৯:৩৯ অপরাহ্ন

রবিবার, ১৫ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ১:০৪ অপরাহ্ন
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল
কৃষি বিভাগ

ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার দাবিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি নীলগঞ্জ শাখা।

সোমবার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে স্থানীয় কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।

বাংলাদেশ কৃষক সমিতি নীলগঞ্জ ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক জি. এম মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির খেপুপাড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক কমরেড নাসির তালুকদার, বাংলাদেশ ক্ষেত মজুর সমিতি কলাপাড়া উপজেলা শাখার আহবায়ক প্রভাষক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কলাপাড়া উপজেলা শাখার যুগ্ন আহবায়ক মো.আতাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষকলীগ নীলগঞ্জ ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো.আলাউদ্দিন খান, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি নীলগঞ্জ ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক মো.আলাউদ্দিন সিকদার প্রমূখ।

বক্তারা কৃষকদের ধানের ন্যায্যমূল্য প্রদান, শস্যবীমা চালু, পল্লী রেশনিং চালু ও ধানের মন ৪৬ কেজির পরিবর্তে ৪০ কেজিতে মন ধরে বিক্রির দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ৬:৫৬ অপরাহ্ন
এগ্রিবিজনেসে বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের সকল সহযোগিতা দেয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

দেশে এগ্রিবিজনেসে বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের সকল ধরণের প্রণোদনা এবং সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এগ্রিবিজনেসে দেশের ও বিদেশের উদ্যোক্তাদের সরকার সকল সুবিধা প্রদান করবে।

আজ সোমবার হোটেল রেডিসন ব্লুর উৎসব হলে বিডা আয়োজিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের এগ্রিবিজনেস: গ্রোথ বাই ন্যাচার শীর্ষক সেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা সাধারণ জনগণ ও কৃষকের আয় বাড়াতে চাই। সেজন্য আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের সতেজ ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত করে দেশের ভিতরে বাজার বিস্তৃত করতে হবে। এটি করতে পারলে কৃষকেরা উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পাবে, লাভবান হবে ও তাদের আয় বাড়বে। সেলক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী এবং দেশের শিক্ষিত তরুণদেরকে এগ্রিবিজনেসে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে কৃষিবিদ ড. রাজ্জাক আরও বলেন, দেশের রপ্তানি মূলত গার্মেন্টসনির্ভর, এটিকে আমরা বহুমুখী করতে চাই। এক্ষেত্রে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় হলো দেশের কৃষিখাত। বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকারের প্রচেষ্টায় গত ১২ বছরে কৃষি উৎপাদনে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সকল ফসলের উৎপাদন যেমন বেড়েছে, তেমনি অনেক ফসলে আমরা উদ্বৃত্ত। এসব ফসলের রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বৃদ্ধি এবং ভ্যালু অ্যাড করাই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ৪:৪১ অপরাহ্ন
নড়াইলে ৫ হাজার কৃষক ও কৃষাণীর মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নড়াইল জেলায় ৫ হাজার কৃষক ও কৃষাণীর মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বোরো ধানের উফসী ও হাইব্রিড (এসএল-৮) জাত ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নড়াইলের উপ-পরিচালক দীপক কুমার রায়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজামউদ্দিন খান নিলু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম, সংসদ সদস্য মাশরাফির পিতা গোলাম মোতুর্জা স্বপন, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কৃষ্ণা রায়, সরকারি কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের কর্মকর্তাগণসহ উপকারভোগি কৃষকগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ কার্যক্রমের আওতায় ৩ হাজার জন হাইব্রিড (এসএল-৮) জাত ধান চাষির মধ্যে প্রত্যেককে ২ কেজি করে এবং ২ হাজার উফসী ধান চাষির মধ্যে প্রত্যেককে ৫ কেজি করে বীজ , ১০ কেজি করে ডিএপি সার ও ১০ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ৩:৫৯ অপরাহ্ন
একবার ধান লাগিয়ে কাটা যাবে পাঁচবার
কৃষি বিভাগ

একবার ধান লাগিয়ে কাটা যাবে পাঁচবার। প্রতি হেক্টরে ফলনও হবে দ্বিগুণ। বিস্ময়কর এ জাতের আবিষ্কারক অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী। ধানের জিনগত পরিবর্তন করে যিনি জাতটির নাম দিয়েছেন পঞ্চব্রিহি।

প্রতিনিয়ত কমছে চাষের জমি। উৎপাদন খরচও বাড়ছে হু হু করে। কৃষকের এমন ত্রাহি অবস্থা থেকে মুক্তি দিতেই পঞ্চব্রিহি জাতের আবিষ্কার।

গেল ১৫ বছর গবেষণা করে পঞ্চব্রিহি জাতের ১৬ প্রজাতির ধান আবিষ্কার করেছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী। মৌলভীবাজার কালিহাতির নিজ গ্রামে প্রাথমিক গবেষণা চালিয়ে ইতোমধ্যে সফলও হয়েছেন তিনি।

ধান গবেষক ও জিনবিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী বলেন, আমি এই উচ্চারণটা করেছি ১৫ বছর আগে। বলেছি যে, ধানকে আমি চিরজীবী করে ফেলবো, অর্থাৎ ধান দিতেই থাকবে।

পঞ্চব্রিহি প্রথম রোপণ হয় বোরো মৌসুমে। ১২০ দিন পর প্রথমবারের মতো ঘরে ওঠে নতুন ধান। তারপর প্রতি ৪৫ দিনের মাথায় আরও ৪ বার কাটা যাবে বহুব্রিহি ধান। কাটার সময় গোড়া থেকে খানিকটা ওপরে কাটতে হবে এই ধান।

আবেদ চৌধুরী বলেন, একেক রেটনের ইতিহাস একেকটা, ১৬টা প্রজাতির জন্মের কাহিনী ১৬টি। মূল কথা হল যে, যেভাবে বলা হয়ে থাকে দ্বিতীয় বার অল্প হয় এবং তৃতীয়বার একদম মাঠে মারা যায়। এটা মোটেই রেটনের কাহিনী নয়। এটা রেটন নয়, এটা হচ্ছে পুনঃজীবনী ধান বহুব্রিহি ধান।

হেক্টর প্রতি বছরে মিলবে ১৩ থেকে ১৬ টন। দ্বিতীয়বার কাটার সময় ফলন কমবে ২০ শতাংশ। তারপর টানা তিনবার ফলবে প্রায় একই ফলন।

ধান গবেষক আরও বলেন, এগুলোর মধ্যে যেটার ফলন ভাল সেটা ১৬ টনের বেশি হয়। ৮ থেকে ১০ টনের উপরে অনেকগুলো জাত আছে।

পঞ্চব্রিহির সুবিধা আছে বীজ সংগ্রহের ক্ষেত্রেও। চাষীর হাতে একবার যাওয়ার পর বারংবার তা ব্যবহার করতে পারবে। জাতের পুরোটাই পরিবেশবান্ধব ও খরা সহনশীল। ঝড় বৃষ্টিতেও টিকে থাকতে পারে পঞ্চব্রিহি।

শিগগিরই গবেষণা প্লট থেকে চাষি পর্যায়ে ধানের বীজ সরবরাহ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ধানবিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ৩:৩৭ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে তিন হাজার বিঘা চাষের জমিতে জলাবদ্ধতা
কৃষি বিভাগ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ফসলি মাঠে অপরিকল্পিত পুকুর খনন ও কালভার্টের মুখ বন্ধের কারণে তিন হাজার বিঘা জমিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় চলতি বছর উপজেলার এসব জমিতে আবাদ করতে পারছেন না কৃষক।

কৃষি বিভাগ স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে তিন ফসলি এসব জমি অনাবাদি পড়ে থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করছে। চলতি মৌসুমে এরই মধ্যে প্রায় তিন হাজার বিঘা জমিতে আবাদ করা সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উপজেলার তাড়াশ সদর ইউনিয়নের তাড়াশ পূর্ব মাঠ, সোনাপাতিল, জাহাঙ্গীরগাতী, সোলাপাড়া, বোয়ালিয়া, মাধবপুর, মথুরাপুর, বিদুমাগুড়াসহ কয়েকটি মাঠে প্রায় তিন হাজার বিঘা ফসলি জমিতে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী কৃষক তাড়াশ সদর গ্রামের নজরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, রাজিব আহমেদ জানান, তিন-চার বছর ধরে উপজেলাজুড়ে অসংখ্য পুকুর খনন করা হয়েছে। বিভিন্ন সেতু ও কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় চলতি মৌসুমে ফসল আবাদ করতে পারছেন না তারা।

বোয়ালিয়া গ্রামের মীর জাহিদুল ইসলাম বকুল জানান, অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন করায় মাঠজুড়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এবারে চাষিরা রোপা আউশ ধান রোপণ করতে না পারায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। দ্রুত পানি নিস্কাশন করা না হলে আবাদি জমিগুলো পতিত থেকে যাবে।

উপজেলার মাধবপুর গ্রামের মো. মনসুর রহমান জানান, এলাকার প্রায় ৩ হাজার বিঘা জমি জলাবদ্ধতার কারণে অনাবাদি হয়ে পড়েছে। উপজেলার সদর ইউনিয়নে জলাবদ্ধতার পরিমাণ বেশি। অপরিকল্পিত পুকুর খনন করার সময় মাটি দিয়ে ভিটা ও খাল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এমনকি পানি নিষ্কাশনের পথ ব্রিজের তলা মাটি দিয়ে বন্ধ করেছে। ফলে বিভিন্ন এলাকাজুড়ে প্রায় ৩ হাজার বিঘা জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী কয়েকজন চাষি জানান, এই জমিগুলোতে ধান চাষ করে তাদের সারা বছরের ভাতের ব্যবস্থা হতো। এবারের জলাবদ্ধতার কারণে ধান রোপণ সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সারা বছর কিভাবে খাবারের ব্যবস্থা হবে তা ভেবে উদ্বিগ্ন।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লুৎফুন নাহার লুনা জানান, সরজমিনে পরিদর্শন করে উপজেলাজুড়ে জমি জলাবদ্ধতা নিরশনের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছি। আর অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন বন্ধ করতে কৃষকদের সচেতন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ১:৫৯ অপরাহ্ন
তিস্তার বালুচরে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

চলতি গ্রীষ্মকালীন ও রবি মৌসুমে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদীর বালুচরে জেগে ওঠা বালু চরে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনের আশা করছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা।

যুগ যুগ ধরে সনাতন পদ্ধতিতে পেঁয়াজ চাষে কৃষকরা তেমন লাভবান হতে পারেননি। কিন্তু বর্তমানে আধুনিক পদ্ধতিতে উন্নত বীজ ও নতুন চাষ পদ্ধতি কৃষি কাজের সবকিছু বদলে দিয়েছে। অন্যদিকে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তার পরামর্শ, এনজিও কর্মীদের সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় জৈব সার ব্যবহারে কৃষকরা সুফল পাচ্ছেন।

জানা গেছে, কয়েক বছর পেঁয়াজের সংকট এবং দাম বেশি হওয়ায় এসব চরাঞ্চলের কৃষক অন্যান্য ফসলের চেয়ে পেঁয়াজ চাষে বেশি আগ্রহী। এবছর পেঁয়াজ চাষ ও বাম্পার ফলনে উৎপাদিত পেঁয়াজ দিয়ে দেশের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবে।

অন্যান্য বছরের তুলনায় গম ও তামাক চাষ না করে এবার চরাঞ্চলে শুধু পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকে পড়েছেন কৃষকরা। তাই সর্বগ্রাসী তিস্তা নদীর দুই কূলে জেগে উঠা চর সমূহে পেঁয়াজ চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা।

উপজেলার ছাতনাই কলোনি, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানি ও ঝুনাগাছ চাপানীর তিস্তা নদীর চর ঘুরে দেখা গেছে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন। এসব চর এলাকার কৃষক বন্যায় রোপা আমন চাষে ক্ষতিগ্রস্থ হলেও পেঁয়াজ চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন।

এসময় পেঁয়াজ চাষি আনারুল ইসলাম জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পেঁয়াজ ক্ষেতে কোনো আপদ দেখা যায়নি। পেঁয়াজ ঘরে তোলার সময় পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে রোপা আমনের ক্ষতি পেঁয়াজ দিয়ে পুষিয়ে নেওয়া যাবে।

অপর চাষি আকবর আলী বলেন, বর্তমান বাজার মূল্য স্থিতিশীল থাকলে পেঁয়াজ চাষিরা লাভবান হবেন। এছাড়াও চাষিরা আগামীতেও পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী হবেন।

ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সেকেন্দার আলী জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি বছরে এ উপজেলায় ১৮০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত বছর ছিল ১৫০ হেক্টর জমিতে।

গত কয়েক বছর বাজারে পেঁয়াজের তীব্র সংকট এবং মূল্য বৃদ্ধি হওয়ায় সরকার উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ১৭৫ জন কৃষককে বিনা মূল্যে পেঁয়াজের বীজ ও সার সহায়তা করেছে। আশা করি দেশে মসলা জাতীয় ফসলের চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ১:০০ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় সড়কের পাশে শিম চাষে লাভবান কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

জেলায় সড়কের পাশে শিম চাষে লাভবান হয়েছেন কৃষকরা। বরুড়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নে অনেক কৃষক রাস্তার পাশে শিমের চাষ করে। শিম চাষে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজারেও বিক্রি করেছেন।

স্থানীয় উওরা দিঘলি গ্রামের কৃষক কুদ্দুস মিয়া জানান, আমরা সড়কের পাশে শিম চাষ করেছি। প্রথমে বাড়তি কাজ মনে হলেও কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ার ভুঁইয়ার আহবানে শিম লাগাই। সার কীটনাশক ছাড়াই ভালো ফলন পেয়েছি। তিনি বিনামূল্যে আমাদের বীজ দিয়েছেন।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়নের উত্তর দিঘলি, শালুকি, বৈশখোল, নরিন গ্রামের সড়কের পাশ জুড়ে শিমের মাচা। নির্মাণাধীন সড়কের ধুলায় গাছের পাতা ধূসর হয়ে গেলেও শিমের ফলনে খুশিতে উজ্জ্বল কৃষকের মুখ। কৃষকরা শিম তোলা ও বাজারজাতে ব্যস্ত।

কৃষি কর্মকর্তা গোলাম সারোয়ার ভুঁইয়া বলেন, কৃষকদের জন্য ব্যতিক্রম ও সাশ্রয়ী কিছু করার আগ্রহ সব সময়ই থাকে। শতাধিক কৃষককে ইফসা আগাম জাতের শিমের বীজ দেই। ফলনও ভালো হয়েছে। কৃষকরা নিরাপদ সবজির সাথে বিক্রি করেও লাভবান হচ্ছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ১২:০৮ অপরাহ্ন
মিরসরাইয়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন ধানের চাষ
কৃষি বিভাগ

মিরসরাইয়ে চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন চাষ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় আমন চাষ ভালো হয়েছে বলে জানান কৃষকরা। তবে ধানের উপযুক্ত মূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত রয়েছেন তারা।

মিরসরাই উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর মিরসরাই উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় ২১ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ হয়েছে। চলতি বছর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২০ হাজার ৮৫০ হেক্টর।

এছাড়া ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ১৬০ টন ও চাল উৎপাদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ হাজার ৪৪০ টন। এরই মধ্যে ধান কাটা শুরু হলেও ঘরে উঠেছে মাত্র ৩৫ শতাংশ। আশা করা যাচ্ছে ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ ধান ঘরে উঠবে।

চলতি বছর নেপালি, বি-৮৭, বি-৮৫, বি-২২, বি আর-১১,  চিনিগুড়াঁ, কাটারি ধান ছাড়াও দেশী প্রজাতির কিছু ধান চাষ হয়েছে। ফলনও হয়েছে ভালো। তবে কৃষকরা ধানের উপযুক্ত দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত।

উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের পূর্ব হিঙ্গুলী গ্রামের কৃষক মো. আবদুল্লাহ জানান, তিনি এককানি চার গন্ডা জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা। কিন্তু তিনি যে ধান পাবেন তা বিক্রি করে ব্যয় মিটবে কিনা তা নিয়ে শঙ্কিত।

করেরহাট ইউনিয়নের কয়লা এলাকার কৃষক মো. আজম জানান, সরকার কৃষিতে যে ভর্তুকি দেয় সেটি মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে না। এছাড়া সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের দাম বাড়লেও সেই তুলনায় বাড়েনি ধানের দাম। তাই ফলন ভালো হলেও ধানের দাম নিয়ে শঙ্কিত রয়েছেন তারা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রঘুনাথ নাহা জানান, চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ৮৫০ হেক্টর বেশি জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে। ফলনও হয়েছে ভালো। তবে এখনো পুরোপুরি ধান কৃষকের ঘরে ওঠেনি। আশা করা যাচ্ছে, ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ ধান কৃষকের ঘরে উঠবে। ধানের মূল্য অন্য বছরের তুলনায় বেশি বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৮, ২০২১ ৩:৩৩ অপরাহ্ন
কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে সরকার সচেষ্ট- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

নাটোর: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, কৃষি ও কৃষককের উন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার সদা সচেষ্ট। তাই করোনাকালীন সময়েও বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

প্রতিমন্ত্রী আজ রোববার সিংড়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে প্রণোদনার আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বোরো উফসী ও হাইব্রিড ধানের বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

সিংড়া উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ সেলিম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিংড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল ইসলাম এবং সিংড়া পৌরসভার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস।

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, বর্তমান সরকার কৃষিতে ব্যাপকভাবে প্রযুক্তির সমাবেশ ঘটিয়েছে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যম শুধু উৎপাদনই বৃদ্ধি পায়নি, উৎপাদন খরচও কমেছে। ভর্তুকি মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি কৃষকদের নিকট হস্তান্তর করা হচ্ছে। কৃষকদের বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। নিয়মিত প্রদান করা হচ্ছে প্রণোদনা এবং হস্তান্তর করা হচ্ছে উৎপাদনের নতুন নতুন প্রযুক্তি। এর সুফল হিসেবে উৎপাদন বেড়েছে বহুগুণে। সারা বিশ্ব করোনাকালীন সময়ে খাদ্য সংকটে পড়লেও বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই তা সম্ভব হয়েছে।

পলক বলেন, কৃষির সমৃদ্ধির লক্ষ্যে গবেষণা কার্যক্রমেও সহযোগিতা প্রদান করছে সরকার। দেশের কৃষি গবেষকরা জিংক সমৃদ্ধ বঙ্গবন্ধু ধান ১০০ আবিষ্কার করেছেন। চলনবিলে এ ধান রোপণ করে শস্য ভান্ডারকে আরো সমৃদ্ধ করা হবে।

পলক আরো বলেন, চলনবিলসহ সারাদেশে একসময় বীজ ও সারের জন্যে হাহাকার ছিল। বিগত দিনে সারের জন্যে কৃষকদের রক্তাক্ত করা হয়েছে, তাদেরকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। বর্তমান সরকার পাঁচ দফায় সারের মূল্য হ্রাস করে সহজলভ্য করেছে। কৃষকদের মাঝে উন্নত বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। সেচের জন্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধার পাশাপাশি সেচেও ভর্তুকি প্রদান করা হচ্ছে। কৃষকদের সেচ সুবিধা প্রদান করতে চলনবিলে ১২০ কিলোমিটার খাল খনন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৮, ২০২১ ২:৫৪ অপরাহ্ন
বরিশালে নিরাপদ পান-সুপারি উৎপাদন প্রযুক্তি বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে পান, সুপারি, নারিকেল ও আমড়া ফসলের পোকামাকড় সনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ উৎপাদন প্রযুক্তি শীর্ষক এক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৭ নভেম্বর জেলার রহমতপুরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে (আরএআরএস’র) বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে চাষকৃত গুরুত্বপূর্ণ ফল, পান, সুপারি ও ডাল ফসলের পোকামাকড় সনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বিস্তার কর্মসূিচ’ এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে।

এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. মুহাম্মদ সামসুল আলম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আরএআরএস’র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন। মূল প্রশিক্ষক ছিলেন কর্মসূচি পরিচালক ড. মো. মাহবুবুর রহমান।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম সঞ্চালনায় অন্যাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া, পিএসও ড. মো. আলিমুর রহমান, এসও মো. মাহবুবুর রহমান, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, ফসলের ক্ষেতে ক্ষতিকর পোকার পাশাপাশি বন্ধুপোকাও থাকে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে উপকারি পোকা সনাক্ত সহজ হবে। আর জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকা দমন করা যাবে। ফসলকে রাখবে নিরাপদ ।

প্রশিক্ষণে বাবুগঞ্জ, উজিরপুর, বাকেরগঞ্জ, ঝালকাঠি সদর এবং নেছারাবাদের ৩০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop