৫:২৫ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ১০, ২০২২ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
গরু বিক্রি করায় গৃহবধূর আত্মহত্যা
প্রাণিসম্পদ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে আকলিমা বেগম (২৬) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার গভীর রাতে উপজেলার ঘোড়াঘাট ইউনিয়নের বানিয়াল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আকলিমা বেগম ওই গ্রামের হেলাল আলী মণ্ডলের স্ত্রী।

প্রতিবেশী রহিমা বেওয়া বলেন, সংসারের অভাব মেটাতে বাড়িতে পালন করা একটি গরু বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন আকলিমার স্বামী হেলাল। এতে রাজি ছিলেন না তার স্ত্রী। একপর্যায়ে জোর করেই গরুটি বিক্রি করে দেন হেলাল। এতে ক্ষোভে রাতে ইঁদুর মারার গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেন আকলিমা।

নিহতের স্বামী হেলাল উদ্দিন বলেন, হঠাৎ টাকার দরকার হওয়ায় গরুটি বিক্রি করেছি। এতে রাগে সে এমন ঘটনা ঘটালো।

ঘোড়াঘাট থানার ওসি আবু হাসান কবির জানান, কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৯, ২০২২ ১২:৩৫ অপরাহ্ন
মুরগির খামারে লস হলেও ঘুরে দাঁড়ালেন ছাগলের খামার করে!
প্রাণিসম্পদ

লাভের আশায় বন্ধুদের সঙ্গে লেয়ার মুরগির খামার গড়ে তুলেছিলেন মো. জাকারিয়া। কিন্তু করোনা মহামারিতে হারিয়ে যায় বিনিয়োগের পাঁচ লাখ টাকা। তবুও নিরাশ হননি। ঘুরে দাঁড়িয়েছেন ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের খামারে।

মো. জাকারিয়ার গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে রাজশাহীতে কর্মরত রয়েছেন তিনি। সেই সুবাদে রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের কালিয়াপাড়া এলাকায় ৬ বিঘা জায়গায় গড়ে তুলেছেন ওয়াফা এগ্রো ফার্ম।

খামারি জানান, তার এক বন্ধু দীর্ঘ দিন ধরে মুরগির খামারি। লাভের আশায় সেই বন্ধুর সঙ্গে আমিও মুরগির খামারে বিনিয়োগ করি। ৪ হাজার লেয়ার মুরগির খামার গড়ে তুলি। কিন্তু করোনা মহামারিতে ডিম বিক্রি করতে পারিনি। ফলে পুঁজি হারিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, ছাগলের খামারের এই জায়গা মুরগির খামারের জন্য লিজ নিয়েছিলাম। লোকসানের কারণে ওই পথে আর হাঁটিনি। শেষে অনেক ভেবে-চিন্তে ছাগলের খামার গড়ে তুলি।

প্রথমে অর্ধেক জায়গায় ঘাস চাষ করি। বাকি অর্ধেক জাগায়গায় শেড এবং ছাগলের বিচরণ ক্ষেত্র তৈরি করি। অল্প কিছু ছাগল নিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করি। এখন খামারে সব মিলিয়ে দুই শতাধিক ছাগল রয়েছে।

সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত খামারে বিনিয়োগ করা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা। দেড় বছরের মধ্যে বিনিয়োগ উঠে এসেছে। সামনে বছর থেকে লাভের আশা করছি। সুষ্ঠু পরিকল্পনা মাফিক ছাগলের খামার করলে লোকসানের ঝুঁকি নেই বলে জানান তিনি।

এই খামারির ভাষ্য, তারা ছাগলকে প্রাকৃতিক খাবার দেন। নিয়মিত ভ্যাকসিনও দেন। বাজারে এমন ছাগলের চাহিদা ভালো। গত কোরবানিতে কিছু খাসি বাজারে তুলেছিলেন, সাড়াও পেয়েছেন। আসছে কোরবানিতে উৎকৃষ্টমানের খাসি সরবরাহ করতে পারবেন তারা।

ওয়াফা এগ্রো ফার্মে চারজন কর্মী কাজ করেন। এদেরই একজন মো. পলাশ মণ্ডল। নওগাঁর নিয়ামতপুরের শিবপুর এলাকার বাসিন্দা পলাশ পেশায় কৃষি শ্রমিক ছিলেন। বাড়িতে গরু-ছাগল রয়েছে তার। সেই অভিজ্ঞতা থেকে ছাগলের খামারে কাজ করছেন।

পলাশ মণ্ডল বলেন, তারা চারজন কর্মী রয়েছেন। একেকজন একেক কাজ করেন। তিনি ছাগলের খাবার দেওয়া থেকে দেখাশোনা করেন। তার হাতে অনেক ছাগলের বাচ্চা প্রসব হয়েছে। নিজের সন্তানের মতো এগুলো লালনপালন করে বড় করছেন।

খামারের আরেক কর্মী রমজান আলী। তিনি ছাগলের রোগ-বালাইয়ের বিষয়টি খেয়াল রাখেন। রমজান জানান, এই জাতের ছাগলের তেমন রোগ-বালাই নেই। ঠান্ডা এবং পাতলা পায়খানা হয়।

কোনো ছাগল আক্রান্ত হলে তার তথ্য রেজিস্টারে সংরক্ষণ করি। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ওষুধ দেওয়া হয়। নিয়মিত ভ্যাকসিনও দেওয়া হয়। ছাগলের ঠান্ডা ঠিক না হলে নিউমোনিয়া হয়। এটিই সবচেয়ে মারাত্মক। ফলে এ নিয়ে খুব সতর্ক থাকতে হয়।

তবে ছাগলের খামারে লাভবান হতে খামার শুরুর আগে ন্যূনতম বেসিক ট্রেনিং নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন রাজশাহীর ছাগল উন্নয়ন খামারের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে মূলত ছাগল পালন হয় গতানুগতিক পদ্ধতিতে। কিন্তু খামার করতে গেলে সবার আগে খাবারের সংস্থান করতে হবে। ৭০ শতাংশ ঘাস এবং ৩০ শতাংশ দানাদার খাবার দেওয়া গেলে ভালবান হওয়া যায়।

ঢাকা পোস্ট

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৯, ২০২২ ১০:২৬ পূর্বাহ্ন
ঘরের কোণ থেকে উদ্যোক্তা, হলেন লাখপতি!
প্রাণিসম্পদ

ঘরের কোণ থেকে এখন উদ্যোক্তা। খামার করছেন, হ্যান্ডিক্রাফট করছেন। খামারে উৎপাদিত দুধ-ডিমসহ সব কিছুরই বাইপ্রডাক্ট তৈরি করছেন। এভাবেই ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন লালমনিরহাটের তিন সফল নারী ফাতেমা বেগম, রিনা আক্তার এবং উত্তমা রায় রত্না।

আদিতমারী উপজেলার বাসিন্দা ফাতেমা বেগম। মনে করা হয় উপজেলার প্রথম মুরগির খামারি তিনি। তখনও ব্রয়লার মুরগি আসেনি। ২০০ লেয়ার মুরগি দিয়ে শুরু। পরে নানা জটিলতায় সব বন্ধ হয়ে যায়। ৪ বছর আগে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায় একটি গাভী কেনেন। এখন তার গোয়ালে একটি গাভী থেকে ৪টি। গোয়ালে ৬ লাখ টাকার গরু আছে।

একই উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের বাসিন্দা রিনা বেগম। তার খামারে ৩০টি গরু আছে। দুধ দিচ্ছে ১০টি গাভী। তার স্বামীও খামার পরিচালনা করছেন। প্রথম দিকে সাফল্য আসেনি। এখন আর পেছন ফিরে তাকাতে হচ্ছে না। খামার থেকে বছরে ২০ লাখ টাকার বেশি আয় করছেন। বায়োগ্যাস প্লান্টে রান্নাও করেন। এতে গরু থেকে বছরে আয় বেড়েছে।

প্রতীক ডেইরি খামার। উত্তমা রায় রত্নার নিজ হাতে গড়া। তার খামারে ৪০টি গাভি, ১০০টি বিভিন্ন জাতের ছাগল, ৫০০০ মুরগি, ১০০ জোড়া উন্নত জাতের কবুতর, মাছের খামার রয়েছে। শুরু একটি গরু দিয়ে। এখন তার গরুর সংখ্যা ৬০টি। দুধ দিচ্ছে ২০টি গরু। দুধের তৈরি বাইপ্রডাক্ট তৈরি করছেন নিজেই। তার খামারে কাজ করছেন ১০ জন কর্মচারি। তাদের বেতন দিচ্ছেন। শহরের রেল বাজারে একটি শোরুম করেছেন।সেখানেই তার খামারের উৎপাদিত দুধ দিয়ে তৈরি মিষ্টি, ছানা, ঘিসহ নানা বাইপ্রডাক্ট বিক্রি করছেন। এবারের পুলিশ নারী কল্যাণ সংস্থার শিল্প মেলায় একটি স্টল দিয়েছেন। রত্নার খামারে এখন প্রায় ১০ কোটি টাকার গরু, ছাগল, মুরগি রয়েছে।

খামারে কাজ করা সবিতা রানী বলেন, ‘আমি সাড়ে ৪ হাজার টাকা বেতনে কাজ করি। গত ১০ বছর ধরে রত্না আপার খামারে আছি। আগের চেয়ে আমার সংসার ভালো চলছে।’

প্রতীক ডেইরির সেলার ফাতেমা বলেন, ‘আমাদের ফার্ম বেশ সাড়া ফেলছে। এখানকার তৈরি খাবার বিক্রি হচ্ছে। মাঝখানে করোনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চিন্তায় ছিলাম।

রত্না বলেন, ‘বর্তমানে সব খাবারের দাম বেশি। এখন দুধ বেঁচে পোষাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে দুধের বাইপ্রডাক্ট তৈরি করতে হচ্ছে। তার পরও লাভ করা মুশকিল। আমার ৭৫টি গাভির মধ্যে এখন ৪০টি আছে। বাকিগুলো বিক্রি করে দিয়েছি।

উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা স্বপন কুমার জানান, ‘প্রতীক ডেইরি খামার আমাদের লালমনিরহাটের একটি মডেল খামার। প্রথম থেকেই এই খামার দেখাশোনা করছি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাহাঙ্গীর অলম জানান, ‘সরকার ঘোষিত নারীর ক্ষমতায়নের দিকে আমরা নজর দিচ্ছি। এখন নারীরা খামার করছেন। সেখান থেকে তারা নিজেরাই গড়ে তুলছেন নিজেদের ভবিষ্যৎ।এতে তাদের সামনে অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ-আপদ থেকেও রক্ষা পাচ্ছেন সহজেই।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৮, ২০২২ ১:১৮ অপরাহ্ন
ময়মনসিংহে ফ্রী ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প
প্রাণিসম্পদ

মোঃ বরাতুজ্জামান স্পন্দন: ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার জালেশ্বরে প্রান্তিক খামারিদের জন্য ফ্রী ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্পেইন আয়োজন করেছে ময়মনসিংহ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন।

শুক্রবার (৭ অক্টোবর) সংগঠনের সদস্য ও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় এবং ভালুকা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই
ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রায় দুই শতাধিক গরুর তড়কা টিকা এবং ১০০ ছাগলের পিপিআর টিকা প্রদান করা হয়। একইসাথে খামারীদের কৃমিনাশক ট্যবলেট প্রদান করা হয় এবং প্রায় ৫০ টি গরুর ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়।

ক্যাম্পেইনে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে গফরগাঁও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আদনান আহমেদ বলেন, প্রান্তিক পর্যায়ে ভেটেরিনারি সেবা পৌছে দেওয়ার জন্য এই ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন আয়োজন করাটা সত্যিই প্রশংসার কাজ। আমি আশা করি, তারা তাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক নাইমুর রহমান ধ্রুব বলেন, সকলের প্রচেষ্ঠায় আজকের এই ক্যাম্পেইন আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। বিশেষ করে গাজীপুর ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ শামসুল আরেফিন সিদ্দিকের কথা বলতেই হয়। সকলের সহযোগিতায় আমরা এই প্রান্তিক খামারিদের জন্য কিছু করতে পেরেছি। আমাদের এই সেবাদান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

সেবা পেয়ে উচ্ছ্বসিত কৃষক রতন মিয়া বলেন, তাদের এই ফ্রী ক্যাম্পেইনে আমরা গ্রামবাসী উপকৃত হয়েছি। সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৭, ২০২২ ৯:১১ পূর্বাহ্ন
হরিপুরে গোয়াল ঘরে আগুন লেগে গরু-ছাগল পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলায় এক গোয়াল ঘরে আগুন লেগে তিনটি গাভী ও তিনটি ছাগল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বুধবার দিবাগত রাত ১২টার উপজেলার ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ভাতুরিয়া রামপুর গ্রামে রুবেল রানার গোয়ালে আগুন লাগে।

রুবেল ভাতুরিয়া রামপুর গ্রামের ইয়াজউদ্দিনের ছেলে।

তিনি  জানান, বুধবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে হঠাৎ করে গরুর ডাক শুনে ঘুম ভেঙে যায়। তখন উঠে দেখি গোয়ালে ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। স্থানীয়দের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু এরই মধ্যে গোয়ালে থাকা তিনটি গাভী ও তিনটি ছাগল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৪, ২০২২ ৪:০৬ অপরাহ্ন
মেহেরপুরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা মিলছে লাম্পি স্কিন’ ডিজিজে আক্রান্ত গরু
প্রাণিসম্পদ

মেহেরপুরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা দিয়েছে গরুর ‘লাম্পি স্কিন’ ডিজিজ (এলএসডি)। এ রোগে গত এক মাসে ৮টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে কয়েক হাজার পশু।

অ্যান্থ্রাক্সের পর  গরুর লাম্পি স্কিন রোগ দেখা দেওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন খামারিরা। তাদের দাবি, প্রাণি সম্পদ অফিস থেকে দেওয়া ‘গোটপক্স’ ভ্যাকসিন কোনো কাজে আসছে না।

জানা যায়, গাংনী উপজেলা প্রাণি সম্পদ হাসপাতালে  লাম্পি স্কিন ডিজিজ আক্রান্ত ১০-১২টি গরু বিভিন্ন গ্রাম থেকে চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছে। এখানে এসব পশুকে গোটপক্স ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে খামারিদের রোগটি সম্পর্কে সচেতন ও প্রতিকারের বিষয়ে দেওয়া হচ্ছে প্রয়োজনীয় পরামর্শ। তবে গরুর মালিকদের অভিযোগ কোনো পরামর্শই কাজে আসছে না।

গাংনী উপজেলার উত্তর পাড়ার জামেনা বেগম বলেন, ‘আমার একটি বাছুর গরু ওই রোগে (লাম্পি স্কিন) আক্রান্ত হয়েছে। আমি তাই বছুরটির চিকিৎসা করাতে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের চিকিৎসকের কাছে এসেছি।’

জামেনা বেগম নামে অপর একজন বলেন, ‘সরকারিভাবে কোনো ওষুধ দেওয়া হচ্ছে না। শুধুমাত্র ব্যবস্থাপত্র লিখে হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পাশেই ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ কিনে আনতে হয়েছে। এরপরও কবে নাগাদ গরু সুস্থ হবে তা বলতে পারছেন না চিকিৎসকরা।’

মেহেরপুর জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাইদুর রহমান বলেন, ‘ধীরে ধীরে মহামারি পর্যায় ধারণ করেছে লাম্পি স্কিন ডিজিজ। এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। পশুকে ঠিকভাবে নিয়মিত পরিচর্যা করলে এ রোগ নিরাময়যোগ্য।’ তিনি খামারিদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘কোনো গরু আক্রান্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে আলাদা করে রাখতে হবে। আক্রান্ত গরুকে অবশ্যই মশারি দিয়ে ঘিরে রাখতে হবে। তা নাহলে এরোগ ছড়িয়ে পড়বে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২, ২০২২ ২:৪৭ অপরাহ্ন
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান দিলেন ড. নাহিদ রশীদ
প্রাণিসম্পদ

 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান করেছেন ড. নাহিদ রশীদ।

গত বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তিনি এ মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। আজ (০২ অক্টোবর) ড. নাহিদ রশীদ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে নিজ দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন।

এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক (সচিব) ড. নাহিদ রশীদকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করা হয়।

উল্লেখ্য, ড. নাহিদ রশীদ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১০ম ব্যাচের সদস্য।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২, ২০২২ ১২:০২ অপরাহ্ন
‘ভেট’স সোসাইটি অব বগুড়া’র উদ্যোগে ফ্রি ভেটেরিনারি সার্ভিস প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

‘ভেট’স সোসাইটি অব বগুড়া’র উদ্যোগে প্রাণীর স্বাস্থ্যসেবা ও পরামর্শ কার্যক্রমে ‘ফ্রি ভেটেরিনারি ক্যাম্পেইন ও ভ্যাক্সিনেশন প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রোগ্রামে ১৫০ টির বেশি গবাদি প্রাণীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।

গত শনিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বগুড়া সদরের নামুজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যাালয় মাঠে এই ক্যাম্পেইনটি আয়োজিত হয়। সেখানে গবাদি প্রাণীর ফ্রি চিকিৎসা, পরামর্শ প্রদান, টিকাদান ও কৃমিমুক্তকরণের মত বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর পাশাপাশি বিনামূল্যে গবাদি প্রাণীর রুচিবর্ধক ওষুধ, কৃমিনাশক, ভিটামিন, মিনারেল, এন্টিবায়োটিক ও ইনজেকশন স্যালাইন প্রদান করা হয়। এসময় ১৫০ টি গরুকে ক্ষুরা , তড়কা রোগের ভ্যাক্সিন  দেওয়া হয়।

শেরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মোঃ রায়হান পিএএ বলেন, কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রাণিসম্পদের ভূমিকা অপরিসীম। সেক্ষত্রে কৃষকরা প্রায়শই তাদের পশুপাখি নিয়ে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য মানসম্পন্ন খাদ্যের অপ্রতুলতা, পশু চিকিৎসা ও টিকা প্রদানে জ্ঞানের অভাব, বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ে অসচেতনতা।

ভেট’স সোসাইটি অব বগুড়া’র  সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ শেখ  বলেন, ‘ফ্রী ভেটেরিনারি ক্যাম্পেইন এন্ড ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম সুন্দর ও সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বিনামূল্য ওষুধ ও ভ্যাকসিন দেওয়ায় এলাকায় জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ধরনের ক্যাম্পেইন চালিয়ে যাবো।”

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২ ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের গরু প্রবেশ,শঙ্কায় দেশি খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

দেশীয় খামারিদের উন্নয়নে সরকার মিয়ানমার থেকে গরু আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির চলমান সংঘাতের সুযোগ নিয়ে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ব্যাপকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে গরু চোরাকারবারিরা।

চোরাই পথে গরু প্রবেশ করায় ব্যাপক সংকটের মুখে পড়েছেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও রামুর গর্জনিয়া, কচ্ছপিয়া, ঈদগড়ের দেশিয় খামারিরা। নাইক্ষ্যংছড়ি ও রামু উপজেলার বাইশারী ও গর্জনীয়ার বাজারগুলো হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বড় গরুর হাট। কিন্তু চোরাই হয়ে আসা অধিকাংশ গরু এই বাজার গুলোতে উঠানো হচ্ছে। এতে হঠাৎ গরুর দরপতন হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি বাজারে স্থানীয় খামারি মো. আইয়ুব বলেন, আমি দুটি গরু তুলেছি। দুটি গরু পাইকারি দাম হাঁকিয়েছেন এক লাখ ৪০ হাজার টাকা। অথচ এই দুই গরুর স্বাভাবিক এক লাখ ৬০ হাজারের উপরে থাকে। চোরাই পথে আসা গরুগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে কম দামে পাচ্ছে। তাই স্থানীয় গরু বিক্রি কমে গেছে। একই কথা জানিয়েছেন অনেক স্থানীয় খামারিরা।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, নাইক্ষ্যংছড়ির পাঁচটি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে অবৈধভাবে গরু আনছে এ চক্রগুলো। চক্রগুলো সংঘাত শুরুর পর থেকে অবাধে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে নিয়ে আসছে চোরাই গরু। প্রতিদিন তিন’শ থেকে চার’শ চোরাই গরু আসছে বাংলাদেশে। এসব চোরাই গরু আসায় স্থানীয় খামারিরা চরম ক্ষতির শিকার হচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মিয়ানমারে সংঘাত শুরু হওয়ার পর গত দেড়মাস ধরে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের, ফুলতলী, লম্বাশিয়া, ভাল্লুক খাইয়া, চাকঢালা ও দৌছড়ির পয়েন্টের চোরাই পথ দিয়ে বাংলাদেশে অবৈভাবে গরু প্রবেশ শুরু হয়। প্রতিদিন অবাধে ঢুকেছে শত শত গরু। দৈনিক তিন’শ থেকে চার’শ গরু ঢুকেছে। এভাবে গত দেড় মাসে অন্তত অর্ধলক্ষাধিক গরু ঢোকানো হয়েছে।

ফুলতলী এলাকার বাসিন্দা তাহের জানান, সন্ধ্যা নামলেই চোরাই গরু ঢোকানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। রাস্তাঘাটে লোকজন কমে গেলে এশার নামাজের পর থেকে এপারে নিয়ে আসা হয় গরুর পাল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ১১ বিজিবির জোন কমান্ডার ও অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. রেজাউল করিম জানান, সীমান্তের ফুলতলী, পয়েন্টের লাম্বাশিয়া, দোছড়ি, ভাল্লুক খাইয়া থেকে চোরাই পথে আনা মিয়ানমারের অসংখ্য গরু জব্দ করে কাস্টমসে জমা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি অস্ত্র, ইয়াবা, সন্ত্রাস বিরোধী কার্যক্রম ও চোরাই পথে আনা মিয়ানমারের গরুসহ সব ধরনের পণ্য আটকে আগের চেয়ে সীমান্তে বিজিবি আরও বেশি তৎপর আছে ও থাকবে।

এ বিষয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা ফেরদৌস বলেন, সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে গরু প্রবেশে আমরা কয়েকবার অভিযান চালিয়েছি। গরু চোরা চালান বন্ধের জন্য বিজিবি কঠোর সতর্ক আছে। অবৈধ ভাবে গরু প্রবেশ বন্ধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র: যুগান্তর

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২ ৯:১৫ অপরাহ্ন
সিভাসু’তে গবাদিপশুর নমুনা সমূহ সংগ্রহ, সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
ক্যাম্পাস

গবাদিপশুর বিভিন্ন নমুনা সমূহ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও পরিবহনের উপর খামারী প্রশিক্ষণ এর আয়োজন করে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিওলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও ফার্মাকোলজি বিভাগ।

বৃহস্পতিবার(২৯ সেপ্টেম্বর) প্রতিষ্ঠানের মূল ক্যাম্পাসে অর্ধদিবস ব্যাপী এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে আমন্ত্রিত খামারীদের জন্য “ বিভিন্ন তাপমাত্রায় রক্তের জলীয় অংশ (প্লাজমা ও সেরাম) এর দৃঢ়তা নির্ণয়” – শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ এর আয়োজন করা হয়।

প্রশিক্ষণে মুখ্য আলোচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অত্র বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. রিদুয়ান পাশা। প্রশিক্ষণে খামারীদের বিভিন্ন নমুনা সমূহ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও পরিবহনের উপর ব্যবহারিক শিক্ষা প্রদান করা হয়।

প্রশিক্ষণের কর্মসূচির শেষে আয়োজিত সনদপত্র বিতরণ ও সমাপণী অনুষ্ঠানে খামারীদের জন্য স্বাগত বক্তব্য রাখেন উক্ত প্রকল্পের পরিচালক ও অত্র বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সোহেল আল ফারুক। তিনি নমুনা সমূহ পরিক্ষণ ও সঠিক ফলাফল পাওয়ার ক্ষেত্রে এর সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও পরিবহন পদ্ধতিসমূহের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ওই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল আলম, অধ্যাপক ড. মো. বেলায়েত হোসেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও সম্প্রসারণ বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ.এস.এম. লুত্ফুল আহসান।

অনূষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি নমুনা সমূহ সংরক্ষনের গুরুত্ব সমূহ তুলে ধরেন।

ফিজিওলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপক ড. এস.কে.এম. আজিজুল ইসলাম এর সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে উক্ত অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

প্রশিক্ষণে আগত সকল খামারীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই কর্মসূচির সফলতার পরিচায়ক। খামারীবৃন্দ এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের ফলে নমুনা স্ংগ্রহ, সংরক্ষণ ও পরিবহন এর সঠিক উপায় সম্পর্কিত সাবধানতা অবলম্বনের বিষয়ে অবগত হয়েছেন বলে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং পরবর্তীতে পুনরায় এই ধরনের প্রশিক্ষণের আয়োজন তাদের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসু হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop