৯:৫৯ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ৫, ২০২১ ২:১৯ অপরাহ্ন
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

কুমারখালীতে অনুষ্ঠিত হলো প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা। শনিবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায়  কুমারখালী সরকারি কলেজ মাঠে এই প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল কুমারখালী কুষ্টিয়ার তত্বাবধায়নে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি), প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীবুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খান, কুমারখালী পৌরসভা মেয়র শামছুজ্জামান অরুন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমারখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরে আলম সিদ্দিকী।এ প্রদর্শনী মেলার অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাণি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. আরশাদ চৌধুরী।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- কুমারখালী উপজেলা মহিলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) মেরিনা আক্তার মিনা, কুমারখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বিনয় কুমার সরকার।

এ প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলাতে কুমারখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা খামারিরা তাদের পালিত হাস-মুরগি,গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন রকম  পশু-পাখি প্রদর্শন করেন।এছাড়াও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর খামারে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের আধুনিক যন্ত্র প্রদর্শন করে।

এ প্রদর্শনী মেলায় আসা দর্শনার্থীদের নজর কারে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের খামারী নিখিল কুমার বিশ্বারের খামারের ১২০০ কেজি ওজনের হলিস্টন ফ্রিজিয়ান ক্রোস জাতের একটি ষাঁড় গরু।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৫, ২০২১ ২:০২ অপরাহ্ন
বিএলআরআই’র আয়োজনে খামারী মাঠ দিবস উদযাপিত
প্রাণিসম্পদ

 বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই)-এর নাইক্ষ্যংছড়ি আঞ্চলিক কেন্দ্র, বান্দরবানে খামারী মাঠ দিবস উদযাপিত হয়েছে । ৫ জুন বিএলআরআই-এ চলমান ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জাত সংরক্ষণ ও উন্নয়ন গবেষণা প্রকল্পের আয়োজনে এই খামারী মাঠ দিবস পালিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রাণিসম্পদ-২) ড. অমিতাভ চক্রবর্ত্তী, বিএআরসি-এর পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন বিভাগের সদস্য-পরিচালক ড. মোঃ আবদুছ ছালাম, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মানিত সদস্য জনাব ক্যানে ওয়ান চাক। এছাড়াও অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএলআরআই-এর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানগণ, প্রকল্প পরিচালকগণ, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় শিক্ষক ও সচেতন সমাজের সদস্যসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় সাংবাদিকগণ।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিএলআরআই-এর সম্মানিত মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জাত সংরক্ষণ ও উন্নয়ন গবেষণা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. ছাদেক আহমেদ।
অনুষ্ঠানে খামারীদের মাঝে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালনের সুফল, অর্থনৈতিক সাফল্য, এই জাতের ছাগল পালনের প্রয়োজনীয়তা প্রভৃতি বিষয়সহ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের গুরুত্ব উপস্থাপন করেন বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল মহোদয়।
খামারীদের ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালনে উৎসাহিত করতে এই আয়োজন করা হয়। মাঠ দিবসকে কেন্দ্র করে বিএলআরআই-এর নাইক্ষ্যংছড়ি আঞ্চলিক কেন্দ্র সেজে উঠেছিল উৎসবের আবহে। সকাল থেকেই খামারীরা উৎসব স্থলে জমা হতে থাকে। বিরূপ আবহাওয়া আর মেঘলা দিনেও খামারীরা অসম্ভব আগ্রহ ও উদ্দীপনা নিয়ে খামারী মাঠ দিবসে যোগ দেন। করোনা পরিস্থিতিতে যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি ৩০০ (তিন শত) জন খামারী নিয়ে আয়োজন করা হয় খামারী মাঠ দিবসটি।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৫, ২০২১ ১:৩১ অপরাহ্ন
খামারে কমছে বেকারত্বের অভিশাপ
পোলট্রি

ছাগলনাইয়ার বেকার ও বিদেশফেরত যুবক-তরুণদের জন্য বেকাত্ব হ্রাসের বাস্তবরুপ লাভ করেছে সরকারের ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প ব্যক্তি উদ্যোগ। কোনো ধরনের পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা ছাড়াই তারা আয় করছেন লাখ লাখ টাকা।

উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার পোলট্রি, ডেইরি, হাঁস, ছাগল, কবুতরসহ বিভিন্ন প্রাণীর ছোট, বড় ও মধ্যম সারির খামার। ফলে এলাকায় কমেছে বেকারত্বের হার।

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষিত বেকাররা বাড়ির ছাদ, পতিত জমি, খালের পাড়ে এসব উৎপাদনশীল ক্ষুদ্র, মাঝারি, বৃহৎ খামার গড়ে তুলে নিজেকে যেমন সচ্ছল করেছেন, তেমনি পরিবারকেও করেছেন স্বাবলম্বী। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মাছ, মুরগি, ডিম এলাকার চাহিদা পূরণ করে খামারিরা বিক্রি করছেন উপজেলা, জেলা ও বিভাগব্যাপী। ফেনী জেলা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলা সদর থেকে শত শত গাড়ি প্রতিদিন রাতে ও ভোরে এসে নিয়ে যাচ্ছে এসব খামারের পণ্য।

উপজেলা সদর পৌরসভা, (মহামায়া, রাধানগর, শুভপুর, ঘোপাল, পাঠাননগর) পাঁচ ইউনিয়নে ৫৪টি ওয়ার্ড ঘুরে এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কার্যালয়ের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, এই উপজেলায় হাঁস-মুরগির খামার রয়েছে প্রায় ছয় হাজার।

ডেইরি বা গরুর খামার রয়েছে এক হাজার। ছাগল ও অন্যান্য মিলে আছে দেড় হাজারের মতো। সবচেয়ে বেশি খামারি রয়েছেন ঘোপাল ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে।

কর্মসংস্থান হয়েছে ২০ হাজার লোকের। চলতি বছর করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে খামারিদের অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ায় প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় দুই হাজার খামারিকে প্রণোদনা দিয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলায় বিভিন্ন প্রকার অসংখ্য খামার গড়ে উঠেছে। সূত্র: সমকাল

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৫, ২০২১ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
ইয়াসের প্রভাবে ভোলার চরাঞ্চলে গরু মহিষের রোগবালাই
প্রাণিসম্পদ

ভোলায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সাগরের নোনা পানি প্রবেশ করেছে। আর ৫-৬ ফুট উচ্চতায় প্লাবিত হয়েছে জেলার ৪০টি দ্বীপ চর। আর এতে করে এসব চরের তিন লক্ষাধিক গরু মহিষের মধ্যে বেশিরভাগ রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে।

গতকাল শুক্রবার জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ড. ইন্দ্রজিত কুমার মন্ডল নোনা পানি প্রবেশ করায় ওই পানিতে তিন দিন আটকে থাকায় গরু মহিষ মারা যাওয়ার পাশাপাশি রোগ দেখা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তাদের ২৫টি টিম মাঠে কাজ করছেন বলেও তিনি দাবি করেন।

যেসব চরে রোগ ছড়িয়ে পড়েছে ওইসব চর হচ্ছে, জেলা সদরের কাচিয়া মাঝের চর, রাজাপুর রামদাসপুর, ভেলুমিয়া, ভেদুরিয়া, দৌলতখানের মদনপুর চর, নেয়ামতপুর, চরফ্যাশনের চরপাতিলা, ঢালচর, চরনিজাম, সিকদার চর, কুকরিমুকরি, লালমোহনের চরশাহাজালাল, চরকচ্ছপিয়া, তজুমদ্দিনের চরমোজাম্মেলসহ ৪০টি চর।

প্রাণী সম্পদ বিভাগ সূত্র জানায়, জেলায় গরুর সংখ্যা রয়েছে ৫ লাখ ৯৫ হাজার, মহিষ রয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার, ছাগল রয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার, ভেড়া রয়েছে ২১ হাজার ৩শ’। এর মধ্যে ৫৭টি ইউনিয়নে সরকারি হিসেবে মারা গেছে গরু ৯৪টি, মহিষ ৯৭টি, ছাগল ৫৫টি, ভেড়া ১৭৬টি ও হাঁস ৩,৪৮৪টি। ইতিমধ্যে রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৫ হাজার ৫৯৭টি গরু, ৩ হাজার ৩৫৯টি মহিষ, ১১ হাজার ৬১২টি ছাগল, দুই হাজার ৫১টি ভেড়া। বেসকারি হিসেবে গরু মহিষ আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ।

চরফ্যাশন কুকরিমুকরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মনজুর জানান, ওই উপজেলায় জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে ৫ হাজার গরু মহিষ। যার সন্ধান এখনও মেলেনি। এছাড়া এখন আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। গোলাম দৌলতখান ভবানীপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম নবী নবু জানান, তার ভানীপুর চরহাজারি মৌজায় ৬ হাজার গরু মহিষ আক্রান্ত হয়েছে। মদনপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও জানান একই কথা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৫, ২০২১ ৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল শিশুর
প্রাণিসম্পদ

নেত্রকোনার পুর্বধলা উপজেলার ভাবানিপুর গ্রামে বজ্রপাতে আশামনি নামে ৭ বছরের এক শিশু নিহত হয়েছেন। এ সময় সেলিনা (৫০) নামে এক নারী আহত হয়েছেন।নিহত শিশু আশামনি ওই গ্রামের আব্দুল আলীর মেয়ে। আহত সেলিনা একই গ্রামের মোতালেব’র স্ত্রী।

শুক্রবার (০৪ জুন) বিকেলে উপজেলার ধলামুলগাও ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে বজ্রপাতের সময় শিশুটি গরু আনতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শুক্রবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিসহ বজ্রপাত হচ্ছিল। এ সময় শিশু আশামনি বাড়ির পাশে পুকুর পাড় থেকে গরু আনতে যায়। একই সাথে পাশের বাড়ির সেলিনা ওই পুকুরে গোসল করছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই আশামনি নিহত হয় ও সেলিনা আহত হয়।

স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় সেলিনাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৪, ২০২১ ১০:২৭ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের উদ্যোগে ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

দেশের প্রানীসম্পদের উন্নয়নের লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ কর্তৃক আয়োজিত দিনব্যাপী ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৪ ই জুন ২০২১) সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার আজগরা গ্রামে এই ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড.মো.লিয়াকত হোসেন। মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান ড.হুজ্জাত উল্যাহ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের সন্মানিত শিক্ষক গন এবং সাধারন শিক্ষার্থীরা।

সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সহযোগিতায় এই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এসময় গবাদি পশু লালন-পালনকারী ব্যক্তিদের মাঝে হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলের বিভিন্ন রোগের ওষুধ বিতরণ করা হয়।

এসময় শিক্ষার্থীরা জানান, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে প্রাণিসম্পদের উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। সরকার দেশের তৃণমূল পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ বিভাগকে আরো আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশের বেকারত্বকে দূর করতে গবাদিপশু লালন-পালন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। আর দেশের সিংহভাগ প্রাণিজ আমিষ আসছে তৃণমূল পর্যায়ের গবাদি পশু থেকে। তাই এই বিষয়ে আমরা যদি আরো যত্নবান হই তাহলে আগামীতে আরো লাভবান হবো। আর গবাদিপশু বিষয়ে যে কোন সমস্যায় আপনারা রেজিস্ট্রার ভেটেরিনারি ডাক্তার এর পরামর্শ নেয়া জরুরি।

উল্লেখ্য  সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ শুরু থেকেই ডেইরি রাজধানীর খ্যাত সিরাজগঞ্জ প্রানীসম্পদের উন্নয়ন এবং ভেটেরিনারি হাসপাতালের মাধ্যমে বিনামূল্যে গবাদিপশুর চিকিৎসা করে আসছে। দিগন্ত আহমেদ শিমুল

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৪, ২০২১ ৫:১৯ অপরাহ্ন
মুরাদনগরে ভুল চিকিৎসায় মারা গেলো ৩টি গরু!
প্রাণিসম্পদ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন যোগিরখিল গ্রামে সুমি আক্তার উদ্যোক্ত হওয়ার ইচ্ছা থেকে তিনটি বকনা বাছুর দিয়ে খামার শুরু করেন। কিন্তু ড্রাগ লাইসেন্স ও ফার্মাসিস্টের কোন প্রশিক্ষণ না থাকা আলম সামসের ভুল চিকিৎসায় স্বপ্ন ভেস্তে যায় সুমি আক্তারের। ভুল চিকিৎসার কারণে মারা যায় তার তিনটা গরু।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, যোগিরখিল গ্রামের প্রবাসী জসিম উদ্দিনের স্ত্রী সুমি আক্তার গরুর কৃমিনাশক ওষুধ নিতে গত ৩১ মে বিকাল আনুমানিক ৫টায় দৌলতপুর গ্রামের আলম সামসের ফার্মেসীতে যায়। কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ার পর গত বুধবার বিকেলে আবারো ওই ফার্মেসীতে গিয়ে লিভারটনিক ও ভিটামিন ওষুধ আনে। ওইদিন সন্ধ্যায় ওষুধ খাওয়ানোর পর পরই গরুগুলো ঢলতে শুরু করে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই গরুগুলো মারা যায়।

উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখা সুমি আক্তার কান্না জানান, আমি আমার গরুগুলোকে নিয়ে সবসময় ব্যস্ত থাকতাম। ভেবে ছিলাম খামারি হবো, কিন্তু সে স্বপ্ন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। সব শেষ করে দিল ভন্ড চিকিৎসক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফার্মেসী মালিক আলম সামসের ড্রাগ লাইসেন্স ও ফার্মাসিস্টের কোন প্রশিক্ষণ নেই।

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার সকালে সুমি আক্তার বাদী হয়ে দৌলতপুর গ্রামের ছামছুল হকের ছেলে ফার্মেসী মালিক আলম সামসের বিরুদ্ধে বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বিষয়টির ব্যাপারে কথা বলার জন্য অভিযুক্ত ফার্মেসী মালিক আলম সামসের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৪, ২০২১ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
ঠাকুরগাঁও সীমান্ত দিয়ে আসছে ভারতীয় গরু
প্রাণিসম্পদ

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলার ভারতীয় বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রায় প্রতি রাতের আঁধারে ভারতীয় গরু ঢুকছে অভিযোগ সীমান্তবাসীদের। এসব ভারতীয় গরু পৌঁছে যাচ্ছে উপজেলার লাহিড়ী বাজার হাট, নেকমরদ হাটসহ বিভিন্ন হাট বাজারগুলোতে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত গরু ব্যবসায়ীরা ঠাকুরগাঁওয়ে আসছেন গরু কিনতে।

করোনার বিস্তার রোধে সীমান্তগুলোতে নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে এমন দাবী বিজিবি’র। জেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে এখনো সীমান্ত দিয়ে গরু প্রবেশ বন্ধ হচ্ছে না।

এলাকাবাসীরা জানান, পাচারকারীদের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্ত এলাকাগুলোতে আসতে পারে। কেন গরু আসা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না তা বোধগম্য নয়।

ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্ণেল শহিদুল ইসলাম (পিএসসি) জানান, ইতোমধ্যে সীমান্তে করোনা বিষয়ক প্রচারণা করাসহ সীমান্তবাসীদের জানানো হয়েছে যে, কোনো রকম অনুপ্রবেশ লক্ষ্য করলেই তারা যেন বিষয়টি আমাদেরকে দ্রুত অবহিত করেন।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কামরুজ্জামান সেলিম জানান, করোনা ভাইরাসের বিস্তাররোধে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।
সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু আসা বন্ধ করার বিষয়ে সকল রকমের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিজিবি ও ইউএনও এর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা করছি বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৩, ২০২১ ৬:৩৩ অপরাহ্ন
পাথরঘাটায় হরিণের মাংস জব্দ, আটক-১
প্রাণিসম্পদ

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় ২০ কেজি হরিণের মাংসসহ গোলাম সরোয়ার হাওলাদা (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের দক্ষিণ চরদুয়ানীর বলেশ্বর নদের পাড় থেকে আটক করা হয়।

আটক গোলাম সরোয়ার হাওলাদার উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাদুরতলা এলাকার মফিজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। এ সময় ইউনুস হাওলাদার, ছগির চৌকিদার ও ফিরোজ হাওলাদার পালিয়ে যায় বলে জানায় পুলিশ।

আটক গোলাম সরোয়ার জানান, তিন দিন আগে তাকে ইউনুস ও ছগির বাবুর্চি হিসেবে ট্রলারে কাজ করার জন্য নদীতে মাছ শিকার করতে নিয়ে যায়।

পরে সুন্দরবনের পাশে ট্রলারসহ তাকে রেখে ইউনুস, ছগির ও ফিরোজ চারটি হরিণ শিকার করে নিয়ে আসে। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলেও জানান।

পাথরঘাটা থানার ওসি মো. আবুল বাশার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে পাথরঘাটা থানার এসআই (উপপরিদর্শক) রাজেত আলী দক্ষিণ চরদুয়ানী এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ওই এলাকার সেলিম মৃধার স’মিলের (করাতকল) পাশ থেকে গোলাম সরোয়ারকে আটক করে বস্তা থেকে ২০ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করেন।

তখন ইউনুস, ছগির ও ফিরোজ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। আটক গোলাম সরোয়ারের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৩, ২০২১ ৫:৫৩ অপরাহ্ন
করোনায় মারা গেলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মেহেদী
প্রাণিসম্পদ

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (লাইভস্টক) ক্যাডারের ৩০তম ব্যাচের কর্মকর্তা ডা. মেহেদী হাসান সুমন (৩৯)। তিনি ময়মনসিংহ মুক্তাগাছা উপজেলায় প্রাণিসম্পদ দফতর এবং ভেটেরিনারি হাসপাতালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বুধবার (২ জুন) রাতরাত ৯টা ৪০মিনেটে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

মেহেদী হাসানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। তারা নিহত ডা. মেহেদী হাসান সুমনের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শোক প্রকাশ করে বলেন, ডা. মেহেদী হাসান সুমন ছিলেন একজন তরুণ মেধাবী কর্মকর্তা। কর্মক্ষেত্রে তিনি দক্ষতা ও সুনামের সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে এ ক্ষণজন্মা কর্মকর্তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব শোক প্রকাশ করে বলেন, ডা. মেহেদী হাসান সুমনের মত বিনয়ী ও জনবান্ধব কর্মকর্তার মৃত্যু দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের বিরাট ক্ষতি। তার মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গভীর ভাবে শোকাহত।

জানা যায়, জামালপুর সদরের নুরুন্দি এলাকার বাসিন্দা মেহেদী হাসান সুমন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৯-২০০০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে ৩০তম বিসিএসে ক্যাডারপ্রাপ্ত হন এই কর্মকর্তা। সবশেষ মুক্তাগাছা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। তিনি স্ত্রী, ৫ বছর বয়সী এক মেয়ে ও ১৬ মাস বয়সী এক ছেলেসন্তান রেখে গেছেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop