১২:২০ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ২৩, ২০২১ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
ডিসির কাছ থেকে গরু পেয়ে খুশিতে অশ্রু‌সিক্ত বৃদ্ধা
পাঁচমিশালি

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাস‌ক ড. কেএম কামরুজ্জামান সে‌লিমের কাছ থে‌কে গরু ও আর্থিক সহায়তা পে‌য়ে আন‌ন্দে অশ্রু‌সিক্ত হ‌য়ে‌ছেন এক বৃদ্ধা। তিনি শহরের আদর্শ কলোনির বৃদ্ধা ম‌নোয়ারা খাতুন।

বৃহস্প‌তিবার জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সে‌লিম মনোয়ারা খাতুনকে এক‌টি গরু ও কিছু আর্থিক সহায়তা এবং চাল, ডাল তেলসহ শুকনা খাবার উপহার দেন। আশা পূরণের আনন্দে এসময় অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন মনোয়ারা খাতুন।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন-এর আয়োজনে জেলায় কর্মরত ৬১টি দপ্তর এবং কিছু এনজিও ও জনপ্রতিনিধির আর্থিক সহায়তায় শতভিক্ষুককে বকনা বাছুর উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়েছিল। মনোয়ারা খাতুন তখন ওই উপহার থেকে বঞ্চিত হন। প‌রে বিষয়টি জানতে পারেন জেলা প্রশাসক।

প্রতি বুধবার জেলা প্রশাসক যে গণশুনানি করেন, সেখানে উপস্থিত হন মনোয়ারা খাতুন।

গণশুনানিতে সাধারণত স্বল্প পরিসরে চিকিৎসা সহায়তা, বই ক্রয়ের জন্য সহায়তা, ফরম ফিলাপের জন্য সহায়তা, জমি-জমা সংক্রান্ত সহায়তা ইত্যাদি সহায়তা করা হয়। সেখানে কাউকেই গরু-ছাগল বা এ জাতীয় সহায়তা সাধারণত করা হয় না। তবে মনোয়ারা খাতুন গণশুনানিতে জেলা প্রশাসক‌কে এমনভাবে কনভিন্স করেছেন যে, জেলা প্রশাসক তার আবদার ফি‌রি‌য়ে দি‌তে পারেননি।

জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সে‌লিম জানান, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন একইভাবে আনন্দিত মনোয়ারা খাতুনের আনন্দে। এভাবে ছোট ছোট আনন্দ মানুষের মুখে ফুটানোই জেলা প্রশাসনব্রত বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২২, ২০২১ ৬:৪৬ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষকের দু‘গরুর মৃত্যু
পাঁচমিশালি

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে চরবেতকান্দি গ্রামের দরিদ্র কৃষক ফরিদ হোসেন ঋণ নিয়ে কিনছিলেন দুটি গরু। যার ঋণের কিস্তি এখনও পরিশোধ না হতেই বজ্রপাতে মারা যায় তার দুটি গরু। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েন অসহায় কৃষক। গরু দুটির মূল্য আনুমানিক প্রায় লাখ টাকা।

বুধবার (২১ এপ্রিল) রাতে শাহজাদপুর উপজেলার ওই গ্রামটিতে কালবৈশাখীর ঝড় আঘাত হানে।

কৃষক ফরিদ হোসেন জানান, তিনি অন্যের জমিতে দিনমজুর শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। চলতি বছরে এনজিও থেকে ৬৫ হাজার লোন নিয়ে আর সঞ্চিত কিছু টাকা দিয়ে ৭৪ হাজার টাকায় গরু দুটো কেনেন।

বুধবার রাত ১০ দিকে বজ্রপাতের বিকট শব্দ হলে গোয়ালঘরে ঢুকে দেখতে পান দুটি গরুই ঝলসে মাটিতে পড়ে আছে। আশেপাশে লোকজন ছুটে আসলেও তার আগেই একটি গরু মারা যায়। আর একটি নড়াচড়া করতে করতেই কিছুক্ষণের মধ্যে মারা যায়।

ফেসবুকের মাধ্যমে মানবসেবার কাজ করা মামুন বিশ্বাস বলেন, বুধবার রাতে কালবৈশাখীতে ঋণের টাকায় কেনা দু’টি ষাঁড়ের বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি ফরিদের স্ত্রী মমতা কান্না করছেন। কিভাবে কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করবেন তা নিয়ে চিন্তিত তিনি।

তিনি আরো বলেন, অন্যদিকে তার ছেলেও কিডনি রোগে আক্রান্ত। সব মিলিয়ে একটি পরিবারের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। যদি কোনো সহৃদয়বান ব্যক্তি এ অসহায় দম্পতির পাশে দাঁড়ান তাহলে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২২, ২০২১ ৩:৫০ অপরাহ্ন
“ওয়ান হেলথ পোল্ট্রি হাব বাংলাদেশ” উপদেষ্টা পরিষদের দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব বাংলাদেশ এর জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ, সক্রিয় সদস্য এবং বাছাইকৃত স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের নিয়ে গত ১২ এপ্রিল অধ্যাপক পরিতোষ কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানটি স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু করে ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব বাংলাদেশ এর জাতীয় সমন্বায়ক অধ্যাপক মো. আহসানুল হক, “ওয়ান হেলথ পোল্ট্রি হাব বাংলাদেশ এর কার্যক্রমের অগ্রগতি” বিষয়ে একটি প্রবন্ধ উপস্থাপনের মাধ্যমে এ যাবতকালীন গবেষণা প্রকল্পটির সকল কর্মকাণ্ডর একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়। এবং এই প্রকল্পে ইউকে’র সরকারি উন্নয়ন সহায়তার বাজেট হ্রাসের প্রভাব বিষয়টি উত্থাপন করেন।

সভায় ড্রেস্ড পোল্ট্রি মাংসের মান উন্নয়নের বিষয়ে সুপারিশ করেন ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সাইন্স এসোসিয়েশান এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলএর সম্মানিত সভাপতিবৃন্দ।

তারা বলেন, বাংলাদেশে পোল্ট্রি সেক্টর উন্নয়নের একটি ধাপ হতে পারে ড্রেসড পোল্ট্রি রপ্তানিকরণ। যা শুরু করার জন্যে পোল্ট্রি খামারকরণে জোনিং বা কম্পার্টমেন্টালাইজেশান ও দেশের অভ্যন্তরীণ জবাইখানাগুলোর মান উন্নয়ন এবং প্রচলিত প্রাণি জবাই আইন‘টিকে দৃঢ়ভাবে মাঠ-পর্যায়ে প্রয়োগ করা জরুরি। সেই সাথে প্রয়োজন এর ক্রমবর্ধমান প্রসার।

আলোচনায় উপস্থিত বক্তারা ২৫ দিন বয়সী ব্রয়লার মুরগী বিক্রয় কিংবা জবাই না করে, ৩৫ দিন বয়স পর্যন্ত মুরগী পালন করে তারপর বিক্রয় এবং জবাই করার কথা বলেন।

তারা আরো বলেন, ২৫ দিন বয়সী মুরগীর মাংস পরিপূর্ণভাবে উন্নত হয়না বলে এর স্বাদ অতোটা ভালো হয়না এবং পুষ্টিগত মানও কম থাকে। অতিরিক্ত দিন ব্রয়লার মুরগী পালন করায় খামারীরা যাতে ভালো মূল্যে সেগুলো বিক্রয় করতে পারে সেদিকেও লক্ষ্য রাখা জরুরি।

এছাড়া তারা খামার নিবন্ধনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, খামারের সঠিক জীব-নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা দেখে খামারীকে খামার পরিচালনা করার বৈধতা দেয়া উচিত। এতে করে খামারে যেমন রোগবালাই কম হবে, তেমনি এন্টিবায়োটিকের মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগও কমে যাবে। এসব বিষয়ে সরকারি নীতিমালা আরো জোরালো করা প্রয়োজন এবং সেগুলোর বাস্তবিক প্রয়োগ আবশ্যক বলে মনে করেন বিভিন্ন পর্যায়ের আলোচকরা।

সরকারের সঠিক ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের পোল্ট্রি সেক্টর আগামি ৫ বছরেরর মধ্যে মাথাপিছু ২১০টি ডিম এবং ১২কেজি মাংস উত্পাদনে সক্ষম হবে। ন্যাশনাল প্ল্যান ফর এভিয়ান এন্ড প্যান্ডেমিক ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রিপেয়ার্ডনেস প্ল্যান-৩ শিরোনামে তৃতীয় পরিকল্পনা পর্যালোচনা সভা অনলাইনে আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়।

পোল্ট্রি খামারি, মাঠ-পর্যায়ে কর্মরত ভেটেরিনারিয়ান এবং ভেটেরিনারি মেডিসিন অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব বাংলাদেশ দুইটি অনলাইন প্রশিক্ষণ সিরিজ‍ এর আয়োজন করে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর থেকে, যা অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

সিরিজ দুইটিতে (১২ টি পর্বের সিরিজ-১ এবং ১৩ টি পর্বের সিরিজ-২) পোল্ট্রি খামারকরণ, রোগবালাই, রোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাময় এবং জীব-নিরাপত্তাসহ মাঠ-পর্যায়ে পোল্ট্রি সেক্টরে প্রয়োজনীয় নানা বিষয় আলোচনা করা হয়।

খুব শীঘ্রই পোল্ট্রি খামারী এবং আগ্রহী গ্রাহকদের জন্যে সিরিজ-১ ‍এর উপর একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ এবং অনুষ্ঠানগুলোর রেকর্ড এবং ভিডিও করা সংস্করণগুলো সরবারহ করা হবে।

এই গ্রন্থটিসহ ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব বাংলাদেশ, পোল্ট্রি খামারী, মাঠ-পর্যায়ে কর্মরত ভেটেরিনারিয়ানদের এবং ভেটেরিনারি অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্যে সহায়িকাস্বরূপ আরো একটি গ্রন্থ তৈরী করেছে যাতে রয়েছে পোল্ট্রি খামারকরণ, রোগ সংক্রান্ত তথ্যাদিসহ মাংস এবং পোল্ট্রি প্রক্রিয়াজাতকরণের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের মধ্যে কোভিড-১৯ এর ঝুঁকি হ্রাসকরণ এবং কর্মক্ষেত্রে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কৌশল নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

তাছাড়া, জীবাণুর বিরুদ্ধে এন্টিবায়োটিকের অকার্যকারিতা বিষয়ে আইসিডিডিআরবি, ফ্লেমিং ফান্ড এবং ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব বাংলাদেশ এর যৌথ প্রজেক্ট এবং বাংলাদেশে ওয়ান হেলথ্ এপ্রোচ সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের সুদূরপ্রসারতা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

পরিশেষে, কোভিড-১৯ এর কারণে হাব প্রজেক্টের বাজেট কমে যাওয়ার সত্ত্বেও বর্তমানে এর চলমান কাজগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে এবং কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে পোল্ট্রি পণ্য সহজ পরিবহন বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে এই আলোচনা সভাটি শেষ হয়।

অনলাইন সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এবং এনিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ, মেজর জেনারেল ডা. মোঃ মাহবুবুর রহমান (মহাপরিচালক, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর), ডা. শেখ আজিজুর রহমান (মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর), ডা. মোঃ আব্দুল জলিল (মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ এবং গবেষণা ইন্সটিটিউট), অধ্যাপক ড. নিতীশ চন্দ্র দেবনাথ (জাতীয় সমন্বায়ক, ওয়ান হেলথ্ বাংলাদেশ), অধ্যাপক ড. মাহমুদুর রহমান (সাবেক পরিচালক, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট), অধ্যাপক, ড. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা (অতিরিক্ত মহাপরিচালক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়), অধ্যাপক ড. তাহমিনা শিরিন (পরিচালক, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট), অধ্যাপক মো. ড. আব্দুল আলিম (বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ)।

আরো উপস্থিত ছিলেন, মশিউর রহমান (সভাপতি, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল), মো. আবু লুতফে ফজলে রহিম খান (সভাপতি, ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সাইন্স এসোসিয়েশান), ডা. মো. গিয়াসউদ্দিন (সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ এবং গবেষণা ইন্সটিটিউট), অধ্যাপক ড. পরিতোষ কুমার বিশ্বাস (সিভাসু), ড. আব্দুস সামাদ (মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ এবং গবেষণা ইন্সটিটিউট), ড. মোজাফ্ফর গণি ওসমানি (প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর), ডা. রাশেদ মাহমুদ (সিভাসু), ডা. মাহমুদুল হাসান (বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ এবং গবেষণা ইন্সটিটিউট), ডা. সুদীপ্তা সরকার (রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট), ডা. নুরুন নাহার চিশতী (সিভাসু), ডা. মেহেরজান ইসলাম (সিভাসু), ডা. সৈয়দা মুনিরা দিলশাদ (সিভাসু), ডা. ইশরাত জাহান ইশা (সিভাসু) এবং অধ্যাপক ড. মোঃ আহসানুল হক (সিভাসু)।

এতে মিডিয়া পার্টনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন agriview24.com

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২২, ২০২১ ৩:০৬ অপরাহ্ন
মনপুরায় ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে দুধ-ডিম ও মাংস বিক্রি উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্বাবধানে বাংলাদেশ ডেইরী ফার্মাস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ফার্মাস এসোসিয়েশন এর বাস্তবায়নে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর এর ব্যবস্থাপনা ও প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের সহযোগিতায় মনপুরায় ভ্রাম্যমান গাড়িতে দুধ ডিম বিক্রি করা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল)প্রতি পিস ডিম ৬ টাকা, ১ লিটার দুধ ৫০/- টাকায় বিক্রির ঘোষণা দিয়ে সকাল ৮ টায় মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট বাজারে কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. শামীম মিঞা।

এসময় উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. লোকমান ও ডেইরি ফার্ম ও পোল্ট্রি ফার্মের উদ্যোক্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

করোনাকালে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রাণিজ পুষ্টি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সরকারের ন্যায্য মুল্যে দুধ, ডিম বিক্রির এই উদ্যোগ পুরো রমজান মাস জুড়ে চলবে। মনপুরা উপজেলায় হাজির হাট, বাংলা বাজার ও রামনেওয়াজ বাজারে এই কর্মসূচীর আওতায় দুধ, ডিম বিক্রি করা হবে।

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দুধ, ডিম ক্রয় করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে আহ্বান জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২১, ২০২১ ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
নরসিংদীতে গরু চোর সন্দেহে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
পাঁচমিশালি

নরসিংদীতে গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে আলী হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হন আরও একজন।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে নরসিংদী সদর থানা পুলিশ।

সদর উপজেলার চরাঞ্চল আলোকবালি ইউনিয়নের খোদাদিল্লা গ্রামে সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত জজ মিয়া রায়পুরা উপজেলার সোনাকান্দি এলাকার মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে ও আহত ব্যক্তি আলী হোসেন(৫০) একই উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার মৃত মহিজউদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, সোমবার রাত তিনটার দিকে খোদাদিল্লা গ্রামের কৃষকের গরু গোয়ালে খুঁজে পাচ্ছিল না। এসময় চোর চোর বলে চিৎকার করতে থাকলে অপরিচিত আলী হোসেন ও জজ মিয়াকে এলাকাবাসী গণপিটুনি দেয়। গণপিটুনিতে জজ মিয়ার মৃত্যু ও আলী হোসেন গুরুতর আহত হন। পরে মঙ্গলবার সকালে পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়ে দুপুর নাগাদ মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসে এবং আহত আলী হোসেনকে একই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।

আলোকবালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন সরকার জানান, তারা গরু চুরি করেছে কি না তা সঠিক বলতে পারছি না। তবে এলাকাবাসীর দাবী তারা দু‘জনকে গরুসহ ধরেছিল।

নরসিংদী সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান বলেন, গণপিটুনিতে একজন নিহত এবং একজন আহত হন। আজ সন্ধ্যায় নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২০, ২০২১ ৫:২৭ অপরাহ্ন
গত ১৫ দিনে ভ্রাম্যমাণ বাজারে ১৩৩ কোটি টাকার মাছ-মাংস ও দুধ, ডিম বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

করোনার প্রকোপ বাড়তে থাকায় সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন। আর এই পরিস্থিতিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ন্যায্যমূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্যের ভ্রাম্যমান বিক্রয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

গত ৫ এপ্রিল থেকে আজ মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) পর্যন্ত সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ এই বিক্রয় কার্যক্রমে ১৩৩ কোটি ২১ লক্ষ ৯৭ হাজার ৭৬৫ টাকা মূল্যের মাছ, গরুর মাংস, দুধ, ডিম, মুরগি ও বিভিন্ন দুগ্ধজাত বিক্রি হয়েছে। এ কার্যক্রম নিয়ে প্রতিনিয়ত খামারি ও ভোক্তাদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

করোনা পরিস্থিতিতে সারাদেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ ও বিপণন কার্যক্রম নিয়মিত তদারকী করছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ।

চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যেও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ ও বিপণন সচল রাখার কাজে সম্পৃক্ত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সারাদেশে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা-খামারী ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব।

আরো পড়ুন: এক সপ্তাহে ৮০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার ভ্রাম্যমাণ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম বিক্রি

এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, “করোনার এই ভয়াবহ ক্রান্তিকালেও মন্ত্রণালয় এবং সারাদেশে মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনস্বার্থে ভ্রাম্যমান বিক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন। একইসাথে এ খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট ডেইরি অ্যাসোসিয়েশন, পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী অ্যাসোসিয়েশনসহ প্রান্তিক খামারিরা ঝুঁকি নিয়েও এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখছেন।

তিনি আরো বলেন, পাশাপাশি সারাদেশে গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা করোনা ঝুঁকির মধ্যেও মন্ত্রণালয়ের এ সময়োপযোগী উদ্যোগ জনসম্মুখে তুলে ধরছেন। এতে একদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিরা যেমন ন্যায্যমূল্যে উৎপাদিত পণ্য সহজে বিপণন করে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারছেন, অন্যদিকে ভোক্তারা চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যেও চাহিদা অনুযায়ী মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্য সহজে ক্রয় করতে পারছেন। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আমি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আশা করি সংশ্লিষ্টরা এ কাজে আরো উৎসাহিত হবেন।”

এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ বলেন, “করোনা পরিস্থিতিতে ও পবিত্র রমজান মাসে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে দেশের ৮টি বিভাগের ৬৪ জেলায় মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্যের ভ্রাম্যমান বিক্রয় অব্যাহত রয়েছে। এ কাজে সম্পৃক্ত আমাদের মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ডেইরি, পোল্ট্রি ও মৎস্য খামারি এবং এ কার্যক্রম জনগণের কাছে তুলে ধরার জন্য সারাদেশের গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২০, ২০২১ ৩:৩৪ অপরাহ্ন
হাটে ক্রেতা নেই, দিশেহারা গরু ব্যবসায়ীরা!
প্রাণিসম্পদ

মেহেরপুর জেলার হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু-ছাগল আমদানি হলেও ক্রেতার সংখ্যা সীমিত হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা। লকডাউনে বাইরের জেলা থেকে কোনও ব্যবসায়ী না আসায় গরু প্রতি ২০-৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত কমেছে বলে জানান সেখানকার ব্যবসায়ীরা। হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু-ছাগল আমদানি হলেও ক্রেতার সংখ্যা সীমিত।

সোমবার ব্যবসায়ী ও খামারিরা গরু ছাগল নিয়ে আসেন মেহেরপুর জেলাসহ আশপাশের জেলার মধ্যে অন্যতম বড় পশুর হাট হচ্ছে গাংনী উপজেলার বামন্দী-নিশিপুর পশুর হাটে।

বাওট গ্রামের আসাদুল ইসলাম জানান, আমি একটি গরু বিক্রির জন্য এনেছি। ১ লাখ ১০ হাজার টাকা ন্যায্য মূল্য। কিন্তু ব্যাপারীরা ৮০ হাজার টাকার উপরে দর দিচ্ছে না। তাই গরু বিক্রি করতে পারছি না।

শুকুরকান্দি গ্রামের একজন গরু ব্যাপারী জানান, হাটে তেমন কোনও ব্যাপারী নেই। ঢাকা ও অন্যান্য জেলা থেকে কোনও ব্যাপারী আসছেন না। স্থানীয় ব্যাপারীরাও পর্যাপ্ত দর দিয়ে গরু কিনছেন না।

গরু পালনকারীরা জানান, গেল বছরের লকডাউনে এ খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। তা কাটিয়ে উঠার জন্য নতুন করে তারা গরু পালন শুরু করেন। কিন্তু লকডাউনের কারণে আবারও ক্ষতি শুরু হয়েছে।

মেহেরপুর জেলার উদীয়মান অর্থনীতিতে গবাদিপশু পালন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই এ খাত টিকিয়ে রাখতে গরু পালনকারী ও ব্যাপারীরা সরকারকে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২০, ২০২১ ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
সিরাজগঞ্জে গরু বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে যুবকের মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার সলঙ্গা ইউনিয়নে কয়েলের আগুন থেকে গোয়াল ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসময় গোয়ল ঘরে থাকা গরু দু‘টি বাঁচাতে ছুটে যান নজরুল ইসলাম (২৬)। একটি গরু বাইরে আনতে পারলেও অন্য গরুর দড়ি খুলতে গিয়ে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহত নজরুলের পিতা নুরুল ইসলামও দগ্ধ হয়েছেন। মারা গেছে ঘরের সেই গরুটিও।’

সোমবার (১৯ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৪টায় সলংগা থানার ফেউকান্দি গ্রামের নজরুল ইসলামের গোয়াল ঘরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

সলঙ্গা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য সানোয়ার হোসেন জানান, নুরুল ইসলামের গোয়ালঘরে মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত। এসময় ওই ঘরে দুটি গরু ছিল। নজরুল গরু দুটিকে বাঁচানোর জন্য গোয়ালঘরে ঢুকলে একটি গরুকে বাঁচাতে পারলেও অপর গরুসহ তিনি পুড়ে মারা যান।

প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিস ও সলঙ্গা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ৭:৪০ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জে কম দামে ভ্রাম্যমাণ দুধ,ডিম বিক্রি অব্যাহত
প্রাণিসম্পদ

লকডাউন ও রমজান মাসে জনসাধারণের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কম দামে দুধ ও ডিম বিক্রি করছেন শাহজাদপুর ডেইরি অ্যাসোসিয়েশন ও উপজেলা প্রাণিসম্পাদ বিভাগ।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ভ্রাম্যমাণ ভ্যান গাড়িতে করে ১ হাজার লিটার দুধ, ৪ হাজারের বেশি মুরগির ডিম বিক্রি করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, প্রতি লিটার দুধ ৪০ টাকা ও এক ডজন ডিম ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি ভ্যানের সঙ্গে আছেন একজন খামারি ও প্রাণিসম্পদ অফিসের একজন কর্মচারী।

মিল্কভিটার পরিচালক ও শাহজাদপুর ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সামাদ ফকির জানান, ‘লকডাউন শুরু হওয়ায় খামারিরা দুর্ভোগে পড়েছেন। বাজারে দুধের দাম ৬০ টাকা হলেও ৪০ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে ভ্যানে করে। গাড়ি চলাচল বন্ধ হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। তবে, করোনাকালেও মিল্কভিটা, প্রাণ, আকিজ, আড়ংসহ অন্যান্য কোম্পানি ন্যায্য মূল্যে দুধ কেনায় কিছুটা স্বস্তিতে আছেন শাহজাদপুরের খামারিরা।’

শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৩ সালে সিরাজগঞ্জে সমবায়ভিত্তিক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটার একটি দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা গড়ে তোলা হয়। এর পর এ অঞ্চলে হাজার হাজার গরুর খামার গড়ে ওঠে।

এখান থেকে মিল্কভিটা প্রতিদিন ২ লাখ ২৫ হাজার লিটার দুধ সংগ্রহ করে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রাণ ৪০ হাজার লিটার, আড়ং ১০ হাজার লিটার ও ইগলু ১ হাজার লিটার দুধ কিনে থাকে। বিভিন্ন মিষ্টির দোকান ও ঘোষ সম্প্রদায়ের লোকজন বাকি দুধ কিনে নেয়।

শাহজাদপুরের তরল দুধ, পাউডার দুধ, কনডেন্সড মিল্ক ও খাঁটি গাওয়া ঘি দেশের সিংহভাগ চাহিদা পূরণ করছে। বর্তমানে শাহজাদপুর উপজেলায় সমবায়ভিত্তিক খামারে প্রতিদিন সাড়ে ৩ লাখ লিটার দুধ উৎপাদন হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ১২:১৪ অপরাহ্ন
২টি দিয়ে শুরু, এখন ভেড়ার সংখ্যা ৬০টি
প্রাণিসম্পদ

মাত্র ২টি ভেড়া দিয়ে শুরু করে এখন ৫০ থেকে ৬০টি ভেড়ার মালিক জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের সনি মণ্ডল নামে এক বেকার যুবক।

জানা যায়, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পৌর এলাকার পশ্চিম বিহারপুর গ্রামের যুবক সনি মণ্ডল কয়েক বছর আগে একটি ব্যবসায় লোকসান গুনে সর্বস্বান্ত হয়েছিলেন। এরপরে ইউটিউবে দেখেন ভেড়া খামারের পদ্ধতি।

ভাগ্য বদলের আশায় দেড় বছর আগে ১০ হাজার টাকা ধার নিয়ে মাত্র ২টি ভেড়া কিনে শুরু করেন খামার। লাভ হওয়ায় এরপর বাড়তে থাকে সংখ্যা। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমান তার খামারে রয়েছে ৫০ থেকে ৬০টি ভেড়া। আর এর আয় থেকে তিনি হয়েছেন স্বাবলম্বী।

সনি মণ্ডল জানান, আগে একটি ব্যবসা করতাম। হঠাৎ করে সেই ব্যবসায় লোকসান গুনি। এরপরে ইউটিউবে দেখি কীভাবে ভেড়া পালন করা যায়। প্রথমে দুইটি দিয়ে শুরু করি। এখন আমার খামারে ৫০-৬০টি ভেড়া। বেশ কয়েকটি বিক্রিও করেছি এতে আমার পরিবারে সচ্ছলতা এসেছে। আমি যদি সরকার থেকে কোনো সহযোগিতা পাই তাহলে আমি এ খামারকে আরো বড় করব।

জয়পুরহাট প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহফুজার রহমান জানান, গরু-ছাগলের চেয়ে কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় জেলায় এখন অনেকে ভেড়া চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য আক্কেলপুরের সনি মণ্ডল।

তিনি আরো জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে ভেড়া পালনে চিকিৎসা, ব্যবস্থাপনা ওষুধসহ বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও তাৎক্ষনিক চিকিৎসা বা পরামর্শের জন্য আমাদের একটি মেডিকেল টিম রয়েছে প্রতিটি উপজেলায়। যে কোনো মুহূর্তে তারা সেবা দিয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop