৬:১৬ অপরাহ্ন

রবিবার, ১৫ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২১ ৩:২০ অপরাহ্ন
কলাপাড়ায় স্বল্প খরচে ধান কেটে দিচ্ছে কম্বাইন্ড হারভেস্টর
কৃষি বিভাগ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষকদের মাঠের ধান কেটে দিচ্ছে কম্বাইন্ড হারভেস্টর মেশিন। শুধু ধান কাটাই নয়, শ্রমিক ছাড়াই অল্প সময়ের মধ্যে মাড়াইও করা যায়। একই সঙ্গে এ মেশিনটি ধান ঝেড়ে পরিস্কার করে বস্তা ভর্তি করে ক্ষেত থেকেই কৃষকরে বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছে। তাই মেশিনটি এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কৃষকের উৎপাদন খরচ এবং সময় বাচাঁতে সক্ষম এসব প্রযুক্তির ব্যবহারে কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে বলে এমনটাই জানিয়েছেন কৃষিবিদরা।

উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নে ১০ টি কম্বাইন্ড হারভেস্টর মেশিন কৃষকদের দেয়া হয়েছে। প্রতিটি মেশিনের মূল্য ২৫ লাখ টাকা। এসব আধুনিক কম্বাইন্ড হারভেস্টারের সাহায্যে ঘন্টায় দেড় একর জমির ধান কাটা এবং একই সাথে মাড়াই কাজ সম্পন্ন করতে পারবে কৃষকরা। এছাড়া এর আগে আরো ৫ টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, মাঠের ধান পাকলেই কাটার জন্য দুশ্চিন্তা বেড়ে যেত। গ্রামে গ্রামে শ্রমিক খুঁজতে হতো। আর শ্রমিক পাওয়া গেলেও মজুরি ও খরচ বেশি হওয়ায় পাকা ধান নিয়ে বিপাকে পড়তে হতো এসব কৃষকের। তবে এখন ওইসব কৃষকদের সেই চিন্তা দুর হয়েছে। এ জনপদের কৃষকরা আধুনিক মেশিন দিয়ে ক্ষেতে ধান কাটছেন। অল্প সময়ের মধ্যে কম খরচে ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তোলার সুযোগ পেয়ে কৃষকেরাও এখন অনেক খুশি।

বালিতলী ইউনিয়নের কৃষক মো.মুছা বলেন, সে এ বছর ২ একর ৪০ শতাংশ জমিতে আমন চাষ করেছে। কম্বাইন্ড হারভেস্টর মেশিন দিয়ে তার ক্ষেতের ধান কেটেছেন। এতে মাত্র দুই ঘন্টা সময় লেগেছে। আর খরচ হয়েছে মাত্র ৯ হাজার টাকা। এর আগে প্রতি শ্রমিকের জন্য প্রতিদিনই গুনতে হতো ৭০০-৮০০ টাকা। আবার শ্রমিকও পাওয়া যেত না। অপর এক কৃষক মো.সেহাগ বলেন, এখন আর ধান কাটার শ্রমিক লাগেনা। মেশিন দিয়ে কাটা হচ্ছে ক্ষেতের ধান। একই সঙ্গে ধান কাটা, মাড়াই, ঝাড়া ও বস্তায় ভরা যায়। এতে দূর হয়েছে শ্রমিক সংকট।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এম আর এম সাইফুল্লাহ বলেন, ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজে কম্বাইন্ড হারভেস্টার যন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। এ উপজেলায় ১৫ টি মেশিন দিয়ে কৃষকদের ধান কাটা হচ্ছে। এতে সময় ও খরচ অনেক কম লাগে বলে তিনি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২১ ৩:০২ অপরাহ্ন
ফিলিপাইন কালো আখ চাষ করে সফল কুমারখালীর আবু শাহিন
কৃষি বিভাগ

আবু শাহিন একজন তরুণ চাষি। তিনি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর গ্রামের বাসিন্দা। এবার ফিলিপাইন কালো আখ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। মাত্র ৩ বছর আগেও ব্রিটিশ টোব্যাকো কোম্পানিতে চাকরি করতেন। 

চাকরির সুবাদে ২০১৭ সালে তিনি ঝিনাইদহ জেলায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। পথে কালো আখ খেত চোখে পড়েছিল তার। আখ দেখে কৌতুহল জন্মেছিল। গাড়ি থেকে নেমে স্বাদ নেন। এরপর আখ চাষে আগ্রহ হয় তার। মাত্র ৩ হাজার টাকার ‘আখ বীজ’ কিনে পাঁচ শতক জমিতে শুরু করেন চাষ। এ জাতের আখ চাষে খরচ কম, তেমন কষ্ট নেই কিন্তু লাভ বেশি। তাই তিনি চাকরি ছেড়ে শুরু করেন ফিলিপাইন আখের চাষ, ভাগ্য বদলে যায়।

আবু শাহিন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খাঁ পাড়া এলাকার নজিম উদ্দিন খাঁ’র ছেলে। বর্তমানে তিনি ৬ বিঘা জমিতে আখের চাষ করছেন। প্রতিবছর উপার্জন করছেন লাখ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে শাহিন জানান, আখ চাষে বছরে একবার ফলন পাওয়া যায়। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ১২ হাজার পিস ফিলিপাইন আখের চাষ করা যায়। বিঘায় বীজ, সার, শ্রমিক ও আনুষঙ্গিক খরচসহ মোট প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়। প্রতি পিস আখ পাইকারি ৩৫ থেকে ৪৫ বা ৫০ টাকায় বিক্রি করা হয়। আর খুচরা বাজারে ৫৫ থেকে ৬০ বা ৭০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এতে বিঘা প্রতি জমিতে প্রায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার আখ বিক্রি করতে পারেন কৃষক। ফলে খরচ বাদ দিয়ে বছরে কয়েক লাখ টাকা লাভ করতে পারেন তারা।

শাহিন বলেন, ২০১৮ সালে তিন বিঘা জমিতে চাষ শুরু করি। বর্তমানে ছয় বিঘা জমিতে আখের চাষ আমার। বিঘা প্রতি বছরে প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়। আর প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার আখ বিক্রি করি। বর্তমানে ৬ বিঘা জমিতে বছরে প্রায় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা খরচ হয়। আর ২৫ থেকে ২৮ লাখ টাকা আখ বিক্রি করি। খরচ বাদে প্রায় ২২ লাখ টাকা আয় হয়।

এলাকার আরেক আখ চাষি সাইদুল খাঁ বলেন, গত বছর থেকে আমিও দুই বিঘা জমিতে আখ চাষ করছি। প্রতিটি আখ ১০ থেকে ১২ ফুট লম্বা হয়। আর ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় পাইকারি বিক্রি হয়। খুচরা বিক্রেতা জমিতে এসে আখ নিয়ে যায়।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার দাস বলেন, কয়েক বছর আগে উপজেলায় সৌখিনভাবে আখ চাষ শুরু হয়েছিল। কিন্তু অধিক লাভজনক হওয়ায় বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। দিনে দিনে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২১ ১১:২৭ পূর্বাহ্ন
ডিম-সবজির দাম কমলেও বেড়েছে চাল-মুরগির
কৃষি বিভাগ

সাতদিনের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে পণ্যের দাম ওঠানামা করেছে। বাজারে সবজি ও ডিমের দাম কমলেও চাল ও মুরগির দাম বেড়েছে। এছাড়াও অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী, কচুক্ষেত বাজার ঘুরে পণ্যের দামের চিত্র পাওয়া গেছে।

বাজারে বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা দাম কমেছে। এসব বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ২০ টাকা দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, সিম বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকা, বেগুন (গোল) ৬০ টাকা, বেগুন (লম্বা) ৪০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৮০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা ও পেঁপের কেজি ৪০ টাকা।

বাজারে আলুর দাম বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে। নতুন আলুর কেজি ৮০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ কেজি ৫০-৫৫ টাকা। ইন্ডিয়ান ও মায়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকায়।

এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১৩০ টাকা, দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। চায়না আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। হলুদের প্রতিকেজি ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান ডাল কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। দেশি ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

বাজারে আলুর দাম বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে। নতুন আলুর কেজি ৮০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ কেজি ৫০-৫৫ টাকা। ইন্ডিয়ান ও মায়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকায়।

এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১৩০ টাকা, দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। চায়না আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। হলুদের প্রতিকেজি ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান ডাল কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। দেশি ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

এদিনে বাজারে চালের দাম বেড়েছে। এসব বাজারে নাজিরশাইল চালে কেজিতে বেড়েছে ২ থেকে ৩ টাকা, নাজিরশাইল চালে কেজি ৬৮-৭০ টাকা, মিনিকেট চালে প্রতি কেজিতে ২ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৭-৬৮ টাকা, আটাশ চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ২ টাকা। আটাশ চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৩ টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ৬:৪২ অপরাহ্ন
সেচব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, দেশে সেচ ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন ও পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারে বর্তমান সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। গত ১২ বছরে সেচ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে নানান পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে দেশে সেচসুবিধা সম্প্রসারণ, সেচ দক্ষতা বৃদ্ধি, পানির অপচয়রোধে ভূগর্ভস্থ পাইপ লাইন নির্মাণ, ভূউপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধিসহ সেচব্যবস্থার উন্নয়নে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউস্থ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) অডিটোরিয়ামে ‘ক্ষুদ্রসেচের টেকসই উন্নয়নে অনলাইনভিত্তিক জরিপ ও পরিবীক্ষণ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিএডিসি ‘ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়নে জরিপ ও পরিবীক্ষণ ডিজিটালাইজেশন প্রকল্পের’ আওতায় এ সেমিনারের আয়োজন করে।
মন্ত্রী বলেন, পানি একটি অমূল্য সম্পদ। খাদ্য নিরাপত্তা ও ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সেচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অথচ সেচকাজসহ বিভিন্নভাবে পানির অপচয় হয়। এটি আরো কমিয়ে আনতে হবে। সেজন্য সরকার সেচ কাজে আধুনিক প্রযুক্তির রাবার/হাইড্রোলিক এলিভেটর ড্যাম ও বিভিন্ন প্রকার সেচ অবকাঠামো নির্মাণ, ভূগর্ভস্থ পাইপ লাইন নির্মাণ, পানি সাশ্রয়ী সেচ পদ্ধতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তির ব্যবহার, ভূপরিস্থ পানির জলাধার তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে।
ড. রাজ্জাক আরও বলেন, পানি ব্যবস্থাপনায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক খাল,নদী খনন,পুন:খনন, বাঁধ নির্মাণ প্রভৃতি কাজের সময় কৃষি উৎপাদনের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় নিতে হবে। সেজন্য কৃষি মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে হবে।
বিএডিসির তথ্যে জানা যায়, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে ২০২১ সালে সেচ এলাকা ৫৬.২৭ লক্ষ হেক্টরে, সেচ দক্ষতা ৩৫% হতে ৩৮% এবং ভূপরিস্থ পানির ব্যবহার ২১% থেকে ২৭% এ উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে। সেচযোগ্য জমির ৭৩% সেচের আওতায় এসেছে। ১৯৮০ সালে সারাদেশে ভূগর্ভস্থ পানির সেচ ২০% এবং ভূউপরিস্থ পানির সেচ ৮০% ছিল। সেখানে ২০১০ সালে দাড়ায় ভূগর্ভস্থ পানির সেচ ৮০% এবং ভূউপরিস্থ পানির সেচ ২০% পরিণত হয়।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম। বিএডিসির চেয়ারম্যান এ এফ এম হায়াতুল্লাহর সভাপতিত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো: হামিদুর রহমান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চের উপদেষ্টা ড. আইনুন নিশাত, সিইজিআইএসের নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা আবদুল্লাহ খান ও বিএডিসির সদস্য পরিচালক (ক্ষুদ্রসেচ) প্রকৌশলী মো: জিয়াউল হক বক্তৃতা করেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ৪:২৪ অপরাহ্ন
মনপুরায় কৃষকদের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলায় আজ ২০২১-২২ মৌসুমে রবি ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে। ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় হাজির হাট ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামীম মিঞার সভাপত্বিতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সেলিনা আক্তার চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আকাশ বৈরাগী, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো: নিজাম হাওলাদার, উপসহকারী কৃষি অফিসার মো: আনোয়ার হোসেন।

উপজেলার মোট ৪টি ইউনিয়নের ২৫শ ৬৫ জন কৃষকের গম ,ভ’ট্টা, সরিষা,সূর্যমূখি,চিনাবাদাম,মুগ খেসারী বীজও রাসায়নিক সার দেয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ৩:৪৪ অপরাহ্ন
কৃষকের বাগানের শিমগাছ কেটে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা
কৃষি বিভাগ

নরসিংদীর শিবপুরে রাতের আঁধারে এক দরিদ্র কৃষকের শিমের বাগানের শিমগাছ কেটে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে এমন অভিযোগ করেছেন আবুল কাশেম নামের এক কৃষক। এ ঘটনায় প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তার।

এর আগে বুধবার (১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলা বাঘাব ইউনিয়নের চাঁদপাশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান তিনি।

কৃষক আবুল কাশেম (৫০) শিবপুর উপজেলার বাঘাব ইউনিয়নের চাঁদপাশা গ্রামের মৃত সুন্দর আলীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবুল কাশেম তিন মাস আগে ৬০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে বাড়ির পাশের বন্ধক নেওয়া দুই বিঘা জমিতে শিমের চাষ করেন। গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই বাগানের পুরো মাচায় ফুল ফুটতে শুরু করে। ইতোমধ্যে অনেক গাছে শিমও ধরেছে। আর কিছুদিন পরেই শিম বড় হবে, বাজারে নিয়ে বিক্রি করবেন, ধার করা টাকা শোধ করে লাভের মুখ দেখবেন; এমন স্বপ্ন ছিল তার। এর মধ্যে বৃহস্পতিবা সকালে শিম-বাগানে গিয়ে দেখেন গাছগুলো নেতিয়ে পড়েছে। পরে দেখেন গাছের গোড়া কাটা।

আবুল কাশেম জানান, বুধবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময়ে দুর্বৃত্তরা আমার শিম-বাগানের সব গাছ কেটেছে বলে ধারণা করছি। আর মাত্র সপ্তাহ দুয়েক পরই অন্তত দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার শিম বিক্রি করতে পারতাম। তিন মাস ধরে কঠোর পরিশ্রম ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা ধারদেনা করে বাগানটা সাজিয়েছি। ভেবেছিলাম এই শিম বিক্রি করে এবার কিছু টাকা পাব। কিন্তু কে বা কারা আমার এত বড় ক্ষতি করল। এ ঘটনায় আমি আইনের আশ্রয় নেব।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ২:৩৮ অপরাহ্ন
ফরিদপুরে আমন ধান সংগ্রহ অভিযান উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

ফরিদপুরে চলতি বছরের আমন ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে অম্বিকাপুর ১০ নং গোডাউন চত্বরে আমন সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক অতুল সরকার।

সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক মোল্যা, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী সাইফুদ্দিন, পৌর কাউন্সিলর সামসুল আরেফিন সাগর, অম্বিকাপুর এলএসডি কর্মকর্তা মোঃ মুশফিকুর রহমান।

জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, সরকারি নির্দেশনা না মেনে যারা গোডাউনে চাল ও ধান দেবে না তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। প্রয়োজনে সেই মিল মালিকদের কালো তালিকাভুক্ত করে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

এ বছর চলতি মৌসুমে ফরিদপুর জেলায় কৃষকদের কাছ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে ৪১শ ৯৪ মেট্রিক টন চাল এবং ২৭ টাকা কেজি দরে ৪১শ ৬৪ মেটিক টন ধান কেনা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ২:১১ অপরাহ্ন
বাগেরহাটে ব্যাগিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ
কৃষি বিভাগ

ব্যাগিং পদ্ধতিতে বিষমুক্ত বেগুন চাষ করে লাভবান হচ্ছেন বাগেরহাটের কৃষকরা। পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করতে পারছেন ফলন। ফলে এই পদ্ধতিতে আবাদে আগ্রহ বাড়ছে অনেকের। বাজারে চাহিদা থাকায় এসব বেগুন বিক্রি করে বেশ লাভ হচ্ছে চাষীদের।

কিছুদিন আগেও পোকামাকড়ের কারণে বেগুন চাষ করা নিয়ে শঙ্কায় থাকতে হতো বাগেরহাটের কৃষকদের। কিন্তু কৃষি বিভাগের পরামর্শে ব্যাগিং পদ্ধতিতে বিষমুক্ত বেগুন চাষ করে শঙ্কামুক্ত হয়েছেন তারা। এতে পোকার আক্রমণ কমে যাওয়ার পাশাপাশি ফলনও হচ্ছে ভালো। ফলে স্থানীয় বাজারে মিটছে বেগুনের চাহিদা।

চলতি মৌসুমে বাগেরহাটের ৯টি উপজেলায় ৭’শ ৬৭ হেক্টর জমিতে বেগুনের চাষ হয়েছে। এরমধ্যে সদর, কচুয়া ও ফকিরহাটে ৭০ হেক্টর জমিতে ব্যাগিং পদ্ধতিতে বিষমুক্ত বেগুন চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন কৃষকরা। তারা বলেছেন, এই পদ্ধতিতে খরচও হয় কম।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বললেন, বিষমুক্ত বেগুনের চাহিদা থাকায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। আর কৃষি কর্মকর্তারা জানালেন, ভালো ফলনের আশায় অনেকে এই পদ্ধতির জন্য পরামর্শ নিচ্ছেন।

আগামী মৌসুমে ব্যাগিং পদ্ধতিতে বেগুন চাষ আরও বাড়বে বলে ধারণা কৃষি কর্মকর্তাদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ১:১০ অপরাহ্ন
নওগাঁর রাণীনগরে পানি না দেয়ায় ৫০ বিঘা জমির ধান নষ্ট
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর রাণীনগরে চলতি আমন মৌসুমে ধানের জমিতে সঠিকভাবে পানি না দেয়ায় প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান নষ্টের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গভীর নলকূপ মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা এবং ক্ষতিপূরণ চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিএমডিএ এবং কৃষি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কৃষকরা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বেলঘড়িয়া মাঠে।

জানা গেছে, উপজেলার বেলঘড়িয়া মৌজায় ৯৫ ও ৯৬ দাগে বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করে প্রায় ১৩০ বিঘা ধানের জমিতে পানি দেয়া হয়। গভীর নলকূপটির অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন একই এলাকার খাগড়া গ্রামের সাহান মহুরীর স্ত্রী বেবি খাতুন। বেবি খাতুনের আওতায় পানির দায়িত্বে রয়েছেন বেলঘড়িয়া গ্রামের সুকদেব ও স্বপন নামে দুই ব্যাক্তি।

কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, গভীর নলকূপ স্থাপনের পর থেকে প্রায় প্রতিটি মৌসুমেই পানির টাকা নিলেও সঠিকভাবে ধানে পানি সেচ দেয়া হয় না। ফলে পানি অভাবে তুলনা মূলকভাবে ধানের ফলন কমে যায়। চলতি আমন মৌসুমে শেষের দিকে অনাবৃষ্টি ও প্রচণ্ড খড়ায় ধানের জমি শুকে যায়। প্রতি বিঘা জমিতে পানি সেচ দিতে এক হাজার টাকা করে মূল্য ধরেছেন গভীর নলকূপে দায়িত্বরতরা। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী পানি দেয়নি।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা গভীর নলকূপের মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং ক্ষতিপূরণ চেয়ে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্প ও কৃষি কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কৃষক এবাদুল হক, আবু বক্কর সিদ্দিক, আলেফ হোসেন ও বজলুল হক জানান, পানির জন্য দায়িত্বে থাকা লোকজনকে বারবার বলেও জমিতে সঠিকভাবে পানি সেচ দেয়নি। ফলে পানির অভাবে ওই স্কিমের মধ্যে প্রায় ৫০ বিঘা আতব ধানের জমির মাটি ফেটে গেছে। ধানের শীষ মরে সাদা হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। যেখানে বিঘাপ্রতি প্রায় ১২/১৪ মণ হারে ফলন হওয়ার কথা সেখানে হয়তো ২/৪ মণ হারে ধান হতে পারে। আমরা এর ক্ষতিপূরণ ও সঠিক বিচার দাবি করছি।

এ ব্যাপারে গভীর নলকূপের অপারেটর বেবি খাতুন বলেন, নলকূপ আমার নামে আছে কিন্তু পানি সেচ বা সবকিছু করে বেলঘড়িয়া গ্রামের সুকদেব ও স্বপন। সেখানে কী হয়েছে এটা সঠিক বলতে পারব না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ৪:৪৮ অপরাহ্ন
পেয়ারা চাষ করে সফল নাটোরের আফাজ আলী
কৃষি বিভাগ

নাটোরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পেয়ারা চাষ হচ্ছে এক দশক ধরে। সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পেয়ারা চাষ করে জাদুকারি সাফল্য পেয়েছেন চাষীরা। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হওয়ায় পেঁয়ারা চাষে আগ্রহী হয়েছে অনেকে। নাটোর সদর উপজেলার মাটি সব ফসলের জন্য উপযোগী। জেলার উদ্দোমী পেয়ারা চাষী আফাজ আলী পেঁয়ারা চাষ করে সফল হয়েছেন।

২০১৫ সালে বাড়ির পাশে নিজের দুই বিঘা জমিতে শুরু করেন পেঁয়ারা চাষ। শুরুতে বিনিয়োগ করেন দুই লাখ টাকা। বছর শেষে পেয়ারা বিক্রি করেন ১০ লাখ টাকার। তারপর থেকে সিদ্ধান্ত নেন পেয়ারা চাষকে পেশা হিসেবে বেছে নেবেন। বাড়াতে শুরু করেন পেয়ারা বাগানের পরিধি। ২০০ বিঘায় ৯টি বাগানে পেয়ারা চাষ করে তিনি এখন জেলার সবচেয়ে বড় পেয়ারা উৎপাদনকারী।

শুধু বাগানই নয়, ভিটামিন-খনিজ উৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি ও দেশের পুষ্টিতে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি গড়ে তুলেছেন কর্মসংস্থান। প্রতিদিন গড়ে দেড়শ মানুষের কাজের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন তিনি। এছাড়া আফাজের বাগানের পেয়ারা নাটোর ছাড়িয়ে চলে যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।সফল উদ্যোক্তা পেয়ারাচাষী আফাজ আলীর বাড়ি নাটোর সদর উপজেলার চন্দ্রকোলা রুয়েরভাগ গ্রামে। কৃষক পরিবারে ১০ ভাইবোনের আর্থিক টানাপোড়েনের সংসারে সবার ছোট আফাজ আলী। আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে ব্যবসায়ের হাতছানির কারণে পড়াশোনা বেশি দূর করতে পারেনি । ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসার অভিজ্ঞতা থেকে একসময় শুরু করেন চাল ব্যবসা। এ ব্যবসায় মুনাফা থাকলেও একসময় হাল ছেড়ে দেন। বারবার ব্যবসায়ের পরিবর্তন শেষে পেয়ারা চাষেই থিতু হন তিনি। মাত্র ছয় বছরের ব্যবধানে পেয়ারা যেহেতু তাকে এনে দিয়েছে সাফল্য, তাই এখন পেয়ারাই তার ধ্যান-জ্ঞান।

জানা যায়, নাটোর সদর উপজেলার তেবাড়িয়া, ছাতনী, আগদিঘা, বড়হরিশপুর ইউনিয়ন পেরিয়ে আফাজের পেয়ারা বাগান এখন সিংড়া উপজেলার হাতিয়ানদহে। দুই শতাধিক বিঘার মোট ৯টি বাগানজুড়ে পেয়ারা চাষ করে তিনি এখন জেলার সবচেয়ে বড় পেয়ারা উৎপাদনকারী।এমনিতেই নাটোর ফল উৎপাদনের সূতিকাগার। নাটোরের অসংখ্য ফল উৎপাদক সারা দেশে নন্দিত হয়েছেন ইতোপূর্বে। তাদের উৎপাদনের ক্ষেত্র কখনো একটা মাত্র ফলে সীমিত থাকেনি। প্রত্যেকেই রকমারি ফল উৎপাদন করেন। ব্যতিক্রম শুধু আফাজ আলী। তার ক্ষেত্র শুধুই পেয়ারা।

নাটোর সদর উপজেলার শংকরভাগ এলাকার এক জায়গায় ১২০ বিঘা ও অন্যান্য জায়গায় ৮০ বিঘায় পেয়ারা-বাগান গড়ে তোলেন আফাজ আলী। আফাজ আলী থাই-৩ জাতের পেয়ারা চাষ করেন। তার প্রতি বিঘায় গাছ রয়েছে ২০০টি করে। সাধারণত এক বছরের মাথায় ফলন পাওয়া যায়। প্রতিটি গাছের বার্ষিক ফলন এক মণের কাছাকাছি।

বারো মাস ফলন পাওয়া গেলেও পেয়ারের মৌসুম মূলত আশ্বিন থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস। তবে উচ্চ মূল্য ও সময় হিসেবে পৌষ ও মাঘ মাসসহ অগ্রহায়ণ ও ফালগুনের অর্ধেকটা সময় ব্যবসায়ীদের কাছে পেয়ারা বাজারজাতকরণের কাঙ্ক্ষিত সময়।

আফাজ আলী বলেন, আগে আমি নার্সারি ও চালের ব্যবসা করতাম। এক বন্ধুর পেয়ারা চাষ দেখে আমি উদ্বুদ্ধ হই। প্রথমে আমি দুই বিঘা জমিতে চাষ শুরু করি। অন্য কোনো ফল নয়, পেয়ারাই আমার ধ্যান-জ্ঞান। ৯টি বাগানে প্রতিদিন গড়ে দেড় শ মানুষ কাজ করে। তাদের গাছ রোপণ, আগাছা নিধন, সার দেওয়া, সেচ, পেয়ারার ব্যাগিং কাজের দিকনির্দেশনা দিয়েই আমার বাগানে দিন কাটে।

বাগানে কাজ করা শ্রমিক শাকিল মাহমুদ বলেন, পেয়ারার বাগানে কাজ করছি। আমরা এখানে ১৫০ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছি। সবার সংসারে উন্নতি আসছে এবং সবাই ভালোমতো চলতে পারছি। আমরা বাগানে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকি।

শ্রমিক মো. শাহ আলম মিয়া জানান, আমি পেয়ার-বাগানে শুরু থেকে কাজ করছি। মাসে ৯ হাজার টাকা বেতন পাই। আমাদের এখানে প্রতিদিন আট ঘণ্টা কাজ করতে হয়। সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বাগানে কাজ করি।

ঢাকার কাওয়ানবাজারের মা ফলভান্ডারের স্বত্বাধিকারী ও ব্যবসায়ী আলী জানান, নাটোরের আফাজের পেয়ারা খুবই ভালো। তার পেয়ারার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। গুণগত মানেও খুব ভালো। তাই আমি আফাজের বাগানের পেয়ারা গাড়িযোগে ঢাকায় এনে বিক্রি করি।

কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাহমুদুল ফারুক বলেন, পেয়ারার বাগান সৃষ্টির মাধ্যমে আফাজ শুধু নিজের আর্থিক সমৃদ্ধিই অর্জন করেননি, শত মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, সর্বোপরি দেশের মানুষের পুষ্টির অভাব পূরণের মাধ্যমে অবদান রাখছেন। নাটোরের উৎপাদিত ফল দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ হচ্ছে। কৃষি বিভাগ পেয়ারা উৎপাদনের নতুন নতুন প্রযুক্তি ও পরামর্শ দিয়ে সব সময় আফাজের পাশে আছে। আমরা সব সময় কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করি ফল চাষের জন্য।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop