৬:২৪ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ২১, ২০২১ ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
নরসিংদীতে গরু চোর সন্দেহে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পাঁচমিশালি

নরসিংদীতে গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে আলী হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হন আরও একজন।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে নরসিংদী সদর থানা পুলিশ।

সদর উপজেলার চরাঞ্চল আলোকবালি ইউনিয়নের খোদাদিল্লা গ্রামে সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত জজ মিয়া রায়পুরা উপজেলার সোনাকান্দি এলাকার মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে ও আহত ব্যক্তি আলী হোসেন(৫০) একই উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার মৃত মহিজউদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, সোমবার রাত তিনটার দিকে খোদাদিল্লা গ্রামের কৃষকের গরু গোয়ালে খুঁজে পাচ্ছিল না। এসময় চোর চোর বলে চিৎকার করতে থাকলে অপরিচিত আলী হোসেন ও জজ মিয়াকে এলাকাবাসী গণপিটুনি দেয়। গণপিটুনিতে জজ মিয়ার মৃত্যু ও আলী হোসেন গুরুতর আহত হন। পরে মঙ্গলবার সকালে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়ে দুপুর নাগাদ মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসে এবং আহত আলী হোসেনকে একই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।

আলোকবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন সরকার জানান, তারা গরু চুরি করেছে কি না তা সঠিক বলতে পারছি না। তবে এলাকাবাসীর দাবী তারা দু‘জনকে গরুসহ ধরেছিল।

নরসিংদী সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান বলেন, গণপিটুনিতে একজন নিহত এবং একজন আহত হন। আজ সন্ধ্যায় নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২০, ২০২১ ৫:২৭ অপরাহ্ন
গত ১৫ দিনে ভ্রাম্যমাণ বাজারে ১৩৩ কোটি টাকার মাছ-মাংস ও দুধ, ডিম বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

করোনার প্রকোপ বাড়তে থাকায় সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন। আর এই পরিস্থিতিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ন্যায্যমূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্যের ভ্রাম্যমান বিক্রয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

গত ৫ এপ্রিল থেকে আজ মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) পর্যন্ত সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ এই বিক্রয় কার্যক্রমে ১৩৩ কোটি ২১ লক্ষ ৯৭ হাজার ৭৬৫ টাকা মূল্যের মাছ, গরুর মাংস, দুধ, ডিম, মুরগি ও বিভিন্ন দুগ্ধজাত বিক্রি হয়েছে। এ কার্যক্রম নিয়ে প্রতিনিয়ত খামারি ও ভোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

করোনা পরিস্থিতিতে সারাদেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ ও বিপণন কার্যক্রম নিয়মিত তদারকী করছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ।

চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যেও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ ও বিপণন সচল রাখার কাজে সম্পৃক্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সারাদেশে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা-খামারী ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব।

আরো পড়ুন: এক সপ্তাহে ৮০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার ভ্রাম্যমাণ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম বিক্রি

এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, “করোনার এই ভয়াবহ ক্রান্তিকালেও মন্ত্রণালয় এবং সারাদেশে মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনস্বার্থে ভ্রাম্যমান বিক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন। একইসাথে এ খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট ডেইরি অ্যাসোসিয়েশন, পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী অ্যাসোসিয়েশনসহ প্রান্তিক খামারিরা ঝুঁকি নিয়েও এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখছেন।

তিনি আরো বলেন, পাশাপাশি সারাদেশে গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা করোনা ঝুঁকির মধ্যেও মন্ত্রণালয়ের এ সময়োপযোগী উদ্যোগ জনসম্মুখে তুলে ধরছেন। এতে একদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিরা যেমন ন্যায্যমূল্যে উৎপাদিত পণ্য সহজে বিপণন করে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারছেন, অন্যদিকে ভোক্তারা চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যেও চাহিদা অনুযায়ী মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্য সহজে ক্রয় করতে পারছেন। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আশা করি সংশ্লিষ্টরা এ কাজে আরো উৎসাহিত হবেন।”

এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ বলেন, “করোনা পরিস্থিতিতে ও পবিত্র রমজান মাসে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে দেশের ৮টি বিভাগের ৬৪ জেলায় মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্যের ভ্রাম্যমান বিক্রয় অব্যাহত রয়েছে। এ কাজে সম্পৃক্ত আমাদের মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ডেইরি, পোল্ট্রি ও মৎস্য খামারি এবং এ কার্যক্রম জনগণের কাছে তুলে ধরার জন্য সারাদেশের গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২০, ২০২১ ৩:৩৪ অপরাহ্ন
হাটে ক্রেতা নেই, দিশেহারা গরু ব্যবসায়ীরা!
প্রাণিসম্পদ

মেহেরপুর জেলার হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু-ছাগল আমদানি হলেও ক্রেতার সংখ্যা সীমিত হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা। লকডাউনে বাইরের জেলা থেকে কোনও ব্যবসায়ী না আসায় গরু প্রতি ২০-৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত কমেছে বলে জানান সেখানকার ব্যবসায়ীরা। হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু-ছাগল আমদানি হলেও ক্রেতার সংখ্যা সীমিত।

সোমবার ব্যবসায়ী ও খামারিরা গরু ছাগল নিয়ে আসেন মেহেরপুর জেলাসহ আশপাশের জেলার মধ্যে অন্যতম বড় পশুর হাট হচ্ছে গাংনী উপজেলার বামন্দী-নিশিপুর পশুর হাটে।

বাওট গ্রামের আসাদুল ইসলাম জানান, আমি একটি গরু বিক্রির জন্য এনেছি। ১ লাখ ১০ হাজার টাকা ন্যায্য মূল্য। কিন্তু ব্যাপারীরা ৮০ হাজার টাকার উপরে দর দিচ্ছে না। তাই গরু বিক্রি করতে পারছি না।

শুকুরকান্দি গ্রামের একজন গরু ব্যাপারী জানান, হাটে তেমন কোনও ব্যাপারী নেই। ঢাকা ও অন্যান্য জেলা থেকে কোনও ব্যাপারী আসছেন না। স্থানীয় ব্যাপারীরাও পর্যাপ্ত দর দিয়ে গরু কিনছেন না।

গরু পালনকারীরা জানান, গেল বছরের লকডাউনে এ খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। তা কাটিয়ে উঠার জন্য নতুন করে তারা গরু পালন শুরু করেন। কিন্তু লকডাউনের কারণে আবারও ক্ষতি শুরু হয়েছে।

মেহেরপুর জেলার উদীয়মান অর্থনীতিতে গবাদিপশু পালন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই এ খাত টিকিয়ে রাখতে গরু পালনকারী ও ব্যাপারীরা সরকারকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২০, ২০২১ ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
সিরাজগঞ্জে গরু বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার সলঙ্গা ইউনিয়নে কয়েলের আগুন থেকে গোয়াল ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসময় গোয়ল ঘরে থাকা গরু দু‘টি বাঁচাতে ছুটে যান নজরুল ইসলাম (২৬)। একটি গরু বাইরে আনতে পারলেও অন্য গরুর দড়ি খুলতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহত নজরুলের পিতা নুরুল ইসলামও দগ্ধ হয়েছেন। মারা গেছে ঘরের সেই গরুটিও।’

সোমবার (১৯ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টায় সলংগা থানার ফেউকান্দি গ্রামের নজরুল ইসলামের গোয়াল ঘরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

সলঙ্গা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য সানোয়ার হোসেন জানান, নুরুল ইসলামের গোয়ালঘরে মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত। এসময় ওই ঘরে দুটি গরু ছিল। নজরুল গরু দুটিকে বাঁচানোর জন্য গোয়ালঘরে ঢুকলে একটি গরুকে বাঁচাতে পারলেও অপর গরুসহ তিনি পুড়ে মারা যান।

প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সলঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ৭:৪০ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জে কম দামে ভ্রাম্যমাণ দুধ,ডিম বিক্রি অব্যাহত
প্রাণিসম্পদ

লকডাউন ও রমজান মাসে জনসাধারণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কম দামে দুধ ও ডিম বিক্রি করছেন শাহজাদপুর ডেইরি অ্যাসোসিয়েশন ও উপজেলা প্রাণিসম্পাদ বিভাগ।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ভ্রাম্যমাণ ভ্যান গাড়িতে করে ১ হাজার লিটার দুধ, ৪ হাজারের বেশি মুরগির ডিম বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, প্রতি লিটার দুধ ৪০ টাকা ও এক ডজন ডিম ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি ভ্যানের সঙ্গে আছেন একজন খামারি ও প্রাণিসম্পদ অফিসের একজন কর্মচারী।

মিল্কভিটার পরিচালক ও শাহজাদপুর ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সামাদ ফকির জানান, ‘লকডাউন শুরু হওয়ায় খামারিরা দুর্ভোগে পড়েছেন। বাজারে দুধের দাম ৬০ টাকা হলেও ৪০ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে ভ্যানে করে। গাড়ি চলাচল বন্ধ হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। তবে, করোনাকালেও মিল্কভিটা, প্রাণ, আকিজ, আড়ংসহ অন্যান্য কোম্পানি ন্যায্য মূল্যে দুধ কেনায় কিছুটা স্বস্তিতে আছেন শাহজাদপুরের খামারিরা।’

শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৩ সালে সিরাজগঞ্জে সমবায়ভিত্তিক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটার একটি দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা গড়ে তোলা হয়। এর পর এ অঞ্চলে হাজার হাজার গরুর খামার গড়ে ওঠে।

এখান থেকে মিল্কভিটা প্রতিদিন ২ লাখ ২৫ হাজার লিটার দুধ সংগ্রহ করে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রাণ ৪০ হাজার লিটার, আড়ং ১০ হাজার লিটার ও ইগলু ১ হাজার লিটার দুধ কিনে থাকে। বিভিন্ন মিষ্টির দোকান ও ঘোষ সম্প্রদায়ের লোকজন বাকি দুধ কিনে নেয়।

শাহজাদপুরের তরল দুধ, পাউডার দুধ, কনডেন্সড মিল্ক ও খাঁটি গাওয়া ঘি দেশের সিংহভাগ চাহিদা পূরণ করছে। বর্তমানে শাহজাদপুর উপজেলায় সমবায়ভিত্তিক খামারে প্রতিদিন সাড়ে ৩ লাখ লিটার দুধ উৎপাদন হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ১২:১৪ অপরাহ্ন
২টি দিয়ে শুরু, এখন ভেড়ার সংখ্যা ৬০টি
প্রাণিসম্পদ

মাত্র ২টি ভেড়া দিয়ে শুরু করে এখন ৫০ থেকে ৬০টি ভেড়ার মালিক জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের সনি মণ্ডল নামে এক বেকার যুবক।

জানা যায়, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পৌর এলাকার পশ্চিম বিহারপুর গ্রামের যুবক সনি মণ্ডল কয়েক বছর আগে একটি ব্যবসায় লোকসান গুনে সর্বস্বান্ত হয়েছিলেন। এরপরে ইউটিউবে দেখেন ভেড়া খামারের পদ্ধতি।

ভাগ্য বদলের আশায় দেড় বছর আগে ১০ হাজার টাকা ধার নিয়ে মাত্র ২টি ভেড়া কিনে শুরু করেন খামার। লাভ হওয়ায় এরপর বাড়তে থাকে সংখ্যা। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমান তার খামারে রয়েছে ৫০ থেকে ৬০টি ভেড়া। আর এর আয় থেকে তিনি হয়েছেন স্বাবলম্বী।

সনি মণ্ডল জানান, আগে একটি ব্যবসা করতাম। হঠাৎ করে সেই ব্যবসায় লোকসান গুনি। এরপরে ইউটিউবে দেখি কীভাবে ভেড়া পালন করা যায়। প্রথমে দুইটি দিয়ে শুরু করি। এখন আমার খামারে ৫০-৬০টি ভেড়া। বেশ কয়েকটি বিক্রিও করেছি এতে আমার পরিবারে সচ্ছলতা এসেছে। আমি যদি সরকার থেকে কোনো সহযোগিতা পাই তাহলে আমি এ খামারকে আরো বড় করব।

জয়পুরহাট প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহফুজার রহমান জানান, গরু-ছাগলের চেয়ে কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় জেলায় এখন অনেকে ভেড়া চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য আক্কেলপুরের সনি মণ্ডল।

তিনি আরো জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে ভেড়া পালনে চিকিৎসা, ব্যবস্থাপনা ওষুধসহ বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও তাৎক্ষনিক চিকিৎসা বা পরামর্শের জন্য আমাদের একটি মেডিকেল টিম রয়েছে প্রতিটি উপজেলায়। যে কোনো মুহূর্তে তারা সেবা দিয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৮, ২০২১ ৯:৫৪ অপরাহ্ন
নেশা করতে বাঁধা দেয়ায় গরুর বাছুরকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা
প্রাণিসম্পদ

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার উত্তর হাইদগাঁও বদুর বাপের বাড়িতে গোয়াল ঘরে নেশা করতে বাঁধা দেয়ায় শুক্রবার রাতের আধাঁরে গরু বাছুরকে পা বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার পটিয়া থানায় একই এলাকার খায়ের আহমদের পুত্র মো: আরমান‘কে প্রধান আসামী করে এ ঘটনায় অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন গরুর মালিক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, প্রায় একমাস পূর্বে মহিউদ্দিনের গোয়াল ঘরে বসে স্থানীয় মো: আরমানসহ কয়েকজন যুবক নেশা করছিল। এসময় মহিউদ্দিনের মা ফাতেমা বেগম তাদের নেশারত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তাদেরকে গোয়াল ঘরে নেশা করায় ভৎসনা করা হয়। এক পর্যায়ে তারা চলে যাওয়ার সময় গরু মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। এরই জের ধরে শুক্রবার গভীর রাতে গোয়াল ঘরে ঢুকে ৩৫/৪০ হাজার টাকা দামের একটি গরুর বাছুরকে মেরে পা ভেঙ্গে ও পরে পা বেঁধে পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরে নিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে শনিবার বিভিন্ন জায়গায় খুঁজাখুজির এক পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী পুকুর থেকে পা বাঁধা অবস্থায় গরুর বাছুরটির মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

গরুর মালিক মহিউদ্দিন জানান, গোয়াল ঘরে বসে নেশা করতে বাঁধা দেয়ায় আমার গরু বাছুরটিকে পানিতে চুবিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নেশাখোর আরমান। আমি এর উপযুক্ত শাস্তি দাবী করছি। অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তির দাবী জানায়।

পটিয়া থানার এসআই মোরশেদুল আলম জানান, অভিযোগ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে গরু’র বাছুর মারার সত্যতা পেয়েছি। তবে কে বা কারা মেরেছে তা তদন্ত করে বের করে অপরাধী আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৭, ২০২১ ১০:০৩ অপরাহ্ন
ফরিদপুরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ মাছ বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

ফরিদপুরে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে মহামারীররোধে ‘আমিষের চাহিদা পূরণে’ ভ্রাম্যমাণ মাছ বিক্রি শুরু হয়েছে। বিক্রি করা হচ্ছে শিং, রুই, কাতলা, পাঙ্গাশ, পাবদা, চিংড়ি, বাটা, টেংড়াসহ বিভিন্ন মাছ।

ফরিদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, জেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে মাছ চাষিদের উদ্বুদ্ধ করে তাদের মাধ্যমে এ মাছ বিক্রি করা হচ্ছে। জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় এ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

তিনি জানান, স্বেচ্ছায় মাছচাষিরা এ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। তাদের কোনো প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে না। তবে মাছ আনা নেওয়া বা বিক্রি করার জন্য সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

চোকদার ফিশারিজ এর স্বত্বাধিকারী এএসএম জুনায়েদ জুয়েল জানান, বাজারে না গিয়ে ঘরে বসে আমিষের চাহিদা মেটাতে মৎস্য অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ‘সুপরিকল্পিত সামাজিক সংস্থা’ ও ‘চোকদার ফিশারিজ’ এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে।

“ভ্যানযোগে প্রতিটি মহল্লায় গিয়ে মাছ বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়াও আমাদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তার ঠিকানায় মাছ পৌঁছে দিচ্ছি।“

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৭, ২০২১ ৬:৫৩ অপরাহ্ন
মুজিবনগর সরকারের লক্ষ বাস্তবায়ন করছে প্রধানমন্ত্রী: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার মুজিবনগর সরকারের লক্ষ বাস্তবায়ন করছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার তথা মুজিবনগর সরকারের লক্ষ ছিল শোষণমুক্ত এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠন। সে লক্ষ্যেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল মানুষকে শোষণ ও বঞ্চনার হাত থেকে মুক্ত করে তাদের মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য শেখ হাসিনা অবিরাম পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তিনি ইতোমধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন।

তিনি বলেন, মুজিব নগর সরকারের লক্ষ বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার যখন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তখনই একটি উগ্র সাম্প্রদায়িক চক্র সে অর্জন বিনষ্ট করার জন্য মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরই মূলত আবার সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠার সুযোগ পায়।

মৎস্য ও প্রণীসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো ধারাবাহিকভাবে স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে বিভিন্নভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করেছিল। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছেন। বিচারের রায় কার্যকর করে তাদের দর্প চূর্ণ করেছেন। এই সম্প্রীতির বাংলাদেশে আবার সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান। পিরোজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ চৌধুরী ও সমীর দাশ বাচ্চু, পিরোজপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, পিরোজপুর পৌরসভার কাউন্সিলর ছায়েদুল্লাহ লিটন, পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অনিরুজ্জামান অনিক ও সাবেক সভাপতি মাকসুদুল ইসলাম প্রমুখ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৭, ২০২১ ৩:৩০ অপরাহ্ন
কবুতর পালনে নতুনদের যে বিষয়গুলো জানা দরকার
প্রাণিসম্পদ

কবুতর অনেকে শখের বসে পালন করলেও বর্তমানে এটি চাহিদা বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক। বিশ্বজুড়ে কবুতর ২০০ প্রকারের থাকলেও বাংলাদেশে প্রায় ৩০ প্রকারের কবুতর রয়েছে। বর্তমানে কবুতরকে বাড়তি আয়ের উৎস হিসেবে সবাই ব্যবহার করে। আর এই কবুতর পালনে যারা নতুন তাদের অনেকগুলো বিষয় খেয়াল না রাখায় পড়তে হয় নানা বিপাকে। এই জন্য কবুতর পালনে একেবারে নতুন যারা তাদের হতে হবে আরো সচেতন।

উন্নতমানের কবুতর প্রতি জোড়া ২ হাজার থেকে লাখ টাকাও বিক্রি করা হয়। তবে কবুতর পালনের আগে যারা নতুন তাদের অনেক কিছু সম্পর্কে ধারণা রাখা দরকার।

কবুতর পালনে নতুনদের যে বিষয়গুলো জেনে রাখা জরুরি:

১। যারা একেবারে নতুন থেকে কবুতর পালন করবেন, তারা অবশ্যই শুরুতে খুব কম দামী কবুতর দিয়ে শুরু করবেন। কারণ প্রথমেই বড় ধরণের লস হলে কবুতর পালনের প্রতি আপনার জন্ম নিতে পারে অনিহা।

২। কবুতর কিনার সময় অবশ্যই সুস্থ কবুতর দেখে কিনতে হবে। এই জন্য দরকার যারা কবুতর ভালো চিনে প্রথমে তাদের সাথে করে নিয়ে কবুতর কিনতে হবে। আর তাতে ভালো কবুতর কিনতে পারবেন।

৩। যারা নতুন করে কবুতর পালন করেন তারা সাধারণত কবুতর পালন সম্পর্কে তেমন ধারণা রাখেন না। তাই নতুন কবুতর পালকদের ২/১ জোরা বাচ্চা দিয়েই কবুতর পালন শুরু করা উচিত। আর রানিং কবুতর দিয়ে কবুতর পালন শুরু করতে চাইলে অবশ্যই অভিজ্ঞ কারো পরামর্শ নিয়ে শুরু করতে হবে।

৪। নতুন পালনকারীরা একসাথে অনেক কবুতর কিনবেন না। কবুতর পালন পুরোপুরি শেখার আগে অল্প সংখ্যক কবুতর দিয়ে খামার করতে হবে।

৫। কবুতর কেনার আগে সেই কবুতরের বর্তমান বাজার মূল্য আগে থেকে জেনে নিতে হবে। তা না হলে কম দামের কবুতর বেশি দামে বিক্রি করতে পারে।

 

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop