাবার পাত্র ও পানির পাত্র রাখুন।
আরও খেয়াল রাখবেন
(১) ঘর সব সময় শুকনো ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
(২) খোলামেলা স্থানে ঘর বানাবেন
(৩) ঘরের মেঝে তিন ইঞ্চি পুরু হয় এ পরিমাণ তুস, কাঠের গুঁড়া বা বালির সঙ্গে আধা কেজি গুঁড়া চূর্ণ ভালোভাবে মিশিয়ে সমানভাবে বিছিয়ে দিন।
(৪) মেঝের কাঠের গুঁড়া বা তুস ৭ দিন পরপর ওলট-পালট করে দেবেন। স্যাঁতসঁতে হলে বা জমাট বেধে গেলে তা পরিবর্তন করে দেবেন। ঘরে আটকে না রেখে বাইরেও মুরগি পালন করতে পারেন।

খাদ্য : অধিক ডিম পেতে হলে মুরগিকে দৈনিক সুষম খাবার খেতে দেবেন, প্রত্যহ প্রতিটি মুরগিকে ১১৫ গ্রাম সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি ও ২৫ গ্রাম সবুজ শাক-সবজি বা কচি ঘাস কুচি কুচি করে কেটে খেতে দিন। আপনি নিজেই সুষম খাদ্য তৈরি করতে পারেন।

সুষম খাদ্যের উপাদানগুলো নিম্নরূপ : খাদ্য উত্পাদন-গম/ভুট্টা ভাঙা বা চালের খুদ ৪০০ গ্রাম। গমের ভুসি ৫০ গ্রাম। চালের কুঁড়া (তুষ ছাড়া) ২৫০ গ্রাম। তিলের খৈল ১২০ গ্রাম। শুঁটকি মাছের গুঁড়া ১০০ গ্রাম। ঝিনুকের গুঁড়া ৭৫ গ্রাম। সুষম খাদ্য মোট ১,০০০ গ্রাম বা ১ কেজি।

রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা : আপনার মুরগিকে সুস্থ রাখতে নিয়মিত টিকা দেয়ার ব্যবস্থা নেবেন। পশুসম্পদ বিভাগ থেকে বিনামূল্যে রানীক্ষেত, কলেরা, বসন্ত রোগের প্রতিষেধক টিকা সংগ্রহ করতে পারেন। আরেকটু খেয়াল রাখবেন, আপনার মুরগি অসুস্থ হলে সঙ্গে সঙ্গে পশু চিকিত্সালয়ের পরামর্শ নেবেন। অসুস্থ মুরগিকে চিহ্নিত করে তত্ক্ষণাত্ আলাদা করে রাখুন। তা ছাড়া রোগাক্রান্ত মুরগির বিষ্ঠা ও লালা সতর্কতার সঙ্গে সংগ্রহ করে তা মাটিতে পুঁতে রাখার ব্যবস্থা নেবেন।

আয়-ব্যয় : এক মোরগের সংসারের জন্য একটি ঘর (খাবার পাত্রসহ) তৈরি কর বাবদ প্রায় ২ হাজার টাকা খরচ হবে এবং ঘর কয়েক বছর ব্যবহার করা যাবে। ছয় মাস বয়সের ৯টি মুরগি এবং ১টি মোরগের ক্রয়মূল্য ২ হাজার টাকা। ১ বছর পর এ ১০টি মুরগিকে প্রায় একই দামে বিক্রি করা যাবে। ডিম কিনলে ১টির দাম পড়বে ৮ টাকা। মুরগির বাচ্চা কিনলে ১টির দাম পড়বে ৩০ টাকা। ৯টির দাম হবে ২৭০ টাকা। প্রতি মাসে মুরগির খাবার ক্রয় বাবদ প্রায় ৮০০ টাকা ব্যয় হবে। যদি আপনি নিজেই মুরগির সুষম খাবার তৈরি করেন তাহলে খরচ আরও কম হবে। ৯টি মুরগি থেকে প্রতিদিন গড়ে ৬টি ডিম পাওয়া যাবে। ডিম বিক্রি করে প্রতি মাসে গড়ে ১৪৪০ টাকা আয় করতে পারেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০২২ ৬:১৮ অপরাহ্ন
ডিম, মুরগি ও ১ দিন বয়সী বাচ্চার সর্বশেষ (বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি) পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:২৪/০২/২০২২ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৯.০০
সাদা ডিম=৮.৫০

ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
সাদা ডিম=৭.৯৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.১০
সাদা ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৪০-৪১
লেয়ার সাদা=৪০-৪৫
ব্রয়লার=৫৫-৬০

কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=৮.৬০
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=৮.৪০

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৬০
সাদা ডিম=৮.১০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩৪-৩৮
লেয়ার সাদা=২৮-৩২
ব্রয়লার=৫৫-৫৭

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৩০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮-৪০
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৪-৫৫

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/ কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৬০
সাদা ডিম-৮.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৭
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =৬০

[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২৬
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৪১
সোনালী রেগুলার=৩৭

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৮.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৮/কেজি
সোনালী মুরগী =২৫০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২৪
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=৪১
সোনালী রেগুলার=৩৭

টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২৫
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী= ১২৮/১৩০ কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৫৬
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
লেয়ার মুরগী=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২২০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৪১
সোনালী রেগুলার=৩৭

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.০৫
সাদা ডিম=৭.৭৫

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৯০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৭
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =৫৭

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৫০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/ কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৬০
সাদা ডিম=৮.৩০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০২২ ২:৩০ অপরাহ্ন
মুরগি পালনে যা জানা থাকা জরুরী
পোলট্রি

বর্তমান সময়ে মুরগি পালন বেশ লাভজনক পেশা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। খামারে মুরগি পালনে বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়। মুরগি পালনে যে ব্যবস্থাগুলো অবশ্যই থাকতে হবে সেগুলো খামারিদের জেনে রাখতে হবে।

মুরগি পালনে যে ব্যবস্থাগুলো অবশ্যই জানা থাকতে হবে:
মুরগির খামারে প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা থাকতে হবে। খামারে বিশুদ্ধ পানি না থাকলে মুরগিগুলো অসুস্থ হতে পারে। সেজন্য মুরগির খামারে লাভবান হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে। মুরগির খামার অবশ্যই উঁচু স্থানে হতে হবে। তা না হলে বন্যার পানি উঠে খামারের মুরগি মারাও যেতে পারে। এছাড়াও খামার স্যাঁতস্যাঁতে কিংবা খামারে বিভিন্ন ধরণের রোগ দেখা দিতে পারে।

মুরগির খামারে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। খামারের চারদিকে খোলামেলা পরিবেশ হতে হবে। খামারে পর্যাপ্ত আলো ও বাতাসের ব্যবস্থা করতে না পারলে মুরগিতে বিভিন্ন রোগ-জীবাণু আক্রমণ হতে পারে। যা খামারের জন্য বেশ ক্ষতিকর। মুরগির খামার যে জায়গায় স্থাপন করতে হবে সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা থাকতে হবে। বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকলে খামারে মুরগি পালন সহজতর হবে এবং নানা জটিলতা কাটিয়ে ওঠা যায়।

মুরগির খামারে যাতায়াতের সুবিধা হয় এমন স্থানে খামার স্থাপন করতে হবে। এতে মুরগির খাদ্য পরিবহণ ও মুরগি বাজারজাত করা সুবিধাজনক হবে। এছাড়াও খামারে কোন সমস্যায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২২ ৭:০৭ অপরাহ্ন
ডিম, মুরগি ও ১ দিন বয়সী বাচ্চার সর্বশেষ (বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি) পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:২৩/০২/২০২২ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৯.০০
সাদা ডিম=৮.৫০

ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
সাদা ডিম=৭.৯৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.১০
সাদা ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৪০-৪১
লেয়ার সাদা=৪০-৪৫
ব্রয়লার=৫৫-৬০

কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=৮.৬০
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=৮.৩৫

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
সাদা ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩২-৩৬
লেয়ার সাদা=২৮-৩০
ব্রয়লার=৫৪-৫৬

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৩০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮-৪০
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৪/৫৫

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/ কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৫০
সাদা ডিম-৮.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৮/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৭
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =৬০

[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২১
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৪১
সোনালী রেগুলার=৩৭

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৮.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৮/কেজি
সোনালী মুরগী =২৫০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২৫
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=৪১
সোনালী রেগুলার=৩৭

টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২৫
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী= ১২৮/১৩০ কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪৪
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২২০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৪১
সোনালী রেগুলার=৩৭

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.১০
সাদা ডিম=৭.৮০

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৭
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =৫৭

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/ কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৪০
সাদা ডিম=৮.১০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২২ ৪:০৭ অপরাহ্ন
অধিক ডিম ও মাংস উৎপাদনে দেশী মুরগি পালন কৌশল
পোলট্রি

বাংলাদেশের গ্রাম এলাকায় প্রায় প্রতিটি পরিবার দেশী মুরগি পালন করে থাকে। এদের উৎপাদন ক্ষমতা বিদেশী মুরগির চেয়ে কম। উৎপাদন ব্যয়ও অতি নগণ্য। এটি অধিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন। এদের মাংস ও ডিমের মূল্য বিদেশী মুরগীর তুলনায় দ্বিগুণ, এর চাহিদাও খুবই বেশী। দেশী মুরগির মৃত্যুহার বাচ্চা বয়সে অধিক এবং অপুষ্টিজনিত কারনে উৎপাদন আশানুরূপ নয়। বাচ্চা বয়সে দেশী মোরগ-মুরগির মৃত্যুহার কমিয়ে এনে সম্পূরক খাদ্যের ব্যবস্থা করলে দেশী মুরগি থেকে অধিক ডিম ও মাংস উৎপাদন করা সম্ভব।

উল্লেখিত অবস্থার আলোকে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশী মুরগি উৎপাদনে উন্নত কৌশল শীর্ষক প্রযুক্তিটি উদ্ভাবন করেছে। এ কৌশল ব্যবহার করে খামারিরা দেশী মুরগি থেকে অধিক ডিম ও মাংস উৎপাদন করে পারিবারিক পুষ্টি ও আয় বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে।

উদ্দেশ্য:
সম্পুরক খাদ্য, রানীক্ষেত ও বসন্তের প্রতিষেধক প্রদান করে এবং বন্য জন্তুর কবল থেকে মুক্ত রেখে দেশী মুরগি, বিশেষ করে ছোট বাচ্চার মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা যায়।
দেশী মুরগির দৈহিক ওজন ও ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

প্রযুক্তি ব্যবহারের পদ্ধতি:
প্রযুক্তিটি গ্রামীণ পর্যায়ে সকল গৃহস্থ পরিবারই ব্যবহার করতে পারবেন। খামারের আকার অনুযায়ী প্রত্যেক খামারীর জন্য মোরগ-মুরগির সংখ্যা

নিম্নে দেওয়া হলো-
খামারের আকার আবাদী জমির পরিমাণ (শতাংশ) মোরগ/মুরগি
ছোট ৫০ শতাংশ ১টি মোরগ ও ৩টি মুরগি
মাঝারী ও বড় ৫০ ও তার অধিক ১টি মোরগ ও ৬টি মুরগি

দেশীয় পদ্ধতিতে দেশি মোরগ পালন:
অনেকেই জানতে চেয়ে ছিলেন যে সল্প মূলধন দিয়ে কি ব্যবসা করা যায়। তাদের জন্য দেশি মোরগ হতে পারে একটি সময়পযোগি ব্যবসা। সল্প জায়গায় অল্প টাকা বিনিয়োগ করে সল্প সময়ে অধিক আয় করা যায়। বসত বাড়িতে মুরগি চাষ হচ্ছে একটি সহজ এবং লাভজনক কাজ। বাড়ির গৃহিণীরা খামার স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারে। একটি মোরগ একটি মুরগির তুলনায় দ্রুত বাড়ে আর বাজারে দেশি মোরগের প্রচুর চাহিদা থাকায় মোরগ বিক্রি করতে তেমন বেগ পেতে হয়না এবং বাজারে ভাল দাম ও পাওয়া যায়।

দেশি মোরগ আবদ্ধ ও ছেড়ে পালন করা যায়। তবে ছেড়ে পালন করলে বেশি লাভবান হওয়া যায় কারন মোরগ নিজের খাদ্য নিজে কুড়িয়ে খায়।এরা মুক্ত আলো বাতাস বিশেষ করে প্রচুর সূর্য কিরণে বেড়ে উঠে যা তাদের শরীরে ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করতে সাহায্য করে। এদের খাবারের জন্য তেমন কোন খরচ করতে হয় না।

মোরগ নির্বাচনঃ- দেশি মোরগ বা মুরগির বাচ্চা উৎপাদনের জন্য তেমন কোন হ্যাচারি গড়ে ওঠেনি তাই নিজেকে ই দেখে শুনে সুস্থ সবল ও নিরোগ মোরগ সংগ্রহ করতে হবে। মূলত ৪০০-৬০০ গ্রামের মোরগ দিয়ে শুরু করলে ভাল ফলাফল আশা করা যায়। কারন ঐ সময়ের পর মোরগ গুলো দ্রুত বাড়ে এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যা পেলে ২ মাস পর মোরগ গুলোর গড় ওজন ২ কেজির উপর হবে। প্রতি কিলো দেশি মোরগের মূল্য কেমন আছে সেটা নাই বা বললাম। আপনারা নিজেরা লাভ-ক্ষতি বের করে নিন।

মুরগির ঘর তৈরির নিয়মঃ- মোরগের জন্য খোলামেলা ঘর হতে হবে। ১.৫ মিটার (৫ ফুট) লম্বা X১.২ মিটার (৪ ফুট) চওড়া এবং ১ মিটার (৩.৫ ফুট) উঁচু ঘর তৈরি করতে হবে। ঘরের বেড়া বাঁশের তরজা বা কাঠের তক্তা দিয়ে তৈরি করতে হবে। এছাড়া মাটির দেয়ালও তৈরি করা যাবে। বেড়া বা দেওয়ালে আলো বাতাস চলাচলের জন্য ছিদ্র থাকতে হবে। ঘরের চাল খড়, টিন বা বাঁশের তরজার সাথে পলিথিন ব্যবহার করে তৈরি করা যাবে। এরকম ঘরে ১০-১৫টি মোরগ পালন করা যায়।

খাবারঃ- বাড়ির প্রতিদিনের বাড়তি বা বাসী খাদ্য যেমন ফেলে দেওয়া এঁটোভাত, তরকারি,ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গম, ধান, পোকামাকড়, শাক সবজির ফেলে দেওয়া অংশ, ঘাস, লাতা পাতা, কাঁকর, পাথর কুচি ইত্যাদি মুরগি কুড়িয়ে খায়।

পরিচর্যাঃ- ছেড়ে পালন পদ্ধতিতে মুরগি পরিচর্যার জন্য সময় বা লোকজনের তেমন দরকার পড়ে না। তারপরও কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয়। সকালে মুরগির ঘর খুলে কিছু খাবার দিতে হবে। সন্ধ্যায় মুরগি ঘরে ওঠার আগে আবার কিছু খাবার দিতে হবে। ঘরে উঠলে দরজা বন্ধ করে দিতে হবে।মুরগির পায়খানা ঘরের মেঝেতে যেন লেপ্টে না যায় সেজন্য ঘরের মেঝেতে ধানের তুষ, করাতের গুঁড়া ২.৫ সে.মি. (১ ইঞ্চি) পুরু করে বিছাতে হবে। পায়খানা জমতে জমতে শক্ত জমাট বেঁধে গেলে বারবার তা উলট-পালট করে দিতে হবে এবং কিছুদিন পর পর পরিষ্কার করতে হবে। এ পদ্ধতিতে দেশি মোরগ পালন করা গেলে প্রায় তেমন কোন খরচ ছাড়াই ভাল একটা মুনাফা পাওয়া যাবে।

দেশি মুরগি পালনে যত্ন নিতে হবে:
সাকুল্যে ৫-১০টি মুরগি। বাড়ির আশপাশে চরে বেড়িয়ে বাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবার, পোকামাকড়, কেঁচো, কচি ঘাসপাতা খায় তারা। সে অর্থে প্রতিপালনের কোনও খরচ নেই বললে চলে। আপাতদৃষ্টিতে লাভজনক মনে হলেও আসলে অতটা লাভ হয় না। ছাড়া মুরগি অন্যত্র ডিম পেড়ে আসে, কখনও রোগে মারা যায়। তাই দেশি মুরগির পালন লাভজনক করতে হলে কিছু নিয়ন্ত্রণ থাকা দরকার, সে জাত নির্বাচনেই হোক বা রোগ পরিচর্যায়।

প্রথমে আসি মুরগির জাতে। ব্রয়লার খামারের হাইব্রিড মুরগি উঠোনে ছেড়ে পালন করা যায় না। তাই খাঁটি জাতগুলোকে বাছতে হবে। যেমন, রোড আইল্যান্ড রেড (আরআইআর) বা ব্ল্যাক অস্ট্রালর্প। রঘুনাথপুর, বালুরঘাটের রাজ্য মুরগি খামারে লাল বা আরআইআর এবং কালো বা ব্ল্যাক অস্ট্রালর্প মুরগির বাচ্চা পাওয়া যায়। ইদানীং কালে বনরাজা, গিরিরাজা, গ্রামরপ্রিয়া ইত্যাদি জাত কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা হয়েছে।

মুরগি রাতে রাখার জন্য ঘর বানাতে হবে। মাটি থেকে সামান্য উপরে বাঁশ বা কাঠ দিয়ে কম খরচে খড় বা টালি ঢেকে তৈরি ঘরগুলো যেন শুকনো, পরিষ্কার হয়। আর আলো-বাতাস খেলে। প্রতিটি পাখির জন্য গড়ে তিন বর্গফুট জায়গা ধরতে হবে।

দেশি মুরগি চরে বেড়িয়ে তার খাবার সংগ্রহ করে নিলেও এ ধরনের উন্নত জাতের মুরগির পুরো উৎপাদন ক্ষমতা কাজে লাগাতে অল্প পরিমাণে সুষম খাবার দেওয়া প্রয়োজন। চালের গুঁড়ো (৩০০ গ্রাম), খুদ বা গম ভাঙা (২৮০ গ্রাম), সর্ষে/ তিল খোল ( ২০০ গ্রাম), মাছ বা সোয়াবিন গুঁড়ো (২০০ গ্রাম), ভিটামিন ও খনিজ লবণ মিশ্রণ যেমন সাপ্লিভিট এম (২০ গ্রাম) মিশিয়ে মুরগির সংখ্যা অনুযায়ী মাথা পিছু ৫০-৭০ গ্রাম হিসাবে অর্ধেক সকালে ও অর্ধেক বিকালে খেতে দিতে হবে। রাতে মুরগি রাখার যে ঘর আছে, সেখানে নির্দিষ্ট পাত্রে জল ও খাবার দিতে হবে। যাতে সকালে ঘর থেকে বেরনো বা পরে ঘরে ঢোকার সময় ওই খাবার ও জল খাওয়া অভ্যাস তৈরি হয়। এই অভ্যাস থাকলে ওষুধ গুলে খাওয়াতে সুবিধা হয়। মুরগির খাবার সবসময় শুকনো ও পরিষ্কার রাখতে হবে। বেশি দিন জমা রাখলে ছত্রাক সংক্রমণ ঘটে।

সংকরায়ণ পদ্ধতিতে দেশি মুরগির সঙ্গে উন্নত মোরগ রেখে প্রাকৃতিক প্রজনন ঘটিয়ে দেশি মুরগির জিনগত উৎকর্ষতা বাড়ানো যায়। প্রতি ১০টি দেশি মুরগি পিছু ১টি উন্নত জাতের মোরগ রাখতে হবে। যে সংকর মুরগি জন্মাবে, তা দেশি মুরগির চেয়ে দ্রুত (৪-৫ মাস বয়সে) এবং প্রায় দ্বিগুণ (বছরে ১২০-১৪০টি) ডিম দেবে।

রোগব্যাধি মুরগি পালনের অন্যতম সমস্যা। তাই নিয়মিত মুরগির ঘর চুন বা জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। প্রতি মাসে একবার করে কৃমিনাশক ওষুধ (পাইপেরাজিন তরল বয়স অনুযায়ী ০.৫-১ মিলি) জলে গুলে খাওয়াতে হবে। রানিক্ষেত বা বসন্তের মতো কয়েকটি সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত টিকাকরণ জরুরি। টিকা দেওয়ার দশ দিন আগে কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। টিকাকরণ বিশেষত রানিক্ষেত টিকা ৭-১০ দিন বয়সে নাকে বা চোখে এক ফোঁটা, ৩০ দিন বয়সে আর এক বার, ২ মাস বয়সে প্রথম কৃমির ওষুধ এবং আড়াই মাস বয়সে ডানার তলায় ০.৫ মিলি ইঞ্জেকশন অবশ্যই নিতে হবে। ঝিমুনি, সর্দি, শ্বাসকষ্ট, পাতলা বা রক্ত পায়খানা নজরে এলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যাকট্রিম ডিএস বা সেপম্যাক্স (১টি বড়ি ১০টি বড় বা ২০টি বাচ্চা মুরগির জন্য) খাবারে বা জলে গুলে ড্রপারে করে খাইয়ে দিতে হবে (৩/৫/৭ দিন)।

দেশী মুরগি বাণিজ্যিকভাবে পালন:
দেশী মুরগি বানিজ্যিকভাবে পালন কৌশল আয় বৃদ্ধি ও পারিবারিক পুষ্টির নিশ্চয়তা বিধানে দেশী মুরগী প্রতিপালন বিশেষ অবদান রাখতে পারে । আমরা সবাই বলে থাকি দেশী মুরগির উৎপাদন কম । কিন্তু বিভিন্ন পর্যায়ে বিশেষ লক্ষ্য এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করে দেশী মুরগীর উৎপাদন দ্বিগুনের ও বেশী পাওয়া সম্ভব। দেশী মুরগি থেকে লাভ জনক উৎপাদন পওয়ায় বিভিন্ন কৌশল এখানে বর্ননা করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে দেশী মুরগির ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি করে বাজারে বিক্রি করার চেয়ে ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা তৈরী করে ৮-১২ সপ্তাহ বয়সে বিক্রি করলে লাভ বেশী হয়। এক সংঙ্গে ১০-১২ টি মুরগি নিয়ে পালন শূরু করতে হবে। তবে কখনও ১৫-১৬ টির বেশী নেওয়া ঠিক না । তাতে অনেক অসুবিধাই হয় । শুরুতে মুরগি গুলোকে কৃমি নাষক ঔষধ খাওয়ানোর পরে রানীক্ষেত রোগের টীকা দিতে হবে। মুরগির গায়ে উকুন থাকলে তাও মেরে নিতে হবে। প্রতিটি মুরগিকে দিনে ৫০-৬০ গ্রাম হারে সুষম খাদ্য দিতে হবে। আজকাল বাজারে লেয়ার মুরগির সুষম খাদ্য পাওয়া যায় । তা ছাড়া আধা আবদ্ধ এ পদ্ধতিতে পালন করলে লাভ বেশী হয়।

মুরগির সাথে অবশ্যই একটি বড় আকারের মোরগ থাকতে হবে। তা না হলে ডিম ফুটানো যাবে না । ডিম পাড়া শেষ হলে মুরগি উমে আসবে । তখন ডিম দিয়ে বাচ্চা ফুটানোর ব্যবস্থা নিতে হয়।এক সঙ্গে একটি মুরগির নীচে ১২-১৪ টি ডিম বসানো যাবে। খামারের আদলে বাঁশ, কাঠ খড়, বিচলী তাল নারকেল সুপারির পাতা দিয়ে যত কম খরচে স্থানান্তর যোগ্য ঘর তৈরী করা সম্ভব তা করা যায়। ঘর তৈরীর সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন সঠিক মাপের হয় এবং পর্যাপ্ত আলো বাতাস চলাচল করতে পারে । বানানোর পর ঘরটিকে বাড়ীর সব চেয়ে নিরিবিলি স্থানে রাখতে হবে । মাটির উপর ইট দিয়ে তার উপর বসাতে হবে। তাহলে ঘর বেশী দিন টিকবে ।

ফুটানোর ডিম সংগ্রহ ও সংরক্ষনঃ- আরেকটি প্রয়োজনীয় ̧গুরুত্বপূর্ন কাজ। ডিম পাড়ার পর ডিম সসংগ্রহের সময় পেন্সিল দিয়ে ডিমের গায়ে তারিখ লিখে ঠান্ডা জায়গায় সংরক্ষন করতে হবে। ডিম পাড়া শেষ হলেই মুরগি কুঁচো হবে। গরম কালে ৫-৬ দিন বয়সের ডিম এবং শীত কালে ১০-১২ দিন বয়সের ডিম ফুটানোর জন্য নির্বাচন করতে হবে।

দেশী মুরগি পালন কৌশলের বিশেষ নজর দেয়ার ধাপ সমূহ:
উমে বসানো মুরগির পরিচর্যা করতে হবে। মুরগির সামনে পাত্রে সবসময় খাবার ও পানি দিয়ে রাখতে হবে যাতে সে ইচ্ছে করলেই খেতে পারে । তাহলে মুরগির ওজন হ্রাস পাবেনা এতে বাচ্চা তোলার পর আবার তাড়াতাড়ি ডিম পাড়া আরম্ভ করবে।

ডিম বসানোর ৭-৮ দিন পর আলোতে রাতের বেলা ডিম পরীক্ষা করলে বাচ্চা হয় নাই এমন ডিম ̧লো চেনা যাবে এবং বের করে অনতে হবে। বাচ্চা হওয়া ডিম ̧লো সুন্দর করে সাজিয়ে দিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন মুরগি বিরক্ত না হয়।
প্রতিটি ডিমের গায়ে সমভাভে তাপ লাগার জন ̈ দিনে কমপেক্ষ ৫-৬ বার ওলট পালট করে দিতে হবে।
বাতাসের আর্দ্রতা কম হলে বিশেষ করে খুব গরম ও শীতের সময় ডিম উমে বসানোর ১৮- ২০দিন পর্যন্ত কুসুম গরম পানিতে হাতের আঙ্গুল ভিজিয়ে পানি স্প্রে করে দিতে হবে।
*ফোটার পর ৫-৬ ঘন্টা পর্যন্ত মাকে দিয়ে বাচ্চাকে উম দিতে হবে। তাতে বাচ্চা শুকিয়ে ঝরঝরে হবে।

বাচ্চা ফুটার পর বাচ্চার পরিচর্যা ও ডিম পাড়া মুরগির পরিচর্যা :- গরম কালে বাচ্চার বয়স ৩-৪ দিন এবং শীত কালে ১০-১২ দিন পর্যন্ত বাচ্চার সাথে মাকে থাকতে দিতে হবে। তখন মুরগি নিজেই বাচ্চাকে উম দিবে। এতে কৃত্রিম উমের (ব্রুডিং ) প্রয়োজন হবে না। এ সময় মা মুরগিকে খাবার দিতে হবে। মা মুরগির খাবারের সাথে বাচ্চার খাবার ও কিছূ আলাদা করে দিতে হবে।

বাচ্চা গুলো মায়ের সাথে খাবার খাওয়া শিখবে। উপরোক্ত বর্ণিত সময়ের পর মুরগিকে বাচ্চা থেকে আলাদা করতে হবে। এ অবস্থায় বাচ্চাকে কৃত্রিম ভাবে ব্রুডিং ও খাবার দিতে হবে। তখন থেকেই বাচ্চা পালনের মত বাচ্চা পালন পদ্ধতির সব কিছুই পালন করতে হবে। মা মুরগিকে আলাদা করে লেয়ার খাদ্য দিতে হবে। এ সময় মা মুরগিকে তাড়াতাড়ি সুস্থ হওয়ার জন্য পানিতে দ্রবনীয় ভিটামিন দিতে হবে।

মা মুরগি ও বাচ্চা এমনভাবে আলাদা করতে হবে যেন তারা দৃষ্টির বাহিরে থাকে। এমন কি বাচ্চার চিচি শব্দ যেন মা মুরগি শুনতে না পায় । তা না হলে মা ও বাচ্চার ডাকা ডাকিতে কেউ কোন খাবার বা পানি কিছুই খাবে না । আলাদা করার পর অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে গেলে আর কোন সমস্য থাকে না ।প্রতিটি মুরগিকে এ সময় ৮০-৯০ গ্রাম লেয়ার খাবার দিতে হবে। সাথে সাথে ৫-৭ ঘন্টা চড়ে বেড়াতে দিতে হবে। প্রতি ৩-৪ মাস পর পর কৃমির ঔষধ এবং ৪-৫ মাস পর পর আর. ডি. ভি . টীকা দিতে হবে।

দেশে একটি মুরগি ডিম পাড়ার জন্য ২০ -২৪দিন সময় নেয় । ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর জন্য ২১ দিন সময় নেয় । বাচ্চা লালন পালন করে বড় করে তোলার জন্য ৯০-১১০ দিন সময় নেয় । ডিম থেকে এ ভাবে (৯০-১১০ দিন ) বাচ্চা বড় করা পর্যন্ত একটি দেশী মুরগির উৎপাদন চক্র শেষ করতে স্বাভাবিক অবস্থায় ১২০- ১৩০ দিন সময় লাগে।

কিন্তু মাকে বাচ্চা থেকে আলাদা করার ফলে এই উৎপাদন চক্র ৬০ -৬২ দিনের মধ্যে সমাপ্ত হয়। বাকি সময় মুরগিকে ডিম পাড়ার কাজে ব্যবহার করা যায় । এই পালন পদ্ধতিকে ক্রিপ ফিডিং বলে । * ক্রিপ ফিডিং পদ্ধতিতে বাচ্চা পালন করলে মুরগিকে বাচ্চা পালনে বেশী সময় ব্যায় করতে হয় না । ফলে ডিম পাড়ার জন্য মুরগি বেশী সময় দিতে পারে । এই পদ্ধতিতে বাচ্চা ফুটার সংখ্যা বেশী হয় । দেখা গেছে বাচ্চার মৃত্যুহারও অনেক কম থাকে। মোট কথা অনেক দিক দিয়েই লাভবান হওয়া যায় । এই পদ্ধতি বর্তমানে অনেকে ব্যবহার করে লাভবান হচ্ছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২২ ৬:৩৮ অপরাহ্ন
ডিম, মুরগি ও ১ দিন বয়সী বাচ্চার সর্বশেষ (মঙ্গলবার, ২২ ফেব্রুয়ারি) পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:২২/০২/২০২২ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৯.০০
সাদা ডিম=৮.৫০

ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.১০
সাদা ডিম=৭.৮৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২৫০/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৪০-৪১
লেয়ার সাদা=৪০-৪৫
ব্রয়লার=৬০-৬১

কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=৮.৪০
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=৮.১৫

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
সাদা ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩২-৩৬
লেয়ার সাদা=২৮-৩০
ব্রয়লার=৫৫-৫৭

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯০
সাদা ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৩০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮-৪০
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৪/৫৫

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
ব্রয়লার মুরগী=১২৮ কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম-৮.১০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৭/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৭
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =৫৭

[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.১৭
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৩৮
সোনালী রেগুলার=৩৪

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৮.০৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২৫০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০৫
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=৩৮
সোনালী রেগুলার=৩৪

টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৮.১৫
সাদা ডিম=৭.৯৫
ব্রয়লার মুরগী= ১২৮/১৩০ কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.১০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.১০
ব্রয়লার মুরগী=১২৪/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.১০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১২৭/কেজি
লেয়ার মুরগী=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২২৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৩৮
সোনালী রেগুলার=৩৪

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.০৫
সাদা ডিম=৭.৭৫

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১২৬/কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৭
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =৫৭

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১২৮/ কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৫৫/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৪০
সাদা ডিম=৮.১০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২২ ২:১৫ অপরাহ্ন
ব্রয়লারের খামার যেভাবে জীবাণুমুক্ত রাখবেন
পোলট্রি

ব্রয়লার পালন লাভজনক হওয়ার কারণে বর্তমানে আমাদের দেশের অনেকেই মুরগির খামার গড়ে তুলছেন। খামারে ব্রয়লার মুরগি পালনে খামার জীবাণুমুক্ত না করার কারণে অনেক সময় খামারে মারাত্মক রোগের দেখা দেয়।

ব্রয়লার পালনে খামার জীবাণুমুক্ত রাখার কৌশল:

খামারের আগের মুরগি বিক্রি করার পর ফিডার, ড্রিংকার ম্যালাথিয়ন বা সেভিন ১০ মিলি/লিটার পানিতে রাখার পর পর্দা তুলে দিয়ে স্প্রে করতে হবে যাতে সেডের ভিতরে যত পোকা বা বিটল আছে সব মারা যায়। যদি এগুলো যদি বেঁচে থাকে তবে পরবর্তী ফ্লকে জীবানু নিয়ে যেতে পারে। এরপর ৪ লিটার পানিতে ১ লিটার ফরমালিন দিয়ে সম্পূর্ন ঘর স্প্রে করতে হবে।

ব্রয়লার মুরগির খামারে ফরমালিন স্প্রে করার কমপক্ষে ১২ ঘন্টা পর শেডের ভিতরের ফিডার, ড্রিংকার বের করে ফেলতে হবে।
ব্যবহৃত লিটারগুলো বস্তায় ভরে আগের স্থান থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে। যা বিক্রি করা যাবে অথবা সবজি ক্ষেতে সার হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

মেঝেতে নারিকেলের ঝাড়ু, প্লাস্টিক ব্রাশ দিয়ে ধূলিকনা, মাটি, মুরগীর পাখনা, আবর্জনা ইত্যাদি যদি থেকে থাকে তাহলে সেগুলো ভালোকরে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।

জীবাণুমুক্ত করার সর্বশেষ ধাপ হচ্ছে ফিউমিগেশন করা। ফিউমিগেশন এর জন্য ঘরের আয়তন অনুযায়ী ফরমালিন ও পটাশ প্রয়োগ করতে হবে। এক্ষেত্রে জন্য ৪০ মিলি ফরমালিন এবং ২০ গ্রাম পটাশ ১০০ ঘন ফুট শেডের জন্য প্রয়োগ করতে হবে।

মেঝে থেকে সবকিছু সরানোর পরে পানি দিতে হবে। তবে ঘরে পানি ব্যবহার করার পূর্বে নিশ্চিত হতে হবে যে ইলেকট্রিক মেইন সুইস অফ করা হয়েছে। অফ করা না থাকলে তা অফ করে তারপর পানি ঢেলে দিতে হবে।

মেঝে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। তারপর কস্টিক সোডা ১.২৫ কেজি প্রতি ১০০০ বর্গফুট ফ্লোরে দিয়ে ২৪ ঘন্টা পানি দ্বারা ভিজিয়ে রাখতে হবে। ২৪ ঘন্টা পর কস্টিক সোডার পানি বের করে দিয়ে পরিস্কার পানি দিয়ে ফ্লোর ভালভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।

খামারে লিটার ঢুকানোর পূর্বেই ম্যালাথিয়ন ও ফরমালিন স্প্রে করে পরিষ্কার শেডে ঢুকাতে হবে। এতে আরও বেশি জীবাণুমুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২১, ২০২২ ৬:১৪ অপরাহ্ন
ডিম, মুরগি ও ১ দিন বয়সী বাচ্চার সর্বশেষ (সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারি) পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:২১/০২/২০২২ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৯.০০
সাদা ডিম=৮.৫০

ডাম্পিং মার্কেট-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.১০
সাদা ডিম=৭.৮৫

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=২৫০/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩৫-৪০
লেয়ার সাদা=৩৫-৪০
ব্রয়লার=৫২-৫৬

কাজী ফার্মস(ঢাকা):-
লাল(বাদামী) ডিম=

ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=৮.৪০
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=৮.১৫

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০
সাদা ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩২-৩৬
লেয়ার সাদা=২৮-৩০
ব্রয়লার=৫৫-৫৭

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯০
সাদা ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
সাদা ডিম=

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৩০/কেজি বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮-৪০
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৪/৫৫

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
ব্রয়লার মুরগী=১২৮ কেজি
সোনালী মুরগী=২৪০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম-৮.১০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৭/ কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৭
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =৫৭

[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯০
কাজী(রংপুর):-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯৭
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৩৮
সোনালী রেগুলার=৩৪

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৮.১০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২৪০/কেজি
কাজী(বগুড়া):-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.১১
বাচ্চার দর:-
সোনালী হাইব্রিড=৩৮
সোনালী রেগুলার=৩৪

টাংগাইল :–
লাল(বাদামী) ডিম=৮.১০
সাদা ডিম=৭.৯০
ব্রয়লার মুরগী= ১২৮/১৩০ কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.১০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.১০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৫০/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৭/কেজি
লেয়ার মুরগী=২১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২২৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=৩৮
সোনালী রেগুলার=৩৪

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৯০
সাদা ডিম=৭.৬০

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৮.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=২২৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =৩৭

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.৪০

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.১০
ব্রয়লার মুরগী=১২৮/ কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৫০/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=৮.০০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop