৪:৪৮ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ২৪, ২০২১ ১১:৫১ অপরাহ্ন
সচিবের মায়ের দেখাশুনার দায়িত্ব কাউকে দেওয়া হয়নি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের মায়ের দেখাশুনার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের মা। তার চিকিৎসাসেবায় মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তরের ২৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার খবর প্রকাশ করেছে সমকাল। একই রকম সংবাদ প্রচার করে চ্যানেল ২৪-ও।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, পত্রিকার সূত্র ধরে আজ জানতে পেরেছি, আমাদের মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয়ের মা অসুস্থ। সেখানে ২৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দেখভাল করছেন বলে একটি নিউজ পত্রিকায় এসেছে। সচিব মহোদয়ের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে। আমি তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চেয়েছি। তিনি বলেছেন, এটি সঠিক নয়। তিনি কাউকে কোনো দাপ্তরিক দায়িত্ব দিয়ে ওখানে পাঠাননি। সচিব নিজেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন। তারপর তার ৯৫ বছর বয়সী মা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। সচিব নিজেই অসুস্থ। এমন বিপদের সময়ে মন্ত্রণালয়ের অনেকে সহানুভূতি জানাতে হাসপাতালে গিয়েছেন। সচিব কাউকে কোনো দায়িত্ব দেননি। মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে দেখেছি, মন্ত্রণালয় থেকে এরকম কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমে এসেছে সচিবের মাকে দেখাশুনার জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুধু দায়িত্বই দেওয়া নয়, রীতিমতো চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। কিন্তু মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি ইস্যু করা হলে কারও না কারও সই থাকে, মেমো নম্বর থাকে, তারিখ থাকে, এগুলো কিছুই করা হয়নি। আমি চেক করে দেখেছি, মন্ত্রণালয় থেকে এ রকম কোনো চিঠি ইস্যু করা হয়নি।

এটি অতি উৎসাহী কাজ কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, এর বাইরে আমার আর কিছু বলার নেই। মন্ত্রণালয় থেকে কোনো চিঠি ইস্যু করা হয়নি, এটা নিশ্চত হয়েছি। সচিবও কাউকে দায়িত্ব দেননি বলে আমাকে জানিয়েছেন। সচিব বলেছেন, তার মাকে কেউ কেউ দেখতে যেতে পারেন। করোনায় উপচে পড়া ভিড় হওয়ার কারণে অনেকে হয়তো আলাদা আলাদা যেতে পারেন। কেউ গেছেন কি না সেটিও সচিব বলতে পারেননি। কেউ গেলে নিজ দায়িত্বেই যেতে পারেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৪, ২০২১ ৭:১৮ অপরাহ্ন
হাঁস-মাছ চাষে বছরে ২৭ লাখ টাকা আয় করেন ইমন
প্রাণিসম্পদ

ইমরুল কাওছার ইমন দৈনিক ভোরের ডাকের নিজস্ব প্রতিবেদক। স্বপ্ন ছিল সফল উদ্যোক্তা হবেন। আর এ স্বপ্ন নিয়েই ২০১৯ সালে স্বল্প পরিসরে শুরু করেন মাছ চাষ। পাশাপাশি গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরের নলডাঙ্গায় মায়ের নামে গড়ে তুলেছেন হাঁসের খামার। হাঁস আর মাছ চাষে বছরে তার আয় হচ্ছে ২৭ লাখ টাকা।

জানা গেছে, স্বল্প পরিসরে ২০১৯ সালে একটি মাত্র পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেন ইমন। মাছ চাষে দুই বছরে সফল হওয়ার পর তিনি পরিকল্পনা করেন ‘খাঁকি ক্যাম্পবেল’ জাতের হাঁস পালনের। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিনি করোনা মহামারির মাঝামাঝি সময়ে গড়ে তোলেন একটি হাঁসের খামার। হাঁসের ডিম বিক্রির টাকায় চার একর জমিতে তিনটি বিশাল পুকুরে পরিকল্পিতভাবে চাষ করছেন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। চার মাস পরপর মাছ বিক্রি থেকে তার আয় হচ্ছে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকা। এ ছাড়া ডিম বিক্রি করে মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় হচ্ছে।

এর আগে ইমন ২০১৫ সালে ঢাকার গুলিস্তানে নিজের জমানো টাকা দিয়ে শার্ট তৈরির একটি ছোট্ট কারখানা শুরু করেন। প্রথম দিকে মাত্র তিনজন কর্মচারী নিয়ে কারখানা শুরু করলেও বর্তমানে ৫০ জনের বেশি লোক কাজ করছে তার কারখানায়। পাশাপাশি তিনি শান্তিনগরে একটি ট্রাভেল এজেন্সি খুলেছেন। ব্যবসার লাভের টাকায় বেশ কয়েকটি মাইক্রোবাস কেনেন তিনি। রাজধানীতে উবারের সঙ্গে চুক্তি করে যাত্রীসেবা দেয় মাইক্রোবাসগুলো।

একইসঙ্গে নিজের বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে দেশের নামকরা অনেক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গড়ে তোলেন সম্পর্ক। এই সুবাদে এসব প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রম ও ব্যবসার পণ্য প্রসার ঘটাতে ‘ক্রিকেট ব্র্যান্ডিং’ এর কাজ শুরু করেন। দেশের বিভিন্ন ক্লাবভিত্তিক টুর্নামেন্টসহ বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের জার্সি ও গ্যালারিতে ব্র্যান্ডিংয়ের (বিজ্ঞাপন) কাজ করেন তিনি।

তবে চলতি বছরের মার্চে এসে তার জীবনের সব হিসেব এলোমেলো হয়ে যায়। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপে ক্ষতি হতে থাকে একের পর এক ব্যবসায়। লকডাউনে গার্মেন্টস-কারখানা বন্ধ। উবারের গাড়ির চাকাও ঘোরেনি। সারাবিশ্বে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসা ও ক্রিকেট ব্র্যান্ডিং বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে সমন্বিতভাবে হাঁস ও মাছ চাষের পরিকল্পনা নেন তিনি। গড়ে তোলেন মায়ের নামে ‘হামিদা ডাক অ্যান্ড ফিশ ফার্ম’।

স্থানীয়রা জানান, ইমনের ফার্মে বর্তমানে চার-পাঁচজন শ্রমিক রয়েছে। একটি পুকুরে এক পাশে চাষ করছেন মনোসেক্স তেলাপিয়া ও আরেক পাশে চাষ হচ্ছে থাই জাতের পাঙাশ। তার পাশে পানির ওপরে বাঁশ ও টিন দিয়ে মাচা বানিয়ে হাঁসের খামার করেছেন। এ ছাড়া আরেকটি পুকুরে চাষ হচ্ছে ভিয়েতনামি কৈ, হাইব্রিড শিং, বিদেশি মৃগেল, কালিবাউশ ও সরপুঁটি। অন্যটিতে চাষ হচ্ছে দেশি জাতের মাছ।

স্থানীয় সংবাদকর্মী শাহিন মিয়া জানান, ইমরুল কাওছার ইমন মূলত সাংবাদিক। সাংবাদিকতার পাশাপাশি বেকার যুবকদের কীভাবে কাজে লাগানো যায় এমন ইচ্ছে ছিল তার অনেক দিনের। সেই ইচ্ছে থেকেই হাঁসের খামার দেন। খামারে ‘খাকি ক্যাম্পবেল’ জাতের এক হাজার হাঁস রয়েছে। এ হাঁস থেকে দৈনিক ৭০০- ৭৫০টি ডিম আসে। হাঁসের সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে করছেন মাছ চাষ। ইতোমধ্যে তার খামারটি লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছে। এ ছাড়া তিন-চারজন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে এখানে।

খামারটি দেখভালের দায়িত্বে আছেন ইমনের ছোট ভাই নাহিদ আনসারী। তিনি বলেন, এই খামারের উদ্যোক্তা আমার বড় ভাই ইমরুল কাওছার ইমন। তিনি ঢাকায় থাকেন। মাঝে মাঝে খামারটি পরিদর্শন করার জন্য আসেন। আমি এই খামারটির সার্বিক দেখভাল করি। এ ছাড়া দুইজন কর্মচারী রয়েছে। তারা তিন বেলা হাঁসগুলোকে খাবার দেয়। পাশাপাশি পুকুরগুলোও দেখাশোনা করে। এক হাজার হাঁস থেকে প্রতিদিন ৭০০-৮০০ ডিম আসে। দুই দিন পরপর ডিমগুলো বিক্রি করে থাকি। বর্তমানে খামারটি লাভজনক অবস্থায় আছে।

হামিদা ডাক অ্যান্ড ফিশ ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরুল কাওসার ইমন বলেন, মূলত পাঁচ বছরের একটি পরিকল্পনা নিয়ে পথচলা শুরু করেছি। বর্তমানে এক হাজার খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস এবং চার একর জমিতে দেশি-বিদেশি প্রজাতির নানা ধরনের মাছ চাষ করছি। বর্তমানে খামার ও পুকুরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১২ জন লোক কাজ করছে। আগামী বছরগুলোতে যা কয়েকগুণ বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, এলাকায় আরও অনেক খামার গড়ে উঠছে। প্রতিদিনই মানুষ নানা তথ্য নিতে খামারে আসছে। আমাদের অভিজ্ঞ কর্মীরাও বিভিন্ন খামারে গিয়ে বিনামূল্যে নানা ধরনের দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন। তরুণরা চাকরির পেছনে না ছুটে নিজের শ্রম ও মেধা কাজে লাগিয়ে নিজের পাশাপাশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।

তিনি বলেন, করোনার এই মহামারিতে উচ্চ ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগ করেছি। এর সুফল হিসেবে কিছু মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। অন্তত তারা দেশের বোঝা হয়ে থাকছে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে, উদ্যোক্তা হতে হবে।

সম্প্রতি খামারটি পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম স্মৃতি। তিনি বলেন ‘প্রজেক্টটি দেখে আমি অভিভূত। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ইমন যেভাবে কাজ করছে এটা সত্যিই অকল্পনীয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান কৃষিতে যেন যুবকরা কাজ করে নিজে স্বাবলম্বী হয় এবং অন্যকে কাজ দিতে পারে। আমি কৃষকলীগের একজন কর্মী হিসেবে, এলাকার এমপি হিসেবে ইমনের এই প্রজেক্টকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সহযোগিতা করব।’
সূত্র: ঢাকা পোস্ট

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২১ ১০:৩১ অপরাহ্ন
বিশ্ব কুকুর দিবস উপলক্ষে শর্ট ভিডিওর আয়োজন
প্রাণিসম্পদ

নাজমুল হাসান:প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকে কুকুর মানবসম্পদ নিরাপত্তায় ও বিনোদনে অপরিহার্য অংশ ।উন্নত ব্রিডের সমাগমে উন্নয়নশীল যুগে পা বাড়ানোর সাথে সাথে পশুসম্পদ উন্নয়নে দেশ প্রবেশ করেছে নতুন যুগে। ২৬ শে আগস্ট(বৃহস্পতিবার) “World Dog Day”

এ উপলক্ষ্যে ‘বিডিভেটস ডট কম’ এর এক বৃহৎ ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফরম “Vets-TV” ; এক ভিডিও শেয়ারিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

এ সম্পর্কে ওয়েবসাইটির প্রধান ভেটেরিনারি সার্জন মিঠুন সরকার বলেন, “বৈশ্বিক ভেটেরিনারিয়ানদের জন্য এক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলতে পারেন ‘বিডিভেটস ডট কম’। চিকিৎসা সম্পর্কিত আলোচনার মাধ্যমে এক ধারায় আসতে পারেন ভেটেরিনারিয়ানরা।তার পাশাপাশি মিলবে ভেটেরিনারী সম্পর্কিত ছবি,ভিডিও,নোট,বই,লেকচার,মেডিসিন লিস্ট।এ ওয়েব প্লাটফর্মটির প্রধান আকর্ষন ই-প্রেসক্রিপশন এর মাধ্যমে প্রান্তিক খামিরীরা সেবা পাচ্ছেন ২০১৭ সাল থেকে।এ পর্যন্ত সারাবিশ্বে প্রায় হাজারো ই-প্রসক্রিপশন পৌছে দিয়েছেন প্লাটফর্মটির ভেটেরিনারিয়ানরা। ”

ভিডিও পোস্টের নিয়মঃ
1.ভেটেরিনারিয়ান বা ভেটেরিনারি ছাত্র/ছাত্রী হতে হবে
2.ভিডিও ভেটেরিনারি সম্পর্কিত হতে হবে (সুস্থ্য বা রোগের)
3.ভিডিওটি অবশ্যই নিজের তোলা হতে হবে। কপি করা কোন কন্টেন্ট গ্রহণ করা হবে না।
4.ভিডিও সাধারণত ১ মিনিটের নিচে হলে ভালো হয়।

(প্রতিযোগিতা আগস্ট মাসের ২৬ তারিখ পর্যন্ত চলবে)
সর্বাধিক এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভিডিও পোস্ট দাতার জন্য রয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার।

উল্লেখ্য,মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত “ইনোভেশন শোকেসিং ২০২১” এ প্রথম স্থান অর্জন করে ওয়েবসাইটটি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২১ ৫:১৪ অপরাহ্ন
সরকার কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করছে না : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সরকার কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করছে না। শেখ হাসিনার সরকার এ দেশে মদের লাইসেন্স দেয় না। ইসলাম শিক্ষায় মানুষদের কিভাবে আধুনিক শিক্ষায় আলোকিত করা যায় তার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ পিরোজপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ৪৬তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

পিরোজপুর সদর উপজেলা মিলনায়তনে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জাতীয় ইমাম সমিতি জেলা শাখার আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসা থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের এমএ পাসের মর্যাদা দিয়েছে সরকার। ৫০০ মাদ্রাসাকে উন্নয়ন প্রকল্পে নেয়া হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে।

জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মীর মো. ফারুক আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে কক্তব্য রাখেন ছারছীনা দারুস সুন্নাত কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ড. সাইয়্যেদ মুহা. শরাফত আলী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. আব্দুর রাজ্জাক খান বাদশা, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান ফুলু। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন জেলা ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২১ ১:৫৩ অপরাহ্ন
আফতাব বহুমুখী ফার্ম লি. এবং বাংলাদেশ অরগানিক হাবের দ্বিপক্ষীয় চুক্তি
পোলট্রি

আফতাব বহুমুখী ফার্ম লিমিটেড এবং বাংলাদেশ অরগানিক হাবের মধ্যে নিরাপদ স্বাস্থ্যসম্মত পোল্ট্রি পন্য উৎপাদন ও দক্ষ সাপ্লাই চেইন ডেভেলপমেন্টের লক্ষ্যে রোববার (২২ আগস্ট) দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সম্পাদিত হয়।

আফতাব বহুমুখী ফার্ম লিমিটেডের পক্ষে নুরুল মোরশেদ খান অপারেটিভ ডাইরেক্টর, সেলস এন্ড মার্কেটিং এবং বাংলাদেশ অরগানিক হাবের পক্ষে বাংলাদেশ অরগানিক হাবের সিইও কৃষিবিদ অঞ্জন মজুমদার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

উক্ত চুক্তির উদ্দেশ্য হল, দেশে ভোক্তার জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্যসম্মত ব্রয়লার মাংস ও ডিমের একটি দক্ষ উৎপাদন ও বিপনন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা।

আগামী দিনে চুক্তির উভয় পক্ষ চুক্তিবদ্ধ প্রান্তিক উৎপাদনকারীদের নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করবে এবং খামারীদের নিরাপদ পোল্ট্রি পন্য উৎপাদনের সক্ষমতা গড়ে তুলতে পোল্ট্রি ম্যানেজমেন্ট এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন এবং খামারীদের উৎপাদিত পন্যের লাভজনক মুল্য প্রাপ্তিতে দক্ষ সাপ্লাই নেটওয়ার্ক গড়ে তুলবে।

চুক্তিকালে আরো উপস্থিত ছিলেন ডা মোহাম্মদ শাকিব রেজওয়ান, ম্যানেজার টেকনিক্যাল সার্ভিস ( পোল্ট্রি এন্ড ড়েইরি)।

অবগানিক হাব বর্তমানে যা যা করছে:
১. চুক্তিবদ্ধ উৎপাদনকারীদের নিরাপদ স্বাস্থ্যসম্মত প্রোডাক্টগুলো বাংলাদেশ অরগানিক হাবের সাপ্লাই চেইনের সাথে যুক্ত করছে।
২. যে কোন কৃষি ভিত্তিক আধুনিক উন্নত প্রযুক্তির প্রকল্প স্থাপনের জন্য-
ক) প্রজেক্ট ডিজাইন ( ধারনা পত্র তৈরি, প্রজেক্ট প্রফাইল, লে আউট প্ল্যান, মাস্টার প্ল্যান, প্রকল্প মূল্যায়ন / ফিজিবিলিটি স্টাডি)।
খ) প্রকল্প স্থাপন মনিটরিং,ট্রায়াল প্রোডাকশন এবং দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্প পরিচালনা (আউট সোর্সিং)।
গ) প্রকল্পের জন্য দেশি বিদেশি যন্ত্রপাতি এবং দক্ষ টেকনিশিয়ান, ইঞ্জিনিয়ার, হাইয়ার ম্যানেজমেন্ট কর্মী সোর্সিং করে দিচ্ছে।
গ) এগ্রি ট্যুরিজম সেন্টার স্থাপনা সকল প্রকার সার্ভিস প্রদান করছে।
ঘ) প্রকল্পের জন্য আর্থিক সোর্সিং / বিনিয়োগকারীর সাথে লিংকেজ ডেভেলপ করে দিচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২১ ১:৩৩ অপরাহ্ন
হাঁস পালনে বাবুলের মাসিক আয় ৩০ হাজার
প্রাণিসম্পদ

হাঁস পালন একটি লাভজনক পেশা। হাঁস পালন করে অনেক বেকার যুবক স্বাবলম্বী হচ্ছেন । তেমনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের কিসমত তেয়ারীগাঁও এলাকার অল্প শিক্ষিত-দরিদ্র বাবুল ইসলামও হয়েছেন স্বাবলম্বী। প্রতি মাসে আয় করেন ২০-৩০ হাজার টাকা।

জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের মধ্যে তিনি একজন সফল হাঁস খামারি হিসেবে পরিচিত । সুখের আশায় বাড়ির সবাই এ খামারে পরিশ্রম করে চলেছেন । সুদিনের মুখও দেখতে শুরু করেছেন তার পরিবার ।

তিনি ১০/১২ বছর থেকে এই খামার করে আসছেন। প্রতি মাসে খামার থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হয়। খামার থেকে অর্জিত আয় দিয়ে এখন ছেলে মেয়েদের পড়ালেখা, সংসারের খরচ সবই চলছে।আগামীতে বাবুল ইসলাম তার খামারটি আরও বড় করার জন্য চেষ্টা করছেন। তাকে দেখে অনেক দরিদ্র পরিবার হাঁস পালনের মধ্য দিয়ে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন ।

বাবুল জানান, বর্তমানে খামারে খাকি ক্যাম্বেল জাতের হাঁস আছে। কী ক্যাম্বেল জাতের হাঁস ২৪ মাস বয়স পর্যন্ত নিয়মিত ডিম দেয় ও পরে আস্তে আস্তে ডিম দেয়া কমতে থাকে। ডিম ও হাঁস বিক্রি করে প্রতি মাসে খামার থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হয়। তার দেখাদেখি এলাকার অনেক দরিদ্র পরিবার হাঁস পালনের মধ্য দিয়ে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২১ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
বিষাক্ত গো-খাদ্য খাওয়ানো হচ্ছে গরুকে
প্রাণিসম্পদ

গাজীপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে কারখানার পরিত্যক্ত বিষাক্ত তুলা। এতে খামারিরা সাময়িক লাভবান হলেও রোগাক্রান্ত হচ্ছে গবাদিপশু।

গাজীপুর সদরে পশুসম্পদ অফিস ও স্থানীয়রা জানায়, জেলায় সরকারি হিসাবে গবাদিপশু রয়েছে ২ লাখেরও বেশি। বিশেষ করে গাজীপুরে শিল্পায়নের ফলে কৃষিকাজ ও কৃষিজমি কমে যাওয়ায় গবাদিপশুর খাদ্যের সংকট দেখা দিলে তুলাকে বেছে নেয় গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে। এতে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠা গরুগুলো অসুস্থ হয়ে অনেক সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী গ্রামের গৃহবধূ জমিনা খাতুন বলেন, দিন দিন জমি কমে যাওয়ায় খড়ের অভাব পড়েছে। অপরদিকে গরু চড়ানোর জন্য মাঠ নেই। তবে তুলা এখন খুবই সহজলভ্য, তাই বাধ্য হয়ে গরুকে তুলা খাওয়াচ্ছি। এছাড়াও অনেকেই বলেছেন তুলাকে গরুর খাবার হিসেবে ব্যবহার করলে গরুর স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। ক্ষতি হয় তা আমাদের জানা ছিল না।

গাজীপুর সদর উপজেলার আলীমপাড়া গ্রামের কৃষক ইমান হোসাইন জানান, সম্প্রতি তার একটি গাভী অসুস্থ হয়ে খাবার খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিল। পরে পশু হাসপাতালের চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে গাভীর জিহ্বার নিচ থেকে তারের কুণ্ডলীর কিছু অংশ বের করে আনেন এবং গবাদিপশুর দেহের জন্য এসব তুলা ক্ষতিকর বলে জানান। তিনি খাবারের তালিকা থেকে তুলা বাদ দিতে পরামর্শ দেন।

পিরুজালী এলাকার তুলা ব্যবসায়ী জালাল উদ্দীন খান যুগান্তরকে বলেন, খামারিরা তুলা নেন তাই বিক্রি করি। আমি একা নই, এলাকার অনেকেই এসব বিষাক্ত তুলার ব্যবসা করছেন। পশুর জন্য ক্ষতিকর তা আমাদের জানা ছিল না।

গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সেলিম উল্লাহ খান যুগান্তর প্রতিবেদককে বলেন, পশুর একমাত্র সুষম খাদ্য ঘাস, আমরা ঘাস উৎপাদনে খামারিদের উৎসাহ দিয়ে থাকি। উপজেলায় প্রায় দেড়শ বিঘা জমিতে ঘাস চাষ হচ্ছে। তবে কারখানার পরিত্যক্ত তুলা গবাদিপশুর জন্য অখাদ্য। পশুর খাদ্যে এসব ব্যবহার করলে স্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়বে এবং গবাদিপশুর মৃত্যুর ঝুঁকিও রয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল জাকী বলেন, যারা কারখানায় নষ্ট ও উচ্ছিষ্ট তুলা মজুদ ও বিক্রি করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সূত্র: যুগান্তর

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২২, ২০২১ ৮:৫০ অপরাহ্ন
দুর্যোগে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা সরকার সবকিছুই করবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

দুর্যোগে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা সরকার সবকিছুই করবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

রবিবার (২২ আগস্ট) পিরোজপুরের নেছারাবাদে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩৩ নম্বরে কল করে সাহায্য চাওয়া পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “আমাদের ইতিহাসে শেখ হাসিনার আমল স্বর্ণালী অধ্যায়। দেশের ইতিহাসে এতো ভালো রাষ্ট্র পরিচালনা আর কেউ করেন নি। তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, দেশের মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি মানুষের বিপদ-আপদ, অভাব-অনটন দূর করতে সহায়তা করছেন। একসঙ্গে দেশের উন্নয়ন, মানুষের উন্নয়ন, বিশ্বে বাংলাদেশ যাতে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে, আমাদের সম্মান যাতে বৃদ্ধি পায় সে জন্য তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। করোনাসহ যে দুর্যোগই আসুক না কেনো, সবকিছু মোকাবিলা করে শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকে মানুষের জন্য যা কিছু দরকার আমরা তা পূরণ করবো”।

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, পিরোজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী রেবেকা খান ও নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হক। অনূষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পিরোজপূর জেলা পূজা উদাযাপন পরিষেদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মন্ত্রী পিরোজপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত নেছারাবাদ উপজেলায় চারতলাবিশিষ্ট আধুনিক ডাকবাংলো নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। পরে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে নেছারাবাদের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের জন্য নির্মিত গৃহ পরিদর্শন ও বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেব যোগ দেনে তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২২, ২০২১ ৫:৫১ অপরাহ্ন
সাতক্ষীরায় অস্বাভাবিক বাছুরের জন্ম
প্রাণিসম্পদ

সাতক্ষীরায় দুই মাথা বিশিষ্ট একটি অস্বাভাবিক বাছুর জন্ম হয়েছে। অদ্ভুত ওই বাছুরটি দেখতে উৎসুক জনতা ওই খামারে ভিড় করে। তবে জন্মের কিছুক্ষণ পরই বাছুরটি মারা যায় বলে জানিয়েছেন খামারের মালিক।

শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার আগরদাড়ী ইউনিয়নের ইন্দিরা গ্রামের একটি খামারে ওই বাছুরের জন্ম হয়।

খামারের মালিক আগড়দাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান জানান, দীর্ঘদিন ধরে খামারে ফ্রিজিয়ান জাতের গাভীটি লালনপালন করে আসছি। শনিবার সকালে গাভীটি একটি বাছুরের জন্ম দিয়েছে। তবে সেটি অস্বাভাবিক। বাছুরটি দুই মাথা বিশিষ্ট। জন্মের ২০ মিনিট পর বাছুরটি মারা যায়। বাছুরটি দেখার জন্য খামারে ভিড় লেগে গিয়েছিল।

এদিকে বাছুরটি দেখতে উৎসুক জনতা ভিড় জমায় ওই খামারে। তাদের কেউ কেউ এ ঘটনাকে প্রকৃতির বিরুপ আচরণ বলে মনে করছেন।

ইন্দিরা গ্রামের গ্রামপুলিশ আবুল হাসান জানান, ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নানের খামারে দুই মাথা বিশিষ্ট একটি বাছুর জন্মেছিল; তবে সেটি জন্মের কিছু সময় পর মারা গেছে। এটি প্রকৃতির বিরুপ আচরণ বলে মনে হয়।

আগড়দাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মজনুর রহমান জানান, ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি। এটি অস্বাভাবিক ঘটনা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২২, ২০২১ ৫:১৯ অপরাহ্ন
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদনে করণীয়
প্রাণিসম্পদ

গবাদিপশু দিয়ে লাভবান হওয়ার আশায় অনেকে খামার গড়ে তুলেছেন। গবাদিপশু তথা গরু পালনে লাভবান হওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে দুধ উৎপাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদনে যা জানা জরুরী তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই।

স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদন করবেন যেভাবে:
যথাসম্ভব কম লোক দিয়ে খামারের সকল গরুর দুধ দোহন করতে হবে। খামারের প্রবেশদ্বারে জীবানু নাশক সহ ফুটবাথ রাখতে হবে।
দুধ দোহনের পরে গাভীকে খাবার দিতে হবে, ফলে ওলান ফুলা রোগ বা ম্যাসটাইটিস হবার সম্ভবনা থাকবে না।

ম্যাসটাইটিস প্রতিরোধে নিয়মিত সিএমটি পরীক্ষা করা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। চিকিৎসা ও কৃত্রিম প্রজনন গুরুত্ব দেয়ার সাথে সাথে খামার ব্যবস্থাপনায় অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

বছরে ২-৩ বার সঠিক পরিমানে কৃমি নাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত সঠিক মাত্রায় টিকা প্রদান করতে হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop