৩:৩৪ পূর্বাহ্ন

সোমবার, ৪ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ৭, ২০২১ ৯:০৮ অপরাহ্ন
কৃষি গবেষণায় উদারভাবে অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

একসময় দেশে গবেষণার প্রায় পুরোটাই ছিল বিদেশি সাহায্যনির্ভর। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার কৃষিগবেষণায় ও কৃষির উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে উদারভাবে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক।

রবিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন (কেজিএফ) আয়োজিত সংস্থাটির ‘সার্বিক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা’ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রযুক্তিতে বিদেশনির্ভরতা কমাতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গবেষণা সম্প্রসারণের মাধ্যমে লাগসই দেশিয় প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। চাষাবাদ, উপকরণ ব্যবহার ও অর্গানিক পদ্ধতিতে উৎপাদনসহ সকল কৃষিপ্রযুক্তি নিজেদেরকে আরও বেশি উদ্ভাবন ও তা দ্রুততার সাথে সম্প্রসারণ করতে হবে।

কেজিএফকে বরাদ্দপ্রাপ্ত অর্থের যথাযথ ও সুষ্ঠু ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকার কেজিএফকে যে উদ্দেশ্যে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে-সে লক্ষ্য অর্জনে অর্থের যথাযথ ও সুষ্ঠু ব্যবহার করতে হবে। প্রকল্প গ্রহণে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে। যেনতেন প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ দিলে চলবে না। চরাঞ্চল, উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকা, পাহাড় বা হাওরের প্রতিকূল এলাকায় কীভাবে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায়- সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট, লক্ষ্যনির্ধারণী ও ফলাফলনির্দিষ্ট গবেষণা করতে হবে। একইসাথে, প্রকল্প বাস্তবায়ন, মূল্যায়ন ও মনিটরিং কার্যক্রমকেও শক্তিশালী করতে হবে। কেজিএফের গবেষণা থেকে বা উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কৃষি উৎপাদন বা ফলন বৃদ্ধি কতটুকু হয়েছে- তার যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেজিএফের চেয়ারম্যান ও বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেজিএফের প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (হর্টিকালচার) ড. শাহাবুদ্দীন আহমদ। কেজিএফের সার্বিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যত পরিকল্পনার উপর উপস্থাপনা করেন কেজিএফের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ড. ওয়ায়েস কবীর এবং বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৭, ২০২১ ৩:২৭ অপরাহ্ন
বিষমুক্ত সবজি চাষে সাফল্য চাঁদপুরের কালামের
কৃষি বিভাগ

কৃষক কালাম ছৈয়াল। তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী ইউনিয়নে ৮ নং ওয়ার্ডে বিষমুক্ত সবজি চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন।প্রতি বছর আগাম বিষমু্ক্ত মৌসুমি শাক-সবজি চাষ করে এলাকায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন বিষমু্ক্ত সবজি চাষী হিসাবে।

কৃষক কালাম ছৈয়াল জানান, আমি আগাম জাতের বিষমু্ক্ত মৌসুমি শাক-সবজির চাষ ও বিক্রয় করে একদিকে আমার কৃষি কাজের উৎসাহ যেমন বাড়ছে অন্যদিকে আমি আর্থিক ভাবেও সাফল্য পেয়েছি।আমি ১৮ শতাংশ জমিতে আলাদা আলাদা বীজতলা বা সেড তৈরি করে শাক-সবজি চাষ করি।ইতোমধ্যে তিনি বিএডিসীর ইয়ার মালেক সীড চাকাতা কোম্পানির টমোটো চাষ করে এলাকায় বেশ সাড়া ফেলেছে।

তিনি জানান আমি ১২০০ টি টমোটো চারা লাগিয়েছি যা থেকে আমি গড়ে ৩০০ কেজির টমোটো বিক্রয় করতে পারি।এছাড়াও তিনি একই বীজ তলায় ফুলকপি,বাঁধাকপি, গাজর,পেয়াজ,রসুন,কালো বেগুন,লাউ ও মিষ্টি কুমড়া চাষ করে থাকেন।তার কাছ অর্থনৈতিক সুবিধা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই জমি থেকেই শাক-সবজি উৎপাদন করে আমার বছরে প্রায় ২ লাখ টাকার মত আয় হয় যা দিয়ে আমার পবিরার ও ছেলে মেয়ের পড়ালেখার ব্যয় মিটানো হয়।

তিনি জানান, আমি যদি সরকারি কোন সুযোগ সুবিধা পেতাম তাহলে কৃষি কাজে আমার কাজের বিস্তার গঠাতে পারতাম।কারণ আমি জানি শেখ হাসিনা সরকার উন্নয়ন আর কৃষি বান্ধব সরকার।আমার একটা স্বপ্ন যদি কোন সরকারি কৃষি অফিসার আমার এই প্রজেক্টে আসতো আমি খুব আনন্দিত হতাম।

কৃষি বিভাগের কোন সাহায্য সহযোগীতা না পেয়েও কৃষক কালাম ছৈয়ালের এমন সাফল্যে এলাকার অনেক মানুষও তার কাছ থেকে ধারণা নিয়ে ঝুকছে বিষমুক্ত সবজি চাষের দিকে। আর তাতে বদলে যাচ্ছে চাঁদপুরের চিত্র। মানুষ পাচ্ছে বিষমুক্ত শাক-সবজি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০২১ ৭:০৩ অপরাহ্ন
দাম ভালো থাকায় লেবু চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের
কৃষি বিভাগ

কম খরচে বেশি উৎপাদন ও লাভ হচ্ছে লেবু চাষে। আর সেই কারণেই দিনদিন মাগুরার চাষিরা ঝুঁকছেন লেবু চাষের দিকে।ইতোমধ্যে লেবু সুখ্যাতি অর্জন করেছে অঞ্চলটি। চলতি মৌসুমে বৃষ্টিপাত ভালো হওয়ার কারণে লেবুর ফলন ভালো হয়েছে।

দেশে-বিদেশে লেবুর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। মাগুরায় দিনদিন প্রতিযোগিতামূলক লেবুর আবাদ বেড়ে চলেছে। এতে কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে অনেক মানুষের। সুস্বাদু হওয়ায় এ অঞ্চলের লেবুর চাহিদাও দেশ-বিদেশের বাজারে বেড়েছে কয়েকগুণ।

লেবু চাষি ওলিয়ার জানায়, লেবু সাধারণত ৫ জাতের হয়ে থাকে। এগুলো হচ্ছে কাগজি লেবু, পাতি লেবু, এলাচি লেবু, বাতাবি লেবু ও নতুন জাতের হাইব্রিড সিডলেস নামে একটি লেবু চাষও বর্তমানে হচ্ছে। কাগজি লেবু ছোট আকৃতির হয় আর এর চাহিদা সর্বাধিক।

লেবু চাষি হরে কৃষ্ণ বলেন, ‘প্রতিদিন প্রচুর লেবু বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিটি লেবু ৫ টাকা থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাগুরায় উৎপাদিত লেবু ঢাকার কারওয়ান বাজারসহ দেশের বিভিন্ন বড় বড় বাজারে সরবরাহ করে থাকেন ব্যবসায়ীরা।’

মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক জানান, ‘কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে লেবু চাষিদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। লেবু চাষের কলাকৌশল সম্পর্কে চাষিদের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০২১ ৫:৫৪ অপরাহ্ন
কৃষির উন্নতি হলেই গ্রামের মানুষের জীবন উন্নত হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

গ্রামের মানুষের জীবনমানকে উন্নত করতে চাইলে কৃষিকে উন্নত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক, এমপি। মন্ত্রী বলেন, আমাদের গ্রামের অর্থনীতি এখনও কৃষিভিত্তিক। কৃষিকে কেন্দ্র করেই বেশিরভাগ মানুষের জীবনজীবিকা আবর্তিত হয়। সেজন্য, গ্রামের মানুষের জীবনকে উন্নত করতে চাইলে কৃষিকে উন্নত করতে হবে। কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ ও লাভজনক করতে পারলে গ্রামের মানুষের আয় বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ও জীবন উন্নত হবে। অন্যদিকে অর্থনীতিতেও তা বিরাট ভূমিকা রাখবে। বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার এ লক্ষ্যেই কৃষিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে নিরলস কাজ করছে।
কৃষিমন্ত্রী শনিবার সকালে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় হোসেন্দী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৫ বছর পূর্তিউৎসব ও পুনমির্লনীতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস।
মন্ত্রী ড. রাজ্জাক আরও বলেন, বাংলাদেশ হলো গ্রামীণ বাংলাদেশ। এই গ্রামকে আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। গ্রামে জন্মগ্রহণ ও পড়াশুনা করে, বড় হয়ে আজকে যারা বিভিন্ন উচ্চপদে চাকরি করছি বা ব্যবসাসহ অন্যান্য পেশায় সফল হয়েছি- তাদেরকে নিজেদের শিকড় নিজের গ্রামকে ভুলে গেলে চলবে না। নিজেদের গ্রামকে আলোকিত করতে হবে, গ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, অর্থবিত্তই সব নয়। বাবা-মার কাছে বেশি সম্পদ রেখে যাওয়ার প্রত্যাশা করা উচিত নয়। বাবা-মারও সন্তানদের জন্য বেশি অর্থবিত্ত রেখে যাওয়া উচিত নয়। জীবনে অর্থবিত্তের প্রয়োজন আছে, কিন্তু লোভ ও প্রয়োজনের মধ্যে সীমারেখা থাকা দরকার; সেটি তোমাদের বুঝতে হবে। তোমরা দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে মানুষের কল্যাণে মহৎ কাজে নিয়োজিত থাকবে। মনে রাখতে হবে মানুষের কল্যাণে কতটুকু কাজ করেছি- তার উপরই জীবনের সার্থকতা নির্ভর করে।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডাঃ মাজহারুল হক তপনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক আইজিপি (প্রিজন) ও পিএসসির সাবেক সদস্য মো. লিয়াকত আলী খান, প্রাক্তন ছাত্র স্কোয়াড্রন লিডার (অব.) গোলাম কিবরিয়া আব্বাসী, মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজ আফজাল, গজারিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আব্দুল মান্নান, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী।
উল্লেখ্য, গজারিয়ায় হোসেন্দী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৫ বছর পূর্তিউৎসব ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুলজীবনের স্মৃতিচারণ করেন। পরে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০২১ ১:৪০ অপরাহ্ন
আদমদীঘিতে সজনে চাষে কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

বিনা খরচে অধিক আয় হওয়ায় অনেকেই ব্যাণিজ্যিকভাবে সজনে চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বিশেষ করে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদর ও সান্তাহারে সজনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষকরা। গাছে গাছে ব্যাপক ফুল দেখে বাম্পার ফলনের আশায় বাগানে বাগানে গিয়ে আগাম গাছের সজনে কিনছেন মৌসুমি সজনে ব্যাবসায়ীরা।

আবহাওয়া এবং প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে এবার গত কয়েক বছরের চেয়ে সজনে বেশি উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।এবার উপজেলা সদর ও সান্তাহার পৌর শহর এবং এর আশপাশের গ্রামগুলোর গাছে গাছে প্রচুর পরিমানে সজনে ফুল ফুটেছে। স্থানীয় ও দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে সজনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মুখোরচক ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এ সজনে স্থানীয়ভাবে বিক্রির পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানি করা হয়।

বাজারে অন্যান্য সবজির চেয়ে সজনের দাম বেশি। তবে এবার বাম্পার ফলন হলে গতবারের চেয়ে দাম একটু কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সজনে প্রধানত দুই প্রজাতির। এর মধ্যে এক প্রজাতির সজনে বছরে তিন থেকে চার বার পাওয়া যায়। স্থানীয়ভাবে এর নাম রাইখজ্ঞন। সজনে গাছ যেকোনো পতিত জমি, পুকুর পাড়, রাস্তার বা বাঁধের ধারে আঙ্গিনা এমনকি শহর বন্দরের যেকোনো ফাঁকা জায়গায় লাগানো যায়। এর কোনো বীজ বা চারার প্রয়োজন হয় না। গাছের ডাল কেটে মাটিতে পুতে রাখলেই সজনে গাছ জম্মায়। সজনে গাছের কোন পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। অযত্নে অবহেলায় প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠে এর গাছ। বড়-মাঝারি ধরনের একটি গাছে ছয় থেকে আট মণ পর্যন্ত সজনে পাওয়া যায়।

বিশেষ করে আদমদীঘি উপজেলার মাটি, পানি ও আবহাওয়া সজনে চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় এই উপজেলা সদর ও সান্তাহার পৌর শহর ও এর আশেপাশের সবখানেই প্রচুর সজনে গাছ আছে। এইসব গাছ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার টন সজনে উৎপাদন হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিঠু চন্দ্র অধিকারী জানান, এই উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া সজনে চাষে উপযোগী। এখানে ব্যাণিজ্যিকভাবে সজনে চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। ফলে অনেকে আম, জাম, কাঠাল, লিচু বাগানের মত এখন সজনের বাগান করতে শুরু করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০২১ ১২:১৮ অপরাহ্ন
ক্যাপসিকাম চাষ বাড়ছে পশ্চিমের তিন জেলায়
কৃষি বিভাগ

স্বল্প পরিসরে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকাম চাষ শুরু হয়েছে ঝিনাইদহ, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলায়। এ সবজির চাহিদাও আছে স্থানীয় বাজারে। নতুন এ সবজির চাষ লাভজনক হবে বলে আশা চাষিদের।

গত বছর মহেশপুর উপজেলায় ক্যাপসিকাম চাষ করে সফল হন এক চাষি।ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পাঠানপাড়া গ্রামের শিক্ষিত যুবক নেওয়াজ শরীফ ৪০ শতক জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করেছেন। তাইওয়ানী জাতের বীজ ব্যবহার করেছেন তিনি।

নেওয়াজ শরীফ জানান, নৃবিজ্ঞানে মাস্টার্স পাশ করে করোনার কারণে বাড়িতে বসে ছিলেন। এরপর এক বন্ধুর সঙ্গে পরামর্শ করে ক্যাপসিকাম চাষের উদ্যোগ নেন। তার খেতে সাড়ে ৪ হাজার গাছ আছে। সবজি ধরতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাজারে পাইকারি ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন। বাইরেও চাহিদা আছে। রাজশাহী ও ঢাকায়ও পাঠিয়েছেন। ক্যাপসিকাম চাষে তার ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। তিনি আশা করছেন, সাড়ে ৪ হাজার কেজি ক্যাপসিকাম হবে। এ থেকে ৪ লাখ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা আয় হবে। মার্কেটিংয়ের ব্যবস্থা থাকলে ক্যাপসিকাম লাভজনক ফসল বলে জানান তিনি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোরের উপপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ঝিকরগাছা উপজেলায় ক্যাপসিকামের চাষ শুরু হয়েছে। আর চুয়াডাঙ্গা জেলার উপপরিচালক মো. আলি হাসান জানান, কয়েক জন চাষি ক্যাপসিকাম চাষ শুরু করেছে।

পটুয়াখালীর দুমকির আঞ্চলিক উদ্যান গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইফতেখার মাহমুদ বলেন, সারা বিশ্বে ক্যাপসিকাম একটি জনপ্রিয় সবজি। আমাদের দেশে নতুন করে চাষ হচ্ছে। মাঠে ছাড়াও বাড়ির ছাদবাগানেও চাষ করা যায় এ সবজি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঝিনাইদহের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক বিজয় কৃষ্ণ হালদার বলেন, ক্যাপসিকামের আদি জন্মস্থান দক্ষিণ আমেরিকা। সেখান থেকে ইউরোপের দেশে আসে। তারপর আসে আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে। আমাদের দেশে কয়েক বছর আগে এসেছে। এ বছর ঝিনাইদহ জেলায় ছয় থেকে সাত একর জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০২১ ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
বর্তমান সরকারের আমলে দেশে নারীর ক্ষমতায়ন বেড়েছে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

বর্তমান সরকারের আমলে দেশে নারীর ক্ষমতায়নে অনেক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক।

শুক্রবার (৫ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী সরকারি কলেজে ‘নারীর ক্ষমতায়নে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী একজন নারী; তিনি ১৭ কোটি মানুষকে অত্যন্ত সফলভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দেশের বিরোধীদলীয় নেত্রী, স্পিকারসহ অনেক শীর্ষপদে নারীরা আজ অধিষ্ঠিত। তবে কয়েকজন নারীর ক্ষমতায়ন হলেই হবে না। ১৭ কোটি মানুষের অর্ধেক—প্রায় সাড়ে আট কোটি নারীর ক্ষমতায়ন করতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, নারীদের শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। সে লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি তারই অংশ।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে নারীর ক্ষমতায়নে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির আওতায় ধনবাড়ী উপজেলার চারটি ভেনুতে মোট ৪০০ নারী তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে দুই মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ পাবেন বলেও তিনি জানান।

এ অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি। স্বাগত বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা।

ধনবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বদিউল আলম মঞ্জুর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন- উপজেলা চেয়ারম্যান মো. হারুনার রশীদ হীরা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর ফারুক আহম্মদ, আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য ড. মো. শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৫, ২০২১ ১২:৩০ অপরাহ্ন
করোনায় কর্মহীন, করোনাতেই উদ্যোক্তা ছয় তরুণ
কৃষি বিভাগ

বৈশ্বিক মহামারি করোনা কর্মহীন করেছে অনেক মানুষকে। সুনামগঞ্জ শহরতলির লালপুর গ্রামের ছয় তরুণ তাদের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। কর্ম হারিয়ে তারা ভাবতে থাকেন কী করা যায়। অল্প পুঁজি নিয়ে শুরু করেন সূর্যমুখী ফুলের চাষ। গড়ে ওঠে বাগান। নাম দিয়েছেন ‘স্বপ্ন ছোঁয়া সানফ্লাওয়ার গার্ডেন’। এখন তাদের বাগানে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়।

এই ছয় তরুণ হলেন- নজরুল ইসলাম, রেজাউল করিম, রুকনউদ্দিন, ফরহাদ আহমদ, পারভেজ আহমদ ও রুবেল হোসেন। প্রতিদিন প্রায় ছয় হাজার টাকা আয় করছেন আসা দর্শনার্থীদের কাছে টিকিট বিক্রি করে।

গৌরারং ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের স্বাধীন বাজারের পাশে প্রায় ৬০ শতাংশ জমিতে এ বাগান করেছেন তারা। জমি তৈরি ও বীজ কেনা বাবদ খরচ হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। বাগানের ভেতরে বাচ্চাদের দোলনা ও অন্যান্য আসবাবপত্র দিয়ে সাজাতে খরচ হয়েছে আরও ২৫ হাজার টাকা। এই দুয়ের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে তাদের ‘স্বপ্ন ছোঁয়া সানফ্লাওয়ার গার্ডেন’।

বাগানে প্রতিটি গাছে ফুল ফোটায় পুরো জমিজুড়ে তৈরি হয়েছে অভাবনীয় এক সৌন্দর্য। সূর্যের দিকে মুখ করে ফুটে থাকা ঘন ফুলের সমারোহ সৌন্দর্যপ্রেমী মানুষদের সড়ক থেকে বাগানে টেনে আনছে। পুরো বাগানে এখন হলুদের আগুন। শিমুল বাগান, শহীদ সিরাজ লেক, টাঙ্গুয়ার হাওর ও বারেকের টিলায় যাওয়ার রাস্তায় পড়ে বাগানটি। এসব জায়গায় ঘুরতে যাওয়া পর্যটকরা যাত্রাপথে বাগানে নেমে ছবি তুলছেন, সেলফি তুলছেন, ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

এদিকে সূর্যমুখী বাগানের ছবিতে ফেসবুক সয়লাব। অনেকেই নিজের বা বন্ধুবান্ধব সমেত ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন। এসব পোস্ট দেখে বাগান দেখতে আগ্রহী লোকের সংখ্যা বাড়ছে।

বাগানের মালিক ফরহাদ আহমদ জানালেন, তিনি ছোটখাটো একজন ব্যবসায়ী। করোনাকালে ব্যবসায় লোকসান হয়। কী করবেন তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান। তখন মাথায় এই পরিকল্পনা আসে। গেল বছরের ডিসেম্বরে জমি তৈরি করে সূর্যমুখী ফুলের বীজ বপন করেছেন। এখন বাগানের প্রায় সব গাছেই ফুল চলে এসেছে। দর্শনার্থীও আসছেন। আয়ও হচ্ছে। বাগানের ভেতরে বাচ্চাদের দোলনা, ছবি তোলার ফ্রেম, বসার ব্যবস্থাও রয়েছে। এখন ফুল ফুটেছে। অনেক দর্শনার্থী আসছেন। তাদের কাছ থেকে ১০ টাকা করে নিচ্ছেন। প্রতিদিন ২০০ থেকে ৬০০ দর্শনার্থী হয় বাগানে। এতে এক দিনে সর্বোচ্চ ছয় হাজার টাকা আয়ও হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩, ২০২১ ১০:২৪ অপরাহ্ন
সেচ সংকটে বাউফলে বোরো ধানের চাষাবাদ ব্যাহত
কৃষি বিভাগ

পটুয়াখালীর বাউফলে সেচ সংকটে বোরো ধানের চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে। সরকারি সুযোগ না পেয়ে অধিকাংশ কৃষক চড়া দামে পাম্প ভাড়া নিয়ে বোরো ধান চাষ করছেন।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) বিভিন্ন স্থানে অপরিকল্পিতভাবে সেচনালা নির্মাণ করায় তা কৃষকের কোনো উপকারে আসছে না বলে অভিযোগ। কৃষকরা জানান, জৌতা-নওমালা-বগা খালটি খনন না করায় স্থানীয় কৃষকরা বোরো জমিতে সেচ দিতে পারছেন না।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরে বাউফল উপজেলায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর করোনাভাইরাস ও অস্বাভাবিক জোয়ারের কারণে কাক্সিক্ষত আমন ধানের উৎপাদন হয়নি। তাই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বোরো ধান চাষে কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাউফলে ১ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হলেও এ বছর ৩ গুণ বাড়িয়ে ৫ হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হচ্ছে।

চন্দ্রপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন সূর্যমণি গ্রামের মিজান গাজী জানান, তিনি এ বছর দেড় একর জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন। প্রতি ঘণ্টায় ১৫০ টাকা করে পাম্প ভাড়া করে এনে তিনি খেতে পানি দিচ্ছেন। পানির কারণে বোরোর উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলে কৃষকরা লাভবান হতে পারবেন না বলে জানান তিনি।

এদিকে বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে সেচনালা নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে সূর্যমণি ইউনিয়নের রামনগর ক্লাবঘর এলাকায় ভূগর্ভস্থ সেচনালা নির্মাণ করে বিএডিসি। নির্মাণের পর থেকে একদিনের জন্য এ সেচনালা ব্যবহার হয়নি বলে জানান রামনগর সেচ প্রকল্পের সভাপতি হাফিজুর রহমান মুন্সি। একই অবস্থা বীরপাশা ও সূর্যমণি সেচ প্রকল্পের।

বিএডিসি সূত্র জানায়, বাউফল উপজেলায় ২২ কিলোমিটার সেচনালা নির্মাণ করা হয়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, প্রায় ১৯ কিলোমিটার সেচনালা কৃষকের কোনো উপকারে আসছে না। এভাবে নির্মাণের পর অধিকাংশ সেচ প্রকল্পই চালু করা হয়নি।

তবে অপরিকল্পিতভাবে সেচনালা নির্মাণের অভিযোগ অস্বীকার করে বাউফল বিএডিসির উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোশারেফ হোসেন বলেন, শুধু বিদ্যুৎ বিল দিয়ে কৃষকরা প্রতিটি সেচ প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারেন। কৃষকদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব থাকায় তারা সেচ প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারছেন না বলে দাবি তার।

বাউফল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, সেচনালা নির্মাণের ক্ষেত্রে বিএডিসির সঙ্গে কৃষি বিভাগের কিছুটা সমন্বয়হীনতা রয়েছে। যেখানে চাহিদা বেশি সেখানে সেচনালা নির্মাণ করা হয় না বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩, ২০২১ ৮:৩০ অপরাহ্ন
পাহাড়ে বেড়েছে আগাম জাতের আনারস চাষ
কৃষি বিভাগ

পাহাড়ের টিলা ভূমিতে জুম চাষের পরিবর্তে এখন চাষ হচ্ছে আগাম জাতের রসালো ফল আনারস। ফল চাষে অধিক লাভের সম্ভাবনার মুখ দেখছেন চাষিরা। টিলা ভূমিতে চাষ করা আনারস রসালো ও সুমিষ্ট হওয়ায় চাহিদা বেড়েছে সমতলের বিভিন্ন হাট-বাজারে।

জানা যায়, পাহাড়ি জেলাগুলোতে আনারসের মৌসুম ছাড়াই বিগত কয়েক বছর ধরে আগাম ফলন আসায় আনারস চাষ হচ্ছে ব্যাপক হারে। এতে মৌসুমে উৎপাদিত আনারসের থেকে আগাম আনারসে বাড়তি লাভ করতে পারেন চাষিরা।

মৌসুমের আগেই বাজারে আসতে শুরু করেছে ‘হানিকুইন’ জাতের আনারস। এতে বাড়তি লাভের মুখ দেখছেন পাহাড়ি কৃষক পরিবারগুলো। খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে বাহির থেকে আসা ব্যবসায়ীরা আনারস কিনে নিয়ে যাচ্ছে ঢাকা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে। এতে করে লাভবান হচ্ছে কৃষক এবং ব্যবসায়ী দুজনেই।

এদিকে-নানিয়ারচর বিভিন্ন এলাকা থেকে আনারস চাষিরা ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে আনারস নিয়ে আসছেন মহালছড়ি ভাসমান পাইকারি বাজারে। সেখান থেকে স্থানীয় ও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত পাইকাররা পাইকারি দরে আনারস কিনছেন।

মহালছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল জব্বার জানান, আগাম আনারস চাষ হওয়ায় কৃষকরা ভালো লাভবান হচ্ছেন। পাইকারদের কাছে তারা এখন ১৪-২০ টাকা দরে আনারস বিক্রয় করছেন। পাইকাররা বাহিরে নিয়ে সেই আনারস ৩০-৪০ টাকা দরে বিক্রয় করছেন খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে। এখানকার আনারস এখন স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাচ্ছে। এতে চাষিরা আনারস চাষের দিকে ঝুঁকছে বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop