৮:০৭ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ১০, ২০২১ ১২:০৩ অপরাহ্ন
পেঁপে চাষ করে সুদিন ফিরছে চাষিদের
কৃষি বিভাগ

মাগুরায় দিন দিন পেঁপে চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে।ইতিমধ্যে মাগুরায় পেঁপে চাষ করে এলাকার অনেক কৃষকেরই ভ্যাগের বদল হয়েছে। বাড়ির আঙ্গিনাসহ এর আশপাশের পতিত জমিতেও পেঁপে চাষ করছেন কেউ কেউ।

বাজারে পাকা ও কাঁচা পেঁপের চাহিদা থাকায় সারা বছরই এটি সবজি ও ফল হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। অল্প খরচে অধিক লাভ হয় বলেও এ সবজি চাষে দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছেন চাষিরা।

বাড়ির পাশের যেসব জমি আগে পরিত্যাক্ত ছিল সেসব জমিতে পেঁপে চাষ করাসহ ফসলি জমিতেও চাষ করে কৃষকরা অন্য ফসলের থেকে বেশি লাভবান হওয়ায় অনেকের সংসারে স্বচ্ছলতার মুখ দেখছেন। স্থানীয় চাষিদের এই অভূতপূর্ব সাফল্য দেখে বেকার যুবকরা ঝুঁকছেন পেঁপে চাষে।

সদর উপজেলার বেল নগরের পেঁপে চাষি আরজু বলেন- মাগুরার উৎপাদিত পেঁপে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলায়। বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা পেঁপে চাষ করছে বর্তমানে কিছু কিছু এলাকায় বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পেঁপে চাষ করা হচ্ছে। অনুকূল আবহাওয়া আর পেঁপে চাষের উপযোগী মাটির জন্য জেলার কৃষকরা পেঁপে চাষে ঝুঁকছেন। এছাড়া এলাকার কৃষকদের দেখাদেখি অনেক স্থানীয় যুবকরা পেঁপে চাষে অগ্রহ দেখাচ্ছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক  বলেন, পেঁপে গাছের বিভিন্ন রোগ যেমন-গাছের গোড়া পঁচা, পোকাবাহিত বিভিন্ন রোগ, ক্ষতিকারক ভাইরাস থেকে গাছকে মুক্ত রাখতে কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া পেঁপে গাছের খাদ্যের অভাব মেটাতে বোরোন নামক অনুখাদ্য প্রয়োগ করতে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া পেঁপের পরাগায়নসহ ভালো ফলন পাওয়ার জন্য কৃষকদের বিঘাপ্রতি ২টি পুরুষ গাছ রাখার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও কৃষকের মধ্যে প্রয়োজনীয় ঋণ সহায়তা প্রদান করেছে বলেও জানান এ কৃষি কর্মকর্তা।

সুত্রঃজাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৯, ২০২১ ৮:০১ অপরাহ্ন
কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন
কৃষি বিভাগ

কুড়িগ্রামে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে ‘কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২১’ এর খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়।

এর আগে মন্ত্রিসভা থেকে প্রাথমিকভাবে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে  অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তারপর ভেটিং শেষে আবার নিয়ে আসা হয়েছে এবং আজকে যার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান,  অন্যান্য কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনগুলোকে অনুসরণ করে নতুন এ আইন করা হচ্ছে। নতুন এ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলে দেশে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হবে ৪৬টি, আর বর্তমানে ১০৭টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চালু আছে।

কুড়িগ্রামে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য গত বছরের ২১ ডিসেম্বর এ সংক্রান্ত আইনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছিল মন্ত্রিসভা। খসড়া আইনটি আইন মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাই শেষে এর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হলো।

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও ফার্মিংয়ের মাধ্যমে যে টেকনোলজি ডেভেলপ হবে তা কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাটে বিস্তৃত হলে ওই লোকজন ফার্মিংয়ের মাধ্যমে ভুট্টা, শাক-সব্জি, মিষ্টি আলু ও মিষ্টি কুমড়া, মাছ উৎপাদনের মাধ্যমে তাদের অবস্থার আরও উন্নত করতে পারবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৯, ২০২১ ১০:২০ পূর্বাহ্ন
২৫টি হাঁস দিয়ে শুরু, এখন মাসে মুনাফা অর্ধলক্ষাধিক টাকা
কৃষি বিভাগ

আগের মতো কঠোর পরিশ্রম করতে পারছিলেন না। ছেলের লেখাপড়ার খরচ ও সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। তিন মেয়ের বিয়ে দিতে জমি বন্ধক রাখতে হয়েছিল, করতে হয়েছিল ধারদেনা। এখন সেসব অতীত। নিজের চেষ্টায় ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি, পেয়েছেন অর্থনৈতিক সচ্ছলতা। হয়েছেন সফল উদ্যোক্তা ও খামারি।

এই গল্পের যিনি নায়ক, তাঁর নাম সিরাজুল ইসলাম। বয়স ৭০ বছর ছুঁইছুঁই। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কশবা গ্রামে তাঁর বাড়ি। রোববার বেলা ১১টার দিকে গ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ছেউটিয়া নদীর পাশে বসে কথা হচ্ছিল তাঁর সফলতা ও ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প নিয়ে।

দুই বছর আগে মাত্র ২৫টি পাতিহাঁস লালন-পালন শুরু করেন সিরাজুল ইসলাম। তা থেকে এখন ৭০০ হাঁসের খামারে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ৩০০টি হাঁস ডিম পাড়ে। এসব ডিম পাইকারি দরে প্রতিটি ৭ থেকে ৮ টাকায় বিক্রি করে নগদ টাকা পাচ্ছেন তিনি। দুই কর্মচারীর বেতন ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে তাঁর মাসিক মুনাফা এখন অর্ধলক্ষাধিক টাকা।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রথমে ২৫টি হাঁসের দল নিয়ে পাশের ছেউটিয়া নদীতে ছেড়ে দিয়ে আসেন। সারা দিন হাঁসগুলো নদীর শামুকসহ বিভিন্ন খাবার খেয়ে কাটিয়ে দেয়। দিনে দিনে হাঁসের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কিছুদিন যাওয়ার পর নদীর দুই পাশে নেট জাল দিয়ে হাঁসগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে আটকানোর ব্যবস্থা করেন। সন্ধ্যা হলেই হাঁসগুলো তুলে এনে খামারে ঢোকানো হয়। একসঙ্গে ২৫০ থেকে ৩০০টি ডিম দিতে থাকে। এসব ডিম অনেকে বাড়ি থেকে নগদ টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যান।

রোববার সিরাজুলের খামারে গিয়ে দেখা যায়, ছেউটিয়ার বিস্তীর্ণ জলাভূমিতে ভেসে বেড়াচ্ছে হাঁসের দল। হাঁস দেখাশোনার জন্য আছেন দুই কর্মচারী। পানিতে ডিঙি ভাসিয়ে হাঁসের দলগুলোর নজরদারি করছেন তাঁরা।

ডিম দেওয়ার পর থেকেই লাভের টাকা দিয়ে খামারে নতুন হাঁস কেনা হয় বলে জানালেন খামারি সিরাজুল। বলেন, কিছু ডিম রাখা হয় বাচ্চা ফোটানোর জন্য। এতে হাঁসের সংখ্যার পাশাপাশি আয়ও বাড়তে থাকে। বর্তমানে ৭০০ হাঁস আছে খামারে। গত শীতে হাঁসের ডিমের চাহিদা ও দামও বেশি ছিল। বর্তমানে কর্মচারীসহ সব খরচ বাদ দিয়ে মাসে প্রায় ৬০ হাজার টাকা লাভ হয়।

দুই কর্মচারী সন্ধ্যায় খামারে হাঁস নিয়ে ফেরার পর রাতে সিরাজুল নিজেই দেখাশোনা করেন। রোগবালাইয়ের হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিষেধক ওষুধ মেশানো খাবার নিজেই তৈরি করেন। কোথাও থেকে প্রশিক্ষণ না নিলেও এই কাজগুলো শিখেছেন অন্যদের দেখাদেখি। সিরাজুল বলেন, ‘দিনের বেশির ভাগ সময় হাঁসের সঙ্গে কাটানোয় পরিবারের মতো হয়ে গেছে। এখন তাদের গতি-প্রকৃতি দেখেই বুঝতে পারি কখন কী করতে হবে।’

খামারের ডিম বিক্রি করে অর্জিত মুনাফা দিয়ে সিরাজুল ইসলামের বাড়ির চেহারাও পরিবর্তন হয়েছে। ভিটেমাটিতে তিনি একটি পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। ছেলের পড়াশোনা ও থাকা–খাওয়া বাবদ মাসিক টাকা মাস শেষ হওয়ার আগেই পাঠাতে পারেন। তিন মেয়ের জামাইদের ভালো করে দেখাশোনাও করতে পারেন। চার বিঘা কৃষিজমি বন্দক নিয়ে ইজারা দিয়েছেন। সড়কের পাশে একটি গুদামসহ জায়গা কেনার পরিকল্পনা করছেন তিনি।

গ্রামের বাসিন্দা হজরত আলী বলেন, মানুষের ইচ্ছাশক্তি মানুষকে অনেক দূরে নিয়ে যেতে পারে। এর উজ্জ্বল নিদর্শন সিরাজুল ইসলাম। বৃদ্ধ বয়সেও তিনি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। দেশের প্রতিটি মানুষের এই ধরনের উদ্যম ও ইচ্ছাশক্তি থাকা দরকার।

কশবা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম স্বনির্ভরশীল একজন উদ্যমী মানুষ বলে জানান ধানখোলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আখেরুজ্জামান। বলেন, বয়স কোনো বাধা হতে পারেনি। তাঁর এই দৃষ্টান্ত সমাজের সবার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে সক্ষম হবে।

সুত্রঃ প্রথম আলো
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৯, ২০২১ ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
রাণীশংকৈলের আলু রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে
এগ্রিবিজনেস

আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল। উৎপাদনের দিক থেকে ধান,গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে রয়েছে আলু। বাংলাদেশে আলু একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল। দেশের প্রায় সর্বত্রই এর আবাদ হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে জেলার রাণীশংকৈলে অনুকূল আবহাওয়া হওয়ায় আলুর বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৮৬০ হেক্টর। লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে  অর্জন হয়েছে ৩৯৫০ হেক্টর। আলু আমদানি-রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান গুলো কৃষকদের কাছ থেকে মাঝারি ধরনের ‘ডায়ামন্ট, গ্রানোলা, এসটোরিক’ জাতের আলু ১০ টাকা কেজি দরে কিনে দেশের বাইরে রপ্তানি করছে। যার ফলে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে আলু চাষিরা। এ মৌসুমে আবাদকৃত আলু উপজেলার চাহিদা পূরণ করে দেশের বাইরে রপ্তানির ফলে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন আলু চাষিরা। এবার কৃষকের উৎপাদিত বিভিন্ন জাতের ৫০০টনের অধিক আলু যাচ্ছে মালয়েশিয়া, চীন, নেপালসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

ধর্মগড় ইউনিয়নের আলু চাষী সুলতান জানান, তিনি এবার এক একর জমিতে উন্নত জাতের আলু চাষ করেন। কৃষি অফিসের পরামর্শে ভাল ফলন পেয়ে দেশের বাইরে আলু রপ্তানি করে আর্থিকভাবে বেশ লাভবান হয়েছেন।

একইভাবে আলু চাষি অলিউর রহমান বলেন, কৃষি অফিসের পরামর্শে উন্নত জাতের আলু আড়াই একরের মত চাষ করে ভাল ফলন পেয়েছি। উৎপাদিত আলু ১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেও লাভের মুখ দেখব বলে আশা করছি। আমার ক্ষেতের আলু যাচ্ছে দেশের বাইরে এ ভেবে নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ জানান, আমরা প্রতিনিয়ত সবধরনের ফসল ফলনে কৃষকদের পরামর্শ ও প্রযুক্তি প্রদান করে সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

কৃষকরা ফসলে ভাল ফলাফল পান সে বিষয়ে  সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে। চলতি মৌসুমে আলু চাষীরা তাদের আলু বিদেশে রপ্তানির ফলে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। আগামীতে ফুলকপি, মুলা, টমেটো সহ অন্যান্য  কৃষি পণ্য দেশের বাইরে রপ্তানি হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৭, ২০২১ ৯:০৮ অপরাহ্ন
কৃষি গবেষণায় উদারভাবে অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

একসময় দেশে গবেষণার প্রায় পুরোটাই ছিল বিদেশি সাহায্যনির্ভর। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার কৃষিগবেষণায় ও কৃষির উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে উদারভাবে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক।

রবিবার রাজধানীতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন (কেজিএফ) আয়োজিত সংস্থাটির ‘সার্বিক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা’ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রযুক্তিতে বিদেশনির্ভরতা কমাতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গবেষণা সম্প্রসারণের মাধ্যমে লাগসই দেশিয় প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। চাষাবাদ, উপকরণ ব্যবহার ও অর্গানিক পদ্ধতিতে উৎপাদনসহ সকল কৃষিপ্রযুক্তি নিজেদেরকে আরও বেশি উদ্ভাবন ও তা দ্রুততার সাথে সম্প্রসারণ করতে হবে।

কেজিএফকে বরাদ্দপ্রাপ্ত অর্থের যথাযথ ও সুষ্ঠু ব্যবহারের নির্দেশ দিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকার কেজিএফকে যে উদ্দেশ্যে অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে-সে লক্ষ্য অর্জনে অর্থের যথাযথ ও সুষ্ঠু ব্যবহার করতে হবে। প্রকল্প গ্রহণে অত্যন্ত সতর্ক হতে হবে। যেনতেন প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ দিলে চলবে না। চরাঞ্চল, উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকা, পাহাড় বা হাওরের প্রতিকূল এলাকায় কীভাবে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায়- সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট, লক্ষ্যনির্ধারণী ও ফলাফলনির্দিষ্ট গবেষণা করতে হবে। একইসাথে, প্রকল্প বাস্তবায়ন, মূল্যায়ন ও মনিটরিং কার্যক্রমকেও শক্তিশালী করতে হবে। কেজিএফের গবেষণা থেকে বা উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কৃষি উৎপাদন বা ফলন বৃদ্ধি কতটুকু হয়েছে- তার যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেজিএফের চেয়ারম্যান ও বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেজিএফের প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (হর্টিকালচার) ড. শাহাবুদ্দীন আহমদ। কেজিএফের সার্বিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যত পরিকল্পনার উপর উপস্থাপনা করেন কেজিএফের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ড. ওয়ায়েস কবীর এবং বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৭, ২০২১ ৩:২৭ অপরাহ্ন
বিষমুক্ত সবজি চাষে সাফল্য চাঁদপুরের কালামের
কৃষি বিভাগ

কৃষক কালাম ছৈয়াল। তিনি চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডী ইউনিয়নে ৮ নং ওয়ার্ডে বিষমুক্ত সবজি চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন।প্রতি বছর আগাম বিষমু্ক্ত মৌসুমি শাক-সবজি চাষ করে এলাকায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন বিষমু্ক্ত সবজি চাষী হিসাবে।

কৃষক কালাম ছৈয়াল জানান, আমি আগাম জাতের বিষমু্ক্ত মৌসুমি শাক-সবজির চাষ ও বিক্রয় করে একদিকে আমার কৃষি কাজের উৎসাহ যেমন বাড়ছে অন্যদিকে আমি আর্থিক ভাবেও সাফল্য পেয়েছি।আমি ১৮ শতাংশ জমিতে আলাদা আলাদা বীজতলা বা সেড তৈরি করে শাক-সবজি চাষ করি।ইতোমধ্যে তিনি বিএডিসীর ইয়ার মালেক সীড চাকাতা কোম্পানির টমোটো চাষ করে এলাকায় বেশ সাড়া ফেলেছে।

তিনি জানান আমি ১২০০ টি টমোটো চারা লাগিয়েছি যা থেকে আমি গড়ে ৩০০ কেজির টমোটো বিক্রয় করতে পারি।এছাড়াও তিনি একই বীজ তলায় ফুলকপি,বাঁধাকপি, গাজর,পেয়াজ,রসুন,কালো বেগুন,লাউ ও মিষ্টি কুমড়া চাষ করে থাকেন।তার কাছ অর্থনৈতিক সুবিধা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই জমি থেকেই শাক-সবজি উৎপাদন করে আমার বছরে প্রায় ২ লাখ টাকার মত আয় হয় যা দিয়ে আমার পবিরার ও ছেলে মেয়ের পড়ালেখার ব্যয় মিটানো হয়।

তিনি জানান, আমি যদি সরকারি কোন সুযোগ সুবিধা পেতাম তাহলে কৃষি কাজে আমার কাজের বিস্তার গঠাতে পারতাম।কারণ আমি জানি শেখ হাসিনা সরকার উন্নয়ন আর কৃষি বান্ধব সরকার।আমার একটা স্বপ্ন যদি কোন সরকারি কৃষি অফিসার আমার এই প্রজেক্টে আসতো আমি খুব আনন্দিত হতাম।

কৃষি বিভাগের কোন সাহায্য সহযোগীতা না পেয়েও কৃষক কালাম ছৈয়ালের এমন সাফল্যে এলাকার অনেক মানুষও তার কাছ থেকে ধারণা নিয়ে ঝুকছে বিষমুক্ত সবজি চাষের দিকে। আর তাতে বদলে যাচ্ছে চাঁদপুরের চিত্র। মানুষ পাচ্ছে বিষমুক্ত শাক-সবজি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০২১ ৭:০৩ অপরাহ্ন
দাম ভালো থাকায় লেবু চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের
কৃষি বিভাগ

কম খরচে বেশি উৎপাদন ও লাভ হচ্ছে লেবু চাষে। আর সেই কারণেই দিনদিন মাগুরার চাষিরা ঝুঁকছেন লেবু চাষের দিকে।ইতোমধ্যে লেবু সুখ্যাতি অর্জন করেছে অঞ্চলটি। চলতি মৌসুমে বৃষ্টিপাত ভালো হওয়ার কারণে লেবুর ফলন ভালো হয়েছে।

দেশে-বিদেশে লেবুর চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। মাগুরায় দিনদিন প্রতিযোগিতামূলক লেবুর আবাদ বেড়ে চলেছে। এতে কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে অনেক মানুষের। সুস্বাদু হওয়ায় এ অঞ্চলের লেবুর চাহিদাও দেশ-বিদেশের বাজারে বেড়েছে কয়েকগুণ।

লেবু চাষি ওলিয়ার জানায়, লেবু সাধারণত ৫ জাতের হয়ে থাকে। এগুলো হচ্ছে কাগজি লেবু, পাতি লেবু, এলাচি লেবু, বাতাবি লেবু ও নতুন জাতের হাইব্রিড সিডলেস নামে একটি লেবু চাষও বর্তমানে হচ্ছে। কাগজি লেবু ছোট আকৃতির হয় আর এর চাহিদা সর্বাধিক।

লেবু চাষি হরে কৃষ্ণ বলেন, ‘প্রতিদিন প্রচুর লেবু বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিটি লেবু ৫ টাকা থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাগুরায় উৎপাদিত লেবু ঢাকার কারওয়ান বাজারসহ দেশের বিভিন্ন বড় বড় বাজারে সরবরাহ করে থাকেন ব্যবসায়ীরা।’

মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক জানান, ‘কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে লেবু চাষিদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে। লেবু চাষের কলাকৌশল সম্পর্কে চাষিদের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০২১ ৫:৫৪ অপরাহ্ন
কৃষির উন্নতি হলেই গ্রামের মানুষের জীবন উন্নত হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

গ্রামের মানুষের জীবনমানকে উন্নত করতে চাইলে কৃষিকে উন্নত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক, এমপি। মন্ত্রী বলেন, আমাদের গ্রামের অর্থনীতি এখনও কৃষিভিত্তিক। কৃষিকে কেন্দ্র করেই বেশিরভাগ মানুষের জীবনজীবিকা আবর্তিত হয়। সেজন্য, গ্রামের মানুষের জীবনকে উন্নত করতে চাইলে কৃষিকে উন্নত করতে হবে। কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ ও লাভজনক করতে পারলে গ্রামের মানুষের আয় বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ও জীবন উন্নত হবে। অন্যদিকে অর্থনীতিতেও তা বিরাট ভূমিকা রাখবে। বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার এ লক্ষ্যেই কৃষিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে নিরলস কাজ করছে।
কৃষিমন্ত্রী শনিবার সকালে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় হোসেন্দী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৫ বছর পূর্তিউৎসব ও পুনমির্লনীতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস।
মন্ত্রী ড. রাজ্জাক আরও বলেন, বাংলাদেশ হলো গ্রামীণ বাংলাদেশ। এই গ্রামকে আমাদের ভুলে গেলে চলবে না। গ্রামে জন্মগ্রহণ ও পড়াশুনা করে, বড় হয়ে আজকে যারা বিভিন্ন উচ্চপদে চাকরি করছি বা ব্যবসাসহ অন্যান্য পেশায় সফল হয়েছি- তাদেরকে নিজেদের শিকড় নিজের গ্রামকে ভুলে গেলে চলবে না। নিজেদের গ্রামকে আলোকিত করতে হবে, গ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, অর্থবিত্তই সব নয়। বাবা-মার কাছে বেশি সম্পদ রেখে যাওয়ার প্রত্যাশা করা উচিত নয়। বাবা-মারও সন্তানদের জন্য বেশি অর্থবিত্ত রেখে যাওয়া উচিত নয়। জীবনে অর্থবিত্তের প্রয়োজন আছে, কিন্তু লোভ ও প্রয়োজনের মধ্যে সীমারেখা থাকা দরকার; সেটি তোমাদের বুঝতে হবে। তোমরা দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে মানুষের কল্যাণে মহৎ কাজে নিয়োজিত থাকবে। মনে রাখতে হবে মানুষের কল্যাণে কতটুকু কাজ করেছি- তার উপরই জীবনের সার্থকতা নির্ভর করে।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডাঃ মাজহারুল হক তপনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক আইজিপি (প্রিজন) ও পিএসসির সাবেক সদস্য মো. লিয়াকত আলী খান, প্রাক্তন ছাত্র স্কোয়াড্রন লিডার (অব.) গোলাম কিবরিয়া আব্বাসী, মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজ আফজাল, গজারিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি আব্দুল মান্নান, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জিয়াউল ইসলাম চৌধুরী।
উল্লেখ্য, গজারিয়ায় হোসেন্দী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭৫ বছর পূর্তিউৎসব ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুলজীবনের স্মৃতিচারণ করেন। পরে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০২১ ১:৪০ অপরাহ্ন
আদমদীঘিতে সজনে চাষে কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

বিনা খরচে অধিক আয় হওয়ায় অনেকেই ব্যাণিজ্যিকভাবে সজনে চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বিশেষ করে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদর ও সান্তাহারে সজনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষকরা। গাছে গাছে ব্যাপক ফুল দেখে বাম্পার ফলনের আশায় বাগানে বাগানে গিয়ে আগাম গাছের সজনে কিনছেন মৌসুমি সজনে ব্যাবসায়ীরা।

আবহাওয়া এবং প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে এবার গত কয়েক বছরের চেয়ে সজনে বেশি উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।এবার উপজেলা সদর ও সান্তাহার পৌর শহর এবং এর আশপাশের গ্রামগুলোর গাছে গাছে প্রচুর পরিমানে সজনে ফুল ফুটেছে। স্থানীয় ও দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে সজনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। মুখোরচক ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এ সজনে স্থানীয়ভাবে বিক্রির পাশাপাশি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানি করা হয়।

বাজারে অন্যান্য সবজির চেয়ে সজনের দাম বেশি। তবে এবার বাম্পার ফলন হলে গতবারের চেয়ে দাম একটু কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সজনে প্রধানত দুই প্রজাতির। এর মধ্যে এক প্রজাতির সজনে বছরে তিন থেকে চার বার পাওয়া যায়। স্থানীয়ভাবে এর নাম রাইখজ্ঞন। সজনে গাছ যেকোনো পতিত জমি, পুকুর পাড়, রাস্তার বা বাঁধের ধারে আঙ্গিনা এমনকি শহর বন্দরের যেকোনো ফাঁকা জায়গায় লাগানো যায়। এর কোনো বীজ বা চারার প্রয়োজন হয় না। গাছের ডাল কেটে মাটিতে পুতে রাখলেই সজনে গাছ জম্মায়। সজনে গাছের কোন পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। অযত্নে অবহেলায় প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠে এর গাছ। বড়-মাঝারি ধরনের একটি গাছে ছয় থেকে আট মণ পর্যন্ত সজনে পাওয়া যায়।

বিশেষ করে আদমদীঘি উপজেলার মাটি, পানি ও আবহাওয়া সজনে চাষের জন্য উপযোগী হওয়ায় এই উপজেলা সদর ও সান্তাহার পৌর শহর ও এর আশেপাশের সবখানেই প্রচুর সজনে গাছ আছে। এইসব গাছ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার টন সজনে উৎপাদন হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিঠু চন্দ্র অধিকারী জানান, এই উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া সজনে চাষে উপযোগী। এখানে ব্যাণিজ্যিকভাবে সজনে চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। ফলে অনেকে আম, জাম, কাঠাল, লিচু বাগানের মত এখন সজনের বাগান করতে শুরু করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০২১ ১২:১৮ অপরাহ্ন
ক্যাপসিকাম চাষ বাড়ছে পশ্চিমের তিন জেলায়
কৃষি বিভাগ

স্বল্প পরিসরে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকাম চাষ শুরু হয়েছে ঝিনাইদহ, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলায়। এ সবজির চাহিদাও আছে স্থানীয় বাজারে। নতুন এ সবজির চাষ লাভজনক হবে বলে আশা চাষিদের।

গত বছর মহেশপুর উপজেলায় ক্যাপসিকাম চাষ করে সফল হন এক চাষি।ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার পাঠানপাড়া গ্রামের শিক্ষিত যুবক নেওয়াজ শরীফ ৪০ শতক জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করেছেন। তাইওয়ানী জাতের বীজ ব্যবহার করেছেন তিনি।

নেওয়াজ শরীফ জানান, নৃবিজ্ঞানে মাস্টার্স পাশ করে করোনার কারণে বাড়িতে বসে ছিলেন। এরপর এক বন্ধুর সঙ্গে পরামর্শ করে ক্যাপসিকাম চাষের উদ্যোগ নেন। তার খেতে সাড়ে ৪ হাজার গাছ আছে। সবজি ধরতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাজারে পাইকারি ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন। বাইরেও চাহিদা আছে। রাজশাহী ও ঢাকায়ও পাঠিয়েছেন। ক্যাপসিকাম চাষে তার ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। তিনি আশা করছেন, সাড়ে ৪ হাজার কেজি ক্যাপসিকাম হবে। এ থেকে ৪ লাখ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা আয় হবে। মার্কেটিংয়ের ব্যবস্থা থাকলে ক্যাপসিকাম লাভজনক ফসল বলে জানান তিনি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যশোরের উপপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ঝিকরগাছা উপজেলায় ক্যাপসিকামের চাষ শুরু হয়েছে। আর চুয়াডাঙ্গা জেলার উপপরিচালক মো. আলি হাসান জানান, কয়েক জন চাষি ক্যাপসিকাম চাষ শুরু করেছে।

পটুয়াখালীর দুমকির আঞ্চলিক উদ্যান গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ইফতেখার মাহমুদ বলেন, সারা বিশ্বে ক্যাপসিকাম একটি জনপ্রিয় সবজি। আমাদের দেশে নতুন করে চাষ হচ্ছে। মাঠে ছাড়াও বাড়ির ছাদবাগানেও চাষ করা যায় এ সবজি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঝিনাইদহের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক বিজয় কৃষ্ণ হালদার বলেন, ক্যাপসিকামের আদি জন্মস্থান দক্ষিণ আমেরিকা। সেখান থেকে ইউরোপের দেশে আসে। তারপর আসে আফ্রিকা ও এশিয়ার দেশগুলোতে। আমাদের দেশে কয়েক বছর আগে এসেছে। এ বছর ঝিনাইদহ জেলায় ছয় থেকে সাত একর জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ হয়েছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop