২:৪৬ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ১৩, ২০২১ ৩:০০ অপরাহ্ন
নওগাঁয় আগাম আলু চাষে ব্যস্ত চাষিরা
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর চাষিরা আগাম জাতের আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। শুরু থেকে আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার আলুতে ভালো লাভের আশা করছেন তারা। চাষিদের মতে, বৃষ্টি না হলে চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা জমি থেকে ২০-২২ মণ হারে ফলন হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলায় ২৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭৫৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। এর মধ্যে আগাম জাতের আলুর চাষ হয়েছে ১ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে।

চলছে শীতের মৌসুম। বাজারে উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন শাক-সবজি। দামও বেশ চড়া। শীতের আগাম সবজি হিসেবে আলুর ভালো দাম পেতে চাষিরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ জমি চাষ করছেন, কেউবা জমি সমান করতে মই দিচ্ছেন আবার কেউ জমির আইলের ঘাস পরিষ্কার করছেন। কেউ জমিতে আলুর বীজ রোপণ করছেন। আগাম এই নতুন জাতের আলুর ভালো দাম পাওয়ার আসায় দিনরাত কাজ করছে চাষিরা। আগাম জাতের আলু কার্তিক মাসে রোপণ করা হয়। প্রায় দুই মাসে এই আগাম জাতের আলু বাজারে পাওয়া যায়। আবহাওয়া ভালো থাকলে বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২২ মণ হারে ফলন পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী চাষিরা।

জেলার সদর উপজেলার কীর্তিপুর ইউনিয়নের কীর্তিপুর গ্রামের কৃষক জয়নাল বলেন, চলতি মৌসুমে তিন বিঘা জমিতে ফাটাপাপরি আগাম জাতের আলু চাষ করছি। আলু রোপণ করা প্রায় ৪৫ দিনের মতো হয়েছে। আর ২০-২৫ দিনের মধ্যে নতুন আলু ওঠা শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, এই আগাম জাতের আলু বৃষ্টি না পেলে বিঘা প্রতি ২০-২২ মণ হারে ফলন হয়। আর এই জাতের আলু যদি পরবর্তীতে লাগানো হয় তাহলে বিঘা প্রতি ৪০-৫০ মণ হয়।

হাঁপানিয়া গ্রামের কৃষক আমজাদ আলী বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আলুর বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি। প্রথম দিকে ১০০ টাকা কেজি থেকে শুরু হলেও পরবর্তীতে আলুর আমদানি বেশি হলে ৩০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। আগাম জাতের আলুর ফলন কিছুটা কম হলেও দাম বেশি পাওয়ায় পুষিয়ে নেওয়া যায়।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. শামসুল ওয়াদুদ বলেন, চলতি মৌসুমে ২৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার আবহাওয়া ভালো। এই কারণে আলুর আবাদ বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জেলার বিভিন্ন জাতের আলু চাষ হয়। এই কারণে অনেক আলু আগে আসবে আবার অনেক আলু পরে আসবে। যে আলু আগাম আসবে বাজারে সেটার দাম বেশি। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে দাম কমে যাবে। যারা একটু আগে লাগিয়েছে তারা ভালো দাম পাবে। কৃষক যদি আগাম আলু চাষ করে সেক্ষেত্রে লাভবান হবে।

 

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৩, ২০২১ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
বগুড়ায় বাঁধাকপি চাষ করে সফল কৃষক জামিল
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার নন্দীগ্রামে বাঁধাকপি চাষ করে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক জামিল। বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলা বাদলাশন গ্রামের আলহাজ আবুল হোসেনের ছেলে জামিল হোসেন তার নিজস্ব ৬ বিঘা জমিতে নরেশ জাতের বাঁধাকপি চাষ করে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখছেন।

কৃষক জামিল উদ্দিন জানান, আমি বগুড়া জেলার শাজাহানপুর থানার শাহনগর এলাকার নজরুল ইসলামের কৃষি নার্সারি থেকে ৮শ’ টাকা হাজার চারা কিনে ৬ বিঘা জমিতে সর্বমোট ৩ হাজার ৬শ’টি চারা রোপণ করি এবং লাগানো থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত আমার প্রতি বিঘায় চারা, সার, জমিচাষ ও মজুরি বাবদ প্রায় ৩০ হাজার টাকা করে খরচ হয়েছে। ৬ বিঘা জমিতে আমার সর্বমোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্য কপি তুলে বাজারে বিক্রি করতে পারবো এবং আমি আশা করছি বাজারে দাম ভালো পেলে ৬ বিঘা জমি থেকে আমি ৬-৭ লাখ টাকার নরেশ জাতের বাঁধাকপি বিক্রি করতে পারবো।

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, আমি চাষি মো. জামিল উদ্দিনের কপির জমি নিয়মিত পরিদর্শন করি এবং তাকে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করে আসছি।

নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আদনান বাবু বলেন, মো. জামিল উদ্দিন একজন সফল কৃষক তিনি ৬ বিঘা জমিতে নরেশ জাতের বাঁধাকপি চাষ করেছেন। কৃষি অফিস থেকে তাকে সহযোগিতা করা হয়েছে এবং তিনি ১৫-২০ দিনের মধ্যে কপি তুলে বাজারে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা লাভবান হবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১২, ২০২১ ৮:২৭ অপরাহ্ন
জলবায়ু পরিবর্তনসহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবনে সময় কমিয়ে আনতে চাই
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশের কৃষিখাতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় আমরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনসহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবনে কাজ করে যাচ্ছি। লবণাক্ততা, খরা, জলমগ্নতা, উচ্চ তাপমাত্রাসহ নানা প্রতিকূল পরিবেশে চাষের উপযোগী বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবনে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকরা কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক সফলতাও এসেছে। কিন্তু এসব জাত উদ্ভাবনে অনেক সময় লেগে যায়। এটিকে আমরা কমিয়ে আনতে চাই। এক্ষেত্রে নেদারল্যাণ্ডের সহযোগিতা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) নেদারল্যান্ডের স্থানীয় সময় বিকালে দেশটির ভাখেনিঙেন বিশ্ববিদ্যালয় ও রিসার্চের (Wageningen University and Research) এক্সিকিউটিভ বোর্ডের প্রেসিডেন্ট লুইজি ও. ফ্রেসকোর (Louise O. Fresco) সাথে বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষি, খাদ্য ও লাইফ সাইন্সের গবেষণা এবং শিক্ষায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ভাখেনিঙেন বিশ্ববিদ্যালয় ও রিসার্চের এক্সিকিউটিভ বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নিকট কৃষিমন্ত্রী লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) উপস্থাপন করেন। মন্ত্রী কৃষি গবেষণা বিশেষ করে দ্রুত ক্লাইমেন্ট রেজিলিয়েন্ট ক্রপ ভ্যারাইটি উদ্ভাবন, পচনশীল কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়ানোর গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণে এবং বিজ্ঞানী ও সম্প্রসারণ কর্মীদের প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রেসিডেন্ট লুইজি ও. ফ্রেসকো এসব বিষয়ে সহযোগিতায় বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন। শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করার প্রতি জোর দেন।

এর আগে দুপুরে কৃষিমন্ত্রী ও ফার্মিং সিস্টেম বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ ড. রাজ্জাক ভাখেনিঙেন বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ড প্ল্যান্ট ইকো-ফেনোটাইপিং সেন্টার (এনপিইসি) পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি পচনশীল কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়ানোর গবেষণাগার (ফেনোমিয়া ল্যাব) এবং জলবায়ু পরিবর্তন অভিঘাত মোকাবেলায় জিন প্রযুক্তি ব্যবহার ও পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে খুব স্বল্প সময়ে নতুন জাত উদ্ভাবনে প্রযুক্তিগত গবেষণাগারের (ফেনোমিক্স  ল্যাব) কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

একই দিন সকালে কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক ভাখেনিঙেন শহরের মেয়র ফ্লুর ভার্মিউলেনের (Floor Vermeulen) সাথে বৈঠকে মিলিত হন এবং তাঁকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী ‘The Unfinished Memoirs’ বই উপহার দেন।

এসময় সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধিদলের সদস্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: রুহুল আমিন তালুকদার, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, নেদারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ, ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভ্যান লিউভেন, প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী, এসিআই এগ্রো লিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এফএইচ আনসারী, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের চিফ অপারেটিং অফিসার পারভেজ সাইফুল ইসলাম, এবং জেমকন গ্রুপের ডিরেক্টর কাজী ইনাম আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১২, ২০২১ ৩:১৩ অপরাহ্ন
জলবায়ু পরিবর্তনসহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবনে সময় কমিয়ে আনতে চাই: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিখাতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় অগ্রাধিকারভিত্তিতে জলবায়ু পরিবর্তন-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবনে কাজ করছি বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, লবণাক্ততা, খরা, জলমগ্ন, উচ্চ তাপমাত্রাসহ নানা প্রতিকূল পরিবেশে চাষের উপযোগী বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবনে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকরা কাজ করছেন। ইতোমধ্যে অনেক সফলতাও এসেছে। কিন্তু এসব জাত উদ্ভাবনে অনেক সময় লেগে যায়। এটিকে আমরা কমিয়ে আনতে চাই। এক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) নেদারল্যান্ডের স্থানীয় সময় বিকেলে দেশটির ভাখেনিঙেন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড রিসার্সের এক্সিকিউটিভ বোর্ডের প্রেসিডেন্ট লুইজি ও. ফ্রেসকোর সঙ্গে বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। শুক্রবার (১২ নভেম্বর) কৃষি মন্ত্রণালয়ের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কৃষি, খাদ্য ও লাইফ সাইন্সের গবেষণা এবং শিক্ষায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ভাখেনিঙেন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড রিসার্সের এক্সিকিউটিভ বোর্ডের প্রেসিডেন্টের কাছে কৃষিমন্ত্রী লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) উপস্থাপন করেন। মন্ত্রী কৃষি গবেষণা বিশেষ করে দ্রুত ক্লাইমেন্ট রেজিলিয়েন্ট ক্রপ ভ্যারাইটি উদ্ভাবন, পচনশীল কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়ানোর গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ এবং বিজ্ঞানী ও সম্প্রসারণ কর্মীদের প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়টির সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রেসিডেন্ট লুইজি ও. ফ্রেসকো এসব বিষয়ে সহযোগিতায় বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন। শিগগির বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। এছাড়া সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করার প্রতি জোর দেন তিনি।

এর আগে দুপুরে কৃষিমন্ত্রী ও ফার্মিং সিস্টেম বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক ভাখেনিঙেন ইউনিভার্সিটি এবং নেদারল্যান্ড প্ল্যান্ট ইকো-ফেনোটাইপিং সেন্টার (এনপিইসি) পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি পচনশীল কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়ানোর গবেষণাগার (ফেনোমিয়া ল্যাব) ঘুরে দেখেন। এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তন অভিঘাত মোকাবিলায় জিন প্রযুক্তি ব্যবহার ও পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে খুব স্বল্প সময়ে নতুন জাত উদ্ভাবনে প্রযুক্তিগত গবেষণাগারের (ফেনোমিক্স ল্যাব) কার্যক্রম ঘুরে দেখেন মন্ত্রী।

একই দিন সকালে কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক ভাখেনিঙেন শহরের মেয়র ফ্লুর ভার্মিউলেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় মেয়রকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী ‘The Unfinished Memoirs’ বই উপহার দেন তিনি।

এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন তালুকদার, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, নেদারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ, ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভ্যান লিউভেন, প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী, এসিআই এগ্রো লিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এফএইচ আনসারী, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের চিফ অপারেটিং অফিসার পারভেজ সাইফুল ইসলাম এবং জেমকন গ্রুপের ডিরেক্টর কাজী ইনাম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১২, ২০২১ ১১:১৬ পূর্বাহ্ন
আমন ধান-চাল সংগ্রহ সফল করতে ১৫ নির্দেশনা
কৃষি বিভাগ

চলতি আমন মৌসুমে সরকারিভাবে ধান ও চাল সংগ্রহ সফল করতে ১৫টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশনা দিয়ে গত ৮ নভেম্বর খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

চলতি আমন মৌসুমে সরকার খোলাবাজার থেকে ২৭ টাকা কেজি দরে তিন লাখ মেট্রিক টন ধান ও ৪০ টাকা কেজি দরে পাঁচ লাখ টন সিদ্ধ চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত ৩১ অক্টোবর খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।

গত ৭ নভেম্বর থেকে আমন ধান ও চাল কেনা শুরু হয়েছে। চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্প্রতিদিন বিকেলে সকল আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে ধান ও চাল সংগ্রহের তথ্য ও দৈনিক বাজারদর ই-মেইলে খাদ্য অধিদপ্তরের সংগ্রহ বিভাগে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে।

ইতোমধ্যে ধান ও চালের উপজেলাওয়ারি বিভাজন মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে সংগ্রহ সফল করার জন্য ১৫টি নির্দেশনা দেওয়া হয় পরিপত্রে।

.‘অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা, ২০১৭’ অনুসারে বিনির্দেশসম্মত সদ্য উৎপাদিত আমন ধান ও চাল সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে।

.খাদ্য মন্ত্রণালয়ের গত ২৪ অক্টোবরের স্মারক মোতাবেক চুক্তিযোগ্য মিলারদের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করতে হবে।

.আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে চাল সংগ্রহের জন্য মিলারদের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে। চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার অব্যবহিত পর দ্রুত সময়ের মধ্যে মিলারদের অনুকূলে বরাদ্দপত্র ইস্যু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুলিপি দিয়ে অবহিত করতে হবে।

.হাস্কিং মিলারদের ক্ষেত্রে চুক্তিকৃত চাল সর্টিং করে সংগ্রহ করতে হবে।

.ধান সংগ্রহের বিষয়টি মাইকিং, লিফলেট বিতরণ, ক্যাবল টিভি স্ক্রল প্রদর্শন প্রভৃতি উপায়ে বহুল প্রচারণার জন্য সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

. ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে অবিলম্বে জেলা/উপজেলা সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সভা সম্পন্ন করতে হবে। কৃষকের অ্যাপের বাইরে উপজেলায় লটারি করে ধান সংগ্রহ দ্রুত শুরু ও শেষ করতে হবে। কৃষকের অ্যাপভুক্ত উপজেলায় রেজিস্ট্রেশন দ্রুত সম্পন্ন করে সিস্টেমে লটারি করে কৃষক নির্বাচনপূর্বক দ্রুত ধান সংগ্রহ করতে হবে।

.খাদ্য গুদামে কৃষকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। কৃষক যেন কোনোক্রমেই হয়রানির শিকার না হন সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

.যেহেতু চলমান সংগ্রহ মৌসুমে পাক্ষিক ছাঁটাই ক্ষমতা অপেক্ষা বরাদ্দ কম তাই জাতীয় পর্যায়ে চাল সংগ্রহ ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৬৫ শতাংশ, ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ৮৫ শতাংশ এবং ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ১০০ ভাগ সম্পন্ন করার জন্য (তারিখ, পরিমাণ, সময়ভিত্তিক সিডিউল প্রস্তুতপূর্বক) জেলা, উপজেলা ও গুদামভিত্তিক রোডম্যাপ তৈরি ও সে অনুসারে সংগ্রহ সম্পন্ন করতে হবে।

.সংগৃহীত প্রতিটি চালের বস্তায় সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী স্টেনসিল প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

১০.যুগপৎভাবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

১১.গুদামে স্থান সংকট দেখা দিলে ‘চলাচল সূচি প্রণয়ন নীতিমালা, ২০০৮’ অনুসারে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, মহাপরিচালক (খাদ্য) নিজ নিজ অধীক্ষেত্রে বিধি মোতাবেক স্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে চলাচল সূচি জারি করবেন।

১২.খালি বস্তার স্বল্পতা দেখা দিলে নিজ নিজ অধীক্ষেত্রের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত বস্তার স্বল্পতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

১৩.সংগ্রহ কার্যক্রমে সর্বোচ্চ জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের মনিটরিং জোরদার করতে হবে।

১৪.সংগ্রহ ত্বরান্বিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, সংরক্ষণ ও চলাচল কর্মকর্তা, ব্যবস্থাপক, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক সর্বদা সর্বোচ্চ তৎপর ও সতর্ক থাকবেন।

১৫.প্রতিদিন বিকেলে সকল আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তর থেকে ধান ও চাল সংগ্রহের তথ্য ও দৈনিক বাজারদর ই-মেইলে খাদ্য অধিদপ্তরের সংগ্রহ বিভাগে প্রেরণ নিশ্চিত করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১১, ২০২১ ১:১৮ অপরাহ্ন
মানিকগঞ্জে মুলার বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

মানিকগঞ্জে মুলার বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। কৃষিপণ্যের জন্য মানিকগঞ্জের সুনাম রয়েছে দেশজুড়ে। মানিকগঞ্জে শীতকালীন উৎপাদিত সবজির মধ্যে মুলা অন্যতম। এখানকার মুলা জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হয়ে থাকে।

এ এলাকার মুলা একেবারে সাদা। আগে লাল মুলাও এ জেলায় আবাদ হতো। ফলন বেশি হওয়ায় কৃষক সাদা মুলার আবাদ বেশি করে থাকে। জেলার সিংগাইর, সাটুরিয়া, সদর ও ঘিওর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর মুলা চাষ হয়ে থাকে।

সদর উপজেলার দোলাপাড়ার মুলা চাষি মো. সালাম কাজী বলেন, মাত্র ২০ শতাংশ জমিতে মুলা চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে। দাম কিছুটা কমেছে। ব্যাপারীরা ১১০ টাকা পাল্লা দামে কিনে নিচ্ছে। বাজার এরকম থাকলে লাভ ভালোই হবে। তাছাড়া এই জমির মুলা বিক্রি হয়ে গেলেই তামাক ও আখ চাষ করব। মুলা আমাদের বাড়তি পাওনা।

আরেক মুলা চাষি মো. রাজা মিয়া বলেন, খুব অল্পদিনে মুলা হয় বলে অন্য ফসলের তুলনায় লাভ ভালো। এ সময় জমিতে তেমন কোনো ফসল থাকে না। কয়েক দিন পর জমিতে নানারকম ফসল রোপণ করা হবে। মুলা আমাদের বাড়তি আয়। এক বিঘা জমিতে মুলা আবাদ করতে সবমিলিয়ে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। বিক্রি হয় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা। দিন দিন এলাকায় মুলা আবাদ বাড়ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, জেলায় প্রতি বছর মুলার আবাদ বাড়ছে। অনুকূল আবহাওয়ার কারণে জেলায় এবার মুলার ফলন ভালো হয়েছে এবং দামও বেশ ভালো। মুলা খুব অল্প সময়ে তোলা যায় বলে কৃষকের লাভ অন্য ফসলের তুলনায় বেশি হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১১, ২০২১ ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
নীলফামারীতে আমন ধানের বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

নীলফামারীতে ফসলের মাঠ জুড়ে এখন সোনালি আমন ধানের শীষে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা।

সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের দীঘলটারী গ্রামের আবুল কালাম আজাদ বলেন, এবার আমন আবাদ করেছেন ১২ বিঘা জমিতে। অনুকুল আবহাওয়া ও সারের ঘাটতি না থাকায় আবাদ ভালো হয়েছে। এখন প্রতিটি ধানের শীষে সোনালি রং ধরেছে। ধান উঠার আগে কোন দুর্যোগ না হলে বাড়তি ফলনে বেশী লাভবান হতে পারবো।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় এবার এক লাখ ১৩ হাজার ৭৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে। গত আমন মৌসুমের তুলনায় বেশী আবাদ হয়েছে ৪৫৮ হেক্টর জমিতে। ওই এক লাখ ১৩ হাজার ১০০ হেক্টরের মধ্যে উফশি ৯৪ হাজার ১৩৪ হেক্টর, স্থানীয় জাত ৫১০ হেক্টর, ও হাইব্রিড ১৮ হাজার ৪২৫ হেক্টর। এর মধ্যে সুগন্ধি ধান রয়েছে প্রায় ৩১ হেক্টর জমিতে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ ধান ঘরে তুলবেন কৃষকেরা।

নীলফামারী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান জানান, মাঠ পর্যায়ে উঠান বৈঠক করে ধানের রোগবালাই দমনসহ সঠিক সময়ে অন্যান্য পরামর্শ প্রদান করায় কোন পোকামাকড়ের আক্রমণ হয়নি ক্ষেতে।

জেলা কৃষি সস্প্রসারণ দপ্তরের উপ-পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, জেলায় উফশি জাতের আমন আবাদ হয়েছে ৯৪ হাজার ১৩৪ হেক্টর জমিতে। অধিক ফলনের জন্য স্থানীয় জাতের তুলনায় হাইব্রিড ও উফশি জাতের ধানের আবাদে কৃষকদেরকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আমন আবাদের উপযুক্ত পরিবেশসহ অন্য কোন ঘাটতি না থাকায় বাম্পার ফলন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১০, ২০২১ ১:৫২ অপরাহ্ন
মরিচ চাষে ব্যস্ত বগুড়ার চাষিরা
কৃষি বিভাগ

বগুড়া সারিয়াকান্দির যমুনার চরগুলোতে নানা ধরনের সবজি চাষের পর নতুন করে সাজতে শুরু করেছে। যমুনা নদীর চরে দীর্ঘদিন বন্যার পানিতে নিমজ্জিত থাকা চরগুলোতে চাষ হচ্ছে গাইঞ্জা ধান, পিঁয়াজ, শাক, লাউসহ নানা ধরনের সবজি।

চাষের পর ফলন নিয়ে যমুনা নদীর চরের কৃষকরা চাষ এবং বাজারজাতকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চরে এবার সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে হাইব্রিড মরিচ।

দীর্ঘ সময় ফলন এবং বাজারে সারাবছর চাহিদা থাকায় এই জাতের মরিচ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের জোড়গাছা গ্রামের সুলতান আলী জানান, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা শফিউল আলমের পরামর্শে গত বছর চরের প্রায় ২২ শতক জমিতে চাষের পর থেকে দুই লাখ ১৬ হাজার টাকার হাইব্রিড মরিচ বিক্রি করেন। এ বছর ওই জমিসহ সর্বমোট ৬২ শতক জমিতে হাইব্রিড মরিচ চাষ করেছেন। এরমধ্যে ২২ শতকের জমি থেকে প্রথম তোলায় ৪ মণ, দ্বিতীয় তোলায় ৬ মণ এবং তৃতীয় তোলায় ১৩ মণ মরিচ পাওয়া গেছে।

৪০ শতকের জমি থেকে প্রথম তোলায় ৭ মণ, দ্বিতীয় তোলায় ১২ মণ এবং তৃতীয় তোলায় ১৮ মণ মরিচ পেয়েছেন। প্রায় ১১ থেকে ১২ দিন পর পর জমি থেকে মরিচ তুলে থাকেন। ফুলবাড়ী হাটে সাদা মরিচ ২ হাজার ৮০০ টাকা মণ এবং কালো মরিচ ৩ হাজার ২৫০ টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে। পৌষ মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত জমি থেকে মরিচ উত্তোলন করা যাবে।

সারিয়াকান্দি উপজেলার কাজলা ইউনিয়নের জামথল চরের মরিচ চাষি জবেদ আলী জানান, তিনি এ বছর ১৮ বিঘা জমিতে হাইব্রিড মরিচের চাষ করেছেন। এ পর্যন্ত ৭ মণ মরিচ বিক্রি করেছেন। প্রতিকেজি ৬০ টাকা করে বিক্রি করেছেন। তিনি আশা করছেন আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জমি থেকে মরিচ তুলতে পারবেন।

সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, চরের জমিতে পলি পড়ে চাষের উপযোগি হয়ে যায় জমিগুলো।

উপজেলার সব এলাকাতেই মরিচ চাষ হলেও চরাঞ্চলগুলোতে অপেক্ষাকৃত বেশি পরিমাণে হয়। চরাঞ্চলগুলোর মধ্যে চালুয়াবাড়ী, হাটবাড়ী, ফাজিলপুর, তেলীগাড়ী, গওলাডাঙ্গা, মানিকদাইড়, আউচারপাড়া, কাকালিহাটা, সবুজের পাড়া, চকরথিনাথ, দিঘাপাড়া, করনজাপাড়া, বনরপাড়া, কাজলা,  জামথল, পাকুরিয়া, উত্তর টেংরাকুরা, চরঘাগুয়া, নব্বইয়ের চর, কটাপুর, বেড়া পাঁচবাড়িয়া, কুড়িপাড়া, বাওইটোনা, উত্তর বেনিপুর, দক্ষিণ বেনিপুর, চরবাটিয়া, চিলাপাড়া, চরপাড়া, মথুরাপাড়া, ইন্দুরমারা, ডাকাত মারা, মূলবাড়ী, ধারাবর্ষা, শংকরপুর, কমরপুর, মাঝবাড়ী, মাঝিয়া, হাতিয়াবাড়ী এবং পৌতিবাড়ী চরে হাইব্রিড মরিচের গাছগুলো সতেজভাবে বেড়ে উঠছে, ফুল এসেছে এবং মরিচ ধরেছে। গত বছরে হাইব্রিড মরিচের ফলন হয়েছিল প্রতি হেক্টরে শুকনা আকারে ২.৪ মেট্রিক টন।

সারিয়াকান্দি কৃষি কার্যালয় বলছে,  এ অর্থবছরে সর্বমোট মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৭৫০ হেক্টর। উপজেলায় সর্বমোট ৩ হাজার ৬২০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড মরিচের লক্ষ্যমাত্রা ছিল মাত্র ৮০০ হেক্টর যা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। উফসি জাতের মরিচের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৯৫০ হেক্টর যা কমে ১ হাজার ৮৮৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল হালিম বলেন, গত কয়েক বছর ধরে হাইব্রিড মরিচের ভাল ফলন এবং দাম পাওয়ায় কৃষকরা এ জাতের মরিচ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। মরিচ ছাড়াও স্থানীয় চাষিরা চরে গাইঞ্জা ধান, মুলা, পেঁয়াজ, শাক, লাউসহ নানা ধরনের সবজি চাষ করেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৯, ২০২১ ১:৩৯ অপরাহ্ন
উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে নির্ভরশীলতা কমাতে সরকারি প্রণোদনা গুরুত্বপূর্ণ-খাদ্যমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

নিজেদের প্রয়োজনীয় উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে নির্ভরশীলতা কমাতে সরকারি প্রণোদনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। এ সময় তিনি প্রণোদনা নিয়ে চাষাবাদ বাড়াতে কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

গতকাল নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন প্রাঙ্গণে রবি ২০২১-২২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৩ হাজার ৫২০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনা মূল্যে গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, খেসারি, চীনাবাদাম, মুগ, পেঁয়াজ বীজ এবং রাসায়নিক সার বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে প্রায়ই যেসব পণ্যের দাম বাড়ে সেগুলো আমাদের দেশে কম উৎপাদন হয়। নির্ভরশীলতার কারণে সেসব পণ্য আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে দেশেও দাম বাড়ে। বাংলাদেশের মাটি অনেক উর্বর, এখানে যা ফলাতে চান তা-ই ফলবে। আমাদের দেশে তেলের দাম কম হওয়ায় পাচার হয়ে যেত। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দেশে ডিজেলের দাম নির্ধারণ হয়েছে। এতে কৃষক কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কৃষকবান্ধব সরকার কৃষককে প্রণোদনার মাধ্যমে সে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

তিনি বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতির বাংলাদেশ তিন স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এগুলো হলো কৃষি খাত, গার্মেন্টস খাত এবং প্রবাসীদের রেমিট্যান্স। এ সেক্টরগুলো শক্তিশালী হওয়ার কারণে করোনাকালে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় পতিত হলেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল শক্তিশালী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৯, ২০২১ ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
হিলি স্থলবন্দরে আবারো পেঁয়াজের দাম বেড়েছে
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে একদিনের ব্যবধানে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। পাইকারিতে (ট্রাকসেল) প্রতি কেজির দাম ২ টাকা বেড়েছে। একদিন আগেও বন্দরে ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৩৩-৩৪ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। বর্তমানে দাম বেড়ে এসব পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৩৬ টাকা কেজি দরে। নগর জাতের পেঁয়াজ ৩৬ টাকায় বিক্রি হলেও তা বেড়ে এখন ৩৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমদানি কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। এদিকে আবারো দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন পাইকাররা।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন বলেন, মূলত বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। তবে দু-একদিনের মধ্যে আবারো আমদানি বাড়বে, কমে আসবে দাম।

তিনি আরো বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব কালী পূজার কারণে ভারতের মোকামগুলোতে পেঁয়াজ লোডিং চারদিন বন্ধ ছিল। ফলে হিলিসহ দেশের সব বন্দর দিয়ে আমদানি আগের তুলনায় কমেছে। দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমায় দামে প্রভাব পড়েছে।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকলেও তা কমছে। শনিবার সাত ট্রাকে ১৮২ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। রোববার ছয় ট্রাকে ১৫৪ টন আমদানি হয়। গতকালও আমদানি অব্যাহত ছিল।

 

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop