৪:৫৯ অপরাহ্ন

শনিবার, ২ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ৩:২২ অপরাহ্ন
আমেরিকার চাকরি ছেড়ে দেশে গরুর দুধের ব্যবসা, মাসিক আয় ৪০ কোটি!
পাঁচমিশালি

আমেরিকার বিপুল আয়ের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন কর্ণাটকের ছেলে। তিনি আমেরিকার একটি নামজাদা সংস্থায় মোটা টাকায় কাজ করেছেন ৬ বছর ধরে। সেই সব ছেড়ে আসেন নিজ দেশে। আর এসেই শুরু করেন গরুর দুধের ব্যবসা৷ ২০১২ সালে মাত্র ২০ টি গরু দিয়ে শুরু করে এখন তাঁর মাসিক আয় ৪০ কোটি টাকা।

নিউজ১৮.বাংলা এর সূত্র মতে জানা যায়, গরুর দুধ দোয়ানের কাজও করতেন এই ব্যবসায়ীর পরিবারের সকলে৷ এইভাবেই ক্রেতাদের দারজায় দরজায় প্রতিদিন পৌঁছে দিতেন দুধ৷ এরপর কেনা হয় দুধ মজুত রাখার জন্য বিশেষ ফ্রিজ৷ যার ফলে দুধ জমিয়ে রাখতে পারতেন তাঁরা৷ ধীরে ধীরে ব্যবসার প্রসার ঘটে৷ ছেলের নাম সিদ্ধার্থ, সেই নামের সঙ্গে মিলিয়ে এই দুধের ব্যবসার নাম রাখা হয় সিডস ফার্ম৷

২০১৮ নাগাদ তাঁদের খদ্দের ছিল ৬হাজার৷ যা মূলত হায়দরাবাদ ও তার আশপাশেই ছিল৷ এখন এই ব্যবসা ফুলে ফেপে উঠেছে৷ ১২০জন কর্মী কাজ করেন এই সংস্থায়৷ মাসের আয় প্রায় ৪০ কোটি টাকা৷ এবং খদ্দের সংখ্যা ১০হাজারেরও বেশি৷

এখন সাফল্য এলেও, শুরুর দিনগুলো ছিল বেশ কঠিন৷ নিজেরা গিয়ে গিয়ে অন্যদের বাড়িতে দুধ দিয়ে আসতে হত তাদের৷ পরিবারের সঞ্চিত সব টাকাই ঢালতে হয়েছিল এই ব্যবসায়৷ শুরুতে ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হয়৷ পরের বছর আবার ২ কোটি বিনিয়োগ করতে হয়৷ আস্তে আস্তে লাভের মুখ দেখেন আইআইটির প্রাক্তনী৷ এরপর ২০১৮-এ নিজের ব্যবসা আরও বড় করতে ১.৩ কোটি লোন পান তিনি৷

গরু ও মোষের দুধ দিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও, এখন এই ব্যবসা অনেক দূর এগিয়েছে৷ নানা ধরণের দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রি হয়৷ দুধ, ঘি, মাখন, পনির সবই মেলে এখানে৷ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে কাজ হয় সিডস ফার্মে৷ যদিও কোভিড ও লকডাউন পরিস্থিতিতে কিছুটা হলেও মার খেয়েছে ব্যবসা, তবে তাতে কোনও সমস্যা হয়নি ব্যবসায়ীর৷ নিজের কাজ তিনি নিজে করে চলেছেন এবং অনেক যুবদের আদর্শ হয়ে উঠেছেন এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত করে৷

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ১০:১২ পূর্বাহ্ন
গাভী হিটে না আসা কারণ
প্রাণিসম্পদ

গাভী হিটে না আসা বা গরম বা ডাক না আসা (Anestrum): বকনা পশু বয়:প্রাপ্ত হওয়া সর্ত্বেও ও গাভী বাচ্চা দেওয়ার ৩ মাসের মধ্যে গরম বা হিটে না আসাকে এ্যানস্ট্রাম (Anestrum )বলা হয়। আমাদের দেশের গরুর প্রায় ৮৬% এ্যান্ট্ট্রাম (Anestrum) হওয়ার তথ্য আছে।

হিটে না আসার কারণ

পুষ্টির অভাব যেমন: ফসফরাস, কপার, কোবাল্ট, মাঙ্গানিজ, সিলেনিয়াম ও

ভিটামিন এ, ডি ও ই ইত্যাদির অভাবে এ রােগ হয়।

জরায়ুতে প্রদাহ: বিভিন্ন ধরনের জীবানু দ্ধারা এ রােগ হয়।
ওভারীর সমস্যা: ওভারীতে বিভিন্ন ধরনের সিস্ট বা পানির থলি হলে ও

টিউমার হলে পশু সময়মত পশু গরম হয় না। হরমােনের ভারসাম্যহীনতা: ইস্টোজেন ও প্রজেস্টরেন, ফলিকুল স্টমুলেটিং হরমােন, এল এইচ, পােস্টাগ্লানডিন ইত্যাদির লেভেল রক্তে কম-বেশী হলে
এ রােগ হয়।

লক্ষণ
১) বকনা বা গাভী যথা সময়ে হিটে বা গরম না আসা।
২) হিট বা গরম হওয়ার কোন লক্ষণ প্রকাশ পায় না।

রোগ নির্নয়ঃ
১। পুষ্টিহীনতা, খাওয়া দাওয়ার অপ্রতুলতা ও জনন তন্ত্রের বিভিন্ন রােগের ইতিহাস।
২। রেক্টাল পালপেশন মাধ্যমে জনন অঙ্গের পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় যেমন- ডিম্বাশয়ে ফলিকুলার বা লিউটিয়াল সিস্ট, জরায়ুতে সংক্রামন (স্ফীত ও ব্যাথাপূর্ণ) ইত্যাদি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ১০:০১ পূর্বাহ্ন
কুমিল্লায় গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা গেলো কৃষক
পাঁচমিশালি

কুমিল্লার হোমনায় গরু নিতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত কৃষক আব্দুল মোমেন চান্দেরচর ইউনিয়নের সীতারামপুর গ্রামের তফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চান্দেরচর ইউপির চেয়ারম্যান আবুল বাশার।

চেয়ারম্যান আবুল বাশার জানান, আকাশে মেঘ দেখে মোমেন গরু নেয়ার জন্য বাড়ির পাশের জমিতে যান। সেখানে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তার।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
কিশোরগঞ্জে হাওর থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মৃত্যু
পাঁচমিশালি

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মো. আরিফুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোর রাখালে প্রাণহানি হয়েছে। নিহত আরিফুল ইসলাম গুরুই ইউনিয়নের বেতি নোওয়াগাঁও এলাকার মিয়া চাঁনের ছেলে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার গুরুই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী বিয়াতিরচর হাওরে বজ্রপাতে মৃত্যুর এঘটনা ঘটে।

নিকলী উপজেলার গুরুই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবু তাহের এবং নিকলী থানার ওসি মো. শামসুল আলম সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে আরিফুল ইসলাম গুরুই ইউনিয়নের বিয়াতিরচর হাওর থেকে গরু আনতে যায়। এসময় প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এসময় আরিফুল গুরুতর আহত হন। মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৮, ২০২১ ৯:২৭ অপরাহ্ন
দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর
প্রাণিসম্পদ

দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (১৮ মে) বিকেলে রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় ৬৫দিন সকল প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এসময় তিনি বলেন, “মৎস্য দেশের বড় সম্পদ। এ সম্পদের কথা বঙ্গবন্ধু বলে গিয়েছিলেন, মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। বর্তমান সরকারের নানা পদক্ষেপে সে মাছ আজ বাংলাদেশে সহজলভ্য হয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছ আমরা ফিরিয়ে এনেছি। ইতোপূর্বে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় মৎস্য অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, মৎস্যজীবী সমিতি ও সংগঠন সম্মিলিতভাবে অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে কাজ করেছে। রাষ্ট্রের একটি অংশ হিসেবে সকলে মিলে দায়িত্ব পালন করেছেন। এমনকি অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধ করতে গিয়ে বিভিন্নভাবে বাধাপ্রাপ্ত হলেও তারা পিছপা হননি। এটি আমাদের এগিয়ে যাবার মূলমন্ত্র। এভাবে দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

নতুন প্রণীত সামুদ্রিক মৎস্য আইন নিয়ে কিছু বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ছিল উল্লেখ করে এসময় মন্ত্রী বলেন, “সামুদ্রিক মৎস্য আইনের অপপ্রয়োগের কোন অভিযোগ আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তারপরও এই আইনের অপপ্রয়োগ দেখলে সেটি বন্ধ করা হবে। তাই এই আইন নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোন কারণ নেই।

দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মেনে নেওয়া হবে না। তবে অকারণে কোন ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন সেটি লক্ষ্য রাখতে হবে। আমাদের সীমিত সামর্থ্য দিয়ে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষা করতে হবে। মৎস্যজীবী সম্প্রদায়সহ জনগণকে মৎস্যসম্পদ রক্ষার গুরুত্ব বোঝাতে হবে।”

“করোনা সংকটে সরকারের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রচুর পরিশ্রম করেছেন। তারা অর্পিত দায়িত্ব পালনে কোনরূপ শৈথিল্য প্রদর্শন করেন নি। করোনায় মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থা বিশেষ করে মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর অসাধারণ ভূমিকা রেখেছে। মানুষের দোরগোড়ায় এ মন্ত্রণালয় মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পৌঁছে দিয়েছে।

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আন্তরিকতা, একাগ্রতা ও উৎসর্গের কারণে করোনাকালেও দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও উন্নতি সম্ভব হয়েছে। এসময় যেখানে বিশ্বের বড় বড় রাষ্ট্রের অর্থনীতি নুয়ে পড়ছে সেখানে আমাদের দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি অসাধারণ। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।”-যোগ করেন মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মোঃ তৌফিকুল আরিফ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, নৌপুলিশের অতিরিক্ত মহাপুলিশপরিদর্শক মোঃ আতিকুল ইসলাম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের উপপরিচালক শেফাউল করিম, সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তর, চট্টগ্রাম-এর পরিচালক এবং বন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ, জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতি ও বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিসহ মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জননিরাপত্তা বিভাগের প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, বরিশাল, ভোলা, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তাগণ সভায় অনলাইনে অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, দেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য সামুদ্রিক মৎস্য আইন, ২০২০ অনুযায়ী ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ২০২১ পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় সকল প্রকার মৎস্য নৌযান দিয়ে সব ধরণের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। ২০১৫ সাল থেকে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে মন্ত্রণালয়। এ বছর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধকালে দেশের উপকূলীয় ১৪ টি জেলার ৬৬ টি উপজেলায় ২ লক্ষ ৯৮ হাজার ৫৯৫ টি জেলে পরিবারকে ১৬ হাজার ৭২১.৩২ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল ইতোমধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৮, ২০২১ ৬:০৭ অপরাহ্ন
সীমান্তে ভারতীয় চোরাই গরু উদ্ধার করলো বিজিবি
পাঁচমিশালি

ভারত থেকে অবৈধ পথে বাংলাদেশে আসা খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার সীমান্তবর্তী শান্তিপুর বিওপি এলাকা থেকে আটটি ভারতীয় গরু উদ্ধার করেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন-বিজিবি।

সোমবার (১৭ মে) ভোরের দিকে শূন্য লাইন হইতে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সিদ্দিক টিলা নামক এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ভারতীয় ৮টি গরু উদ্ধার করে। তবে আটক করা যায়নি জড়িত কোন চোরাকারবারীকে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪০ বিজিবি পলাশপুর জোন শান্তিপুর বিওপি’র টহল কমান্ডার হাবিলদার মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে বিজিবি জওয়ানরা গরুগুলোর আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ বিশ হাজার টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।

৪০ বিজিবি’ (পলাশপুর জোন) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সৈয়দ সালাহ উদ্দিন নয়ন পিএসসি জানান, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারতীয় গরু করে নিয়ে আসছে চোরাকারবারিরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া করলে তারা গরুগুলো রেখে ফেলে পালিয়ে যায়। এসময় মালিকবিহীন অবস্থায় গরুগুলো উদ্ধার করা হয়।

৪০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সৈয়দ সালাহ উদ্দিন নয়ন পিএসসি জানান, বর্তমানে গরুগুলো শান্তিপুর বিওপিতে রয়েছে। উদ্ধারকৃত ভারতীয় গরুগুলো কাস্টম অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৮, ২০২১ ২:২৪ অপরাহ্ন
গরুর ধান খাওয়া বিবাদে যুবককে কুপিয়ে হত্যা!
পাঁচমিশালি

গোপালগঞ্জে গরুর ধান খাওয়া নিয়ে বিরোধে শরিফুল ইসলাম হেলাল (৩২) এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে একদল লোকজন। তিনি ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ফেরদাউস আলম মনার ছেলে। এলাকায় ভলিবল ও কাবাডি খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত ছিলেন শরিফুল।

সোমবার দুপুরে কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের হিরণ্যকান্দি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে কাশিয়ানী থানার ওসি মো. আজিজুর রহমান জানান, শরিফুল ইসলাম হেলালের ফুফাত ভাই ইমরুল খোন্দকারের গরু স্থানীয় সেকেন্দার মৃধার জমির ধান খায়। এ নিয়ে কয়েকজন যুবক ইমরুলকে বেদম মারপিট করে। এই ঘটনার খবর পেয়ে হেলাল ঘটনাস্থলে যাচ্ছিলেন।

“পথে হিরণ্যকান্দি গ্রামের দক্ষিণপাড়া ব্রিজের কাছে হেলালকে একা পেয়ে একদল সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হেলালকে মারাত্মক আহত করে।”
পরে স্থানীয়রা তাকে কাশিয়ানী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও জানান, এই ঘটনায় শহিদুল তালুকদার নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত আছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৮, ২০২১ ২:০৮ অপরাহ্ন
তাড়াশে গরু আনতে মাঠে গিয়ে বজ্রপাতে নারীর মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে মাঠে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে হালিমা খাতুন (৫৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১৭ মে) বিকেলে উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের নাড়া তেঘুরি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হালিমা খাতুন ওই গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী।

দেশীগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল কুদ্দুস সরকার বলেন, বিকেলে ওই নারী গরু আনার জন্য মাঠে যান। এ সময় হঠাৎ ঝড় ও বজ্রপাত শুরু হয়।বজ্রপাতে হালিমা খাতুন গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে আনার পথে তিনি মারা যান।

তাড়াশ থানার ওসি (তদন্ত) হাবিবুর রহমান জানান, বজ্রপাতে নারীর মৃত্যুর বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৭, ২০২১ ৩:০৪ অপরাহ্ন
গরমে গরুর হিট স্ট্রোক এড়ানোর সহজ উপায়
প্রাণিসম্পদ

গরুর হিট স্ট্রোক এড়ানোর সহজ উপায় আমরা অনেকেই জানি না। গরু পালনের অন্যতম সমস্যা হল গরমের সময়ে গরুর হিট স্ট্রোক হওয়া। গরুর হিট স্ট্রোক হলে খামারিদের চিন্তায় পড়তে হয়। কিছু উপায় অবলম্বন করলে গরুর হিট স্ট্রোক সহজেই এড়ানো যায়। তবে অনেকেই এসব উপায় সম্পর্কে জানেন না। চলুন তাহলে আজকে জেনে নেই গরুর হিট স্ট্রোক এড়ানোর সহজ উপায় সম্পর্কে-

 গরুর খামারে গরমকালে হিট স্ট্রোক থেকে গরুগুলোকে রক্ষা করার জন্য নিচের উপায় অবলম্বন করা যেতে পারে-

১। গরুর হিট স্ট্রোক সাধারণত গরমকালে হয়ে থাকে। আর এই গরমকালে গরুকে রোদের মধ্যে বেঁধে রাখলে গরুর হিট স্ট্রোক হতে পারে। তাই গরমকালে গরুকে হিট স্ট্রোক থেকে রক্ষা করার জন্য কোনভাবেই গরুকে খোলা মাঠে বেঁধে রাখা যাবে না। আর যদি গরুকে খোলা স্থানে বেঁধে রাখতেই হয় তাহলে ছায়াযুক্ত জায়গায় বেঁধে রাখতে হবে।

২। গরমের সময়ে গরুর হিট স্ট্রোক এড়ানোর জন্য গরুকে ঘন ঘন ঠাণ্ডা ও বিশুদ্ধ পানি পান করাতে হবে। তীব্র গরমে গরুকে ঠাণ্ডা পানি পান করানো গেলে গরুর শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনে থাকে এবং গরুর হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও অনেকগুনে কমে যায়।

৩। গরমকালে গরুকে হিট স্ট্রোকের কবল থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত গরুকে গোসল করিয়ে দিতে হবে। গরুকে নিয়মিত গোসল করালে গরুর শরীরের তাপমাত্রা খুব বেড়ে গেলেও তা আবার নিয়ন্ত্রনে চলে আসে। তাই হিট স্ট্রোক থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত গরুকে গোসল করাতে হবে।

৪। গরুর হিট স্ট্রোক এড়ানোর জন্য গরুর খামারে প্রয়োজনীয় বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। গরুর খামারের চারদিকে স্বাভাবিকভাবে বাতাস চলাচল করলে গরু সহজেই হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হবে না।

৫। গরুর হিট স্ট্রোক এড়ানোর জন্য খামারের চারপাশে ছায়া প্রদানকারী গাছ লাগাতে হবে। খামারের চারদিকে ছায়াযুক্ত গাছ থাকলে গরুর খামারের তাপমাত্রা তীব্র গরমেও স্বাভাবিক থাকবে। এর ফলে গরু সহজেই হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হবে না।

৬। গরমের সময়ে গরুর শরীরের তাপমাত্রা খুব বেড়ে গেলে যদি সম্ভব হয় তাহলে গরুর মাথায় ঠাণ্ডা বরফ দিয়ে ঘসে দিতে হবে। আর এর ফলে গরুর শরীরের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমে যাবে এবং গরুর হিট স্ট্রোক হবে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৬, ২০২১ ১:৩১ অপরাহ্ন
দু‘টি হরিণ দিয়ে শুরু করে এখন ৬টি হরিণের মালিক রিয়াজ!
প্রাণ ও প্রকৃতি

রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া সড়কের মোহনপুর গ্রামের আলী মন্ডলের ছেলে রিয়াজ মাহমুদ(৩০) ২ বছরে দুটি হরিণ থেকে এখন ৬টি হরিণের মালিক। তিনি এখন ৬ লাখ টাকা মূল্যের ৬টি হরিণের মালিক হয়েছেন।

জানা যায়, ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে ইংরেজিতে মাস্টার্স শেষ করে বিশ্ব ব্যাংকের একটি প্রকল্পে চাকরি নেন রিয়াজ। ছাত্রাবস্থায় হরিণ চাষের দিকে তার ছিলো প্রবল আগ্রহ। তাই চাকরি করলেও খুঁজতে থাকের হরিণ চাষের সুযোগ। তাই সে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ না হয়ে গেলে হরিণ পালনের প্রবল ইচ্ছা নিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন তিনি।

অবশেষে বন মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন নিয়ে ২০১৮ সালে শখের বশে দুটি হরিণ পালন শুরু করেন। সেই দুটি থেকে এখন মোট ৬টি হরিণ হয়েছে তার খামারে। নিজ বাড়ির আঙিনায় শখের বশে হরিণ পালন করে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন রাজবাড়ীর রিয়াজ মাহমুদ। এখন তিনি স্বপ্ন দেখছেন ভবিষ্যতে এই খামারটি সম্প্রসারণ করে দুই শতাধিক হরিণ পালনের। কিন্তু আইনি জটিলতার কারণে সেটি সম্ভব হবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চিত এই যুবক। আইনি জটিলতা থাকার কারণে তাকে এগোতে হচ্ছে ধীরগতিতে।

হরিণ এখন বিলুপ্তির পথে। এই প্রাণীকে টিকিয়ে রাখতে হলে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে সরকারকে। হরিণ একটি লাভজনক প্রাণী। এটিকে যদি বাণিজ্যিকভাবে পালনের জন্য সরকার আইনি প্রক্রিয়া সহজ করেন তাহলে এটি দেশের অর্থনৈতিক খাতে ভূমিকা রাখতে পারবে বলে জানানিএই তরুণ উদ্যোক্তা রিয়াজ মাহমুদ।

রিয়াজ বলেন, হরিণ যাতে সবাই পালন করতে পারে সে জন্য নীতিমালা শিথিলসহ ট্যাক্স কমানো ও লাইসেন্স গণহারে দেওয়া উচিত। হরিণের বিলুপ্তি ঠেকাতে গবাদি পশুর মতো হরিণের খামারের অনুমোদন দেওয়া উচিত। আমি নিজেই প্রতিদিন হরিণগুলোর খাবার দেয়াসহ সার্বিক যত্ন নিই।

রিয়াজ আরো জানান, বন বিভাগের অনুমতি নিয়ে ২০১৮ সালে দুটি হরিণ কিনেছি বরিশালের একটি খামার থেকে। সে দুটি হরিণ থেকে এখন আমার এখানে ছয়টি হরিণ হয়েছে। যার প্রতিটির সরকারি মূল্য ৭০ হাজার টাকা। ৪৪ শতাংশ জমির উপর এই খামারটি। এটিকে সম্প্রসারণ করে এক একর জমির উপর করার ইচ্ছা রয়েছে। সরকারি অনুমতি পেলে সেটি করার স্বপ্ন দেখছি। যেখানে দুই শতাধিক হরিণ পালন করা যাবে।

কালুখালী উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. প্রদীপ কুমার সরকার জানান, হরিণ যেহেতু একটি অর্থকারী প্রাণী সেহেতু বাণিজ্যিকভাবে হরিণের খামার তৈরি করা গেলে, দেশে অর্থনৈতিকখাতে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে। কালুখালীতে যে খামারটি রয়েছে সেটিতে আমরা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সব সময় সহযোগিতা করছি। এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই ভেটেনারি সার্জন।

রাজবাড়ী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফজলুল হক জানান, বাণিজ্যিকভাবে হরিণের খামার করলে দেশের অর্থনৈতিকখাতে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে। কালুখালীতে যে খামারটি রয়েছে সেটিতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে সব সময় সহযোগিতা করা হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop