১:০৯ অপরাহ্ন

রবিবার, ১৫ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ৮, ২০২১ ৩:৩১ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে ৩৩০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন মরিচ চাষ
কৃষি বিভাগ

জেলায় চলতি ২০২১-২০২২ রবি মৌসুমে শীতকালীন মরিচের চাষ হয়েছে ৩৩০ হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর অতিরিক্ত।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জয়পুরহাট জেলায় চলতি ২০২১-২০২২ রবি মৌসুমে শীতকালীন ৩২০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয়েছে ৩৩০ হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি। এতে কাঁচা মরিচের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫৮০ মেট্রিক টন।এ ছাড়াও জেলায় এবার গ্রীষ্মকালীন খরিপ-১ মৌসুমে ১৮৫ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়। যেখানে মরিচের উৎপাদন হয়েছিল ৩৪০ মেট্রিক টন মরিচ।

বর্তমান বাজারে পাওয়া যাচ্ছে চলতি ২০২১-২০২২ মৌসুমের মরিচ। গ্রীষ্মকালীন মরিচের সঙ্গে শীতকালীন মরিচ বাজারে আসতে শুরু করার ফলে দাম কিছুটা কমেছে বলে জানায় স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

জেলা শহরের নতুনহাট, মাছবাজার ও ক্ষেতলাল উপজেলার বটতলী বাজার ঘুরে দেখা যায় কাঁচা মরিচ পাইকারী বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে ৪৪ থেকে ৫০ টাকা কেজি। যদিও জেলা শহরের খুচরা বাজারে প্রকার ভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো: শফিকুল ইসলাম জানান, আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার মরিচের আবাদ ভালো হয়েছে। বাজারে আগাম জাতের মরিচের আমদানি হওয়ায় দাম একটু কমেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৮, ২০২১ ২:৫৬ অপরাহ্ন
পানির নিচে আমন চাষিদের স্বপ্ন
কৃষি বিভাগ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার উত্তর চরলরেন্স গ্রামের কৃষক আব্দুল মতিন হাওলাদার তিন একর জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছেন। চাষাবাদের শুরু থেকেই আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ধানের উৎপাদন ভালো হয়েছে।

সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই ধান গোলায় তুলতে পারবেন- এমন স্বপ্ন দেখছেন তিনি। কিন্তু অসময়ের বৃষ্টি তার সর্বনাশ ডেকে এনেছে। তিন একর জমির ধানের মধ্যে দুই একর জমির ধান বৃষ্টি শুরুর আগে কেটেছেন। বাকিগুলো কাটার সুযোগ পাননি।

আব্দুল মতিন বলেন, সবেমাত্র পাকা ধান কেটে জমিতে রেখে দিয়েছি। ইচ্ছে ছিলো জমিতে রেখেই মেশিনের মাধ্যমে ধান মাড়াই করবো। এখান থেকে ধান বাড়িতে নিয়ে সিদ্ধ করে শুকাবো এবং খড়গুলো শুকিয়ে সংরক্ষণ করবো। কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে কেটে রাখা পাকা ধান বৃষ্টির পানিতে পড়ে আছে। এছাড়া বাকি যে এক একর জমির ধান কাটতে পারিনি- সেগুলো মাটিতে নুয়ে পড়েছে। ধান পাকা হওয়ায় অনেকগুলো মাটিতে ঝরে পড়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মূখীন হতে হবে।

একই এলাকার কৃষক মো. আমজাদ হোসেন স্বপন বলেন, এক একর জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ধানের গাছ ভেঙে শুয়ে পড়েছে। যেসব ধানের গোঁছায় পানি লেগে আছে, সেগুলো থেকে অঙ্কুর গজাচ্ছে। ফলে ফলন ভালো হলেও বৃষ্টির কারণে ব্যাপক লোকসান হবে।

ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ এর প্রভাবে লক্ষ্মীপুরে তিনদিন ধরে টানা বৃষ্টি হয়েছে। অসময়ের এ বৃষ্টির কারণে আমন ধানের ক্ষেতসহ ফসলি জমিতে পানি জমে গেছে। এতে কৃষক আব্দুল মতিন এবং আমজাদ হোসেনের মতো লক্ষ্মীপুরে এমন শত শত কৃষক ক্ষেতে থাকা আমন ধান দুচিন্তার মধ্যে পড়েছেন। ভালো ফলনে মুখে হাসি থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা শঙ্কার মধ্যে পড়েছেন। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হলে ক্ষেতের বাকি ধান ঘরে তোলা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তবে অনেকে বৃষ্টি শুরুর আগেই ধান কেটে ঘরে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চর আলী হাসান গ্রামের কৃষক সফিকুল ইসলাম জানান, বৃষ্টির আগে ধান কেটে ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখেছি। বৃষ্টি শুরুর পর থেকে কাটা ধানগুলো ক্ষেতের মধ্যে পড়ে আছে। ধানের গাছ ভিজে থাকায় মাড়াই করা সম্ভব নয়। আমাদের এলাকার বেশিরভাগ ক্ষেতের ধান শুয়ে পড়েছে। শুয়ে পড়া ধান কাটতে সময় বেশি লাগে। ফলে ধানকাটা খরচ বেড়ে যাবে।

এদিকে বৃষ্টিতে ধানের পাশাপাশি খড়ের ক্ষতিরও আশঙ্কা করছে কৃষকরা। অনেকে আগাম ধান কেটে খড়গুলো ক্ষেতের মধ্যে শুকোতে দিয়েছেন। তবে বৃষ্টির পানিতে ভিজে থাকার কারণে খড়গুলো পচে যাচ্ছে। ফলে এর প্রভাব পড়বে গো-খাদ্যের ওপর।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হিসেব মতে, অসময়ের বৃষ্টিতে লক্ষ্মীপুরে ধানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে বৃষ্টির পানিতে ১৫০ হেক্টর জমির ধান আক্রান্ত হয়েছে। চলতি বছর ৮১ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৭৬ মেট্রিক টন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আবুল হোসেন বলেন, মৌসুমের শুরুতে বেশিরভাগ জমির ধান কেটে ফেলা হয়েছে। তবে ১৫০ হেক্টর জমির ধান বৃষ্টিতে আক্রান্ত হয়েছে। কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে- তা এখনো নিরুপন করা হয়নি।

তিনি বলেন, এবার আমন ধানের উৎপাদন ভালো হয়েছিলো। আমরা আশা করেছিলাম উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে কৃষকরা কিছুটা ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৮, ২০২১ ১:৫৮ অপরাহ্ন
লালমনিরহাটে আলু চাষে সার সংকট
কৃষি বিভাগ

আলু চাষের শুরুতেই লালমনিরহাটে সারের সংকট দেখা দিয়েছে। চাষিদের অভিযোগ, সংকট তৈরি করে ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিয়েছে আলু চাষের জন্য প্রয়োজনীয় টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের দাম। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেশি আদায় করছে বিক্রেতারা।

মৌসুমের শুরুতেই সারের দামে নৈরাজ্য শুরু হলেও এখন পর্যন্ত জেলা অথবা উপজেলা সার মনিটরিং কমিটি কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। চাষিরা বলছেন, লালমনিরহাটে সব ধরনের সারের পর্যাপ্ত বরাদ্দ থাকলেও ডিলার ও খুচরা কারবারিরা কারসাজি করে দাম বাড়িয়েছে। অন্যদিকে সার উত্তোলন ও চলাচলের বিষয়ে কোনো মনিটরিং ব্যবস্থা নেই। যাদের ওপর মনিটরিংয়ের দায়িত্ব রয়েছে তারাও এই কারসাজির সঙ্গে জড়িত।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ডিলার ও খুচরা কারবারিদের গভীর যোগাযোগ রয়েছে। কোন ডিলার তার নামে বরাদ্দ করা সার উত্তোলন করে গুদামে রেখে বিক্রি করছে তা মনিটরিং কমিটি দেখছে না। ফলে এক এলাকার সার অন্য এলাকায় অবাধে চলে যাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, লালমনিরহাটের জন্য বরাদ্দকৃত সার তুলে কতিপয় ডিলার যশোরের নওয়াপাড়া মোকামেই বিক্রি করে দিয়ে আসছে। ওইসব সার চলে যাচ্ছে সিন্ডিকেটের গুদামে। এসব সার অবৈধ লাইনে চলে যাচ্ছে অন্য জেলার মজুদ কারবারিদের কাছে। এর ফলে লালমনিরহাটে সারের সংকট তীব্র হয়েছে।

জেলার কালিগঞ্জের শিয়াল খোয়ার আলু চাষি মিরাজুল ইসলাম, সদরের হরাটির সফিউল আলম ও আদিতমারীর কমলাবাড়ীর আজিজুলের অভিযোগ, দেশের যেসব জেলায় সবচেয়ে বেশি আলু চাষ হয় লালমনিরহাট তার মধ্যে অন্যতম। দুই সপ্তাহ আগে লালমনিরহাটে আগাম আলু আবাদ শুরু হয়েছে। এখন মাঠে মাঠে জমি তৈরিতে ব্যস্ত চাষিরা।

চাষিরা জানান, আলুর জমি তৈরির সময়েই পর্যাপ্ত পরিমাণ টিএসপি, ডিওপি ও এমওপি সারের প্রয়োজন। কিন্তু চাষিরা সার পাচ্ছেন না ডিলারদের দোকানে। আবার অনুমোদিত নয় এমন অবৈধ সার বিক্রেতাদের দোকানে দোকানে এসব সরকারি সার বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।

সদরের মহেন্দ্রনগরের আলু চাষি শরিফুল ইসলাম বলেন, চাষি পর্যায়ে প্রতি কেজি ২২ টাকা হিসাবে ৫০ কেজির এক বস্তা টিএসপির দাম ১ হাজার ১০০ টাকা নির্ধারণ করা আছে। কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা এসব সার চাষিদের কাছে বিক্রি করছে ১ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা করে। প্রতি কেজি এমওপির দাম ১৫ টাকা হিসাবে ৫০ কেজির এক বস্তার দাম ৭৫০ টাকা।লালমনিরহাটের ৫ উপজেলায় বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকা বস্তা করে। একইভাবে ১৬ টাকা প্রতি কেজির ডিএপির ৫০ কেজির বস্তার বিক্রি মূল্য ৮০০ টাকা হলেও চাষিরা কিনছেন ১ হাজার টাকা থেকে হাজার ৫০ টাকা করে। আর চাষিরা ডিলারদের দোকানে গিয়ে কোনো সার পাচ্ছে না। এভাবেই লালমনিরহাটে সার বিক্রিতে নৈরাজ্য চালাচ্ছে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা।

জানা গেছে, চলতি অক্টোবর থেকে লালমনিরহাটে আগাম আলু চাষ মৌসুম শুরু হয়েছে। এবার আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৬৯৩ হেক্টর। এই পরিমাণ জমি থেকে সাড়ে ৪ লাখ টন আলু ফলনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। শুধু আলু চাষকে সফল করতে বিএডিসির ৭১ জন ডিলারের জন্য ২ হাজার ৬৭৩ মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের নন-ইউরিয়া সার বরাদ্দ করেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৮, ২০২১ ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
ফরিদপুরে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
কৃষি বিভাগ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে দু’দিনের টানা বৃৃষ্টিতে ফরিদপুরে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমির পেঁয়াজ, রসুন ও আলু সহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হয়েছে। বৃৃৃষ্টির পানিতে ডুুবে গেছে মুড়িকাটা পেঁয়াজের ক্ষেত। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষীরা। এদিকে, সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে কৃষি বিভাগ।

দেশে মোট উৎপাদিত পেঁয়াজের সিংহভাগই চাষ হয় ফরিদপুরে। চলতি মৌসুমে জেলার পাঁচ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। চাষীদের এখন ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ ঘরে তোলার কথা। কিন্তু হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে পেঁয়াজ, রসুন, আলু ও সরিষা ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে মাথায় হাত কৃষকদের।

এদিকে, কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো: হযরত আলী।

দু’দিনের টানা বৃষ্টিতে ফরিদপুরে ২০ হাজার হেক্টর জমির ফসল কমবেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৭, ২০২১ ২:৩১ অপরাহ্ন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেড়েছে তুলা চাষ
কৃষি বিভাগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাণিজ্যিকভাবে তুলা চাষে সফল হয়েছেন চাষিরা। বরেন্দ্র অঞ্চলের অনাবাদী ও উঁচু জমিতে ধানের বিকল্প হিসেবে তুলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।  চলতি বছর প্রায় ৩’শ বিঘা জমিতে তুলার চাষ হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, তুলা চাষ লাভজনক ও পরিবেশ বান্ধব। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলার পূর্ব লক্ষনপুর গ্রামের সাঁওতাল যুবক জুসেন টুডু। বাবার জমি থাকলেও, সেচ সংকটের কারণে ঠিকমত ধানচাষ করতে পারতেন না। কৃষি বিষয়ে ডিপ্লোমা করা এই যুবক সেই জমিতে তুলার চাষ করে সফল হয়েছেন। টুডুর মতো অনেক কৃষক এখন ধানের ধানের পরিবর্তে বিনা সেচে তুলা চাষ করছেন।

সংশ্লিষ্ঠরা বলছেন, বরেন্দ্র এলাকার কৃষি অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে তুলার বাণিজ্যিক চাষাবাদ। তাই তুলার চাষাবাদ বাড়াতে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড।

গবেষকরা বলছেন, পানি সাশ্রয়ী ও পরিবেশ বান্ধব ফসল হওয়ায় বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া তুলা চাষের জন্য উপযোগী।

তিনি আরও জানান, দেশে প্রতিবছর তুলার চাহিদার মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ উৎপাদিত হয়। এ অবস্থায় আমদানি নির্ভরতা কমাতে বরেন্দ্র অঞ্চলের উঁচু ও অনাবাদী জমি হতে পারে তুলা চাষের নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৭, ২০২১ ২:০২ অপরাহ্ন
টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে কৃষকের স্বপ্ন
কৃষি বিভাগ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় আমন ধান ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মাদারীপুরে চার উপজেলার প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমির বীজতলা তলিয়ে গেছে। ক্ষতি হয়েছে রবিশস্যেরও। এতে বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা।

জাওয়াদের প্রভাবে গত দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে ক্ষেতের ফসল। আমন ধান ও বোরো বীজতলা ডুবে আছে পানিতে। রবিশস্য ও সবজির একই অবস্থা।

মাদারীপুরে কোথায় পুরো বীজতলা পানির নিচে, আবার কোথায়ও গলাপানিতে ভাসতে কৃষকের স্বপ্ন। সদর, রাজৈর, কালকিনি ও শিবচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমির বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ঋণ নিয়ে এসব বীজতলা তৈরি করলেও নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কৃষকের এখন মাথায় হাত। লোকসানের মুখে কয়েক হাজার কৃষক।

কৃষকদের সাথে কথা বললে তারা জানায়, বৃষ্টির প্রভাবে ধানের বীজতলা নিমজ্জিত হয়েছে। এতে করে কয়েক মণ বীজ অঙ্কুরেই ধ্বংস হয়ে গেছে। এছাড়াও যারা সরিষা এবং কলাইয়ের বীজ ফেলেছিল, তাদেরও বীজতলা ডুবে গেছে। এমতবস্থায় কৃষকেরা সরকারের সাহায্য কামনা করেন।

এছাড়াও যশোরে শীতকালীন সবজিসহ রবিশস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়া ৭০ ভাগ ফসলই নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় আছেন চাষিরা। এতে করে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে তারা। এ ক্ষতি কোনোভাবেই পুষিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে কৃষকেরা।

এ ব্যাপারে যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, আগামীতে যে প্রণোদনা আসবে, কৃষকদের সেখানে অন্তর্ভুক্ত করতে চেষ্টা থাকবে আমাদের। এছাড়াও কৃষকরা যাতে বিনামূল্যে বীজ পায় সেই চেষ্টাও অব্যহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৭, ২০২১ ১২:২৯ অপরাহ্ন
বীজ বুনেই মাথায় হাত মুন্সীগঞ্জের আলুচাষিদের
কৃষি বিভাগ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে গত কয়েকদিন ধরে সারাদেশে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে শঙ্কায় পড়েছেন মুন্সীগঞ্জের আলুচাষিরা। রবি ও সোমবারের বিরতিহীন বৃষ্টিপাতে অধিকাংশ আলুর জমিতে পানি জমে গেছে। জেলার মোট কৃষিজমির প্রায় অর্ধেক জমিতে আলু চাষ করা হয়। ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৪০ ভাগ জমিতে আলুচাষ সম্পন্ন হয়েছে।

কৃষকরা জানান, আবহাওয়ার পুর্বাভাস পেয়েই কৃষকরা এখনও লক্ষ্যমাত্রার সব জমিতে বীজ রোপণ করেননি। তা না হলে অন্যান্য বছর আরও ১০-১২ দিন আগেই জেলার সব জমিতে আলু রোপণ সম্পন্ন হয়ে যায়।

আলুচাষি মাসুদুর রহমান তার মোট জমির প্রায় ৫০ ভাগ জমিতে আলু রোপণ করেছেন। তিনি বলেন, প্রায় ১৪৫ শতাংশ জমিতে আড়াই লাখ টাকা ব্যয়ে চাষ করেছি। আবহাওয়া খারাপ হতে পারে জেনে পুরো জমিতে এখনও বীজ বপন করিনি। কিন্তু, যতটুকু চাষ সম্পন্ন করেছি তার অবস্থা এখন খারাপ। নালা কেটে পানিও সরাতে পারছি না। কারণ, পানি কেটে অন্যের জমিতে দিলে সে জমির মালিক আপত্তি করবে। এখন মনে হয় পুনরায় চাষ করতে হবে। কারণ, বৃষ্টি থামারও কোনও লক্ষণ দেখছি না।

আরেক আলুচাষি ওবায়দুল্লাহ বলেন, আলু চাষ করা আমাদের নেশা। লাভ ক্ষতি যাই হোক আমরা চাষ করি। এখন বৃষ্টির কারণে সব আলুবীজ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। নালা কেটে পানি সরানোর উপায় নেই। আবার অনেক জমিতে আলুবীজ বৃষ্টির পানিতে ভেসে উঠছে। কাজেই নতুন করে চাষ করা ছাড়া উপায় নেই।

মুন্সীগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক খুরশিদ আলম জানান, মুন্সীগঞ্জে আলু আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৭ হাজার ৯০০ হেক্টর। এর মধ্যে ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে আলু রোপণ হয়েছে। যেসব জমিতে ১০-১২ দিন আগে আলু চাষ হয়েছে, সেসব জমিতে ইতোমধ্যে আলুর গাছ গজিয়ে গেছে। এই জমিগুলোতে শুধু নালা কেটে জমে থাকা পানি বের করে দিতে হবে এবং একটি ছত্রাকনাশক ছিটাতে হবে। তাহলে আলুগাছের কোনও ক্ষতি হবে না। যেসব জমিতে ২-৩ দিন আগে বীজ বপন করা হয়েছে, সেসব জমিতে পুনরায় আলু রোপণের প্রয়োজন নেই। শুধু নালা কেটে পানি বের করে দিতে হবে।

তিনি জানান, যদি মঙ্গলবারের (৭ ডিসেম্বর) বৃষ্টি থেমে যায় তাহলে কিছুটা শঙ্কা দূর হবে। আর যদি না থামে তাহলে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হবে। তবে জেলায় আলুচাষের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে সপ্তাহখানেক সময় লাগবে।

তবে, দুর্যোগে কৃষকের ক্ষতি হলে সরকারের পক্ষ থেকে কোনও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা এখনও করা হয়নি। সরকার যদি ব্যবস্থা নেয় তাহলে কৃষকদের কাছে তা পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানা তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৭, ২০২১ ১২:০৫ অপরাহ্ন
ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদে ১০ জেলায় আমনের ব্যাপক ক্ষতি
কৃষি বিভাগ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদসৃষ্ট প্রবল বর্ষণে ক্ষতির শিকার হয়েছে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০ জেলার আমন ধান। এর মধ্যে যশোর অঞ্চলের ছয় জেলার ৯৪ হাজার ৫৩৮ হেক্টর ও বরিশাল অঞ্চলের চার জেলায় ৩৮ হাজার ৪২৯ হেক্টর আবাদি জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে ১০ জেলায় প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৬৭ হেক্টর জমিতে আবাদকৃত আমন ক্ষতির শিকার হয়েছে।

দেশের জেলাগুলোকে কয়েকটি কৃষি অঞ্চলে বিভক্ত করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)। এর মধ্যে যশোর ও বরিশাল অঞ্চল অন্যতম। প্রবল বর্ষণে যশোর অঞ্চলে আমনের আবাদ ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলো হলো যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা। বরিশাল অঞ্চলের জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও পটুয়াখালী।

ঘূর্ণিঝড়সৃষ্ট অকালবর্ষণে আমনের চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব শিগগিরই নির্ধারণ করা হবে বলে ডিএই সূত্রে জানা গিয়েছে। চলতি বছর সারা দেশে আমন মৌসুমের ধান-চাল উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য হাতে নিয়েছিল ডিএই। বর্তমান পরিস্থিতিতে সে লক্ষ্য পূরণ হওয়া নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, গত অর্থবছরে (২০২০-২১) দেশে ৫৬ লাখ ২৫ হাজার ৯০৭ হেক্টর জমি থেকে ১ কোটি ৪৪ লাখ ৩৭ হাজার ৭৬৩ টন চাল উৎপাদন হয়। এ সময় আগের অর্থবছরের (২০১৯-২০) তুলনায় উৎপাদন বেড়েছে প্রায় আড়াই লাখ টন। আমন মৌসুমের উৎপাদনে এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় রাখার পরিকল্পনা করেছিল ডিএই। চলতি অর্থবছরে আমন মৌসুমে ৫৮ লাখ ৩০ হাজার হেক্টর জমি থেকে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ৪৬ হাজার টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্য হাতে নিয়েছিল সংস্থাটি। এরই মধ্যে দেশের প্রায় ৫৭ লাখ ৬৩ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। দেশে আমন মৌসুমের ধান-চালের বড় একটি অংশ আসে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে। চলমান প্রেক্ষাপটে জাওয়াদের প্রভাবে সৃষ্ট অকালবর্ষণে আমন ধানের ক্ষতির মাত্রা দ্রুততার সঙ্গে নির্ধারণ করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে যশোর ও বরিশাল কৃষি অঞ্চলে বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলোর পুরোপুরি নষ্ট হওয়া ধানের পরিমাণ কম বলে জানিয়েছেন ডিএইর কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানেই সম্পূর্ণ নষ্ট হয়েছে বিষয়টি এমন নয়। কোথাও কোথাও আক্রান্ত ফসল থেকে কিছু কিছু ধান উদ্ধার করা সম্ভব হবে। উত্তরের জেলাগুলোয় এবং উপকূলীয় বেশকিছু জেলায় বেশির ভাগ জমির ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। এ কারণে বৃষ্টিতে অল্প কিছু ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে বীজ রাখার ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হবে। খড়েরও কিছু ক্ষতি হবে। আগে থেকেই ঘোষণা দেয়া হয়েছিল কৃষকরা যাতে ধান দ্রুত কেটে ফেলেন। কিছুটা শ্রমিকস্বল্পতা ও আমন জমিতে শুকিয়ে কাটার প্রবণতার কারণে কিছু ধান ক্ষেতে রয়ে গিয়েছে। ফলে এবারের ঘূর্ণিঝড়ে আমন ধানে বড় ধরনের ক্ষতির সম্ভাবনা কম। এছাড়া চলতি রবি মৌসুমে যেসব শস্য এরই মধ্যে লাগানো হয়েছে, বৃষ্টিতে কিছুটা হলেও সেগুলোর উপকার হবে। যা লাগানো বাকি আছে, বৃষ্টিতে জমি ভেজা থাকার কারণে তা রোপণে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে। তবে মাটি সিক্ত থাকায় লাগানোর পর সেগুলোয় দ্রুত ফলন পাওয়া যাবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ উপকূলে আঘাত হানার আগেই দুর্বল হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। নিম্নচাপ হিসেবে এটির গতকাল মধ্যরাতে ভারতের উড়িশা উপকূল অতিক্রম করার কথা। ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর-পশ্চিম ও সংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে গতকাল সকালে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থান করে। নিম্নচাপের প্রভাবে বাংলাদেশ ও ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলজুড়ে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। তবে আজ থেকে দেশের বেশির ভাগ এলাকার আকাশ পরিষ্কার হতে থাকবে। এছাড়া তাপমাত্রা কমে শীত বাড়তে পারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও শস্যের সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করা প্রয়োজন, যাতে চালের কোনো ঘাটতির সম্ভাবনা থাকলে সহজেই সরবরাহ বাড়ানোর বিকল্প উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের পাশে থাকার উদ্যোগ নিতে হবে। বীজ, সার ও উপকরণ সহায়তা দিয়ে কৃষকের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের ভর্তুকি কার্যক্রম থেকেও কৃষকদের সহায়তা দেয়া প্রয়োজন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ৮:৫০ অপরাহ্ন
বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত সরিষার আবাদ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত সরিষার আবাদ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার(৬ ডিসেম্বর) জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার বিনার হলরুমে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে উদ্বোধনী (ভার্চুয়ালী) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গকেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

বিনা আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন তেল জাতীয় ফসলের বৃদ্ধি প্রকল্পের (বিনা অংগ) প্রকল্প সমন্বয়ক ড. মো. ইকরামুল হক এবং উপজেলা কৃষি অফিসার মো. নাসির উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, এসও নাজমুন নাহার পপি, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, আমাদের চাহিদা মেটাতে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে ভোজ্য তেল আমদানি করতে হয়। তা কমিয়ে আনতে অন্যান্য তেল ফসলের পাশাপাশি সরিষার আবাদ বাড়াতে হবে। এর অংশ হিসেবে বিনাসরিষা-৯ চাষ করলে বেশি লাভবান হওয়া যাবে। কারণ, এতে তেলের পরিমাণ বেশি থাকে। হেক্টরপ্রতি ফলন হয় ১.৯ টন (প্রায়)। তাই স্বল্পকালিন আমন ধান কাটার পর এ জাতের সরিষা চাষ করলে দক্ষিণাঞ্চলের শস্যনিবিড়তা বাড়ানো সম্ভব।

বিনার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থীর জনপ্রতি ১ বিঘা জমির জন্য বিনা উদ্ভাবিত ১ কেজি সরিষার বীজ দেওয়া হয়। সেই সাথে ইউরিয়া টিএসপি, এমওপি, জিপসাম, জিংক সালফেট, এবং বরিক এসিড মিলে ৫০ কেজি রাসায়নিক সার বিতরণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৬, ২০২১ ৪:২৬ অপরাহ্ন
বৃষ্টিতে সরিষা আবাদে ক্ষতির আশঙ্কা
কৃষি বিভাগ

টাঙ্গাইলে দুইদিন ধরে দফায় দফায় বৃষ্টি হচ্ছে। শীতের মধ্যে হওয়া এই বৃষ্টিতে জেলায় সরিষাসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। তবে সোমবারের (৬ ডিসেম্বর) মধ্যে বৃষ্টি শেষ হলে সরিষার তেমন ক্ষতি হবেনা বলে জানিয়েছেন সদর উপজেলা কৃষি অফিসার।

জেলা কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানা যায়, চলতি মৌসুমে টাঙ্গাইলে ৪৭ হাজার ৯৮৩ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে।

সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের ভাটচান্দা গ্রামের সরিষা চাষী আল আমিন বলেন, এ বছর দুই বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করেছি। অর্ধেক জমিতে ফুল এসেছে। কিন্তু দুই দিন ধরে দফায় দফায় বৃষ্টি হওয়ায় ক্ষেতের ক্ষতি হতে পারে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop