৫:৫৪ পূর্বাহ্ন

সোমবার, ৪ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০২১ ৭:১৪ অপরাহ্ন
ফুলপুরে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার রুপসি ইউনিয়নে, রুপসি ব্লকে এবং ফুলপুর ইউনিয়নের বাঁশতলা ব্লকে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ডাল,তেল ও মসলা বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের বীজ উৎপাদন ব্লক এর মাঠ দিবস ও রিভিউ ডিসকাশন অনুষ্ঠিত হয়েছে ২৪/০২/২০২১ ইং তারিখে।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ আলমামুন, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ জনাব মোঃ আব্দুল মাজেদ (অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,ময়মনসিংহ অঞ্চল), বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ জনাব মোঃ মতিউজ্জামান (উপ পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ময়মনসিংহ), কৃষিবিদ জনাব খন্দকার মিজানুর রহমান (জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, ময়মনসিংহ), কৃষিবিদ আজিজল হক (অতিরিক্ত উপপরিচালক) ।


এ সময় অতিথিবৃন্দ উপস্থিত কৃষকদেরকে ডাল, তেল ও মসলা বীজ উৎপাদনে উৎসাহিত করেন।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কৃষিবিদ হাম্মিম জাহান (কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার) এবং কৃষিবিদ কামরুল হাসান কামু (কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, ফুলপুর, ময়মনসিংহ)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,দুই ব্লকের উপসহকারী কৃষি অফিসার মোঃ সুহেল রানা,মোঃ ইউনুস আলী, শাহ মোহাম্মদ মেজবা উদ্দিন এবং সংশ্লিষ্ট ব্লকের কৃষকবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০২১ ১:৪০ অপরাহ্ন
কৃষি গবেষণার বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে টেকসই কৃষি উন্নয়নে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান কৃষিমন্ত্রীর
কৃষি গবেষনা

কৃষি গবেষণার বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে (সিজিআইএআর) প্রয়োজনীয় লাগসই প্রযুক্তি ও আইডিয়া উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের টেকসই কৃষি উন্নয়নে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক, এমপি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য উৎপাদনে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। কিন্তু ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পরিবর্তিত বিশ্বপরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে বাংলাদেশের মতো কৃষিপ্রধান দেশগুলোকে এখন থেকে নতুন করে গবেষণা নিয়ে ভাবতে হবে। এসব ক্ষেত্রে সিজিআইএআর গবেষণা সম্প্রসারণ, নতুন প্রকল্প ও কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পারে।
মন্ত্রী মঙ্গলবার ঢাকায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে সিজিআইএআর এডভাইজরি কমিটির (সিএসি) ৭ম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
কৃষি গবেষণা, উন্নয়ন ও নীতি প্রণয়নে কাজ করে এমন ১৫টি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত প্ল্যাটফর্ম হলো কনসাল্টেটিভ গ্রুপ ফর ইন্টারন্যাশনাল এগ্রিকালচার রিসার্চ (সিজিআইএআর)। ১৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইরি, সিমিট,ওয়ার্ল্ডফিস, ইপরি, সিয়াট, ও সিআইপি ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কাজ করছে। বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে এসব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে আসছে। বর্তমানে দেশে ৪৭টি প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে এসব প্রতিষ্ঠান। এসব কর্মকাণ্ডে সরকারের দিকনির্দেশনা, অগ্রাধিকার ও নীতিমালার প্রতিফলন ও সমন্বয় করতে ২০১৩ সাল থেকে কাজ করছে ২২ সদস্যের সিজিআইএআর এডভাইজরি কমিটি। বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান এ কমিটির চেয়ারম্যান।
কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক এসময় ওয়ার্ল্ডফিসকে বাংলাদেশের মাছের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও দেশিয় মাছকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষায় গবেষণা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্র(সিমিট)কে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে ভুট্টায় মারাত্মক ক্ষতিকর ফল আর্মি ওয়ার্ম পোকার আক্রমণ ও গমের ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। এছাড়া, বাংলাদেশের কৃষি তথা অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইরিসহ অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো আরো জোরালো কার্যক্রম নিয়ে এগিয়ে আসবে বলেও কৃষিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সিএসির চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার। সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সিজিআইএআর প্রতিষ্ঠানসমূহের বাংলাদেশ প্রতিনিধি, সিএসির সদস্যবৃন্দ এবং গবেষণা ও সম্প্রসারণ প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২১ ৯:৫১ পূর্বাহ্ন
৩৭২ কোটি টাকা প্রণোদনা পেয়েছেন ৫৭ লাখ কৃষক
কৃষি বিভাগ

চলমান ২০২০-২১ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৭ লাখ কৃষকের মাঝে ৩৭২ কোটি টাকার প্রণোদনা বিতরণ করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় মোট জমির পরিমাণ ২৩ লক্ষ ৬৪ হাজার বিঘা।

সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, মহামারি করোনা মোকাবিলা ও বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। প্রণোদনার আওতায় রয়েছে বীজ, চারা, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ ও আনুষঙ্গিক সহায়তা। কৃষি মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত বাজেট কৃষি পুনবার্সন সহায়তা খাতের বরাদ্দ হতে এ প্রণোদনা বিতরণ করা হয়।

৩৭২ কোটি টাকার মধ্যে করোনা ও বন্যায় ক্ষতি পুষাতে দেয়া হয়েছে ১১২ কোটি টাকার প্রণোদনা। রবি মৌসুমে মাসকলাই, মুগ, সূর্যমুখী, সরিষা, ভুট্টা প্রভৃতি উৎপাদন বৃদ্ধিতে দেয়া হয়েছে ৯০ কেটি টাকার প্রণোদনা। এছাড়া, বোরো ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিনামূল্যে বীজ সহায়তা বাবদ ১৩৬ কোটি টাকা, পেঁয়াজের উৎপাদন বৃদ্ধিতে ২৫ কোটি টাকা ও ৬১ জেলায় সমলয়ে হাইব্রিড বোরো ধান চাষের জন্য ৯ কোটি টাকার প্রণোদনা বিতরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২১ ৬:৩৯ অপরাহ্ন
স‌বজি মা‌ঠে কৃষক রুমানের আঁকা শহীদ মিনার
কৃষি বিভাগ

কৃষক রুমান আলী শাহ্ বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শাক দিয়ে সবজির মাঠে শহীদ মিনার এঁকেছেন। কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার গোবরিয়া আবদুল্লাপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ গ্রামে নিজের সবজির মাঠে এই শহীদ মিনার এঁকেছেন তিনি। দৃষ্টিনন্দন এ মিনার দেখতে ভিড় করছে শত-শত মানুষ। তিনি নিজের এক একর ১৪ শতাংশ জায়গায় গড়ে তুলেছেন কৃষিক্লাব নামে একটি প্রতিষ্ঠান।

জানা গেছে, খামা‌রের ভেত‌রে ৬ শতাংশ জ‌মি‌তে পালং শাক এবং লাল শাক দিয়ে শহীদ মিনার, বর্ণমালা ও অতুল প্রসাদ সেনের বিখ্যাত চরণ এঁ‌কে এলাকায় তাক লা‌গি‌য়ে দেন। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে এবং তরুণ প্রজন্মের কাছে দেশের ইতিহাস তুলে ধরতে এর আগেও সবজি দিয়ে দেশের মানচিত্র, জাতীয় পতাকা অঙ্কন করেছিলেন এই কৃষক।

বিজয় দিবস, শহীদ দিবস ও স্বাধীনতা দিবস সবজি দিয়ে অঙ্কন করে দিবসের তাৎপর্য মানুষের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছে বলে জানান এ কৃষক।

কৃষক রুমান আলী শাহ্ জানান, সাম‌নের মার্চ মাসে মহান স্বাধীনতা দিবসেও সবজি দিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধ অঙ্কন করা হবে। নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করতে আর ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জানাতে তার এ প্রয়াস ব‌লে জানান তি‌নি।

দীর্ঘদিন প্রবাস জীবনে কা‌টি‌য়ে বা‌ড়ি ফি‌রেন রুমান আলী শাহ। নিজের জমিতেই গড়ে তোলেন ‘মিশ্র বহুমুখী খামার বাড়ি’। মিশ্র খামার বাড়িতে প্রতিটি প্রকল্প সাজানো হয়েছে ছোট-বড় বিভিন্ন শিক্ষামূলক প্ল্যাকার্ড দিয়ে।

কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইয়াছির মিয়া জানান, দেশপ্রে‌মিক এ কৃষক কৃষির মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য ফুটিয়ে তুলেছেন। এজন্য তা‌কে উপজেলা পরিষদ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২২, ২০২১ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
কিশোরগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহ বাড়ছে
কৃষি বিভাগ

কিশোরগঞ্জে প্রথমবারে মতো বাণিজ্যিকভাবে ক্যাপসিকাম চাষ করা হচ্ছে। আর এতে সফলতা পেয়েছেন পুটিমারী ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের চাষি আমিনাল হক।

তিনি জানান, বর্তমানে আমি ৪০ শতক জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করছি। বৃহস্পতিবার আবারো ৬৩ কেজি ক্যাপসিকাম উত্তোলন করি। বর্তমানে দাম কমে যাওয়ার প্রতি কেজি ক্যাপসিকাম ১২০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। আশা করছি দাম ও ফলন ভালো হলে খরচের চেয়ে তিন থেকে চার গুণ লাভ হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, ক্যাপসিকামের দাম ও ফলন অন্যান্য ফসলের থেকে বেশি হওয়ার কারণে এটি চাষ করে কৃষক বেশি লাভবান হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:১২ পূর্বাহ্ন
মানিকগঞ্জে গাজর চাষে বাম্পার ফলন
এগ্রিবিজনেস

চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও জমি চাষের উপযোগী হওয়ায় গাজর চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন মানিকগঞ্জের গাজর চাষিরা। এছাড়া বাজারে পাচ্ছেন গাজরের ভালো দাম।

উপজেলার কৃষি অফিসের তথ্যমতে, এবারের মৌসুমে জেলায় ১ হাজার ৫৫ হেক্টর জমিতে গাজরের চাষ করেছেন চাষিরা। মাটি ও জলবায়ু গাজর চাষের উপযোগী হওয়ায় ফলন ভালো পেয়েছেন কৃষকরা। কৃষি অফিস থেকে চাষিদের সকল ধরণের সহযোগিতা করা হচ্ছে।

উপজেলার কৃষি অফিসার টিপু সুলতান বলেন, লাভজনক হওয়ায় এ উপজেলার কৃষকরা গাজর চাষে ঝুঁকছেন। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা চাষিদের সকল ধরণের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন।

কৃষক আবুল কালাম বলেন, একই জমিতে অন্য সবজির জায়গায় গাজর চাষ করে বেশি লাভবান হওয়া যায়। এই এলাকার মাটি ও আবহাওয়া গাজর চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এবারও ফলন ভালো হওয়ায় পাশাপাশি দামও ভালো পেয়েছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:১১ পূর্বাহ্ন
মাছের উৎপাদন বাড়াতে চালু করা হয়েছে ‘ফিশটেক ল্যাবরেটরি’
এগ্রিবিজনেস

মাছ চাষিদের জন্য সুখবর। এবার মাছ ও চিংড়ির রোগ রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে চাষিদের পরামর্শ সেবা দেয়া ও গবেষণার জন্য চালু হয়েছে অ্যাকোয়াটেক অ্যানিমেল হেলথ ল্যাবরেটরি। যার নাম দেয়া হয়েছে ফিশটেক ল্যাবরেটরি। নতুন এ গবেষণাগারটি মৎস্য খাতের সমস্যা সমাধান ও উৎপাদন বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) খুলনায় এ ল্যাবরেটরির উদ্বোধন করা হয়। ওয়ার্ল্ড ফিশ বাংলাদেশ ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ফিশটেক (বিডি) লিমিটেডের যৌথ অংশীদারিত্বের এই গবেষণাগারে অর্থায়ন করছে মার্কিন সহায়তা সংস্থা ইউএসএইড বলে জানা যায়।

জানা যায়, এর মাধ্যমে মাছ ও চিংড়ির রোগ নির্ণয়, সংশ্লিষ্ট খামারের মাটি-পানি পরীক্ষা, পুকুরের সঠিক সমস্যা নির্ণয়সহ নির্দিষ্ট খরচে বিভিন্ন সেবা নিতে পারবেন মাছ চাষিরা।

ওয়ার্ল্ড ফিস জানায়, ২০১৭-১৮ সালে খুলনা জেলায় মাছ উৎপাদন হয়েছে ৬ লাখ ৮১ হাজার ২৭৪ টন। মাছ ও চিংড়ির বিভিন্ন রোগের মারাত্মক প্রাদুর্ভাবের কারণে খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দিনদিন মাছ বিশেষ করে চিংড়ি চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। ফলে দেশের রফতানি আয় কমেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:১০ পূর্বাহ্ন
মৌলভীবাজারে বেড়েছে ছাগল কমেছে গরু
এগ্রিবিজনেস

মৌলভীবাজারে গরুর সংখ্যা না বাড়লেও বেড়েছে ছাগল ভেড়া ও মুরগির সংখ্যা। কর্মকর্তাদের মতে, গরুর কোয়ান্টিটি না বাড়লেও কোয়ালিটি বেড়েছে। ছাগলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৫ হাজার।

জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে, মৌলভীবাজারে ২০১৯ সালে মোট গরু ছিল পাঁচ লাখ ৬০ হাজার ৪৩৫টি, ছাগল ছিল এক লাখ ৮১ হাজার ৭৬০, ভেড়ার সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ৮৯৬ ও ২৫ লাখ ৫৫ হাজার ১৩টি মুরগি ছিল।

গত বছরের তথ্য মতে গরুর সংখ্যা ছিল পাঁচ লাখ ৬৩ হাজার ২৩৮টি, ছাগল দুই লাখ ১৫ হাজার ২৩৩টি, ভেড়া ছিল ২১ হাজার ৭২৮টি এবং মুরগির সংখ্যা ছিল ৩৯ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৭টি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুস ছামাদ বলেন, করোনা মহামারির কারণে পশু পালনে মানুষের আগ্রহ বেড়েছে। আগের তুলনায় গরু, ছাগল, মুরগি পালন বেড়েছে। গরু কোয়ান্টিটি না বাড়লেও কোয়ালিটি বেড়েছে। ছাগলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৫ হাজার।

শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভৈরব বাজারের ছাগল বিক্রেতা সাজ্জাদ মিয়া জানান, গত বছরের চেয়ে সরবরাহ বাড়ায় আনুপাতিক হারে ছাগলের দাম আগের তুলনায় কমেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:০৯ পূর্বাহ্ন
ক্যালেন্ডুলা ফুল ছাড়া বাগানের সৌন্দর্য যেন অর্থহীন
এগ্রিবিজনেস

এমনিতেই দেখতে খুবই অসাধরণ লাগে ক্যালেন্ডুলা ফুলকে। তারউপর শীত আসলে এই ফুল যেন সাজে আর অসাধারণ ভঙ্গিমায়। বলা চলে এই ফুল ছাড়া বাগানের সৌন্দর্য যেন একেবারেই অর্থহীন। এই ফুলের বিস্তার এখন রাজধানী ছাড়িয়ে মফস্বলে গিয়েও তার সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে। এই ফুলের রয়েছে বহু জান। অনেকে এগুলোকে ভুল করে জার্বেরা বা জিনিয়াও ভেবে থাকেন।

মূলত এরা দক্ষিণ ইউরোপের প্রজাতি। গাছ ঝোপাল, ৩০ থেকে ৬০ সে.মি. পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। পাতা লম্বা, খসখসে, রোমশ এবং কিছুটা আঠালো। বৃন্তের ওপর প্রায় ১০ সে.মি. চওড়া বড়সড় ফুলগুলো চ্যাপ্টা ধরনের, থাকে জোড়ায় জোড়ায়। রং গাঢ় কমলা, ক্যানারি-হলুদ, ঘন হলুদ এবং কমলা লাল।

জোড়া ফুলের পরিচিত জাতগুলো হলো- বল, ক্যাম্পফায়ার, গোল্ডপিঙ্ক গ্রান্ডিফ্লোরা, প্যাসিফিক বিউটি, পার্সিমোন বিউটি, অরেঞ্জ কিং, অরেঞ্জ সান, রেডিও, হলুদ কলোসাল ইত্যাদি। নোভা জাতের ফুলগুলো জার্বেরার মতো একক, রং কমলা, কেন্দ্রের দিকটা গাঢ় একরকম চকলেট বর্ণের হয়ে থাকে।

নতুন জাতের ভোলানেকস ক্রেস্টেড মিক্স ফুলগুলো ভারি সুন্দর। একসারি করে পাপড়ি, কেন্দ্রস্থল সরু সরু নলের ঝুঁটির মতো বা ভাঁজ করা। ক্যালেন্ডুলা (Calandula officinalis) ব্যবহূত হয় ভূমিশয্যায় এবং কলম করার কাজে। টবেও চাষযোগ্য।

ভালো ফলনের জন্য সূর্যের আলো এবং সেচ দুটোই দরকার। বীজ বপনের সময় সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস। আড়াই থেকে তিন মাসের মধ্যে ফুল ফোটে। তবে পাহাড়ি ও বৃষ্টিবহুল অঞ্চলে সময়ের কিছুটা তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। আমাদের বাগানগুলোতে চারার মাধ্যমেই চাষ। পাতার রস কৃমি দমনে কাজে লাগে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২১ ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
গবাদি পশুর খাদ্যের কার্যকারিতা বৃদ্ধির পদ্ধতি উদ্ভাবন
এগ্রিবিজনেস

বাংলাদেশে গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে ওষুধি ঘাসের ব্যবহার নতুন নয়। কিন্তু বায়োএক্টিভ কম্পোনেন্ট বিশ্লেষণের মাধ্যমে এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ঘাসের মাধ্যমে গবাদিপশুর প্রচলিত খাদ্যের কার্যকারিতা বৃদ্ধির পদ্ধতি দেশে প্রথমবারের মতো উদ্ভাবিত হয়েছে। এই উদ্ভাবন আগামীতে বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে ও সুস্থ-সবল প্রাণি ও মানবদেহ গঠনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে। খবর জাগোনিউজ।

বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পশুপালন অনুষদের পশু-পুষ্টি বিভাগের আয়োজনে দুগ্ধজাত গাভীর প্রচলিত খাদ্যের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, নিরাপদ ও এন্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ দুধ উৎপাদনে ওষুধি ঘাসের প্রভাব বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ওই কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পশুপালন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া, বাউরেসের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আবু হাদি নুর আলি খান, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (প্রাণিসম্পদ) ড. মো. মেহেদি হোসাইন।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-মামুন। তিনি বলেন, আমরা প্রথমে দেশীয় ১১টি ঘাসের নির্বাচন করে তাদের থিন লেয়ার ক্রোমাটোগ্রাফ ও ডিপিপিএইচ-এর মাধ্যমে সেরা ৭টি ঘাস নির্বাচন করি। তারপর এদের বায়োএক্টিভ কম্পোনেন্ট নির্ণয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ফর্ম যেমন- ফ্রিজ, শেড ও সান ড্রাইয়ের মাধ্যমে ভিটামিন-ই সমৃদ্ধ ৬টি ঘাস নির্বাচন করি। খামারিদের জন্য ঘাসের সহজলভ্যতা ও খরচ বিশ্লেষণ বিবেচনা করে বায়োমাস ও খনিজ পদার্থের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে সেরা ৪টি ঘাস (আনারসের উচ্ছিষ্টাংশ, তেলাকুচার পাতা, সজিনার পাতা ও লেমন ঘাস) নির্বাচন করেছি।

তিনি জানান, তারপর আমরা বিভিন্ন ফর্মে এদের টোটাল ফেনোলিকসের পরিমাণ, গরুর দুধ উৎপাদন ও তাতে এন্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ, ফ্যাটি এসিড প্রোফাইল অ্যানালাইসিস করে শেড ড্রাই ফর্মে ভালো রেজাল্ট পেয়েছি। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে প্রধানমন্ত্রী যে উদ্যোগ নিয়েছেন সেটি সফল করতে ও পরোক্ষভাবে এএমআর-এর ভয়াবহতা থেকে মানবদেহকে রক্ষা করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop