৫:৫৩ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ২০, ২০২১ ৯:৫১ অপরাহ্ন
রাজধানীতে বাফিটা’র বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
পোলট্রি

বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রিডিয়েন্টস ইমপোটার্স এন্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফিটা) এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ মার্চ) সকাল ১১টায় রাজধানীর হ্যাং আউট রেস্টুরেন্ট এন্ড পাার্টি সেন্টারে এই বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাফিটার সভাপতি ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের আসন গ্রহণের পর পবিত্র কুরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠান পর্ব শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে বাফিটা’র সভাপতি সুধীর চৌধুরী বলেন, ২০১৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর এই সংগঠনের জন্ম হয়। বিগত সাড়ে তিন বছর নিবন্ধন পাওয়ার আগে আমরা অনেক উন্নয়ন ও বিনোদন মূলক কাজ করেছি। উন্নয়নমূলক কাজের মধ্যে ছিল ডিম দিবসে আমরা নিজেদের খরচে সারাদেশে বিনা টাকায় সাধারণ মানুষদের মাঝে ডিম বিতরণ করেছি। পরপর তিন বছর ধরে আমরা ডিম বিতরণ করেছি। নিবন্ধন পাওয়ার পূর্বে বাফিটা পরিবারকে একিত্রত ও সোহার্দ্য পূর্ণতায় রাখার জন্য আমরা বনভোজন তথা পিকনিক করাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান করেছি।

২০১৭ সালের ১৭ জানুয়ারি আমরা সরকার থেকে বাফিটার স্বীকৃতি পেয়ে থাকি। এবং এই স্বীকৃতির মাধ্যমে আমরা দেশের নিয়মতান্ত্রিকভাবে বৈধতার আশ্রয় গ্রহণ করি।

তিনি আরো বলেন, ২০১৭ সালের ১৭ ই জানুয়ারির পর থেকে আমরা হাটি হাটি পাপা করে করে অনেকগুলো কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তার কিছুটাতে আমরা সফলতা লাভ করেছি এবং কিছুটা এখনো চলমান প্রক্রিয়া আছে।

সুধীর চৌধুরী বলেন, আমাদেরকে গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য আমদা‌নি, সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর বিশেষ সতর্ক হতে হবে। কারণ, আমরা য‌দি খারাপ কাঁচামাল সরবরাহ করি সেটির খারাপ প্রভাব পড়বে ফিড উৎপাদক থেকে শুরু করে, পশু-পাখি এবং সর্বশেষ মানব স্বা‌স্থ্যে। সুতরাং এ ব্যাপা‌রে সবারই দায়িত্বশীল হ‌তে হ‌বে। সংগঠ‌নের জন্য দা‌য়িত্বশীল ও সৎ হতে হবে। আগামী বছর (২০২২ সন) বা‌ফিটার নিজস্ব অ‌ফিস ক্রয়ের ঘোষণা দেন তিনি।

বা‌ণিজ্য নী‌তিতে বাফিটার অংশগ্রহণ, এফ‌বি‌সি‌সিআই এ বাফিটার ৫ জন সদ‌স্যের অন্তর্ভুক্তি, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের এর এনওসি মি‌টিং‌য়ে বা‌ফিটা প্রতি‌নি‌ধিত্ব করার সু‌যোগ পে‌য়ে‌ছে বলে জানান তিনি।

বাফিটা এখন অনেকগুলো চলমান প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।এরমধ্যে উৎপাদন, আমাদনি এবং সরবরাহকারীর মধ্যে যে বৈষম্য ছিল তা মন্ত্রাণলয়ের যোগাযোগের মাধ্যমে তা দূর করতে পেরেছি। আর এটা আমাদের বড় একটি সফলতা।

সভায় ২০২০ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন। এ সময় তিনি বিগত এক বছরে সংগঠনের বিভিন্ন অর্জন সম্পর্কে বর্ণনা করেন এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

বাফিটা‘র মহাসচিত মো. হেলাল উদ্দিন ২০২০ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন ও অনুমোদন করার পর ট্রেজারার মহোদয় কর্তৃক ২০১৯-২০ অর্থবছরের হিসাব, অডিট রিপোর্ট এবং ২০২০-২১ সালের বাজেট উপস্থাপন এবং অনুমোদন করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে বাফিটা’র সহ-সভাপতি জয়ন্ত কুমার দেব বলেন, মার্চ মাস স্বাধীনতা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনের মাস। আপনারা জানেন আজকে বিশ্বের সুখী দিবস। বিশ্বের কোন দেশ কোন অবস্থানে আছে জাতিসংঘের মাধ্যমে গতকালকে তা প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ সারা বিশ্বের মধ্যে সুখিল তালিকায় ৬৮ তম রাষ্ট্র, ভারত ৯২ তম, পাকিস্তানের কোন জায়গা এখনো পায়নি। ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে ২০২০সাল নাগাদ কোথায় ভারত, কোথায় পাকিস্তান আর কোথায় বাংলাদেশে। আমরা কিন্তু এগিয়ে যাচ্ছি সামনের দিকে।

এটা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা। সোনার বাংলার পথ ধরেই এগ্রো ফিড ইন্ডাস্ট্রি সেক্টরে বাফিটার আগমন। বাংলাদেশ গার্মেন্টস সেক্টরের পরের শিল্প পোল্ট্রি শিল্প। এই পোল্ট্রিশিল্পের যে উপকরণ তার ৭৩ থেকে ৭৪ শতাংশ বাফিটার নেতৃবৃন্দের মাধ্যমেই আমদানি করা হয়। সুতরাং সোনার বাংলা যদি করতে হয় তাহলে বাফিটাকে দিয়ে করতে গেলে মনে হবে সেটা কেবল একটা স্বপ্ন।

তিনি আরও বলেন আমি মনে করি বাংলাদেশের যে যে সেক্টরেই থাকুক না কেন বাফিদাকে বাদ দিয়ে কখনো উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে অনেক সংগঠন আছে যেটা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধিত না। কিন্তু আপনারা দেখেন অতি অল্প সময়ের ভিতর বা বাফিটা নিবন্ধিত হয়েছে। এটা আমাদের অনেক বড় একটি অর্জন বলেও তিনি জানান।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিটিসি ফিড ইনগ্রেডিয়েন্টস অ্যান্ড এডিটিভস্ -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলতাফ বিশ্বাস এবং এনাম ফিড অ্যান্ড চিকস্ লিমিটেড -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. এনামুল হক এনাম। এ সময় তাঁরা সংগঠনকে কীভাবে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এবং আমদানি সমস্যা সমাধানে করণীয় সম্পর্কে নিজেদের মতামত প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বাফিটার বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান এবং নতুন সদস্যাদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষে মধ্যাহ্নভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্ত হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২০, ২০২১ ৬:৩২ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার শনিবার(২০ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:২০/০৩/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৭.২০
সাদা ডিম=৬.৮০

ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪৫
সাদা ডিম=৫.৮০

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৪০
সাদা ডিম=৫.৭৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/১৩৫কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=৩১০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫-৩৮
লেয়ার সাদা=৩০-৩২
ব্রয়লার=৪৬

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
সাদা ডিম-৬.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৫০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৯৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮
লেয়ার সাদা=৩৩
ব্রয়লার=৪৫

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.১০
সাদা ডিম=৫.৬০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
সাদা ডিম=৬.১০

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৪০-৪৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৪৬

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৩/কেজি
সোনালী মুরগী=৩০০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৭৩

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬০
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৪২
ব্রয়লার =৪৬
সোনালী হাইব্রিড =৩৩
সোনালী রেগুলার =২৫

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৭৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২৯০/কেজি

টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/১৩৫কেজি
সোনালী মুরগী =৩০০/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪৫
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭৫/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৭৬
ব্রয়লার মুরগী=১২৩/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮০/কেজি

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=
সাদা ডিম=

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১৫০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=৩২০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৪৫

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
সাদা ডিম=৫.৭০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১৪৫/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী =৩১০/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.০০
সাদা ডিম=৫.৮০

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২০, ২০২১ ৯:১৪ পূর্বাহ্ন
ডিম ও মাংস উৎপাদনে দেশী মুরগি পালন কৌশল
পোলট্রি

বাংলাদেশের গ্রাম এলাকায় প্রায় প্রতিটি পরিবার দেশী মুরগি পালন করে থাকে। এদের উৎপাদন ক্ষমতা বিদেশী মুরগির চেয়ে কম। উৎপাদন ব্যয়ও অতি নগণ্য। এটি অধিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন। এদের মাংস ও ডিমের মূল্য বিদেশী মুরগীর তুলনায় দ্বিগুণ, এর চাহিদাও খুবই বেশী। দেশী মুরগির মৃত্যুহার বাচ্চা বয়সে অধিক এবং অপুষ্টিজনিত কারনে উৎপাদন আশানুরূপ নয়। বাচ্চা বয়সে দেশী মোরগ-মুরগির মৃত্যুহার কমিয়ে এনে সম্পূরক খাদ্যের ব্যবস্থা করলে দেশী মুরগি থেকে অধিক ডিম ও মাংস উৎপাদন করা সম্ভব।
 
উল্লেখিত অবস্থার আলোকে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশী মুরগি উৎপাদনে উন্নত কৌশল শীর্ষক প্রযুক্তিটি উদ্ভাবন করেছে। এ কৌশল ব্যবহার করে খামারিরা দেশী মুরগি থেকে অধিক ডিম ও মাংস উৎপাদন করে পারিবারিক পুষ্টি ও আয় বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে।
 
উদ্দেশ্য:
সম্পুরক খাদ্য, রানীক্ষেত ও বসন্তের প্রতিষেধক প্রদান করে এবং বন্য জন্তুর কবল থেকে মুক্ত রেখে দেশী মুরগি, বিশেষ করে ছোট বাচ্চার মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা যায়।
দেশী মুরগির দৈহিক ওজন ও ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি করা।
 
প্রযুক্তি ব্যবহারের পদ্ধতি:
প্রযুক্তিটি গ্রামীণ পর্যায়ে সকল গৃহস্থ পরিবারই ব্যবহার করতে পারবেন। খামারের আকার অনুযায়ী প্রত্যেক খামারীর জন্য মোরগ-মুরগির সংখ্যা
 
নিম্নে দেওয়া হলো-
খামারের আকার আবাদী জমির পরিমাণ (শতাংশ) মোরগ/মুরগি
ছোট ৫০ শতাংশ ১টি মোরগ ও ৩টি মুরগি
মাঝারী ও বড় ৫০ ও তার অধিক ১টি মোরগ ও ৬টি মুরগি
 
দেশীয় পদ্ধতিতে দেশি মোরগ পালন
১৭ অক্টোবর ১৫।। অনেকেই জানতে চেয়ে ছিলেন যে সল্প মূলধন দিয়ে কি ব্যবসা করা যায়। তাদের জন্য দেশি মোরগ হতে পারে একটি সময়পযোগি ব্যবসা। স ল্প জায়গায় অল্প টাকা বিনিয়োগ করে সল্প সময়ে অধিক আয় করা যায়। বসত বাড়িতে মুরগি চাষ হচ্ছে একটি সহজ এবং লাভজনক কাজ। বাড়ির গৃহিণীরা খামার স্থাপন ও পরিচালনা করতে পারে। একটি মোরগ একটি মুরগির তুলনায় দ্রুত বাড়ে আর বাজারে দেশি মোরগের প্রচুর চাহিদা থাকায় মোরগ বিক্রি করতে তেমন বেগ পেতে হয়না এবং বাজারে ভাল দাম ও পাওয়া যায়।
 
দেশি মোরগ আবদ্ধ ও ছেড়ে পালন করা যায়। তবে ছেড়ে পালন করলে বেশি লাভবান হওয়া যায় কারন মোরগ নিজের খাদ্য নিজে কুড়িয়ে খায়।এরা মুক্ত আলো বাতাস বিশেষ করে প্রচুর সূর্য কিরণে বেড়ে উঠে যা তাদের শরীরে ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি করতে সাহায্য করে। এদের খাবারের জন্য তেমন কোন খরচ করতে হয় না।
 
মোরগ নির্বাচনঃ- দেশি মোরগ বা মুরগির বাচ্চা উৎপাদনের জন্য তেমন কোন হ্যাচারি গড়ে ওঠেনি তাই নিজেকে ই দেখে শুনে সুস্থ সবল ও নিরোগ মোরগ সংগ্রহ করতে হবে। মূলত ৪০০-৬০০ গ্রামের মোরগ দিয়ে শুরু করলে ভাল ফলাফল আশা করা যায়। কারন ঐ সময়ের পর মোরগ গুলো দ্রুত বাড়ে এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যা পেলে ২ মাস পর মোরগ গুলোর গড় ওজন ২ কেজির উপর হবে। প্রতি কিলো দেশি মোরগের মূল্য কেমন আছে সেটা নাই বা বললাম। আপনারা নিজেরা লাভ-ক্ষতি বের করে নিন।
 
মুরগির ঘর তৈরির নিয়মঃ- মোরগের জন্য খোলামেলা ঘর হতে হবে। ১.৫ মিটার (৫ ফুট) লম্বা X১.২ মিটার (৪ ফুট) চওড়া এবং ১ মিটার (৩.৫ ফুট) উঁচু ঘর তৈরি করতে হবে। ঘরের বেড়া বাঁশের তরজা বা কাঠের তক্তা দিয়ে তৈরি করতে হবে। এছাড়া মাটির দেয়ালও তৈরি করা যাবে। বেড়া বা দেওয়ালে আলো বাতাস চলাচলের জন্য ছিদ্র থাকতে হবে। ঘরের চাল খড়, টিন বা বাঁশের তরজার সাথে পলিথিন ব্যবহার করে তৈরি করা যাবে। এরকম ঘরে ১০-১৫টি মোরগ পালন করা যায়।
 
খাবারঃ- বাড়ির প্রতিদিনের বাড়তি বা বাসী খাদ্য যেমন ফেলে দেওয়া এঁটোভাত, তরকারি,
ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গম, ধান, পোকামাকড়, শাক সবজির ফেলে দেওয়া অংশ, ঘাস, লাতা পাতা, কাঁকর, পাথর কুচি ইত্যাদি মুরগি কুড়িয়ে খায়।
 
পরিচর্যাঃ- ছেড়ে পালন পদ্ধতিতে মুরগি পরিচর্যার জন্য সময় বা লোকজনের তেমন দরকার পড়ে না। তারপরও কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয়। সকালে মুরগির ঘর খুলে কিছু খাবার দিতে হবে। সন্ধ্যায় মুরগি ঘরে ওঠার আগে আবার কিছু খাবার দিতে হবে। ঘরে উঠলে দরজা বন্ধ করে দিতে হবে।মুরগির পায়খানা ঘরের মেঝেতে যেন লেপ্টে না যায় সেজন্য ঘরের মেঝেতে ধানের তুষ, করাতের গুঁড়া ২.৫ সে.মি. (১ ইঞ্চি) পুরু করে বিছাতে হবে। পায়খানা জমতে জমতে শক্ত জমাট বেঁধে গেলে বারবার তা উলট-পালট করে দিতে হবে এবং কিছুদিন পর পর পরিষ্কার করতে হবে। এ পদ্ধতিতে দেশি মোরগ পালন করা গেলে প্রায় তেমন কোন খরচ ছাড়াই ভাল একটা মুনাফা পাওয়া যাবে।
 
দেশি মুরগি পালনে যত্ন নিতে হবে
সাকুল্যে ৫-১০টি মুরগি। বাড়ির আশপাশে চরে বেড়িয়ে বাড়ির উচ্ছিষ্ট খাবার, পোকামাকড়, কেঁচো, কচি ঘাসপাতা খায় তারা। সে অর্থে প্রতিপালনের কোনও খরচ নেই বললে চলে। আপাতদৃষ্টিতে লাভজনক মনে হলেও আসলে অতটা লাভ হয় না। ছাড়া মুরগি অন্যত্র ডিম পেড়ে আসে, কখনও রোগে মারা যায়। তাই দেশি মুরগির পালন লাভজনক করতে হলে কিছু নিয়ন্ত্রণ থাকা দরকার, সে জাত নির্বাচনেই হোক বা রোগ পরিচর্যায়।
 
প্রথমে আসি মুরগির জাতে। ব্রয়লার খামারের হাইব্রিড মুরগি উঠোনে ছেড়ে পালন করা যায় না। তাই খাঁটি জাতগুলোকে বাছতে হবে। যেমন, রোড আইল্যান্ড রেড (আরআইআর) বা ব্ল্যাক অস্ট্রালর্প। রঘুনাথপুর, বালুরঘাটের রাজ্য মুরগি খামারে লাল বা আরআইআর এবং কালো বা ব্ল্যাক অস্ট্রালর্প মুরগির বাচ্চা পাওয়া যায়। ইদানীং কালে বনরাজা, গিরিরাজা, গ্রামরপ্রিয়া ইত্যাদি জাত কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা হয়েছে।
 
মুরগি রাতে রাখার জন্য ঘর বানাতে হবে। মাটি থেকে সামান্য উপরে বাঁশ বা কাঠ দিয়ে কম খরচে খড় বা টালি ঢেকে তৈরি ঘরগুলো যেন শুকনো, পরিষ্কার হয়। আর আলো-বাতাস খেলে। প্রতিটি পাখির জন্য গড়ে তিন বর্গফুট জায়গা ধরতে হবে।
 
দেশি মুরগি চরে বেড়িয়ে তার খাবার সংগ্রহ করে নিলেও এ ধরনের উন্নত জাতের মুরগির পুরো উৎপাদন ক্ষমতা কাজে লাগাতে অল্প পরিমাণে সুষম খাবার দেওয়া প্রয়োজন। চালের গুঁড়ো (৩০০ গ্রাম), খুদ বা গম ভাঙা (২৮০ গ্রাম), সর্ষে/ তিল খোল ( ২০০ গ্রাম), মাছ বা সোয়াবিন গুঁড়ো (২০০ গ্রাম), ভিটামিন ও খনিজ লবণ মিশ্রণ যেমন সাপ্লিভিট এম (২০ গ্রাম) মিশিয়ে মুরগির সংখ্যা অনুযায়ী মাথা পিছু ৫০-৭০ গ্রাম হিসাবে অর্ধেক সকালে ও অর্ধেক বিকালে খেতে দিতে হবে। রাতে মুরগি রাখার যে ঘর আছে, সেখানে নির্দিষ্ট পাত্রে জল ও খাবার দিতে হবে। যাতে সকালে ঘর থেকে বেরনো বা পরে ঘরে ঢোকার সময় ওই খাবার ও জল খাওয়া অভ্যাস তৈরি হয়। এই অভ্যাস থাকলে ওষুধ গুলে খাওয়াতে সুবিধা হয়। মুরগির খাবার সবসময় শুকনো ও পরিষ্কার রাখতে হবে। বেশি দিন জমা রাখলে ছত্রাক সংক্রমণ ঘটে।
 
সংকরায়ণ পদ্ধতিতে দেশি মুরগির সঙ্গে উন্নত মোরগ রেখে প্রাকৃতিক প্রজনন ঘটিয়ে দেশি মুরগির জিনগত উৎকর্ষতা বাড়ানো যায়। প্রতি ১০টি দেশি মুরগি পিছু ১টি উন্নত জাতের মোরগ রাখতে হবে। যে সংকর মুরগি জন্মাবে, তা দেশি মুরগির চেয়ে দ্রুত (৪-৫ মাস বয়সে) এবং প্রায় দ্বিগুণ (বছরে ১২০-১৪০টি) ডিম দেবে।
 
রোগব্যাধি মুরগি পালনের অন্যতম সমস্যা। তাই নিয়মিত মুরগির ঘর চুন বা জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। প্রতি মাসে একবার করে কৃমিনাশক ওষুধ (পাইপেরাজিন তরল বয়স অনুযায়ী ০.৫-১ মিলি) জলে গুলে খাওয়াতে হবে। রানিক্ষেত বা বসন্তের মতো কয়েকটি সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত টিকাকরণ জরুরি। টিকা দেওয়ার দশ দিন আগে কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। টিকাকরণ বিশেষত রানিক্ষেত টিকা ৭-১০ দিন বয়সে নাকে বা চোখে এক ফোঁটা, ৩০ দিন বয়সে আর এক বার, ২ মাস বয়সে প্রথম কৃমির ওষুধ এবং আড়াই মাস বয়সে ডানার তলায় ০.৫ মিলি ইঞ্জেকশন অবশ্যই নিতে হবে। ঝিমুনি, সর্দি, শ্বাসকষ্ট, পাতলা বা রক্ত পায়খানা নজরে এলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যাকট্রিম ডিএস বা সেপম্যাক্স (১টি বড়ি ১০টি বড় বা ২০টি বাচ্চা মুরগির জন্য) খাবারে বা জলে গুলে ড্রপারে করে খাইয়ে দিতে হবে (৩/৫/৭ দিন)।
 
দেশী মুরগি বানিজ্যিকভাবে পালন
দেশী মুরগি বানিজ্যিকভাবে পালন কৌশল আয় বৃদ্ধি ও পারিবারিক পুষ্টির নিশ্চয়তা বিধানে দেশী মুরগী প্রতিপালন বিশেষ অবদান রাখতে পারে । আমরা সবাই বলে থাকি দেশী মুরগির উৎপাদন কম । কিন্তু বিভিন্ন পর্যায়ে বিশেষ লক্ষ্য এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করে দেশী মুরগীর উৎপাদন দ্বিগুনের ও বেশী পাওয়া সম্ভব। দেশী মুরগি থেকে লাভ জনক উৎপাদন পওয়ায় বিভিন্ন কৌশল এখানে বর্ননা করা হয়েছে।
 
গবেষনায় দেখা গেছে দেশী মুরগির ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি করে বাজারে বিক্রি করার চেয়ে ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা তৈরী করে ৮-১২ সপ্তাহ বয়সে বিক্রি করলে লাভ বেশী হয়। এক সংঙ্গে ১০-১২ টি মুরগি নিয়ে পালন শূরু করতে হবে। তবে কখনও ১৫-১৬ টির বেশী নেওয়া ঠিক না । তাতে অনেক অসুবিধাই হয় । শুরুতে মুরগি গুলোকে কৃমি নাষক ঔষধ খাওয়ানোর পরে রানীক্ষেত রোগের টীকা দিতে হবে। মুরগির গায়ে উকুন থাকলে তাও মেরে নিতে হবে। প্রতিটি মুরগিকে দিনে ৫০-৬০ গ্রাম হারে সুষম খাদ্য দিতে হবে। আজকাল বাজারে লেয়ার মুরগির সুষম খাদ্য পাওয়া যায় । তা ছাড়া আধা আবদ্ধ এ পদ্ধতিতে পালন করলে লাভ বেশী হয়।
 
মুরগির সাথে অবশ্যই একটি বড় আকারের মোরগ থাকতে হবে। তা না হলে ডিম ফুটানো যাবে না । ডিম পাড়া শেষ হলে মুরগি উমে আসবে । তখন ডিম দিয়ে বাচ্চা ফুটানোর ব্যবস্থা নিতে হয়।এক সঙ্গে একটি মুরগির নীচে ১২-১৪ টি ডিম বসানো যাবে। খামারের আদলে বাঁশ, কাঠ খড়, বিচলী তাল নারকেল সুপারির পাতা দিয়ে যত কম খরচে স্থানান্তর যোগ্য ঘর তৈরী করা সম্ভব তা করা যায়। ঘর তৈরীর সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন সঠিক মাপের হয় এবং পর্যাপ্ত আলো বাতাস চলাচল করতে পারে । বানানোর পর ঘরটিকে বাড়ীর সব চেয়ে নিরিবিলি স্থানে রাখতে হবে । মাটির উপর ইট দিয়ে তার উপর বসাতে হবে। তাহলে ঘর বেশী দিন টিকবে ।
 
ফুটানোর ডিম সংগ্রহ ও সংরক্ষনঃ- আরেকটি প্রয়োজনীয় ̧গুরুত্বপূর্ন কাজ। ডিম পাড়ার পর ডিম সসংগ্রহের সময় পেন্সিল দিয়ে ডিমের গায়ে তারিখ লিখে ঠান্ডা জায়গায় সংরক্ষন করতে হবে। ডিম পাড়া শেষ হলেই মুরগি কুঁচো হবে। গরম কালে ৫-৬ দিন বয়সের ডিম এবং শীত কালে ১০-১২ দিন বয়সের ডিম ফুটানোর জন্য নির্বাচন করতে
 
হবে।
 
দেশী মুরগি পালন কৌশলের বিশেষ নজর দেয়ার ধাপ সমূহঃ-
 
উমে বসানো মুরগির পরিচর্যা করতে হবে। মুরগির সামনে পাত্রে সবসময় খাবার ও পানি দিয়ে রাখতে হবে যাতে সে ইচ্ছে করলেই খেতে পারে । তাহলে মুরগির ওজন হ্রাস পাবেনা এতে বাচ্চা তোলার পর আবার তাড়াতাড়ি ডিম পাড়া আরম্ভ করবে।
 
ডিম বসানোর ৭-৮ দিন পর আলোতে রাতের বেলা ডিম পরীক্ষা করলে বাচ্চা হয় নাই এমন ডিম ̧লো চেনা যাবে এবং বের করে অনতে হবে। বাচ্চা হওয়া ডিম ̧লো সুন্দর করে সাজিয়ে দিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন মুরগি বিরক্ত না হয়।
প্রতিটি ডিমের গায়ে সমভাভে তাপ লাগার জন ̈ দিনে কমপেক্ষ ৫-৬ বার ওলট পালট করে দিতে হবে।
বাতাসের আর্দ্রতা কম হলে বিশেষ করে খুব গরম ও শীতের সময় ডিম উমে বসানোর ১৮- ২০দিন পর্যন্ত কুসুম গরম পানিতে হাতের আঙ্গুল ভিজিয়ে পানি স্প্রে করে দিতে হবে।
*ফোটার পর ৫-৬ ঘন্টা পর্যন্ত মাকে দিয়ে বাচ্চাকে উম দিতে হবে। তাতে বাচ্চা শুকিয়ে ঝরঝরে হবে।
 
বাচ্চা ফুটার পর বাচ্চার পরিচর্যা ও ডিম পাড়া মুরগির পরিচর্যা :- গরম কালে বাচ্চার বয়স ৩-৪ দিন এবং শীত কালে ১০-১২ দিন পর্যন্ত বাচ্চার সাথে মাকে থাকতে দিতে হবে। তখন মুরগি নিজেই বাচ্চাকে উম দিবে। এতে কৃত্রিম উমের (ব্রুডিং ) প্রয়োজন হবে না। এ সময় মা মুরগিকে খাবার দিতে হবে। মা মুরগির খাবারের সাথে বাচ্চার খাবার ও কিছূ আলাদা করে দিতে হবে।
 
বাচ্চা গুলো মায়ের সাথে খাবার খাওয়া শিখবে। উপরোক্ত বর্নিত সময়ের পর মুরগিকে বাচ্চা থেকে আলাদা করতে হবে। এ অবস্থায় বাচ্চাকে কৃত্রিম ভাবে ব্রুডিং ও খাবার দিতে হবে। তখন থেকেই বাচ্চা পালনের মত বাচ্চা পালন পদ্ধতির সব কিছুই পালন করতে হবে। মা মুরগিকে আলাদা করে লেয়ার খাদ্য দিতে হবে। এ সময় মা মুরগিকে তাড়াতাড়ি সুস্থ হওয়ার জন্য পানিতে দ্রবনীয় ভিটামিন দিতে হবে।
 
মা মুরগি ও বাচ্চা এমনভাবে আলাদা করতে হবে যেন তারা দৃষ্টির বাহিরে থাকে। এমন কি বাচ্চার চিচি শব্দ যেন মা মুরগি শুনতে না পায় । তা না হলে মা ও বাচ্চার ডাকা ডাকিতে কেউ কোন খাবার বা পানি কিছুই খাবে না । আলাদা করার পর অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে গেলে আর কোন সমস্য থাকে না ।প্রতিটি মুরগিকে এ সময় ৮০-৯০ গ্রাম লেয়ার খাবার দিতে হবে। সাথে সাথে ৫-৭ ঘন্টা চড়ে বেড়াতে দিতে হবে। প্রতি ৩-৪ মাস পর পর কৃমির ঔষধ এবং ৪-৫ মাস পর পর আর. ডি. ভি . টীকা দিতে হবে।
 
দেশে একটি মুরগি ডিম পাড়ার জন্য ২০ -২৪দিন সময় নেয় । ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর জন্য ২১ দিন সময় নেয় । বাচ্চা লালন পালন করে বড় করে তোলার জন্য ৯০-১১০ দিন সময় নেয় । ডিম থেকে এ ভাবে (৯০-১১০ দিন ) বাচ্চা বড় করা পর্যন্ত একটি দেশী মুরগির উৎপাদন চক্র শেষ করতে স্বাভাবিক অবস্থায় ১২০- ১৩০ দিন সময় লাগে।
 
কিন্তু মাকে বাচ্চা থেকে আলাদা করার ফলে এই উৎপাদন চক্র ৬০ -৬২ দিনের মধ্যে সমাপ্ত হয়। বাকি সময় মুরগিকে ডিম পাড়ার কাজে ব্যবহার করা যায় । এই পালন পদ্ধতিকে ক্রিপ ফিডিং বলে । * ক্রিপ ফিডিং পদ্ধতিতে বাচ্চা পালন করলে মুরগিকে বাচ্চা পালনে বেশী সময় ব্যায় করতে হয় না । ফলে ডিম পাড়ার জন্য মুরগি বেশী সময় দিতে পারে । এই পদ্ধতিতে বাচ্চা ফুটার সংখ্যা বেশী হয় । দেখা গেছে বাচ্চার মৃত্যুহারও অনেক কম থাকে। মোট কথা অনেক দিক দিয়েই লাভবান হওয়া যায় । এই পদ্ধতি বর্তমানে অনেকে ব্যবহার করে লাভবান হচ্ছেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৯, ২০২১ ৬:১১ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার শুক্রবার(১৯ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৯/০৩/২০২১ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৭.২০
সাদা ডিম=৬.৮০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩৫
সাদা ডিম=৫.৮০
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৩০
সাদা ডিম=৫.৭৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/১৩৫কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=৩১০/কেজি
প্যারেন্টস=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫-৩৮
লেয়ার সাদা=৩০-৩২
ব্রয়লার=
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
সাদা ডিম-৬.১০
ব্রয়লার মুরগী=১৫০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা=
ব্রয়লার=
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
সাদা ডিম=৫.৫০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
সাদা ডিম=৬.১০
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৪
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=৩১০/কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৪২
ব্রয়লার =৪৬
সোনালী হাইব্রিড =৩১
সোনালী রেগুলার =২৫
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী =২৯০/কেজি
টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী =৩০০/কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২৫
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭৮/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৩০
সাদা ডিম=৬.১০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.১৫
ব্রয়লার মুরগী=১৪৭/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=৩২০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৭
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী =৩০০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.০০
সাদা ডিম=৫.৮০

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

আরো পড়ুন: গতকালের ডিম ও মুরগির বাজার দর জানতে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৮, ২০২১ ৭:১৩ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার বৃহস্পতিবার(১৮ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৮/০৩/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট): লাল ডিম=৭.০০, সাদা ডিম=৬.৬০, ডাম্পিং মার্কেট=, লাল(বাদামী) ডিম=৬.১৫, সাদা ডিম=৫.৭০ টাকা।

গাজীপুর:- লাল(বাদামী)ডিম=৬.১০, সাদা ডিম=৫.৬৫, ব্রয়লার মুরগী=১৩২/ কেজি, কালবার্ড লাল=/কেজি, কালবার্ড সাদা=কেজি, সোনালী মুরগী=৩১০/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:-লেয়ার লাল =৩৫-৩৮, লেয়ার সাদা=৩০-৩২, ব্রয়লার=৪৮-৫০ টাকা।

খুলনা:- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০, সাদা ডিম=৬.১০ টাকা।

চট্টগ্রাম:- লাল(বাদামী) ডিম=৬.১০, সাদা ডিম-৫.৯০ টাকা। ব্রয়লার মুরগী=১৫০ কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী=/ কেজি টাকা
বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =৩৩, লেয়ার সাদা=৩৭, ব্রয়লার=৪৮-৫০ টাকা।
রাজশাহী:-লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০, সাদা ডিম=৫.৩০, সোনালী =কেজি টাকা, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি, সোনালী =/কেজি টাকা।

বরিশাল:- লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী =২৭০/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =৩৮, লেয়ার সাদা =, ব্রয়লার=৫৪ টাকা।

ময়মনসিংহ:- লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০, ব্রয়লার মুরগী=১২৭/১৩০ কেজি, সোনালী মুরগী=৩১০ কেজি টাকা।

সিলেট= লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪০, ব্রয়লার মুরগী=১৩০/ কেজি, কাজী(সিলেট) :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬২ টাকা।

রংপুর:- লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০ টাকা, কাজী(রংপুর) :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.২২ টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =৩২, ব্রয়লার =৫২, সোনালী হাইব্রিড =৩৬, সোনালী রেগুলার =২৮ টাকা।

বগুড়া : লাল(বাদামী)ডিম=, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি, সোনালী মুরগী =২৯০ কেজি টাকা।

টাংগাইল :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/১৩০ কেজি টাকা, সোনালী মুরগী =৩০০ কেজি টাকা।

কিশোরগঞ্জ:– লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০ টাকা।

নরসিংদী :– লাল(বাদামী) ডিম=৬.১০ টাকা, কালবার্ড লাল=/পিছ।

সিরাজগঞ্জ :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.১০, ব্রয়লার মুরগী=১২৫ কেজি, কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি, সোনালী মুরগী =২৭৫ কেজি টাকা।

ফরিদপুর :– লাল(বাদামী) ডিম=৬.২৫ কাজী(ফরিদপুর) :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪৫, ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি লেয়ার মুরগী=১৭০/কেজি, সোনালী মুরগী =২৬০/কেজি টাকা।

পাবনা :– লাল(বাদামী)ডিম=৬.০৫, সাদা ডিম=৫.৮৫ টাকা।

নোয়াখালী:- লাল(বাদামী)ডিম=৬.১৫ ব্রয়লার মুরগী=১৪৮ কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী=৩২০/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =৩৮, ব্রয়লার=৫৭ টাকা।
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:– লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০, সাদা ডিম=৫.৬০ টাকা, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি।

যশোর :-লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০, ব্রয়লার মুরগী= কেজি টাকা।

কুমিল্লা:- লাল (বাদামী) ডিম=৬.২০, ব্রয়লার মুরগী=১৪০ কেজি, কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি সোনালী মুরগী =৩০০/কেজি টাকা।

কক্সবাজার :- লাল (বাদামী) ডিম=৫.৮০ সাদা ডিম=৫.৬০, ব্রয়লার মুরগী = কেজি, কালবার্ড লাল=/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি, সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

আরো পড়ুন: গতকালকের ডিম ও মুরগির বাজার জানতে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৮, ২০২১ ৩:১১ অপরাহ্ন
ব্রয়লার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল
পোলট্রি

বাণিজ্যিকভাবে মুরগি পালনে নিয়মিত ভ্যাকসিন বা টিকা দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। অনেক স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং উন্নতমানের করলেও এমন কিছু রোগ আছে যেগুলো বলে কয়ে আসে না। আর একবার খামারে এ রোগের আক্রমণ হলে রাতারাতি আপনাকে ফকির বানিয়ে ছাড়বে। তাছাড়া পপুলেশন ডেনসিটি বেশি হলে অর্থাৎ এক জায়গায় বেশি পরিমানে পশুপাখি এমনকি মানুষ থাকলেও সেখানে রোগবালাই বেশি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। আর ওইরকম পরিবেশে রোগ দ্রুত ছড়িয়েও পড়ে। একারণে রোগের আক্রমণ ও ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে একসাথে পুরো পপুলেশনকে বা পুরো খামারেই বিভিন্ন রোগের টিকা নিয়মিত দিয়ে রাখা নিরাপদ।

ব্রয়লার  এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্য মুরগির তুলনায় কম থাকে। তাই সঠিক সময়ে সঠিক ব্যাবস্থাপনা লাভজনক ব্রয়লার পালনের মূলশর্ত। যেহেতু ব্রয়লার সল্পকালিন মুরগি তাই মাত্র দুই প্রকারের (রানীক্ষেত ও গামবোরো) ভ্যাকসিন প্রদান করলেই নিশ্চিন্ত থাকা যায়। তাই একটি একটি আদর্শ ব্রয়লার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল মেনে চলা উচিত।

নিচে একটি আদর্শ ব্রয়লার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল দেয়া হলো।

বয়স (দিন) রোগের নাম ভ্যাকসিনের নাম ভ্যাকসিনের প্রকৃতি প্রয়োগ পদ্ধতি
১-৩ রানীক্ষেত ও ব্রংকাইটিস আইবি+এনডি লাইভ এক চোখে এক ফোঁটা
৭-১০ গামবোরো আই বি ডি লাইভ মুখে এক ফোঁটা/খাবার পানিতে
১৪-১৭ গামবোরো আই বি ডি লাইভ মুখে এক ফোঁটা/খাবার পানিতে
১৮-২০ রানীক্ষেত এনডি লাইভ এক চোখে এক ফোঁটা/খাবার পানিতে

বিশেষ নোটঃ

  • ভ্যাকসিনের আগে পরে এন্টিবায়োটিক ব্যাবহার না করাই উত্তম। তবে ভ্যাকসিনের পরে ভিটামিন সি দেয়া ভালো।
  • অবশ্যই স্থান ভেদে ভ্যাকসিন সিডিউল পরিবর্তন করা যেতে পারে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৭, ২০২১ ৭:১১ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার বুধবার(১৭ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৭/০৩/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৬.২০

ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
সাদা ডিম=৫.৬০

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০
সাদা ডিম=৫.৫৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৫৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৯০/কেজি
প্যারেন্টস=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩০-৩৫
লেয়ার সাদা=৩৫-৪০
ব্রয়লার=৫৪-৫৭

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০
সাদা ডিম-৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১৪৭/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৩
লেয়ার সাদা=৩৭
ব্রয়লার=৫১/৫৩

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.১০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
সাদা ডিম=৬.১০

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৪

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১২৭/১৩০কেজি
সোনালী মুরগী=৩০০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.১০
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
ব্রয়লার =
সোনালী হাইব্রিড =
সোনালী রেগুলার =

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৬.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২৯০/কেজি

টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/১৩০কেজি
সোনালী মুরগী =৩০০/কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.১০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩১
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৫.৮৫
সাদা ডিম=৫.৬৫

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.১০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=৩০০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৭

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.১০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী =৩০০/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

গতকালকের ডিম ও মুরগির বাজার দর জানতে ক্লিক করুন

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৬, ২০২১ ৬:৩৮ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারি দাম (টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৬/০৩/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট): লাল ডিম=৬.৮০, সাদা ডিম=৬.২০, ডাম্পিং মার্কেট=, লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫, সাদা ডিম=৫.৬০ টাকা।

গাজীপুর:- লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০, সাদা ডিম=৫.৫৫, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/ কেজি, কালবার্ড লাল=১৫৫/কেজি, কালবার্ড সাদা=১২৫/কেজি, সোনালী মুরগী=২৯০/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:-লেয়ার লাল =৩০-৩৫, লেয়ার সাদা=৩৫-৪০, ব্রয়লার=৫৮ টাকা।

খুলনা:- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০, সাদা ডিম=৬.১০ টাকা।

চট্টগ্রাম:- লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০, সাদা ডিম-৫.৯০ টাকা। ব্রয়লার মুরগী=১৪৭ কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী=২৮৫/ কেজি টাকা
বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =৩৩, লেয়ার সাদা=৩৭, ব্রয়লার=৫৪ টাকা।
রাজশাহী:-লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০, সাদা ডিম=৫.০০, সোনালী =কেজি টাকা, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি, সোনালী =/কেজি টাকা।

বরিশাল:- লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী =২৭০/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =৩৮, লেয়ার সাদা =, ব্রয়লার=৫৪ টাকা।

ময়মনসিংহ:- লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০, ব্রয়লার মুরগী=১২২/১২৫ কেজি, সোনালী মুরগী=৩০০ কেজি টাকা।

সিলেট= লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০, ব্রয়লার মুরগী=১২৮/ কেজি, কাজী(সিলেট) :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪৩ টাকা।

রংপুর:- লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০ টাকা, কাজী(রংপুর) :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫ টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =৩৭, ব্রয়লার =৫৬-৫৭, সোনালী হাইব্রিড =৩৭, সোনালী রেগুলার =৩১ টাকা।

বগুড়া : লাল(বাদামী)ডিম=৬.২৫, ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি, সোনালী মুরগী =২৯০ কেজি টাকা।

টাংগাইল :- লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯৫, ব্রয়লার মুরগী=১২৩/১২৫ কেজি টাকা, সোনালী মুরগী =২৮০/২৯০ কেজি টাকা।

কিশোরগঞ্জ:– লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০ টাকা।

নরসিংদী :– লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০ টাকা, কালবার্ড লাল=/পিছ।

সিরাজগঞ্জ :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০, ব্রয়লার মুরগী=১২২ কেজি, কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি, সোনালী মুরগী =২৭০ কেজি টাকা।

ফরিদপুর :– লাল(বাদামী) ডিম=৬.১০ কাজী(ফরিদপুর) :- লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০, ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি লেয়ার মুরগী=১৭০/কেজি, সোনালী মুরগী =১৬০/কেজি টাকা।

পাবনা :– লাল(বাদামী)ডিম=৫.৮০, সাদা ডিম=৫.৬০ টাকা।

নোয়াখালী:- লাল(বাদামী)ডিম=৬.১০ ব্রয়লার মুরগী=১৪০ কেজি, কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি, সোনালী মুরগী=২৯০/কেজি টাকা।

বাচ্চার দর:- লেয়ার লাল =৩০, ব্রয়লার=৬০ টাকা।
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:– লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০, সাদা ডিম=৫.৬০ টাকা, ব্রয়লার মুরগী =/কেজি।

যশোর :-লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০, ব্রয়লার মুরগী= কেজি টাকা।

কুমিল্লা:- লাল (বাদামী) ডিম=৬.১০, ব্রয়লার মুরগী=১৪০ কেজি, কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি সোনালী মুরগী =৩০০/কেজি টাকা।

কক্সবাজার :- লাল (বাদামী) ডিম=৫.৮০ সাদা ডিম=৫.৬০, ব্রয়লার মুরগী = কেজি, কালবার্ড লাল=/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি, সোনালী মুরগী =/কেজি

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

আরো পড়ুন: পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার সোমবার (১৫ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৫, ২০২১ ৬:১৬ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার সোমবার (১৫ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারি দাম (টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৫/০৩/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৬.২০

ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
সাদা ডিম=৫.৬০

গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০
সাদা ডিম=৫.৫৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৫৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৯০/কেজি
প্যারেন্টস=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩০-৩৫
লেয়ার সাদা=৩৫-৪০
ব্রয়লার=৫৭-৫৯

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০
সাদা ডিম-৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১৪৫/১৪৭কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৩
লেয়ার সাদা=৩৭
ব্রয়লার=৫৬

রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৪.৯০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি

খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
সাদা ডিম=৬.১০

বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৪

ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/১২৫কেজি
সোনালী মুরগী=৩০০/কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.১০
ব্রয়লার মুরগী=১২৮/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩২

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৭
ব্রয়লার =৫৬-৫৭
সোনালী হাইব্রিড =৩৮
সোনালী রেগুলার =৩১

বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৬.১৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২৯০/কেজি

টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৩/১২৫কেজি
সোনালী মুরগী =২৮০/২৯০কেজি

কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি

নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০

সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি

ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪১
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮০/কেজি

পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০

নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৯০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩০
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৮

পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি

যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি

কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী =২৯০/কেজি

কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

আরো পড়ুনঃ পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার রবিবার (১৪ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৪, ২০২১ ৯:০৫ অপরাহ্ন
সফল খামারী: ৫২০ দিয়ে শুরু করে ৫ বছরে বাচ্চার সংখ্যা ৭ হাজার
পোলট্রি

ময়মনসিংহের নান্দাইল থানার ঘোষপালা গ্রামের খামারি আকাইদ হোসেন। পড়া-লেখার পাশাপাশি শুরু করেন ব্রয়লারের খামার। আর সেই ব্রয়লার খামার থেকেই লাভ লসের হিসাব কষে শুরু করেন সোনালি মুরগির চাষ। আর এভাবেই ভাগ্যবদল হয় সরকারি শহিদ স্মৃতি আদর্শ কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আকাইদের। এগ্রিভিউ২৪.কম এর একান্ত সাক্ষাৎকারে উঠে আসে আকাইদের ভাগ্যবদলের গল্প।

পড়া-লেখার পাশাপাশি কেন খামার শুরু করলেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে আকাইদ এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে জানাই, চাকরি না করার নেশা থেকেই মূলত আমার খামার করা। আমার ইচ্ছা হলো চাকরি করবো না। তবে, মানুষকে চাকরি দিবো। আর সেই নেশা থেকেই পেশা হিসাবে নিয়েছি এই খামারকে। আল্লাহর রহমতে দেখেছিও আলোর মুখ।

কিভাবে শুরু করলেন এই খামার? এগ্রিভিউ২৪.কম এর এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যখন ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি তখন আমার ভাইয়েরা খামার দিয়েছিলো। তবে তখন সেই খামারে তারা তেমন লাভ করতে পারেনি। বরং লস করেছিলো। যার কারণে তারা খামার বন্ধ করে দেয়। তবে আমার ভিতরে খামার করার ছিলো প্রচুর নেশা।

তিনি জানান, ২০১৬ সালে আমি যখন এসএসসি পাশ করি তখন আবার পরিবারের সহায়তায় শুরু করি ব্রয়লার খামার। ২৫ হাজার ৪৮০টাকা দিয়ে আমি খামার শুরু করি। তখন আমার খামারে ছিলো ৫২০টি বাচ্চা। তবে শুরুতে আমার অভিজ্ঞতা না থাকাই লাভ-লসের হিসাবে আমার লোসের পাল্লাটা ভারি ছিলো। তবে, প্রথমদিকে বাজারে সঠিক দাম পাওয়াতে লাভ হয়েছিলো কিছুটা। আর তাতে করে আমি ৫‘শ থেকে মুরগির খামার আরো বড় করে মুরগির সংখ্যা করি ১ হাজার। আর সর্বশেষ ২০১৬-১৭ সালে আমার লসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিলো প্রায় ২ লাখ টাকার মত।

লস হওয়ার ‍পিছনে কারণ কি বলে আপনি মনে করেন? এমন প্রশ্নে তিনি এগ্রিভিউ২৪‘কে বলেন, আমি প্রাথমিক অবস্থায় অনভিজ্ঞ ছিলাম। সিজনালী বাচ্চাও পাইনি। তারউপর যখন বাচ্চা পেলাম তখন একটি বাচ্চার দাম ছিলো ৭৯ টাকা করে। আর সেই মুরগি আমি বিক্রি করেছি কেজি প্রতি মাত্র ৯৫ টাকা করে। সবমিলিয়ে অনভিজ্ঞতা আর বাজার হিসাব না বুঝাতে আমাকে লসের ভার বহন করতে হয়েছে।

তারপরে কিভাবে নিজেকে টিকিয়ে রাখলেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে এসে আমি পোল্ট্রি খামার বাদ দিয়ে শুরু করি সোনালি মুরগি পালন। আর তাতেই আসে আমার সোনালি দিন। সাথে আছে অভিজ্ঞতাও। আর সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সোনালি মুরগিতে ভাগ্যবদল করতে সামর্থ হই।

তিনি বলেন, প্রথমে আমি ২ হাজার বাচ্চা দিয়ে শুরু করে প্রায় ২৪ হাজার লস করি। তারপর ২০১৮‘র শেষের দিকে লস কাটিয়ে ২৬‘শ বাচ্চায় লাভ করি ৭০ হাজার টাকা। ২০১৯ সালে এসে সেড আরো বড় করি। তখন আমার খামারে বাচ্চার সংখ্যা ৫ হাজার।

এরপর ২০২০ সালে এসে ৪৮‘শ বাচ্চার এক চালানে আমার লাভ হয় প্রায় ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকার মত। করোনার পরে ৫হাজার বাচ্চার সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৭ হাজারে। মোটকথা করোনার আগে-পরে আমার লাভ হয় প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মত। ২০২১ সালে এসে আবার আল্লাহর রহমতে আমার লাভ দিয়ে শুরু হয়। তখন আমি ৪ হাজার বাচ্চায় লাভ করি প্রায় ৩ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা। আর এভাবেই চলছে। আল্লাহর রহমতে এখন খামারের ভালো অবস্থা যাচ্ছে বলেও তিনি এগ্রিভিউ২৪.কে জানান।

শেষের দিকে লাভ হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে বলেন, এই ব্যবসায় কখনও হতাশ হওয়া ঠিক না। লেগে থেকে কাজ করতে হবে। আমি প্রথমে অনভিজ্ঞ ছিলাম। আর শেষের অভিজ্ঞতার আর বাজার পলিসি জানার কারণে লসের ভার বহন করতে হচ্ছে না। এখন আমি বাচ্চা কখন কিভাবে কিনতে হবে তা বুঝি। এমনকি খামারের বাচ্চার প্রাথমিক চিকিৎসাও আমি দিয়ে থাকি। একান্ত মারাত্মক কোন সমস্যা না হলে তিনি ডাক্তারের কাছে যান না বলেও এগ্রিভিউ২৪‘কে জানান।

সরকার থেকে কেমন সহযোগিতা আশা করছেন? এমন প্রশ্নে তিনি এগ্রিভিউ২৪.কে জানান, বাংলাদেশে খামারিদের জন্য এখনও সহজভাবে কোন ঋণ দেয়া হচ্ছে না। আমরা চাই খামারিদের জন্য কম সুদে সরকার ঋণের ব্যবস্থা করুক। তাতে করে আমরা যারা উদ্যোক্তা আছি আরো ভালো করে কাজ করার সুযোগ পাবো।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop