৭:৩৮ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ২৬ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৭, ২০২২ ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
কবুতর রোগাক্রান্ত হলে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

গ্রামের পাশাপাশি এখন শহরেও অনেকেই কবুতর পালন করে। শখের সাথে সাথে এটি এখন বাণিজ্যিকভাবে লালন করছেন অনেকে। তবে কবুতর পালন করতে গিয়ে শুরুতেই অনেকে ভুল করে ফেলেন। যার ফলে প্রত্যাশিত সফলতা লাভ করতে পারেন না। তাই কবুতর পালনের প্রাথমিক বিষয়গুলো জেনে নিতে হবে।

একটা বিষয় লক্ষ্য করে দেখা গেছে যারা কবুতর পালন করেন তারা প্রাথমিক অবস্থায় এর রোগ এবং তার প্রতিকার সম্পর্কে খুব একটা জ্ঞান রাখেন না। অথচ সামান্য একটু বিচক্ষণতার পরিচয় দিলে আপনি নিজের প্রিয় কবুতরটিকে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা দিয়ে সারিয়ে তুলতে পারেন।

কবুতর রোগাক্রান্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে স্যালাইন (ইলেক্ট্রোমিন) এবং রাইস স্যালাইন (কলেরা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহারযোগ্য যেকোন রাইস স্যালাইন) এই দুটি ওষুধ খাওয়াতে হবে। এগুলো খুবই স্বল্প মূল্যের সাধারণ ঔষধ। এতে কবুতর দ্রুত সেরে উঠবে। কবুতর পালনের প্রথম দিন থেকেই, কবুতরের সঙ্গী হিসেবে এই দুটি জিনিস বাড়িতে নিয়ে আসা উচিত।

কবুতরের ড্রপিংস পাতলা হলে, খাবার হজম না হলে, কবুতর না খেলে, বা খাবারের পর বমি করে খাবার ফেলে দিলে এবং এর সঙ্গে যখন তার মাঝে ঝিমুনির ভাব দেখা দেবে তখন রোগ সনাক্ত করে চিকিৎসার জন্য চেষ্টার শুরুতে কবুতরকে রাইস স্যালাইন খাইয়ে দিয়ে হবে।
অসুস্থতা দেখা দিলেই আগে আপনার কবুতরকে খাবার দিতে হবে। কবুতরের পানি শূন্যতা যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। খাবার পেলে কবুতর রোগের বিরুদ্ধে টিকে থাকবার জন্য হলেও শক্তি পাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৬, ২০২২ ৪:৪৮ অপরাহ্ন
চারঘাটে গরুর শরীরে দেখা দিয়েছে ল্যম্পিংস্কীন রোগ
প্রাণিসম্পদ

বেশ কিছুদিন থেকে চারঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গরুর শরীরে ল্যম্পিংস্কীন ডিজিজ নামে রোগ দেওয়ায় এলাকাবাসী ও গরু খামারিদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সূত্র মতে, উপজেলার শলুয়া ও নিমপাড়া ইউনিয়নে গরুর শরীরে এ রোগটি বেশি দেখা দিয়েছে।

হলিদাগাছী জাগিরপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে তার গৃহপালিত প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের একটি ষাড় গরুর শরীরে প্রথমে গুটি বসন্তের মত ক্ষত দেখা দেয়। এরপর সে পশু ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে তবে তেমন কোন উন্নতি হয়নি বলে জানান।

হলিদাগাছী এলাকার ইসমাইল হোসেনের একটি লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গরু, দৌলতপুর গ্রামের মুন্তাজ সোনারের একটি গরু, জাগিরপাড়া গ্রামের বাবলুর একটি গরু, চারঘাট মেরামতপুর গ্রামের মাহবুব আলমের একটি গরু অনুরূপ একই রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানান তারা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চারঘাট উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাজনিন নাহার জানান, উপজেলার সর্বত্রই গরুর শরীরে ল্যাম্পিংস্কীন ডিজিজ নামক রোগটি দেখা দিয়েছে। এ রোগের জন্য সরকারিভাবে কোন ভ্যাকসিন এখনো পাওয়া যায়নি। তবে আমি নিজে প্রত্যেকটি এলাকায় গিয়ে গরু খামারিদের সতর্কতামূলক পরামর্শ দিচ্ছি। যেমন গরুর খামার বা ঘর পরিষ্কার রাখতে হবে, গরুকে নিয়মিত গোছল করাতে হবে এবং গরুকে মশা মাছির হাত থেকে রক্ষা করতে হবে । তাছাড়া গরুর শরীরে যেন রোদ লাগে, দিনের বেলায় এমন জায়গায় রাখতে হবে।

তিনি জানান, চারঘাট উপজেলায় মোট গাভী খামার ৩১২টি ও ষাঁড় গরুর খামার ৬৫০টি রয়েছে। উপজেলায় মোট ৫৮ হাজার ৫শ গরু রয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও জানান, চলতি মৌসুমে বর্ষণ কম হওয়ায় এ রোগটি দেখা দিয়েছে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে গরুর যত্ন নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৬, ২০২২ ৪:৩৪ অপরাহ্ন
দুর্ঘটনাকবলিত যাত্রীবাহী বাসের লকারে রাখা ছিল ৪টি গরু
প্রাণিসম্পদ

রংপুরের তারাগঞ্জে দুর্ঘটনাকবলিত যাত্রীবাহী বাসের লকারে রাখা ছিল ৪টি গরু।

এর মধ্যে ৭ ঘণ্টা পর দুটি গরু জীবিত উদ্ধার করা হলেও বাকী দুটি মারা গেছে।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে রেকার দিয়ে বাস দুটি টেনে দুই কিলোমিটার দূরে বালুবাড়ি হাইওয়ে থানার সামনে রাখা হয়। এরপর ইসলাম এন্টারপ্রাইজের বাসটি থেকে ওই দুটি গরু উদ্ধার করা হয় বলে জানান স্থানীয়রা।

প্রত্যক্ষদর্শী রহিম জানান, সকাল ৮টার দিকে উৎসুক কিছু মানুষ বাস দুটির ভেতরে, সামনে পেছনে গিয়ে দেখছিলেন। এসময় ইসলাম এন্টারপ্রাইজের বাসটির লকার থেকে শব্দ শুনতে পেয়ে লকার ভেঙে সেখান থেকে গুরুতর অবস্থায় দুটি গরু বের করে আনেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২ ৬:২৪ অপরাহ্ন
সিনিল ফার্মা’র সহযোগিতায় ইন্টার্ন ডাক্তারদের নিয়ে সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

সিনিল ফার্মা’র সহযোগিতায় নবাগত ইন্টার্ণ ডাক্তারদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সায়েন্টিফিক সেমিনার।

রোববার (৪ আগস্ট) উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, ত্রিশালে বাকৃবি থেকে আগত একঝাঁক ইন্টার্ণ ডাক্তারদের নিয়ে এই সায়েন্টিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভেটেরিনারি সার্জন ডা. তানজিলা ফেরদৌসী।

এ সময় ডা. আনোয়ার পারভেজ ভেটেরিনারিয়ানদের বর্তমান ফিল্ড প্র্যাকটিস, মানসম্মত প্রোডাক্ট প্রেসক্রিপশন ও কোম্পানির প্রোডাক্ট পরিচিতি নিয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন করেন।

সর্বশেষ, ভেটেরিনারি সার্জন কোম্পানির প্রোডাক্টের গুনগতমান, কার্যকারিতা নিয়ে প্রশংসা করে সেমিনারের সমাপ্ত করেন।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার শামসুল আলম, এরিয়া ম্যানেজার বাবুল ইসলাম, মার্কেটিং অফিসার সুফিয়ান হাসান ও ডাক্তারগণ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২ ৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু চিনবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

অনেক অসাধু গরু ব্যবসায়িকরা রয়েছেন, যারা বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, ইনজেকশন ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে এসব পশুকে মোটাতাজা করে থাকেন তারা, যা পুরোপুরি স্বাস্থ্যের জন ভয়ানক ক্ষতিকর। এমন গরুর মাংসতেও তেমন স্বাধ থাকে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরুর মাংস খেলে মানুষের শরীরে পানি জমে যাওয়া, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, মূত্রনালি ও যকৃত-কিডনির বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এসব পশু কেনা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। মোটাতাজাকরণ গবাদিপশু চেনার কিছু উপায় রয়েছে। আসুন জেনে নেই ইনজেকশন দেওয়া কোরবানির পশু চিনবেন যেভাবে।

দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ

কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরু দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে। একটু হাঁটলেই হাঁপায়। খুবই ক্লান্ত দেখায়। ইনজেকশন দেয়া গরুর রানের মাংস নরম হয়। স্বাভাবিকভাবে যেসব গরু মোটা হয় সেগুলোর রানের মাংস শক্ত হয়।

লালা বা ফেনা
যেসব গরুর মুখে কম লালা বা ফেনা থাকে সেই গরু কেনার চেষ্টা করুন। এগুলো কৃত্রিম উপায়ে মোটা করা পশু নয়।

খুব শান্ত
স্টেরয়েড ট্যাবলেট খাওয়ানো বা ইনজেকশন দেওয়া গরু হবে খুব শান্ত। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারবে না। পশুর ঊরুতে অনেক মাংস মনে হবে।

আঙুলের চাপ
কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরুর গায়ে আঙুল দিয়ে চাপ দিলে ওই স্থানের মাংস স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগে। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে মোটা গবাদিপশুর ক্ষেত্রে দ্রুতই মাংস স্বাভাবিক হয়।

শরীরে পানি জমে
অতিরিক্ত হরমোনের কারণে পুরো শরীরে পানি জমে মোটা দেখাবে। আঙুল দিয়ে গরুর শরীরে চাপ দিলে সেখানে দেবে গিয়ে গর্ত হয়ে থাকবে।

খাবার
গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে যদি নিজ থেকে জিব দিয়ে খাবার টেনে নিয়ে খেতে থাকে তবে বোঝা যাবে গরুটি সুস্থ। যদি অসুস্থ হয়, তবে সে খাবার খেতে চায় না।

নাকের ওপরটা ভেজা
সুস্থ গরুর নাকের ওপরটা ভেজা ভেজা থাকে। সুস্থ গরুর পিঠের কুঁজ মোটা ও টান টান হয়।

পা ও মুখ ফোলা
বিশেষ করে গরুর পা ও মুখ ফোলা, শরীর থলথল করবে, অধিকাংশ সময় গরু ঝিমাবে, সহজে নড়াচড়া করবে না। এসব গরু অসুস্থতার কারণে সব সময় নিরব থাকে। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারে না। খাবারও খেতে চায় না।

অসুস্থ গরুর শরীরে ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপর তাপমাত্রা থাকবে। দেখা যাবে পাতলা পায়খানা হচ্ছে। মুখ দিয়ে লালা ঝরছে। সামনে খাবার থাকলেও খাচ্ছে না, এমনকি জাবরও কাটছে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২ ৩:১৮ অপরাহ্ন
আত্রাইয়ে বজ্রপাতে এক কৃষক ও একটি গরুর প্রাণহানি
প্রাণিসম্পদ

নওগাঁর আত্রাইয়ে বজ্রপাতে এক কৃষক ও একটি গরু মারা গেছে।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার হাটকালুপাড়া মাঠে ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা যায়, ওই গ্রামের নাছের উদ্দিনের ছেলে আলাউদ্দিন (৪৫) প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল শুক্রবারও ঘাস খাওয়ানোর জন্য তার গরু ছাগল মাছে ছেড়ে দিয়ে আসেন। দুপুরে বৃষ্টি শুরু হলে তিনি গরু ছাগল নেয়ার জন্য মাঠে যান।

এ সময় বিকট শব্দে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে পবিারের লোকজন তার লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।

এদিকে একই সময় ওই মাঠে ঘনুকালুপাড়া গ্রামের আকবর আলীর প্রায় লাখ টাকার একটি গরু বজ্রপাতে মারা যায়।

আত্রাই থানা ওসি তারেকুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে নিহতের ঘটনাটি সঠিক। লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১, ২০২২ ১:৩০ অপরাহ্ন
পাঁচ মাসের গরুর দাম ৫ লক্ষ টাকা
প্রাণিসম্পদ

যশোর মণিরামপুরের খর্বাকৃতির গরু ‘ঝন্টু’। প্রায় ৫ মাস বয়সের এঁড়ে বাছুরের উচ্চতা ১৭ ইঞ্চি এবং দৈর্ঘ্যে ৩১ ইঞ্চি । তবে, ওজনে প্রায় ২০ কেজি হবে। মণিরামপুরের ৫ মাস বয়সী এই এঁড়ে বাছুরটি বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকৃতির গরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

২০১৫ সালে গিনেজ রেকর্ডে ভারতের কেরালার ‘মানিক্যান’ গরুর উচ্চতা ছিল ২৪ ইঞ্চি এবং ওজন ছিল ৪০ কেজি। পরে এদেশের আশুলিয়ার একটি ফার্মে ‘রানী’ নামের গরুটি গিনেজ রেকর্ডে স্থান পায়। এই গরুটির উচ্চতা ছিল ২০ ইঞ্চি এবং ওজন ছিল ২৬ কেজি। যে কারণে ঝন্টু নামের এই গরুটি গিনেজ রেকর্ডে স্থান পেতে পারে অনেকেই ধারণা করছেন।

গত রোজার ঈদের পরদিন মণিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের খামারবাড়ি গ্রামের সরোয়ারের বাড়িতে পোষা গাভীটি এই এঁড়ে বাছুরটি জন্ম দেয়। জন্মের সময় বাছুরটি বর্তমানের তুলনায় আরো ছোট ছিল।

জন্মের পর থেকে বাছুরটি নিয়ে বাড়িতে আনন্দের শেষ নেই। দুর-দূরন্ত থেকে খর্বাকৃতির এড়ে বাছুরটি এক নজরে দেখতে বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছে। বাড়ির ছোট বড় সবাই আদর করে নাম রেখেছে ঝন্টু। বাড়ির সকলের আদরের গরুটি স্বাভাবিক গরুর মতই খাওয়া দাওয়া করে। কিন্তু তারপরও উচ্চতা, দৈর্ঘ্যে এমনকি ওজনে বৃদ্ধি পায়নি। ইতোমধ্যে বাছুরটি কিনতে চাচ্ছেন অনেকেই। যার দাম হাঁকানো হয়েছে ৫ লাখ টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩১, ২০২২ ৪:১২ অপরাহ্ন
দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

দেশকে অস্থিতিশীল করার সব ধরনের ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ বুধবার (৩১ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস ২০২২ উপলক্ষ্যে খুলনা জেলা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিপর্যস্ত-বিপন্ন বাংলাদেশ যখন উন্নয়নের রোল মডেল তখন আবার দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। আবার একটি দুর্নীতিবাজ, স্বাধীনতাবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েমের চেষ্টা চলছে। একবার আল জাজিরা কাহিনী শুরু করা হয়েছিল। এখন আবার আয়না ঘর দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে যাদের গণ্য করা হয় সে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ সময় ঐক্যবদ্ধভাবে শেখ হাসিনাকে সব ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত রাখতে হবে। কারণ শেখ হাসিনা না থাকলে সমৃদ্ধ, আধুনিক ও মুক্তিযুদ্ধের এ বাংলাদেশ থাকবে না।

বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর সাংগঠনিকভাবে যে ভূমিকা রাখার কথা ছিল সে ভূমিকা আমরা রাখতে পারিনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বেঁচে না থাকলে আওয়ামী লীগ আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারত না, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হতো না, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দাম্ভিকতা চূর্ণ হতো না, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারসহ বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের বিচার হতো না, লাল-সবুজের পতাকাকে শ্রদ্ধা জানানো হতো না, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ফিরিয়ে আনা হতো না। শেখ হাসিনা ফিরে না আসলে বাংলাদেশ নাম থাকলেও এ দেশ পূর্ব পাকিস্তানের চেয়ে কট্টর সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হওয়ার শঙ্কা ছিল।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘটনা হঠাৎ করে ঘটেনি। এটি ছিল পরিকল্পিত একটি হত্যাকান্ড। বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িতদের আমরা বিচারের মুখোমুখি করতে পারিনি। বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘটনা জানার পর যারা প্রতিরোধের দায়িত্ব পালন করার কথা ছিল, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অথবা রাজনৈতিক নেতৃত্ব তারা দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু হত্যার বেনিফিশিয়ারি যারা ছিল, হত্যার ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা ও ঘটনায় তারা যে যুক্ত ছিল, সেটা আমরা উদ্ধার করতে পারিনি। বঙ্গবন্ধু হত্যার যে খন্ডিত বিচার হয়েছে, এ খন্ডিত বিচার থেকে আত্মতুষ্টির কারণ নেই।

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, জিয়াউর রহমান ‘গো অ্যাহেড’ বলে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার মাত্র নয় দিনের মাথায় তিনি হয়ে সেনা প্রধান হয়েছিলেন। তিনি যে নাটের গুরু, তিনি যে মাস্টারমাইন্ড, তিনি যে ষড়যন্ত্রকারী সে সময় সেটা আস্তে আস্তে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছিল। বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্তে গঠিত আন্তর্জাতিক কমিশনকে বাংলাদেশে আসতে দেয়নি জিয়া। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করা যাবে না এ আইন করেছে জিয়াউর রহমান। বাঙালি জাতির জনকের হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রে, খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা, প্রতিষ্ঠা ও পুনর্বাসনে এবং মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ ধ্বংস করে দেওয়ায় সবচেয়ে বড় কাজ করেছে জিয়াউর রহমান। তাকে সহায়তা করেছিল দেশি-বিদেশি চক্র।

খুলনা জেলা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা এর সাধারণ সম্পাদক সাজু রহমানের সঞ্চালনায় ও সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাবের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন নিউজ টুয়েন্টিফোর টেলিভিশনের নির্বাহী সম্পাদক ও খুলনা বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি রাহুল রাহা, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব, বৃহত্তর খুলনা সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শুক্কুর আলী শুভ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ জামাল, সাবেক সহসভাপতি আজমল হক হেলাল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুর রহমান জিহাদ প্রমুখ। খুলনা জেলা সাংবাদিক ফোরামের সদস্যবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২২ ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
শ্রেষ্ঠ শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন বদলগাছী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
প্রাণিসম্পদ

রাজশাহী বিভাগে শ্রেষ্ঠ শুদ্ধাচার পুরস্কার পেয়েছেন নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হক। যোগদানের পর থেকেই অবকাঠামোগত উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা, সেবা কার্যক্রম বাড়ানোসহ বিভিন্ন কার্যক্রম করে চলেছেন ডা. নাজমুল হক। এর জন্য শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন তিনি।

শুক্রবার (২৬ আগস্ট) বগুড়া ক্যাসল রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তার হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা।

বদলগাছী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নাজমুল হক জানান, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আমরা আমাদের উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালকে একটি মডেল হিসেবে গড়ে তোলার স্পৃহা নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। দপ্তরের প্রত্যেকটি শাখার কাজগুলো বাৎসরিক কর্মসম্পাদন চুক্তি অনুযায়ী সুন্দরভাবে ডকুমেন্টেসভিত্তিক করে যাওয়ার চেষ্টা করছি।

সুশাসনমূলক কাজ, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল লালন, প্রতিশ্রুতি নাগরিকসেবা, ই-গভ: ও ইনোভেটিভ উদ্যোগ নেওয়া, তথ্যবহুল উপজেলা ওয়েবসাইট, অভিযোগ প্রতিকারে গণশুনানি, নিজস্ব চ্যানেলে প্রচার ও প্রচারণা, উদ্যোক্তা সৃষ্টি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২২ ১০:১০ পূর্বাহ্ন
নাটোরে দেওয়াল ভেঙে দুই লাখ টাকার দুটি গরু চুরি
প্রাণিসম্পদ

নাটোরের বড়াইগ্রামে গোয়ালঘরের ইটের দেওয়াল ভেঙে প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু চুরি হয়েছে।

রোববার (২৮ আগস্ট) দিনগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলার জোয়াড়ী ইউনিয়নের আটঘড়িয়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

সাইফুল ইসলাম জানান, রাত ৩টার দিকে তার ঘুম ভেঙে যায়। পরে গোয়ালঘরে গরুগুলো কী অবস্থায় আছে তা দেখতে যান।

এ সময় দেখেন গোয়ালঘরে দুটি গরু নেই এবং পেছন দিকের দেওয়াল ভাঙা। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও গরুগুলোর সন্ধান পাননি। চুরি যাওয়া গরু দুটির মূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা বলে দাবি করেন গৃহকর্তা সাইফুল।

এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সিদ্দিক জানান, গরু চুরির ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। গরু উদ্ধার ও চোর শনাক্ত করতে চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop