৮:১২ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ১৭, ২০২১ ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
রংপুরে ছাগল পাটক্ষেত খাওয়ায় কৃষককে গলাটিপে হত্যা
পাঁচমিশালি

ছাগল পাটক্ষেত খাওয়ার জেরে রংপুরের গঙ্গাচড়া থানাধীন খলেয়া ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়ায় এক কৃষককে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ওই এলাকার আকিজ গ্রুপের একটি জমির পাটক্ষেত ছাগল খাওয়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কৃষকের নাম নিবারণ রায় (৪৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিবারণ রায়ের ছাগল পাটক্ষেতে ঢুকে ক্ষেত খায়। পরে আকিজ গ্রুপের কেয়ারটেকার কৃষ্ণ রায়ের স্ত্রী কল্পনা রানী সেখানে এসে ঝগড়া শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে তার স্বামী কৃষ্ণকেও ডেকে আনেন। পরে কেয়ারটেকার কৃষ্ণ ধারালো অস্ত্র দিয়ে নিবারণের ছেলে সন্তোষকে হাতে কোপ দেন এবং সেখানে থাকা কৃষক নিবারণকে মাটিতে ফেলে গলাটিপে ধরেন। একপর্যায়ে নিবারণের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যায়।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুশান্ত কুমার সরকার বলেন, এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কৃষ্ণ ও তার স্ত্রী কল্পনা রানী পলাতক। থানায়ও এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরো পড়ুন:  দিনাজপুরে আলুর বাম্পার ফলনেও হাসি নেই কৃষকের

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৬, ২০২১ ৩:৫৯ অপরাহ্ন
লকডাউন: দুধ নিয়ে বিপাকে সিরাজগঞ্জের খামারিরা!
প্রাণিসম্পদ

করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকারের এক সপ্তাহের লকডাউনে উৎপাদিত দুধ বিক্রি করতে না পেরে লোকসান গুনছেন খামারিরা। মিষ্টির দোকান, চা স্টল বন্ধ এবং হাট-বাজারে লোক সমাগম কমে যাওয়ায় কমছে দুধের চাহিদা। আর তাতে প্রতিদিন উৎপাদিত ২০ লাখ ৫০ হাজার লিটার দুধ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন সিরাজগঞ্জের খামারিরা। বিক্রি করতে না পারায় অনেকে খামারিই রাস্তায় দুধ ঢেলে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

সিরাজগঞ্জ জেলার প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৩ সালে সিরাজগঞ্জে সমবায়ভিত্তিক রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটার একটি দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারাখানা গড়ে ওঠে। এরপরই অঞ্চলটিতে গড়ে ওঠে হাজার হাজার গরুর খামার। সেখান থেকে মিল্কভিটা এখন প্রতিদিন দুই লাখ ২৫ হাজার লিটার দুধ সংগ্রহ করে। বর্তমানে জেলায় ১৫ হাজার ৩৮০টি সমবায় ভিত্তিক গো-খামারের প্রায় সাড়ে ১০ লাখ গবাদিপশু থেকে প্রতিদিন ২০ লাখ ৫০ হাজার লিটার দুধ উৎপাদন হয়।

শাহজাদপুর রেশমবাড়ির খামারি ও মিল্কভিটার পরিচালক আব্দুস সামাদ ফকির জানান, এ অঞ্চলের উৎপাদিত দুধের প্রায় সাড়ে তিন লাখ লিটার প্রাণ, আড়ং, অ্যাংকার ও ঈগলু কেনে। অবশিষ্ট ৯ লাখ লিটার দুধ ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার হোটেল ও মিষ্টির দোকানে সরবরাহ করা হয়।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কালিয়া কান্দাপাড়া এলাকার তালুকদার ডেইরি ফার্ম লিমিটেডের পরিচালক মনিরা তালুকদার জানান, ‘খামারের ৭০ গরুর মধ্যে ২০টি প্রতিদিন ৩০০ লিটার দুধ দেয়।এখন করোনার জন্য ন্যায্য মূল্যে দুধ বিক্রি করতে পারছি না। গত বছরে যে লোকসান হয়েছে এ বছরে তার চেয়েও বেশি লোকশান হচ্ছে। হয়তো আর খামারই চালাতে পরব না।’ ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানান তিনি।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, করোনাকালীন সময়ে খামারিদের কথা ভেবে মিল্কভিটা, প্রাণ, আড়ং, অ্যাংকার, ঈগলু কোম্পানিদের বলেছি, লকডাউনকালীন সময়ে কোনোভাবেই দুধ কম নেয়া যাবে না। খামারিদের উৎপাদিত অবশিষ্ট দুধ বাজারে সঠিকভাবে বিক্রির জন্য ভ্রাম্যমাণ গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে। যে সব খামারি দুধ বিক্রি করতে না পারবে তারা এসব ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে দুধ দেবে।’ এ গাড়ি প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তারা মনিটরিং করবে। এভাবে দশ দিন তারা ভ্রাম্যমাণ সেবা দেবেন খামারিদের। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের প্রণোদনার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করা হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ১০:৩২ অপরাহ্ন
অগ্নিকাণ্ডে চার পরিবারের ১১টি গরু-ছাগল পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার উমরমজিদ ইউনিয়নে অগ্নিকাণ্ডে চারটি পরিবারের চারটি গরু, সাতটি ছাগলসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজারহাটের উমর মজিদ ইউনিয়নের পূর্ব বালাকান্দি সবুজপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।কুড়িগ্রাম ও উলিপুর উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে এ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নুরে তাসনিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত সহযোগিতা করা হবে।

বাড়ির মালিক আব্দুল গনি মিয়া জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা রান্নাঘরে আগুন দেখতে পান। রান্নাঘরে পাটকাঠি ও খড়ি থাকায় আগুন ভয়াবহ হয়ে ওঠে। তারা কিছু বুঝে ওঠার আগেই পাশের ঘরগুলোতে আগুন লেগে যায়। মুহূর্তেই আগুনের পুড়ে যায় চারটি গরু, সাতটি ছাগল, ফ্রিজ, আসবাব, জামা কাপড়, জমানো নগদ ৫০ হাজার টাকা, ধান-চালসহ সাতটা কক্ষের প্রায় সবকিছু।

ভুক্তভোগী অপর তিন পরিবারের মালিক মোস্তাফিজুর রহমান, মোজাফফর রহমান ও মিনহাজুল ইসলাম। তারা সবাই গনি মিয়ার ছেলে।

কুড়িগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের (সিভিল ডিফেন্স) উপ-সহকারী পরিচালক মনোরঞ্জন রায় জানান, ‘খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়, এরপর আরও একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ২:০০ অপরাহ্ন
গরুর খামার থেকে প্রতিমাসে জাহানারার আয় দেড় লাখ টাকা
প্রাণিসম্পদ

গরুর খামার দিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন গোপালগঞ্জের জাহানারা বেগম চিলি। জেলার কাশিয়ানীতে দুইটি দেশি গরু দিয়ে খামার শুরু করেন তিনি। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে তার খামারে দেশি-বিদেশি উন্নত চার জাতের ৩৫টি গরু রয়েছে।

চিলির খামার থেকে প্রতিদিন ৮০ লিটার দুধ পাওয়া যায়। এ দুধ প্রায় ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। সব বাধা পেরিয়ে এখন তিনি জীবনযুদ্ধে সফল এক নারী। তার এমন সফলতায় এলাকার অনেক নারী, পুরুষ ও বেকার যুবকরা আগ্রহী হচ্ছেন খামারের প্রতি। এলাকায় তিনি এখন অনেকের কাছে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব।

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের বদিউজ্জামান খোকা মোল্যার স্ত্রী জাহানারা বেগম চিলি। সে তার পরিবারকে নতুন জীবন দিয়েছে গরুর খামার করে। কিছুদিন আগেও সংসারে ছিল অভাব অনটন। সংসারের অভাব অনটনের কারণে যখন জীবন থেমে যাচ্ছিল তখনই খামার করার চিন্তা মাথায় আসে তার। মাত্র দুইটি দেশি গরু দিয়ে খামার শুরু করেন তিনি।

বর্তমানে চিলির খামারে রয়েছে ফিজিয়ান, শঙ্কর, মন্টি ও শাহিওয়াল নামের উন্নত চার জাতের দেশি-বিদেশি গাভি, বাছুর, ষাড়সহ ৩৫টি গরু। প্রতিদিন একটি গাভি ১০ থেকে ১২ লিটার দুধ দিয়ে থাকে। বাজারে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে এই দুধ বিক্রি হয়। তা থেকে প্রতিমাসে প্রায় দেড় লাখ টাকা আয় হয়।

এমন উদ্যোক্তার কাজে সাহায্য করেছে তার স্বামী খোকা মোল্যা। খামার পরিচর্যায় তিনিও বেশ ব্যস্ত। উন্নতমানের শেটে রেখে গরুগুলোকে লালন-পালন করা হচ্ছে। প্রতিটি গরুর মাথার ওপর ফ্যান রয়েছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা আছে।

এর পাশাপাশি তিনি দেশি মুরগী ও ছাগলের খামার গড়ে তুলেছেন। এ মুরগী ও ছাগলের খামার করে ও তিনি লাভের মুখ দেখেছেন। সব মিলে জাহানারা বেগমের খামারটি এলাকার আদর্শ খামার হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এখন তিনি যেখানেই হাত দেন তাতেই যেন সোনা ফলে।

চাকরি না খুঁজে নিজেই নিজের পায়ে দাঁড়ানো যায় চিলি তার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এক সময় অভাব অনটনে ছেলেমেয়েদের পড়ালেখার অসুবিধা হচ্ছিল। আজ তার পরিবার বেশ স্বচ্ছল।

জাহানারা বেগম চিলি  জানান, আমি গবাদি পশুর খামার করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছি। প্রতিদিন ৮০ লিটার দুধ বিক্রি করে ৪ হাজার টাকা আয় হয়। আমার এই খামার দেখে আশাপশের নারীরাও গবাদিপশু পালনে আগ্রহী হচ্ছেন।

শিক্ষিত বেকার ভাইয়েরা চাকুরির পেছনে ছুটে বেড়ান। তারা এটা নিজেরা করলে আমার মতো তারা মানুষকে চাকরি দিতে পারবে। তিনি আরো বলেন, এ খামারকে আমি আরো অনেক বড় করতে চাই। এটি হবে একটি আধুনিক খামার।

জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আজিজ-আল-মামুন  বলেন, জাহানারা বেগমের গরুর খামারে সবগুলো গরুই উন্নত জাতের। প্রাণী সম্পদ বিভাগ থেকে এই খামার নিয়মিত টিকা এবং ভিটামিন জাতীয় ওষুধসহ সকল সুবিধা পাবেন। আশা করছি গোপালগঞ্জের এই খামারটি একটি মডেল খামার হবে।

সুত্রঃজাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ১:৪৫ অপরাহ্ন
সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে এক মৌয়ালের মৃত্যু
প্রাণ ও প্রকৃতি

বাঘের আক্রমণে পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে হাবিবুর রহমান মোল্যা নামে এক মৌয়াল নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকালে গহিন সুন্দরবনের হোগলডুগরিতে এ ঘটনা ঘটে। কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা মোবারক হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নিহত হাবিবুর রহমান মোল্যা শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের মীরগাং গ্রামের আজিজ মোল্যার ছেলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনারুল ইসলাম জানান, কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন থেকে বৈধ পাস নিয়ে গত ৩ এপ্রিল হাবিবুর ও তার বাবা আজিজ মোল্যাসহ কয়েকজনের একটি দল মধু আহরণের জন্য সুন্দরবনে যান। অন্যান্য দিনের মতো গতকাল বুধবার সকালে দলটি মধু আহরণ করতে সুন্দবনের হোগলডুগরি এলাকার বনে প্রবেশ করলে হঠাৎ একটি বাঘ হাবিবুরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তাকে বনের গভীরে টেনে নিয়ে যায়। এ সময় তার সঙ্গীরা বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার করলে একপর্যায়ে বাঘটি হাবিবুরকে ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে সুন্দরবনের গহিন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে লোকালয়ে নিয়ে আসেন অন্যরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২১ ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
কাউখালীতে ইউএনও‘র উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ বাজার চালু
প্রাণিসম্পদ

দেশব্যাপী করোনার প্রকোপ আরো দিন দিন বাড়ছে। এই অবস্থায় দেশে অর্থনৈকি অবস্থা খুবই শোচনীয়। এরই মধ্যে মানুষের জীবন বাঁচাতে চলছে লকডাউন। কাউখালী বাজারও তার ব্যতিক্রম নয়। একদিকে করোনার ভয় অন্যদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় মালামালের চাহিদা পূরণ ও রোজাদার মানুষদের কষ্ট লাঘব করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ খালেদা খাতুন রেখা নিয়েছেন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। তিনি চালু করেছেন ভ্রাম্যমাণ বাজার।

গত বছরেও ভ্রাম্যমাণ বাজার হয়ে উঠেছিল সকালের আস্থার ঠিকানা এবং সব ধরণের মানুষ চাহিদা পূরণে ঘরে বসেই শাকসবজি তরিতরকারি মাছ-গোশত পেয়ে খুশিতে ঘর থেকে কেউ বাহিরে আসেনি যার ফলে কাউখালীতে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল একেবারেই কম। গত বছরের সফলতার কথা চিন্তা করে এ বছর আজ কঠোর লকডাউনের প্রথম দিনেই চালু করেছেন ভ্রাম্যমাণ বাজার।

সকাল ছয়টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে ব্যানার সম্মিলিত বিভিন্ন ভ্যানে ও গাড়িতে ফলমূল শাকসবজি মাছ মাংস ডিম সহ সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে ভ্রাম্যমাণ বাজারের গাড়িগুলো পাঠিয়ে দেন উপজেলার প্রতিটি এলাকায় ও বাড়িতে বাড়িতে। নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল ন্যায্যমূল্যে পৌঁছে দিতে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৪, ২০২১ ৯:৫১ অপরাহ্ন
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সরবরাহ ও বিপণন অব্যাহত রাখার উদ্যোগ
প্রাণিসম্পদ

করোনার প্রকোপ দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর তাতে দেয়া হয়েছে লকডাউন। দেশে এমন পরিস্থিতিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন, পরিবহন, সরবরাহ ও বিপণন অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর, হাইওয়ে পুলিশ সদর দপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, সকল বিভাগীয় কমিশনার, সকল জেলা প্রশাসক ও সকল জেলা পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল, বাংলাদেশ অ্যাকুয়া প্রোডাক্ট কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন ও ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বরাবর পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার (১৪ এপ্রিল) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাঠানো চিঠির মাধ্যমে বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে হাঁস-মুরগী (লাইভ), গবাদি পশু, মাছের পোনা, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, প্রাণিজাত পণ্য, মৎস্য ও পশু খাদ্যসহ এ ধরণের খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ, কৃত্রিম প্রজনন এবং পশু চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত ওষুধ ও সরঞ্জামাদি উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ এবং বিপণন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দেশের জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভোক্তা পর্যায়ে প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ অব্যাহত রাখা একান্ত জরুরি বিবেচনায় মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম এবং এ সংক্রান্ত উৎপাদন সামগ্রী অব্যাহতভাবে উৎপাদন, সরবরাহ ও বিপণন প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সার্বিক কার্যাবলি/চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ সংক্রান্ত নির্দেশনায় পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরি পরিষেবা তথা কৃষি উপকরণ, খাদ্য দ্রব্য পরিবহণ বিধি-নিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখা হয়েছে বলেও চিঠিতে জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৪, ২০২১ ৫:৫৮ অপরাহ্ন
লকডাউন: ভ্রাম্যমাণ ব্যবস্থায় চলছে মাছ-মাংস-দুধ-ডিম বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার ঘোষিত লকডাউনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশে ন্যায্য মূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্যের ভ্রাম্যমাণ কেনা-বেচা চালু রয়েছে। এতে একদিনে সাধারণ মানুষ সহজে কিনতে পারছে প্রয়োজনী পণ্য আবার অন্যদিকে খামারিরাও তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারছেন ভোক্তাদের কাছে।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ।

এ সময় প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের লাইভস্টক ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কাজী রফিকুজ্জামান, ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইমরান হোসেন ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, গত ৫ এপ্রিল থেকে করোনা পরিস্থিতিতে ও পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে দেশের আটটি বিভাগের ৬৪ জেলায় মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্যের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ এই বিক্রয় কেন্দ্রগুলোকে সারাদেশে ৯৫ কোটি ১৬ লাখ ৬৯ হাজার ৩১৯ টাকা মূল্যের মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, পোল্ট্রি ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্য বিক্রি হয়েছে।

এ বছর জেলা প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে সংশ্লিষ্ট জেলার মৎস্য দফতর ও প্রাণিসম্পদ দফতরের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় ডেইরি ও পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গত বছরও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থায় প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রি করা হয়েছে করোনা পরিস্থিতিতে।

আরো পড়ুন:

এক সপ্তাহে ৮০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার ভ্রাম্যমাণ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম বিক্রি
শিবপুরে ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন
শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৪, ২০২১ ২:৪০ অপরাহ্ন
গরু মোটাতাজা করবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

আমাদের অনেকেই এখন গরু পালনের দিকে ঝুঁকছেন ব্যবসার উদ্দেশ্যে। আর এর জন্য দরকার মোটাতাজা গরু। গরু যত মোটাতাজা হবে তার চাহিদাও তত বেশি হবে। এই জন্য দরকার গরু প্রাকৃতিক ‍উপায়ে গরু মোটাতাজা করার উপায় জানা। আজকের লেখায় গরু মোটাতাজা করণ পদ্ধতি জানা যাবে।

গরু বাছাই:
গরু বাছাই করার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন, গরুর বয়স ২ থেকে ৩ বছর হলে ভালো হয়। শংকর, ফিজিয়ান, সিন্ধি জাত হলেও ভালো। এগুলোর চামড়া ঢিলেঢালা, হারের জোড়া মোটা, ঠান্ডা প্রকৃতির, রোগমুক্ত। গরু কেনার পর প্রথম কাজ হচ্ছে গরুকে কৃমিমুক্ত করা। মুখের রুচি বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে পারেন। তারপরই হচ্ছে সুষম খাবার পরিমাণমতো।

দৈনিক যে খাবার খাওয়াবেন:
একটি ১০০ কেজি ওজনের গরুকে দৈনিক নিম্নোক্ত খাদ্য দেওয়া যেতে পারে-
১. ইউএমএস যে পরিমাণ খেতে পারে অথবা পর্যাপ্ত। তবে সার ও চিটা গুড়ের পরিমাণ ঠিক রেখে। ৫ গ্রাম থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে ২৫ গ্রাম পর্যন্ত।

২. দানাদার ২ কেজি। তবে ভালো মানের রেডি ফিড হতে হবে। কেননা এতে প্রয়োজনীয় সব উপাদান সঠিক পরিমাণে থাকে।

৩. কাচা ঘাস ১০ কেজি মিনিমাম। গরু পালনের আগে ঘাস চাষ করতে হবে। যাদের ঘাস চাষ করার কোনো উপায় নেই তাদের গরু পালনের কোনো দরকার নেই।

ওজন বেশি হলে যা করবেন:
গরুর ওজন ১০০ কেজির বেশি হলে প্রতি ৫০ কেজি ওজনের জন্য দানাদার ১ কেজি এবং ঘাস ৫ কেজি যোগ করে হিসাব করতে হবে। যেমন- ১৫০ কেজি ওজনের গরুকে দানাদার ৩ কেজি এবং ঘাস ১৫ কেজি দিতে হবে।

যেভাবে করবেন পরিচর্যা:
গরু মোটাতাজা করার জন্য শুধু খাবার দিলেই হবে না। পাশাপাশি পশুকে ভালোবাসতে হবে। সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে হবে। যেমন- সময়মতো গোসল, খাবার, ওষুধ দিতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২১ ১০:৫৪ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনা ইসলামের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করছেন:প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বর্তমানে শেখ হাসিনা ইসলামের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করছেন। পাশাপাশি তিনি অন্য ধর্মের জন্যও কাজ করছেন। অথচ একদল ধর্ম ব্যবসায়ী বোঝাতে চাইছে, শেখ হাসিনার কাছে ইসলাম নিরাপদ নয় বলে কড়া সমালোচনা করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে কৃষি প্রণোদনার সার, বীজ ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসাম্প্রদায়িকতার বিজয়ের মাধ্যমে মীমাংসিত হয়েছে বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক শক্তির দেশ। আমাদের জাতিসত্তার পরিচয় আমরা বাঙালি। সে লক্ষ্যেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একাত্তর সালে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছেন, ত্রিশ লক্ষ শহীদ জীবন দিয়েছেন, দুই লক্ষ মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছেন। আমরা সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে মোকাবেলা করেছি একাত্তরে। একাত্তর সালেই সিদ্ধান্ত হয়েছে, এ দেশ সাম্প্রদায়িক অপশক্তির নয়, অসাম্প্রদায়িক শক্তির। সে বাংলাদেশকে ধরে রাখার জন্য বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যখন উন্নয়নের অগ্রযাত্রা সূচিত হয়, তখন তাকে হত্যা করা হয় ১৯৭৫ সালে। তারপর আবার স্বাধীনতাবিরোধীরা রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে। দীর্ঘ ২৬ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় তারা বিভিন্নভাবে প্রতিষ্ঠিত ছিল। তাদের মোকাবেলা করেই আজ আমরা উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। এ অবস্থায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে জঙ্গি আচরণের মধ্য দিয়ে যারা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে ধ্বংসের চেষ্টা চালাচ্ছে, তাদের ব্যাপারে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে শেখ হাসিনা ইসলামের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করছেন। পাশাপাশি তিনি অন্য ধর্মের জন্যও কাজ করছেন। অথচ একদল ধর্ম ব্যবসায়ী বোঝাতে চাইছে, শেখ হাসিনার কাছে ইসলাম নিরাপদ নয়। ইসলামের যারা প্রকৃত আলেম-উলামা তারা এতে বিশ্বাস করেন না। ধর্ম ব্যবসায়ীরা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। প্রকৃত ইসলামকে যারা ধারণ করেন, তারা এজাতীয় অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। অনৈতিক কাজে যারা জড়িত তাদের কাছে ইসলাম নিরাপদ কি না ভাবতে হবে। যারা একাত্তরে ধর্ষণ, লুণ্ঠনে সহায়তা করেছে, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে, তাদের হাতে ইসলাম নিরাপদ কি না সেটা বিবেচনায় রাখতে হবে।

এ সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। এই বাংলাদেশ যেন কেউ ধ্বংস করতে না পারে, এ জন্য যেখানে যখনই অসাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থা সৃষ্টি করবে, তখনই প্রতিরোধ গড়ে তুলে তাদের সমূলে বিনাশ করতে হবে। আহ্বান জানান শ ম রেজাউল করিম।

বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যেমন কৃষকদের বিনা মূল্যে সার, কীটনাশক ও কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছিলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা একই প্রক্রিয়ায় সে ধারা অব্যাহত রেখেছেন। আজ কৃষকদের কোথাও হাহাকার করতে হয় না। শেখ হাসিনা সরকার না চাইতেই কৃষকদের ভর্তুকি দিয়ে কৃষি সরঞ্জামাদি, সার, কীটনাশক সরবরাহ করছে। কৃষকদের উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে। তাহলে আমরা খাদ্যে পরিপূর্ণতা অর্জন করতে পারব। আজ দেশ মাছ, মাংস, ডিমসহ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কৃষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

করোনাকালে কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য কর্মকর্তাদের মাঠে কৃষকদের সহায়তা করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। একজন মানুষও যেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ তুলতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক করেন তিনি।

মন্ত্রী আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতিতেও আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। লকডাউনের নীতি-নিয়ম অনুসরণ করে কৃষিকাজ চালিয়ে যাওয়া, খাদ্য উৎপাদন করা এবং মানুষের প্রয়োজনীয় সব কিছুর জোগান আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। না হলে দেশের মানুষ বিপন্ন অবস্থায় পড়বে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত দেশের প্রতিটি অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ সব সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন।

নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নাজিরপুরের বিশিষ্ট সমাজসেবক এস এম নজরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মুস্তাফিজুর রহমান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহরিয়ার ফেরদৌস রুনা, নাজিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মোসলেমউদ্দিন ফরাজী, পিরোজপুর জেলা পরিষদ সদস্য সুলতান মাহমুদ খান, উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন মিয়া, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিগ্বিজয় হাজরা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা গৌতম মণ্ডল, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop