৮:৫২ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ২৩, ২০২১ ১২:০৮ অপরাহ্ন
পরিত্যক্ত জমিতে সবজি, ফুল ও ফলের চাষ জেলা প্রশাসকের
কৃষি বিভাগ

জেলা প্রশাসকের বাংলো লাগোয়া বিলুপ্ত কুমিল্লা উদ্ভিদ উদ্যানের অনেক জমি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। এখন সেই জমিতে সবুজের সমারোহ। পতিত জমিতে ৬২ রকমের সবজি, ফুল ও ফলের আবাদ হচ্ছে।

এসব সবজি ও ফুল-ফলের আবাদের নেপথ্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান। তিনি প্রতিদিন সকালে নিজে গাছের পরিচর্যা করেন। এ ছাড়া ছুটির দিনে অবসর সময়ে তিনি মাঠে কাজ করেন। শীতকালীন ও বারোমাসি ফসল দোল খাচ্ছে একেকটি ব্লকে।

রোববার  জেলা প্রশাসকের বাংলোর লাগোয়া কুমিল্লা উদ্ভিদ উদ্যানে গিয়ে দেখা যায়, টুকটুকে লালশাকের গাছ পরিচর্যা করছেন তিনি। উদ্ভিদ উদ্যানের পূর্ব পাশের সড়কের দুই ধারে ব্লক করে একেকটি সবজি লাগানো। ইতিমধ্যে অনেক ধরনের সবজি পুষ্ট হয়েছে। কর্মীদের কাঁচা মরিচ তুলতে দেখা গেছে। বাংলোর পুকুরের পশ্চিম পাড়ে ফুলকপি, কাঁচা মরিচ, বেগুন, লাউয়ের মাচা, দক্ষিণ পাড়ে বিভিন্ন ধরনের মরিচগাছ দেখা গেছে।

জেলা প্রশাসকের দপ্তরের তালিকা থেকে জানা গেছে, তিনি ৩৯ ধরনের সবজি চাষ করেছেন। এগুলো হলো পালংশাক, লালশাক, মুলাশাক, ডাঁটাশাক, লাউশাক, পুঁইশাক, কাঁকরোল, পটোল, শজনে, কাঁচকলা, পেঁপে, মিষ্টিকুমড়া, শর্ষে, গাজর, ধনেপাতা, বিলাতি ধনেপাতা, শালগম, বেগুন, ঝিঙে, বরবটি, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, লেবু, শসা, ধুন্দুল, করলা, স্কোয়াশ, শিম, ফুলকপি, লেটুস, বাঁধাকপি, কলমি, ব্রকলি, টমেটো, ওল, মরিচ, স্ট্রবেরি ও ক্যাপসিকাম। ১৬ ধরনের ফুলের মধ্যে সিলভিয়া, অর্কিড, গন্ধরাজ, টগর, জবা, বেলি, কসমস, গাঁদা, সূর্যমুখী, রাধাচূড়া, বেলি, জুঁই, বকুল, রঙ্গন, কামিনী ও মালতি। সাত ধরনের ফল চিরতা, তোকমা, লটকন, ডালিম, সফেদা, আমড়া ও কলা চাষ হচ্ছে।

কুমিল্লা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘কুমিল্লা জেলা প্রশাসক এখানে যোগদান করেছেন আট মাস হলো। তিনি একজন কৃষিপ্রেমী। নেশা থেকে তিনি কৃষিকাজ করছেন পরিত্যক্ত জমিতে। এখানে জৈব সার ব্যবহার করা হচ্ছে। কোনো ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে না। আমরা এখানে সহযোগিতা করে থাকি। তিনি (জেলা প্রশাসক) নিজে কাজ করেন। সবজির ফলন ভালো। মাটিও ভালো। তিনি পরিপক্ব সবজি মানুষের মধ্যে বিলি করেন। স্কুল ও কলেজের বাচ্চাদের বাগান দেখাবেন, উদ্বুদ্ধকরণের জন্য তাঁর এই প্রচেষ্টা। এটা দেখে যে কেউ পরিত্যক্ত জমি ও বাড়ির আঙিনায় সবজি চাষ করতে পারেন।’

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠে বাগান পরিচর্যা করি। হঠাৎ মনে হলো, এত জায়গা পড়ে আছে, তাতে শীতকালীন সবজি চাষ করি। ওই ভাবনা থেকে সবজি লাগাই। কর্মী ও মালিদের সঙ্গে আমিও হাত লাগাই। বাংলোর পুকুরের পশ্চিম ও দক্ষিণ পাড়ে সবজি চাষ। উত্তর ও পূর্ব পাড়ে ফুল ও ফলের চাষ। এ ছাড়া কুমিল্লা উদ্ভিদ উদ্যানের বিস্তীর্ণ জায়গাজুড়ে শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করি। সেগুলো এখন বেড়ে উঠছে। চারদিকে সবুজ আর সবুজ। আর কয়েক দিন পর আরও সুন্দর লাগবে। জৈব সার দিয়ে চাষাবাদ করা হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২১ ১১:০২ অপরাহ্ন
বরিশাল মেট্টোপলিটনে কৃষকের মাঝে প্রণোদনা বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশাল মেট্টোপলিটনে কৃষকের মাঝে রবি ফসলের প্রণোদনা বিতরণ করা হয়েছে।আজ (সোমবার) নগরীর খামারবাড়ির চত্বরে মেট্টোপলিটন কৃষি অফিসের উদ্যোগে প্রণোদনা উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম। এসময় তিনি বলেন, কৃষকের প্রতি বর্তমান সরকারের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন ফসলের জন্য এই প্রণোদনা বিতরণ করা হচ্ছে। আপনারা ফসলের উৎপাদন বাড়াবেন। কৃষি বিষয়ক যেকোনো পরামর্শের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি। আশা করি, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কৃষিতে দেশ এগিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে ডিএই’র উপপরিচালক হারুন-অর-রশিদ, তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার রথীন্দ্রনাথ বিশ^াস, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম ও পাটবীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার মো. তাজুল ইসলাম, ডিএই’র অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) সাবিনা ইয়াসমিন, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন, মেট্টোপলিটন কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা এস. এম. নাহিদ বিন রফিক অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি অফিসার জানান, ১ হাজার ২ শ’ চাষিকে বিভিন্ন ফসলের প্রণোদনা দেওয়া হবে। এর অংশ হিসেবে ৫ শ’ কৃষকের মধ্যে ৪ শ’ জনের জন্য ২ কেজি হারে হাইব্রিড ধানের বীজ রয়েছে। অপর ১ শ’ জনের প্রত্যেককে ৫ কেজি উফশী ধানের বীজ, সে সাথে আছে ডিএপি এবং এমওপি ১০ কেজি করে। বাকি ৭ শ’ কৃষকের জন্য ২০ কেজি গম, ২ কেজি ভুট্টা, ১ কেজি সরিষা, ১ কেজি সূর্যমুখী, ৫ কেজি মুগ, ৫ কেজি মুসুর এবং ৮ কেজি খেসারি মধ্যে যেকোনো একটি ফসলের বীজ। এর পাশাপাশি ডিএপি সার ১০ কেজি করে। আর এমওপি সার দেওয়া হবে গম, ভুট্টা, সরিষা ও সূর্যমুখীর ক্ষেত্রে ১০ কেজি। তবে মুগ, মসুর ও খেসারির জন্য ৫ কেজি। এসব প্রণোদনা প্রতি কৃষকের ১ বিঘা জমিতে ব্যবহার হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২১ ৪:৪৬ অপরাহ্ন
নীলফামারীর ডিমলায় পাট চাষীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা
কৃষি বিভাগ

সোনালী আশেঁর সোনার দেশ মুজিববর্ষের বাংলাদেশ, এই শ্লোগান কে সামনে রেখে আজ ২২শে নভেম্বর সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ হলরুমে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয় পাট অধিদপ্তর ডিমলার আয়োজনে দশটি ইউনিয়নের একশত কৃষক কৃষানীদের মাঝে উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়।

এটিএম তৈয়বুর রহমান পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা নীলফামারীর সঞ্চালনায় সহকারী কমিশনার ভূমি ইবনুল আবেদীন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক পাট অধিদপ্তর রংপুর মোঃ সোলায়মান আলী, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিমলা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ মোঃ সেকেন্দার আলী, উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ দরিবুল্লাহ সরকার ডিমলা, উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম, ডোমার সহ স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ ।

প্রশিক্ষনে বলেন, পাট চাষীদের উন্নত প্রযুক্তি নির্ভরে পাটবীজ উদপাদন এবং শীর্ষংক প্রকল্পের মাধ্যমে পাট চাষীদের বিনামুল্যে পাটবীজ সার, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হচ্ছে। পাট দিয়ে কেবল দড়ি নয় চট, বস্তা, বহুমুখী পাটজাত পন্য সহ সর্বাধুনিক মডেলের গাড়ীর বডি, ঢেউটিন, প্রিন্টারের কালি, চারকোল হতে উন্নমানের প্রসাধন সামগ্রী, ভেজস সমৃদ্ধ শাক এবং চায়ের মতো পানীয় ব্যবহার হচ্ছে । আমরা পার্শ্ববর্তি দেশের উপর নির্ভর না থেকে নিজে পাট বীজ উৎপাদন করে বীজ সংরক্ষন করতে পারি এ বিষয়ে বিষদ আলোচনা দিন ব্যাপি করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২১ ৩:০৯ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জের যমুনার চর ভরে উঠেছে সবুজ সবজিতে
কৃষি বিভাগ

যমুনা-বিধৌত সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার বিস্তীর্ণ যমুনার চর ভরে উঠেছে সবুজ সবজিতে। বেগুন, মুলা, পালংশাক, শিম, মিষ্টিকুমড়া, লাউ, টমেটো, লালশাক, বরবটি ও শসাসহ নানা ফসলের সমারোহ চারিপাশে। সবুজ-শ্যামল এসব সবজি পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষকরা।

এ বছর ব্যাপক বন্যার পরও শীতকালীন আগাম সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন যমুনার চরাঞ্চলের কৃষকরা। ‘সবজি গ্রাম’ নামে খ্যাত উপজেলার ধুপুলিয়া চর, বাউশা চর উমারপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ চরভূমি এখন ভরে উঠেছে সবুজ সবজিতে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চরাঞ্চলে এবার লালশাক ২৬ হেক্টর, মুলা ৫৪, পালংশাক ৩৪, বেগুন ৫৯.৫, মুলাশাক ১১, শিম ৩০, লাউ ৬৩, ধনেপাতা ২১.৫, ফুলকপি ৯, আলু ২৩.৫, বাধাকপি ১, বরবটি ১৪, ক্ষিরা ২, মিষ্টিকুমড়া ৮ ও টমেটো ১ হেক্টর জমিতে এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মিনিদিয়া চরের কৃষক সামাদ মিয়া, ধুপুলিয়া গ্রামের কৃষক মকছেদ আলী, সুলতান মিয়া, বাউশা গ্রামের কৃষক আলিম ও সবুজ বলেন, এবার শীতকালীন সবজির দাম অনেক বেশি। তাই বন্যায় আমাদের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, সবজির দাম বেশি হওয়ায় ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। এবার ব্যাপক বন্যা হওয়ায় ক্ষেতে পলিমাটি পড়াতে ক্ষেতের উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ায় ফলে সবজিক্ষেতে সার অনেক কম দিতে হচ্ছে এবং সার ছাড়াই সবজির ফলন অনেক ভালো হয়েছে।

চৌহালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জেরিন আহমেদ বলেন, এ বছর উপজেলায় ব্যাপক বন্যা হওয়ায় কৃষকরা বন্যার পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে আগাম সবজি চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন। আর বাজার ভালো থাকায় উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে ভালো দাম পাচ্ছেন তারা। এতে বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারছেন তারা।

তিনি আরও বলেন, এবার উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমিতে সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার মধ্যে এখন পর্যন্ত আবাদ হয়েছে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর। ডিসেম্বরের শুরুতে শীতকালীন সবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে বলে ধারণা করছেন এই কৃষিবিদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২১ ২:৩২ অপরাহ্ন
হিলি স্থলবন্দরে দাম কমে এক কেজি পেঁয়াজ ২৩ টাকা
কৃষি বিভাগ

পেঁয়াজের আমদানি বাড়ায় দাম কমা অব্যাহত রয়েছে। একদিনের ব্যবধানে হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে (ট্রাকসেল) পেঁয়াজের দাম আরও এক দফা কমে কেজি প্রতি দাম ২৩ টাকা নেমেছে। একদিন আগেও বন্দরে ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৬ টাকা বিক্রি হয়েছে। এছাড়া নগর জাতের পেঁয়াজের ৩২ টাকা থেকে কমে কেজি প্রতি দাম দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম কমে আসায় খুশি বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকার ও সাধারণ ক্রেতারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২১ ১:২৮ অপরাহ্ন
মিরসরাইয়ে আমন ধান কেটে ঘরে তুলছেন কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাকা আমন ধান কেটে ঘরে তুলছেন কৃষকরা। ফলন ভালো হওয়ায় খুশি তারা।আশা করছেন, মিলবে ন্যায্যমূল্য। 

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, উপজেলায় প্রায় ২২ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চাষাবাদ হয়েছে। এবার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে শত হাজার টন ধান পাওয়া যাবে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধান পরিপুষ্ট হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ধান ঘরে তুলতে পারবেন কৃষকরা ।

খৈয়াছরা ইউনিয়নের আমবাড়িয়া গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর আলম জানান, দুই কানি জমিতে আমন চাষ করে ভালো ফলন হয়েছে। খরচ হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। ঘরের জন্য রেখে অবশিষ্ট ধান বিক্রি করে খরচের টাকা তোলা যাবে।

জানা গেছে, অনেক কৃষক ঋণ নিয়ে ধানচাষ করেছেন। ফলন ভালো হওয়ায় তারা ন্যায্যমূল্য পাবেন বলে আশা করছেন।

উপজেলা কৃষি সুপারভাইজার কাজী নুরুল আলম বলেন, এখানে প্রতি আড়ি (৫ কেজি) ধান ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত বছর ছিল ২০০ টাকা। ইতিমধ্যে ১০ শতাংশ ধান ঘরে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রঘুনাথ নাহা বলেন, আমনের ফলন ভালো হয়েছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হওয়ায়  পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা পেয়েছে। আশা করছি, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান মিলবে।

প্রসঙ্গত, চলতি অর্থবছরের জন্য আমন ধান ও চালের  সরকারি সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। ২৭ টাকা কেজি দরে ৩ লাখ টন আমন ধান ও ৪০ টাকা কেজি দরে ৫ লাখ টন চাল সংগ্রহ করছে সরকার।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, কৃষকের জন্য ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে চায় সরকার। পাশাপাশি খাদ্যের নিরাপত্তা মজুতও বৃদ্ধি করতে চায়। বেরো ধান সংগ্রহে সফল হয়েছে সরকার। সে ধারাবাহিকতায় আমন সংগ্রহেও সফলতা অর্জন সম্ভব হবে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২১ ১২:০২ অপরাহ্ন
আগাম আলু তুলতে ব্যস্ত, নীলফামারীর কৃষকেরা
কৃষি বিভাগ

নীলফামারী কিশোরগঞ্জ উপজেলার কৃষকেরা আগাম আলু তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ফলন একটু কম হলেও চড়া দামে বিক্রি করে লাভবান হবেন এমনটাই আশা করছেন আলু চাষিরা। দেশের বাজারে এই প্রথম নতুন আলু উঠতে শুরু করেছে। এ আলু ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের সরবরাহ করা হয়।

উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি জয়নোনের কোট গ্রামের আলু চাষি আনোয়ারুল ইসলাম ৪ বিঘা ও একই এলাকার হাড়িবেচা পাড়া গ্রামের মমিনুর রহমান ২ বিঘা জমির আগাম আলু উত্তোলন করেছেন। এ সময় কৃষক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বরাবরের মত চলতি বছর আমি ৩৫ বিঘা জমিতে আলু লাগিয়েছি। এর মধ্য ৪ বিঘায় লাগানো ছিল আগাম জাতের আলু। ৫৫ থেকে ৬০ দিনে উত্তোলনযোগ্য সেভেন জাতে আলু লাগানোর পর ৬১ দিনের মাথায় আলু তুললাম। জমিতে ৪০ জন শ্রমিক কাজ করেছে। ৪ বিঘায় ৩০ থেকে ৩৫ বস্তা আলু হবে।

অপর কৃষক মমিনুর রহমান জানান, ২ বিঘা জমিতে আলু লাগিয়েছি ভালো দামের আশায়। তবে জমি উঁচু হওয়ায় আশ্বিনা বৃষ্টিপাতে তেমন কোন ক্ষতি হয়নি। এখন সেই জমির আলু তুলছি। যা ১০ থেকে ১২ বস্তা আলু হবে। এতে খরচ বাদে দ্বিগুণ টাকা আয় হবে। স্থানীয় কৃষকরা জানান, আগাম আলুর মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ায় কারণে আগাম আলু চাষিরা বিপাকে না পড়লে ইতোমধ্যে ৩০ শতাংশ জমির আলু বাজারে চলে আসত। এখন আলু তোলা শুরু হয়েছে।

আর ক’দিন গেলে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে আলু উত্তোলন শুরু হবে। তবে বাজার দর ঠিক থাকলে আলু চাষিরা লাভবান হবেন। আলু উত্তোলনের পর ওই জমিতে পুনরায় নমলা আলুসহ সাথী ফসল হিসেবে ভুট্রা, মিষ্টি কুমড়া, কাঁচামরিচ ও শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়। পরবর্তীতে ওই ফসলগুলোতে সার প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না।

কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মো. হাবিবুর রহমান জানান, চলতি বছর ৬ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন আলু উঠতে শুরু করেছে। বর্তমান আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আলুর বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে। কৃষকরা ভাল দাম পেলে আগামীতে আগাম আলু চাষে উৎসাহিত হবেন। মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২২, ২০২১ ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশার মৃত্যুতে কৃষিমন্ত্রীর শোক
কৃষি বিভাগ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য এবং বাকৃবি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের নির্বাহী সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন কৃষিমন্ত্রী কৃষিবিদ ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

কৃষিমন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় বলেন, শেরপুরের কৃতি সন্তান তুখোড় ছাত্রনেতা জনাব বদিউজ্জামান বাদশা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে তিনি বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে যেমন নেতৃত্ব দিয়েছেন তেমনি
আজীবন সাধারণ মানুষ ও কৃষিবিদদের কল্যাণে এবং কৃষির উন্নয়নে কাজ করে গেছেন। তাঁর মৃত্যু এক অপূরণীয় ক্ষতি। কৃষিবিদসহ দেশের সকল মানুষের নিকট তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

কৃষিমন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও তাঁর শোকসসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২১, ২০২১ ২:২১ অপরাহ্ন
পঞ্চগড়ে চাষ হচ্ছে কোরিয়ান ভোজ্য তেলবীজ পেরিলা
কৃষি বিভাগ

দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় প্রথম বারের মতো চাষ হয়েছে ভোজ্য তেলবীজ ফসল পেরিলা। সূর্যমুখী ও সরিষার মতো পেরিলার বীজ থেকেও উৎপাদন হয় তেল। উচ্চ ফলনশীল ও উন্নত তেলের বীজ পেরিলার চাষ করে পঞ্চগড়ে চমক সৃষ্টি করেছেন রোকনুজ্জামান নামে এক তরুণ কৃষক। তার এমন উদ্যোগে স্থানীয় কৃষকরা আগামীতে পেরিলা চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

চারিদিকে যখন হু হু করে বেড়ে চলেছে ভোজ্য তেলের দাম। এমন সময় দেশে তেল উৎপাদনের নতুন এক সম্ভাবনার পথ দেখাচ্ছেন রোকনুজ্জামান। পরীক্ষামূলকভাবে ১২ বিঘা জমির ওপর সাউ পেরিলা ১ নামের বীজ আবাদ শুরু করেন। প্রথমবারের মতো পেরিলা চাষ করে খরচের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি টাকা তুলতে পারবেন বলে আশাবাদী তিনি।

কৃষি বিভাগ বলছে এটি বাংলাদেশে পেরিলার প্রথম জাত। সাউ পেরিলা ১ দক্ষিণ কোরিয়ার একটি উচ্চ ফলনশীল জাত এবং ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, জাপানসহ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় এই তেলের চাহিদা রয়েছে ব্যপক এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও এই তেলের মূল্য অনেক।

রোকনের পেরিলার খেতে কর্মসংস্থান হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকরাও উৎসাহিত হচ্ছেন চাষে। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেলে তাদের অনেকেই পেরিলা চাষ শুরু করবেন।

এই উদ্যোগে উপজেলা কৃষি বিভাগ বীজসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে যাচ্ছে বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা তেঁতুলিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম।

পেরিলা চাষে একদিকে যেমন কৃষকরা লাভবান হবেন অন্যদিকে মিটবে দেশের ভোজ্য তেলের চাহিদা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২১, ২০২১ ১২:৫৪ অপরাহ্ন
কৃষক পর্যায়ে জিংক-আয়রন সমৃদ্ধ ধান চাষে সাফল্য
কৃষি বিভাগ

গবেষণায় সাফল্যের পর এবার পরীক্ষামূলকভাবে কৃষক পর্যায়ে জিংক ও আয়রন সমৃদ্ধ উচ্চফলনশীল বিনাধান-২০ চাষ করে সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বরিশাল উপকেন্দ্র। প্রথমবারের মতো কৃষকের মাঠে নতুন উদ্ভাবিত ধান চাষ করে অধিক ফলন পাওয়ায় এই ধানে উৎসাহ বাড়ছে সাধারণ কৃষকের।

জিংক ও আয়রন সমৃদ্ধ এই চালে রয়েছে অধিক পুষ্টিগুণ। জেলার ধান চাষিদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল এই ধান আবাদের জন্য বিনামূল্যে এই বীজ দিয়ে উৎসাহ দিচ্ছে বরিশাল বিনা উপকেন্দ্র। আগামীতে বিনা-২০ ধান জেলার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বড় ভূমিকা রাখবে বলেন মনে করছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

বরিশাল অঞ্চলে বছরের ৯ মাসে দুটি ফসল ফলিয়ে ভর্ষার সময়ে বাকি ৩ মাস অনাবাদী পড়ে থাকতো কৃষকের জমি। দীর্ঘ ৫ বছরের গবেষণায় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বর্ষার সময়ে রোপণযোগ্য জিংক ও আয়রন সমৃদ্ধ উচ্চফলনশীল বিনাধান-২০ উদ্ভাবন করে। এর আগে ক্ষুদ্র পরিসরে নতুন ধানের পরীক্ষামূলক চাষে সাফল্য পাওয়ায় চলতি মৌসুমে জেলার গৌরনদী উপজেলাতে ২০ বিঘা জমিতে বিনাধান-২০ চাষ করে ব্যাপক ফলন পেয়েছে কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বরিশাল উপ-কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার জানান, জিংক ও আয়রন সমৃদ্ধ উচ্চফলনশীল ধান পুষ্টিগুণে ভরা। এই ধান মানবদেহের জন্য বিশেষ করে গর্ভবতীদের উপকারী। এ অঞ্চলের মাটির চাহিদা অনুযায়ী স্বল্প জীবনকালের এই ধান চাষ করে অল্প দিনে কৃষক ফসল ঘরে তুলতে পারবে। এতে কৃষক লাভবান হবেন এবং অন্যান্য ফসল আগাম আবাদ করতে পারবেন। নতুন উদ্ভাবিত এই ধানের জাত কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বরিশাল উপ-কেন্দ্র বিনামূল্যে বীজ দিয়ে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছে বলে জানান এই কৃষি বিজ্ঞানী।

এদিকে, বর্ষা মৌসুমে অসময়ে অনাবাদী জমিতে বিনাধান-২০ চাষ করে অল্প সময়ের মধ্যে অধিক ফসল ঘরে তুলতে পেরে খুশি কৃষকরা। বিনাধান-২০ ১২০ দিনে কর্তন হওয়ায় আগাম সরিষাসহ রবিশষ্য চাষ করলে অধিক ফলন পাওয়া সম্ভব। এ কারনে নতুন ধানে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বরিশাল উপ-কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুন  জানান, নতুন জাতের ধানের প্রসার ঘটলে আগামীতে খাদ্যে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

এছাড়া বিনাধান-২০ এর চাল দিয়ে মুড়ি, চিড়া, খৈ এবং পিঠা তৈরির গুঁড়া ভালো হয় বলে জানিয়েছেন বরিশাল  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop