১:৫৮ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ৯, ২০২১ ৪:৫৬ অপরাহ্ন
সাতক্ষীরায় বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে অর্ধশত গরু-ছাগলের মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

একদল বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের আক্রমণে গত এক মাসের ব্যবধানে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নে অর্ধশত গরুর বাছুর, ছাগল ও ভেড়ার মৃত্যু হয়েছে।

বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম মোল্যা জানান, একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে তিনি এ খবর জানতে পেরেছেন। কিন্তু পশু মারার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকায় তিনি বিষয়টি প্রাণিসম্পদ অধিদফতরসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। আশা করছি দ্রুত এসব বেওয়ারিশ পাগলা কুকুর নিধনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ফকরাবাদ গ্রামের একজন জানান, গত একমাস ধরে বিভিন্ন সময়ে বড়দল ইউনিয়নের বুড়িয়া, ফকরাবাদ, গোয়ালডাঙ্গা, জেলপাতুয়া, বামনডাঙ্গা, ডুমুরপোতা, নড়েরাবাদ, জামালনগরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বিভিন্ন বিলে ২০-২৫টি বেওয়ারিশ পাগলা কুকুর ঘোরাফেরা করছে। এসব কুকুর বিলের মধ্যে ঘাস খাওয়ার জন্য ছেড়ে দেয়া গরুর বাছুর, ছাগল, ভেড়া ধরে কামড়ে মেরে ফেলছে। এসময় কুকুর ওই পশুর পেটের চামড়া ছিঁড়ে ফেলে অল্প একটু মাংস খেয়ে সেটি ফেলে রেখে আবার আরেকটির ওপর আক্রমণ করছে। এভাবে গত একমাসের ব্যবধানে ওই এলাকায় কুকুরের কামড়ে অর্ধশত গরুর বাছুর ও ছাগল-ভেড়ার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ অবস্থা দেখে স্থানীয়রা তাদের গবাদিপশু ঘাস খাওয়ার জন্য বিলে ছাড়তে সাহস পাচ্ছে না। এমনকি এসব বেওয়ারিশ পাগলা কুকুরের ভয়ে ওই এলাকার সাধারণ মানুষও বিলে যেতে ভয় পাচ্ছেন।

বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হুসেইন খান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৯, ২০২১ ২:৪৫ অপরাহ্ন
গর্ভবতী গাভীকে যা খাওয়াবেন
প্রাণিসম্পদ

গাভী গর্ভবতী হলে খাবারের আনতে হবে ভিন্ন যত্ন। তাতে করে ভালো থাকবে গাভী এবং গাভীর পেটের বাচ্চাও। আর এই জন্য জানা উচিত গর্ভবতী গাভী কি খাওয়াতে হবে।

গর্ভবতী গাভীকে যা খাওয়াবেন
গর্ভবতী গাভীকে প্রতিদিন ১৪-১৫ কেজি সবুজ ঘাস, ৩-৪ কেজি খড়, ২-৩ কেজি দানাদার খাদ্য একসঙ্গে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে।

দানাদার খাদ্য
দানাদার খাবারের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উপাদান হচ্ছে-
১. গমের ভূষি- ১ কেজি।
২. খেসারি ভাঙা- ১ কেজি।
৩. খৈল- ২৫০ গ্রাম।
৪. চাউলের গুড়া- ৫০০ গ্রাম।
৫. লবণ- ৫০ গ্রাম।
৬. খনিজ মিশ্রণ- ৫০ গ্রাম।
৭. চিটাগুড়- ১৫০ গ্রাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৯, ২০২১ ২:২১ অপরাহ্ন
পশুর ক্ষুরা রোগ দেখা দিলে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশের সব ঋতুতে ক্ষুরা রোগ দেখা গেলেও বর্ষার শেষে এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়।পশুর জন্য ছোঁয়াচে প্রকৃতির ভাইরাসজনিত রোগের মধ্যে এই ক্ষুরা রোগ অন্যতম। গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, হরিণ ও হাতিসহ বিভক্ত ক্ষুরা বিশিষ্ট প্রাণির এ রোগ হয়ে থাকে।

কখন বুঝবেন পশুর ক্ষুরা রোগ হয়েছে:
পশু ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত হলে শরীরের তাপমত্রা বেড়ে যায়। জিহ্বা, দাঁতের মাড়ি, সম্পূর্ণ মুখ গহ্বর, পায়ের ক্ষুরের মাঝে ঘা বা ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ক্ষত সৃষ্টির ফলে মুখ থেকে ফেনাযুক্ত লালা বের হয়। কখনো বা ওলানে ফোসকা পড়ে। পশু খোঁড়াতে থাকে এবং মুখে ঘা বা ক্ষতের কারণে খেতে কষ্ট হয়। অল্প সময়ে পশু দুর্বল হয়ে পড়ে। এ রোগে গর্ভবতী গাভির প্রায়ই গর্ভপাত ঘটে। দুধালো গাভির দুধ উৎপাদন মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়। বয়স্ক গরুর মৃত্যুহার কম হলেও আক্রান্ত বাছুরকে বাঁচিয়ে রাখা খুবই কঠিন। বলা চলে ৬ মাস বয়সের নিচে আক্রান্ত বাছুরের ৯৫ শতাংশই মারা যায় এই ক্ষুরা রোগে।

কিভাবে বিস্তার করে এই রোগ:
ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত পশুর লালা, ঘায়ের রস, মল-মূত্র, দুধ ইত্যাদির মাধ্যমে এই ভাইরাস বের হয়। এ ভাইরাস বাতাস ও খাদ্যের মাধ্যমে সংবেদনশীল পশুতে সংক্রমিত হয়। আক্রান্ত গরু ও মহিষের সংস্পর্শে এ ভাইরাস সুস্থ পশুতে সংক্রমিত হতে পারে। আক্রান্ত পশুর ব্যবহৃত দ্রব্যাদি ও পশুজাত দ্রব্যের (চামড়া, মাংস, দুধ ইত্যাদি) মাধ্যমে এ ভাইরাস এক স্থান থেকে অন্য স্থানে এমনকি বাতাসের মাধ্যমে এক দেশ থেকে অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ক্ষুরা রোগ।

ক্ষুরা রোগের চিকিৎসা:
ক্ষুরা রোগের চিকিৎসায় প্রাথমিকভাবে আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখতে হবে। অসুস্থ পশুর ক্ষত পটাশ মেশানো পানি (০.০১ শতাংশ পটাশিয়াম পার ম্যাঙ্গানেট) দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। ফিটকিরির পানি ১০ গ্রাম (২ চা চামচ) ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে হবে। সোহাগার খৈর গুড়া করে মধু মিশিয়ে মুখের ঘায়ে প্রলেপ দিতে হবে। নরম খাবার দিতে হবে। পশুকে শুষ্ক ও ছায়াযুক্ত স্থানে মেঝেতে রাখতে হবে। কোনো অবস্থাতেই কাদা মাটি বা পানিতে রাখা যাবে না। খাওয়ার সোডা ৪০ গ্রাম ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে পায়ের ঘা পরিষ্কার করে সালফানিলামাইড পাউডার লাগাতে হবে। মাছি থেকে সাবধান থাকতে হবে, যাতে পোকা না দিতে পারে।

লক্ষণীয়:
ওষুধ লাগানোর আগে পায়ের ঘা হাইড্রোজেন পার অক্সাইড দ্বারা পরিষ্কার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়। আক্রান্ত গরু মহিষকে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য পেনিসিলিন বা অক্সিটেট্রাসাইক্লিন ইনজেকশন দিতে হবে (চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে)। মুখে ঘায়ের কারণে অতিরিক্ত লালা নির্গত ও খাওয়া ছেড়ে দিলে অবশ্যই স্যালাইন (৫% গ্লুকোজ+০.৯% সেডিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত) শিরায় পুশ করতে হবে। এর সঙ্গে ভিটামিন বি-কম্প্লেক্স ইনজেকশন প্রয়োগে ঘা সেরে ওঠার পাশাপাশি খাওয়ার আগ্রহ বাড়বে। তবে সতর্ক থাকতে হবে- শুধু গ্লুকোজ ইনজেকশন প্রয়োগ করা যাবে না।

ক্ষুরা রোগের প্রতিরোধ:
রোগ যাতে না ছড়ায় সে জন্য আক্রান্ত পশুকে সুস্থ পশু থেকে আলাদা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। ক্ষুরা রোগসহ যে কোনো মৃত পশুকে ৪-৫ ফুট মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে। কোনোভাবেই খোলা স্থানে ফেলে রাখা যাবে না। ৬ মাসের কম বয়সের বাচ্চাকে অসুস্থ গাভির দুধ খাওয়ানো যাবে না এবং আলাদা স্থানে রাখতে হবে।

টিকা:
সুস্থ গবাদি পশুকে বছরে দু’বার প্রতিষেধক টিকা দিতে হবে। ক্ষুরা রোগের টিকা স্থানীয় উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে পাওয়া যায়। সময়মতো এই টিকা দিলে প্রতিহত করা যাবে এই ক্ষুরা রোগ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৯, ২০২১ ১২:২২ অপরাহ্ন
১০০ কেজি দৈহিক ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা
প্রাণিসম্পদ

গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্পে দ্রুত লাভবান হতে গিয়ে অনেকেই ভুল করে বসেন। অনেক খামারি ভাবেন গরুকে বেশি বেশি খাদ্য প্রদান করলে স্বাস্থ্য ভাল থাকবে এবং দ্রুত গরু মোটাতাজা হবে। আসলে ব্যাপারটি তেমন নয়।

প্রতিটি প্রাণীরই খাদ্য খাওয়ার একটি নির্দিষ্ট মাপকাঠি থাকে। যেমন মানুষ প্রতিদিন তিনি বেলা খেয়ে থাকেন এবং পরিমিত হারে খেয়ে থাকেন তেমনি গবাদিপশুকেও পরিমিত হারে খাদ্য প্রদান করতে হবে।

গরুর দোহিক ওজনের ভিত্তিতে খাদ্য প্রদানের হার নির্ধারণ করা যায়। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক গরুর দৈহিক ওজনের ভিত্তিতে দৈনিক কি পরিমাণ খাদ্য দেয়া যেতে পারে-

১০০ কেজি দৈহিক ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা উপাদান পরিমাণ

ধানের খড় ২ কেজি
সবুজ ঘাস ৪-৫ কেজি (ঘাস না থাকলে খড় ব্যবহার করতে হবে

দানদার খাদ্যে মিশ্রন ১.২-২.৫ কেজি
ইউরিয়া ৩৫ গ্রাম (নিয়মানুযায়ী)

চিটাগুড়া ২০০-৪০০ গ্রাম
লবণ ২৫ গ্রাম

দানাদার খাদ্যের সাথে লবণ, ইউরিয়া, চিটাগুড় এক সাথে মিশিয়ে দিনে ২ বার দিতে হবে। ধানের খড় এবং কাঁচা ঘাস ছোট ছোট করে কেটে এক সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

১৫০ কেজি ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা উপাদান পরিমাণ

ধানের খড় ৩ কেজি
কাঁচা ঘাস ৫-৬ কেজি

দানাদার খাদ্যের মিশ্রন ১.৫-২ কেজি
চিটাগুড় ৫০০ গ্রাম

ইউরিয়া ৪৫ গ্রাম (নিয়মানুয়ায়ী)
লবন ৩৫ গ্রাম

১৫০-২০০ কেজি ওজনের পশুর খাদ্য তালিকা উপাদান পরিমাণ

ধানের খড় ৪ কেজি
কাঁচা ঘাস ৫-৬ কেজি

দানাদার খাদ্যের মিশ্রন ১.৫-২ কেজি
চিটাগুড় ৫০০ গ্রাম

ইউরিয়া ৪৫ গ্রাম (নিয়মানুযায়ী)
লবন ৩৫ গ্রাম

মোটাতাজাকরণের গরুকে সর্বক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ জাতীয় খাবার (খড়, কাঁচা ঘাস) এবং বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হবে।

গবাদীপশুকে ইউরিয়া প্রক্রিয়াজাত খাবার প্রদানে কিছু কিছু সর্তকতা অবলম্বন করা উচিত।
১। এক বছরের নিচে গরুকে ইউরিয়া খাওয়ানো যাবে না।
২। কখনও মাত্রাতিরিক্ত ইউরিয়া খাওয়ানো যাবে না
৩। গর্ভাবস্থায় ইউরিয়া খাওয়ানো যাবে না।
৪। অসুস্থ গরুকে ইউরিয়া খাওয়ানো যাবে না, তবে দূর্বল গরুকে পরিমাণের চেয়ে কম খাওয়ানো যেতে পারে।
৫। ইউরিয়া খাওয়ানোর প্রাথমিক অবস্থা (৭ দিন পর্যন্ত পশুকে ঠান্ডা ছায়াযুক্ত স্থানে বেঁধে রাখতে হবে এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। প্রকল্প মেয়াদ তিন মাস, শুরু হবে ইউরিয়া মিশ্রিত খাবার প্রদানের দিন থেকে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৮, ২০২১ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
মেহেরপুরে দুই ছাগল চোরকে গণপিটুনি দিয়েছে জনতা
পাঁচমিশালি

মেহেরপুরের গাংনীর সাহারবাটি গ্রামে দুই ছাগল চোরকে ধরে গণপিটুনি দিয়েছে সাধারণ জনগণ। পরে তারা পুলিশে সোপর্দ করেছেন ওই দুই ছাগল চোরকে।

বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আটকরা হলেন, মেহেরপুর শহরের মল্লিকপাড়ার ইকবাল আলীর ছেলে আকাশ (২২) ও শাহাদত হোসেনের ছেলে শামীম (২০)।

অভিযোগের ভিত্তিতে দুজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেন জানান গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) সাজেদুল ইসলাম জানান, গাংনীর সাহারবাটি গ্রামের মুক্তি নামে এক নারীর বাড়ির পাশ থেকে তার দুটি বড় খাসি ছাগল চুরি করে আকাশ ও শামীম একটি ইজিবাইকযোগে পালিয়ে আসছিলেন। স্থানীয় লোকজন তাদের দু’জনকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশকে জানায়।

সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে গাংনী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে। এছাড়া চুরি যাওয়া ছাগলসহ ইজিবাইকটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রহমান জানান, চোর এবং ছাগল থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৭, ২০২১ ৭:০৯ অপরাহ্ন
দুধ, ডিম ও মাংস ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় শুরু করলো মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
প্রাণিসম্পদ

করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশে ন্যায্যমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস ভ্রাম্যমাণ পদ্ধতিতে বিক্রয় শুরু হয়েছে।

আজ বুধবার (৭ এপ্রিল) সারাদেশে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এদিন রাজধানীর সচিবালয় গেট, খামাবাড়ি, মিরপুর-১০ নং গোল চক্কর ও ধানমন্ডি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় শুরু হয়। এ কার্যক্রমের সূচনা দিনে রাজধানীতে প্রায় ১ হাজার ২০০লিটার দুধ বিক্রয় হয়েছে।

করোনা পরিস্থিতিতে ক্রমান্বয়ে ঢাকার ১০টি স্থানে ডেইরি ও পোল্ট্রি অ্যসোসিয়েশনসহ প্রান্তিক খামারিদের সম্পৃক্ত করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর।

পাশাপাশি দেশের সকল জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে দুধ, ডিম, ও মাংসের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় চলমান থাকবে। ভ্রাম্যমান বিক্রয়ের মাধ্যমে খামারিগণ ন্যায্যমূল্যে সরাসরি ভোক্তাদের নিকট দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির সুযোগ পাবে।

গতকাল মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে মাছ, হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু, দুধ, ডিম, মাছের পোনা, মুরগির বাচ্চা, পশু চিকিৎসা সামগ্রী, টিকা, কৃত্রিম প্রজনন সামগ্রী, মৎস্য ও পশু খাদ্য, ঔষধ ইত্যাদি পরিবহণ ও বিপণন কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ভার্চুয়াল সভায় সারাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় চালুর নির্দেশ দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

এসময় তিনি বলেন, “আমরা সবকিছু বন্ধ করে দিলে মানুষের মাছ, মাংস, দুধ ডিমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে না। আবার উৎপাদক, খামারি, বিপণনকারীসহ এ খাত সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গতবছর এ খাতের সংকট উত্তরণে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল, কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, পরিবহনের বাধা দূর করা হয়েছে। বন্দরে মৎস্য ও প্রাণী খাদ্য ছাড়করণেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এবছরও প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদিত পণ্য ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।”

ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার জন্য সভায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের তৎপর থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

উল্লেখ্য গতবছর করোনা সংকটে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের খামারিদের উৎপাদিত মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম ভ্রাম্যমান ব্যবস্থায় বিক্রয় করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৭, ২০২১ ৪:৫৯ অপরাহ্ন
আলমডাঙ্গায় গরুচোর চক্রের ৬ সদস্য আটক
প্রাণিসম্পদ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থেকে তিনটি গরু ও একটি ট্রাক জব্দ করাসহ আন্তঃজেলা গরুচোর চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (৭ এপ্রিল) ভোরে তাদের আলমডাঙ্গা মুন্সিগঞ্জ রেলগেট এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।

আটকরা হলো- আলমডাঙ্গা উপজেলার বাদেমাজু গ্রামের ফারুক হোসেন, নাগদা গ্রামের বিপ্লব, কাবিলনগর গ্রামের জকিম উদ্দিন, দামুড়হুদা উপজেলা শাহিন আলী, সদর উপজেলার নফরকান্দি গ্রামের আলিম হোসেন ও মোমিনপুর গ্রামের সোহাগ আলী।

জানা যায়, কুষ্টিয়া থেকে আন্তঃজেলা গরুচোর চক্রের সদস্যরা ট্রাকযোগে গরু চুরি করে চুয়াডাঙ্গায় নিচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ মুন্সিগঞ্জ রেলগেট এলাকায় বুধবার ভোরে অবস্থান নেয়।

এ সময় পুলিশ একটি ট্রাককে দাঁড়াতে সিগন্যাল দিলে সেটি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে রেলগেটের গেট ফেলে ট্রাকটি আটক করা হয়। পরে ট্রাক থেকে তিনটি চোরাই গরু ও ট্রাকসহ ৬ জনকে আটক করে পুলিশ।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্যরা চুয়াডাঙ্গাসহ পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে ট্রাকযোগে গরু চুরি করত। এতে কৃষক ও গ্রামের সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতো। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক গরুগুলো কুষ্টিয়া থেকে চুরি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছেন আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৭, ২০২১ ১:০৬ অপরাহ্ন
ডুমুরিয়ায় ক্ষুরা রোগে চার সপ্তাহে শতাধিক গরুর মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

গত চার সপ্তাহে খুলনার ডুমুরিয়ায় ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত হয়ে শতাধিক গরুর মৃত্যু হয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে আরও তিন শতাধিক গরু।

খামারিদের অভিযোগ, প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে তারা কোনো সহযোগিতা পান না তারা। তবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের দাবি, ক্ষুরা রোগে সম্প্রতি মাত্র ১২টি গরু মারা গেছে। আর বেশকিছু গরু আক্রান্ত হয়েছে। তবে গরুর চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি ছিল না তাদের।

জানা যায়, ক্ষুরা রোগে উপজেলার পূর্ব ডুমুরিয়া গ্রামের সাইফুল ইসলাম গাজীর ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গাভি মারা গেছে। ডুমুরিয়া আইতলা এলাকার শংকর প্রসাদ রাহার ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি গরু মারা গেছে। আরাজী ডুমুরিয়া নারায়ণ পালের একটি গাভি ও একটি বকনা বাছুর, গুটুদিয়া গ্রামের হাফিজ খানের একটি গাভি এবং উপজেলার খলশি গ্রামের ওহিদুল ইসলামের দুটি গাভি মারা গেছে।

একইভাবে ক্ষুরা রোগে আক্রান্ত হয়ে উপজেলার ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নে, ধামালিয়া, খর্নিয়া, ভান্ডারপাড়া, রুদাঘারা ও রংপুর ইউনিয়ন এলাকার বিভিন্ন গ্রামে গত চার সপ্তাহে শতাধিক গরু খুরা রোগে মারা গেছে এবং আক্রান্ত হয়েছে আরও তিন শতাধিক বলে জানা যায়।

সদরের গোলনা গ্রামের খামারি খান অহিদুল ইসলাম জানান, তিন সপ্তাহ আগে ক্ষুরা রোগে আক্রান্তু হয়ে তার হাইব্রিড জাতের ৩টি গাভি, একটি বড় বকনা ও ৪টি বাছুর মারা গেছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ টাকার।

গরুর খামারি খান ওহিদুল ইসলাম ও সাইফুল ইসলাম গাজী জানান, খুরা রোগের লক্ষণ হচ্ছে, প্রথমে গরুর গায়ে তাপমাত্রা প্রচণ্ড বৃদ্ধি পায়, মুখ দিয়ে লালা বের হতে থাকে, গরুর মুখে ও খুরায় ঘা দেখা দেয়। ফলে আক্রান্ত গরু কোনো খাদ্য খেতে পারে না। এরপর অল্প দিনের মধ্যে ওই গরু মারা যায়। সে ক্ষেত্রে খুরা রোগ প্রতিরোধে গরুকে নিয়মিত ভ্যাকসিন দিতে হয়। প্রাণিসম্পদ অফিসে ভ্যাকসিন সংকটের কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শত চেষ্টার পরও আক্রান্ত গরুগুলো বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

খামারি শংকর প্রসাদ রাহা জানান, প্রাণিসম্পদ অফিসে ভ্যাকসিন পাওয়া মুশকিল। গরুর চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ অফিসের চিকিৎসকদের অনীহা রয়েছে। বারবার তাদের ডেকেও পাওয়া যায় না।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহমুদা সুলতানা বলেন, মূলত ক্ষুরা রোগের চিকিৎসা নেই। আগে থেকে গরুর খুরা রোগের ভ্যাকসিন দিতে হয়। গরুর বা ছাগলের কোনো সমস্যা হলে চিকিৎক না ডেকে খামারিরা নিজেই চিকিৎকসা দেন। খামারিদের অভিযোগ সঠিক নয়। এ ছাড়া ডুমুরিয়া উপজেলাটি প্রায় একটি জেলার সমান। প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের অফিসে জনবল অপ্রতুল।

ডুমুরিয়া প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় ১৪টি ইউনিয়নে ১ হাজার ২৫২টি হাইব্রিড জাতের গরুর খামার রয়েছে। হাইব্রিড ও দেশি জাতের গরুর সংখ্যা এখানে ১ লাখ ৯০ হাজার। প্রতিদিন এ উপজেলায় প্রায় ৮০ হাজার লিটার দুধ উৎপাদিত হয়, যা ডুমুরিয়ার চাহিদা মিটিয়ে খুলনা ও যশোর জেলা শহরে বিভিন্ন কোম্পানি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারে বিক্রি হয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৭, ২০২১ ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
বরিশালে রোগা গরু জবাইয়ের সময় ধরা খেলেন কসাই!
প্রাণিসম্পদ

রোগা গরু গোপনে জবাইয়ের আগ মুহূর্তে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় মো. শহিদুল ইসলাম নামের (৪০) এক মাংসবিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার প্রধান বন্দর পাতারহাট বাজার থেকে রোগা গরুটি উদ্ধার ও মাংসবিক্রেতা শহিদুলকে আটক করা হয়।

আটকের পর ওই মাংসবিক্রেতাকে এ ঘটনায় ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি গরুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের হেফাজতে দেয়া হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পিজুস চন্দ্র দে জানান, মঙ্গলবার পাতারহাট বন্দরে হাটবার। এ কারণে স্বাভাবিকের দিনের চেয়ে হাটে মাংসসহ নিত্যপণ্য বিক্রি বেশি হয়। এ সুযোগে প্রায় মৃত রোগা গরুটি গোপনে জবাই করার উদ্যোগ নেন মাংসবিক্রেতা শহিদুল ইসলাম।

তিনি জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে জবাইয়ের আগ মুহূর্তে তিনি পুলিশ সদস্যদের নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। গিয়ে দেখেন গরুটির গোটা শরীরে ঘা ও ক্ষত। নড়াচড়া করছে না। প্রায় মৃত অবস্থায় গরুটি পড়ে আছে।

তিনি আরো বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে মাংসবিক্রেতা শহিদুল ইসলাম তার দোষ স্বীকার করে বলেন, হাটবারে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে তিনি রোগা গরুটি মাত্র ১৫ হাজার টাকায় কিনেছিলেন। বেশি মুনাফার লোভে তিনি এ কাজ করেছিলেন। তিনি এ ধরনের কাজ ভবিষ্যতে আর করবেন না বলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে ক্ষমা চান। এ ঘটনায় মাংসবিক্রেতা শহিদুল ইসলামকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি রুগ্ন গরুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের হেফাজতে দেয়া হয়েছে।

গরুটির শরীরের কয়েক জায়গায় ঘা ও ক্ষততে পোকা সংক্রমণ দেখা গেছে। রুগ্ন এ গরুর মাংস মানবদেহের জন্য ক্ষতির আশঙ্কা ছিল। তবে জবাইয়ের আগেই গরুটি উদ্ধার করা হয়েছে। গরুটির রোগ সারিয়ে তুলতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রকাশ বিশ্বাস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৭, ২০২১ ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে দগ্ধ কৃষকের ৭ গরু
প্রাণিসম্পদ

যশোরের মণিরামপুরে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে কৃষক ইসরাফিল মোড়লের সাতটি গরু দগ্ধ হয়েছে। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে গোয়ালঘর ও রান্নাঘর। গ্রামবাসী ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় প্রাণে রক্ষা পায় গরুগুলো।

সোমবার (৫ এপ্রিল) রাতে মণিরামপুর উপজেলার কাশিপুর দক্ষিণপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে।

মণিরামপুর থানার পরিদর্শক শিকদার মতিয়ার রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি জিডি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ইসরাফিল জানান, গত রাত ১০টার দিকে বাড়ির সামনে দোকানে লোকজনসহ বসেছিলেন তিনি। হঠাৎ গোয়ালঘরে আগুন দেখতে পেয়ে সবাই ছুটে যান। পরে ৪০-৫০ জন চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। খবর পেয়ে ফায়ারসার্ভিসের লোকজন এসে তারাও কাজ করেন। ততক্ষণে রান্নাঘর ও গোয়াল পুড়ে ছাই হয়েছে। গোয়ালে থাকা সাতটা গরু দগ্ধ হয়েছে। এর মধ্যে তিনটির অবস্থা খারাপ।

ইসরাফিলের দাবি, গোয়াল বা রান্নাঘরে আগুন ধরার মতো কিছু ছিল না। কেউ হিংসা করে আগুন দিয়েছে।

‘আগুন লাগার কোনও সূত্র পাওয়া যায়নি। আমরা অজ্ঞাত কারণ হিসেবে রিপোর্ট করেছি বলে জানান মণিরামপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবু আহসান।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop