২:৩৬ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ১৪, ২০২১ ৯:৫১ অপরাহ্ন
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সরবরাহ ও বিপণন অব্যাহত রাখার উদ্যোগ
প্রাণিসম্পদ

করোনার প্রকোপ দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর তাতে দেয়া হয়েছে লকডাউন। দেশে এমন পরিস্থিতিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন, পরিবহন, সরবরাহ ও বিপণন অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর, হাইওয়ে পুলিশ সদর দপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, সকল বিভাগীয় কমিশনার, সকল জেলা প্রশাসক ও সকল জেলা পুলিশ সুপার, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল, বাংলাদেশ অ্যাকুয়া প্রোডাক্ট কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশন ও ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বরাবর পাঠানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার (১৪ এপ্রিল) পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাঠানো চিঠির মাধ্যমে বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে হাঁস-মুরগী (লাইভ), গবাদি পশু, মাছের পোনা, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, প্রাণিজাত পণ্য, মৎস্য ও পশু খাদ্যসহ এ ধরণের খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ, কৃত্রিম প্রজনন এবং পশু চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত ওষুধ ও সরঞ্জামাদি উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ এবং বিপণন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দেশের জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভোক্তা পর্যায়ে প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ অব্যাহত রাখা একান্ত জরুরি বিবেচনায় মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম এবং এ সংক্রান্ত উৎপাদন সামগ্রী অব্যাহতভাবে উৎপাদন, সরবরাহ ও বিপণন প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সার্বিক কার্যাবলি/চলাচলে বিধি-নিষেধ আরোপ সংক্রান্ত নির্দেশনায় পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরি পরিষেবা তথা কৃষি উপকরণ, খাদ্য দ্রব্য পরিবহণ বিধি-নিষেধের আওতা বহির্ভূত রাখা হয়েছে বলেও চিঠিতে জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৪, ২০২১ ৫:৫৮ অপরাহ্ন
লকডাউন: ভ্রাম্যমাণ ব্যবস্থায় চলছে মাছ-মাংস-দুধ-ডিম বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার ঘোষিত লকডাউনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশে ন্যায্য মূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্যের ভ্রাম্যমাণ কেনা-বেচা চালু রয়েছে। এতে একদিনে সাধারণ মানুষ সহজে কিনতে পারছে প্রয়োজনী পণ্য আবার অন্যদিকে খামারিরাও তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারছেন ভোক্তাদের কাছে।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর খামারবাড়িতে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ।

এ সময় প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমান, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের লাইভস্টক ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কাজী রফিকুজ্জামান, ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইমরান হোসেন ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, গত ৫ এপ্রিল থেকে করোনা পরিস্থিতিতে ও পবিত্র রমজান মাস সামনে রেখে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে দেশের আটটি বিভাগের ৬৪ জেলায় মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্যের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ এই বিক্রয় কেন্দ্রগুলোকে সারাদেশে ৯৫ কোটি ১৬ লাখ ৬৯ হাজার ৩১৯ টাকা মূল্যের মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, পোল্ট্রি ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্য বিক্রি হয়েছে।

এ বছর জেলা প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে সংশ্লিষ্ট জেলার মৎস্য দফতর ও প্রাণিসম্পদ দফতরের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় ডেইরি ও পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

গত বছরও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থায় প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রি করা হয়েছে করোনা পরিস্থিতিতে।

আরো পড়ুন:

এক সপ্তাহে ৮০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার ভ্রাম্যমাণ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম বিক্রি
শিবপুরে ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন
শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৪, ২০২১ ২:৪০ অপরাহ্ন
গরু মোটাতাজা করবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

আমাদের অনেকেই এখন গরু পালনের দিকে ঝুঁকছেন ব্যবসার উদ্দেশ্যে। আর এর জন্য দরকার মোটাতাজা গরু। গরু যত মোটাতাজা হবে তার চাহিদাও তত বেশি হবে। এই জন্য দরকার গরু প্রাকৃতিক ‍উপায়ে গরু মোটাতাজা করার উপায় জানা। আজকের লেখায় গরু মোটাতাজা করণ পদ্ধতি জানা যাবে।

গরু বাছাই:
গরু বাছাই করার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন, গরুর বয়স ২ থেকে ৩ বছর হলে ভালো হয়। শংকর, ফিজিয়ান, সিন্ধি জাত হলেও ভালো। এগুলোর চামড়া ঢিলেঢালা, হারের জোড়া মোটা, ঠান্ডা প্রকৃতির, রোগমুক্ত। গরু কেনার পর প্রথম কাজ হচ্ছে গরুকে কৃমিমুক্ত করা। মুখের রুচি বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে পারেন। তারপরই হচ্ছে সুষম খাবার পরিমাণমতো।

দৈনিক যে খাবার খাওয়াবেন:
একটি ১০০ কেজি ওজনের গরুকে দৈনিক নিম্নোক্ত খাদ্য দেওয়া যেতে পারে-
১. ইউএমএস যে পরিমাণ খেতে পারে অথবা পর্যাপ্ত। তবে সার ও চিটা গুড়ের পরিমাণ ঠিক রেখে। ৫ গ্রাম থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে ২৫ গ্রাম পর্যন্ত।

২. দানাদার ২ কেজি। তবে ভালো মানের রেডি ফিড হতে হবে। কেননা এতে প্রয়োজনীয় সব উপাদান সঠিক পরিমাণে থাকে।

৩. কাচা ঘাস ১০ কেজি মিনিমাম। গরু পালনের আগে ঘাস চাষ করতে হবে। যাদের ঘাস চাষ করার কোনো উপায় নেই তাদের গরু পালনের কোনো দরকার নেই।

ওজন বেশি হলে যা করবেন:
গরুর ওজন ১০০ কেজির বেশি হলে প্রতি ৫০ কেজি ওজনের জন্য দানাদার ১ কেজি এবং ঘাস ৫ কেজি যোগ করে হিসাব করতে হবে। যেমন- ১৫০ কেজি ওজনের গরুকে দানাদার ৩ কেজি এবং ঘাস ১৫ কেজি দিতে হবে।

যেভাবে করবেন পরিচর্যা:
গরু মোটাতাজা করার জন্য শুধু খাবার দিলেই হবে না। পাশাপাশি পশুকে ভালোবাসতে হবে। সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে হবে। যেমন- সময়মতো গোসল, খাবার, ওষুধ দিতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২১ ১০:৫৪ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনা ইসলামের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করছেন:প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বর্তমানে শেখ হাসিনা ইসলামের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করছেন। পাশাপাশি তিনি অন্য ধর্মের জন্যও কাজ করছেন। অথচ একদল ধর্ম ব্যবসায়ী বোঝাতে চাইছে, শেখ হাসিনার কাছে ইসলাম নিরাপদ নয় বলে কড়া সমালোচনা করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে কৃষি প্রণোদনার সার, বীজ ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসাম্প্রদায়িকতার বিজয়ের মাধ্যমে মীমাংসিত হয়েছে বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক শক্তির দেশ। আমাদের জাতিসত্তার পরিচয় আমরা বাঙালি। সে লক্ষ্যেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে একাত্তর সালে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছেন, ত্রিশ লক্ষ শহীদ জীবন দিয়েছেন, দুই লক্ষ মা-বোন সম্ভ্রম হারিয়েছেন। আমরা সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে মোকাবেলা করেছি একাত্তরে। একাত্তর সালেই সিদ্ধান্ত হয়েছে, এ দেশ সাম্প্রদায়িক অপশক্তির নয়, অসাম্প্রদায়িক শক্তির। সে বাংলাদেশকে ধরে রাখার জন্য বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যখন উন্নয়নের অগ্রযাত্রা সূচিত হয়, তখন তাকে হত্যা করা হয় ১৯৭৫ সালে। তারপর আবার স্বাধীনতাবিরোধীরা রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে। দীর্ঘ ২৬ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় তারা বিভিন্নভাবে প্রতিষ্ঠিত ছিল। তাদের মোকাবেলা করেই আজ আমরা উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। এ অবস্থায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে জঙ্গি আচরণের মধ্য দিয়ে যারা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে ধ্বংসের চেষ্টা চালাচ্ছে, তাদের ব্যাপারে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে শেখ হাসিনা ইসলামের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করছেন। পাশাপাশি তিনি অন্য ধর্মের জন্যও কাজ করছেন। অথচ একদল ধর্ম ব্যবসায়ী বোঝাতে চাইছে, শেখ হাসিনার কাছে ইসলাম নিরাপদ নয়। ইসলামের যারা প্রকৃত আলেম-উলামা তারা এতে বিশ্বাস করেন না। ধর্ম ব্যবসায়ীরা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। প্রকৃত ইসলামকে যারা ধারণ করেন, তারা এজাতীয় অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। অনৈতিক কাজে যারা জড়িত তাদের কাছে ইসলাম নিরাপদ কি না ভাবতে হবে। যারা একাত্তরে ধর্ষণ, লুণ্ঠনে সহায়তা করেছে, মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে, তাদের হাতে ইসলাম নিরাপদ কি না সেটা বিবেচনায় রাখতে হবে।

এ সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। এই বাংলাদেশ যেন কেউ ধ্বংস করতে না পারে, এ জন্য যেখানে যখনই অসাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী অনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থা সৃষ্টি করবে, তখনই প্রতিরোধ গড়ে তুলে তাদের সমূলে বিনাশ করতে হবে। আহ্বান জানান শ ম রেজাউল করিম।

বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যেমন কৃষকদের বিনা মূল্যে সার, কীটনাশক ও কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছিলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা একই প্রক্রিয়ায় সে ধারা অব্যাহত রেখেছেন। আজ কৃষকদের কোথাও হাহাকার করতে হয় না। শেখ হাসিনা সরকার না চাইতেই কৃষকদের ভর্তুকি দিয়ে কৃষি সরঞ্জামাদি, সার, কীটনাশক সরবরাহ করছে। কৃষকদের উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে। তাহলে আমরা খাদ্যে পরিপূর্ণতা অর্জন করতে পারব। আজ দেশ মাছ, মাংস, ডিমসহ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কৃষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

করোনাকালে কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য কর্মকর্তাদের মাঠে কৃষকদের সহায়তা করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। একজন মানুষও যেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ তুলতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক করেন তিনি।

মন্ত্রী আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতিতেও আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। লকডাউনের নীতি-নিয়ম অনুসরণ করে কৃষিকাজ চালিয়ে যাওয়া, খাদ্য উৎপাদন করা এবং মানুষের প্রয়োজনীয় সব কিছুর জোগান আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। না হলে দেশের মানুষ বিপন্ন অবস্থায় পড়বে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত দেশের প্রতিটি অঞ্চলের প্রতিটি মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ সব সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন।

নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নাজিরপুরের বিশিষ্ট সমাজসেবক এস এম নজরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মুস্তাফিজুর রহমান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহরিয়ার ফেরদৌস রুনা, নাজিরপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মোসলেমউদ্দিন ফরাজী, পিরোজপুর জেলা পরিষদ সদস্য সুলতান মাহমুদ খান, উপজেলা প্রকৌশলী জাকির হোসেন মিয়া, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিগ্বিজয় হাজরা, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা গৌতম মণ্ডল, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. সিরাজুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আয়েশা আক্তার প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২১ ৪:৫৩ অপরাহ্ন
শিবগঞ্জে আগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা দাইপুখুরিয়ায় আগ্নিকাণ্ডে ৩টি গরু ও ১টি ছাগল পুড়ে ছাই।

আজ মঙ্গলবার ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দাইপুখুরিয়ার মির্জাপুর কর্ণখালি এলাকায় রান্নাঘরের আগুন থেকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। এসময় ঐ এলাকার সালাউদ্দিন, সুমন আহমেদ ও আলালের বাড়ির কয়টি ঘর পুড়ে যায়। একইসাথে পুড়ে যায় গোয়ালঘরে থাকা ৩টি গরু ও ১টি ছাগল।

তারা আরও জানান, আগ্নিকান্ডে এসময় কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ার ফাইটার হাসদা শঙ্কর জানান, আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাবার পথে কানসাটের ধুপপুকুর এলাকায় গিয়ে যানতে পারি এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে আমরা ফিরে আসি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২১ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিবপুরে ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প (এল ডি ডি পি), প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় দেশব্যাপী করোনা (কোভিড-১৯) পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় শিবপুর, নরসিংদী উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় এবং উপজেলা পোল্ট্রি ফার্মারস এসোসিয়েশন এবং উপজেলা ডেইরি ফার্মাস এসোসিয়েশনের বাস্তবায়নে এটি উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মো. হারুনুর রশিদ খান, চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, মো. কাবিরুল ইসলাম খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জনাব শামসুল আলম ভূঁইয়া রাখিল, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, শিবপুর উপজেলা শাখা, আমি ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল শামীম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ডা. সজল কুমার দাশ, ভেটেরিনারি সার্জন, ডা. ফারজানা ইয়াসমিন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, হারুন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক, পোল্ট্রি এসোসিয়েশন, নরসিংদী, পোল্ট্রি খামারী বৃন্দ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, শিবপুরের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্ধ।

এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে উপজেলার দূরবর্তী খামার থেকে সংগ্রহ করে ন্যায্য মূল্যে ডিম, দুধ এবং মাংস বিক্রি করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২১ ১০:১০ পূর্বাহ্ন
পটুয়াখালীতে গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৪০
প্রাণিসম্পদ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বালিয়াতলী ইউনিয়নের দিঘর বালিয়াতলী গ্রামে বিরোধপূর্ণ জমিতে গরুর ঘাস খাওয়ায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৪০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত চার জনকে বরিশাল শের-ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

সোমবার (১২ এপ্রিল) বিকালে এই ঘটনা ঘটে। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মোহাম্মদ ভুঁইয়া, মো. নুর আলম, মো. সবুজ, মো. নাজেম ও সোহাগকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন।

আহতদের সূত্রে জানা গেছে, দিঘর বালিয়াতলী গ্রামের প্রায় এক একর ৩২ শতাংশ জমি নিয়ে মোসা. রাহিমা বেগম এবং মোহাম্মদ ভুঁইয়ার দীর্ঘ আট মাস ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই জমিতে সোমবার বিকালে রাহিমার নিকটাত্মীয় মো. নাসির দফাদার গরু চড়াতে গেলে মোহাম্মদ ভুঁইয়াসহ অন্যদের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনও অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে জড়িত বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান কলাপাড়া থানার ওসি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ৭:১১ অপরাহ্ন
এক সপ্তাহে ৮০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার ভ্রাম্যমাণ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে গত এক সপ্তাহে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে সারাদেশে খামারিগণ তাদের উৎপাদিত ৭৭ কোটি ৭৭ লক্ষ ৫ হাজার ২১৫ টাকার দুধ, ডিম, মাংস, পোল্ট্রি ও বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য এবং ২ কোটি ৯৪ লক্ষ ২৩ হাজার ৫৬২ টাকার মাছ বিক্রয় করেছে।

করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে গত বছরের মতো এ বছরও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভ্রাম্যমান বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও বিভিন্ন প্রাণিজাত এই পণ্য বিক্রয় শুরু হয়েছে।

গত ৭ এপ্রিল থেকে সারাদেশে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলেও গত ৫ এপ্রিল থেকে এ ব্যবস্থায় সারাদেশে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্য বিক্রয় চলছে। এর মাধ্যমে দেশের ৮টি বিভাগের ৬৪ জেলায় গত এক সপ্তাহে মোট ৮০ কোটি ৭১ লক্ষ ২৮ হাজার ৭৭৭ টাকা মূল্যের মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, পোল্ট্রি ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্য বিক্রয় হয়েছে।

এ বছর জেলা প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে সংশ্লিষ্ট জেলার মৎস্য দপ্তর ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় ডেইরি ও পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমে খামারিগণ নিজেদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ন্যায্যমূলো ভোক্তাদের নিকট বিক্রয় করতে পারছেন।

উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতিতে গতবছরও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাজারজাতকরণ সংকটে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত উৎপাদক, খামারি ও উদ্যোক্তাদের কথা মাথায় রেখে এবং ভোক্তাদের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা হয়। গতবছর করোনা সংকটে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের খামারিদের উৎপাদিত মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম ভ্রাম্যমান ব্যবস্থায় বিক্রয় করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ৬:২৩ অপরাহ্ন
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট জাতের গরু ‘পুঙ্গানুর’ বিলুপ্তির পথে
প্রাণিসম্পদ

বর্তমানে সারা বিশ্বে পুঙ্গানুর জাতের গরু আছে মাত্র ৬০-৭০টি।আর এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট জাতের গরু বলে পরিচিত। কালে প্রবাহে এটি এখন বিলপ্তির পথে।

জানা যায়, একসময় ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বাড়িতে বাড়িতে এ গরুর দেখা মিলতো। এ রাজ্যের পুঙ্গানুর শহরের নামেই গরুটির নামকরণ করা হয়। এ জাতের পূর্ণবয়স্ক গরুর উচ্চতা হয় মাত্র আড়াই ফুটের মতো। কম খাদ্য প্রয়োজন বলে একসময় অন্ধ্রপ্রদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীতে খুব জনপ্রিয় ছিলো এ গরু। এখন কেবল সরকারি কিছু খামারে এর দেখা মেলে।

ভারতের কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, কৃষকরা বেশি লাভজনক বড় গরুর দিকে ঝোঁকায় হারিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় জাতের পুঙ্গানুর গরু। অবশ্য ছোট আকৃতির কারণে অনেক ধনী পরিবারে কুকুর-বিড়ালের বদলে গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে এর চাহিদা বাড়ছে বলেও তারা জানায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ৬:০৭ অপরাহ্ন
“মামুনুল হকের মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের হাতে ইসলাম নিরাপদ নয়”
প্রাণিসম্পদ

মামুনুল হকসহ স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র সাম্প্রদায়িক একটি গোষ্ঠী অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তার মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের হাতে ইসলাম নিরাপদ নয় বলে মন্তব্য করছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

সোমবার (১২ এপ্রিল) পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত স্থানীয় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা (সার ও বীজ) বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর বেইলী রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, “ভয়াবহ করোনা সংকটে বাংলাদেশ যখন বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভালোভাবে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে তার মধ্যে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য মামুনুল হকসহ স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র সাম্প্রদায়িক একটি গোষ্ঠী অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তার মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের হাতে ইসলাম নিরাপদ নয়।

আরো বলেন, প্রতিটা মসজিদে ও মাদ্রাসায় এ বার্তা পৌঁছে দিতে হবে যে, এ সরকার ইসলামের জন্য যা করেছে দেশের ইতিহাসে কেউ তা করে নি। তারপরও সরকারের শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র পরিচালনার সময়, ইসলামের উন্নয়নের সময় কেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশেকে ধ্বংসের চেষ্টা চালানো হচ্ছে? যারা এটা করছে তারা রাষ্ট্রের শত্রু, ইসলামের শত্রু। তারা উন্নয়নের শত্রু, আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশের শত্রু। তারা যেন কোথাও সহিংসতা সৃষ্টির সুযোগ নিতে না পারে। তারা যেখানে অপচেষ্টা চালাবে সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”

তিনি আরো বালেন, “এ বাংলাদেশে যারা উগ্রতা সৃষ্টি করতে চেয়েছে আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে তাদের মোকাবিলা করেছি। সেদিন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে এ বাংলাদেশ উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তির নয়, অসাম্প্রদায়িক মানুষদের। একাত্তরে সালে যারা পরাজিত, তারা কোনদিন এই বাংলাদেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। কেউ যদি নতুন করে স্বপ্নে বিভোর হয় যে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করবে, তাদের শেখ হাসিনাকে চেনা উচিত। অপরাধ করলে তিনি কাউকে ছাড় দেন না। সময় থাকতে সবাইকে সংযত হতে হবে।”-যোগ করেন শ ম রেজাউল করিম।

মন্ত্রী আরো বলেন, “শেখ হাসিনা সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। ধান, চাল, ভুট্টার সঙ্গে মাছ, মাংস, দুধ, ডিমকে সম্মিলিতভাবে কৃষি বোঝায়। কৃষির উন্নয়নে শেখ হাসিনা সরকারের চেয়ে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ এই ৫০ বছরের বাংলাদেশে আর কেউ নিতে পারে নি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কৃষকদের বঙ্গবন্ধু যেভাবে ভর্তুকি দিয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার পাম্প, কীটনাশক সরবরাহ করতেন, সে ধারা ১৯৯৬ সালে সরকার পরিচালনায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুরু করেছিলেন।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আবার সরকারে এসে সে ধারা অব্যাহত রেখেছেন। বর্তমানে কৃষকের চাষাবাদের জন্য কৃষি উপকরণ, কীটনাশক, সার, বীজ এমনকি কৃষি যন্ত্রপাতি ভর্তুকি দিয়ে কোন কোন ক্ষেত্রে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন কৃষক বাঁচলে কৃষি বাঁচবে। আর কৃষি বাঁচলে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। এ কারণে আজ আমাদের মাছ, মাংস, দুধ ডিম তথা খাদ্যের অভাব নেই। এ পরিবর্তনের মূলে রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা, প্রণোদণা ও নীতি-নির্ধারণ কাজ করেছে।”

কৃষি উপকরণ গ্রহণকারী কৃষকদের উদ্দেশে এসময় মন্ত্রী বলেন, “এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত না থাকে। একটা জমিতে তিনটি ফসল ফলানো গেলে সেখানে তিনটা ফসলই ফলাতে হবে। বে। দেশের কোন উর্বর জমি যেন পতিত না থাকে। এভাবে অমরা কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। করোনাকালে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শরীরে পুষ্টির সরবরাহ প্রয়োজন। সে পুষ্টি শাক-সবজি, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থেকে আসবে। আপনারা যত বেশি কৃষি উৎপাদন বাড়াবেন তত বেশি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার চ্যালেঞ্জ আরো দৃঢ়তার সঙ্গে আমরা মোকাবিলা করতে পারবো।”

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হামিদ, স্বরূপকাঠি পৌরসভার মেয়র গোলাম কবির, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শশাঙ্ক রঞ্জন সমাদ্দার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ বশির গাজী, নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবির মোহাম্মদ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চপল কৃষ্ণ নাথ, নেছারাবাদ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop