৭:০৮ পূর্বাহ্ন

শনিবার, ২৫ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ২, ২০২৩ ৯:২৫ পূর্বাহ্ন
কবিরহাটে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

‘স্মার্ট লাইভস্টক, স্মার্ট বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নোয়াখালীর কবিরহাটে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২৩ উদ্বোধন ও সমাপনী এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়েছে। সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সকালে মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতিমা সুলতানা। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে কবিরহাট পৌরসভার মেয়র জহিরুল হক রায়হানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ছোট বড় ৬২ টি খামারি স্টল দিয়ে অংশ গ্রহণ করেন।  দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রকার পাখি, ষাড় গরু, গাভি গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, হাঁস-মুরগি প্রদর্শন করা হয়।

বিকেলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমির হোসেনের সঞ্চালনায় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতিমা সুলতানার সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসময় ৩ টি ক্যাটাগরিতে ১১ জন ও বিশেষ ক্যাটাগরিতে এক জনকে পুরষ্কার প্রদান করা হয়। দুগ্ধবতী গাভী শ্রেনিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন কৃষক মো. নজরুল ইসলাম। তার গাভী প্রতিদিন প্রায় ৩২ লিটার দুধ দেয়। দ্বিতীয় গোলাম সারোয়ার (২৪ লিটার), তৃতীয় মো. শাহাজান (১৫ লিটার)। সর্বোচ্চ ১২ মণ ওজনের মো. গিয়াস উদ্দীন ফরহাদের ষাড় প্রথম স্থান অর্জন করেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমির হোসেন বলেন, স্মার্ট লাইভস্টক, স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিপাদ্য প্রধানমন্ত্রীর ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়কে তরান্বিত করে। আমরা সর্বদা প্রান্তিক খামারীদের পাশে আছি। যেকোনো প্রয়োজনে ছুটে যাই।  দিন-রাত ২৪ ঘন্টা তাদের সেবা দেওয়া হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতিমা সুলতানা বলেন, কবিরহাট প্রাণিসম্পদে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বিস্তীর্ন এলাকা জুড়ে এখানে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, হাঁস-মুরগি পালন করা হয়। প্রাণিসম্পদ অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় এখানে খামারীরা দিন দিন লাভবান হচ্ছে।
 এসময় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দসহ বিভিন্ন খামার মালিক ও পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২, ২০২৩ ৯:১৯ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাত সারাবিশ্বের দৃষ্টান্ত হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাত এক সময় সারাবিশ্বের দৃষ্টান্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। বুধবার (০১ মার্চ) বিকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী আয়োজিত প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৩ এর  সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র নানা উপায়ে প্রাণিসম্পদ খাতে সহযোগিতা দিচ্ছে, প্রণোদনা দিচ্ছে। কাজেই সম্মিলিতভাবে প্রাণিসম্পদ খাতকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। প্রাণিসম্পদ খাত যত জোরদার হবে দেশের অর্থনীতি তত জোরদার হবে। দেশের অর্থনীতি যত জোরদার হবে, অবকাঠামো উন্নয়নসহ দেশের সবক্ষেত্রে উন্নয়ন তত নিশ্চিত হবে। নানাভাবে এ সেক্টর আমাদের সমাজ ব্যবস্থায়, রাষ্ট্র ব্যবস্থায় বিশাল ভূমিকা রাখছে। এই সেক্টর বিকশিত হওয়ায় বেকারত্ব দূর হচ্ছে, কর্মোদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে, মানুষ স্বাবলম্বী হচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনৈতিক সচল হচ্ছে। এভাবে প্রাণিসম্পদ খাত দেশের অন্যান্য সব খাতকে অতিক্রম করে বহুমুখী ভূমিকা রাখছে। অদূর ভবিষ্যতে আরো ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা অপ্রতিরোধ্য গতি নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছি। এক সময় বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু কম ছিল, মাতৃমৃত্যু-শিশু মৃত্যুর হার ব্যাপক ছিল, মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম ছিল। এ জাতীয় একটি বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পরিণত করার ক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ খাতের অসাধারণ অবদান রয়েছে। এ অর্জনের ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি খাত তথা বেসরকারি উদ্যোক্তারা ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছে। ফলে একটা বিস্ময়কর উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ খাতের সাম্প্রতিক উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, প্রাণিচিকিৎসায় মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক চালু করা হয়েছে, দেশে আন্তর্জাতিকমানের প্রাণিসম্পদ উৎপাদন উপকরণ ও প্রাণিজাত খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে, গবাদিপশুর জন্য টোটাল মিক্সড রেশন খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে, করোনায় খামারিদের প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। প্রাণিসম্পদ নিয়ে মানুষের মধ্যে যেন একটা নতুন ধারণা সৃষ্টি হয় সেজন্য বেসরকারি খাতকে সঙ্গে নিয়ে সরকার প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা সব সময় প্রাণিসম্পদ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, অতীতে গুরুত্ব না দিলেও দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে এখন সবাই গুরুত্ব দেয়। অস্ট্রেলিয়া,ব্রাজিল, নিউজিল্যান্ডসহ পৃথিবীর অনেক দেশ প্রাণিসম্পদকে ঘিরে উন্নয়ন করছে। সে অনুপাতে আমাদের এ খাতে অতীতে উন্নয়ন হয়নি। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা,পলিসি এবং সহযোগিতার কারণে এ খাত অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এ খাত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ও সমৃদ্ধিতে, মানুষকে দৃঢ়তার সঙ্গে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত ভালো ভূমিকা পালন করছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. এমদাদুল হক তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম, এসিআই এগ্রিবিজনেস ডিভিশনের প্রেসিডেন্ট এফ এইচ আনসারী, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মসিউর রহমান এবং বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়শনের সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২, ২০২৩ ১:২০ পূর্বাহ্ন
ট্রেনের ধাক্কায় আহত হরিণ জবাই করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রেল কর্মীদের বিরুদ্ধে
প্রাণিসম্পদ

ট্রেনের ধাক্কায় একটি হরিণ আহত হয়। পরে হরিণ জবাই করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে রেল কর্মীদের বিরুদ্ধে।

জানা যায়,২২ ফেব্রুয়ারি লাউয়াছড়া উদ্যানে কালিনী এক্সপ্রেসের ধাক্কায় আহত হয় একটি মায়া হরিণ। এরপর প্রাণীটিকে জবাই করে লোকো মেকানিক সোহেলসহ দুইজন রেলকর্মী। তাদের একজন আবার ওই ট্রেনের সহকারী চালক।

এরপর অভিযান চালিয়ে জবাইকৃত মায়া হরিণটিকে উদ্ধার করে বনবিভাগ।

তবে এ ঘটনায় মামলা করতে গেলে তা নেয়নি রেলপুলিশ।

তারা সংরক্ষিত জাতীয় উদ্যানে হরিণ নিধনে ট্রেন চালক ও তার কিছু কর্মচারী জড়িত থাকার জোরালো প্রমাণ তুলে ধরেন।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজার বন বিভাগ শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছে।

বন, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সহকারী সংরক্ষক শ্যামল কুমার মিত্র বলেন, হরিণের শরীরে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে যা ট্রেনের ধাক্কায় আঘাতের ইঙ্গিত দেয়, তবে এটি হরিণের মৃত্যুর কারণ নয় জবাই করার কারণে হরিণের মৃত্যু হয়।

রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন, ঘটনার সতত্যা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১, ২০২৩ ৯:৩৪ অপরাহ্ন
বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাত সারাবিশ্বের দৃষ্টান্ত হবে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাত এক সময় সারাবিশ্বের দৃষ্টান্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১ মার্চ) বিকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী আয়োজিত প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৩ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র নানা উপায়ে প্রাণিসম্পদ খাতে সহযোগিতা দিচ্ছে, প্রণোদনা দিচ্ছে। কাজেই সম্মিলিতভাবে প্রাণিসম্পদ খাতকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। প্রাণিসম্পদ খাত যত জোরদার হবে দেশের অর্থনীতি তত জোরদার হবে। দেশের অর্থনীতি যত জোরদার হবে, অবকাঠামো উন্নয়নসহ দেশের সবক্ষেত্রে উন্নয়ন তত নিশ্চিত হবে। নানাভাবে এ সেক্টর আমাদের সমাজ ব্যবস্থায়, রাষ্ট্র ব্যবস্থায় বিশাল ভূমিকা রাখছে। এই সেক্টর বিকশিত হওয়ায় বেকারত্ব দূর হচ্ছে, কর্মোদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে, মানুষ স্বাবলম্বী হচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনৈতিক সচল হচ্ছে। এভাবে প্রাণিসম্পদ খাত দেশের অন্যান্য সব খাতকে অতিক্রম করে বহুমুখী ভূমিকা রাখছে। অদূর ভবিষ্যতে আরো ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা অপ্রতিরোধ্য গতি নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলেছি। এক সময় বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু কম ছিল, মাতৃমৃত্যু-শিশু মৃত্যুর হার ব্যাপক ছিল, মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম ছিল। এ জাতীয় একটি বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পরিণত করার ক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ খাতের অসাধারণ অবদান রয়েছে। এ অর্জনের ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি খাত তথা বেসরকারি উদ্যোক্তারা ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছে। ফলে একটা বিস্ময়কর উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ খাতের সাম্প্রতিক উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, প্রাণিচিকিৎসায় মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক চালু করা হয়েছে, দেশে আন্তর্জাতিকমানের প্রাণিসম্পদ উৎপাদন উপকরণ ও প্রাণিজাত খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে, গবাদিপশুর জন্য টোটাল মিক্সড রেশন খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছে, করোনায় খামারিদের প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। প্রাণিসম্পদ নিয়ে মানুষের মধ্যে যেন একটা নতুন ধারণা সৃষ্টি হয় সেজন্য বেসরকারি খাতকে সঙ্গে নিয়ে সরকার প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।

প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা সব সময় প্রাণিসম্পদ খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, অতীতে গুরুত্ব না দিলেও দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে এখন সবাই গুরুত্ব দেয়। অস্ট্রেলিয়া,ব্রাজিল, নিউজিল্যান্ডসহ পৃথিবীর অনেক দেশ প্রাণিসম্পদকে ঘিরে উন্নয়ন করছে। সে অনুপাতে আমাদের এ খাতে অতীতে উন্নয়ন হয়নি। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা,পলিসি এবং সহযোগিতার কারণে এ খাত অনেক দূর এগিয়ে গেছে। এ খাত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ও সমৃদ্ধিতে, মানুষকে দৃঢ়তার সঙ্গে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত ভালো ভূমিকা পালন করছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. এমদাদুল হক তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম মোস্তফা কামাল। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম, এসিআই এগ্রিবিজনেস ডিভিশনের প্রেসিডেন্ট এফ এইচ আনসারী, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মসিউর রহমান এবং বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়শনের সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২৩ ১:০৩ অপরাহ্ন
কয়েলের আগুনে পুড়ে মরল ৩ গরু
প্রাণিসম্পদ

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে কয়েলের আগুনে পুড়ে তিনটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার ভাঙ্গামোড় ইউনিয়নের রাবাইতারী গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত দেড়টার দিকে ওই গ্রামের নাদের আলীর ঘরে হঠাৎ আগুন জ্বলে ওঠে। আগুনের লেলিহান শিখা মুহূর্তেই চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে নাদের আলীর চারটি টিনশেড ঘর, গোয়াল ঘর, রান্না ঘর এবং গোয়ালে রাখা তিনটি গাভী পুড়ে যায়। আগুন পার্শ্ববর্তী আব্দুল কাদের ও মজিদুলের ঘরে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

তবে ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই আব্দুল কাদেরের দুটি, মজিদুলের একটি ঘর, আসবাবপত্র, ধানচাল, নগদ টাকা, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে ছাই হয়। পরে ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আরও পড়ুন: মৌচাকে বহুতল ভবনে আগুন

ফুলবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের ফাইটার বুলবুল আহমেদ জানান, গভীর রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। কয়েলের আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মুকুল ইসলাম বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রাথমিকভাবে চেয়ারম্যান পাঁচ হাজার টাকা ও শুকনো খাবার সহায়তা দিয়েছেন। বিকেলে ইউএনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে অগ্নিকাণ্ডে আনুমানিক ছয় লাখের বেশি টাকার ক্ষতি হয়েছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২৩ ৯:৩২ পূর্বাহ্ন
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিশেষ অবদানের জন্য আজীবন সম্মাননা পেলেন মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আরটিভি এনআরবিসি ব্যাংক কৃষি পদক ২০২৩ এ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আরটিভির বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর হাতে আজীবন সম্মাননার ক্রেস্ট তুলে দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এবং আরটিভির চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম।

সম্মাননা স্মারক গ্রহণ শেষে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, জীবন একটি চলমান প্রক্রিয়া। দ্রুততার সঙ্গে নিঃশেষ হওয়ার পথে এগিয়ে যাওয়া। এ ক্ষণিক সময়ের ভেতরে যদি কিছু অবদান রেখে যাওয়া যায় সেখানেই আত্মতৃপ্তি। আমার মনে হয় কিছুই করি নি, কিন্তু একটা চেষ্টা আছে। সে চেষ্টাকে আরটিভি পরিবার সম্মানিত করার মাধ্যমে কৃতজ্ঞতার পাশে আবদ্ধ করেছে।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য গতিতে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশে একজন প্রধানমন্ত্রী নিজেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন গণভবনের কৃষির মাধ্যমে। আমাদের শেকড় কৃষিতে। আমাদের মৌলিক সত্ত্বার উৎস কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশ। ধান উৎপাদন, মাছ উৎপাদনসহ কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে আমরা সমৃদ্ধ।

তিনি আরো যোগ করেন, কৃষিকে কিভাবে বাণিজ্যিকীকরণ করা যাবে, কৃষির উৎপাদিত সামগ্রী কিভাবে প্রক্রিয়াজাত করা যাবে, বহুমুখী ব্যবহার করা যাবে, দুধ দিয়ে কত প্রকার পণ্য তৈরি করা যায়, মাংস থেকে কত প্রকার পণ্য তৈরি করা যায় এ বিষয়গুলো নিয়ে সরকার কাজ করছে। এভাবে কৃষিপণ্যের বহুমুখী ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, প্রাণিজ আমিষের যোগান আসে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থেকে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সাথে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী সম্পৃক্ত। উৎপাদন, বিপণন ও অন্যান্য প্রক্রিয়ায় এ খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় দেড় কোটি মানুষ সম্পৃক্ত।
এক সময় দেশে মাছের আকাল ছিল। এখন পৃথিবীর ৫২ টি দেশে বাংলাদেশের মাছ রপ্তানি হয়। ভারত-মিয়ানমার থেকে পশু না আসলে কোরবানির সময় ভয়াবহ অবস্থা হতো। আজ প্রাণিসম্পদের উৎপাদন এমন পর্যায়ে যে কোরবানির হাটে এক দশমাংশ পশু উদ্বৃত্ত থাকছে।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পৃষ্ঠপোষকতা, সহায়তা, পরিকল্পনা এবং অপরাপর ভর্তুকির পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগের কারণে এসব সম্ভব হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য প্রদান করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, আরটিভির চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য মোরশেদ আলম, এফবিসিসিআই এর সভাপতি জসিম উদ্দিন, আরটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির, এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম পারভেজ তমাল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ৮ ব্যক্তি ও ২ প্রতিষ্ঠানকে আরটিভি এনআরবিসি ব্যাংক কৃষি পদক ২০২৩ প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৩ ৯:০২ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী সারাদেশে উদ্যোক্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে : প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী সারাদেশে উদ্যোক্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৩ এর অংশ হিসাবে ঢাকায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বর্তমান সরকার সরকারি-বেসরকারি সম্মিলিত উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও বেশি বিকশিত করতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়েছে। এবারের প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে অনেক বেসরকারি উদ্যোক্তারা সম্পৃক্ত হয়েছেন। সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে দৃষ্টিনন্দন, কার্যকর ও ফলপ্রসূ প্রাণিমেলা আয়োজন সম্ভব হয়েছে। এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে সারাদেশে উদ্যোক্তা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। তাদের অনুপ্রাণিত করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাই এ খাতকে তিনি সব সময় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে থাকেন। এ জন্য শিক্ষিতরা এখন খামারি হচ্ছেন, বিদেশ থেকে উচ্চশিক্ষা নিয়ে এসে খামার স্থাপন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে চাকরির পেছনে সময় নষ্ট না করে বিভিন্ন রকম প্রাণী উৎপাদন ও বিপণন করে নিজে যেমন উদ্যোক্তা হচ্ছেন তেমনি অপরের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান গতানুগতিকতার বাইরে এসে সৃজনশীলতার মধ্য থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। প্রাণিসম্পদ খাতে সৃজনশীলতার অংশ হিসাবে গতানুগতিকার বাইরে কাজ করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। হাসপাতালে সব প্রাণীকে নেয়া সম্ভব হয় না। এজন্য প্রাণীর কাছে হাসপাতাল নিয়ে যেতে আমরা মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিকের ব্যবস্থা করেছি।

তিনি আরো বলেন, করোনাকালে প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদকরা বিপন্ন অবস্থায় ছিল। সরকার বিশেষভাবে পরিবহন ও বিপণনের ব্যবস্থা করেছে। ভোক্তাদের দোরগোড়ায় মাছ, মাংস,দুধ ডিম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন ও বিপণন কোনভাবে যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনার আলোকে। করোনার সময় ও গত রমজানে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র করে মানুষের দ্বারে দ্বারে তার ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

শ ম রেজাউল করিম আরো জানান, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প থেকে একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ খামারিদের নিয়ে প্রডিউসার গ্রুপ তৈরি করা হচ্ছে। যারা উৎপাদক তাদের বিভিন্ন গ্রুপে প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য সহায়তা করা হচ্ছে, যাতে তারা একসময় স্বাবলম্বী হতে পারে, উদ্যেক্তা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। শুধু প্রশিক্ষণই নয় বরং খামারিদের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সহায়তা ও সামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে, যাতে তারা স্বনির্ভর ও সক্ষম হতে পারে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. এমদাদুল হক তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ ড. মো.আব্দুস শহীদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম মোস্তফা কামাল। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন ও বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়শনের সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেন, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের জ্যেষ্ঠ সদস্য মাহবুব হাসান প্রমুখ।

সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে অংশ নেয়া নির্বাচিত সেরা উদ্যেক্তা ও খামারিদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৩ ৮:৩৪ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার মেধাবী জাতি গঠনে কাজ করছে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার মেধাবী জাতি গঠনে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।আজ রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল মিল্ক কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, একটি জাতি মেধাবী না হলে সে দেশ কোনদিন এগিয়ে যেতে পারে না। এটি সবচেয়ে ভালো বোঝেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি আজ জাতিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি শিক্ষার উন্নয়নে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যাল, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, কারিগরি শিক্ষার প্রসার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ, গবেষণায় বরাদ্দসহ শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি ব্যয় করছেন। স্কুলের শিক্ষার্থীরা যাতে গতানুগতিক পড়াশোনার বাইরে আনন্দের মধ্যে লেখাপড়া করতে পারে সেজন্য তাঁর সরকার স্কুল দৃষ্টিনন্দন করা, খেলাধুলার ব্যবস্থা করা, ডিজিটাল ব্যবস্থা করাসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে ভালো খাবার প্রয়োজন। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান খাদ্য দুধ। নিয়মিত দুধ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। নিয়মিত দুধ খেলে পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয়। এ জন্য শিক্ষার্থীরা মেধা বিকাশে দুধ খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের ভালো খাবারের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। এ আলোকেই স্কুল মিল্ক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রাণিজ পুষ্টির যোগান পাবে, সুস্থ-সবলভাবে বেড়ে উঠবে। যার মাধ্যমে একটি মেধাবী জাতি গড়ে উঠবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিপন্ন মানুষদের বেদনা বোঝেন। সেজন্য তিনি ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান দূর করতে কাজ করছেন। তিনি উন্নয়নের সমতা নিশ্চিত করতে চান। সেজন্য শহরের মতো গ্রামেও সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোটা জাতিকে নিয়ে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে দুধের গুরুত্ব অনুধাবন করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কোমলমতি শিশুদের মাঝে স্কুল মিল্ক কর্মসূচির মাধ্যমে নিরাপদ ও পুষ্টিকর দূর সরবরাহের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিশুদের সুস্থ, সবল ও সুন্দরভাবে বেড়ে উঠার এক নতুন অধ্যায় সংযোজন হবে। যা আগামী দিনে শিশুদের বিদ্যালয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে। বিশেষ করে দরিদ্র অঞ্চলে স্কুল থেকে ঝরে পড়া রোধ করতে এ কর্মসূচি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. এমদাদুল হক তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম এবং স্কুল মিল্ক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপন করেন প্রকল্পের প্রধান কারিগরি সমন্বয়ক ড. গোলাম রব্বানী। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের দুধ পান করানোর মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে ইসলামিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৫১জন শিক্ষার্থীকে দুধ পান করানো হয়।

সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দেশের ৩০০ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বছরব্যাপী বিনামূল্যে দুধ পান করানোর এ পাইলট কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আজ উদ্বোধনের পরপরই ৫০টি স্কুলে এ কর্মসূচি শুরু হয়ে যাবে এবং এ বছরের মধ্যেই অন্যান্য স্কুলে ক্রমান্বয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের আওতাভুক্ত ৬১ জেলায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্বাচিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীকে স্কুল খোলা থাকার দিনগুলোতে টিফিনের সময় দুধ প্রদান করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৩ ৮:২৮ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী সারাদেশে উদ্যোক্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী সারাদেশে উদ্যোক্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে  বলে মন্তব্য করেছেন জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। আজ রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৩ এর অংশ হিসাবে ঢাকায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বর্তমান সরকার সরকারি-বেসরকারি সম্মিলিত উদ্যোগে  প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও বেশি বিকশিত করতে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়েছে। এবারের প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে অনেক বেসরকারি উদ্যোক্তারা সম্পৃক্ত হয়েছেন। সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে দৃষ্টিনন্দন, কার্যকর ও ফলপ্রসূ প্রাণিমেলা আয়োজন সম্ভব হয়েছে। এ প্রদর্শনীর মাধ্যমে সারাদেশে উদ্যোক্তা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। তাদের অনুপ্রাণিত করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাই এ খাতকে তিনি সব সময় পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে থাকেন। এ জন্য শিক্ষিতরা এখন খামারি হচ্ছেন, বিদেশ থেকে উচ্চশিক্ষা নিয়ে এসে খামার স্থাপন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি নিয়ে চাকরির পেছনে সময় নষ্ট না করে বিভিন্ন রকম প্রাণী উৎপাদন ও বিপণন করে নিজে যেমন উদ্যোক্তা হচ্ছেন তেমনি অপরের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান গতানুগতিকতার বাইরে এসে সৃজনশীলতার মধ্য থেকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। প্রাণিসম্পদ খাতে সৃজনশীলতার অংশ হিসাবে গতানুগতিকার বাইরে কাজ করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।  হাসপাতালে সব প্রাণীকে নেয়া সম্ভব হয় না। এজন্য প্রাণীর কাছে হাসপাতাল নিয়ে যেতে আমরা মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিকের ব্যবস্থা করেছি।

তিনি আরো বলেন, করোনাকালে প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদকরা বিপন্ন অবস্থায় ছিল। সরকার বিশেষভাবে পরিবহন ও বিপণনের ব্যবস্থা করেছে। ভোক্তাদের দোরগোড়ায় মাছ, মাংস,দুধ ডিম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন ও বিপণন কোনভাবে যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে ব্যবস্থা করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনার আলোকে। করোনার সময় ও গত রমজানে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র করে মানুষের দ্বারে দ্বারে তার ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

শ ম রেজাউল করিম আরো জানান, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প থেকে একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ খামারিদের নিয়ে প্রডিউসার গ্রুপ তৈরি করা হচ্ছে। যারা উৎপাদক তাদের বিভিন্ন গ্রুপে প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য সহায়তা করা হচ্ছে, যাতে তারা একসময় স্বাবলম্বী হতে পারে, উদ্যেক্তা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। শুধু প্রশিক্ষণই নয় বরং খামারিদের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সহায়তা ও সামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে, যাতে তারা স্বনির্ভর ও সক্ষম হতে পারে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. এমদাদুল হক তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ ড. মো.আব্দুস শহীদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম মোস্তফা কামাল। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন ও বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়শনের সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেন, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের জ্যেষ্ঠ সদস্য মাহবুব হাসান প্রমুখ।

সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে অংশ নেয়া  নির্বাচিত সেরা উদ্যেক্তা ও খামারিদের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৩ ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
সিলেট সদরে “প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী – ২০২৩” অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

সিলেট সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর কর্তৃক আয়োজিত এবং এলডিডিপি প্রকল্পের সহযোগীতায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে । শনিবার সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত আজমেরী হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মিল্লাত আহমদ চৌধুরী, জেলা হাসপাতালের ভিএস ডা. মো. মাহবু্ুবুল আলম ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন “প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী – ২০২৩” বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাহিদ আরজুমান বানু। এর আগে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ থেকে একটি র‌্যালী চৌহাট্টা পয়েন্ট প্রদক্ষিন করে। র‌্যালী পরবর্তী পায়রা উড়িয়ে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২৩ এর উদ্বোধন করা হয়।

এবারের প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে অর্ধশতাধিক স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির গাভী, ষাড়, বকনা বাছুর, ছাগল, ভেড়া, গাড়োল, তিতির, টার্কি, কবুতর, পোষা প্রাণী প্রদর্শিত হয়েছে। বিকেলে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণকারী খামারীদের মধ্যে চেক, সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরাত আজমেরী হক এবং সিলেট সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ
কর্মকর্তা ডা. নাহিদ আরজুমান বানু।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop